Month: October 2025

  • আর্থিক স্বার্থে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ আয়োজন বন্ধের আহ্বান আইসিসির কাছে আথারটনের

    আর্থিক স্বার্থে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ আয়োজন বন্ধের আহ্বান আইসিসির কাছে আথারটনের

    বিগত কয়েক বছর ধরে আইসিসি ইভেন্ট বা এশিয়া কাপে উপস্থিত থাকাকালীন একটি প্রশ্ন বিদ্যমান—ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে কি না, এবং যদি হয় তাহলে কোথায় এবং কিভাবে। এই বিষয়টি সব সময়ই আলোচনা, সমালোচনা এবং বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে এসেছে। বিশেষ করে এই দুই দেশের ক্রিকেটাররা ম্যাচের সময় একে অপরের সঙ্গে করমর্দন না করায়, রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের ছায়ায় ক্রিকেট মাঠও প্রভাবিত হয়ে উঠেছে। এটা নিয়েও অনেকের মধ্যে দুশ্চিন্তা প্রকাশ পেয়েছে যে, এই পরিস্থিতি ক্রিকেটের সৌন্দর্য্য ক্ষুণ্ণ করছে।

    প্রাক্তন ইংল্যান্ড অধিনায়ক মাইকেল অ্যাথারটন এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং তিনি আইসিসিকে আহ্বান জানিয়েছেন যেন তারা আর ইচ্ছাকৃতভাবে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের আয়োজন না করে। তাঁর মতে, সাম্প্রতিক এশিয়া কাপের ঘটনা প্রমাণ করে যে ক্রিকেট এখন রাজনৈতিক টানাপোড়েন ও প্রচারণার হাতিয়ার হয়ে উঠছে।

    অ্যাথারটনের বক্তব্য, টুর্নামেন্টের ফিক্সচার অর্থের জন্য সাজানো বন্ধ হওয়া উচিত। ২০২৫ সালের এশিয়া কাপ খেলায় প্রথমেই দেখা যায়, মোদ্দা বিষয় হলো, মাঠের বাইরেও রাজনৈতিক আবেগের লেপে মোড়ানো হচ্ছে এই ক্রিকেট মূলত আয় ও বাণিজ্যের জন্য। পাহালগামে সন্ত্রাসী হামলার পর কয়েক মাসের মধ্যে এই টুর্নামেন্টের আয়োজন হয়, যেখানে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ভারতীয় দল পাকিস্তানের সঙ্গে করমর্দন না করায়, খেলোয়াড়রা অঙ্গভঙ্গি ও উদযাপনে বিতর্ক সৃষ্টি করে।

    অনেকের মতে, ফাইনালের পর সূর্যকুমার যাদবের মতো ক্রিকেটাররা পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছ থেকে ট্রফি নেয়ার ক্ষেত্রে অস্বীকৃতি জানিয়ে এই বিষয়টিকে আরও স্পষ্ট করে দেন। পত্রিকায় লিখেছেন, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের একান্ত হয় তা অর্থনৈতিক দিক থেকে বেশ মূল্যবান। ২০১৩ সাল থেকে এখন পর্যন্ত আইসিসির প্রতিটি টুর্নামেন্টেই এই দুই দল মুখোমুখি হয়েছে, যার ফলে ম্যাচের বিরলতা এটিকে আরও বেশি আয়বহুল করে তুলেছে। এর ফলে, টুর্নামেন্টের ব্রডকাস্ট রাইটসের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে—২০২৩ থেকে ২০২৭ সাল পর্যন্ত প্রায় তিন বিলিয়ন ডলার।

    অ্যাথারটন মনে করেন, দ্বিপাক্ষিক সিরিজের গুরুত্ব কমে যাওয়ার কারণে আইসিসির টুর্নামেন্টগুলো এখন মুখ্য অর্থনৈতিক উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে, যেখানে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচই মুখ্য কাকতালীয় আকর্ষণ। তিনি বলেন, একসময় ক্রিকেট কূটনীতি হিসেবে কাজ করত, কিন্তু এখন তা প্রতিযোগিতা আর রাজনৈতিক প্রচারণার প্রতীক হয়ে উঠেছে। শুধুমাত্র অর্থের জন্য ম্যাচের ফিক্সচার সাজানো সম্পূর্ণভাবে অনুচিত। তিনি পরামর্শ দেন, পরবর্তী সম্প্রচার চুক্তির আগে আইসিসির উচিত সূচির স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, যাতে নিশ্চিত হওয়া যায় যে প্রতিবারই ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি হবে না।

    অ্যাথারটন আরও বলেন, আসন্ন সম্প্রচার চুক্তির জন্য স্বচ্ছভাবে ড্র করা গুরুত্বপূর্ণ। যদি কোনো সিরিজে ভারত-পাকিস্তান দেখা না যায়, তাতে কিছু যায়-আসে না। এশিয়া কাপ ২০২৫-এ দুই দেশ একই গ্রুপে থাকায়, সেটি এমন পরিকল্পনা ছিল যেখানে তিনবার মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ রাখা হয়—যা বাস্তবে হয়ে গেছে। এই প্রবণতাকে তিনি ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলে মনে করেন। তাঁর মতে, ক্রিকেটের মূল উদ্দেশ্য— খেলার আনন্দ এবং ক্রীড়ামূলক প্রতিযোগিতা— আবার ফিরিয়ে আনার সময় এসেছে।

  • খালেদ মাসুদ বিসিবি পরিচালক নির্বাচিত

    খালেদ মাসুদ বিসিবি পরিচালক নির্বাচিত

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালকের নির্বাচনে ভোট গ্রহণের প্রক্রিয়া শেষ হলো। এই নির্বাচনী ঘটনা বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে, যেখানে বিভিন্ন আলোচনার মাধ্যমে ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

    এবারের নির্বাচনে তিনটি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে মোট ২৩ জন পরিচালক নির্বাচিত হন। অন্যান্য প্রার্থী হিসেবে বাকি দুইটি পদে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) থেকে মনোনীত করা হয়েছে দুই জনকে। ভোট গণনার শেষে সন্ধ্যার দিকে প্রাথমিক ফলাফল ঘোষণা করা হয়। উল্লেখ্য, ‘বি’ ক্যাটাগরির ভোটাররা ছিল ৭৬ জন, যার মধ্যে মাত্র ৪৩ জন ভোট দিয়েছেন। এর মধ্যে ৩৪ জন ভোট দিয়েছেন অনলাইনে (ই-ভোট) এবং ৯ জন সরাসরি উপস্থিত থেকে ভোট প্রদান করেন। এই ক্যাটাগরিতে ৩৩ জন ভোটার ভোট দেননি।

    অন্যদিকে, ‘সি’ ক্যাটাগরিতে ৪৫ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৪২ জন। এর মধ্যে ৫ জন ই-ভোটের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করেছেন এবং ৩৭ জন সরাসরি ভোট দিয়েছেন। ভোট না দেয়ার সংখ্যা এই ক্যাটাগরিতে ৩ জন। এই ক্যাটাগরি থেকে প্রখ্যাত ক্রিকেটার ও সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলট ৩৫ ভোট পেয়ে বিসিবির পরিচালক পদে নির্বাচিত হন।

    ভোটের ফলাফলে দেখা গেছে, রাজশাহী বিভাগে মোট ৯ ভোটের মধ্যে ৭টি পড়েছে—৬টি ই-ভোট এবং ১টি সরাসরি। রংপুর বিভাগে মোট ৯ ভোটের মধ্যে ৫টি পড়েছে—৩টি ই-ভোট ও ২টি সরাসরি। তবে পুরোপুরি ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করতে হবে, তারপর আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।

    প্রাথমিক ফলাফলের তালিকা অনুযায়ী:
    – ‘সি’ ক্যাটাগরিতে খালেদ মাসুদ পাইলট পেয়েছেন ৩৫ ভোট, প্রতিপক্ষ দেবব্রত পাল পেয়েছেন ৭ ভোট।
    – ‘বি’ ক্যাটাগরিতে মোট ৭৬ ভোট পড়েছে, এর মধ্যে ৩৪টি ই-ভোট এবং ৯টি সরাসরি ভোট। ভোট দেননি ৩৩ জন।
    – রাজশাহী বিভাগের মধ্যে, মোট ৯ ভোটের মধ্যে ৬টি ই-ভোট ও ১টি সরাসরি ভোট পড়েছে। ভোট দেননি ২ জন।
    – রংপুর বিভাগের মধ্যে, ৯ ভোটের মধ্যে ৩টি ই-ভোট ও ২টি সরাসরি ভোট পড়েছে। ভোট দেননি ৪ জন।

    সব মিলিয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষে ফলাফল এখনো সামগ্রিকভাবে সম্পূর্ণতা পায়নি, তবে টানা পরবর্তী পদক্ষেপে বিস্তারিত ফলাফল ও তালিকা প্রকাশ করা হবে।

  • বিসিবি পরিচালনা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ীরা

    বিসিবি পরিচালনা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ীরা

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পরিষদ নির্বাচনের ফলাফল সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, তিনটি পৃথক ক্যাটাগরি থেকে মোট ২৩ জন পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন। প্রথম ক্যাটাগরি, অর্থাৎ জেলা ও বিভাগীয় কোটায়, এখানে নির্বাচিত হয়েছেন ১০ জন। দ্বিতীয় ক্যাটাগরি, ঢাকার ক্লাব কোটায়, ১২ জন সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তৃতীয় ক্যাটাগরি, সাবেক ক্রিকেটার ও সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কোটায়, একজন ব্যক্তি নির্বাচিত হয়েছেন।

    নির্বাচনের জন্য ভোটগ্রহণ আজ সোমবার, ৬ অক্টোবর, রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়।

    নির্বাচনে গঠনমূলক অংশগ্রহণ করেন বিভিন্ন কোটাগ্রহণ সদস্যরা। এনএসসি কোটায় নির্বাচিত হয়েছেন মো. ইসফাক আহসান ও ইয়াসির মাহম্মদ ফয়সল আশিক।

    জেলা ও বিভাগীয় কোটায় নির্বাচিত হয়েছেন:
    – চট্টগ্রাম বিভাগ: আহসান ইকবাল চৌধুরী, আসিফ আকবর
    – খুলনা বিভাগ: আব্দুর রাজ্জাক রাজ, জুলফিকার আলী খান
    – ঢাকা বিভাগ: নাজমুল আবেদিন ফাহিম, আমিনুল ইসলাম বুলবুল
    – বরিশাল বিভাগ: সাখাওয়াত হোসেন
    – সিলেট বিভাগ: রাহাত শামস
    – রাজশাহী: মোখলেসুর রহমান
    – রংপুর: হাসানুজ্জামান

    ঢাকার ক্লাব কোটায় নির্বাচিত হয়েছেন:
    ইশতিয়াক সাদেক, শানিয়ান তানিম, মেহরাব আলম চৌধুরী, ফারুক আহমেদ, আমজাদ হোসেন, মোকসেদুল কামাল, মঞ্জুরুল আলম, আদনান রহমান দিপন, আবুল বাশার শিপলু, ইফতেখার রহমান মিঠু, ফয়জুর রহমান ও নাজমুল ইসলাম।

    সাবেক ক্রিকেটার ও অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের কোটায় নির্বাচিত হয়েছেন:
    খালেদ মাসুদ পাইলট।

    বিসিবির এই নির্বাচনে প্রতিটি ক্যাটাগরির প্রার্থীরা স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু ভোটে বিজয় অর্জন করেছেন, যা দেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ এক ধাপ।

  • বিসিবি সভাপতি হলেন বুলবুল, সহ-সভাপতি শাখাওয়াত-ফারুক

    বিসিবি সভাপতি হলেন বুলবুল, সহ-সভাপতি শাখাওয়াত-ফারুক

    বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তিনি গত মাসে প্রথমবারের মতো বিসিবির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। এখন অনুষ্ঠিত সাধারণ সভার ভোটে তিনি তিন বছরের জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ পদে নির্বাচিত হয়েছেন, যা তার নেতৃত্বের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে।

    এছাড়াও, পরিচালকদের ভোটে একাদশ সহসভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন শাখাওয়াত হোসেন, যিনি বরিশাল বিভাগের বিসিবি পরিচালক। তার আগে তিনি বিসিবির সভাপতি বুলবুলের (ক্রিকেট পর্যটন বিষয়ক) উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছিলেন। শাখাওয়াত একজন প্রখ্যাত পর্যটন বিশেষজ্ঞ, যা ক্রিকেটের পাশাপাশি পর্যটন খাতেও তার গুরুত্ব বাড়িয়েছে।

    আরেক সহসভাপতি (দুই) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক ক্রিকেটার ফারুক আহমেদ। তিনি গত বছর আগস্টে বিসিবির সভাপতি হিসেবে বেড়ে গেলেও মে মাসে সেই দায়িত্ব হারান। আগে গুঞ্জন ছিল বিকেএসপি’র সাবেক কোচ নাজমুল আবদীন ফাহিম এই পদে আসবেন, কিন্তু শেষ মুহূর্তে এই চমকপ্রদ পরিবর্তন আসে।

    বিকাল চারটায় রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে পরিচালক পদের জন্য ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এরপর নির্বাচিত পরিচালকরা أسماء ঘোষণা করা হয় এবং শেষত these, সভাপতি ও সহসভাপতি পদে ভোটদান সম্পন্ন হয়। এসব ভোটের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন বিসিবির নির্বাচনের নিয়ন্ত্রণকারী কমিশনের কর্মকর্তারা।

    উল্লেখ্য, এর আগে বুলবুল ঢাকা বিভাগের কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হয়ে পরিচালক পদের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন। অন্যদিকে, ফারুক আহমেদ ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে পরিচালক নির্বাচিত হন। মোট ২৫ জন পরিচালক এই নির্বাচনে অংশ নেন, যার মধ্যে ১০ জন জেলা ও বিভাগীয় ক্যাটাগরি থেকে এবং ১২ জন ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে নির্বাচিত হন।

    বিশেষ করে সাবেক ক্রিকেটার ও বিভিন্ন সংস্থা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মধ্যে নেতৃত্ব দানকারী অনেকেই এই ভোটে নির্বাচিত হন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সাবেক ক্রিকেটার খালেদ মাসুদ পাইলট, যিনি বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত হন এবং দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগ থেকে মোট ১০ জন পরিচালক এবার নির্বাচিত হন।

    সর্বশেষ, এই নির্বাচনে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় বুলবুলের সভাপতি পদে পুনরায় মনোনয়ন হয়েছে এবং তারা অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ ভোটের মাধ্যমে নতুন কার্যক্রমের সূচনা করছেন।

  • বুলবুলই হচ্ছেন বিসিবির নতুন সভাপতি

    বুলবুলই হচ্ছেন বিসিবির নতুন সভাপতি

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ১৭তম সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তামিম ইকবাল মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় তিনি এই পদে মনোনীত হওয়ার ব্যাপারে ছিলো শোনা। অবশেষে, তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন আজ সম্পন্ন হয়েছে। বিশেষ দিনটি ছিল ৬ অক্টোবর, সোমবার। নির্বাচনের জন্য সকাল ১০টায় রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে ভোটগ্রহণ শুরু হয়, যা বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে। ভোট গণনার পর দেখা যায়, মোট ২৩ জন নির্বাচিত হয়েছেন তিনটি ক্যাটাগরি থেকে এবং আরো ২ জন নির্বাচিত হয়েছেন এনএসসি কোটায়। ফলে, মোট ২৫ জন পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন এই নির্বাচনে। তাদের মধ্যে থেকেই নির্বাচিত হন বোর্ডের নতুন সভাপতি।

    নির্বাচনে ক্যাটাগরি-১, অর্থাৎ জেলা ও বিভাগীয় কোটায়, ১০ জন এবং ক্যাটাগরি-২, অর্থাৎ ঢাকার ক্লাবকোটায় ১২ জন নির্বাচিত হন। এছাড়াও, সাবেক ক্রিকেটার ও বিভিন্ন সরকারি এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কোটায় নির্বাচিত হয়েছেন একজন।

    বিসিবির সভাপতি হিসেবে প্রথমবার তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন ২০২৩ সালের ৩০ মে। সে সময় তিনি বলেছিলেন, বোর্ডের দায়িত্বে থাকাকালীন তিনি একটি কুইন টি-টোয়েন্টি ম্যাচের পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে, দেশের ক্রিকেটের উন্নতিতেই তিনি দীর্ঘ মেয়াদে কাজ করতে চান বলে জানিয়েছেন। বুলবুলের নেতৃত্বে বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল হোক, এই প্রত্যাশা সকলের।

  • সমুদ্রপথে ইতালিতে অভিবাসীদের মধ্যে সবার শীর্ষে বাংলাদেশ

    সমুদ্রপথে ইতালিতে অভিবাসীদের মধ্যে সবার শীর্ষে বাংলাদেশ

    এ বছরের এখন পর্যন্ত সমুদ্র পথে ইতালিতে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশি অভিবাসীরা শীর্ষে অবস্থান করছেন। ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ১৫ হাজার ৪৭৬ বাংলাদেশি অভিবাসী সমুদ্রপথে ইতালির উপকূলে পৌঁছেছেন। এই সংখ্যা গত অন্য দেশের তুলনায় সর্বোচ্চ, যা ইঙ্গিত করে বাংলাদেশ থেকে যাত্রাকারীরা বাড়ছে। শুক্রবার প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছর ইতালি যাতায়াতের মোট অভিবাসীর সংখ্যা গত দুই বছরের তুলনায় কমলেও, বাংলাদেশের অভিবাসীরা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

  • ভারত বাংলাদেশের নির্বাচনের পরিস্থিতি ও শেখ হাসিনার ফেরত আদেশের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে

    ভারত বাংলাদেশের নির্বাচনের পরিস্থিতি ও শেখ হাসিনার ফেরত আদেশের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে

    বাংলাদেশে কোন সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হোক বা না হোক, তার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি। সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশ কূটনীতিক সাংবাদিকদের সংগঠন ডিক্যাবের এক প্রতিনিধি দলের সাথে আলোচনাকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। বিক্রম মিশ্রি বললেন, ‘‘ভারত প্রত্যাশা করে যে, বাংলাদেশে যেকোনো সরকারের নির্বাচনী প্রক্রিয়া সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ এবং অংশগ্রহণমূলক হবে।’’ তিনি যোগ করেন, ‘‘অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন কেমন হওয়া উচিত, সেটার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের। সিভিল সোস্যাইটিকে অবশ্যই সঠিক পথে পরিচালিত করতে হবে যাতে নির্বাচন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গ্রহণযোগ্য হয়। কারণ, এই নির্বাচন দেশের বাইরে থেকেও মহত্ত্বপূর্ণ।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘বাংলাদেশের বর্তমান সরকার চ turbulenceবন্ধনে নির্বাচিত না হলেও, ভারত শুরু থেকে এই সরকারের সাথে কাজ করে যাচ্ছে। এর প্রতিফলন হিসেবে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রফেসর ইউনূসকে প্রশংসা ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এমনকি গ্লোবাল সাউথ সম্মেলনে ইউনূসকে আমন্ত্রণও জানানো হয়েছিল, যেখানে তিনি অংশ নিয়েছেন।’’ বিক্রম মিশ্রি বলেন, ‘‘ভারত দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য গুরুত্ব দেয় এবং প্রতিবেশীদের সাথে যৌথভাবে কাজ করতে আগ্রহী। বিশেষ করে বাংলাদেশের সঙ্গেও সম্পর্ক উন্নয়নের গুরুত্ব রয়েছে।’’ তিনি বলেন, ‘‘শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে বাংলাদেশের অনুরোধের বিষয়টি এখন পরীক্ষা-নিরীক্ষায় রয়েছে। এটা আইনি ও বিচারিক বিষয়, তাই এখনই কিছু বলতে পারছি না।’’ এছাড়াও, ভারতের পররাষ্ট্র সচিব জানান, বাংলাদেশের জন্য ভিসার প্রসার ঘটছে এবং ভবিষ্যতে এই হার বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। গঙ্গার পানি বিষয়ক চুক্তি ও তিস্তা প্রকল্প নিয়ে তিনি বলেন, ‘‘এই দুটি বিষয় নিয়ে দুই দেশের মধ্যে যৌথ উদ্যোগ চলমান রয়েছে।’’ সীমান্তের পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বললেন, ‘‘বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘ চার হাজার কিলোমিটারের সীমান্ত রয়েছে। এখানে নিরাপত্তা, মাদক চোরাচালান ও অবৈধ প্রবেশের ঘটনা ঘটে, যেখানে ভারতীয় সীমান্ত বাহিনী নিজ ভূখণ্ডের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।’’

  • ট্রাম্প পাকিস্তানের দিকে যেন ঝুঁকছেন, ভারত নজরে রাখছে পরিস্থিতি

    ট্রাম্প পাকিস্তানের দিকে যেন ঝুঁকছেন, ভারত নজরে রাখছে পরিস্থিতি

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নতুন গতি লাভ করছে। গত সপ্তাহে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান জেনারেল অসীম মনিরের হোয়াইট হাউজ সফর এবং ট্রাম্পের প্রতি তাদের প্রশংসাসূচক বক্তব্য এই ঘনিষ্ঠতা স্পষ্ট করে দিয়েছে। এই সফরের মূল লক্ষ্য ছিল আরও অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতা বাড়ানো। জার্মানির সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে পরিবেশন করেছে এর বিস্তারিত খবর।

    গত জুলাই মাসে পাকিস্তানের জন্য শুল্কহার কমানোর বিনিময়ে জ্বালানি, খনিজ এবং কৃষি খাতে মার্কিন বিনিয়োগের চুক্তি স্বাক্ষর হয়, সেই জন্য শাহবাজ শরিফ হোয়াইট হাউজে ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান। ওভাল অফিসের বৈঠকের ছবি প্রকাশ করেছে হোয়াইট হাউজ। সেখানে দেখা গেছে, সেনাপ্রধান মনির ট্রাম্পকে বিরল মৃত্তিকা খনিজে ভরা একটি বাক্স উপহার হিসেবে দেন। এই বছর এটি মনিরের দ্বিতীয় মার্কিন সফর।

    যদিও ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী পাকিস্তানে বিশাল তেলের মজুত থাকার কথা সন্দেহের বাইরে নয়। তবে জুলাই মাসের চুক্তির সময় ট্রাম্প মন্তব্য করেন, ভারত ‘একদিন পাকিস্তানের তেল কিনতে পারে’। ট্রাম্পের এই মন্তব্যকে বেশ ব্যঙ্গের মোড়ে দেখা হয়েছে। পাশাপাশি, শরিফ ট্রাম্পকে ‘শান্তির মানুষ’ বলে আখ্যায়িত করেন এবং মে মাসে ভারত-শাসিত কাশ্মিরে ভারতীয় পর্যটকদের ওপর হামলার ফলে সৃষ্ট স্বল্পকালীন সংঘাতের পর ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সহজ করতে ট্রাম্পের ভূমিকা প্রশংসা করেন।

    অন্যদিকে, ভারত এই যুদ্ধবিরতিতে ট্রাম্পের কোনও ভূমিকা থাকার ব্যাপারে সংশয় প্রকাশ করেছে। মনির তো ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ারও যোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন। এমন সময়ে হোয়াইট হাউজে পাকিস্তানের এই উত্থান, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের সম্পর্ক ক্রমশ খারাপের দিকে যাচ্ছে, খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ট্রাম্পের আগোবারুত্বে ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকার প্রত্যাশা থাকলেও, বর্তমানে দুই নেতার মধ্যে দুরত্ব লক্ষ্যণীয়। ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবেও রাশিয়ার তেল আমদানির জন্য যুক্তরাষ্ট্র যে ৫০ শতাংশ শুল্ক রেখেছে, তা ভারত-মার্কিন সম্পর্কের উপর চাপ সৃষ্টি করছে।

    এতে ভারতের নীতিনির্ধারকদের কাছে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রেও সন্দেহের সৃষ্টি হচ্ছে। নয়াদিলির অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ প্রধান হর্ষ পন্ত বলেন, যদি পাকিস্তান মার্কিন কৌশলের কেন্দ্রে পরিণত হয়, তবে ভারতের পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে। ভারতের জন্য দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব নিয়ে সন্দেহ থাকলে ইন্দো-প্যাসিফিক অঙ্গনে কীভাবে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা হবে, তা প্রভাবিত হবে। কোয়াড জোটসহ চীনের প্রভাব মোকাবিলার ক্ষেত্রে এই পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ।

    অন্যদিকে, সৌদি আরবের সঙ্গে পাকিস্তানের সাম্প্রতিক প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে কূটনৈতিক জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। ওই চুক্তিতে বলা হয়েছে, যদি একজন দেশের বিরুদ্ধে আঘাত হয়, তা উভয়ের বিরুদ্ধে আঘাত হিসেবে গণ্য হবে। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন মিত্র দেশ সৌদি আরবের সঙ্গে পাকিস্তানের এই নতুন জোট ভারতের জন্য কৌশলগত উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    তবে, ভারতের সাবেক দূত অজয় বিসারিয়া মনে করেন, এই মুহূর্তে ভারতের নীতিনির্ধারকেরা খুব বেশি চিন্তিত নন। তিনি বলছেন, পাকিস্তান নিজেদের ভূ-রাজনৈতিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের কাছে নিজেদের প্রাসঙ্গিত বজায় রাখতে সচেষ্ট। তিনি আরও বলেছেন, এই সম্পর্কের স্থায়িত্ব থাকতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে মার্কিন-পাকিস্তান সম্পর্কের ওপর অস্পষ্টতার ছায়া থাকবেন।

    ভারতের সাবেক রাষ্ট্রদূত মীরা শঙ্কর মনে করেন, ট্রাম্প উভয় দেশের প্রতি কার্যকরীভাবে লেনদেনের দৃষ্টিভঙ্গি জলাঞ্জলি দেননি। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, পাকিস্তান নানা সুবিধা নিয়ে নিজেকে ‘প্রয়োজনীয়’ হিসেবে দেখাতে শিখেছে। তবে তাঁরা মনে করেন, মার্কিন-পাকিস্তান সম্পর্কের এই দুর্বলতা সময়ের সঙ্গে শেষ হয়ে যাবে। ভারতের জন্য উদ্বিগ্ন হওয়ার জন্য কিছু থাকলেও, তারা মনে করেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাচ্ছে না।

    জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের ডিন অমিতাভ মাত্তু বলছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্ক অনেক পুরনো। স্নায়ুযুদ্ধ থেকে শুরু করে নানা সময়ে তারা আবারও একে অপরের কাছাকাছি আসছে।’ তিনি বলছেন, বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের দ্বৈতনীতি সম্পর্কে অধিক সচেতন হয়ে উঠছে এবং ভারতের প্রতি আরও নিবেদিত। তবে, এর অর্থ এই নয় যে ওয়াশিংটন পাকিস্তানকে একেবারে কব্জায় নিয়েছে; বরং তারা হেজিং কৌশল অবলম্বন করছে, বিষয়টি এখনও অস্থির।

  • যুদ্ধবিরতি আলোচনা শুরুর দিনই গাজায় হামলা, নিহত ১০

    যুদ্ধবিরতি আলোচনা শুরুর দিনই গাজায় হামলা, নিহত ১০

    মিসরের পর্যটন শহর শারম এল শেইখে চলমান যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত আলোচনা চালুওছে যখন, ডেলো বিষয়টি এতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা থেকে পিছিয়ে নেই ইসরায়েলি বাহিনী। শুক্রবার গাজা উপত্যকায় তারা চালিয়েছে আধামিত হামলা, যার ফলে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ১০ জন নিহত হয়েছেন। নিহতের মধ্যে তিনজন খাদ্য ও ত্রাণ সহায়তা দিতে গিয়ে গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন।

    গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজায় নতুন একটি যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব তুলে ধরেন, যা ইসরায়েল দ্রুতই সমর্থন করে। এই প্রস্তাবের পরই গাজা নিয়ন্ত্রণাধীন গোষ্ঠী হামাস ৩ অক্টোবর সেটিতে সম্মতি জানায়। দুপক্ষের এই সম্মতি সত্ত্বেও, ৪ অক্টোবর ইসরায়েল গাজায় হামলা অব্যাহত রাখে, যা বন্ধের জন্য ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে আহ্বান জানান। নেতানিয়াহু এই কলের জবাবে ঘোষণা করেন, গাজায় সব ধরনের হামলা বন্ধের জন্য আইডিএফকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    তবে, গাজার সূত্র বলছে, ট্রাম্পের এই নির্দেশের পরও গত তিন দিনে নিহতের সংখ্যা ১০৪। এরা সবাই ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন। অন্যদিকে, ইসরায়েলের মুখপাত্র শোশ বেদ্রোসিয়ান রোববার এক ব্রিফিংয়ে দাবি করেন, তারা এখন ‘রক্ষণাত্মক’ অবস্থানে রয়েছে এবং গাজায় চলমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

    অন্যদিকে, মিসরের দৈনিক আল কাহেরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত সোমবার, অর্থাৎ ৭ অক্টোবর, মিসরের পর্যটন শহর শারম এল শেখে ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র, কাতার, মিসর ও হামাসের প্রতিনিধিরা ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শুরু করেন। এই বৈঠকের প্রথম পর্যায়ে গাজায় বন্দি ফিলিস্তিনি নাগরিক ও ইসরায়েলের জিম্মি সমস্যা সমাধানের প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়।

    দুই বছর আগে, ৭ অক্টোবর, ভোরে ইসরায়েলি বাহিনী ব্যাপক হামলা চালিয়ে ১,২০০ জন ব্যক্তি হত্যা করে। পাশাপাশি, হামাসের জোয়ানরা গাজায় ২৫১ জন জিম্মি করে নিয়ে আসে। এই ঘটনার জবাবে, আইডিএফ গাজায় অভিযান শুরু করে, যা এখনো চলমান। দুই বছরে এই সংঘর্ষে কমপক্ষে ৬৭,১৬০ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১,৬৯,৬৭৯ জন আহত হয়েছেন।

  • সৌদি আরবের উদ্যোগে ওমরাহ পালনে সব ভিসাধারীদের জন্য সুখবর

    সৌদি আরবের উদ্যোগে ওমরাহ পালনে সব ভিসাধারীদের জন্য সুখবর

    সৌদি আরব এই ঘোষণা দিয়েছে যে, এখন থেকে সব ধরনের ভিসাধারীরা ওমরাহ পালন করতে পারবেন। হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এটি এক বড় পদক্ষেপ যা আরও সহজ করবে মুসল্লিদের জন্য ওমরাহর প্রক্রিয়া। সোমবার (৬ অক্টোবর) সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) এই তথ্য দিয়েছে, যা গালফ নিউজের খবরে উল্লেখ করা হয়।

    মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ওমরাহর প্রক্রিয়া আরও স্বাভাবিক ও স্বাচ্ছন্দ্যকর করা হবে। এই উদ্যোগটি নেওয়া হয়েছে, হজ ও ওমরাহ সেবার মান উন্নয়ন এবং অভিযানের বহুমাত্রিক বিস্তারের অংশ হিসেবে। এটি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের ভিশন-২০৩০-এর পরিকল্পনারও একটি অংশ।

    যেসব ভিসার মাধ্যমে ওমরাহ পালন সম্ভব, সেগুলো হলো ব্যক্তিগত ও পারিবারিক ভিসা, ইলেকট্রনিক ট্যুরিস্ট ভিসা, ট্রানজিট ভিসা, কর্মভিসা এবং অন্যান্য সব ধরণের ভিসাধারীরা এখন থেকে ওমরাহর সুযোগ পাবেন।

    মন্ত্রণালয় জানায়, ‘বিশ্বের সবাই যাতে সহজে, স্বাচ্ছন্দ্য ও প্রশান্তির সাথে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা পালন করতে পারেন, সেই লক্ষ্য নিয়ে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’ এর পাশাপাশি, নুসুক ওমরাহ প্ল্যাটফর্ম চালু করা হয়েছে, যেখানে ভ্রমণকারীরা সরাসরি প্যাকেজ নির্বাচন, অনুমোদন এবং সময় নির্ধারণ করতে পারবেন। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ওমরাহর সময়সূচি পরিবর্তন, বিভিন্ন পরিষেবা বুকিংসহ অন্যান্য সুবিধাও পাবেন অনেকে।

    প্রসঙ্গত, পবিত্র দুই মসজিদ—মক্কার আল হারাম মসজিদ ও মদিনার নাবী মসজিদ—রক্ষক বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদ ও ক্রাউন প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমান মুসল্লিদের সুরক্ষা, আধ্যাত্মিকতা এবং সুন্দর অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছেন। তারা উচ্চমানের সেবা দিয়ে সব মুসল্লি যাতে নিরাপদ ও সন্তুষ্ট থাকেন, সেই চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।