Month: October 2025

  • রুনা লায়লার সাক্ষাৎকারে মোহাম্মদ রফির স্মৃতি

    রুনা লায়লার সাক্ষাৎকারে মোহাম্মদ রফির স্মৃতি

    উপমহাদেশের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লার সুরের জালের অন্তরালে রয়েছে অসংখ্য কিংবদন্তির গল্প। সেই তালিকায় প্রথম থাকেন মোহাম্মদ রফি, যিনি একবার রুনাকে দেখে দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন। তিনি সম্প্রতি এক বেসরকারি টেলিভিশনের অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, যেখানে রুনা লায়লা তার স্মৃতিচারণা শোনান।

    উপস্থাপক জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘১৯৭৯ সালে জানে বাহার ছবিতে মোহাম্মদ রফির সঙ্গে আপনি প্লেব্যাক করেছেন। শুনেছি, তখন তিনি আপনাকে সম্মানসূচক দাঁড়িয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছিলেন।’

    এর জবাবে রুনা লায়লা বলেন, ‘আমি এখনও ভাবতে পারি না, সেই মানুষটি কতই যেন অনন্য। আমি ছোটবেলা থেকে ওনার গান শুনে বড় হয়েছি। প্রথম বার যখন ওনার ছবি দেখেছিলাম, মনে হয়েছিল এই ভদ্রলোক প্রেম-বিরহের গান এত আবেগ দিয়ে কেমন করে করেন!’

    তিনি আরো বললেন, ‘একদিন বাপ্পি লাহিড়ী বললেন, একজন গায়ক আছে, রফি সাহেবের সঙ্গে গান করবেন। আমি উচ্ছ্বসিত হয়ে বললাম, ওরে বাপ রে! খুব আগ্রহ নিয়ে রিহার্সাল শুরু করলাম। স্টুডিওতে গিয়ে দেখলাম, রফি সাহেব ইতিমধ্যেই উপস্থিত, বসে রেওয়াজ করছেন। আমি এসে বললাম, দেরি হয়ে গেছে মনে হচ্ছে। উনি দাঁড়িয়ে গলেন, বললেন, “না, তুমি ঠিক সময়ে এসেছো। আমি আগে এসেছি। তোমার সঙ্গে গান গাইতে পারা আমার জন্য বড় গর্ব!” শুনে আমি কেঁদে ফেলি। উনি আমাকে বললেন, “অবশ্যই, আমি গাইলাম তোমার সঙ্গে। এটা আমার জন্য সম্মানের বিষয়।’’ আমার জন্য এটি ছিল অন্যতম এক স্বপ্নের বাস্তবতা।

    রুনা লায়লার মতে, মোহাম্মদ রফি সব সময়ই তার সম্মানের স্থান পেয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ‘উনি আমাকে বসতে বলতেই আমি বললাম, আগে আপনি বসুন। উনি বললেন, না, আগে আপনি বসুন। আমি যখন বলছিলাম যে, আপনার সঙ্গে গাইয়া খুব সম্মানের বিষয় আমার, তখন উনি বললেন, “আমারও খুব সম্মান, কারণ আমি আপনাকে সঙ্গে গান করতে পারছি।’’

    সম্প্রতি সংগীতজীবনের ষাট বছর পূর্তি উদযাপন করেছেন রুনা লায়লা। তার সংগীত জীবন শুরু হয় ১৯৬৫ সালে উর্দু ছবি ‘জুগনু’তে গান করার মাধ্যমে। এরপর তিনি দশ হাজারেরও বেশি গান গেয়েছেন।

    তিনি বাংলা, হিন্দি ও উর্দু ভাষার চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক করেছেন এবং অসংখ্য জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন। তার গানের গুণে উপমহাদেশে তার খ্যাতি আলোর মতো বিকশিত হয়েছে। তিনি দেশের অন্যতম উচ্চতম বেসামরিক পদক, স্বাধীনতা পদক পেয়েছেন। সাতবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেছেন এবং দেশ-বিদেশের আরও অসংখ্য পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন।

  • জয়-মাহির ১৪ বছরের বিবাহিত জীবন শেষ হচ্ছে

    জয়-মাহির ১৪ বছরের বিবাহিত জীবন শেষ হচ্ছে

    ভারতের জনপ্রিয় তারকা দম্পতি জয় ভানুশালী ও মাহি ভিজ আবার সবাইকে চমক দিতে চলেছেন। দীর্ঘ ১৪ বছরের প্রেম ও সংসারকে সমাপ্তি জানিয়ে তারা আলাদা হয়ে যাচ্ছেন। এই খবরটি চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে টেলিভিশন ও সিনেমা বিশ্বে।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম পিংক ভিলার রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১১ সালে এই দুই তারকা একটি সংসার শুরু করেছিলেন। ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে একসাথে থেকে তারা কাজের পাশাপাশি সংসারও ঠিকঠাক চালাতেন। প্রথম কয়েক বছর খুবই সুখে কেটেছিল তাদের। তবে ৬ বছর পরে বিবাহিত জীবনের মধ্যে কিছু সমস্যা শুরু হয়।

    ২০১৭ সালে সন্তান না হওয়ায় তারা দত্তক নেয় ছেলে রাজবীর ও খুশি নামে দুই সন্তান। এরপর ২০১৯ সালে পরিবারে আসে তাদের একমাত্র মেয়ে, নাম তারা। এই সময় পর্যন্ত সুখের সংসার চলছিল, এমনকি ২০২৪ সাল পর্যন্ত দম্পতি একসঙ্গে ছিলেন।

    তবে গত বছরের জুন থেকেই তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেদের পারিবারিক ছবি পোস্ট বন্ধ করে দেন। গত বছরের আগস্টে একমাত্র মেয়ের জন্মদিনে তারা আবার একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল। এরপর দুজনের মধ্যে আলাদা বসবাস শুরু হয়। জানা গেছে, বিশ্বাসঘাতকতা এবং বিশ্বাসের ক্ষয়.main কারণ ছিল তাদের বিচ্ছেদের জন্য। দুই পক্ষই সম্পর্ক রক্ষা করার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু সব চেষ্টাই শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়।

    অবশেষে চলতি বছরের জুলাইয়ে তারা আইনি বিচ্ছেদের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। এই জুটি রিয়েলিটি শো ‘নাচ বালিয়ে ৫’ এর বিজয়ী। আবর্তনমূলকভাবে সিরিয়াল, উপস্থাপনা ও মডেলিংয়ে কাজ করেছেন তারা।

    জয় ভানুশালী সিনেমায়ও কাজ করেছেন, তার উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলির মধ্যে রয়েছে ‘হেট স্টোরি ২’, ‘দেশি কাট্টে’, ‘এক পেহেলি লীলা’ ইত্যাদি। মাহি ভিজ নিজেও হিন্দি সিরিয়াল ‘বালিকা বধূ’ ও ‘লাগি তুঝে লগন’-এ জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। তাদের এই বিচ্ছেদ নতুন করে আলোচনায় আসছে কলাকুশলী ও দর্শকদের মাঝে।

  • শাবনূরের মন্তব্য সালমান শাহ মৃত্যু নিয়ে বিভ্রান্তি এড়ানোর আহ্বান

    শাবনূরের মন্তব্য সালমান শাহ মৃত্যু নিয়ে বিভ্রান্তি এড়ানোর আহ্বান

    ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। তার রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বহু আলোচনা ও গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে। অভিনেত্রীর সাবেক স্ত্রী সামিরা হক আত্মহত্যার দাবি করলেও, বর্তমানে আদালতের নির্দেশে তার অপমৃত্যুর মামলা এবং হত্যা মামলা হিসেবে এটি গ্রহণ করা হয়েছে। গত ২০ অক্টোবর রাতেই সালমান শাহর পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা দায়ের করেন তার মামা আলমগীর কুমকুম, যাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। এরপরই বিভিন্ন অপপ্রচারে তার সাবেক সহ-অভিনেত্রী শাবনূরকে জড়িয়ে বিভিন্ন ভিত্তিহীন তথ্য ছড়ানো হয় বলে তিনি তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। সম্প্রতি (২৭ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে শাবনূর বললেন, ‘সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় আদালতের নির্দেশে ২১ অক্টোবর রমনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। আমি তখন বিদেশে থাকায় খবরে对此 জানিয়েছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘অবশ্যই আমি এই রহস্যের বিস্তারিত জানি না, তবে আমার পরম প্রত্যাশা সালমানের সঠিক তদন্ত ও ন্যায়বিচার। দোষী যেহেতু থাকুক, তাকে আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হোক—এটাই আমার একান্ত প্রত্যাশা।’ শাবনূর আরও উল্লেখ করেন, ‘সালমান শাহ আমার জন্য একজন অত্যন্ত প্রিয় সহ-অভিনেতা ছিলেন। আমরা একসঙ্গে ১৪টি সিনেমায় কাজ করেছি। সালমান অভিনয়জগতে এক নতুন প্রতিভার নাম, যার সঙ্গে কাজ করে আমি আমার ক্যারিয়ারকে আরও পরিপূর্ণ ও উজ্জ্বল করে তুলেছি। তার অকাল মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে ব্যথিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। আমাদের সম্পর্কের ব্যাপারে অনেকের ঈর্ষার কারণ ছিল এবং তার মৃত্যুর পর কিছু অরাজনৈতিক গুঞ্জন বা বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়, যা আমাকে মানসিকভাবে গভীর আঘাত করে। তবে আমি আবার বলতে চাই—আমি সত্যিই জানি না সালমান কিভাবে মারা গেছেন। আমি শুধু তার মৃত্যুর সঠিক তদন্ত ও ন্যায়বিচার চাইছি, এবং দোষীদের যথাযথ শাস্তি পেতে চাই।’ তিনি শেষের দিকে সালমানের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করে বলেন, ‘সালমানের মা নীলা আন্টির কষ্টকর পরিস্থিতি দেখলে আমি অনুভব করতে পারি। আমি তাদের প্রতি আন্তরিক সহমর্মিতা জানাই, এবং সালমান শাহর আত্মার শান্তির জন্য প্রার্থনা করি।’ গত ২০ অক্টোবর মধ্যরাতে রাজধানীর রমনা থানায় সালমান শাহর মামা আলমগীর কুমকুম তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে, যেখানে প্রধান আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে তার সাবেক স্ত্রী সামিরা হক। অন্যান্য আসামির মধ্যে রয়েছেন—প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডন, লতিফা হক লুসি, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, বিউটি সেন্টারের রুবি, আবদুস সাত্তার, সাজু ও রিজভী আহমেদ ফরহাদ। সালমান শাহ ও শাবনূর প্রথম জুটি বাঁধেন ‘তুমি আমার’ সিনেমায়। মাত্র চার বছরের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে তিনি ২৭টি সফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ (১৯৯৩), ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘সুজন সখী’, ‘বিক্ষোভ’, ‘স্নেহ’, ‘প্রেম যুদ্ধ’ (১৯৯৪), ‘কন্যাদান’, ‘দেনমোহর’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘আঞ্জুমান’, ‘মহামিলন’, ‘আশা ভালোবাসা’ (১৯৯৫), ‘বিচার হবে’, ‘এই ঘর এই সংসার’, ‘প্রিয়জন’, ‘তোমাকে চাই’, ‘স্বপ্নের পৃথিবী’, ‘সত্যের মৃত্যু নেই’, ‘জীবন সংসার’, ‘মায়ের অধিকার’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’ (১৯৯৬), এবং ‘প্রেমপিয়াসী’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘শুধু তুমি’, ‘আনন্দ অশ্রু’ ও ‘বুকের ভেতর আগুন’ (১৯৯৭)। তার অকাল মৃত্যু, সিনেমার দর্শকদের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।

  • অভিনেতা হাসান মাসুদ গুরুতর অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি

    অভিনেতা হাসান মাসুদ গুরুতর অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি

    ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন হাসান মাসুদ। সাত বছরের মাথায়, ১৯৯২ সালে ক্যাপ্টেন পদের থেকে অবসর নেন। এর পরে তিনি ক্রীড়া সাংবাদিকতা শুরু করেন এবং ২০০৪ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বিবিসি বাংলার হয়ে কাজ করেছেন। সাংবাদিকতা ছাড়ার পরে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর প্রখ্যাত নির্মাণ ‘ব্যাচেলর’ দিয়ে তার অভিনয় শুরু। এরপর তিনি ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন এবং বিভিন্ন জনপ্রিয় টেলিভিশন নাটকে অবদান রাখেন। তার উল্লেখযোগ্য নাটকগুলির মধ্যে রয়েছে – হাউসফুল, ট্যাক্সি ড্রাইভার, এফডিসি, বউ, খুনসুটি, গ্র্যাজুয়েট, রঙের দুনিয়া, আমাদের সংসার, গনি সাহেবের শেষ কিছুদিন, বাতাসের ঘর ও প্রভাতী সবুজ সংঘ।

  • পুণের ফ্ল্যাট থেকে তরুণ অভিনেতা শচীন চাঁদওয়াড়ের মৃতদেহ উদ্ধার

    পুণের ফ্ল্যাট থেকে তরুণ অভিনেতা শচীন চাঁদওয়াড়ের মৃতদেহ উদ্ধার

    ভারতের জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘জামতারা’ খ্যাত তরুণ অভিনেতা শচীন চাঁদওয়াড়ের মরদেহ তার পুণের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা তার ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে, যা খবর পেয়ে দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে দুর্ভাগ্যবশত, চিকিৎসকদের প্রচেষ্টায় আবারো তার জীবন ফিরে আসেনি।

  • নিখোলনায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বরিশালের ফিজিও মৃত্যুবরণ

    নিখোলনায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বরিশালের ফিজিও মৃত্যুবরণ

    জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) খুলনা-বরিশাল ম্যাচের তৃতীয় দিনে এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে। বরিশাল বিভাগের ফিজিও হাসান আহমেদ (৪৭) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

    আজ সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকালে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে ম্যাচ চলাকালীন তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ দুঃখজনক খবর নিশ্চিত করেছে বরিশাল টিম ম্যানেজমেন্ট।

    হাসান আহমেদ বেশি সময় ধরে বরিশাল বিভাগের ক্রিকেট দলের ফিজিও হিসেবে কাজ করে আসছিলেন। আজও তিনি দলের সঙ্গে মাঠে উপস্থিত ছিলেন, তার এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশের রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার ফর ট্রমা ভিকটিমসের (বিআরসিটিভি) প্রোগ্রাম ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।

    ফিজিও হাসানের আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এক শোকবার্তায় বিসিবি জানিয়েছে, তার প্রতি সম্মান জানাতে আজ (সোমবার) চট্টগ্রামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে বাংলাদেশ দল কালো আর্মব্যান্ড পরে মাঠে নামবে। এছাড়াও, ম্যাচের শুরুতে তার আত্মার শান্তির জন্য এক মিনিট নীরবতা পালন করা হবে।

    বিসিবি আরও জানিয়েছে, চলমান এনসিএলের চতুর্থ দিনের খেলা শুরুর আগে হাসান আহমেদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নীরবতা পালন করা হবে।

    এদিকে, উল্লেখ্য, এই আসরের প্রথম দিনেই বরিশালের ব্যাটার ফজলে মাহমুদ রাব্বি ম্যাচ চলাকালীন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিলেন। তবে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়নি এবং তিনি এখন সুস্থ আছেন।

  • লিটন-সাইফদের ব্যর্থতায় বাংলাদেশ সিরিজের প্রথম ম্যাচ হারল

    লিটন-সাইফদের ব্যর্থতায় বাংলাদেশ সিরিজের প্রথম ম্যাচ হারল

    ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে বাংলাদেশের শুরুটা হতাশাজনক হয়েছে। ব্যাটিংয়ে কেউই নিজেকে শিল্পে পরিণত করতে পারেননি। তাবড় ক্রিকেটাররা পাওয়া যায়নি বলে মনে হয়েছে। মাঝে কিছুটা চেষ্টা করেছিলেন তাওহীদ হৃদয় খানিকটা লড়াই করার, তবে তা ফলপ্রসূ হয়নি। বাংলাদেশের ব্যাটিং শুরু হয় ৭৭ রানে ৬ উইকেট পতনের পর, তখনই ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন তরুণ ব্যাটার তানজিদ হাসান তামিম। তিনি আরও কিছু চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন, কিন্তু শেষমেশ উইকেটের পতন হয়। বাংলাদেশে মিডিয়াম পেসার নাসুম আহমেদ এবং অলরাউন্ডার সাকিব আল-হাসান ঝড় তুলেন, তারা ২৩ বলে ৪০ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে দলের কিছুটা আশা জাগান। তবে এরই মধ্যে দলকে পুরোপুরি ফিরিয়ে দিতে সক্ষম হন উইকেটকিপার-ব্যাটার জেসন হোল্ডার এবং শর্টফাইন লেগের অক্ষরে ক্যাচ নিয়ে তাঁদের অর্ধেক দলের আশা শেষ করেন। বাংলাদেশ শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে ৪২ রান করে ৪ উইকেট হারিয়ে, তখনই ম্যাচের মোড় মোড়ানো হয়। লিডিং এজের কারণে লিটন দাস দ্রুত ফিরতেই, অপরপ্রান্তে সাইফ হাসানও আউট হন। লিটন রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে শর্ট ফাইন লেগে ক্যাচ দেন এবং সাইফও আকিলের বলের শিকার হন। এরপর শামীম হোসেন পাটোয়ারি বোল্ড হন, বলের লাইনে ভুল করে। সব মিলিয়ে, পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশ ৪২ রান করে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায়। দলের আরেক ব্যাটার, তরুণ হৃদয় খানও রান করতে পারেননি। তার কেবিনে আউট হয়েছেন আকিলের বলে শর্ট ফাইন লেগে ক্যাচ দিয়ে। ১০ বল খেলে তিনি মাত্র ৫ রান করেন। তানজিদ আর হৃদয়ের প্রস্থান এর পর, তরুণ নাসুম আহমেদ ও তানজিম হাসান দ্রুত রান তুলতে থাকেন। কিন্তু নাসুম ১৩ বলে ২০ রান করেই ফিরেন, এরপর রিশাদ খান শেষ দিকে সুবিধা করতে পারেননি। ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ১৪৯ রানে, যা ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে সহজ লগ্নি। ওদের ওপেনাররা শুরুতেই দিন গড়ে ৫৯ রান যোগ করে, তবুও পুরোপুরি সুবিধা নেননি। শেষে শেরফান রাদারফোর্ড গোল্ডেন ডাক পেয়ে যান, এবং শাই হোপ ২৮ বলে ৪৬ রান ও ভরম্যান পাউয়েল ৪৪ রান করে দলের সংগ্রহকে ১৬৫ রানে নিয়ে যান। বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন আহমেদ দুই উইকেট নেন, রিশাদ নেন একটি। ওদের জন্য পেসার সিলস ও হোল্ডার তিনটি করে উইকেট শিকার করেন, বাংলাদেশের জয় স্বপ্ন এখনই বাস্তব হতে পারেনি।

  • ২০২৬ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দিলেন লিওনেল মেসি

    ২০২৬ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দিলেন লিওনেল মেসি

    বিশ্বফুটবলের ইতিহাসে অন্যতম তারকা লিওনেল মেসি ২০২২ সালের বিশ্বকাপ জয়ের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ তিন দশকের শিরোপাখরা কাটানোর পাশাপাশি একজন চিরসবুজ কিংবদন্তিতে পরিণত হয়েছেন। সেই ঐতিহাসিক অর্জনের পর থেকে ফুটবলপ্রেমীদের মনে একটাই প্রশ্ন ঘুরে বেড়াচ্ছে—এবারের ২০২৬ বিশ্বকাপে কি দেখা যাবে এই মহান ফুটবল তারকাকে? এখন এই প্রশ্নের সদুত্তর মিলেছে। সম্প্রতি এনবিসি নিউজের এক সাক্ষাৎকারে মেসি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, যদি পুরোপুরি ফিট থাকেন, তাহলে তিনি ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে খেলতে চান। তবে সিদ্ধান্ত নেবেন ধীরে-সুস্থে, নিজের শারীরিক অবস্থা দেখে। তিনি বলেন, যদি বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারি, সেটি হবে আমার জন্য সত্যিই অসাধারণ একটি খবর, এবং আমি সেটাই চাচ্ছি। সম্পূর্ণ ফিট থাকলে এবং মূল দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারলে আমি সেখানে থাকতেই চাই। তবে এই সিদ্ধান্তের জন্য তিনি ডে-টু-ডে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করবেন। নতুন বছরটির (ইন্টার মায়ামির প্রি-সিজন শুরু হওয়ার সময়) আগে তিনি দেখবেন নিজের অবস্থা কেমন, এরপর সিদ্ধান্ত নেবেন। বর্তমানে ৩৮ বছর বয়সী এই তারকা যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকার (এমএলএস)-এ ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলছেন। ২০২৩ সালে ইউরোপের বাইরেও নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে তিনি যোগ দিয়েছিলেন ডেভিড বেকহ্যামের ক্লাবে। দুই মৌসুমের সফলতা শেষে সম্প্রতি তিনি আরও তিন বছর জন্য মায়ামির সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করেছেন। ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্তই তার ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলার সম্ভাবনাকে আরও দৃঢ় করেছে। মেসি বিগত ২০ বছরের বেশি সময় ধরে পেশাদার ফুটবলে রয়েছেন। ২০০৪ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে বার্সেলোনার সিনিয়র দলে অভিষেক হয় তার। ক্যারিয়ারে তিনি অসংখ্য ট্রফি ও ব্যক্তিগত পুরস্কার জিতেছেন, যার মধ্যে সবচেয়ে বড় অর্জন ২০২২ সালের বিশ্বকাপ শিরোপা। তাঁর কাছে বিশ্বকাপ জেতা ছিল জীবনের স্বপ্ন, যা তিনি খুবই গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করেছিলেন—এটাই তার পেশাদার ক্যারিয়ারে অর্জন করার মূল লক্ষ্য। আন্তর্জাতিক ফুটবলে এখন পর্যন্ত আর্জেন্টিনার জয়ে ১৯৫ ম্যাচে অংশ নিয়ে করেছেন রেকর্ড ১১৪ গোল। যদি ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে মাঠে নামেন, তাহলে এটি হবে তার ষষ্ঠ বিশ্বকাপের উপস্থিতি, যা ফুটবল ইতিহাসে এক বিরল নজির হয়ে থাকবে।

  • আইসিসিকে অন্যায্য সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ বিস্ফোরক সাক্ষাৎকারে ক্রিস ব্রডের

    আইসিসিকে অন্যায্য সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ বিস্ফোরক সাক্ষাৎকারে ক্রিস ব্রডের

    মাঠে ভারতীয় দলের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স আর তাদের ক্রিকেট সংস্কৃতি অবশ্যই বিশ্ব ক্রিকেটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে এর পাশাপাশি অনেকেরই মনে হয়, ভারতের ক্রিকেট বিষয়ে আইসিসি কিছু অসঙ্গত সুবিধা দিচ্ছে। সেই সংক্রান্ত বিস্ফোরক অভিযোগ নিয়ে সম্প্রতি আলোচনায় এসেছেন সাবেক ম্যাচ রেফারি ক্রিস ব্রড।

    দ্য টেলিগ্রাফের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ব্রড বলেন, তিনি আইসিসির স্টাফ থাকাকালে এমন অনেক অপ্রকাশিত পরিস্থিতি দেখেছেন, যেখানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার কিছু সদস্য বা দেশের প্রভাববলয় সেই সময়ের নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে ভারতকে সুবিধা দিয়ে থাকতেন। তিনি বলেন, “একটি ম্যাচে ভারত নির্ধারিত সময়ের তিন-চার ওভার পিছিয়ে ছিল, আর তখনই আমাকে ফোন করে বলা হয়— ‘ক্ষমাশীল থাকো, কিছু বের করতে হবে, কারণ এটা ভারত।’ সেই চাপের মুখে আমি বিষয়টি অন্ধকারের ভিতর রেখেছি।”

    এছাড়াও, ব্রড দাবি করেছেন যে পরের ম্যাচেও একই ধরণের পরিস্থিতি ঘটেছিল, যেখানে ভারতীয় অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলি দ্রুত ওভার শেষ করতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে ফোনে নির্দেশনা দেয়া হয়। ব্রডের মতো একজন অভিজ্ঞ রেফারি তখন পরিস্থিতি সামাল দিতে চেষ্টা করলেও এই চাপ অনেকটাই প্রতিফলিত হয়েছিল।

    তার দীর্ঘ ২১ বছর অর্থাৎ ২০০৩ থেকে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে তিনি ১২৩ টেস্ট, ৩৬১ ওয়ানডে ও ১৩৮ টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে মোট ৬২২টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ পরিচালনা করেন। তবে এতে লেগে থাকা চাপ ও অস্বস্তি দেখে এখন তিনি মনে করেন, এত বছর ধরে এই দায়িত্বে থাকাটা অনেক বড় এক সংগ্রাম ছিল।

    ব্রড আরও জানিয়েছেন, পাকিস্তানে লাহোরে শ্রীলঙ্কান দলের ওপর হামলার ঘটনা তার কর্মজীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ টার্নিং পয়েন্ট। তিনি বলেন, “আমি অনেকবার জীবন ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছি। এখন আমি খুশি যে অজেয় সেই পরিবেশ থেকে কিছুটা দূরে থাকতে পারছি। আমি বিশ্বাস করি, এমন পরিবেশে সত্য আর মিথ্যার বোঝা খুবই কঠিন। যেমন কোথাও কোথাও বাস্তবতা গঙ্গার মতো—দূষিত, আর অপ্রত্যাশিত।”

    এছাড়াও, ব্রড তার ছেলে স্টুয়ার্ট ব্রডের ব্যতিক্রমী পারফরম্যান্সের কথাও তুলে ধরেছেন। ২০২৩ সালে অ্যাশেজ সিরিজে ডেভিড ওয়ার্নারকে আউট করার পর নিজের এক্স অ্যাকাউন্টে মজার এক মিম শেয়ার করেছিলেন ব্রড, যা আইসিসির তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিল।

    ব্রডের মতে, আইসিসির মধ্যে কাজ করেও বিভিন্ন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপের সঙ্গে মোকাবিলা করতে হয়। তিনি বলেন, “প্রাথমিক পর্যায়ে ভিন্স ভ্যান ডার বিলের মতো মানুষের কাছ থেকে সমর্থন পেয়েছি। কিন্তু তার চলে যাওয়ার পর থেকে সংস্থার পরিস্থিতি অনেকটাই অপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ভারতীয় অর্থের প্রভাব অপরিসীম এবং বিভিন্ন উপায়ে আইসিসির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা চালানো হয়। আমি এখন অপরাজেয় এমন পরিবেশ থেকে বের হয়ে আসতে পেরে بہت খুশি, কারণ এখন এখানে থাকাটা এক ধরনের রাজনৈতিক অবস্থান ধরে রাখার মতো।”

  • কালামের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশকে হারিয়ে আফগানিস্তান জিতল

    কালামের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশকে হারিয়ে আফগানিস্তান জিতল

    আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের দেওয়া বড় লক্ষ্য তাড়া করতে পারেনি বাংলাদেশের টীমের তরুণ ব্যাটারেরা। বগুড়ায় অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে শুরুতেই বিপদে পড়ে বাংলাদেশ, দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে তারা দুঃসাহসিক পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়। তবে কালাম সিদ্দিকি ও রিজান হোসেনের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের কারণে তারা ম্যাচে ফেরে। শেষ সময়ে আলোকস্বল্পতার কারণে পুরো ৫০ ওভার খেলা শেষ করা সম্ভব হয়নি, তবে ডিএল মেথডে ৫ রানে জয় লাভ করে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল।

    আফগানিস্তান আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৬৫ রান সংগ্রহ করে। বাংলাদেশের পক্ষে বল হাতে সর্বোচ্চ সফলতা লাভ করেন ইকবাল হোসেন ইমন, যিনি ৫ উইকেট শিকার করেন। রিজানও দুটি উইকেট পান। বাংলাদেশের রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে যায় দল। ওপেনার জাওয়াদ আবরার ৩য় ওভারে ফিরিয়ে যান। এরপর আজিজুল হাকিম তামিম ব্যর্থ হয়ে দলের জন্য চাপ তৈরি করেন। রেফাত বেগ শুরুটা ভালো করলেও ৩০ বলে ২৬ রান করে আউট হন। দলের স্কোর তখন ৬০ রানে পৌঁছায়, এবং সেই সময় টপ অর্ডারের তিনজন ব্যাটারই ফিরে যান।

    অবশেষে রিজান ও কালাম এক সাথে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখান। চতুর্থ উইকেট জুটিতে তারা ১৩৯ রান যোগ করেন, যেখানে কালাম সেঞ্চুরি তুলে নেন। ১১৯ বলে ১০১ রান করে তিনি আউট হন। এরপর রিজান মোহাম্মদ আবদুল্লাহর সাথে প্রয়োজনীয় রানের জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যান। তবে শেষ মুহূর্তে আলোকস্বল্পতার কারণে খেলা কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। শেষ মুহূর্তে অল্প ব্যবধানের জয়ে বাংলাদেশ ৫ রানে জয় লাভ করে।

    এদিকে, আফগানিস্তানের পক্ষে উদ্বোধনী জুটিতে ৫৫ রান যোগ করেন খালিদ আহমেদজাই ও ওসমান সাদাত। তবে পরপরই তারা ফিরে যান। খালিদ ৩৪ বলে ৩৪ রান ও ওসমান ২৬ বলে ১৫ রান করেন। পাকিস্তানির উজাইরউল্লাহ নিয়াজাই শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন, ১৩৭ বলে ১৪০ রান করেন এবং ইনিংসের শেষ পর্যন্ত টিকে থাকেন। তার এই দুর্দান্ত শতক সহ ১৬টি চার ও একটি ছক্কা হাঁকান তিনি। আফগানিস্তানের পক্ষ থেকে শেষ পর্যন্ত দলকে ধরে রেখে ১৬৫ রান সংগ্রহ করেন।