Month: October 2025

  • আল-আজহারের প্রখ্যাত হাদিস বিশারদ ড. আহমদ ওমর হাশেম আর নেই

    আল-আজহারের প্রখ্যাত হাদিস বিশারদ ড. আহমদ ওমর হাশেম আর নেই

    বিশ্ব ইসলামী জ্ঞানচর্চার আকাশ থেকে এক দীপ্তিমান তারকা ঝরে গিয়েছে। আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের উসূলুদ্দিন অনুষদের বিশিষ্ট অধ্যাপক, হাদিস বিভাগের প্রসিদ্ধ পণ্ডিত এবং আল-আজহার শরীফের সিনিয়র স্কলারস কাউন্সিলের সদস্য, প্রখ্যাত উকিলুল আজহার ড. আহমদ ওমর হাশেম (রহ.) ইন্তেকাল করেছেন। তার মৃত্যুতে গোটা মুসলিম বিশ্ব গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন, আমরা সবাই আল্লাহরই। মঙ্গলবার ভোরের কোমল আলো ফোটার আগেই তার মৃত্যু সংবাদ গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে অসংখ্য মানুষ শোকাভিভূত হয়। গতকাল জোহরের নামাজের পর আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়, এরপর শারকিয়া গভর্নরেটের জাজিজিগের বানি আমের গ্রামে দ্বিতীয় জানাজার আয়োজন করা হয়। পরে তার ক্ষতবিক্ষত দেহকে পিতৃভূমির মাটিতে দাফন করা হয়।

    ড. আহমদ ওমর হাশেম ছিলেন হাদিস বিদ্যায় এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব; তাকে অনেকের কাছে “আমিরুল ফিল হাদিস” অর্থাৎ হাদিসের নেতা হিসেবে সম্বোধন করা হতো। তার জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হয়েছে বহু শিক্ষা ও গবেষণামুখী মন, বিশ্বজুড়ে অসংখ্য মুহাদ্দিস, মুফাসসির ও আলেম। তিনি ছিলেন এমন একজন ব্যক্তি, যিনি প্রথাগত ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক প্রজ্ঞাও যুক্ত করে ইসলামকে সমকালীন বাস্তবতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। যুক্তি, গভীর প্রজ্ঞা ও আধ্যাত্মিকতার সংমিশ্রণে তিনি ইসলামী চিন্তার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন।

    অজস্র সময় ধরে তিনি নিজেকে নিবেদিত করেছেন কুরআন ও হাদিসের সেবা, ইসলামী গবেষণা ও দাওয়াতের প্রচারে। তার জীবন ছিল এক অবিরাম জ্ঞানযাত্রা, আর এই যাত্রার প্রতিটি পদক্ষেপ মুসলিম উম্মাহর জন্য পথপ্রদর্শক হয়ে উঠেছে। আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়, এর শিক্ষক-শিক্ষার্থী সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানাচ্ছে গভীর শোক একই সঙ্গে তার অসংখ্য ছাত্র ও অনুরাগীরা সামাজিক মাধ্যমে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন।

    ইসলামী চিন্তা ও হাদিস গবেষণায় ড. আহমদ ওমর হাশেম মহৎ এক উত্তরাধিকার রেখে গেছেন, যা যুগে যুগে সভ্যতা ও গবেষক মনকে পথ দেখাতে থাকবে। তার ভাগ্যবদ্ধ জীবন ও অবদান সকলের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

  • শহিদুল আলমের ‘কনশানস’সহ সব ফ্রিডম ফ্লোটিলার জাহাজ ইসরায়েল আটক করেছে

    শহিদুল আলমের ‘কনশানস’সহ সব ফ্রিডম ফ্লোটিলার জাহাজ ইসরায়েল আটক করেছে

    গাজার উদ্দেশে রওনা করা গাজা ফ্রিডম ফ্লোটিলার সমস্ত জাহাজকে ইসরায়েলি সেনারা আটক করেছে। ফ্লোটিলার পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইসরায়েলি সেনারা তাদের নৌবহরে হামলা চালিয়ে বেশ কয়েকটি জাহাজের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথমে ‘কনশানস’ জাহাজে হামলা করা হয়, যেখানে ৯৩ জন সাংবাদিক, চিকিৎসক ও অ্যাক্টিভিস্ট উপস্থিত ছিলেন। এরপর তারা তিনটি ছোট জাহাজকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় এবং সেগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেয়। ইসরায়েলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এক এক্সে পোস্টে নিশ্চিত করেছে যে, তারা ফ্লোটিলার অভিযান চালিয়েছে। তারা দাবি করে, আইনগত নৌ-অবরোধ ভঙ্গ ও যুদ্ধক্ষেত্রে প্রবেশের নীতির লঙ্ঘন ব্যর্থ হয়েছে। আরো জানানো হয়, জাহাজ ও যাত্রীদের ইসরায়েলি বন্দরে পাঠানো হচ্ছে এবং সবাই নিরাপদ আছেন। আশা করা হচ্ছে, দ্রুতই তাদের নির্বাসনে নেওয়া হবে। ফ্রিডম ফ্লোটিলার ওয়েবসাইটে থাকা ট্র্যাকারে দেখা গেছে, এই বহরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব নয়টি জাহাজই আটক করা হয়েছে। এই বহরের অংশ হিসেবে গাজা অভিমুখী জাহাজ ‘কনশানস’ এর যাত্রী ছিলেন বাংলাদেশের আলোকচিত্রী ও বর্ষীয়ান ফটোগ্রাফার শহিদুল আলম। বুধবার (৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি তার ফেসবুক ভিডিও বার্তায় বললেন, ‘আমি শহিদুল আলম, বাংলাদেশের একজন ফটোগ্রাফার ও লেখক। যদি এই ভিডিওটি দেখেন, তাহলে জেনে নিন—আমাদের সমুদ্রে আটক করা হয়েছে এবং আমি ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী দ্বারা অপহৃত। এই দেশটি গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা শক্তিগুলোর সহযোগিতায় সম্পৃক্ত। আমি আমার সকল বন্ধু ও সহযোগীদের অনুরোধ জানাচ্ছি, ফিলিস্তিনের স্বাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই অব্যাহত রাখবেন।’

  • শহিদুল আলমকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করেছে ইসরায়েলি বাহিনী

    শহিদুল আলমকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করেছে ইসরায়েলি বাহিনী

    বাংলাদেশি আলোকচিত্রী ও লেখক শহিদুল আলমকে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী অপহরণ করেছে। আজ, বুধবার (৮ অক্টেবর) স্থানীয় সময় সকালে গাজায় অবস্থিত একটি নৌযান থেকে তাকে তুলে নিয়ে যায় ইসরায়েলি নৌবাহিনী। এই নৌযানটি ছিল ফ্রিডম ফ্লোটিলার অংশ, যা গাজা উপত্যকার ওপর ইসরায়েলি অবরোধ ভাঙার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল।

    শহিদুল আলম নিজে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও বার্তায় এ ঘটনা নিশ্চিত করেন। ভিডিওর ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘আমি শহিদুল আলম, বাংলাদেশের একজন ফটোগ্রাফার ও লেখক। যদি আপনি এই ভিডিও দেখেন, তাহলে বুঝবেন যে আমাদের সমুদ্র পথে বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং আমি ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী দ্বারা অপহৃত হয়েছি।’

    তিনি আরও বলেন, ‘ইসরায়েল গাজার জনগণের বিরুদ্ধে ব্যাপক গণহত্যা চালাচ্ছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন পশ্চিমা শক্তি সক্রিয়ভাবে সহায়তা করছে। আমি আমার সব সহকর্মী ও বন্ধুদের অনুরোধ জানাই—প্যালেস্টাইনের স্বাধীনতার জন্য আরও সংগ্রাম চালিয়ে যান।’

    ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের তথ্যে জানা গেছে, দেশটির নৌবাহিনী শহিদুল আলমের বহনকারী নৌযান কনসেন্সসহ অন্যান্য নৌযানগুলোকে আটক করে। টাইমস অব ইসরায়েলের খবরে বলা হয়েছে, তেলআবিব জানিয়েছে, গাজার সমুদ্র অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করছিল এমন নতুন এক নৌবহরকে তারা বাধা দিয়েছে। ফ্লোটিলার সব নৌযান ও যাত্রীদের আটক করে ইসরায়েলি বন্দরে নেওয়া হচ্ছে।

    ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় এক্সে (সাবেক টুইটার) লিখেছে, ‘অবৈধ নৌ অবরোধ ভাঙার চেষ্টা ও যুদ্ধক্ষেত্রে প্রবেশের জন্য ব্যর্থ এই প্রচেষ্টা শেষ হলো। নৌযান ও যাত্রীদের ইসরায়েলি বন্দরে নেওয়া হচ্ছে। সব যাত্রীই নিরাপদ ও সুস্থ আছেন। তাদের দ্রুত দেশে ফেরত পাঠানো হবে।’

    এর আগে, বাংলাদেশ সময় আজ সকাল ৯টার কিছু পরে শহিদুল আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘ইসরায়েলিরা কনসেন্সের দিকে এগিয়ে আসছে।’ অন্য একটি পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘ইসরায়েলি বাহিনী এগিয়ে আসছে।’

    প্রায় এক সপ্তাহ আগে, ইসরায়েলি নৌবাহিনী ‘সুমুদ ফ্লোটিলা’ নামে একটি নৌবহর থেকে অন্তত ৪০টি নৌযান আটক করে। এটি ছিল গাজার অবরোধ ভাঙতে তাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। ওই অভিযানে প্রায় ৪৭৯ জনকে আটক করে ইসরায়েলি বাহিনী, তাদের মধ্যে অনেককে নির্যাতনও করা হয়। পরে তাদের তুরস্ক, গ্রিস ও স্লোভেনিয়ায় পাঠানো হয়। এর মধ্যে ইংরেজি জলবায়ু আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গও ছিলেন।

    অন্যদিকে, গাজা ফ্রিডম ফ্লোটিলার সর্বশেষ আপডেটে জানায়, তাদের নৌযানগুলোতে ইসরায়েলি সেনারা হামলা চালিয়েছে। গাজার উদ্দেশে যাত্রা করা বেশ কিছু নৌকা তাকেও আটক করা হয়েছে।

    ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইসরায়েলি সেনারা কয়েকটি নৌযানে আঘাত হেনেছে এবং সংকেত বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা চালিয়ে গেছে।

  • সোনার দাম প্রথমবারের মতো ৪ হাজার মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে

    সোনার দাম প্রথমবারের মতো ৪ হাজার মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে

    মার্কিন সুদের হার কমানোর প্রত্যাশা এবং দেশটির অর্থনৈতিক অচলাবস্থার কারণে বুধবার প্রথমবারের মতো সোনার দামে বড় পরিবর্তন এসেছে। বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে স্বর্ণে ঝুঁকছে, যার ফলে এর মূল্য আউন্সে ৪,০০৬.৬৮ মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা এই ধাতুর ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এ সময়ে, অন্য মূল্যবান ধাতু রূপাও রেকর্ড মূল্যের কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে, যা বাজারের অস্থিরতা এবং বিনিয়োগের প্রবণতা নির্দেশ করে। বিশেষ করে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, মার্কিন সরকারের অচলাবস্থা, ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্য যুদ্ধ ও ভূ-রাজনৈতিক সংকটের কারণে এই ধাতুর প্রতি বিনিয়োগ বাড়ছে। বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে, সোনা মূলত নিরাপদ সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হয়, যেখানে মানুষ ঝুঁকছেন। শেয়ারবাজারের কিছু অংশের মূল্য যখন খুব বেশি মনে হয় এবং পতনের আশঙ্কা দেখা দেয়, তখন বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকি কমিয়ে দিয়ে সোনা বা অন্যান্য নিরাপদ সম্পদে uang{kবিশ্বাস করে। এছাড়াও, ফ্রান্সের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার চাহিদা আরও বাড়ছে। দেশটিতে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন এবং প্রেসিডেন্টের আনুষ্ঠানিকভাবে দ্রুত নির্বাচন ব্যবস্থার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। এসব পরিস্থিতি বিশ্বের বিভিন্ন অংশে বিনিয়োগকারীদের আরও বেশি করে নিরাপদ সম্পদ, যেমন স্বর্ণের দিকে ঝুঁকতে উদ্বুদ্ধ করছে। এ সবের পাশাপাশি, মার্কিন সরকারের কিছু অংশে অচলাবস্থা থাকায়, গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক তথ্য প্রকাশে বিঘ্ন ঘটে যাচ্ছে। এর ফলে, ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার নির্ধারণের সিদ্ধান্তে দেরী হচ্ছে, যা পুরো অর্থনীতির জন্য অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করছে। আন্তর্জাতিক বাজারে এই অস্থিতিশীলতা এবং নিরাপদ সম্পদের প্রবণতা অব্যাহত থাকায়, স্বর্ণের এই অপ্রতিরোধ্য দাম বেড়েই চলেছে। সূত্র: এএফপি

  • দুই বছরে গাজায় ২৫০ ইমাম ও ধর্মীয় ব্যক্তির হত্যা

    দুই বছরে গাজায় ২৫০ ইমাম ও ধর্মীয় ব্যক্তির হত্যা

    গাজায় ইসরায়েলের অব্যাহত গণহত্যা এবং ধ্বংসযজ্ঞের ধারাবাহিকতায় শুধুমাত্র সাধারণ মানুষই নয়, এখানে ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা ও নিশানা হয়েছেন। এখন পর্যন্ত সোয়া দুই বছরেও ইসরায়েলি বাহিনী হত্যা করেছে অন্তত ২৫০ জন খতিব, ইমাম, দাঈ এবং অন্যান্য ধর্মীয় নেতা-কর্মী। এই সময়ের মধ্যে তারা ধ্বংস করে দিয়েছে ৮৩০টির বেশি মসজিদ এবং ক্ষতিগ্রস্ত করেছে আরও ১৮০টির বেশি মসজিদ। আশ্চর্যের বিষয়, এই হামলার খপ্পরে পড়েছে খ্রিস্টান উপাসনালয়ও। গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি আক্রমণে কমপক্ষে ২৩৩জন মুসলিম ধর্মীয় নেতা এবং ২০জন খ্রিস্টান ধর্মযাজক নিহত হয়েছেন। মূলত, ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোই মূল লক্ষ্য ছিল এই হামলার উদ্দেশ্য।
    গাজার সরকারি গণমাধ্যমের পরিচালক ইসমাইল আস-সাওয়াবিতা প্রকাশ করেন, ইসরায়েল পরিকল্পিতভাবে ফিলিস্তিনিদের মানসিক ও নৈতিক শক্তিকে ধ্বংস করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তারা ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব হত্যা, মসজিদ ও গির্জা উড়িয়ে দেয়া এবং নাগরিক স্থাপনা ধ্বংস করেই এই ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, ধর্মীয় নেতারা জাতির নৈতিক ও আধ্যাত্মিক সম্পদের প্রতীক। তাদের হত্যা করে ইসরায়েল দেশীয় ও সাংস্কৃতিক চেতনা স্তব্ধ করতে চাইছে।
    প্রখ্যাত তুর্কি সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি বিমান হামলায় মারা গেছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় নেতা, তাদের মধ্যে রয়েছেন ফিলিস্তিনের ধর্মবিষয়ক সাবেক মন্ত্রী ও আল-আকসা মসজিদের খতিব ইউসুফ সালামা, গাজারের জনপ্রিয় আলেম ও বক্তা ওয়ায়েল আজ-জারদ, এবং কোরআন শিক্ষা বিভাগের মহাপরিচালক ওয়ালিদ আওয়াইদা।
    গাজার সর্বশেষ পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ইসরায়েলি বাহিনী এখনো পর্যন্ত ৮৩৫টি মসজিদ পুরোপুরি ধ্বংস করেছে এবং আরো ১৮০টির ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। পাশাপাশি গাজার তিনটি ঐতিহাসিক গির্জায় বোমা হামলা চালানো হয়েছে, যেখানে বহু নারী ও শিশু এই হামলার শিকার হয়েছে। এই গির্জাগুলোর মধ্যে রয়েছে রোমান ক্যাথলিক সেন্ট পারফিরিয়াস, ক্যাথলিক হোলি ফ্যামিলি চার্চ ও ব্যাপটিস্ট ইভানজেলিকাল চার্চ।
    ইসমাইল আস-সাওয়াবিতা বলেন, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও উপাসনালয়ের ওপর এই হামলা মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। এটিকে যুদ্ধাপরাধ বলে অভিহিত করেন তিনি।
    দুই বছর ধরে চলমান এই গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞে, পূর্বেও বলশেভিক শক্তির আরাধনায় গাজাতে এখনো ‘আল্লাহু আকবর’ ধ্বনি চিৎকার করে আজান দিচ্ছেন অনেক মানুষ। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, গত দুই বছরে গাজায় নিহত হয়েছেন প্রায় ৬৭ হাজার ১৩৯ জন ফিলিস্তিনি, আহত হয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৫৮৩ জন। অধিকাংশই নারী ও শিশু। এছাড়া, দুর্ভিক্ষ ও ওষুধের সংকটে প্রাণ গেছে আরও ৪৬০ জনের, যাদের মধ্যে ১৫৪ জন শিশু। তবে এই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতেও গাজার ধ্বংসস্তূপে এখনও কেউ কেউ আল্লাহু আকবার বলে আজান দিচ্ছেন, যেন এই হতাহত মানুষের অস্থিরতাকে আশ্রَয় দেন। সূত্র: আল জাজিরা।

  • তারেক রহমানের ৩১ দফা দেশের মুক্তির ভিত্তি: নেতৃদ্বয়

    তারেক রহমানের ৩১ দফা দেশের মুক্তির ভিত্তি: নেতৃদ্বয়

    মহানগর বিএনপিের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন বলেছেন, দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও পরিবর্তনের জন্য আমাদের নেতা তারেক রহমান দুই বছর আগে ৩১ দফা ঘোষণা করেছিলেন। এই দফাগুলো মূলত দেশের রূঢ় অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের একটি চিত্র তুলে ধরেছে। এই ৩১ দফাই হলো দেশের মানুষের মুক্তির চেবার, যা দেশের সার্বিক মুক্তিলাভের সনদ হিসেবে পরিচিত। গত ১৬ বছর ধরে আওয়ামী লীগ সরকার দেশের ভোটাধিকার হরণ করেছে, মানুষের ভোট দেওয়ার অধিকার কেড়ে নিয়েছে। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আশাবাদ প্রকাশ করে তারা বলেন, এবার জনগণ নির্ভয়ে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন এবং নিজের পছন্দের প্রার্থীর জন্য ভোট দিতে পারবেন।

    গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১১টায় যশোর রোডের বিভিন্ন স্পটে বিএনপি’র উদ্যোগে তারেক রহমান প্রণীত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা তুলে ধরেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দলের বিভিন্ন নেতা-নেত্রীরা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সহচররা।

    অন্যদিকে, দুপুরে নগর বিএনপি ১৭নং ওয়ার্ড ও ২৩নং ওয়ার্ডে পৃথক সাংগঠনিক সভা আয়োজন করে। এই সভাগুলোতেও দলের নেতারা বক্তৃতা করেন এবং তাদের পরিকল্পনা ও কর্মকাণ্ডের বিষয় আলোচনা করা হয়। এসকল সভায় নেতাকর্মীরা দলের বর্তমান পরিস্থিতি, ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা করেন। শফিকুল আলম তুহিন বলেন, জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমাদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে, যাতে ভবিষ্যতে সবাই স্বাধীনভাবে নিজের পছন্দ অনুযায়ী ভোট দিতে পারেন এবং দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়।

  • নগরীতে তিন অপহরণকারীর গ্রেফতার

    নগরীতে তিন অপহরণকারীর গ্রেফতার

    নগরীতে মো. মুস্তাসিম বিল্লাহ নামে এক তরুণকে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। এই ঘটনা ঘটেছে গত মঙ্গলবার নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে। অভিযুক্তরা হল রমজান আকন, ফেরদাউস ও মনিরুজ্জামান।

    জানা গেছে, ৩ অক্টোবর দুপুর দেড়টার দিকে সাতরাস্তার মোড়ের গরীবে নেওয়াজ ক্লিনিকের সামন থেকে তরুণ মোস্তাসিম বিল্লাহকে অপহরণ করা হয়। অপহরণকারীরা তাকে হত্যার ভয় দেখিয়ে নগদ ২৪ হাজার টাকা ও পেওনিয়ার অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ৫৬ ডলার আদায় করে। এরপর তারা আরও ৫ লাখ টাকা দাবি করে। ভিকটিম টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অপহরণকারীরা হত্যার হুমকি দেয়। জীবনের ভয়ে, পরিস্থিতি বুঝে ও আত্মরক্ষার্থে মোস্তাসিম তাদের দাবি মানতে বাধ্য হন, ফলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী মোস্তাসিম মঙ্গলবার খুলনা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।

    পুলিশ গত রাত সাড়ে ১২টার দিকে সোনাডাঙ্গা এলাকার পশ্চিম বানিয়াখামারে অভিযান চালিয়ে তিন অপহরণকারীকেও গ্রেফতার করে। এই ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা চলমান রয়েছে।

  • নগরীতে কেসিসি’র ফুটপাত দখলমুক্ত অভিযান

    নগরীতে কেসিসি’র ফুটপাত দখলমুক্ত অভিযান

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে গতকাল মঙ্গলবার নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও ফুটপথ থেকে অবৈধ দখলদারদের দ্রুত অপসারণ করা হয়েছে। কেসিসি’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কোহিনুর জাহানের নেতৃত্বে দিনব্যাপী এই কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালিত হয়।

    অভিযানের সময় নগরীর ক্লে রোড ও স্টেশন রোডের সংযোগস্থলে ফুটপথ দখল করে জুতা ও স্যান্ডেল বিক্রয়ের অপরাধে মো. কালামকে পাঁচ হাজার টাকা এবং জোবায়ের রহমানকে দুই হাজার টাকা জরিমানা করে তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়। এছাড়াও কেসিসির অভিযানে কো ডি ঘোষ রোড, ডেক বাংলো বেবি স্ট্যান্ড, পাওয়ার হাউজ মোড়, শেরে বাংলা রোড এবং নিরালা এলাকার বিভিন্ন সড়ক ও সংলগ্ন ফুটপথ থেকে অবৈধ স্থাপনা ও দখলদারদের সরিয়ে ফেলা হয়।

    কেসিসির এস্টেট অফিসার গাজী সালাউদ্দিনসহ মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্যরা এই অভিযানে অংশগ্রহণ করেন, যারা অবৈধ দখলদারদের উৎखান ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এ ধরনের জনস্বার্থে পরিচালিত এই অভিযানটি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।

  • স্বাস্থ্যকর ও পরিচ্ছন্ন মহানগরীর জন্য কমিউনিটির নেতাদের এগিয়ে আসার দরকার

    স্বাস্থ্যকর ও পরিচ্ছন্ন মহানগরীর জন্য কমিউনিটির নেতাদের এগিয়ে আসার দরকার

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ ফিরোজ সরকার বলেছেন, স্বাস্থ্যকর এবং পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তুলতে কমিউনিটি কেন্দ্রিক নেতৃবৃন্দের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। তিনি সবাইকে একত্রে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, নগরীর প্রতিটি এলাকা ধারাবাহিকভাবে পরিষ্কার রাখা হবে। তবে, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ধরে রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এজন্য নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য সংরক্ষণের বিষয়ে কমিউনিটি পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। এর জন্য কমিউনিটি নেতা ও সামাজিক সংগঠনের সহযোগিতা আন্তরিকভাবে প্রয়োজন।

    গতকাল মঙ্গলবার নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত ‘‘স্ট্রেন্ডেনিং কমিউনিটি এঙ্গেজমেন্ট ফর হেলথ এন্ড ওয়েল-বিয়িং’’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এই কর্মশালাটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ‘নন কমিউনিক্যাবল ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রাম’ এর আওতায় অনুষ্ঠিত হয়, যা দু’দিন ব্যাপী চলবে।

    উল্লেখ্য, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কারিগরি সহায়তায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও খুলনা সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে ‘স্বাস্থ্যকর শহর-খুলনা’ প্রকল্পের কার্যক্রম চলমান। এই প্রকল্পের আওতায় মহানগরীর ৩টি ওয়ার্ড (৬, ১৮ ও ২৫) এর বিভিন্ন পেশা ও শ্রেণির নাগরিকের শারীরিক পরিশ্রম, স্বাস্থ্যকর খাবার ও পরিচ্ছন্নতার বর্তমান পরিস্থিতি নিরীক্ষণ করা হয়। এরপর এসব বিষয় সম্মিলিতভাবে সমাধানের জন্য কর্মশালায় বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

    অপরাধের অংশ হিসেবে, কর্মশালায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে ৩টি ওয়ার্ডে বিদ্যমান ৩টি পুকুর পরিষ্কার করা এবং শারীরিক পরিশ্রমকে উৎসাহিত করার জন্য একটি সাইকেল র্যলি আয়োজন করা হবে।

    কর্মশালার সভাপতি ছিলেন কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শরীফ আসিফ রহমান। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেসিসি’র প্রধান নগর পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবির উল জব্বার, অপারেটর ওজোপাডিকোর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোছাঃ শাহীন আখতার পারভীন, বিটিসিএল খুলনার উপ-মহাব্যবস্থাপক মোঃ তরিকুল ইসলাম, ডেপুটি সিভিল সার্জন মোঃ মিজানুর রহমান, কুয়েটের ইউআরপি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মনজুর মোর্শেদ ও প্রফেসর ড. তুষার কান্তি রায়, সহকারী পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) হোসেন আলী খন্দকার ও শ্রম অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মাহবুব আলম।

  • তারেক রহমানের স্বপ্ন: বৈষম্য ও অবিচার মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার বার্তা

    তারেক রহমানের স্বপ্ন: বৈষম্য ও অবিচার মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার বার্তা

    খুলনা মহানগর বিএনপি এর সভাপতি এডভোকেট এস এম শফিকুল আলম মনা বলেছেন, তিনি এমন একটি বাংলাদেশ কল্পনা করেন যেখানে বৈষম্য, নির্যাতন আর অবিচার কোথাও স্থান পাবে না। তারেক রহমানের এই স্বপ্ন দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, দেশের উন্নয়নের জন্য একটি ন্যায্য ও সমবায়ের সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব, যেখানে সকল নাগরিকের মধ্যে ভেদাভেদ থাকবে না, বরং থাকবে সমতা, গণতন্ত্র ও মানবিকতার চর্চা। মঙ্গলবার বিকালে সোনাডাঙ্গা থানার স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে আয়োজিত ১৬ ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মীসভায় প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এ সব কথা ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য, বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এডভোকেট মনা আরও বলেন, “দেশনায়ক তারেক রহমান বিশ্বাস করেন, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিই দেশের পরিবর্তন ও উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি। তিনি জনগণের ওপর অগাধ আস্থা রাখেন—গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তন হলে দেশের প্রতিটি পরিবার অগ্রগতি অর্জন করবে, সব নাগরিকের মুখে হাসি ফুটবে।” এর পাশাপাশি তিনি বলেন, তারেক রহমানের ‘হেলথ কার্ড’ কর্মসূচি দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় এক বিপ্লব আনতে চলেছে। এই কার্ডের মাধ্যমে দেশের যে কোন হাসপাতালে গেলে অর্ধেক ব্যয় সরকার দেবে, বাকি অংশ রোগীরা নিজেরা পরিশোধ করবেন। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হল দেশের মৌলিক চাহিদা — বাসস্থান, খাদ্য, শিক্ষা এবং চিকিৎসা নিশ্চয়তা সৃষ্টি করা। তিনি দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “প্রতিটি ঘরে ঘরে তারেক রহমানের বার্তা পৌঁছাতে হবে। প্রতিটি দোকান, মসজিদ, পাড়া-মহল্লায় গিয়ে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে মাঠের আশেপাশে থেকে।” মনা আরও উল্লেখ করেন, “বর্তমান প্রজন্ম দেশের প্রকৃত ইতিহাস জানে না, ফলে তাদের মাঝে গণতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদের চেতনা ছড়িয়ে দিতে হবে। যারা বিএনপির আদর্শে বিশ্বাসী, তারা যেন জনগণের পাশে থেকে দলকে আরও শক্তিশালী করে তোলেন।” সভার শুরুতে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মিরাজুর রহমান মিরাজ এই কর্মীসভা উদ্বোধন করেন। প্রধান বক্তা ছিলেন মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক মুনতাসীর আল মামুন। বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক বদরুল আনাম খান। এর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন নেতাকর্মী, যেমন মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-আহবায়ক আহমেদ সিরাজী রুবেল, আতিকুর রহমান বিশ্বাস, মো. মিরাজ হোসেন, তসলিম রেজা তানিম, ইবাদুল ইসলাম, মনজুর শাহীনের রুবেল, নাইম হাসান হাসিব, আসাদুজ্জামান মিঠু, সোনাডাঙ্গা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মামুনুর রশীদ মামুন, সদস্য সচিব রাকিবুল হাসান, সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক সৌরভ হাওলাদার সহ উল্লেখযোগ্য নেতাকর্মীরা। এ ছাড়াও, সদর থানা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আব্দুস সালাম ও ওয়ার্ড ও থানার অন্যান্য পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন এই কর্মীসভায়।