Month: October 2025

  • সৈনিক লীগ নেতা থেকে মুরগির ফার্মের মালিক—টিভির লাইসেন্স পেয়েছেন কথিত রাজনৈতিক প্রভাব দিয়ে

    সৈনিক লীগ নেতা থেকে মুরগির ফার্মের মালিক—টিভির লাইসেন্স পেয়েছেন কথিত রাজনৈতিক প্রভাব দিয়ে

    প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেছেন, বিগত সরকারের আমলে অনেকের রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে টেলিভিশন চ্যানেলের লাইসেন্স লাভ করা হয়। তিনি এই মন্তব্য করেছেন বুধবার (৮ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে।

    আজাদ উল্লেখ করেছেন, সম্প্রতি দুটি নতুন টিভি চ্যানেলকে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, যার খবর গতকাল প্রথম আলো একটি মূল্যবান রিপোর্ট দিয়ে প্রকাশ করেছে। তিনি বলেছেন, এই রিপোর্টের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল আমাদের জন্য যে, বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রতীক এই তথ্যগুলোকে আমরা ব্যবহার করতে পারি।

    প্রেস সচিবের ভাষ্য, সাধারণ মানুষের জন্য জানা জরুরি, কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কোন চ্যানেলের মালিকানা পেয়েছেন। বর্তমানে বাংলাদেশে ৫০টির বেশি টিভি চ্যানেল লাইসেন্স পেয়েছে, যাদের মধ্যে ৩৬টি এখন কার্যক্রমরত।

    তিনি বলেন, এই ৩৬টি চ্যানেলের মালিকদের নামের তালিকা গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন স্পষ্টভাবে প্রকাশ করেছে। একজন সৈনিক লীগ নেতার থেকে শুরু করে মুরগির ফার্মের মালিক, সরকারি দলের সাংসদ, সাংসদদের ভাই-ভাতিজা, শাশুড়িও এই তালিকায় রয়েছেন। মূলত রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে অনেকেই টিভি লাইসেন্স পেয়েছেন।

    আবুল কালাম আজাদ উল্লেখ করেন, এ বিষয়ে মিডিয়া কোনো মন্তব্য করেনি, হয়তো তাদের সদিচ্ছা কিংবা স্বাধীনতার অভাব ছিল। তবে এখন তারা স্বাধীনভাবে রিপোর্ট করতে পারছে।

    তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, গণমাধ্যম এই স্বাধীনতা ব্যবহারে সচেতন হবে। যদি কোনো নিয়ম লঙ্ঘন ঘটে, তখন সেটাও রিপোর্ট করবে। এই ফ্রিডম, যা অতীতে তারা ব্যবহার করতে পারেনি, সেটিও এখন প্রকাশ্য।

    সবশেষে, তিনি বলেন, সংবাদমাধ্যমের এই স্বাধীনতা আমাদের সমাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে খুবই জরুরি।

  • রাউজানে বাসের ধাক্কায় হেফাজত নেতার মৃত্যুতে সড়ক অবরোধ

    রাউজানে বাসের ধাক্কায় হেফাজত নেতার মৃত্যুতে সড়ক অবরোধ

    চট্টগ্রামের রাউজানে বাসের ধাক্কায় এক হেফাজত নেতার মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবाद হিসেবে সড়ক অবরোধ করেছেন দলের নেতাকর্মীরা। আজ বুধবার (৮ অক্টোবর) সকাল থেকে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি মহাসড়ক ও চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মহাসড়ক অচল করে দেন তারা। এ সময় সেখানে আগুন জালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন তারা, ফলে সকাল থেকে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং শত শত যানবাহন আটকা পড়ে।

    চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাটহাজারী সার্কেল) কাজী মো. তারেক আজিজ জানান, ‘আমরা হেফাজত নেতাকর্মীদের সাথে আলোচনা করে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করছি।’

    এ ঘটনার প্রেক্ষাপটে, সোমবার (৭ অক্টোবর) বিকেলের দিকে রাউজান উপজেলা নবীন সেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মহাসড়কে বাসের ধাক্কায় ঘটনাস্থলে মারা যান হেফাজত নেতা মাওলানা সোহেল চৌধুরী (৫০)।

    জানা যায়, হেফাজতের এই নেতা মোটরসাইকেলে করে রাউজানের নবীন সেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকা অতিক্রম করছিলেন, তখন পেছন থেকে একটি বাস তাকে ধাক্কা দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে উপস্থিত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    নিহত সোহেলের জন্মস্থান সন্দ্বীপ উপজেলায় হলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে রাউজান পৌরসভার মেডিকেল গেট এলাকায় পরিবারের সাথে বসবাস করছিলেন। তিনি হেফাজতের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন।

  • মেনন, পলক ও দস্তগীরসহ চারজনের নতুন গ্রেফতারি মামলা

    মেনন, পলক ও দস্তগীরসহ চারজনের নতুন গ্রেফতারি মামলা

    জুলাই মাসের আন্দোলনের ঘটনায় রাজধানীর বনানী এলাকায় মো. শাহজাহান হত্যাকাণ্ডের মামলায় বাংলাদেশ ওয়ার্কাস পার্টির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, আওয়ামী লীগ নেতা আতিকুল ইসলাম ও সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে নতুন করে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার (৮ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাদেকুর রহমানের আদালত এ মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানোর অনুরোধ মঞ্জুর করেন।

    এছাড়াও, এ ঘটনায় অন্য আসামি হিসেবে আছেন ঢাকার উত্তর সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলাম ও সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

    সচেতনতা ব্যক্ত করেছেন পুলিশের একজন কর্মকর্তা, যারা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সকালেই তাদের শাটলাসহ কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তদন্তকারী কর্মকর্তা বনানী থানার উপপরিদর্শক মো. ইয়াছির আরাফাত তাদের গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন। আদালতে হাজির করার সময় তাদের শরীরে ছিল হেলমেট ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট।

    প্রতিবেদনে জানানো হয়, এদিন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, ওই দিন সকালে আসামিদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার প্রাথমিক তদন্তের জন্য তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

    মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত বছর ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ঢাকার মহাখালী ফ্লাইওভারের নিচে শান্তিপূর্ণ মিছিলে অংশ নেওয়াকালে আলোকিত নেতা মো. শাহজাহানকে অস্ত্রের মুখে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনার জন্য দায়ী করে ৯৭ জনের নাম উল্লেখ করে শাহজাহানের মা সাজেদা বনানী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, গুলিবর্ষণকারীরা দেশীয় অস্ত্রসহ বিস্ফোরক ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলার ঘটনায় জড়িত ছিল। শাহজাহান চার দিন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

  • ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে এনটিআরসিএর শাটডাউন হুঁশিয়ারি

    ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে এনটিআরসিএর শাটডাউন হুঁশিয়ারি

    চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত শূন্যপদে যোগ করে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে সুপারিশ বঞ্চিত ১৬ হাজার ২১৩ জন প্রার্থীর দ্রুত নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন তারা। এই দাবি না মানা হলে, শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) অফিস বন্ধ করে দেয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।

    বুধবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এই হুঁশিয়ারি উচ্চারিত করেন। এসময় ঘোষণা করা হয়, তারা রোববার (১২ অক্টোবর) শাহবাগে শান্তিপূর্ণ মহাসমাবেশ করবে।

    তাদের দুটি প্রধান দাবি হলো: প্রথমত, চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত শূন্যপদে যোগ করে দ্রুত সময়ের মধ্যে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই বঞ্চিত ১৬ হাজার ২১২ জন প্রার্থীকে নিয়োগ দিতে হবে। দ্বিতীয়ত, নীতিমালা পরিবর্তনের আগে, চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ ও সুপারিশ বঞ্চিত প্রার্থীদের প্রয়োজনীয় তথ্য বিশ্লেষণ করে, শূন্য পদে নতুন করে যোগ করে সবাইকে নিয়োগের জন্য বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি জারি করতে হবে।

    সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা আরও জানান, তারা নিশ্চিত হয়েছেন যে, সম্প্রতি সুপারিশপ্রাপ্ত অনেক প্রার্থী নানা কারণে যোগদান করবেন না, ফলে শিক্ষক সংকট আরও গাঢ় হবে। একারণে শিক্ষাব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়বে। এ কারণে, অযোগ্য বা অনুপযুক্ত প্রার্থীদের শূন্য পদে যোগ করে দ্রুত নতুন গণবিজ্ঞপ্তি জারি করার পক্ষে তারা।

    তারা আরও বলেন, এনটিআরসিএর একটি দুঃখজনক পদ্ধতি হচ্ছে, সব পরীক্ষায় সর্বোচ্চ মেধা যাচাই-বাছাই সত্ত্বেও অনেক যোগ্য প্রার্থীকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুপারিশ না করে নতুন নিয়োগ পরীক্ষা শুরু করে দেয়। এনটিআরসিএ এর মাধ্যমে এখন পর্যন্ত ছয়টি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর, কিছু প্রার্থীকেও কম নম্বর পেয়ে কলেজের প্রভাষক হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে।

    তবে বর্তমানে ৫০ পয়েন্টের বেশি নম্বর প্রাপ্ত অনেক যোগ্য প্রার্থীও অযোগ্য হিসেবে গণ্য হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে, কিছু সংখ্যক নিয়োগের মাধ্যমে বাকিদের বঞ্চিত করে, নতুন নিয়োগের নামে কোটি কোটি টাকার অর্থলোভে হাজারো শিক্ষকের জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

    একপ্রার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা নিয়োগের সব ধাপ উত্তীর্ণ হয়েছি, শুধু একটি কাগজের সনদ পাওয়ার জন্য। গত নিয়োগ পরীক্ষার ভাইভা খুব কঠিন ছিল, তারপরও আমরা পার করেছি, কিন্তু এখনো বঞ্চিত হচ্ছি। এটি একেবারে বৈষম্য।

  • মোটরসাইকেলে এসে গুলি করে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

    মোটরসাইকেলে এসে গুলি করে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

    চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার দক্ষিণ মাদার্শা ইউনিয়নের মদুনাঘাট বাজার সংলগ্ন পানি শোধনাগার গেটের সামনে দুর্বৃত্তদের হামলায় ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আবদুল হাকিম (৫২) নিহত হয়েছেন। তিনি রাউজান উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের পাঁচখাইন গ্রামের বাসিন্দা এবং বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতা গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী ছিলেন। তবে তার কোনো আনুষ্ঠানিক দলীয় পদ ছিল না। তিনি একজন পেশায় ভেষজ পণ্য ব্যবসায়ী এবং গরুর খামারি ছিলেন। পাশাপাশি তিনি এক বছর ধরে কুততফুলী নদী থেকে বালু উত্তোলনের ব্যবসায়ও যুক্ত ছিলেন। ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি রাউজানের রাজনীতি সক্রিয় করেন।

    সোমবার বিকেল সাঢ় পাঁচটার দিকে নিজ গ্রামের খামারবাড়ি থেকে গাড়িতে করে চট্টগ্রাম শহরের দিকে রওনা দেন হাকিম ও আরেকজন। তখন গাড়ির চালকের পাশে তিনি বসেছিলেন। বেলা সাড়ে পাঁচটার দিকে মদুনাঘাট এলাকার প্রবেশের মুখে একদল বন্দুকধারী মোটরসাইকেল আরোহী অস্ত্রধারীরা তাদের অনুসরণ করে ও পানি শোধনাগার গেটের সামনে গাড়িকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। গুলির ঘটনায় গাড়ির ভেতরে থাকা হাকিম ও অপর ব্যক্তি আহত হন। স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের উদ্ধার করে নগরের এক বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে, আবদুল হাকিমকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

    পরে জানা যায়, এ হামলা রাজনৈতিক বিরোধের জেরেই হতে পারে, কারণ চলতি মাসে চলমান সহিংসতায় রাউজানে অন্তত ১৩টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, যাদের মধ্যে বেশিরভাগটাই রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের সঙ্গে যুক্ত। এ ঘটনায় পুলিশ ওই এলাকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

  • গোপনে বাগদান সারলেন রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডা

    গোপনে বাগদান সারলেন রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডা

    দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় তারকা জুটি রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডা অবশেষে তাদের দীর্ঘ দিনের প্রেমের সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে যে, এই দুই তারকা আনুষ্ঠানিকভাবে বাগদান সম্পন্ন করেছেন।

    এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধবের উপস্থিতিতে গত শুক্রবার (৩ অক্টোবর) একান্তই পারিবারিক অনুষ্ঠানে এই বাগদান পর্ব সম্পন্ন হয়। তবে, এই সম্পর্কে তারা এখনো কোনো ব্যাপারে সরাসরি ঘোষণা দেননি।

    তবে জানা গেছে, এই প্রেমের সম্পর্কের এই শুভ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাদের আগামী পরিকল্পনা রয়েছে, যা হলো ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিবাহের প্রস্তুতি নেওয়া।

    ভক্তদের মধ্যে এই খবরের আনন্দ ও উত্তেজনা ইতিমধ্যে তুঙ্গে উঠেছে। এরই মধ্যে রাশমিকা মান্দানা একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে আলোচনাকে আরও উসকে দিয়েছেন। দশেরার দিনে তিনি ঐতিহ্যবাহী পোশাকে কপালে তিলক পরা একটি ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘শুভ দশেরা প্রিয়জন… এই বছর আমি অনেক কৃতজ্ঞ। কারণ, “তাম্মা” ট্রেলার এবং আমাদের গানের জন্য আপনারা যে ভালবাসা দেখাচ্ছেন, তা আমার জন্য খুবই প্রেরণাবহ। আপনারা যে ধরনের শুভেচ্ছা, উত্তেজনা এবং সমর্থন দিচ্ছেন, তা আমার প্রতিটা মুহূর্তকে আরও বড় ও আনন্দময় করে তোলে। শিগগিরই সিনেমা প্রচারে আসছি, আপনাদের সঙ্গে দেখা করার জন্য আর অপেক্ষা করতে পারছি না।’

    এই পোস্ট থেকে বোঝা যায় যে, অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত জীবনে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ঘটে যাওয়ার ইঙ্গিত রয়েছে ভক্তদের মনে।

    রাশমিকা মান্দানাকে পরবর্তী ছবি ‘তাম্মা’ তে দেখা যাবে, যেখানে তিনি পরিচালকের দৃষ্টিতে উপস্থাপন করেছেন ভৌতিক-কমেডি ধরনের এই চলচ্চিত্র। তাঁর বিপরীতে রয়েছেন আয়ুষ্মান খুরানা। নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী ও পরেশ রাওয়ালসহ আরও বেশ কয়েকজন অভিনেতা এই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এই ছবি মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে ২১ অক্টোবর।

    অন্যদিকে, বিজয় দেবেরাকোন্ডা সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল গৌতম তান্নানুরির পরিচালনায় তেলুগু স্পাই অ্যাকশন-থ্রিলার ‘কিংডম’ (২০২৫) সিনেমায়।

  • শাওনের ফেসবুক পোস্টে হুমায়ূন আহমেদের জীবনের কিছু ক্ষনিকের গল্প ও মনোভাব

    শাওনের ফেসবুক পোস্টে হুমায়ূন আহমেদের জীবনের কিছু ক্ষনিকের গল্প ও মনোভাব

    প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের আত্মজীবনীমূলক বই ‘নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ’ থেকে তার স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন একটি গভীর এবং ক্ষণিকের হৃদয়স্পর্শী অংশ নিজে ফেসবুকে শেয়ার করেছেন। এই বইটি হুমায়ূন আহমেদ ক্যানসার আক্রান্ত অবস্থায় নিউইয়র্কে চিকিৎসা নিতে থাকাকালীন লেখেন, যেখানে তিনি মানসিক অসুস্থতা ও বিকৃত মানসিকতার মানুষের নির্মমতা ও মনোবল ভেঙে দেওয়ার দিকগুলো অকপটে তুলে ধরেছেন।

    রবিবার (৫ অক্টোবর) শাওন তার ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেছেন কীভাবে তার স্বামী হুমায়ূন আহমেদের অসুস্থতার সময় এক ব্যক্তি তাকে অপমানজনকভাবে প্রকাশ্যে বিদ্রুপ করেছিলেন। ওই ব্যক্তি লিখেছিলেন, ‘তোমার উচিত শিক্ষা হয়েছে। আমি খুশি যে আল্লাহ তোমার স্বামীকে ক্যানসার দিয়ে তোমাকে শিক্ষা দিয়েছেন।’ এই ধরনের মন্তব্যের ফলে শাওন তার স্বামীর প্রতি দারুণ আলোচনার সৃষ্টি হয়।

    একদিন শাওন লক্ষ্য করেন, তার স্বামী চোখের পাতায় অশ্রু নিয়ে কম্পিউটারের ফেসবুক ফিডে তাকিয়ে আছেন। তিনি জিজ্ঞেস করেন, ‘এত সমস্যা কী?’ স্বামী বললেন, ‘কিছু না, মন খারাপ হয়েছে।’ শাওন বলেন, ‘আমি তোমার মন খারাপ অতিক্রম করতে পারি। বলো কী হয়েছে?’ স্বামী বললেন, ‘তুমি জানো না, কতজন আমাকে কষ্ট দেওয়ার জন্য এই মন্তব্য করেছে। কেউ লিখেছিল, আমার জীবনে আগে এটি হয়েছে, হয়তো আরও হবে।’ এই মন্তব্যগুলো হুমায়ূন আহমেদকে ভেঙে দিয়েছিল, বিশেষ করে যখন তার মেয়ে লীলাবতী মৃত্যুর পরও তাকে এমন অপমানজনক মন্তব্যের মুখোমুখি হতে হয়েছে।

    তবে, শাওন উল্লেখ করেছেন, তার স্বামী একবার তার মনোভাব পরিবর্তনে চেষ্টা করেছিলেন এবং তাকে বলেছিলেন, ‘পৃথিবীতে অনেক মানুষ মানসিক রোগে ভুগছে, তাদের নিয়ে চিন্তিত হবার কিছু নেই। আমরা তাদের বাইরে রাখতে পারি না। তবে আমাদের মনোবল রাখতে হবে। তোমার ফেসবুকে হাজারো মানুষ শুভকামনা ও সুস্থ মনোভাব প্রকাশ করছে। একবার এক ব্যক্তির সাথে তুলনা করে তিনি বলেছিলেন, তিনি কাবা শরিফে রয়েছেন এবং দোয়া করছেন যেন তার জন্য অনেক সুখ এবং শান্তি আসে।’

    শেষে, হুমায়ূন আহমেদ তাঁর জীবনের এক অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন যেখানে তিনি বিকৃত মানসিকতার একজন যুবকের মুখোমুখি হন। বইয়ে তিনি লিখেছেন, ‘আমাদের আশপাশে বিকৃত মনোভাবাপন্ন মানুষের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। একবার আমি এক যুবকের সাথে দেখা করছিলাম, তার চোখে অপ্রতিরোধ্য এই ভাবনাটা ছিল যে, ‘তোমার লেখা আমার জঘন্য লাগে’। এই কথার জন্য সে যেহেতু সাহস করে কথা বলেছে, আমি খুশি হয়েছি। তিনি আরও বললেন, ‘আমি চাই আপনি শীঘ্রই মারা যান’। তখন, আমি তাকে বলি, ‘আমি আশা করি, এবং প্রার্থনা করি, আপনার জীবন দীর্ঘ ও অর্থপূর্ণ হোক’।’ এইভাবেই হুমায়ূন আহমেদের জীবন থেকে নানা স্মৃতি ও ভাবনা সংক্ষেপে লিপিবদ্ধ হয়েছে এই বইয়ে।

  • অভিনেত্রী বাঁধন জানালেন, আমি ব্যর্থ হয়েছি

    অভিনেত্রী বাঁধন জানালেন, আমি ব্যর্থ হয়েছি

    অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন ছাত্র আন্দোলনের শুরু থেকেই সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছেন। তিনি রাজপথে নেমেছিলেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতার নিদর্শন হিসেবে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও তিনি সক্রিয় থাকেন, বিভিন্ন বর্তমান ইস্যু নিয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করে থাকেন। সম্প্রতি তিনি নিজের ব্যর্থতার কথায় সবাইকে আশ্চর্য করে দেন।

    রবিবার নিজের ফেসবুক পেজে বাঁধন লিখেছেন, ‘আমি এমন একজন নারী হতে চেয়েছিলাম, যা সবাইকে খুশি রাখতে পারে— একনিষ্ঠ, বাধ্য, শান্তভাবে মানিয়ে নিতে শেখানো। কিন্তু আমি তা হয়ে উঠতে পারিনি। আমি চেষ্টা করেছিলাম, সত্যিই করেছি। পরিবারের প্রত্যাশিত মেয়ে এবং সমাজের উদ্ভাবিত নারী চরিত্রের সঙ্গে মানিয়ে চলার জন্য। কিন্তু আমি আমার এই চেষ্টায় ব্যর্থ হয়েছি। এই ব্যর্থতার জন্য আজ আমি নিজেকেই ধন্যবাদ জানাই।’

    তিনি আরও লিখেছেন, ‘আমি অন্য কারও নিয়মে জীবন কাটানোর জন্য জন্মায়নি। আমার কথা অনেকের জন্য অস্বস্তির কারণ, আমার কাজ অনেকের জন্য সান্ত্বনার সীমা ভেঙে দেয়। আমি সহজ মানুষ না, তবে নির্মমও নয়। আমি কাউকে আঘাত দিই না, তাদের অসম্মানও করি না— যদিও অনেকেই আমার প্রতি আগ্রহ দেখায় বা দুর্ব্যবহার করে।’

    চলতি মাসের শেষে বাঁধনের জন্মদিন। এই বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘চল্লিশের পর এসে আমি আমার সঙ্গে শান্তি পেয়েছি। এখন আমি নিজের মতো জীবন যাপন করি— স্বাধীনভাবে, সৎভাবে, কোনো ক্ষমাপ্রার্থনা না করে। যদি কেউ এতে কষ্ট পায়, কেউ আমাকে উপেক্ষা করুন, ব্লক করুন বা ঘৃণা করুন, আমি তাতে কিছু মনে করি না। কারণ, যাদের আমি অস্বস্তি দিয়েছি, তাদের পাশাপাশি অনেকের ভালোবাসা, বোঝাপড়া ও সমর্থন আছে। সবচেয়ে বড় কথা, আমি নিজেকে ভালোবাসি।’

    সর্বশেষ, তিনি বলেন, ‘আমি ভাঙা নই। আমি শুধু এক পৃথিবীর কাছে অস্বস্তিকর, যেখানে এখনও আসল নারীদের ভয় করে। তোমাকে ভালোবাসি, আজমেরী হক বাঁধন। তুমি যে নারী হওয়ার স্বপ্ন দেখছিলে, শেষ পর্যন্ত ঠিক সেটাই হয়েছো।’

  • নুসরাত ফারিয়া স্ক্রিনশট ফাঁস করে বললেন, ‘এটা সম্পূর্ণ প্রতারণা’

    নুসরাত ফারিয়া স্ক্রিনশট ফাঁস করে বললেন, ‘এটা সম্পূর্ণ প্রতারণা’

    ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া সম্প্রতি ভয়ংকর এক প্রতারণার শিকার হয়েছেন। কেউ তার নাম ও ছবি ব্যবহার করে একটি ভুয়া প্রোফাইল তৈরি করে মানুষের কাছ থেকে টাকা চাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনা এতটাই গুরুতর যে, এটি শুধু সাধারণ প্রতারণা নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে প্রতারণার মারাত্মক কৌশল।

    সোমবার দুপুরে নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে সেই ভুয়া প্রোফাইলের স্ক্রিনশট প্রকাশ করে সকলকে সতর্ক করেছেন নুসরাত ফারিয়া। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, ‘কেউ আমার নাম ও ছবি ব্যবহার করে ভুয়া নম্বর দিয়ে মানুষকে টাকা দাবি করছে, যা সম্পূর্ণই প্রতারণা। এর সঙ্গে আমি সম্পৃক্ত নই।’

    অভিনেত্রী তার ভক্ত ও সাধারণ দর্শকদের উদ্দেশ্যে পরামর্শ দিয়েছেন, ‘দয়া করে ভুয়া প্রোফাইলটির কোন পোস্টে কমেন্ট করবেন না বা কেউ যদি টাকা চান, তবে তা বিশ্বাস করবেন না এবং দ্রুত রিপোর্ট করুন।’

    বিনোদন অঙ্গনে এমন ভুয়া আইডি, হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টের খবর নতুন নয়। এটি মাঝেমাঝেই শোনা যায় এবং অভিনেতারা এর শিকার হন। এবার নুসরাত ফারিয়া নিজেও এই ধরনের বিড়ম্বনায় পড়েছেন। তার এই সতর্কবার্তা সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

    আগের বছরেই অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা ও বরেণ্য চিত্রনায়ক আলমগীরও ভুয়া আইডির শিকার হয়েছিলেন। আলমগীরের ক্ষেত্রে তার মেয়ে আঁখি আলমগীর সতর্ক করেছিলেন, আর প্রভা নিজেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছিলেন। এই ঘটনাগুলোর মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে বোঝা যায়, জনপ্রিয় তারকাদের নামে ভুয়া অ্যাকাউন্টের বাতাবরণ অনেক সময়ই ভয়ংকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে।

  • পরীমনি: প্রেমিক নয়, শেখ সাদী আমার ছোট ভাই

    পরীমনি: প্রেমিক নয়, শেখ সাদী আমার ছোট ভাই

    ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনির জীবন ঘিরে প্রেম ও বিয়ের গুঞ্জন যেন শেষ হওয়ার নাম নেয় না। একের পর এক সম্পর্কের খবর, আলোচনা ও সমালোচনার মাঝে তিনি নিজের মতো করে জীবন চালিয়ে যাচ্ছেন। সম্প্রতি একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে তিনি তার ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে প্রকাশ্যে কথা বলেছেন।

    বছরের শুরুর দিকে তরুণ গায়ক শেখ সাদীর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়। এমনকি এক সময় আদালতেও একসঙ্গে দেখা যায় তাদের দুজনকে। শেখ সাদী তখন পরীমনির জামিনদার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। পরে বিভিন্ন জায়গায় তাদের একসঙ্গে দেখা যায় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রোমান্টিক পোস্টে সেই গুঞ্জন আরো জোরদার হয়। তবে এসব সম্পর্ক বেশিক্ষণ টিকেনি। এপ্রিলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হয়, তাদের সম্পর্ক শেষ হয়েছে।

    তীব্র গুঞ্জনের মধ্যেও কেউই এই বিষয়টি নিয়ে সরাসরি কিছু বলেননি। এবার পরীমনি নিজেই এই নীরবতা ভাঙলেন। একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠান চলাকালে যখন উপস্থাপক প্রশ্ন করেন, ‘শেখ সাদী কি আপনার প্রেমিক?’ তখন তিনি হেসে জবাব দিয়েছেন, ‘ও আমার ছোট ভাই। ও আমার ছোট ভাইয়ের মতো।’

    পূর্ববর্তী এক সাক্ষাৎকারে পরীমনি বলেছিলেন, ‘বিপদের সময় যে পাশে থাকে, সে আসল জীবনের জন্য আশীর্বাদ। আমি এই জীবনে অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী পেয়েছি, যারা আমার সুখ-দুঃখের গল্প শেেয়ার করে মানসিকভাবে ভালো থাকি।’

    অন্যদিকে, শেখ সাদী বলেন, ‘আমি অনেক দিন ধরে শিল্পে কাজ করছি। পরীমনির মধ্যে অনেক ইতিবাচক গুণ রয়েছে। বিপদ-আপদে তিনি মানুষের পাশে থাকেন। আমি তার মঙ্গল কামনা করি সবসময়।’

    অনুষ্ঠানে যখন পরীমনিকে প্রশ্ন করা হয়, ‘আপনি কি এখন সিঙ্গেল?’ তিনি উত্তরে বলেন, ‘না।’ এরপর যোগ করেন, ‘শোনেন, আমি যদি নিজেকে সিঙ্গেল বলি, কেউ বিশ্বাস করবে না। আমি নিজে এটা বিশ্বাস করি না। আমার মন এখনও প্রেম প্রেম করে ভরপূর, এটা থাকা উচিত।’

    প্রেমের পর বিয়ের বিষয়টিও ওঠে আসে। সঞ্চালক জিজ্ঞেস করেন, ‘তুমি মোট কতবার বিয়ে করেছো?’ পরীমনি জানান, ‘একবার।’ তখন সঞ্চালক বলেন, ‘শরীফুল রাজের কথা বলছেন, তারপর শুনি অন্যান্য বিয়ের কথা?’ তিনি হেসে জবাব দেন, ‘জানি না। ওরা মনে হয় সৎস্বামী, যাদের সাথে ডিভোর্স হয়নি। ’

    পূর্বে তার খালাতো ভাই ইসমাইলের বিষয়েও গুঞ্জন উঠেছিল, যিনি তার শোবিজে পথচলার সঙ্গী ছিলেন। বলা হয়, তিনি তার সঙ্গে বিয়েও করেছিলেন। গত বছর নভেম্বরে এক সড়ক দুর্ঘটনায় ইসমাইলের মৃত্যু এই গুঞ্জন আরও বাড়িয়ে দেয়। সঞ্চালক জানতে চান, ‘ইসমাইল কি তোমার স্বামী ছিলেন?’ পরীমনি বিনা দ্বিধায় উত্তর দেন, ‘হ্যাঁ, তিনি আমার সৎস্বামী ছিলেন।’

    সাক্ষাৎকারের এক পর্যায়ে সঞ্চালক মজা করে জিজ্ঞেস করেন, ‘তুমি কতবার বিয়ে করতে চাও?’ পরীমনি হাসতে হাসতে বলেন, ‘আমার ইচ্ছে আছে রাজি হয়ে ১২টি বিয়ে করার। ছোটবেলা থেকেই এ গল্প বলতাম যে, আমি এক ডজন বিয়ে করব। এরকম রিউমার যাতে সত্যি হয়, সেটা আমি বুঝতে পারিনি। আগে বলতাম, এখন আর বলছি না।’

    দশ বছরের বেশি সময় ধরে ঢালিউডে কাজ করছেন পরীমনি। তার অভিনয় যেমন আলোচনায় থাকেন, তেমনি কখনো কখনো তার ব্যক্তিগত জীবন, প্রেম, বিয়ে এবং বিচ্ছেদের গল্প নিয়েও বেশ আলোচিত হন তিনি। শোবিজে তার প্রেমের সম্পর্কের বিষয়েও নানা আলোচনায় উঠে আসে, যেমন তার শরীফুল রাজের সাথে প্রেম ও বিয়ের খবর। তবে সেই সম্পর্কও স্থায়ী হয়নি। এরপর সিয়াম আহমেদের সঙ্গেও তার প্রেমের গুঞ্জন শোনা গেল, যদিও তিনি সবসময় তা অস্বীকার করেছেন।