Month: October 2025

  • একাত্তরে জামায়াতের ভুলের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন ডা. শফিকুর রহমান

    একাত্তরে জামায়াতের ভুলের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন ডা. শফিকুর রহমান

    জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় দলের ভুলের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন। বুধবার (২২ অক্টোবর) নিউ ইয়র্কে কোয়ালিশন অব বাংলাদেশি আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশনের (কোবা) আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই ক্ষমা প্রদান করেন। শফিকুর রহমান বলেন, শুধু একাত্তরই নয়, ১৯৪৭ সাল থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত, আমাদের দ্বারা যারা কষ্ট পেয়েছেন বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, সকলের কাছে আমি বিনা শর্তে ক্ষমা চেয়েছি। তিনি আরও বলেন, একজন ব্যক্তির মতোই একজন দলও ভুল করতে পারে। কোন সিদ্ধান্ত ভুলে পরিণত হবে বা সঠিক তা ইতিহাসই নির্ধারণ করবে। আজ যা ভুল বলে মনে করা হচ্ছে, কাল সেটা সবচেয়ে বড় সঠিক বলে প্রমাণিত হতে পারে। শফিকুর রহমান আরও বলেন, আমরা একজন আদর্শবাদের দল। বিশ্বাস করি মানুষ ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। আমাদেরও নানা ক্ষেত্রে ভুলত্রুটি হতে পারে, এবং এর জন্য আমি কোন শর্ত আরোপ না করে সরাসরি ক্ষমা চেয়েছি। তার কথায়, মাফ চাওয়া কোনো পরাজয় নয়, বরং মানবিক মূল্যবোধের পরিচায়ক। তিনি বলেন, আমি আমার মানবিক মূল্যবোধ এবং দায়িত্বের স্থান থেকে এই ক্ষমা চেয়েছি। এরপর তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই পিআর এবং অন্যান্য ইস্যুতে গণভোটের দাবি জানান। শফিকুর রহমান বলেন, ফেব্রুয়ারির রোজার আগে নির্বাচন নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা থাকবে না। যদি জামায়াত ক্ষমতায় আসে, তাহলে সাংবিধানিক অধিকার অনুযায়ী সংখ্যালঘুরা নির্বিঘ্নে থাকবেন বলেও আশ্বাস দেন। ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে সমতাসূত্রে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করার প্রত্যয় জামায়াতের।

  • শেখ হাসিনার বিচার না হলে July শহীদদের ওপর অবিচার হবে: অ্যাটর্নি জেনারেল

    শেখ হাসিনার বিচার না হলে July শহীদদের ওপর অবিচার হবে: অ্যাটর্নি জেনারেল

    অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, 1971 সালে অনুষ্ঠিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের কথা উল্লেখ করে তিনি warn করেছেন যে, যদি শেখ হাসিনা সহ অন্য আসামিরা বিচার না পান, তবে জুলাই মাসে শহীদ ও আহতদের ওপর অবিচার চলবে। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার সর্বশেষ শুনানিতে এই মন্তব্য করেন তিনি।

    আসাদুজ্জামান উল্লেখ করেন, প্রথমে তিনি বিশ্বাস করেছিলেন যে শেখ হাসিনা ন্যায়বিচার পাবেন। কারণ, তিনি অন্যদের উদ্দেশে বলেছিলেন, সাহস থাকলে বিচারকের মুখোমুখি হন। কিন্তু এখন তিনি মনে করেন, তিনি এই কথা মন থেকে বলেননি, কারণ যদি বলতেন, আজকে তাঁরা দেশের আদালতে এসে বিচারকের সামনে দাঁড়াতেন।

    তিনি আরও জানান, এই আসামিদের উপযুক্ত শাস্তি না দিলে দেশের আরও অসংখ্য মানুষ বিপন্ন হবে। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত না হলে বাংলাদেশে অনেকেই ভীরু ও কাপুরুষের মতো জীবন কাটাবেন। তিনি সর্বোচ্চ শাস্তির জন্য প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

    তার কথার পরে ট্রাইব্যুনাল বলেছে, ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে, নিহত ও আহত পরিবারসহ সকল পক্ষই যথাযথভাবে বিচার পাবে।

    প্রসিকিউশন আজকের শুনানিতে শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে শেষ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করছে। এরপর সিদ্ধান্তের জন্য রায়ের দিন ধার্য করবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

    এর আগে, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চলমান মামলার শুনানিতে জুলাই মাসে সংঘটিত গণহত্যা, নৃশংসতা, আওয়ামী লীগের শাসনামলে গুম-খুনসহ নানা জেলাজনিত নির্যাতনের তথ্য প্রকাশ পায়। মামলায় বেশ কিছু সাক্ষ্যদান করেন প eyewitnesses, জনমত তৈরি করেছেন গুম-খুনের পুলিশ কর্মকর্তা ও অন্যান্য ব্যক্তিরা।

    সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে প্রসিকিউশন বলছে, এখন পর্যন্ত উপস্থাপিত প্রমাণ ও সাক্ষ্যগুচ্ছ বিশ্বের যে কোনও আদালতেই আসামিদের অপরাধ নিশ্চিতের জন্য যথেষ্ট।

  • মিটফোর্ডের মতো নৈশপ্রহরীকে ইট দিয়ে থেঁতলে নির্মম হত্যা

    মিটফোর্ডের মতো নৈশপ্রহরীকে ইট দিয়ে থেঁতলে নির্মম হত্যা

    নারায়ণগঞ্জে আবু হানিফ (৩০) নামে এক নৈশপ্রহরীকে নৃশংসভাবে ইট দিয়ে থেঁতলে ও পিটিয়ে হত্যা করার ভয়াবহ একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা গেছে, পাঁচ থেকে সাতজনে সাজ-is না থাকা হামলাকারীরা একের পর এক ইট দিয়ে তার মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত করছে, যা দেখে মনে হয় এই নির্মম হত্যাকাণ্ডটি খুবই পরিকল্পিত। এই ঘটনা ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে সাম্প্রতিক ব্যবসায়ী হত্যা মামলার সঙ্গে ব্যাপক মিল রয়েছে বলে মনে করছে পুলিশ ও স্থানীয়রা।

    অভিযোগ অনুযায়ী, সোমবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে হানিফকে তার নিজ বাসা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে নারায়ণগঞ্জের খানপুর জোড়া ট্যাংকি মাঠে নিয়মিত নির্যাতন চালানো হয়। তার বিরুদ্ধে এক শিশু যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠলে তাকে দফায় দফায় পিটিয়ে আহত করা হয়। নির্যাতনের পর হামলাকারীরা তাকে অচেতন অবস্থায় রাস্তায় ফেলে চলে যায়। অন্তত একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছে, তারা হানিফকে অনেক আগে থেকে সন্দেহ করে এসেছিল।

    স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জের খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে এলে রাত ৯টার দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাটি পুরো এলাকায় আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিনজন подозোষকে গ্রেপ্তার করেছে; তারা হলেন কুমিল্লার মুরাদনগরের বাহার (৩৬), তার ভাই সাইদুল ইসলাম (২৫) এবং নারায়ণগঞ্জের মেট্রো এলাকায় শফিকুল রহমানের ছেলে মুশফিকুর রহমান জিতু (২৯)।

    নির্যাতনের ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ অন্যান্য আসামিদের ধরতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মামলার তদন্ত চলছে বলে জানান ওসি মো. নাসির।

    পরিবারের সদস্যরা জানায়, নিহত আবু হানিফ বাড়িতে থাকতেন নারায়ণগঞ্জের খানপুরে, তিনি বাগেরহাটের শরণখোলার আবুল কালামের ছেলে। তার স্ত্রী ও তিন সন্তান রয়েছে।

    হানিফের ছোট বোন রাবেয়া বলেন, ‘দুপুর ১২টার দিকে কিছু ছেলে আমার ভাইকে মারতে মারতে নিয়ে যায়। আমরা বাধা দিলে তারা শুনেনি। পরে শুনি, তারা বলে ভাই বাচ্চা ধর্ষণ করতে চেয়েছিল—কিন্তু সেরকম কিছু আমি জানি না।’

    অভিযোগের পর, তার ভগ্নিপতি মো. ইব্রাহিম বলেন, ‘ঘটনার খবর শুনে আমি দ্রুত কাজ থেকে ফিরে আসি। আমাকে ফোন করে জানানো হয়, কিছু ছেলে বাসায় ঝামেলা করছে। আমি ফিরে গিয়ে দেখি, তারা আমাকে ধরে খানপুর জোড়া ট্যাংকি মাঠে নিয়ে গেছে। সেখানে আমি হানিফ ভাইকে ভিতরে বসে থাকতে দেখেছি। তারা হানিফ ভাইকে অটোতে তুলে কোথাও নিয়ে যায়। অনেক পরে তাকে হাসপাতালে শনাক্ত করি।’

  • সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্তের জন্য হাইকোর্ট থেকে আরও ৬ মাস সময় কর্তৃপক্ষের

    সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্তের জন্য হাইকোর্ট থেকে আরও ৬ মাস সময় কর্তৃপক্ষের

    সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্তের জন্য আরও ছয় মাস সময় অনুমোদন দিয়েছে হাইকোর্ট। তবে এই সময়ের ভিত্তিতে আদালত উল্লেখ করেছে, এটি শেষবারের মতো সময় বাড়ানো, যাতে তদন্তের কাজ দ্রুত এবং কার্যকরভাবে সম্পন্ন হয়।

    বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) এই আদেশ দেওয়া হয়, যখন রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন অনুযায়ী উচ্চ আদালত এটা গ্রহণ করেন। বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ার আয়োজিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই সিদ্ধান্ত নেন।

    আদালত সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষ থেকে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ, সাথে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মুশফিকুর রহিম। অন্যদিকে, রিটের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ ও শিশির মনির।

    এর আগে, ২৩ অক্টোবর হাইকোর্টের নির্দেশে এই হত্যা মামলার তদন্তের জন্য পিবিআই প্রধানের নেতৃত্বে চার সদস্যের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। এই টাস্কফোর্সে বিভিন্ন সংস্থার অভিজ্ঞ কর্মী বা বিশেষজ্ঞরা ছিলেন। এই টাস্কফোর্সের জন্য হাইকোর্ট আগে ২২ এপ্রিল ছয় মাসের সময় নির্ধারণ করে দিয়েছিল।

    ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হয়েছিলেন সাগর ও রুনি। তারা তখন বাসায় ছিল তাদের সাড়ে চার বছর বয়সী ছেলে মাহির সরোয়ার মেঘ। ঘটনার সময় ঘরে ছিলেন না, কারণ তারা কাজের জন্য বাসায় ছিল। সাগর মাছরাঙা টেলিভিশনের নিজস্ব প্রতিবেদক ও রুনি এটিএন বাংলায় কর্মরত ছিলেন।

    ঘটনার পর রুনির ভাই নওশের আলম শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামিরা হলেন: রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম (অরুন), আবু সাঈদ, নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ, ও তানভীর রহমান খান। এর মধ্যে তানভীর ও পলাশ জামিনে রয়েছেন, বাকিরা কারাগারে আছেন।

    এখন পর্যন্ত এই হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১২১ বার সময় পিছিয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের দিন নির্ধারিত হয়েছে আগামী ৩০ নভেম্বর।

  • পুঁজিবাজারে শিবলী-রিয়াজ আজীবন নিষিদ্ধ

    পুঁজিবাজারে শিবলী-রিয়াজ আজীবন নিষিদ্ধ

    বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) তার সর্বশেষ ৯৭৮তম কমিশন সভায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিলো, যেখানে সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম এবং এলআর গ্লোবাল এ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রিয়াজ ইসলামকে পুঁজিবাজারে আজীবন নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দেয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ হলো তাদের অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সংশ্লিষ্ট দুর্নীতি। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএসইসির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ।

    বিজ্ঞানী ও অ্যাকাউন্টিং বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সিদ্ধান্ত তারেক বাংলাদেশ অর্থনীতি ও বিনিয়োগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি সতর্কবার্তা, যা নিশ্চিত করে যে পুঁজিবাজারে কেউই অবৈধ ও অনৈতিক কাজের মাধ্যমে নিজের স্বার্থ আদায় করতে পারবেন না।

    বিএসইসির এক বিজ্ঞপ্তি জানিয়েছে, করোনার সময় পদ্মা প্রিন্টার্স এ্যান্ড কালার লিমিটেডের বিনিয়োগ ও কোয়েস্ট বিডিসি লিমিটেডের মূলধন ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা থেকে ৫০ কোটি টাকায় উন্নীত করার প্রক্রিয়ায় অনৈতিক যোগাযোগ ও জালিয়াতির প্রমাণ পেয়ে তাদের এই কঠোর শাস্তি দেওয়া হয়। এর আগে, গত সেপ্টেম্বর মাসে পুঁজিবাজারের ওটিসি মার্কেটে তালিকাভুক্ত কোয়েস্ট বিডিসির কার্যক্রমে অনিয়ম, দুর্নীতি ও আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে। ওই অনুসন্ধানে দেখা যায়, পরিচালক ও কর্মকর্তারা শেয়ার উচ্চ দামে ক্রয় করেছেন, বিনিয়োগের নামে অবৈধ লেনদেন করেছেন, সম্পদের ভ্যালুয়েশন চালিয়েছেন এবং অনুমোদনবিহীন ব্যবসা পরিচালনা করেছেন।

    তদন্তের প্রক্রিয়ায় উঠে এসেছে, ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত এক ঘটনাবহুল সময়ে, তখনকার নিয়ন্ত্রক সংস্থার চেয়ারম্যানের সহায়তায় রিয়াজ ইসলাম এলআর গ্লোবালের মাধ্যমে পদ্মা প্রিন্টার্সের ৫১ শতাংশ শেয়ার কেনা হয়। এর মধ্যে উচ্চ দামে শেয়ার কেনাকাটা, ছয়টি মিউচুয়াল ফান্ডের সহযোগিতায় পরিচালক পদে কর্মকর্তাদের বসানো, টাকাপয়সার অবৈধ ব্যবহার এবং সম্পদ মূল্যায়নে অনিয়মের মাধ্যমে শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে অসাধু ব্যবসা চালানো ছিল মূল কূটকৌশল।

    অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তিনি শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার বিক্রির জন্য প্ররোচিত করেছেন এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ সুবিধা গ্রহণ করেছেন। একই সময়ে, এলআর গ্লোবালের ব্যবস্থাপনায় থাকা মিউচুয়াল ফান্ডগুলোকে মূলধনের ক্ষতি হেতু তালিকাবহির্ভূত কোম্পানি ও সিকিউরিটিজে বিনিয়োগের মাধ্যমে অপব্যবহার করা হয়েছে। এজন্য তাদের কার্যক্রম থেকে আজীবন নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি দপ্তরের তদন্ত ও মানি লন্ডারিংয়ের বিষয়ে বিস্তারিত তদন্তের জন্য দুদককে সংক্রান্ত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষিত করতে এবং পুঁজিবাজারের সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

  • ভারত থেকে জাল টাকা প্রবেশের খবরের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সতর্কতা

    ভারত থেকে জাল টাকা প্রবেশের খবরের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সতর্কতা

    সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে জানা গেছে যে, বিপুল পরিমাণ জাল টাকা ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। এর ফলে জনগণের মধ্যে আতঙ্ক ও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক দ্রুতই সতর্কবার্তা জারি করেছে। বুধবার একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ব্যাংক জানিয়েছে, এ ধরনের খবর বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে এবং সাধারণ মানুষকে অপ্রয়োজনে উদ্বিগ্ন না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, জাল টাকা তৈরি, বহন এবং লেনদেন অবৈধ এবং দেশের আইন অনুযায়ী এটি এক গুরুতর অপরাধ। দেশীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়টি রোধে নিয়মিত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তারা জাল নোটের উৎস, প্রবাহ এবং ব্যবহারের ওপর কড়া নজরদারি চালাচ্ছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

    প্রতিরোধ ও সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ব্যাংক থেকে জনগণের জন্য চারটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—নোট গ্রহণের সময় নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য যেমন জলছাপ, অসমতল ছাপ, নিরাপত্তা সূতা, রঙ পরিবর্তনশীল কালি এবং ক্ষুদ্র লেখাগুলি ভালভাবে পরীক্ষা করা। বড় অঙ্কের লেনদেন অবশ্যই ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে পরিচালনা করতে হবে। এছাড়াও নগদ লেনদেনের পরিবর্তে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়। সন্দেহজনক নোট পেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানায় বা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ যোগাযোগ করার জন্য বলা হয়।

    বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানিয়ে দিয়েছে, আসল নোটের বৈশিষ্ট্য সম্বন্ধে বিস্তারিত তথ্য তাদের ওয়েবসাইট www.bb.org.bd এ পাওয়া যাবে। পাশাপাশি, প্রতিটি ব্যাংক শাখায় আসল নোট শনাক্তকরণে এক্স-ব্যানার ও পোস্টার প্রদর্শিত রয়েছে।

    এর আগে সম্প্রতি কাতারভিত্তিক একটি সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধানী সাংবাদিক তার ফেসবুক আইডিতে এই বিষয়ক একটি পোস্ট দেন। এটি ব্যাপক ভাইরাল হলে, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুতই তৎপর হয়ে ওঠে। তারা এ অপতৎপরতা রুখতে বহুমুখী উদ্যোগ নিতে থাকিয়েছেন বলে জানিয়েছে।

  • সোনার দাম আরও বৃদ্ধির সঙ্গে ভরি ছাড়াল ২ লাখ ১৭ হাজার টাকার বেশি

    সোনার দাম আরও বৃদ্ধির সঙ্গে ভরি ছাড়াল ২ লাখ ১৭ হাজার টাকার বেশি

    দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও দাম বেড়ে গেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে স্থানীয় চাহিদা ও বাজারের অনুরূপ পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) নতুন মূল্য ঘোষণা করেছে। রোববার (১৯ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতি ভরি সোনার দাম বেড়েছে সর্বোচ্চ এক হাজার ৫০ টাকা; যার ফলে এখন সর্বোচ্চ মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকা—which হচ্ছে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এই নতুন দাম কার্যকর হবে সোমবার (২০ অক্টোবর) থেকে।

  • অক্টোবরের ১৮ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৯ হাজার ১৬৩ কোটি টাকা

    অক্টোবরের ১৮ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৯ হাজার ১৬৩ কোটি টাকা

    অক্টোবরের প্রথম ১৮ দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা পাঠিয়েছেন মোট ১৫৭ কোটি ৪০ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় পরিণত হলে একটির মূল্যমান ১২১.৭৫ টাকা ধরে মোট দাবি দাঁড়ায় প্রায় ১৯ হাজার ১৬৩ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্রের দপ্তর রোববার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    চলতি অক্টোবর মাসের এই ১৮ দিনের মধ্যে, আগের বছরের তুলনায় প্রবাসী আয় ৩ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে। 지난해 একই সময়ে প্রবাসী আয় হয়েছিল ১৫২ কোটি ৩০ লাখ ডলার। তবে, এ বছরের সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৮ দিনে প্রবাসী আয় ছিল ১৬১ কোটি ১৫ লাখ ডলার, যা কিনা এ বছরের অক্টোবরের চেয়ে কিছুটা বেশি।

    এছাড়া, মার্চ-অক্টোবর এই তিন মাসে, অর্থাৎ জুলাই থেকে অক্টোবরের মধ্যে, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স গত বছরের একই সময়ের সঙ্গে তুলনা করলে বেড়েছে ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ। চলতি বছর জুলাই থেকে অক্টোবরের মধ্যে প্রবাসী আয়ে এসেছে মোট ৯১৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার, যেখানে গত বছর ঐ সময়ে ছিল ৮০৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। এই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার জন্য খুবই আশাবাদজনক।

  • কার্গো টার্মিনালের অগ্নিকাণ্ডে রপ্তানি খাতে ক্ষতি ১২ হাজার কোটি টাকা: ইএবি

    কার্গো টার্মিনালের অগ্নিকাণ্ডে রপ্তানি খাতে ক্ষতি ১২ হাজার কোটি টাকা: ইএবি

    দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো টার্মিনালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দেশের রপ্তানি খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রাথমিক অনুমান অনুযায়ী, এই ঘটনায় প্রায় এক বিলিয়ন ডলার অর্থাৎ বারো হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

    আজ সোমবার (২০ অক্টোবর) রপ্তানি ও শিল্পখাত সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য প্রকাশ করে। সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ইএবি’র সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম। তিনি বলেন, এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে শুধু ব্যবসায়ীদেরই নয়, সরকারও বেশি আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে, আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা নষ্ট হচ্ছে এবং বাজার হারানোর আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, আমরা চাই দ্রুত সরকারের পূর্ণাঙ্গ তদন্তের মাধ্যমে এই ঘটনার আসল কারণ খুঁজে বের করে ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ হোক এবং প্রয়োজনীয় পুনর্গঠনমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হোক। শাহজালাল বিমানবন্দর দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র—এমন অঘটন আর দেখতে চাই না।

    সংবাদ সম্মেলনে ইএবি নেতারা উল্লেখ করেন, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো হ্যান্ডলিং জোন দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র। সেখানে প্রতিদিন কোটি কোটি ডলারের পণ্য ওঠানামা করে। এমন সংবেদনশীল স্থানে অগ্নিকাণ্ডটি সাধারণ দুর্ঘটনা নয়, এটি নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুতর দুর্বলতার অস্পষ্ট প্রতিফলন বলে মনে করছেন তাঁরা।

    নেতারা প্রশ্ন তোলেন—এমন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় কি কোনো অটোমেটিক ফায়ার ডিটেকশন বা প্রোটেকশন সিস্টেম ছিল? আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে বিমানবন্দরের নিজস্ব ফায়ার ফাইটিং টিম কোথায় ছিল? বাইরে থেকে ফায়ার সার্ভিস এসে পৌঁছাতে এত সময় লাগলো কেন?

    অভিযোগকারীরা উল্লেখ করেন, সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ, কাস্টমস হাউস ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, এই তিন পক্ষই যদি কার্গো টার্মিনালের নিরাপত্তা ও সামগ্রিক তদ্বারা দায়িত্ব পালন করে, তাহলে তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হওয়া উচিত।

    প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, এই অগ্নিকাণ্ডে তৈরি পোশাক, চামড়া, হিমায়িত মাছ, কৃষিপণ্য, ফলমূল, ফার্মাসিউটিক্যাল কাঁচামালসহ বিভিন্ন রপ্তানি পণ্য পুড়ে গেছে। বেশ কয়েকটি অর্ডার বাতিল হয়েছে, আর বিদেশি ব্র্যান্ডগুলো বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

    সংবাদ সম্মেলনে ইএবি ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো সরকারের কাছে ছয় দফা দাবি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে— ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত বিমা দাবি মঞ্জুরের উদ্যোগ, যেসব পণ্যে বীমা না থাকলেও ক্ষতি হয়েছে, সেসবের জন্য বিশেষ সরকারি তহবিল গঠন, বিমানবন্দর এলাকায় আধুনিক কার্গো হ্যান্ডলিং ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা জোরদার, রপ্তানি পণ্য নিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়ন, আধুনিক স্ক্যানার ও প্রযুক্তি ভিত্তিক মনিটরিং সিস্টেম স্থাপন, কার্গো ব্যবস্থাপনা ডিজিটালাইজেশন এবং অগ্নি প্রতিরোধ ব্যবস্থা উন্নত করার দাবি জানানো হয়।

    অতিরিক্ত, তাঁরা দুর্ঘটনার মূল কারণ শনাক্তকরণে সরকারের সঙ্গে সমন্বিত তদন্ত কমিটি গঠনেরও আহ্বান জানিয়েছেন, যেন সাম্প্রতিক ঘটনার সত্যতা ও দায়দায়িত্ব সুস্পষ্টভাবে নিরূপণ করা যায়।

  • বাংলাদেশে ৫০ হাজারের বেশি মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট জুয়া ও প্রতারণার জন্য স্থগিত

    বাংলাদেশে ৫০ হাজারের বেশি মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট জুয়া ও প্রতারণার জন্য স্থগিত

    বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সাইবার নিরাপত্তার জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবে দেখা হয়েছে 최근 বিএফআইইউ (বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট) বিশাল সংখ্যক মোবাইল ব্যাংকিং (এমএফএস) অ্যাকাউন্ট স্থগিত করেছে। এই কারণে ৫০ হাজারের বেশি অ্যাকাউন্ট জুয়া ও প্রতারণামূলক কার্যক্রমে জড়িত থাকায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছিল ২০২২ সালের ডিসেম্বর থেকে শুরু করে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত। তবে সম্প্রতি এই বিষয়ে বেশি নজর দিতে সমন্বিত অভিযান চালানো হয়েছে।

    মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি ভবনে ‘অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে করণীয়’ শীর্ষক এক জমকালো সভায় বিএফআইইউর একজন প্রতিনিধি এই তথ্য নিশ্চিত করেন। এতে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, ডিজিএফআই (ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স), এনএসআই (ন্যাশনাল সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স), এনটিএমসি (ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার), সিআইডি (ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট), মোবাইল অপারেটর কোম্পানি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

    সেখানে বক্তারা জানিয়েছেন, সরকারের মাধ্যমে বার্তা পাঠানো হচ্ছে যাতে এমএফএস অ্যাকাউন্টগুলো থেকে জুয়া ও প্রতারণামূলক লেনদেন প্রতিহত করা যায়। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে আরো কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হবে। স্থগিত অ্যাকাউন্টগুলো থেকে কোথায় কোথায় অনিয়ম হয়ছে, তা বিশ্লেষণ করে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে রিপোর্ট দেওয়া হচ্ছে।

    আরও জানা গেছে, অনলাইন জুয়া ও অ্যাটাকের মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের জন্য বেনামি সিমের ব্যাপারও বাড়ছে। সংঘবদ্ধ চক্র ভুয়া সিম বিক্রি করছে, মানুষের আঙুলের ছাপ ব্যবহার করছে এবং বিকাশের নকল এপ্প তৈরি করছে। এর ফলে নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য ডার্ক ওয়েবে বিক্রি হচ্ছে, যা বিভিন্ন অপরাধের জন্ম দিচ্ছে।

    অতীতে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত জুয়া বিজ্ঞাপন বন্ধের জন্য সময় দিচ্ছিল। তবে বেশ কিছু অনলাইন পোর্টাল এখনো অবৈধ ও অনিরাপদ কনটেন্ট প্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠে। এসব পোর্টালে জুয়া বিজ্ঞাপন এবং অননুমোদিত কনটেন্ট প্রচারে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা যেকোনো মুহূর্তে এই ধরনের পোর্টাল বন্ধ করে দেওয়ার সক্ষমতা রাখে। তাদের সতর্ক করে বলা হয়েছে, আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে যদি অবৈধ কার্যকলাপ বন্ধ না হয়।

    ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব, সরকারের একজন বিশেষ উপদেষ্টার, বলেছে যে, বর্তমানে সরকারের কাছে মোট ৪ হাজার ৮২০টি এমএফএস নম্বর এবং ১ হাজার ৩৩১টি ওয়েব পোর্টালের লিঙ্ক ধরা পড়েছে। কিন্তু চক্রের সদস্যরা প্রতিবারই নতুন করে আইপি ঠিকানা, ওয়েবসাইটের নাম বদলে আবারও চালু করছে। নতুন অ্যাপ তৈরি করে এবং পুরোনো অ্যাপের অপ্রস্তুতিও থাকায় কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে তারা জানিয়েছেন, এই লেনদেন বন্ধের জন্য উচ্চতর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।