Month: October 2025

  • জামায়াতের নতুন ১২ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

    জামায়াতের নতুন ১২ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

    আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ‘জুলাই সনদ’-এর ভিত্তিতে আয়োজনের দাবি উত্থাপন করেছে বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলছে, এই দাবিতে রাজপথে আন্দোলন ছাড়া তাদের কোনও বিকল্প নেই। সেই অনুযায়ী, দলটি তিন দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

    মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, দেশের সাধারণ জনগণ একটি কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আমরা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চাই। এজন্য, জনগণের আবেগ ও অভিপ্রায় অনুযায়ী, আগামী জাতীয় নির্বাচন যেন JULY সনদের ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত হয়, সেটি আমাদের মূল দাবি।

    মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও উল্লেখ করেন, ফেব্রুয়ারির মধ্যে সবার অংশগ্রহণে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত। নাহলে, জনগণ রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যেতে বাধ্য হবে। তাঁর মতে, বর্তমান সংকটের সমাধানে একমাত্র পথ হলো একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। আর তা সম্ভব হবে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে’ গঠিত ঐক্য ভিত্তিক চেষ্টার মাধ্যমে।

    দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা সম্পৃক্ত হয়েই শান্তিপূর্ণ উপায়ে তাদের দাবি তুলে ধরতে চায়। এর জন্য হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসবের সময়ে রাজপথে কঠোর অবস্থান থেকে বিরত থাকছে।

    জামায়াত মনে করে, সংলাপ ও শান্তিপূর্ণ পদ্ধতিতে রাজনৈতিক সমাধান এখনও সম্ভব। তবে, জনগণের দাবিগুলো উপেক্ষা করলে কঠোর আন্দোলনের দিকে যেতেও তারা প্রস্তুত বলে হুঁশিয়ারি দেন দলের সচিব জেনারেল।

    দলের দ্বিতীয় ধাপের কর্মসূচি হিসেবে তারা ঘোষণা করেছে:
    ১. পহেলা অক্টোবর থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত পাঁচ দফা গণদাবির পক্ষে জনমত গঠন উপলক্ষে জনসংযোগ।
    ২. ১০ অক্টোবর ঢাকায় ও বিভাগীয় শহরগুলোতে গণমিছিল।
    ৩. ১২ অক্টোবর জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান।

    জামায়াতের পাঁচ দফা দাবি হলো:
    ১. জুলাই সনদ ভিত্তিক আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
    ২. নির্বাচন পদ্ধতি হবে সম্পূর্ণ পরিবর্ধিত পিআর পদ্ধতিতে।
    ৩. সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে।
    ৪. গণহত্যার বিচার সম্পন্ন হতে হবে দৃশ্যমানভাবে।
    ৫. ভারতীয় তাবেদার ও ফ্যাসিবাদী দোসররা—জাতীয় পার্টি ও ১৪ দল—বিচার করতে হবে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে। বিচার চলাকালীন তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে হবে।

  • সালাহউদ্দিনের ধর্মের ভিত্তিতে রাজনীতিতে বিভাজন বেড়ানো উচিত নয়

    সালাহউদ্দিনের ধর্মের ভিত্তিতে রাজনীতিতে বিভাজন বেড়ানো উচিত নয়

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, আমরা ধর্মের ভিত্তিতে কখনোই রাজনীতিতে বিভাজন চাইনি এবং চাইও না। তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, এই ধরনের বিভাজন করা আমাদের প্রাণে অন্যায়, এবং ভবিষ্যতেও করবে না। আজ মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে ওলামা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও শহীদ জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় তিনি এ কথা বলেন।

    সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা একজন ধর্মীয় মূল্যবোধে বিশ্বাসী দল। আমাদের রাজনীতি হচ্ছে সমন্বয়ের রাজনীতি, যেখানে সব জনগোষ্ঠীকে সঙ্গে নিয়ে চলার লক্ষ্য থাকে। বাংলাদেশের এই ভূখণ্ডে সকলে মিলে একত্র হয়ে শান্তিপূর্ণ জীবনযাত্রার জন্য বাংলাদেশি জাতীয়তার ভিত্তিতে আমরা রাজনীতি করি।

    তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের এই সার্বভৌম ভূখণ্ডে আদর্শের ভিত্তিতে সব ধর্ম, বর্ণ, ভাষা ও সংস্কৃতির মানুষকে নিয়ে আমরা এক দক্ষ সমন্বয়মূলক রাজনীতি করি, যাকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল প্রণয়ন করে। গণতান্ত্রিক সংস্কারের মাধ্যমেই দেশের মানুষ তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি আরও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠন করতে পারবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের সবাইকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

    সালাহউদ্দিন বলেন, দীর্ঘ সংগ্রাম ও লড়াইয়ের পদক্ষেপে আমরা আমাদের ভোটাধিকারকে কেবলমাত্র প্রায় প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছি, তাই আজকের দিনগুলোতে সেই অধিকার আদর্শের পথে। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের সব মানুষের মধ্যে একতা ও ঐক্য বজায় রাখতে হবে। সুন্দর এবং উন্নত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য সবাই একসঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন। তিনি এও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সময়ে দেশের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্বাচন প্রক্রিয়া চায় এবং নির্বাচনের পরিবেশ বেশ চাঙ্গা।

    এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্রের উন্নয়নের পথে বাধা দেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক মহলে কারা কারা ষড়যন্ত্র করছে, সেটি স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। দেশের কিছু শক্তি ও বিদেশি প্রভাবশালী দল সক্রিয় আড়াল থেকে এই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তবে বাংলাদেশের জনগণ একত্রিত হয়ে এই ষড়যন্ত্রের মোকাবেলা করবে। গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী সময়ে দেশের গণতন্ত্রের পথ রক্ষা করতে তারা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

    আরেকটি প্রশ্নের উত্তরে সালাহউদ্দিন বলেন, পিআর (জনসংযোগ) পদ্ধতি দীর্ঘমেয়াদি অস্থিরতার কারণ হতে পারে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই পদ্ধতির মাধ্যমে অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে। এতে সরকার স্থির ও দীর্ঘস্থায়ী হয় না, বরং জ্বলন্ত সংসদ ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হয়। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মানুষ এই পিআর পদ্ধতির বিপক্ষে, এবং বিভিন্ন জরিপে দেখা যায়, বেশিরভাগ মানুষ এই পদ্ধতির সমর্থক নয়। এক জরিপে দেখা গেছে, ৫৬ শতাংশ মানুষ এই পদ্ধতির বিরুদ্ধে। অন্য একটি জরিপে প্রকাশ পেয়েছে, কিছু দল দাবি করছে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ পিআর পদ্ধতি চায়। তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, পিআর মানে জনসংযোগ বা জনসংযোগের মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক সৃষ্টি, যেখানে সবাই আস্থাশীল। সবাই একযোগে কাজ করলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব।

  • নিবন্ধনের জন্য দুই দল শর্ত পূরণ করেছে: ইসি

    নিবন্ধনের জন্য দুই দল শর্ত পূরণ করেছে: ইসি

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করা দলগুলোর মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ দুটি দল শর্ত পূরণের সনদ অর্জন করেছে। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি জানান, এই দুটি দলের বিষয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে এবং অন্যান্য ১২ টি দলের নিবন্ধনের প্রক্রিয়া আরও যাচাই-বাছাই করা হবে। ইতোমধ্যে, আবেদন কর্র প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে সাতটি দলের।

    নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মোট ১৪৩ টি রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের জন্য আবেদন করে। এর মধ্যে ২২ টি দলের তথ্য মাঠপর্যায়ে তদন্ত চালিয়ে যাওয়া হয়। যাচাই-বাছাই শেষে, দুটি দল—জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং বাংলাদেশ জাতীয় লীগ—কে বর্তমানে যোগ্য বলে বিবেচনা করা হয়েছে। এই দুই দলের জন্য নিবন্ধনের প্রতীক সংক্রান্ত চিঠি প্রদান করা হবে, যদিও এক্ষেত্রে অতি দ্রুত নিবন্ধনের অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

    তাছাড়া, তিনটি দল—বাংলাদেশ আন্দোলন জনগণ পার্টি, জাতীয় জনতা পার্টি এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ-শাহজাহান সিরাজ)—নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রয়েছে। Сонымен, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির বিষয়ে আদালতের রায়ের ফলে, তারা নাগরিক তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবে বলে পূর্বে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    আরও জানানো হয়েছে, ৯টি দলের কার্যক্রম নিয়ে আরও তদন্ত চলবে। এই তালিকায় রয়েছে—আমজনতার দল, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টি, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী), বাংলাদেশ জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি, ভাসানী জনশক্তি পার্টি, বাংলাদেশ বেকার মুক্তি পরিষদ, জনতার দল, মৌলিক বাংলা, ও জনতা পার্টি বাংলাদেশ।

    অবশেষে, মাঠপর্যায়ে তদন্তের ভিত্তিতে ২২ দলের মধ্যে সাতটি দলকে বাতিলের সিদ্ধান্ত দিয়েছে ইসি। এই দলগুলো হলো—ফোড়ার্ড পার্টি, বাংলাদেশ সংস্কারবাদী পার्टि, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী-সিপিবি), জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, নেজামে ইসলাম পার্টি, বাংলাদেশ বেকার সমাজ (বাবেস), বাংলাদেশ সলিউশন পার্টি এবং নতুন বাংলাদেশ পার্টি।

  • ফেসবুকে বিএনপি’র ভুয়া নির্বাচনী প্রার্থী তালিকা প্রত্যাখ্যান

    ফেসবুকে বিএনপি’র ভুয়া নির্বাচনী প্রার্থী তালিকা প্রত্যাখ্যান

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য বিএনপি’র প্রার্থী মনোনয়ন সংক্রান্ত একটি তালিকা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। তবে দলের পক্ষ থেকে এই তালিকাটিকে সম্পূর্ণ ভুয়া বলে জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব এড. রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানান।বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, কিছু স্বার্থান্বেষী চিহ্নিত চক্রান্তকারী ফেসবুকের মাধ্যমে একটি বিভ্রান্তিকর প্রার্থী তালিকা পোস্ট করেছে। এই তালিকা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা এবং অসৎ উদ্দেশ্যে নির্মিত। এ বিষয়টি বিএনপি’র কোনো অফিসিয়াল সূত্র থেকে প্রকাশ হয়নি এবং দলের সঙ্গে এর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। রিজভী সকল নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন, এই বিভ্রান্তিকর তালিকা থেকে বিভ্রান্ত না হয়ে সত্য তথ্যের জন্য সত্যাসত্য অনুসন্ধান করার। দলের আদর্শ ও মর্যাদা বজায় রাখতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • নির্বাচন পেছানোর কোনও চক্রান্তে এনসিপি নেই: সারজিস আলম

    নির্বাচন পেছানোর কোনও চক্রান্তে এনসিপি নেই: সারজিস আলম

    নির্বাচন পেছানোর জন্য কোনো চক্রান্তের সঙ্গে এনসিপির সংশ্লিষ্টতা নেই বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলীয় প্রধান সংগঠক সারজিস আলম। তিনি বলেন, দলটি দ্রুত সময়ের মধ্যে অবাধ, সুষ্ঠু ও সব অংশগ্রহণকারীর জন্য গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চায়। ব্যারিস্টার সারজিস আলম মঙ্গলবার পঞ্চগড় সদর উপজেলার বিভিন্ন দুর্গামন্দির পরিদর্শন শেষে হাফিজাবাদ ইউনিয়নের হুদুপাড়া দুর্গামন্দির প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন। এ সময় তিনি স্থানীয় কিছু দুর্গামন্দিরে আর্থিক সহায়তাও প্রদান করেন।

  • প্রবাসীরা প্রযুক্তির মাধ্যমে এবার ভোট দিতে পারবেন: সিইসি

    প্রবাসীরা প্রযুক্তির মাধ্যমে এবার ভোট দিতে পারবেন: সিইসি

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, বিশ্বের যেকোন দেশের প্রবাসী বাংলাদেশিরা আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে এবার সহজে ও নিরাপদে ভোট দিতে পারবেন। এটি দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে আবির্ভূত হবে।

    মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে ইসির অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

    সিইসি জানান, প্রথমবারের মতো প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশিদের জন্য ভোট করার সুযোগটি আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে আরও সহজ ও কার্যকর করে তোলা হয়েছে। এ জন্য প্রবাসীরা ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ নামের একটি মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করতে পারবেন। অ্যাপটি ডাউনলোডের পর সেখানে একটি ইনস্ট্রাকশনাল ভিডিও থাকবে, যেখানে প্রতিটি ধাপে পদক্ষেপ ও নির্দেশনা দেওয়া হবে।

    তিনি বলেন, এই অ্যাপের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশনের জন্য প্রয়োজন হবে আপনার এনআইডি, পাসপোর্টের তথ্য এবং প্রবাসের ঠিকানা। সব তথ্য দিয়ে ফেস আইডেন্টিফিকেশন ও লাইভনেস ডিটেকশন সম্পন্ন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হলে আপনার প্রবাসের ঠিকানায় ব্যালট পেপার পৌঁছে যাবে। এরপর আপনি একটি বিশেষ খাম পোস্ট অফিসের মাধ্যমে আমাদের ঠিকানায় পাঠিয়ে দিলে, আমাদের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ সেটি গ্রহণ করবে।

    সিইসি আরও বলেন, ভোট দেওয়ার পর শুধু সেই খামটি পোস্ট অফিসে寄 পাঠাতে হবে। এটি আমাদের নির্দিষ্ট ঠিকানায় পৌঁছে যাবে। তিনি উল্লেখ করেন, যারা বাংলাদেশি বা প্রবাসী হিসেবে থাকছেন এবং ভোট দিতে ইচ্ছুক, তাঁদের জন্য রেজিস্ট্রেশনের এটা একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। সবাই এই সুবিধা গ্রহণ করবেন, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

    সিইসি আরও জানিয়েছেন, ভোট সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ও নির্দেশনা ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের ইনস্ট্রাকশনাল ভিডিওগুলোতে দেখা যাবে। পাশাপাশি, এসকল তথ্য ইসির দায়িত্বপ্রাপ্ত দূতাবাসগুলো, ওয়েবসাইট এবং সরকারি গণমাধ্যমের মাধ্যমে পাওয়া যাবে।

  • সাগরে লঘুচাপের কারণে সব বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি

    সাগরে লঘুচাপের কারণে সব বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি

    সাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপের কারণে দেশের চারটি সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে নির্দেশনা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। বুধবার (১ অক্টোবর) প্রকাশিত এক সতর্কবার্তায় এই তথ্য জানানো হয়। আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও এর সংলগ্ন এলাকার গভীর দ্যূত সুস্পষ্ট লঘুচাপের কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও এর আশপাশের এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্য ব্যাপক। এর ফলে উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণে ঝোড়ো ও দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে। নির্দেশনা অনুযায়ী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উপকূলের কাছাকাছি থাকা মাছ ধরা নৌকা ও ট্রলারগুলোকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে, কারণ এগুলো এখনও কোনও নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত উপকূলসীমার কাছ থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে, ভারী বর্ষণ নিয়ে একটি বিশেষ বার্তায় বলা হয়েছে, সাগরে লঘুচাপসহ মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন সারাদেশের বেশ কিছু এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। এই সময়ের মধ্যে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমবে। আবহাওয়া অধিদফতর আরও জানায়, সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টা পর্যন্ত পূর্বাভাসে দেখা গেছে, পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়, যা ধীরে ধীরে ঘনীভূত হয়ে বুধবার সকালে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়। এই লঘুচাপ উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও আরও গভীর হয়ে পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তার সংলগ্ন এলাকাকে ঘিরে থাকতে পারে। এটি ঘণ্টাখানেকের মধ্যে উত্তরপ্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ, বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল ও আসামের দিকে বিস্তৃত হয়। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশে সক্রিয় ও প্রবল অবস্থায় রয়েছে। বুধবার সকাল থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের বেশির ভাগ এলাকায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বর্ষণ বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও ভারী বা অতি ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কাও রয়েছে। এছাড়া, দেশের তাপমাত্রা দিনের বেলায় ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে যেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রার সামান্য কিছুটা হ্রাস দেখাও যেতে পারে। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় সর্বোচ্চ ২০৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা দেশের অন্যতম উচ্চ রেকর্ড। অন্যদিকে, সৈয়দপুরে সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত পড়েছে ৩৭.৬ মিলিমিটার।

  • খাগড়াছড়িতে স্কুলছাত্রী ধর্ষণের আলামত মিলেনি মেডিকেল পরীক্ষায়

    খাগড়াছড়িতে স্কুলছাত্রী ধর্ষণের আলামত মিলেনি মেডিকেল পরীক্ষায়

    খাগড়াছড়িতে অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর মেডিকেল পরীক্ষা থেকে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকরা। খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে তিন সদস্যের মেডিকেল বোর্ডের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগীর শরীরের ভেতরে এবং বাইরে ধর্ষণের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

    ২৩ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়ি জেলার সিঙ্গিনালা এলাকার এক ছাত্রীর অচেতন অবস্থায় ধর্ষণের অভিযোগ উঠলে, তার বাবা তিনজনকে অজ্ঞাত আসামি করে সদর থানায় মামলা করেন। পরের দিন, ২৪ সেপ্টেম্বর পুলিশ সন্দেহভাজন শয়ন শীল নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে।

    মেডিকেল বোর্ডের প্রধান চিকিৎসক ডা. জয়া চাকমা জানান, ধর্ষণের কোনো আলামত নিশ্চিত করার জন্য নির্ধারিত ১০টি সূচকের মধ্যে সবগুলোই স্বাভাবিক পাওয়া গেছে। এই রিপোর্টে তার পূরণে অন্যান্য চিকিৎসক ডা. মীর মোশারফ হোসেন ও ডা. নাহিদা আক্তার স্বাক্ষর করেছেন।

    খাগড়াছড়ির সিভিল সার্জন ডা. ছাবের আহমেদ জানান, এই মেডিকেল রিপোর্ট পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।

    এদিকে, সেনা রিজিয়ন কমান্ডাররা অভিযোগ করেছেন, ইউপিডিএফ এই ঘটনার অপব্যবহার করে পাহাড়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চাচ্ছে। খাগড়াছড়ি সেনানিবাসে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান মাহমুদ বলেন, ধর্ষণের ঘটনা পুঁজি করে ইউপিডিএফ সম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করছে, যা বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ।

    গুইমরা রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল কালাম রানা বলেন, পাহাড়ে সশস্ত্র সন্ত্রাসী কার্যকলাপের মূল দায়ী ইউপিডিএফ। তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

    ঘটনার পর থেকে জুম্ম ছাত্র-জনতা অনির্দিষ্টকালের জন্য সড়ক অবরোধের ঘোষণা দেয়। তবে দুর্গাপূজা এবং সরকারি আশ্বাসের কারণে এই অবরোধ আগামী ৫ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।

    পূর্বের কয়েক দিনে সংঘর্ষে তিনজন নিহত হন। এর পাশাপাশি পুলিশ-প্রশাসনের বিভিন্ন সদস্য ও স্থানীয় লোকজন আহত হয়েছেন। সহিংসতায় পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে সরকারি অফিস, দোকানপাট, বসতঘর, গুদাম ও মোটরসাইকেল। বর্তমানে খাগড়াছড়িতে ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে।

  • আড়াইহাজারে ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনিতে যুবক মারা গেছেন

    আড়াইহাজারে ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনিতে যুবক মারা গেছেন

    নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় দড়ি বিশনন্দী গ্রামে ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনিতে এক যুবক প্রাণ হারালেন। এ গ্রামে ঘটে যাওয়া এই ঘটনা আলোচনায় এসেছে ব্যাপকভাবে, কারণ এতে আরও চারজন স্থানীয় বাসিন্দা গুরুতর আহত হন।

    ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে, আনুমানিক সোয়া দুইটার দিকে। বৃষ্টি শুরু হলে ওই গ্রামের নারি ও তার পরিবার Components-নিত উল্লেখ করে, একজন নারী রান্নাঘরে যেতে গেলে দেখেন সেখানে ৩-৪ জন অপরিচিত দেহ-লুক্কুর ছদ্মবেশে অবস্থান করছে। তিনি বুঝতে পারেন, তারা ডাকাত হতে পারে বলে সন্দেহ হয়। দ্রুতই তিনি ডাক দেন আর চিৎকার করেন “ডাকাত ডাকাত”।

    শেখ এই চিৎকার শুনে ঢাকনা থেকে বের হন তার স্বামী ইলিয়াস মিয়া, ছেলে নাঈম মিয়া (১৮), পাশে থাকা প্রতিবেশী ফারুক মিয়া (৪৫) ও আবুল হোসেন (২৮)। কিন্তু দেখা যায়, ডাকাতরা তাদের উপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়, ফলে তারা গুরুতর জখম হন।

    আনেকক্ষেত্রে, গ্রামে মসজিদের মাইকে ‘ডাকাত এসেছে’ ঘোষণা দিলে স্থানীয় মানুষজন দ্রুত জড়ো হন। তারা দ্রুত হামলাকারীদের ধাওয়া করে। তখনই নবী নামে এক ব্যক্তিকে ধরে গণপিটুনি দেয়া হয়। ফলে তার ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয়। নবী ছিলেন আড়াইহাজার উপজেলার পশ্চিম আগুআন্দি গ্রামের লুকুর ছেলে।

    খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে পাঠায়। গুরুতর আহত কুলসুম বেগমকে ঢাকায় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত নবীর মরদেহটি নারায়ণগঞ্জের ভিক্টোরিয়া হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

    আড়াইহাজার থানার ওসি খন্দকার নাসির উদ্দিন জানান, রাতে ডাকা সঙ্গে গোপন সূত্রে নিশ্চিত হন যে স্থানীয় বাসিন্দারা তদন্তে এক ব্যক্তিকে দড়ি বিশনন্দী গ্রামে গণপিটুনিতে হত্যা করেছে। পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। তিনি আরও বলেন, ডাকা দলটি বাড়িতে প্রবেশ করে হামলা চালায়, কিন্তু পুলিশ ও স্থানীয়দের সক্রিয়তা এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া চলমান।

  • লঘুচাপের কারণে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা, নিম্নাঞ্চলে প্লাবনের আশঙ্কা বাড়ছে

    লঘুচাপের কারণে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা, নিম্নাঞ্চলে প্লাবনের আশঙ্কা বাড়ছে

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী মাসের শুরুতেই বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এই লঘুচাপের ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল যেমন পশ্চিমবঙ্গ, পশ্চিমবাংলা, বাংলাদেশ উত্তরাঞ্চল এবং আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকাগুলোতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের শঙ্কা রয়েছে। এরই প্রভাবে দেশের নিম্নাঞ্চলগুলো সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে বলে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার রাতে প্রকাশিত আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুলেটিনে বলা হয়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পূর্ব উত্তরপ্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে বিস্তৃত। বর্তমানে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর একটু কম সক্রিয় থাকলেও, উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি সক্রিয় অবস্থানে রয়েছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন মধ্য বঙ্গোপসাগরে নতুন করে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আবহাওয়া অনুযায়ী, আগামী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকাসহ রাজশাহী, রংপুর, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, ময়মনসিংহ এবং খুলনা বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় দমকা হাওয়া, হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া, কিছু স্থানে মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণও দেখা দিতে পারে। এই বৃষ্টিপাতের ফলে দিনের তাপমাত্রা দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে এবং রাতে তাপমাত্রাও সামান্য হ্রাস পাবে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানী ঢাকায় সর্বোচ্চ ৬৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর পাশাপাশি রাজশাহীতে ৩৯ এবং বগুড়ায় ৩৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের তথ্য পাওয়া গেছে।

    বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, লঘুচাপের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকার নিম্নাঞ্চলে ভারী বর্ষণে বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে ২ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে ৫ অক্টোবর সকাল ৯টার মধ্যে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার নদীসহ কিছু বড় নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাবে। এই সময়গুলোতে নদীগুলোর পানি সতর্কসীমায় পৌঁছতে পারে, ফলে উপকূলীয় ও নিম্নাঞ্চলগুলোতে সাময়িক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতে পারে।

    চট্টগ্রাম বিভাগের নদীগুলোর মধ্যে হালদা, সাঙ্গু, মাতামুহুরী, গোমতী ও ফেনী নদীর পানি ১ অক্টোবর থেকে ৪ অক্টোবরের মধ্যে কুমিল্লা, লক্ষীপুর, চট্টগ্রাম, বান্দরবান ও কক্সবাজারে দ্রুত বৃদ্ধি পাবে। একই সময়ে, নদীর সেতুমুখে সতর্কতা দেখানো হচ্ছে এবং নিম্নাঞ্চলগুলোতে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা রয়েছে।

    সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের নদীগুলোর মধ্যে সুরমা, কুশিয়ারা, লুভাছড়া, সারিগোয়াইন, যাদুকাটা, জিঞ্জিরাম, সোমেশ্বরী, ভুগাই-কংস, মনু, ধলাই ও খোয়াই নদীর পানি ১ অক্টোবর সকাল থেকে ৫ অক্টোবর সকাল পর্যন্ত দ্রুত বেড়ে যেতে পারে। এর ফলে এই নদীর সংলগ্ন এলাকাগুলোর জলস্তর সতর্কসীমায় পৌঁছাতে পারে এবং স্থানীয় নিম্নাঞ্চলগুলো জলমগ্ন হতে পারে।