Month: October 2025

  • গল্লামারী মোহাম্মদ নগর মোড়ে ডাস্টবিন সরানোর উদ্যোগে চূড়ান্ত সময়সীমা ঘোষণা

    গল্লামারী মোহাম্মদ নগর মোড়ে ডাস্টবিন সরানোর উদ্যোগে চূড়ান্ত সময়সীমা ঘোষণা

    গল্লামারী মোহাম্মদ নগর মোড়ে অবস্থিত ময়লার ডাস্টবিনের অব্যবস্থা এবং এর কারণে সৃষ্টি হওয়া সমস্যাগুলোর সমাধানে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নয়তো কঠোর কর্মসূচির মাধ্যমে এর পরিবর্তনের জন্য হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার সকালে গল্লামারী মোহাম্মদ নগর মোড়ে ব্যাপক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়, যা বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর উদ্যোগে সংগঠিত। এই মানববন্ধনের মূল বিষয় ছিল ডাস্টবিন অপসারণের পাশাপাশি পুরো কেসিসি’র অন্তর্গত সমস্ত সড়কের পাশে থাকা আবর্জনা অপসারণ এবং রাতের বেলা সড়ক পরিবহন সচল করার দাবি।

    সংগঠনের সভাপতি মোঃ নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং মোঃ জামাল মোড়লের পরিচালনায় এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই মোড়ে থাকা ময়লার ডাস্টবিনের জন্য সড়কটি অনেকটা চিকন হয়ে গেছে। পাশাপাশি গল্লামারী ব্রিজের কাজ শুরু না হওয়া ও সড়কের জ্যামের কারণে সাধারণ মানুষ বড় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। ডাস্টবিন থেকে পঁচা দুর্গন্ধের কারণে এলাকায় স্বস্তি নেই।

    বক্তারা আরো বলেন, পরবর্তীতে সমস্যা সমাধানে যদি দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া না হয়, তাহলে কঠোর কর্মসূচি উল্লেখ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    অতিরিক্ত বক্তারা অ্যাকাউন্টে দৃষ্টি দিয়ে স্থানীয় বিভিন্ন ব্যক্তিত্ব, নেতা ও সমাজসেবকদের সমর্থন চেয়েছেন। এ সময় বিখ্যাত ব্যক্তিত্বরা শামিল হন এবং পরিবেশের সুস্থতার জন্য একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

  • দলের দুর্দিনে যারা সঙ্গে ছিলেন, তাদের মূল্যায়ন করা জরুরি : লবি

    দলের দুর্দিনে যারা সঙ্গে ছিলেন, তাদের মূল্যায়ন করা জরুরি : লবি

    আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক বিজয়ের লক্ষে খুলনা-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতির প্রার্থী মোহাম্মদ আলী আসগর লবি ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনগুলির সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা করেছে। রোববার সকালে উপজেলা শহিদ জোবায়েদ আলী মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আলী আসগর লবি, তিনি বক্তব্যে বলেন, ডুমুরিয়ার মাটি বিএনপির ঘাঁটি। আগামী নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীকে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করতে হলে দলের মধ্যে কোনও বিভাজন বা লবিং চলার সুযোগ নেই। সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে সবাই এককাট্টা হয়ে কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, দুর্দিনে যেসব নেতাকর্মী আন্দোলন সংগ্রামে ঝুঁকি নিয়ে অংশগ্রহণ করেছেন, তাদের অবশ্যই মূল্যায়ন করতে হবে। সভায় জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক মোল্লা মোশাররফ হোসেন মফিজের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী এড. তছলিমা খাতুন ছন্দা, সাধারণ সম্পাদক সেতারা বেগম, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক শেখ সরোয়ার হোসেন, সহ আরও অনেকে। উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা-sদর دار আলেক মোল্লা, আব্দুল মালেক, মোল্লা মাহবুবুর রহমান, শেখ হাফিজুর রহমান, গাজী আব্দুল হালিম, প্রভাষক মঞ্জুর রশিদ, হেমায়েত রশিদ খান সহ অনেক নেতাকর্মী। এই কার্যক্রম দলের অঙ্গ সংগঠনের মধ্যে ঐক্য সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

  • সর্বজনীন পেনশন স্কিমে সব নাগরিকের সম্মানজনক ভবিষ্যৎ নিশ্চিতের উদ্যোগ

    সর্বজনীন পেনশন স্কিমে সব নাগরিকের সম্মানজনক ভবিষ্যৎ নিশ্চিতের উদ্যোগ

    মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ বলেছেন, বাংলাদেশ এখন জনমিতির লভ্যাংশের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফলে ২০৩৩ সালে দেশের বয়সের কারণে নির্ভরশীল জনসংখ্যা যেমন বৃদ্ধি পাবে, তেমনি গড় আয়ুও বৃদ্ধি পাবে। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর সম্মানজনক ও নিরাপদ ভবিষ্যত নিশ্চিত করতে সরকার এবার চালু করছে সব নাগরিকের জন্য সর্বজনীন পেনশন স্কিম। সোমবার সকালে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে এই নতুন পেনশন মেলার শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

    ড. শেখ আব্দুর রশীদ আরও বলেন, দুস্থ ও অসহায় মানুষের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি চলমান রয়েছে, যার সংখ্যা ১৪৩টি। এর মধ্যে কিছু কর্মসূচির ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয়েছে, তথাপি উপকারভোগীদের জন্য অর্থ এখনও অপ্রতুল। এই সমস্ত কর্মসূচি সম্পূর্ণরূপে সরকারের ব্যয় উপর নির্ভরশীল। তিনি বলেন, আমাদের শিক্ষকরা খুবই নিম্নমানের পেনশন পান, যেখানে বেসরকারি চাকুরিজীবীরা চাকরি হারানোর ভয়ে থাকেন। এর পাশাপাশি, সরকারি চাকুরিজীবীদের মধ্যে মাত্র ১৪ লাখ পেনশনের আওতায় আছেন। ফলে অনেক জনগোষ্ঠী এখনও পেনশন সুবিধার বাইরে থাকেন। এই নতুন স্কিম তাদের জন্য একটি সুবর্ণ সুযোগ, যার যথাযথ সদব্যবহার উচিত।

    তিনি উল্লেখ করেন, পেনশন ব্যবস্থার উন্নতি এখনও অনেক দেরিতে এসেছে, তবে এই উদ্যোগে বেশ কিছু উৎসাহব্যঞ্জক সুবিধা রয়েছে। গ্রাহকরা自己的 পেনশন তহবিল থেকে লোন নিতে পারবেন, কমপক্ষে ১০ বছর চাঁদা জমা দিলে পেনশনের সুবিধা পাবেন। রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই কর্মসূচিকে দেখা হচ্ছে না, কারণ সরকার এই পদক্ষেপের মাধ্যমে শতভাগ নিশ্চিততা দেবে।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ ফাহিমুল ইসলাম বলেন, রাষ্ট্রের দায়িত্ব থেকে মানুষের প্রতি এই সর্বজনীন পেনশনের উদ্যোগ কার্যকর করা হয়েছে, যার মূল লক্ষ্য হলো অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন। বিভাগীয় কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ ফিরোজ শাহের সভাপতিত্বে সংগঠিত এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান মোঃ মহিউদ্দীন খান ও খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ জুলফিকার আলী হায়দার। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সদস্য মোঃ গোলাম মোস্তফা, খুলনার অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন। স্বাগত বক্তব্যে ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোঃ হুসাইন শওকত।

    অনুষ্ঠানের পূর্বে, মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা খুলনা আঞ্চলিক লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। বিভিন্ন পেশার মানুষ এতে অংশ নেন। দিনব্যাপী এই মেলায় সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের ৫০টি স্টলে সর্বজনীন পেনশন সম্পর্কিত সেবা প্রদান করা হয়।

    অন্যদিকে, পরে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার অফিসের সম্মেলনকক্ষে এই পেনশন স্কিমের বিষয়ে এক কর্মশালার আয়োজন করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ সেখানে বক্তব্য দিয়ে বলেন, একটি কল্যাণ রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব হলো সব নাগরিকের জন্য আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তিনি আরও বলেন, খুলনার উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবন খুবই কস্টের, তবে এই স্কিমের আওতায় আসলে তারা সম্মানের জীবন পাবে। এই উদ্যোগ তাদের ভবিষ্যৎ উন্নত ও নিরাপদ রাখবে। এক সঙ্গে উপস্থিত বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন।

  • বিনামূল্যে সার ও শীতকালিন সবজি বীজ পেলেন ৫৩০ কৃষক

    বিনামূল্যে সার ও শীতকালিন সবজি বীজ পেলেন ৫৩০ কৃষক

    বাগেরহাটের চিতলমারীতে ৫৩০ জন প্রান্তিক ও ছোট কৃষককে বিনামূল্যে রাসায়নিক সার ও শীতকালীন বিভিন্ন সবজি বীজ বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ১০টায় উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে এ সুবিধা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা কৃষি পুনর্বাসন বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি মোঃ সাজ্জাদ হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং এসব উপকরণ বিতরণ করেন।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও কৃষি পুনর্বাসন কমিটির সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোঃ সিফাত-আল-মারুফ বলেন, চলতি অর্থ বছরে অর্থাৎ ২০২৫-২৬ শীত মৌসুমে মোট ৫৩০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে রাসায়নিক সার ও শীতকালীন সবজি বীজ বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে ২০০ জনকে জনপ্রতি ৫০০ গ্রাম করে শীতকালীন শাকসবজি বীজ, ৫০ জন পেয়েছেন ২০০ গ্রাম লাউ বীজ, ১০০ জনকে ৪০ গ্রাম বেগুনের বীজ, ১০০ জনকে ৬০ গ্রাম মিষ্টি কুমড়ার বীজ, ৮০ জনের জন্য ৪০ গ্রাম শসার বীজ এবং ৩৩০ জন কৃষক পেয়েছেন সাত কেজি করে ডিএপি ও এমওপি সার।

    বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ আহমেদ ইকবাল, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ হাবিবুর রহমান, উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ সাদ্দাম হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অচ্যুতানন্দ দাস, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা রুম্মান হোসাইন, আইসিটি কর্মকর্তা মোঃ ফয়সাল ও জনি সরকার সহ অন্যরা। এই কর্মসূচির মাধ্যমে স্থানীয় কৃষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরিবারের চাহিদা পূরণ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্য রয়েছে।

  • বিএনপি ক্ষমতায় গেলে প্রথম কাজ হবে এক কোটি তরুণের কর্মসংস্থান সৃষ্টি

    বিএনপি ক্ষমতায় গেলে প্রথম কাজ হবে এক কোটি তরুণের কর্মসংস্থান সৃষ্টি

    বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, বিএনপি জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দীর্ঘ সময় ধরে রাস্তায় সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা চাই একটি ভোটাধিকার বলিষ্ঠ, জবাবদিহিমূলক সরকার গঠন হোক, যারা জনগণের পাশে থাকবেন এবং তাদের স্বচ্ছভাবেই সব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। ভোটের মাধ্যমে যারা নির্বাচিত হবেন, তারা জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থাকবে—অন্যথায় সরকারের দায়িত্ব-কর্তব্যের প্রায় কোনই গভীরতা থাকবে না। বিএনপি একাট্টা এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায়, যেখানে মানুষ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবে। তিনি আরও বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে কারো শিশুটি দারিদ্র্যতার কারণে স্কুল থেকে ছিটকে যাবে না। গতকাল রোববার বিকেলে নগরীর ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে “ঈমান ও আকিদা রক্ষায় করণীয়” শীর্ষক নারী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বকুল বলেন, আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়া চালু করেছিলেন ‘খাদ্যের বিনিময়ে শিক্ষা’ কর্মসূচি, যা আবার শুরু হবে। তিনি বলেন, শিক্ষা সমাজের সকলের অধিকার, কেবল অভিজাত বা ধনী শ্রেণির জন্য নয়। বিএনপি’র ৩১ দফা কর্মসূচি হচ্ছে আগামী দিনের বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির প্রেরণা। এই কর্মসূচিগুলো শেখ হাসিনার পতনের পর তৈরি হয়নি—এগুলি দুই বছর আগে বিএনপির প্রধান নেতা তারেক রহমান বাংলাদেশের পুনর্গঠন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। যারা এখন সংস্কারের কথা বলে, তাদের বেশিরভাগই এই কর্মসূচিগুলোর ধার ধারেই। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে প্রথম কাজ হবে এক কোটি তরুণের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। খুলনা অঞ্চলের বন্ধ মিল ও কলকারখানা পুনরায় চালু করে শিল্পচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনা হবে। এলাকার উন্নয়ন প্রসঙ্গে বকুল বলেন, এই অঞ্চলে প্রায় দশ লাখ মানুষ বসবাস করে, কিন্তু আজ পর্যন্ত আধুনিক কোনো জেনারেল হাসপাতাল নির্মাণ হয়নি। জনগণের ভোটে যদি আমরা দায়িত্ব পাই, তাহলে খুলনা অঞ্চলে একটি আধুনিক জেনারেল হাসপাতাল নির্মাণের কাজ শুরু করব। মাদকের বিরুদ্ধে সতর্কতা জানিয়ে তিনি বলেন, মাদকের ভয়াবহতা প্রতিটি পরিবারকে গ্রাস করছে। প্রশাসন যথাসাধ্য চেষ্টা করলেও মাদক নিয়ন্ত্রণে সফলতা আসেনি। তাই জনগণকে একত্র হয়ে মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হবে। সবাই মিলে মাদকের বিরুদ্ধে দাঁড়ালে খুলনা শহরে কারো পক্ষে টিক্তে পারা সম্ভব নয়। নারীদের প্রতি তিনি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সন্তানদের নৈতিকতা ও ধর্মীয় শিক্ষায় গড়ে তুলুন। শিক্ষিত, নৈতিক এবং সচেতন নারীরাই সমাজ পরিবর্তনের মূল চাবিকাঠি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক রেহেনা ঈসা ও চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, মহানগর মহিলা দলের আহবায়ক সৈয়দা নার্গীস আলী, সদস্য সচিব এড. হালিমা খানম প্রমুখ। সভাপতিত্ব করেন ১৪ নম্বর ওয়ার্ড মহিলা দলের আহবায়ক রুনা বেগম।

  • বাংলাদেশের বৈদেশিক রিজার্ভ ৩২.১০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছালো

    বাংলাদেশের বৈদেশিক রিজার্ভ ৩২.১০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছালো

    বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখন নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে, যা সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ৩২.১০ বিলিয়ন ডলার। এই বৃদ্ধির পেছনে মূল কারণ হলো পোর্টাল রেমিট্যান্স প্রবাহের বৃদ্ধিসহ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিলাম কার্যক্রমের সফলতা।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ এখন ৩২.১১ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী, রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৭.৩৫ বিলিয়ন ডলারে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান নিশ্চিত করেছেন যে, রেমিট্যান্সের প্রবাহ বৃদ্ধি এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিলামের মাধ্যমে ডলার কেনার ফলে এই রিজার্ভ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিলামের মাধ্যমে মোট ২১২ কোটি ৬০ লাখ ডলার সংগ্রহ করেছে, যা ১৩ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে।

    অতীতে, গত ৯ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩১.৯৪ বিলিয়ন ডলার, অপরদিকে আইএমএফের হিসাব অনুযায়ী তা ছিল ২৭.১২ বিলিয়ন ডলার।

    সংক্ষেপে, বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য এই রিজার্ভ বৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য ইতিবাচক সংকেত প্রদান করছে।

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ বৃদ্ধিতে আইএমএফের প্রশংসা

    বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ বৃদ্ধিতে আইএমএফের প্রশংসা

    বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে উঠেছে, যা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) द्वारा প্রশংসিত হয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ বাড়ানোর জন্য গ্রহণ করা বিভিন্ন পরিকল্পনা ও কার্যক্রম দেশের বিনিময় হার ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা—তা তারা পর্যালোচনা করবে।

    শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) হংকংয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে আইএমএফের এশিয়া ও প্রশান্ত মাহাসাগরীয় বিভাগের উপপরিচালক টমাস হেলব্লিং সাংবাদিকদের বলেন, “রিজার্ভ বৃদ্ধি আইএমএফ এর অন্যতম লক্ষ্য ছিল। চলমান বৈদেশিক লেনদেনের ঘাটতি সত্ত্বেও বাংলাদেশ এই লক্ষ্য অর্জনে সফলতা অর্জন করেছে।”

    তিনি আরো বলেন, আইএমএফের একটি দল এই মাসে বাংলাদেশ পরিদর্শনে আসবে। সেই সফরকালে তারা ৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের চলমান ঋণ কর্মসূচির পঞ্চম পর্যালোচনা করবে।

    আইএমএফের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পৌঁছেছে ২৭ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলার, যা এক বছর আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি।

    রিজার্ভ বৃদ্ধির পেছনের মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে—প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) প্রবাহ বৃদ্ধি, রপ্তানি আয়ে উন্নতি, ব্যয় কম থাকা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের বাজার থেকে ডলার কেনা।

    ২০২১ সালের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় রিজার্ভে চাপ সৃষ্টি হয়। সেই সময় থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংক প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে। এরপর, ২০২৫ সালের মে মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নমনীয় বিনিময় হার ব্যবস্থা চালু করে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সূত্রে জানা গেছে, ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে এখন পর্যন্ত টাকার মান প্রায় ৪৩ শতাংশ কমে গেছে। বর্তমান অর্থবছরে রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ের বৃদ্ধির কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজার থেকে ২ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলার কিনেছে।

  • সোনার দাম আবার কমলো দেশের বাজারে

    সোনার দাম আবার কমলো দেশের বাজারে

    দেশের বাজারে আবারো সোনার দাম কমიেছ। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নির্ধারণ করেছে ভরিতে এক হাজার ৩৯ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ২২ ক্যারেটের সোনার জন্য ২ লাখ ৭ হাজার ৯৫৭ টাকা। এই ঘোষণা রোববার (২৬ অক্টোবর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে, এবং নতুন দাম বাধ্যতামূলকভাবে আগামীকাল সোমবার (২৭ অক্টোবর) থেকেই কার্যকর হবে।

    লকডাউনের ফলে দেশীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের (শুদ্ধ সোনা) মূল্যে সাম্প্রতিক এ পরিবর্তন এসেছে। ফলে এখন থেকে দেশের বিভিন্ন বাজারে ১১.৬৬৪ গ্রাম বা এক ভরি (প্রতিভরি) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ principais. এর পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরি ধরা হয়েছে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪৯৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য সেটি হবে ১ লাখ ৭০ হাজার ১৪৩ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির বা সাধারণ স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৯৬ টাকায়।

    বাজুস জানিয়েছে, স্বর্ণ বিক্রির সময় সরকার নির্দিষ্ট ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস এর ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরির যোগফল প্রয়োগ করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন, নকশা ও মান অনুযায়ী মজুরিতে কিছু পার্থক্য হতে পারে।

    এর আগে, ২২ অক্টোবর বাজুস দেশীয় বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল। তখন ভরিতে ৮ হাজার ৩৮৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছিল ২ লাখ ৮ হাজার ৯৯৬ টাকা। সেই সময়, ২১ ক্যারেটের ভরি ছিল ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫০১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ছিল ১ লাখ ৭০ হাজার ৯৯৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৪২ হাজার ২১৯ টাকা। এই দাম কার্যকর হয় ২৩ অক্টোবর থেকে।

    সর্বোমোট, চলতি বছরে ৬৮ বার দেশের বাজারে সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম বাড়ানো হয়েছে ৪৮ বার, আর কমানো হয়েছে ২০ বার। ২০২৪ সালে এই সংখ্যা ছিল ৬২ বার — যেখানে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর ২৭ বার দাম কমানো হয়েছিল।

  • অক্টোবরের প্রথম ২৫ দিনে প্রবাসী আয়ের মাসিক রেকর্ড: ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

    অক্টোবরের প্রথম ২৫ দিনে প্রবাসী আয়ের মাসিক রেকর্ড: ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

    চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ২৫ দিনের মধ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে মোট ২০৩ কোটি ২৯ লাখ মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন। এটি বাংলায় প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৫০ পয়সা মানে)। বাংলাদেশ ব্যাংকের রোববার (২৬ অক্টোবর) প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মতে, ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স আগের তুলনায় স্বস্তি আনছে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের মধ্যে। সরকারের হুন্ডি প্রতিরোধে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ, প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নতির কারণে এই ধারা অব্যাহত রয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরের প্রথম ২৫ দিনে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলো থেকে ৩৮ কোটি ৪৬ লাখ ৪০ হাজার ডলার প্রবাসীদের পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে একজন ব্যাংক (কৃষি ব্যাংক) থেকে এসেছে ১৯ কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার ডলার। বেসরকারি ব্যাংকগুলো থেকে এসেছে ১৪৪ কোটি ৬৩ লাখ ৪০ হাজার ডলার, এবং বিদেশি ব্যাংকগুলো থেকে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৪৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার।

    এদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২২ অক্টোবর দেশে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩২.১০ বিলিয়ন ডলার, এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব অনুযায়ী এটি ২৭.৩৫ বিলিয়ন ডলার।

    গত মাস সেপ্টেম্বর মাসে, প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ২৬৮ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ২.৬৮ বিলিয়ন ডলার), যা বাংলায় প্রায় ৩২ হাজার ৭৫৭ কোটি টাকার সমান।

    চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাস জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর, প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন মোট ৭৫৮ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার, অর্থাৎ প্রায় ৭.৫৮ বিলিয়ন ডলার। এই অর্থ পরিমাণ বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ৯২ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাব করে)। এই পর্যায়ের রেমিট্যান্স আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৬ শতাংশ বেশি। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রথম তিন মাসে রেমিট্যান্স ছিল ৬৫৪ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার।

  • কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মন্দ ঋণ অবলোপনে সময়সীমা শিথিল

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মন্দ ঋণ অবলোপনে সময়সীমা শিথিল

    বাংলাদেশ ব্যাংক মন্দ ঋণ অবলোপনের জন্য ব্যাংকগুলোর জন্য সময়সীমা শিথিল করে দিয়েছে, যেখানে আগে যত দ্রুত সম্ভব ঋণ অবলোপন করতে বলা হত, এখন তা আরও সুবিধাজনক করা হয়েছে। এ ছাড়াও, ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যে, কোনও ঋণ অবলোপনের আগে অন্তত ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ঋণগ্রহীতাকে লিখিতভাবে নোটিশ পাঠাতে হবে, যাতে তারা বিষয়টি সঠিকভাবে জানতে পারেন।

    সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১৮ ফেব্রুয়ারির পূর্বের নীতিমালা সংশোধন করে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। এর মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, যেসব ঋণ টানা দুই বছর ধরে নন-প্রদেয় বা ক্ষতিজনক মানে রেখিত ছিল, সেগুলো অবলোপন করা হত। কিন্তু এখন থেকে, যেসব ঋণ বর্তমানে মন্দ বা ক্ষতিজনক অবস্থায় রয়েছে এবং ভবিষ্যতে আদায়ের সম্ভাবনা ক্ষীণ, সেগুলোও অবলোপন করা যেতে পারে। বিশেষ করে পুরোনো ঋণগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে অবলোপনের বিষয়টি দেখা হবে।

    নতুন নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ঋণ অবলোপনের আগে অন্তত ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ঋণগ্রহীতাকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে। কারণ, ঋণ অবলোপনের পরও পুরো অর্থ না পরিশোধ করা পর্যন্ত ঋণগ্রহীতাকে দায়মুক্তি পাওয়া যাবে না; তাকে খেলাপি হিসেবেই ধরা হবে।

    নতুন নির্দেশনায় উপাদান হিসেবে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, মৃত ব্যক্তির নামে বা তার একক মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া ঋণ ব্যাংক নিজ উদ্যোগে অবলোপন করতে পারবে, তবে এর জন্য মৃত ব্যক্তির উত্তরসূরি থাকা বা না থাকার বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে। পাশাপাশি, ব্যাংকের নিজস্ব নীতিমালা অনুসারে, অবলোপন সম্পর্কিত প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নগদ প্রণোদনাও পেতে পারেন, যেখানে প্রয়োজন হলে পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন নিয়ে প্রণোদনার নীতিমালা তৈরি করা যাবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ঋণ অবলোকনের আগে ব্যাংককে অবশ্যই বন্ধকীকৃত সম্পত্তিটি বিক্রির সব চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে হবে। তবে, ‘অর্থ ঋণ আদালত প্রত্যাদেশ আইন ২০০৩’-এর আওতায় শিশু-সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ কিংবা মৃত ব্যক্তির নামে থাকা ঋণ মামলা ছাড়া অবলোপন করতে পারবে। এ ছাড়া, ঋণের অবলোপনের আগে অবশিষ্ট অর্থ থেকে সুদ বাদ দিয়ে অবকাশ থাকলেও প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হবে।

    নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ঋণ আংশিকভাবে অবলোপন করা যাবে না এবং ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন ছাড়া কোনও ঋণের অবলোপন সম্ভব হবে না।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের এক শীর্ষ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আগে যেখানে ডলার সংকট ছিল, সেখানে এখন পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে এবং রিজার্ভও বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে, ব্যাংকগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বাড়ছে এবং মন্দ ঋণ অবলোপনে শিথিলতা আনা ব্যাংকগুলোর আর্থিক ব্যবস্থাপনা উন্নত করবে। এর ফলে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনাও আরও বাস্তবমুখী হবে।