Month: October 2025

  • খুলনায় মুজিব লোগো সম্বলিত লিফলেট বিতরণের ঘটনায় ক্ষোভ ও বিভ্রান্তি

    খুলনায় মুজিব লোগো সম্বলিত লিফলেট বিতরণের ঘটনায় ক্ষোভ ও বিভ্রান্তি

    খুলনা জেলার শিল্পকলা একাডেমিতে বিশেষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সৌজন্যে কেএডিএ (খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) মুজিব শতবর্ষের লোগো সম্বলিত লিফলেট বিতরণ করে। তবে এই কার্যক্রমের কারণে উপস্থিত অনেক অংশগ্রহণকারী এতটাই ক্ষুব্ধ হন যে, বাধ্য হয়ে দ্রুত সব লিফলেট ফেরত নেয়া হয়। গত সোমবার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত এই সেমিনারটি দোতলায় আয়োজিত হয়।

    দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে কেএডিএ র‌্যালি, আলোচনা সভা, কুইজ প্রতিযোগিতা এবং আরও বেশ কিছু সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। তবে এই অনুষ্ঠানের মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রে ছিলো এমন কিছু ঘটনা, যা ধীরে ধীরে মুখে উঠে আসে নানা অসঙ্গতির বিষয়।

    আলোচনা সভায় অতিথি ও আমন্ত্রিতদের হাতে তুলে দেওয়া হয় মুজিব লোগো সম্বলিত লিফলেট। কিন্তু বিষয়টি তদন্ত করে দেখা গেলো, এই লিফলেটগুলি ইতিহাসের এক অপ্রত্যাশিত দিক নির্দেশ করে—যেখানে দেখা যায়, এটি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের মত একই ধরনের। পরিস্থিতির এতটাই তৎক্ষণাৎ ক্ষোভের সৃষ্টি হয় যে, উপস্থিত অনেকেই তা অপসারণ করতে বাধ্য হন।

    অংশগ্রহণকারী অনেকেরই অভিযোগ, এই ধরনের লিফলেট বিতরণ শুধুমাত্র অবহেলাজনিত ভুলই নয়, বরং একটি গুরুত্বহীনতা ও অসম্মানের প্রকাশ। তারা বলছেন, এই কাজের মাধ্যমে সরকারের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।

    প্রকৌশলী মাহমুদ আলম জানান, সরকারের পরিবর্তনের পরেও কেএডিএর মতো সংস্থা যদি এতটাই পুরোনো রাজনৈতিক পরিচয় বহন করে এমন লিফলেট বিতরণ করে, তা মানা যায় না। তিনি অভিযোগ করেন, এটি শুধুমাত্র ভুলই নয়, বরং একটি অযত্নের দৃষ্টান্ত। সরকারি সকল উপকরণ ও কার্যক্রমের যথাযথ যাচাই-বাছাই হওয়া প্রয়োজন বলে তিনি দাবি করেন।

    অভিযোগের জের ধরে, পরিকল্পনা কর্মকর্তা তানভীর আহম্মেদ জানান, তিনি এই লিফলেটের বিষয়ে কিছু জানেন না এবং কোন ভুল করেননি বলে দাবী করেন। তার দাবি, তিনি এই বিষয়েও সংশ্লিষ্ট ছিলেন না।

    খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ জাহাংগীর হোসেন স্বীকার করেছেন, এটি খুবই অনাকাঙ্ক্ষিত একটি ঘটনা। তিনি বলেন, ‘দিবসের অনুষ্ঠানে অনেক লিফলেট তৈরি হয়। ভুলবশত এগুলো চলে এসেছে। তবে, আমি সবাইকে জানাচ্ছি, আমি এর জন্য দুঃখিত এবং ক্ষমা চাইছি।’

    খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘অফিসে কিছু পুরনো লিফলেট ছিল, সাধারণত ব্যবহারের জন্য রাখা। ভুলক্রমে কিছু বিতরণ হয়ে গিয়েছিল। আমরা তা দেখে তা দ্রুত তুলে নিয়ে ডাস্টবিনে ফেলে দিয়েছি। আমরা বিষয়টি বিস্তারিত তদন্ত করে দেখছি এবং যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ারও ঘোষণা দিচ্ছি।’

  • দিঘলিয়ায় পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ সন্ত্রাসী রিপন গ্রেফতার

    দিঘলিয়ায় পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ সন্ত্রাসী রিপন গ্রেফতার

    দিঘলিয়া উপজেলার घरাঘোড়া এলাকায় যৌথ বাহিনীর কঠোর অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গুলিসহ এক চিহ্নিত সন্ত্রাসী রিপনকে আটক করা হয়। এই উদ্ধার অভিযানে তার কাছ থেকে একটি ৫.৬ ক্যালিবারের পিস্তল, পাঁচ রাউন্ড গুলি এবং তিনটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। রিপন এলাকার বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলার আসামি, যার মধ্যে বেশিরভাগই অস্ত্র ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত। সম্প্রতি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দিঘলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ এইচ এম শাহীনের নেতৃত্বে, নৌবাহিনীর সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। পুলিশ জানায়, উপজেলার ফরমাইশখানা এলাকায় একটি নিরিবিলি বাগানে যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে রিপনকে গ্রেফতার করে। এলাকাবাসীরা জানায়, কনডম রিপন হিসেবে পরিচিত এই সন্ত্রাসী দীর্ঘদিন যাবৎ এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব চালিয়ে আসছিল। তার গ্রেফতারে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। এইচ এম শাহীন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল রিপন। তার দমন-পীড়নের মাধ্যমে এলাকার জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে। পুলিশ বলছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দাখিল করা হয়েছে এবং আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পুলিশ বলেছে, জঙ্গি বা সন্ত্রাসের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন অপরাধীই আইনের ঊর্ধ্বে নয়।

  • ভোক্তা ক্ষমতা আরও বাড়ানোর আশায় ই-কমার্স সংশোধন

    ভোক্তা ক্ষমতা আরও বাড়ানোর আশায় ই-কমার্স সংশোধন

    বর্তমান ‘ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯’ এর দুর্বলতা কাটিয়ে ভবিষ্যতে ই-কমার্সসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করার জন্য এর সংশোধন ও সংস্কারের প্রস্তাবনা মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। এই খবর জানিয়েছেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) ফারুক আহম্মেদ। তিনি জানান, সরকার দ্রুত এই প্রস্তাবটি পাস করলে ভোক্তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও প্রতিপালনে আরও শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। মঙ্গলবার দুপুরে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর অবহিতকরণ ও বাস্তবায়ন’ বিষয়ক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। মহাপরিচালক ফারুক আহম্মেদ বলেন, আমাদের থাকা আইন কিছু সীমাবদ্ধতা ও দুর্বলতাসহ অনেক কমজোরি রয়েছে। এসব সমস্যা কাটিয়ে ওঠার জন্য সংশোধনমূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। বিশেষ করে ই-কমার্সসহ অন্যান্য খাতে আমাদের ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য পরিকল্পনা ও প্রস্তাবনা আমরা মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছি। তিনি স্বীকার করেন, বর্তমানে এই আইনের অনেক দুর্বলতা থাকার কারণে অনেক দোষী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান সক্রিয়ভাবে আইনের আওতায় আসতে পারছে না। তিনি উল্লেখ করেন, এই আইনে সংশোধনী আসলে স্বাস্থ্য, চিকিৎসা সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সেবা খাতগুলোও সরাসরি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের আওতায় আসবে। অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (শিক্ষা ও আইসিটি) দেবপ্রসাদ পাল সভাপতিত্বে, উপ-পরিচালক মোহাম্মাদ সেলিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মো: হুসাইন শওকত, এবং জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিচালক (উপসচিব) মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম। বক্তারা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর বিস্তারিত অবহিতকরণ, প্রয়োজনীয় সংশোধনী এবং এর বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এ ছাড়াও সরকারি, বেসরকারি এবং বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ক্যাব সদস্য ও গণমাধ্যমকর্মীরাও স্বতঃস্ফূর্ত অংশ নেয়।

  • নগরীর আদালত প্রাঙ্গণে সংঘর্ষে আহত ১

    নগরীর আদালত প্রাঙ্গণে সংঘর্ষে আহত ১

    নগরীর আদালত প্রাঙ্গণে বাদী ও বিবাদী দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় একজন আহত হয়েছেন। সোমবার বিকেলে খুলনার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে এই ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় আদালত সূত্রে জানা গেছে, তেরখাদা উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য ফারুক মীর হত্যা মামলার আসামিরা আদালতে জামিন নিতে উপস্থিত হয়। বিচারক তানিয়া আক্তার, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২, ওই দিন বিকেল ৩টায় জামিনের শুনানি ধার্য করেন। শুনানি শেষে প্রায় ৫০ জন আসামিকে ১৫ দিনের জামিন দেওয়া হয়। এর আগে উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে আসামিরা আদালত থেকে নামার সময় আসামের পক্ষ ও মামলার বাদীর মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে উত্তেজনা বাড়তে বাড়তে পাল্টা ধাওয়া-প্রতিঘাতের রূপ নেয়। এ সময় আদালত ভবনে থাকা অগ্নিনির্বাপনী গ্যাস সিলিন্ডার থেকে গ্যাস বের হয়, যা পরিস্থিতি আরও ক্ষতিগ্রস্ত করে। খবর পেয়ে পুলিশ এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। উল্লেখ্য, এর আগে ৫ সেপ্টেম্বর তেরখাদা উপজেলার উত্তর কোলা গ্রামের ফারুক হোসেন মীরকে দিঘলিয়া উপজেলার গাজীরহাট কোলা বাজার সংলগ্ন শরিফুল ইসলামের বাড়ির ভেতরে ভয়ংকরভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এই হত্যাকাণ্ডে আহত হয় আরও অন্তত ১০ জন। আহত ফারুক মীরকে দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের মামলার বাদী তার পিতা গাউস আলী মীর দিঘলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ওই এলাকার মোহাম্মদ কাজী, দ্বীন ইসলাম সরদার, নিহাল উদ্দিন শিকদার, রিপন শেখ, মিলটন শেখ, লিটন শেখ, রবিউল শেখসহ মোট ৫৪ জনকে আসামী করে মামলা রুজু করা হয়েছে।

  • ভৈবর নদে নোঙর অবস্থায় সুন্দরবনের ট্যুরিস্ট জাহাজ ডুবে গেল

    ভৈবর নদে নোঙর অবস্থায় সুন্দরবনের ট্যুরিস্ট জাহাজ ডুবে গেল

    খুলনার ভৈরব নদে নোঙর করা অবস্থায় এমভি জিলান নামে সুন্দরবনের একটি ট্যুরিস্ট জাহাজ ডুবে গেছে। ঘটনাটি ঘটে সোমবার সকালে যখন জাহাজটি নদীতে ভাসমান অবস্থায় ভারসাম্য হারিয়ে ডুবে যায়। জানা গেছে, এই জাহাজটি কাস্টমস ঘাটে মেরামতের জন্য নোঙর করা ছিল। রোববার রাতে থেকে এটি কাস্টমস ঘাট সংলগ্ন ডকইয়ার্ডে রাখা ছিল। ওই সময় ধীরে ধীরে জাহাজটি ডুবে যেতে শুরু করে, তবে জোয়ারের সময় সোমবার সকালেই পুরোপুরি ডুবে যায়। এই জাহাজটি খুলনায় ‘রেইনবো ট্যুরস’ নামে সুন্দরবনে পর্যটন কার্যক্রম পরিচালনা করছিল।

    ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবনের (টোয়াস) সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আজম ডেভিড বলেন, সম্প্রতি এই জাহাজটি সুন্দরবনে তিন দিনের ট্যুর শেষে মেরামতের জন্য কাস্টমস ঘাটে রাখা হয়েছিল। জাহাজে এসি ও বাথরুমের কাজ চলছিল। কিন্তু এরই মধ্যে অসাবধানতার কারণে বাথরুমের পাইপলাইনে পানি ঢুকে যায়। এ বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে না রাখায় শেষ পর্যন্ত জাহাজটি ডুবে যায়।

    জাহাজের মালিক হারুনুর রশিদের ছেলে মো. জামিল জানান, ডকইয়ার্ডে জাহাজটি মেরামতের জন্য রাখা হয়। এ সময় পানির ব্যবস্থা ছিল, কারণ জাহাজে গোসলের পানি ও অন্যান্য সামান্য লোড ছিল। ফলে জাহাজটি একদিকে কাত হয়ে যায়। আর জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়ে জাহাজের ভেতরে প্রবেশ করে ডুবে যায়।

    নৌপুলিশের অফিসার ইনচার্জ আবুল খায়ের জানিয়েছেন, ভৈরব নদে কাস্টমস ঘাটের ডকইয়ার্ডে নোঙর থাকা জাহাজটি একদিকে কাত হয়ে যায়। জোয়ারের পানির চাপ বাড়ার কারণে জাহাজের ভেতরে পানি ঢুকে শেষ পর্যন্ত ডুবে যায়। জাহাজটি উদ্ধারে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চেষ্টা চালাচ্ছে।

  • সব রেকর্ড ভেঙে সোনার ভরি দুই লাখের কাছাকাছি

    সব রেকর্ড ভেঙে সোনার ভরি দুই লাখের কাছাকাছি

    বাংলাদেশের স্বর্ণের বাজার আবারও আকাশচুম্বি দামে পৌঁছেছে। সব থেকে গুণগত মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম এবার ২,১৯২ টাকা বৃদ্ধির মাধ্যমে মোট ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৭৬ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। এই দামে বিক্রি হলে এটি হবে দেশের সর্বোচ্চ স্বর্ণের দাম তার ইতিহাসে। এর আগে, গত শুক্রবার এই দাম ছিল ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮৪ টাকা।

    বাজুসের পক্ষ থেকে শনিবার (৪ অক্টোবর) রাতে এই মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা দেয়া হয়, যা রোববার থেকে কার্যকর হবে। বাজারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা ও তেজাবী স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম বৃদ্ধি ঘটার পরিপ্রেক্ষিতে এই সংশোধনী আনা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

    নতুন দামে, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৭৬ টাকা। এছাড়া, অন্যান্য মান অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য ১ লাখ ૮৮ হাজার ৯১০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৬১ হাজার ৬৫১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি ১ লাখ ৩৪ হাজার ২৫৩ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    অতঃপর, এর আগে এই দামে ছিল ২২ ক্যারেট ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮৪ টাকা, ২১ ক্যারেট ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৯৬ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৫৯ হাজার ৮৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৩২ হাজার ৭২৫ টাকা।

    অপরদিকে, রুপার মূল্য ওই একই geblieben, যার মানে কোনো পরিবর্তন আসেনি। এখনো পর্যন্ত রুপার দাম রয়েছে ২২ ক্যারেটের জন্য ৩ হাজার ৬২৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ৩ হাজার ৪৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ হাজার ৯৬৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির জন্য ২ হাজার ২২৮ টাকা।

  • দ্বিতীয় মাসে রপ্তানি হ্রাস অব্যাহত

    দ্বিতীয় মাসে রপ্তানি হ্রাস অব্যাহত

    চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় মাসে পণ্য রপ্তানিতে কিছুটা হেরফের দেখা গেছে। এ সময় রপ্তানি আয় প্রায় ৩ শতাংশ কমে গেছে। এই ধারা তৃতীয় মাসেও অব্যাহত থাকায় সেপ্টেম্বরে রপ্তানি কমে গেছে প্রায় ৫ শতাংশ। গত বছরের একই মাসের তুলনায় এই মাসে রপ্তানি কমেছে ১৭ কোটি ডলার से বেশি। ফলে, সেপ্টেম্বরে রপ্তানি মোট দাঁড়িয়েছে ৩৬৩ কোটি ডলারে, যা আগের বছরের একই মাসে ছিল ৩৮০ কোটি ডলার থেকে কিছুটা কম।

    রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, তৈরি পোশাকের রপ্তানি এই মাসে প্রায় ৬ শতাংশ কমে গেছে। মূলত পোশাকের রপ্তানি কমে যাওয়াতে মোট রপ্তানি আয় নেতিবাচক ধারায় রয়েছে। পোশাকের রপ্তানি এ মাসে পৌঁছেছে ২৮৪ কোটি ডলারে, যা গত বছরের একই মাসে ছিল ৩০১ কোটি ডলার।

    যদিও একক মাসের হিসাবে এই হ্রাস ঘটলেও, অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিক অর্থাৎ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ের রপ্তানি আগের অর্থবছরের একই সময়ে তুলনায় প্রায় ৬ শতাংশ বেড়েছে। এই বৃদ্ধির মূল কারণ হলো, প্রথম মাসে রপ্তানি বেড়ে যায় ২৫ শতাংশ, তবে দ্বিতীয় মাসে এটি কমে যায় প্রায় ৩ শতাংশের কাছে।

  • সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৮.৩৬ শতাংশে পৌঁছেছে

    সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৮.৩৬ শতাংশে পৌঁছেছে

    সেপ্টেম্বরে দেশের মোট মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়ে হয়েছে ৮.৩৬ শতাংশ, যা আগের মাস আগস্টে ছিল ৮.২৯ শতাংশ। এই মাসে দেশের খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত দুই ধরনের পণ্যের দামে বেড়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি ও সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের পরও দেশব্যাপী মূল্যস্ফীতি আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) দ্বারা প্রকাশিত মাসিক ভোক্তা মূল্য সূচক (সিপিআই) অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে দেশের গড় মূল্যস্ফীতি ৮.৩৬ শতাংশে পৌঁছেছে। এর অর্থ হল, যদি একটি পণ্য গত বছর ১০০ টাকায় কিনতেন, তবে এই বছরের সেপ্টেম্বরে তার মূল্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৮ টাকা ৩৬ পয়সা। সাধারণ কথা বললে, মূল্যবৃদ্ধির এই হার অর্থনীতির উপর চাপ সৃষ্টি করছে, কারণ জীবনযাত্রার খরচ বাড়ছে। যদি মানুষের আয় একই রকম থাকে বা তার হারে কমে যায়, তবে তারা ধীরে ধীরে কষ্টে পড়ছেন। গত অর্থবছরে দেশের গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ শতাংশের বেশি, তবে এ বছর অর্থাৎ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সেটি ৬.৫ শতাংশের মধ্যে ধরে রাখার লক্ষ্যমাত্রা সেট করেছে সরকার। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই লক্ষ্যমাত্রা নিশ্চিত করার জন্য সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে। তবে, সত্যিকার অর্থে এই লক্ষ্য অর্জন এখনো বেশ কঠিন, কারণ মূল্যস্ফীতি এখনও লক্ষ্যপর্যন্ত নামেনি। বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সেপ্টেম্বর মাসে দেশের খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়ে ৭.৬৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা আগের মাসে ছিল ৭.৬ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতিও বেড়ে ৮.৯৮ শতাংশে পৌঁছেছে, যা আগের মাসে ছিল ৮.৯ শতাংশ। সরকারি নানা পদক্ষেপের পরও ভোগ্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে আসছে না। অন্যদিকে, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে এ মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি মূল্যস্ফীতি দেখা যাচ্ছে। ভারতে এই হার ২.০৭ শতাংশ, পাকিস্তানে ৫.৬ শতাংশ, শ্রীলঙ্কায় ১.৫ শতাংশ, নেপালে ১.৬৮ শতাংশ, আফগানিস্তানে ২.২ শতাংশ, মালদ্বীপে ৪.৬ শতাংশ এবং ভূটানে ৩.৬ শতাংশ। সাম্প্রতিক সময়ে শহরের চেয়ে গ্রামাঞ্চলের জীবনযাত্রার ব্যয় বেশি হচ্ছে। এই মাসে গ্রামাঞ্চলে গড় মূল্যস্ফীতি ৮.৪৭ শতাংশ হওয়ার পাশাপাশি শহরে তা ৮.২৮ শতাংশে নেমে এসেছে। এডিবি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মুদ্রাস্ফীতির হার ৮ শতাংশে নেমে আসার পূর্বাভাস দিলেও বলেছে, এটি হবে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ হার। তবে, সামগ্রিকভাবে দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতি ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতার পথে এগোচ্ছে। তবুও, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে খাদ্য ও জ্বালানি খাতে মূল্যস্ফীতির সমস্যা এখনো বড় উদ্বেগের কারণ। অন্যদিকে, ভারতের ও শ্রীলঙ্কার অভিজ্ঞতা দেখাচ্ছে, কঠোর মুদ্রানীতি, কার্যকর বাজার তদারকি এবং উৎপাদনশীল নীতির বাস্তবায়ন হলে দ্রুত মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

  • মুদ্রাস্ফীতি কমলেও দারিদ্র্য বাড়ছে, কর্মসংস্থান কমেছে: বিশ্বব্যাংকের বিশ্লেষণ

    মুদ্রাস্ফীতি কমলেও দারিদ্র্য বাড়ছে, কর্মসংস্থান কমেছে: বিশ্বব্যাংকের বিশ্লেষণ

    চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রায় ৪.৮ শতাংশ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। মুদ্রাস্ফীতির চাপ কিছুটা কমার কারণে বেসরকারি খরচে সামান্য বৃদ্ধি দেখা সম্ভব, যার ফলে গত অর্থবছরের তুলনায় অর্থনৈতিক কার্যক্রমের কিছুটা উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট প্রতিবেদনের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আগামি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এই প্রবৃদ্ধি আরও শক্তিশালী হয়ে ৬.৩ শতাংশে পৌঁছানোর আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।

    আজ মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিশ্বব্যাংকের নিজস্ব কার্যালয়ে একটি সংবাদ সম্মেলনে এই প্রতিবেদনের প্রকাশ ঘটে। এ সময় একই অনুষ্ঠানে এশিয়ার ডেভেলপমেন্ট আপডেট নামক অন্য একটি প্রতিবেদনের বিষয়েও আলোচনা করা হয়।

    বিশ্বব্যাংকের ডিভিশনাল ডিরেক্টর জেন পেসমি ও তার দলের অন্য সদস্যরা এই প্রতিবেদনে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির বিস্তারিত বিশ্লেষণ উপস্থাপন করেন। চিফ ইকনোমিস্ট ফ্রানজিসকা লেসলোট ওহসেজ বাংলাদেশের অর্থনীতির বর্তমান অবস্থান এবং ভবিষ্যৎ প্রবণতা নিয়ে আলোচনা করেন, যেখানে উল্লেখ করা হয়, চলতি অর্থবছরে বিনিয়োগের পরিমাণ কিছুটা বাড়বে। তবে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এই প্রবৃদ্ধির গতি কিছুটা বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

    এছাড়া, আমদানির স্বাভাবিক হওয়ার ফলে চলতি হিসাবের ভারসাম্য সামান্য ঘাটতির দিকে যেতে পারে। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের উন্নতির সঙ্গে রাজস্ব আয়ের বৃদ্ধির ফলে জিডিপি অনুপাতের রাজস্ব ঘাটতি ৫ শতাংশের নিচে রাখতে সক্ষম হবে বলেও আশাবাদ প্রকাশ করা হয়।

    প্রতিবেদনটি মুদ্রাস্ফীতির উন্নতি বিষয়ে নির্দেশ করে, যেখানে পরবর্তী মাসগুলোতে মুদ্রাস্ফীতির হার হ্রাসমান থাকলেও, ২০২৫ সালের আগস্টে তা ৮.৩ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার ২০২৪ সালের নভেম্বরের ১৩.৮% থেকে কমে ২০২৫ সালের আগস্টে ৭.৬% এ নেমে এসেছে। এই পরিবর্তনে বিনিময় হার স্থিতিশীল থাকা এবং খাদ্য সরবরাহের পুনরুদ্ধার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

    নিম্ন আয়ের মানুষজনের মধ্যে মজুরি বৃদ্ধির হার এখনো মুদ্রাস্ফীতির চেয়ে বেশি থাকলেও, সাম্প্রতিক সময়ে এই ব্যবধান কিছুটা কমে এসেছে। তবে দারিদ্র্যের হার বেড়ে চলেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৫ অর্থবছরে দেশের দারিদ্র্য হার ২১.২% এ পৌঁছেছে, যা ২০২৪ সালে ছিল ২০.৫%। শ্রমশক্তির অংশগ্রহণও কমে গেছে, যেখানে ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে শ্রমশক্তির অংশগ্রহণ হার ৬০.৯% থেকে কমে ৫৮.৯% হয়ে গেছে, মূলত নারীর অংশগ্রহণের হ্রাসের কারণে। এই সময়ে প্রায় ৩০ লাখ কর্মক্ষম বয়সী মানুষ শ্রমশক্তির বাইরে ছিলেন, যার মধ্যে ২.৪ মিলিয়ন নারী। মোট কর্মসংস্থান প্রায় ২০ লাখ কমে ৬৯.১ লাখে দাঁড়িয়েছে, ফলে শ্রমশক্তি অনুপাত ২ শতাংশ পয়েন্ট কমে ৫৬.৭% হয়েছে।

    অর্থনৈতিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এখনও গভীর উদ্বেগের কারণ। খাতের খেলাপি ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় মূল চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে, যেখানে মূলধন-ঝুঁকি-ভারিত সম্পদের অনুপাত এখন ৬.৩%। সরকার দুর্বল ব্যাংকগুলো মার্জ করার উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি ব্যাংকের পরিচালনাগত ক্ষমতা এবং আইনগত কাঠামো সুদৃঢ় করতে কাজ করছে। তাছাড়া, আমানত সুরক্ষা ব্যবস্থা উন্নত করা এবং জরুরি তরল্য সহায়তা কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনাও বাস্তবায়নের পথে।

    অন্য দিকে, ২০২৫ সালে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি সামান্য হ্রাস পেয়ে ৪% এ দাঁড়াবে, যা ২০২৪ সালে ছিল ৪.২%। এই হ্রাসের মূল কারণ হলো দুর্বল বিনিয়োগ, রাজনৈতিক পরিস্থিতির অনিশ্চয়তা এবং ব্যবসায় পরিচালনায় উচ্চ ব্যয়ের কারণে বেসরকারি বিনিয়োগ কমে যাওয়া, পাশাপাশি সরকারি বিনিয়োগের অবনমন। এডিপি বা পাবলিক ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের বাস্তবায়নেও ধীরগতি লক্ষণীয়।

    প্রতিবেদনে কর-রাজস্বের গুরুত্বও তুলে ধরা হয়, যেখানে দেখা গেছে বাংলাদেশের কর-জিডিপি হার দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় কম, যা অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও টেকসই উন্নয়নের জন্য এক প্রতিবন্ধকতা।

  • সোনার দাম রেকর্ডের নতুন উচ্চতায়, ভরি ২ লাখ টাকার ওপরে

    সোনার দাম রেকর্ডের নতুন উচ্চতায়, ভরি ২ লাখ টাকার ওপরে

    দেশের স্বর্ণ বাজারে এক দিনের ব্যবধানে আবারও জোরদার ফেরার খবর জানিয়ে এগিয়ে এসেছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স এ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরির মূল্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ১৫০ টাকা, যা মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হবে। এ ঘোষণার ফলে দেশের স্বর্ণ বাজারে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার রাতে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, বর্তমানে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের এক ভরি মূল্য ২ লাখ ৭২৬ টাকা। এটি দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দাম, যা আগের তুলনায় অনেকটাই বেড়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা খাঁটি স্বর্ণের মূল্য আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। এর আগে শনিবার (অক্টোবর ৪) স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি ২ হাজার ১৯৩ টাকা করে বাড়ানো হয়। নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম হবে ২ লাখ ৭২৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৯১ হাজার ৬০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৬৪ হাজার ২২৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের জন্য ১ লাখ ৩৬ হাজার ৪৪৫ টাকা। স্বর্ণের এই দাম নির্ধারণের সময় সরকার থেকে ভ্যাট হিসেবে ৫ শতাংশ এবং বাজুসের ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির হার আলাদা হতে পারে। এই পরিস্থিতি আগে জানানো হয়েছিল, যখন গত শনিবার স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করে বাজুস। তখন প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৭৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ১ লাখ ৮৮ হাজার ৫৯৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৬১ হাজার ৬৫১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির ১ লাখ ৩৪ হাজার ২৫৩ টাকা। অন্য দিকে, রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের রুপার প্রতি ভরি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৬২৮ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। একইভাবে, ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ৩ হাজার ৪৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ হাজার ৯৬৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির ২ হাজার ২২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।