Month: October 2025

  • অক্টোবরের ১৮ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১৯ হাজার ১৬৩ কোটি টাকা

    অক্টোবরের ১৮ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১৯ হাজার ১৬৩ কোটি টাকা

    অক্টোবরের প্রথম ১৮ দিনেই বাংলাদেশের প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন মোট ১৫৭ কোটি ৪০ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশি টাকা হিসেবে সাড়ে ১৯ হাজার ১৬৩ কোটি টাকার বেশি (প্রতি ডলার ১২১.৭৫ টাকায় হিসাব করে)। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্রের দপ্তর রোববার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। চলতি মাসের এই ১৮ দিনে, গত বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রবাসী আয় ৩.৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছরের অক্টোবরের ১৮ দিনে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ১৫২ কোটি ৩০ লাখ ডলার, যা এই বছরের একই সময়ের চেয়ে কিছুটা কম। এর পাশাপাশি, গত সেপ্টেম্বরে অর্থাৎ আগের মাসে, ১৮ দিনের হিসেবে প্রবাসী আয় ছিল ১৬১ কোটি ১৫ লাখ ডলার। ২০১৯ সালের তুলনায়, বছরের শুরুর ৩ মাস ১৮ দিন—অর্থাৎ জুলাই ১ থেকে অক্টোবর ১৮—র মধ্যে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ১৩.৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সময়ের মধ্যে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন মোট ৯১৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার, যা একই সময়ের আগের বছরের চেয়ে বেশি। একই সময়ে, ২০১৮ সালে এই অবদান ছিল ৮০৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। সামগ্রিকভাবে, চলতি বছরের জুলাই থেকে অক্টোবরের মধ্যে, দেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে।

  • কার্গো টার্মিনালে আগুনে রপ্তানি ক্ষতি ১২ হাজার কোটি টাকা: ইএবি

    কার্গো টার্মিনালে আগুনে রপ্তানি ক্ষতি ১২ হাজার কোটি টাকা: ইএবি

    দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো টার্মিনালে ভয়াবহ একটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দেশের রপ্তানি খাত ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, এই ঘটনায় প্রায় এক বিলিয়ন ডলার অর্থাৎ বারো হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    আজ সোমবার (২০ অক্টোবর) রপ্তানি ও শিল্পখাত সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর সম্মিলিত প্ল্যাটফর্ম, অর্থাৎ ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইএবি), এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য প্রকাশ করে। সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।

    সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে শুধু ব্যবসায়ী বা রপ্তানিকারকরা নয়, পুরো দেশের অর্থনীতি বড় ধরনের ঝুঁকির মধ্যে পড়ে গেছে। আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা কমে গেছে, ফলে বাংলাদেশের রপ্তানি বাজার হারানোর আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমরা চাই, এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতির সঠিক হিসাব নিরূপণ করা হোক এবং দ্রুত পুনর্গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হোক। তিনি বলেন, শাহজালাল বিমানবন্দর দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্রে, যেখানে প্রতিদিন কোটি কোটি ডলারের পণ্য পৌঁছায় বা যায়। এই ধরনের ঘটনা এবার আর যেন না ঘটে, সে জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি।

    সংবাদ সম্মেলনে ইএবি নেতারা উল্লেখ করেন, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো হ্যান্ডলিং অঞ্চল দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের হৃদয়। সেখানে প্রতিদিন বিভিন্ন ধরনের পণ্য—কোটি কোটি ডলারের পোশাক, চামড়া, হিমায়িত মাছ, কৃষিপণ্য, ফলমূল, ফার্মাসিউটিক্যাল কাঁচামাল—অুপযুক্তভাবে পরিচালিত হয়। এমন একটি সংবেদনশীল স্থানে অগ্নিকাণ্ড একটি দুর্ঘটনা নয় বরং নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুতর দুর্বলতার প্রতিফলন।

    তারা প্রশ্ন করেন, এই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় কি কোন স্বয়ংক্রিয় ফায়ার ডিটেকশন বা প্রোটেকশন সিস্টেম ছিল? আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে বিমানবন্দরের নিজস্ব ফায়ার ফাইটিং টিম কোথায় ছিল? বাইরে থেকে ফায়ার সার্ভিস আসতে এত সময় লাগলো কেন? নেতারা অভিযোগ করেন, সিভিল এভিয়েশন, কাস্টমস হাউস, এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স—এই তিন সংস্থাই কার্গো টার্মিনালের নিরাপত্তার জন্য দায়ী, অথচ তারা কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে।

    প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, আগুনে বিভিন্ন ধরনের রপ্তানি পণ্য পুড়ে গেছে, যার মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাক, চামড়া, হিমায়িত মাছ, কৃষিপণ্য, ফলমূল, ও ফার্মাসিউটিক্যাল কাঁচামাল। এতে অনেক ক্রেতা তাদের অর্ডার বাতিল করেছেন, আবার বিদেশি ব্র্যান্ডগুলো বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

    সংবাদ সম্মেলনে ইএবি ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো সরকারের কাছে ছয় দফা দাবি উপস্থাপন করে। সেসবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য— ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য দ্রুত বিমা ক্ষতিপূরণ, যেসব পণ্য বীমা কাভারের আওতায় ছিল না, সেগুলোর জন্য বিশেষ সরকারি তহবিল থেকে সহায়তা, বিমানবন্দরের কার্গো হ্যান্ডলিং সেবা আধুনিকীকরণ ও নিরাপত্তা জোরদার, রপ্তানি পণ্যের নিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়ন, আধুনিক স্ক্যানার ও মনিটরিং প্রযুক্তি স্থাপন, কার্গো ব্যবস্থাপনা ডিজিটালাইজেশন এবং ফায়ার প্রোটেকশনের উন্নয়ন।

    উল্লেখ্য, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান ও প্রতিকার জন্য সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত কমিটি গঠন করা প্রয়োজন বলে দাবি করেছে সংগঠনের নেতারা।

  • স্বর্ণ ও রুপার দাম কমে গেলো একাধিক রেকর্ডের পর

    স্বর্ণ ও রুপার দাম কমে গেলো একাধিক রেকর্ডের পর

    দেশীয় বাজারে স্বর্ণের দামে উল্লেখযোগ্য কমতি এসেছে, যা তেজাবি বা পাকা স্বর্ণের মূল্য কমার পরিপ্রেক্ষিতে ঘটে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) আজ বৃহস্পতিবার থেকে নতুন মূল্য নির্ধারণের ঘোষণা দেয়। মহ Economy এর উন্নতির কারণে স্বর্ণের দাম একেবারে নতুন এক রেকর্ড ছাড়িয়ে আবার কমে এসেছে।

    আশা যায়, এই মূল্য কমানোর ফলে স্বর্ণ-খাতের ব্যবসায়ীরা কিছুটা স্বস্তি পাবেন। দেশের বাজারে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) মূল্য এক লাখ ৮ হাজার ৩৮২ টাকা থেকে কমে এখন দুই লাখ ৮ হাজার ৯৯৫ টাকায় নামিয়ে আনা হয়েছে। এর ফলে, এক ভরি স্বর্ণে দাম কমে গেছে আট হাজার ৩৮২ টাকা। এর আগে, ২০ অক্টোবর স্বর্ণের দাম আরও বেড়ে যায়, তখন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের এক ভরি মূল্য ছিল ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকা, যা এতদিনের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে।

    নতুন দর অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি মূল্য ছয় হাজার ০০০ টাকার বেশি কমিয়ে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫শ’ এক টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একইভাবে, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য ছয় হাজার ৮৫০ টাকা কমে ১ লাখ ৭০ হাজার ৯৯৪ টাকা, আর সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম কমে ৫ হাজার ৮শ’ ৫ টাকা করে ১ লাখ ৪২ হাজার ২১৯ টাকা রাখা হয়েছে।

    অতিরিক্তভাবে, রুপার দামও নিয়মিত কমানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের রুপার এক ভরি দাম ৭৩৫ টাকা কমে এখন ৫ হাজার ৪৭০ টাকা, ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ৭০০ টাকা কমে ৫ হাজার ২১৪ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ৬০৭ টাকা কমে ৪ হাজার ৪৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৪৪৩ টাকা কমে ৩ হাজার ৩৫৯ টাকায় নেমে এসেছে।

    অতীতে, এই দাম কমার আগে ২০ অক্টোবর, ২২ ক্যারেটের রুপার প্রতি ভরি দাম ছিল ৬ হাজার ২০৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৫ হাজার ৯১৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫ হাজার ৭০৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির ৩ হাজার ৮০২ টাকা।

  • বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩২ বিলিয়ন ডলার ছুঁয়েছে

    বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩২ বিলিয়ন ডলার ছুঁয়েছে

    বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সম্প্রতি জোরালোভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যার মূল কারণ হলো রেমিট্যান্স প্রবাহের শক্তিশाली বৃদ্ধি এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিলামের মাধ্যমে ডলার কেনার কার্যক্রম। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) পর্যন্ত দেশের মোট গ্রস রিজার্ভ ৩২.১১ বিলিয়ন ডলার পৌঁছেছে, যাpreviously ৩১.৯৪ বিলিয়ন ডলারে ছিল। একই সময়ে, আন্তর্জাতিক অর্থবিষয়ক সংস্থা আইএমএফের হিসাবপদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৭.৩৫ বিলিয়ন ডলার।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান নিশ্চিত করেছেন, রেমিট্যান্সের প্রবাহের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিলামের মাধ্যমে বাণিজ্যিক ব্যাংकों থেকে ডলার সংগ্রহের ফলে রিজার্ভের এই বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত আছে। চলতি অর্থবছরে, অর্থাৎ ২০২৫-২৬ সালে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক মোট ২১২ কোটি ৬০ লাখ ডলার ডলার নিলামের মাধ্যমে সংগ্রহ করেছে, যা ১৩ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে।

    উল্লেখ্য, গত ৯ অক্টোবরে বাংলাদেশের মোট গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩১.৯৪ বিলিয়ন ডলার, আর আইএমএফের হিসাব অনুযায়ী তা ছিল ২৭.১২ বিলিয়ন ডলার। এর ফলে বোঝা যায়, রেমিট্যান্স প্রবাহে সাড়া দিয়েই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুস্থ নীতির ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকে শক্তিশালী করছে।

  • বাংলাদেশে ৫০ হাজারের বেশি মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট জুয়া ও প্রতারণার জন্য স্থগিত

    বাংলাদেশে ৫০ হাজারের বেশি মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট জুয়া ও প্রতারণার জন্য স্থগিত

    বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) সম্প্রতি জুয়া এবং প্রতারণায় যুক্ত থাকায় ৫০ হাজারের বেশি মোবাইল ব্যাংকিং (এমএফএস) অ্যাকাউন্ট স্থগিত করেছে। এই অ্যাকাউন্টগুলো ২০২২ সালের ডিসেম্বর থেকে এই মাস পর্যন্ত ফ্রিজ করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি ভবনে ‘অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে করণীয়’ শীর্ষক এক সভায় বিএফআইইউর একজন প্রতিনিধি এ তথ্য জানান। এ সভায় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, ডিজিএফআই, এনএসআই, এনটিএমসি, সিআইডি, বিএফআইইউ, মোবাইল অপারেটর এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

    প্রতিনিধি জানান, এসব অ্যাকাউন্টগুলো ব্যবহার করে জুয়া খেলা ও প্রতারণামূলক চক্রগুলো বিভিন্ন ধরনের অবৈধ লেনদেন চালাচ্ছে। বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থার মাধ্যমে এসব জাল বা অবৈধ লেনদেনের বার্তা বিনিময় বন্ধের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, সংশ্লিষ্ট মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে তাদের কিছু কার্যকরী নির্দেশনাও দেওয়া হবে। যারা এসব অ্যাকাউন্ট ব্লক করেছে, তাদের লেনদেনের বিস্তারিত বিশ্লেষণ করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর কাছে রিপোর্ট দেওয়া হবে।

    ডিজিএফআইর প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দেদারসে বেনামি সিম ব্যবহার করা হচ্ছে, ভুয়া সিম বিক্রি, মানবদগোটার আঙুলের ছাপ জালিয়াতি, বিকাশের নকল অ্যাপ তৈরি এবং ডার্ক ওয়েবে নাগরিকদের ডেটা পাওয়া যাচ্ছে। এসব অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে চক্রগুলো।

    এদিকে, বিশেষ অতিথি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের উপদেষ্টা ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানিয়েছেন, সরকার জুয়া ও অনলাইন অবৈধ লেনদেনের বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারি করছে। একাধিক নোটিশের পরও কিছু অনলাইন পোর্টালে এখনো জুয়ার বিজ্ঞাপন প্রচার চলছে, যা দ্রুত বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো নোটিশ ছাড়াই যেকোনো মুহূর্তে এই পোর্টালগুলো বন্ধ করে দিতে পারি।’ গত মে মাস থেকে এখন পর্যন্ত ৪,৮২০টি এমএফএস নম্বর ও ১,৩৩১টি ওয়েবপোর্টালের লিংক বন্ধ করা হয়েছে।

    তবে, এ ক্ষেত্রে কিছু চক্র প্রতিরোধে নতুনভাবে ওয়েবসাইট, অ্যাপ ও নম্বর ব্যবহার করছে। আইপি বদলিয়ে, ওয়েবসাইটের নাম পরিবর্তন করে আবার চালু করা হচ্ছে। এখনো তারা ভার্চুয়াল অ্যাপ ব্যবহার করে অবৈধ অপারেশন চালিয়ে যাচ্ছে। সরকারের বৈঠক ও নজরদারির মাধ্যমে এই চক্রগুলোকে কঠোরভাবে মোকাবিলা করার লক্ষ্য রয়েছে।

  • নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী: জামায়াতের ক্ষমতায় ফেরার প্রশ্নই আসে না

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী: জামায়াতের ক্ষমতায় ফেরার প্রশ্নই আসে না

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রধান সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী স্পষ্ট করে বলেছেন, জামায়াতের ক্ষমতায় ফিরতে কখনোই মনোভাব আমাদের নেই। তাদের রাজনৈতিক দর্শন ও অতীতের আচরণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মানচিত্র এবং জাতীয় চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। দেশের মানুষ খুবই ভালো করে জানেন, জামায়াতের মাধ্যমে তারা আবারও যেন ফিরে আসতে চায়, কিন্তু জনগণের অন্তর থেকে তাদের প্রতিরোধের সাড়া প্রতিধ্বনিত হয়। তারা কখনোই এই দেশের অন্ধকারে ফিরে যেতে দেবে না। মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি লিখেন, আমরা ন্যায়ের পথে, মানবতার জন্য এবং সংহতির বাংলাদেশে বিশ্বাস করি। এখানকার প্রতিটি নাগরিকের রয়েছে সমান অধিকার ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা। তবে এই স্বাধীনতা কোনো ষড়যন্ত্রের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হবে না। প্রশাসনে ছদ্মবেশে ঢুকে বিভ্রান্তি ছড়ানো, বিভাজনের রাজনীতি চালানো কিংবা ধর্মের নামে রাষ্ট্র দখলের চেষ্টাও এ দেশের জনগণের জন্য গ্রহণযোগ্য নয়।

    পাটওয়ারী আরো উল্লেখ করেন, আজ বাংলাদেশে বিভিন্ন ধর্ম, পেশা ও পরিচয়সম্পন্ন মানুষ একত্রিত হয়েছে। কওমি, সুন্নি, হিন্দু, তরুণ ও প্রগতিশীল সব শ্রেণির মানুষ এক বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে দেশের শান্তি, সৌহার্দ্য ও মানবিকতার পথে এগিয়ে যেতে চায়। যে মাটিতে আত্মদান করেছেন শহীদরা, যেখানে মুক্তিযুদ্ধের ডাক আকাশে ধ্বনিত হয়েছিল—সেখান থেকে বিভাজনের রাজনীতি কখনোই সফল হবে না। আমাদের দায়িত্ব শুধু রুখে দাঁড়ানোই নয়, পাশাপাশি এই দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। দেশের মানচিত্র, ইসলাম ও আলেম-উলামাদের মর্যাদা রক্ষায় আমাদের অঙ্গীকারবদ্ধ থাকতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, আমরা ঘৃণার রাজনীতি চাই না, মানবতার জয়ের পথে বিশ্বাসী। যারা বিভ্রান্তির পথ বেছে নিয়েছেন, তাদের জন্য দরজা খোলা রয়েছে—যেন তারা ফিরে আসে গণতন্ত্র, ন্যায় ও মুক্তচিন্তার বাংলাদেশে। এই দেশ কারো শত্রুতা নয়, এটি একটি সহাবস্থান, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও নতুন ভবিষ্যতের আশ্বাস। এরপরই তিনি উল্লেখ করেন, এখন অবশ্যই নির্ধারিত সময়ের চূড়ান্ত ফলাফল দেখার অপেক্ষা, বাংলাদেশ কি ঘরের মাঠে সিরিজ জিতবে বা ক্যারিবীয়রা আবারও ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করবে—এটি এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

  • এনসিপির বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিক্রিয়া জঙ্গারোটে ব্যাখ্যাঃ গোলাম পরওয়ারের বক্তব্য

    এনসিপির বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিক্রিয়া জঙ্গারোটে ব্যাখ্যাঃ গোলাম পরওয়ারের বক্তব্য

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গুলোর নেতারা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের বক্তব্যের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, পরওয়ারের বক্তব্য সম্পূর্ণ অবৈধ ও অশোভন, যা রাজনৈতিক সৌজন্যহীনতা ও ঔদ্ধত্যের পরিচয় দেয়। সম্প্রতি সাতক্ষীরায় এক সমাবেশে পরওয়া নিজ ভাষণে এনসিপির নামে কিছু না বললেও, স্পষ্ট করে দেন যে এই দলটি নতুন ছাত্র সংগঠন ও তার রাজনীতি সম্পর্কে বাঁকা দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে। তিনি বলেন,

  • নাহিদ বললেন, বাস্তবায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর julho সনদে সই করবেন

    নাহিদ বললেন, বাস্তবায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর julho সনদে সই করবেন

    জুলাই সনদে বিভিন্ন দল আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করেছে, তবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এই সনদে এখনো স্বাক্ষর করেনি। দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম জানান, এই সনদটির কার্যকারিতা ও বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নিশ্চিত হওয়ার পর তাদের দল সই করবে। তিনি বলেন, আমরা আগেই নির্বাচন চলাকালে July হত্যাকাণ্ডের বিচারসংক্রান্ত রোডম্যাপে কথা বলেছি। মামলাগুলোর অবস্থা কী, কী সময়ের মধ্যে কোন প্রক্রিয়ায় এগুলো সমাধান হবে, সেটার ব্যাপারে জানতে চেয়েছি। মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সাংবাদিকদের সামনে নাহিদ এই মন্তব্য করেন। এর আগে, এনসিপির প্রতিনিধিদল প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করে। এই প্রতিনিধি দলে ছিলেন নাহিদ নিজে, সারজিস আলম, সামান্থা শারমিন এবং খালিদ সাইফুল্লাহ। তিনি বলেন, জুলাই সনদ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমাদের অবস্থান পরিষ্কারভাবে জানিয়েছি, এই সনদে স্বাক্ষর তখনই করব যখন এর বাস্তবায়ন কীভাবে হবে, সেটা নিশ্চিত হবে। তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস একটি সাংবিধানিক আদেশ জারি করবেন, যা প্রেসিডেন্ট সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে দিয়ে হবে না; এই কাজ প্রধান উপদেষ্টাকেই করতে হবে। এছাড়াও, প্রধানমন্ত্রী পদক্ষেপে নির্বাচন কমিশন নিয়েও আমরা উদ্বিগ্ন। ইসির গঠন ও রাষ্ট্রীয় আচরণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নয় বলে আমাদের মনোযুক্ত। সাংবিধানিকভাবে কমিশন যেন স্বাভাবিকভাবে কাজ করে, তার জন্য তাদের পুনর্গঠনের প্রয়োজন রয়েছে। এছাড়াই, আমরা সরকারের জনপ্রশাসন ও উপদেষ্টা পরিষদ নিয়ে কিছু বক্তব্য পোষণ করেছি। প্রশাসনে পদবির পরিবর্তন কেমন ভিত্তিতে হচ্ছে, সে ব্যাপারে জানতে চেয়েছি।

  • গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন দ্রুত করার আহবান জানাল জামায়াত নেতা

    গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন দ্রুত করার আহবান জানাল জামায়াত নেতা

    জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেছেন, জনগণের চাপের মুখে বিএনপি গণভোটে রাজি হলেও তারা নানা জটিলতা সৃষ্টি করছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, গণভোটের বিষয়টি সহজভাবে নিতে হবে, সেটি হলো—জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে অবশ্যই গণভোট সম্পন্ন করতে হবে।

    তাহের বলেন, আমরা চাই এই গণভোটের জন্য একটি আদেশের মাধ্যমে জুলাই সনদকে সাংবিধানিক মর্যাদা দিতে হবে। তবে এই সিদ্ধান্তের কাঠামো কি হবে, কি কি আইনি সংস্কার দরকার এবং কে সেটি ঘোষণা করবে, এ সব প্রশ্ন উঠেছে। তিনি আরও জানান, যদি আইনগতভাবে সব কিছু চাপা পড়ে এবং ব্যত্যয় না হয়, তাহলে এই ঘোষণা প্রধান উপদেষ্টার মাধ্যমে দেওয়া উচিত। প্রেসিডেন্টের দ্বারস্থ হওয়ার প্রয়োজন নেই, কারণ প্রেসিডেন্ট কারা তার পরিচয় সবাই জানে।

    বুধবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় সেন্টার ফর পাবলিক পার্টিসিপেশন থেকে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি, সাক্ষাৎ শেষে।

    তাহের আরও বলেন, তিনি এবং জামায়াতের অন্য নেতারা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে এই সাক্ষাৎ করেছেন। সংলাপে একসাথে দীর্ঘ আলোচনা করে বিভিন্ন বিষয়ে ঐক্যমত পোষণ করা হয়েছে, যার মধ্যে কয়েকটি বিষয়ে তারা একটি সনদ স্বাক্ষর করেছে। তিনি জানান, মোট ৮০টির বেশি বিষয়ে মতৈক্য হয়েছে, এবং সেগুলোর দ্রুত আইনি পরিমার্জন ও বাস্তবায়ন করা জরুরি। বিশেষত, próximas জাতীয় নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো দ্রুত সম্পন্ন করতে তিনি অনুরোধ জানান।

    তাহের বলেন, প্রধান উপদেষ্টা তাদের সঙ্গে একমত হয়েছেন যে, এসব সংস্কার বাস্তবায়ন না হলে এগুলোর কোনো অর্থ হয় না। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, সাংবিধানিক মর্যাদা দিয়ে একটি আদেশের মাধ্যমে এই আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে। এই সিদ্ধান্ত সংবিধানের বাইরে নয়, কারণ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে সরকার প্রধানের এতোটাই ক্ষমতা আছে। তিনি উল্লেখ করেন, গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন আলাদা-আলাদা বিষয়, এবং গণভোটের মাধ্যমে সনদ বাস্তবায়ন হলে নির্বাচনের পরিসরে বড় পরিবর্তন আসবে। এজন্য, আগে গণভোট সম্পন্ন করতে হবে।

    তাহের যুক্তি দেন, ‘নোট অফ ডিসেন্ট’ বা অসহমত প্রকাশের কোনও বিষয়ে আলোচনা হবে না। এরপর তিনি বলেন, বিএনপির সঙ্গে এই ব্যাপারে আলোচনা চলাকালে দেখা গেছে, তারা শেষ পর্যন্ত রাজি হয়েছে, কিন্তু তারা ‘প্যাঁচ’ লেগিয়েছে—গণভোট ও নির্বাচনের তারিখ একসঙ্গে হতে পারে বলে ঢকঢাক দেয়া। তিনি স্পষ্ট করেন, এই দুই বিষয় সম্পূর্ণ আলাদা। নির্বাচন হলো নির্ধারিত দিনে জনপ্রতিনিধিদের ভোটে সরকার কেমন হবে তা ঠিক করে, আর গণভোট হচ্ছে সংস্কার বা রূপান্তর সংক্রান্ত। এই সংস্কারগুলো সম্পন্ন না হলে, তা কার্যকর হবে না।

    তাহের বলেন, গণভোটের জন্য ভিত্তি হবে জনগণের স্বার্থবেদনা ও দাবির ওপর; যদি জনগণ হাঁ বলে তাহলে পাস হবে। যদি না বলে, তা পাস হবে না। কারণ, এটি জনগণের সর্বোচ্চ ক্ষমতা নয়, তবে সবচেয়ে শক্তিশালী রিফারেনস। তিনি আরও বলেন, আপার হাউস বা উচ্চতর সংসদ নির্বাচন হচ্ছে আলাদাভাবে। যদি এই নির্বাচনের সঙ্গে গণভোট একত্রে হয়, তাহলে আপার হাউসের ইলেকশন পাবে না। এতে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে, কেউ চ্যালেঞ্জ করলে বাতিলও হতে পারে। তাই, ভোটের আগে আপার হাউসের নির্বাচন বা সেই প্রক্রিয়া ঠিক থাকবে বলে তিনি জানান।

    তাহের বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট অপরিহার্য। এর জন্য নভেম্বরের آخرের দিকে এই গণভোটের আয়োজন করার প্রস্তাব দেন। অনেক সময়ও হাতে রয়েছে—এক মাসের বেশি। এরপর দুই থেকে আড়াই মাসের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, খরচের কথা ভেবে চিন্তা না করে, আমরা যেসব সরঞ্জাম ও মেশিন কিনেছি, সেগুলো দুই নির্বাচনের জন্যই ব্যবহার হবে। তিনিও মন্তব্য করেন, দেশকে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে যেতে হলে এই খরচ মোটেও বেশি নয়।

    তাহের অভিযোগ করেন, নির্বাচনী কর্মকর্তাদের মধ্যে বেশিরভাগই একটি দলের পক্ষ থেকে আসছে। এতে সরকারের নিরপেক্ষতা প্রশ্নের মুখกลางে পড়ে। তিনি বলেন, কেয়ারটেকার সরকার থাকলেও, একটি সমান ও ন্যায্য পরিবেশ তৈরি করতে হবে। নির্বাচনের আগে যেখানে যেখানে বদল আনতে হবে, সেখানে বদল আনতে হবে। তিনি বলেন, যদি দরকার হয়, নিজে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মত দায়িত্ব পালন করবেন এবং কর্মকর্তাদের পোস্টিং লটারির মাধ্যমে ঠিক করবেন, কোনো সমস্যা নয়। তবে এই লটারির পেছনে যেন কোনও দুর্বৃত্তের ছাপ না থাকে।

    তাহের বলেন, রিফর্মসের ঘোষণা বা আদেশ কে দেবে—এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, যদি আইনে এই বিষয়টি কাভার করে এবং কোনো ব্যত্যয় না হয়, তাহলে এই আদেশ চিফ অ্যাডভাইজার বা প্রধান উপদেষ্টা দেবেন। প্রেসিডেন্টের নামে যেন এই ঘোষণা না হয়, কারণ সবাই জানেন তার সঙ্গী বা သူের পক্ষে কে।

    বৈঠকে উপস্থিত অন্যান্য নেতারা বলেন, আইনগত দিকগুলো পর্যালোচনা করে কোনো সমস্যা থাকলে, তখনই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে, যদি সবকিছু ঠিক থাকে, তাহলে এই ঘোষণা প্রধান উপদেষ্টাই দেবেন।

    অহংকারে, নোয়াখালীতে ছাত্রশিবিরের কুরআন প্রশিক্ষণ প্রবৃত্তি ও বিএনপির হামলার বিষয়েও তারা আলোচনা করেন। তাঁরা সতর্ক করে দেন, নির্বাচনের আগের পরিস্থিতি যদি এভাবে অব্যাহত থাকে, তাহলে ভোটের সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হবে।

    সর্বশেষে, বুধবার বিকেলে ডা. তাহের নেতৃত্বাধীন জামায়াতের প্রতিনিধি দল যমুনা ভবনে প্রবেশ করে অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এই দলের মধ্যে ছিলেন—সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মাসুম, রফিকুল ইসলাম খান ও হামিদুর রহমান আজাদ।

  • বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হলেন হুমায়ুন কবির

    বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হলেন হুমায়ুন কবির

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তার সংগঠনগত কাঠামোতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে। দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করে আসা হুমায়ুন কবিরকে এবার দলের যুগ্ম মহাসচিব (আন্তর্জাতিক বিষয়ক) পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে আজ বুধবার (২২ অক্টোবর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘হুমায়ুন কবিরকে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব (আন্তর্জাতিক বিষয়ক) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানানো হলো।’ হুমায়ুন কবির দলের গুরুত্বপূর্ণ এই পদে নিয়োগের মাধ্যমে বিএনপি তাদের আন্তর্জাতিক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে চাচ্ছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন। দীর্ঘ দিন ধরে তিনি দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। দলের এই নতুন পদোন্নতির ফলে কূটনৈতিক সম্পর্ক রক্ষায় ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগে তার অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই পরিবর্তনের ফলে বিএনপির আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ হবে বলে প্রত্যাশা করছে দল ও বিশ্লেষকরা।