Month: October 2025

  • সালমান শাহ হত্যা মামলার ১১ আসামির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি

    সালমান শাহ হত্যা মামলার ১১ আসামির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি

    বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শোবিজে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও প্রিয় নায়ক সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তের নতুন ধাপ এবার যুক্ত হয়েছে। গত ২১ অক্টোবর রমনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে, যেখানে তার প্রাক্তন স্ত্রী সামিরা খানসহ মোট ১১ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এ বিষয়ে রমনা থানার পক্ষ থেকে ইমিগ্রেশন বিভাগকে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়েছে।

    পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্ত এখন আদালতের নির্দেশে পুনরায় চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে, নিশ্চিত করতে যে অভিযুক্তরা কোনওভাবেই দেশের বাইরে যেতে না পারেন, সে জন্য সব বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরকে সতর্ক রয়েছে। রমনা থানার ওসি গোলাম ফারুক সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী মামলার তদন্ত এখন গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। তাই কোনও আসামি যেন দেশের বাইরে যেতে না পারেন, সেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

    মামলার এজাহারে প্রথম অভিযুক্ত করা হয়েছে সালমান শাহের প্রাক্তন স্ত্রী সামিরা খানকে। এ মামলাটি তার পরিবারের পক্ষ থেকে দায়ের করা হয়েছে, যেখানে মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে আছেন ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুসি, অভিনেতা-খলনায়ক ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আব্দুল ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফারহাদ। উল্লেখ্য, বেশ কয়েকজন অভিযুক্ত বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন।

    সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনা সত্যিই বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ এরিয়া। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনের নিজ বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এরপর দীর্ঘ তদন্ত চলতে থাকে, যা প্রায় তিন দশক পর্যন্ত চালিত হয়। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করে, সালমান শাহ হত্যাকাণ্ড ছিল আত্মহত্যা। তবে এই মামলার নতুন এপিসোডে সত্যতা ও অন্যান্য তথ্য উঠে আসায় তদন্তের অবস্থা নতুন মোড় নিচ্ছে।

  • আসামিদের শিগগিরই গ্রেফতার করা হবে: ওসি ওমর ফারুক

    আসামিদের শিগগিরই গ্রেফতার করা হবে: ওসি ওমর ফারুক

    অসাধারণ জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান শাহের হত্যা মামলায় আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার পর এখন অভিযান শুরু হয়েছে অপরাধীদের শনাক্তের জন্য। রমনা থানার ওসি ওমর ফারুক জানিয়েছেন, দ্রুতই আসামিদের আইনের আওতায় আনা হবে।

    ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর হৃদয়বিদারকভাবে মৃত্যুবরণ করেন সালমান শাহ। শুরুতে অনেকেরই ধারণা ছিল এটি আত্মহত্যা, তবে তার পরিবার এবং closely connected ব্যক্তিরা দাবি করেন, পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনার তদন্তে দীর্ঘদিন ধরে নানা রহস্যবিরাজ্য চলে, কিন্তু এখন পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট হচ্ছে।

    গত ২০ অক্টোবর আদালত সালমান শাহর অমৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে রূপান্তর করার নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে, সেদিনই রমনা থানায় এক হত্যা মামলা দায়ের করা হয়, যেখানে ১১ জনকে আসামি করা হয়। প্রধান আসামি হিসেবে উঠে এসেছে সালমানের সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, পাশাপাশি আরও কারা কারা জড়িত তা তদন্তে জানা যাচ্ছে।

    এ মামলার অন্যান্য আসামির মধ্যে প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডন, লতিফা হক লুসি, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, মেফিয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আবদুস সাত্তার, সাজু ও রেজভী আহমেদ ফরহাদ রয়েছেন।

    ওসি গোলাম ফারুক জানান, অনেক অভিযুক্ত এখন দেশের বাইরে থাকায় তাদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে সতর্কতা অবলম্বন করে চিঠি পাঠানো হয়েছে। দেশের ভেতরে থাকা আসামিদেরও দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেফতার করা হবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, খুব দ্রুতই সংশ্লিষ্ট দের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।

    সালমান শাহের মৃত্যুর রহস্য এখনও পুরোপুরি উন্মোচিত না হলেও, তদন্তের অগ্রগতি অনুযায়ী, এসব ঘটনায় জড়িতদের বিচারের আঙিনা এখন ত্বরিত হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

  • সংগীত পরিচালকের বিরুদ্ধে নারীকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ, গ্রেপ্তার পরে জামিনে মুক্তি

    সংগীত পরিচালকের বিরুদ্ধে নারীকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ, গ্রেপ্তার পরে জামিনে মুক্তি

    বলিউডের পরিচিত সংগীত পরিচালক সচিন সাংঘভীর বিরুদ্ধে এক নারী যৌন হেনস্থার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেছেন। ২৯ বছর বয়সি ওই নারী অভিযোগ করেন যে, সচিন তার প্রতি দুর্ব্যবহার এবং অশালীনভাবে স্পর্শ করেছেন। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর পুলিশ তৎপরতা দেখিয়ে সচিনকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে কিছু সময়ের মধ্যে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়, এবং বর্তমানে এই ঘটনায় তদন্ত চলছে।

    পুলিশের নিস্পত্তি সূত্র জানায়, অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তারা অভিযান চালিয়ে সচিনকে হেফাজতে নেয়। এরপর আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়।

    অভিযোগ সম্পর্কে সচিনের আইনজীবী আদিত্য মিঠে বলেন, ‘আমার মক্কেলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। পুলিশ বেআইনিভাবে তাকে আটক করেছিল, এজন্যই তাকে দ্রুত মুক্তি দেওয়া হয়েছে। আমরা সব অভিযোগের সঠিক ও যথাযথ উত্তর দেব।’

    উল্লেখ্য, সচিন সাংঘভী এবং জিগার সারইয়া একসঙ্গে সংগীত পরিচালনা করেন এবং তাদের জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে ‘তারাস’, ‘এক জিন্দেগি’, ‘আপনা বানা লে’, ‘তেরে ওয়াস্তে’ এবং ‘ফির অউর কেয়া চাহিয়ে’। সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত ছবির ‘থামা’তেও তারা সংগীত দিয়েছেন।

  • বর্ষীয়ান অভিনেতা সতীশ শাহ আর নেই

    বর্ষীয়ান অভিনেতা সতীশ শাহ আর নেই

    বলিউডের জনপ্রিয় এবং বর্ষীয়ান অভিনেতা সতীশ শাহ আর জীবিত নেই। শনিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরের দিকে তিনি মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে কিডনির জটিলতায় ভুগছিলেন এই অভিনেতা, যা শেষ পর্যন্ত তাঁর জীবনের শেষ মুহুর্তকে স্পর্শ করে।

    অভিনেতার মৃত্যু নিশ্চিত করেছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা অশোক পণ্ডিত। এক ভিডিও বার্তায় তিনি জানিয়েছেন, ‘আমাদের প্রিয় বন্ধু এবং অভিনেতা সতীশ শাহ আর নেই। আজ দুপুর ২টার দিকে তাঁর কিডনি বিকল হয়ে হ্রদয় বন্ধ হয়ে যায়। সকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁকে দ্রুত হিন্দুজা হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু চিকিৎসকের প্রচেষ্টায় জীবন বাঁচানো সম্ভব হয়নি।’

    অশোক পণ্ডিত আরও বলেন, ‘এটা আমাদের চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য এক বিশাল ক্ষতি। আমি তার সঙ্গে বহু কাজ করেছি। তিনি যেমন একজন খুব ভালো অভিনেতা ছিলেন, তেমনই একজন মানবিক মানুষও ছিলেন।’ জানা গেছে, শনিবারই তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে বলে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

    সতীশ শাহ ১৯৮৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘জানে ভি দো ইয়ারো’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে প্রবেশ করেন, যা তাকে ব্যাপক জনপ্রিয়তা এনে দেয়। এর subsequent জনপ্রিয় ছবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘ইয়ে জো হ্যায় জিন্দেগি’, ‘ম্যায় হুঁ না’, ‘কাল হো না হো’, ‘ফানা’, ‘ওম শান্তি ওম’ ইত্যাদি। দর্শকমনে তিনি স্থান করে নেন একাধারে অভিনেতা এবং কমেডি তারকার পরিচয়ে।

    তার জনপ্রিয়তা ছোট পর্দায়ও ছিল অত্যন্ত বেশি; বিশেষ করে ‘সারাভাই ভার্সেস সারাভাই’ শো তাকে ঘরে ঘরে পরিচিত করে তোলে।

    ২০১৪ সালে তিনি সাজিদ খান পরিচালিত ‘হামশকলস’ সিনেমায় শেষবারের মতো অভিনয় করেন। এর পাশাপাশি, ২০০৮ সালে ‘কমেডি সার্কাস’ অনুষ্ঠানে অর্চনা পুরন সিংয়ের সঙ্গে সহবিচারক হিসেবে কাজ করেছিলেন। ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে এই প্রিয় অভিনেতার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সহকর্মী ও ভক্তদের মধ্যে।

  • সালমান শাহের মরদেহের ময়নাতদন্তে নিজ হাতে ছুরি চালিয়েছিলেন রমেশ

    সালমান শাহের মরদেহের ময়নাতদন্তে নিজ হাতে ছুরি চালিয়েছিলেন রমেশ

    ঢালিউডের কিংবদন্তি নায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর রহস্য এখনও ভেদ করা সম্ভব হয়নি। তার মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ বছর ধরে ধাাঁন্ধা বিতর্ক চলমান থাকলেও সম্প্রতি নতুন এক সংযোজন যুক্ত হয়েছে। অপমৃত্যুর মামলা তখনই রূপ নেয় হত্যা মামলায়, যার পরিপ্রেক্ষিতে তার মৃত্যুর পেছনে কী সত্য তা নতুন করে উঠছে প্রশ্নের মুখে।

    তারই ধারাবাহিকতায় একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে, যেখানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে কাজ করা রমেশ নামের একজন জানান, তিনি সালমানের মরদেহের ময়নাতদন্তের সময় নিজ হাতে ছুরি চালিয়েছিলেন। রমেশ বলেন, সেই ভয়ঙ্কর মুহূর্তে তিনি বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না যে, তার প্রিয় নায়ক মারা গেছেন। তিনি আরও বলেন, ‘আমার প্রিয় নায়কের বুকের মধ্যে আমি নিজেই ছুরি চালিয়েছিলাম। ফরেনসিক চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সব কিছু করতে হয়েছিল, তবে ক্রমশ বোঝা গেল যে সালমান আর ফিরবেন না।’

    বর্তমানে ধর্মান্তরিত হয়ে সেকান্দার নামে পরিচিত রমেশ সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। তিনি বলেন, ‘সালমান শাহর ভক্ত এদেশের লাখো মানুষ। আমি নিজেও তাদেরই একজন। হঠাৎ শুনেছিলাম, সালমান শাহ মারা গেছেন, মরদেহ মর্গে আসছে। সে সময় হয়তো শুক্রবার ছিল—সরকারী ছুটি। মর্গের সামনে হাজারো মানুষ ভিড় করে অপেক্ষা করছিলেন, প্রিয় নায়কের শেষ দেখা পাবার আশায়।’

    রমেশ আরও জানান, ঢাকায় তখন মর্গের ব্যবস্থা ততোটা উন্নত ছিল না। পুরোনো মর্গে তার পাঠানো মরদেহ নিয়ে ময়নাতদন্ত করেন তিনি। লাশ কাটার সময় তিনি অনুভব করেছিলেন, যেন নিজের প্রিয় ব্যক্তিকে আঘাত করছেন। ৩৫ বছর ধরে চাকরি করে এখন অবসর নিয়েছেন এই অবসরপ্রাপ্ত মর্গকর্মী। তিনি বলেন, ‘হাজার হাজার লাশের মধ্যে সালমানের লাশে হাত দেওয়ার সেই ভয়ঙ্কর স্মৃতি আমি আজও ভুলতে পারিনি।’

    ১৯৯৬ সালে ৬ সেপ্টেম্বর রহস্যজনকভাবে মারা যান সালমান শাহ। শুরুর দিকে তার মৃত্যুকে ‘আত্মহত্যা’ বলে দাবি করা হয়েছিল, তবে সালমানের পরিবার শুরু থেকেই দাবি করে আসছিল যে, এটি খুনের অপবাদ। দীর্ঘ ২৮ বছর পর, চলতি বছরের ২০ অক্টোবর আদালত তার মৃত্যুকে হত্যা হিসেবে গ্রহণ করার নির্দেশ দেয়।

    বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সালমান শাহর মৃত্যু এখনো এক অমোঘ রহস্য, যার উত্তর খুঁজে ফিরছে তার কোটি কোটি ভক্ত।

  • এমএলএসে গোল্ডেন বুট জিতে পেলেন মেসি

    এমএলএসে গোল্ডেন বুট জিতে পেলেন মেসি

    ন্যাশনাল লিগে এসসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগেই এমএলএস লিগের সর্বোচ্চ গোলের পুরস্কার, গোল্ডেন বুট, নিজের হাতে তুলে নিলেন লিওনেল মেসি। চেজ স্টেডিয়ামে এটি প্রদান করেন এমএলএসের চিফ কমিশনার ডন গারবার। ইন্টার মিয়ামির জার্সিতে তিনি ২৮ ম্যাচে remarkable ২৯ গল করে এই অবিষ্কার অর্জন করেন।

    ডন গারবার তাঁর মুখে মুখে বলেন, ‘আমরা কখনো কল্পনা করিনি যে লিওনেল এই ক্লাব, এই শহর ও এই লিগের জন্য এতটা প্রভাব ফেলবেন। তিনি পুরো এমএলএস-এর গতিপথই বদলে দিয়েছেন।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘মেসির হাতে গোল্ডেন বুট তুলে দিতে পেরে আমি খুবই উচ্ছ্বসিত।’

    একদিন আগেই ইন্টার মিয়ামি ঘোষণা করে, মেসি তিন বছরের জন্য নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। এর ফলে তিনি ২০২৮ সাল পর্যন্ত মিয়ামিতে থাকবেন। এই চুক্তির মাধ্যমে তিনি চল্লিশের কোঠায় পৌঁছেও খেলবেন এই ক্লাবের হয়ে।

    গারবার বলেন, ‘মেসি এমন এক ফুটবলার, যিনি ফুটবলকে ভিন্নভাবে ভাবেন। তার জেতার তীব্র ইচ্ছা এবং প্রতিটি ম্যাচে পারদর্শিতা তাকে সর্বকালের সেরা করে তুলেছে।’

    ২০১৩ সালে ইন্টার মিয়ামিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে মেসি দলের ভাগ্য পালটে দেন। তার নেতৃত্বে ক্লাবটি ২০২৩ সালের লিগস কাপ জয় করে। এরপর ২০২৪ সালে সাপোর্টার্স শিল্ড এবং এমএলএসের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পয়েন্টের রেকর্ড গড়ে।

    ব্যক্তিগতভাবে, তিনি ২০২৪ সালে এমভিপি (মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার) পুরস্কার জয় করেন এবং ২০২৫ সালের সংস্করণেও ফেভারিট হিসেবে থাকছেন। আবার যদি তিনি জয় করেন, তবে এমএলএসের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো টানা দুই বার এমভিপি হয়েও থাকবেন।

    মেসির আগমনের পর থেকে ইন্টার মিয়ামির মূল্য প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে, এখন দাঁড়িয়েছে প্রায় ১.২ বিলিয়ন ডলার। পাশাপাশি, এমএলএসের টিকিট বিক্রি এবং জার্সি বিক্রিতে রেকর্ড গড়ে গেল।

    ডন গারবার হাস্যোজ্জ্বল মুখে বলেন, ‘তিনি আসলে প্রজাতির ইউনিকর্ন — একেকজন যতই অনন্য হোক না কেন, মেসি তা আরও অনেক ব্যতিক্রম করে তুলেছেন। তার চিন্তা, মনোযোগ এবং জেতার ইচ্ছে তাকে সর্বকালের সেরা করে তুলেছে।’

    নতুন চুক্তির ঘোষণা দিয়ে এক ভিডিও প্রকাশ করেন ইন্টার মিয়ামি যেখানে দেখা যায়, তিনি নিজের চুক্তি স্বাক্ষর করছেন ক্লাবের নতুন স্টেডিয়ামের মধ্যবর্তী স্থানে। এই স্টেডিয়ামটি মিয়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাশে এবং ভবিষ্যতে আগামী বছর এটি উদ্বোধন হবে।

    গারবার মন্তব্য করেন, ‘এটি দেখায় যে ক্লাবটি কতটা পেশাদার ও বুদ্ধিদীপ্তভাবে কাজ করছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘মেসি এখন শুধু মিয়ামির নয়, পুরো আমেরিকার ফুটবলের প্রতীক হয়ে উঠেছেন — এক কথায়, দ্য গিফট দ্যাট কিপস অন গিভিং।’

  • বিগ ব্যাশে খেলতে অনুমতি পেলেন বাবর-রিজওয়ানসহ পাকিস্তানি তিন ক্রিকেটার

    বিগ ব্যাশে খেলতে অনুমতি পেলেন বাবর-রিজওয়ানসহ পাকিস্তানি তিন ক্রিকেটার

    আগামী ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হচ্ছে জনপ্রিয় ক্রিকেট লিগ বিগ ব্যাশ (বিবিএল)। এই লিগে পাকিস্তানের শীর্ষ ক্রিকেটাররা এবার অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়ে থাকছেন, যা এ বছরের অন্যতম বড় খবর। গত সেপ্টেম্বর মাসে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) বিদেশি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলার জন্য অনাপত্তিপত্র বা এনওসি দেওয়ার ক্ষেত্রে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। তবে বর্তমানে ওই বাধা ইতিমধ্যে দূর হয়েছে, এবং পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের জন্য লেগে অংশ নেওয়ার পথ খুলে গেছে।

    এবারের বিগ ব্যাশে মোট ছয়জন পাকিস্তানি ক্রিকেটার প্রতিযোগিতা করবেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম, যিনি সিডনি সিক্সার্সের হয়ে খেলবেন; পেসার শাহীন শাহ আফ্রিদি ব্রিসবেন হিটের হয়ে মাঠে নামবেন; এবং ওপেনার মোহাম্মদ রিজওয়ান মেলবোর্ন রেনেগেডসের প্রতিনিধিত্ব করবেন। এছাড়া অন্য খেলোয়াড়রা হলেন হাসান আলী (অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্স), হারিস রউফ (মেলবোর্ন স্টারস), এবং শাদাব খান, যিনি সিডনি থান্ডারের হয়ে খেলবেন। বিশেষ করে শাদাবের সতীর্থ হিসেবে থাকবেন ভারতের চেন্নাই সুপার কিংসের সাবেক তারকা রবিচন্দ্রন অশ্বিন।

    ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সিইও টড গ্রিনবার্গ জানিয়েছেন, পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের প্রয়োজনীয় সকল অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত আনন্দিত যে এই লিগে পাকিস্তানি কিছু দারুণ ক্রিকেটার অংশ নিচ্ছেন। আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন এই খেলোয়াড়রা থাকায় বিগ ব্যাশের মান আরও উন্নত হবে এবং এই লিগটি আরও আকর্ষণীয় হবে।’

    উল্লেখ্য, বিগ ব্যাশ লিগের এবারের আসর ১৪ ডিসেম্বর শুরু হয়ে চলবে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। একই সময়টায় অনুষ্ঠিত হতে পারে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)। তবে পিসিবি এখনই বিপিএল খেলার জন্য কোনও ঘোষণা দেয়নি।

  • ভারতে ক্রিকেটার দুই অস্ট্রেলিয়ান নারীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ

    ভারতে ক্রিকেটার দুই অস্ট্রেলিয়ান নারীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ

    অস্ট্রেলিয়া নারী ক্রিকেট দল যখন ভারতীয় মাঠে বিশ্বকাপ খেলতে আসছেন, তখনই ঘটে إচিত একটি ঘটনায় সাড়া ফেলে দেয়। মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে হোটেল থেকে হেঁটে এক ক্যাফেতে যাচ্ছিলেন দুই অস্ট্রেলীয় নারী ক্রিকেটার, সেই সময় তাদের ওপর শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওঠে। বৃহস্পতিবার সকালে, খাজরানা রোড এলাকার নির্জন পথে হেঁটে যাওয়ার সময় একটি মোটরসাইকেলে থাকা ব্যক্তি তাদের পিছু নেয়। সেই ব্যক্তি কাছ থেকে তাদের অশালীনভাবে স্পর্শ করে দ্রুত চলে যাওয়ার চেষ্টা করে। এই ঘটনায় আতঙ্কে পড়ে ক্রিকেটাররা একে অপরকে জানিয়েছেন এবং তারা অবিলম্বে দলনেতার সঙ্গে যোগাযোগ করে নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেন। পরে, একজন দ্রুত নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের অবহিত করেন এবং পুলিশে অভিযোগ দাখিল করেন। পুলিশের সূত্র জানিয়েছে, পিছু নেওয়া ব্যক্তির মোটরসাইকেল থেকে নম্বর সংগ্রহ করা হয়, যার ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আখিল খান নামে এক ব্যক্তি, যিনি এর আগেও অপরাধমূলক কাজে জড়িত ছিলেন। তদন্ত চলমান রয়েছে। পুলিশ ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে নারীশ্লীলতাহানির উদ্দেশ্যে অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ (ধারা ৭৪) এবং পিছু নেওয়া বা স্টকিং (ধারা ৭৮) এর অধীনে এফআইআর নথিভুক্ত করেছে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় আইনি প্রক্রিয়া অনুসারে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

  • রোহিত ও কোহলির জুটিতে বড় জয় ভারতের অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে

    রোহিত ও কোহলির জুটিতে বড় জয় ভারতের অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে

    প্রথম দুটি ম্যাচ হেরে দেশের জন্য সিরিজটি অনেকটাই ক্ষত-বিক্ষত হয়ে গিয়েছিল ভারত। শেষ ম্যাচটি ছিল তাদের জন্য মান-সন্মান ফিরিয়ে আনা এবং সিরিজের মোড় ঘুরিয়ে দেবার একটি সুযোগ। সিডনিতে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ওয়ানডেতে কিংবদন্তি ব্যাটার রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি আবারও নিজেদের অতীতের স্বর্গীয় ধারায় ফিরে আসেন। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এই ম্যাচে তাঁদের অসাধারণ পারফরম্যান্সে ভারতের জয় হয় ৯ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে, যা ছিল তাদের জন্য অনেকটাই স্বস্তির ও উল্লাসের মুহূर्तन।

    অস্ট্রেলিয়া প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৪৬.১ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ২৩৬ রান। ভারতের জবাব দিতে নেমে ২৩৭ রানের লক্ষ্যে তারা মাত্র ৩৮ ওভারে পৌঁছে যায়, হাতে তখনও ৯ উইকেট বাকি থাকতেই। ম্যাচের মূল নায়ক হিসেবে খেলেছেন রোহিত ও কোহলি—উভয়ই অপরাজিত থেকে গেছেন। রোহিত খেলেছেন অনবদ্য ১২১ রান (১২৫ বল) যা তার ৩৩তম ওয়ানডে সেঞ্চুরি, আর কোহলি অপরাজিত থাকেন ৭৪ রান (৮১ বল) দিয়ে। এই জুটি ভারতের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫৪৮৩ রানের সমন্বিত স্কোর নিয়ে এসেছে, পাশাপাশি তারা এখন তৃতীয় স্থানে থাকেন বৃহৎ ওপেনিং পার্টনারশিপের তালিকায়।

    ম্যাচ শেষে রোহিত ও কোহলি দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, এবং ইঙ্গিত দেন এটি হতে পারে তাদের অস্ট্রেলিয়ায় শেষ ওয়ানডে ম্যাচ। রোহিত বলেন, “এখানে এসে খেলাটা সবসময়ই দারুণ লাগে। ২০০৮ সালের স্মৃতি সংরক্ষিত এই দেশের সাথে। জানি না আবার কখনও এই মাঠে ফেরার সুযোগ হবে কি না। তবে আমাদের মূল উদ্দেশ্যই হলো ক্রিকেট উপভোগ করা, সেটা যত বড় বা কঠিনই হোক না কেন। পার্থে নতুন করে শুরু করেছিলাম, বর্তমানে সেটা বজায় রাখার চেষ্টা করছি।”

    অন্যদিকে, কোহলি বললেন, “রোহিতের সঙ্গে ব্যাটিং সবসময়ই সহজ ও উপভোগ্য। মাঝ মাঠে যে বোঝাপড়া, তা আমাদের সামর্থ্যের বড় শক্তি। যত কঠিনই হোক পরিস্থিতি, আমরা তা সামলে নিতে পারি। আজকের ইনিংসটা শেষ পর্যন্ত রাখতে পেরেই আমি আনন্দিত।” তিনি আরো যোগ করেন, “আমাদের মধ্যে দীর্ঘ দিনের সঙ্গে যোগসূত্র রয়েছে। ২০১৩ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরে শুরু হয়েছিল এই জুটি। জানতাম, ২০ ওভার একসঙ্গে খেললে ম্যাচ আমাদের পক্ষেই যাবে। অস্ট্রেলিয়ায় আসার পর থেকে আমরা সব সময় ভাল খেলেছি, এখানকার দর্শকরা আমাদের খুব পছন্দ করে।”

    তাদের এ পারফরম্যান্স, যদিও সিরিজের ফলাফল অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে গিয়ে থাকলেও, এটি প্রমাণ করে দেয় যে এখনও তারা বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যাটার। সিডনিতে শনিবারের ম্যাচে রোহিত–কোহলি জুটি গড়েছে ১৯তম ওয়ানডে শতকের পার্টনারশিপ। এই তালিকায় তারা এখন তৃতীয় স্থানে অবস্থান করে আছেন। এই জুটিতে সাধারণত চার হাজার পাঁচ শ’ রান পার করেছেন তারা, যা এখন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এই তালিকায় শচীন টেন্ডুলকার ও সৌরভ গাঙ্গুলির জুটি রয়েছে ১৭৬ ইনিংসে ৮২২৭ রানের ইতিহাস।

    রোহিত–কোহলির ১৬৮ রানের অপরাজিত জুটি নিশ্চিত করেছে ভারতের সহজ জয়, আর দর্শকদের মনে ফিরিয়ে এনেছে সেই পুরোনো আধুনিক ব্যাটিং লুক। তবে সিরিজ ফলাফল অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে দাঁড়ালেও, টি দল নিজেদের পারফরম্যান্সে গর্বিত। এর আগে, ভারতের তরুণ পেসার হর্ষিত রানা দুর্দান্ত বোলিং করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। ৩৯ রানে ৪ উইকেট নিয়ে তিনি বোল্ড করেছেন অস্ট্রেলিয়াকে ২৩৬ রানে গুটিয়ে দিয়ে অর্জন করেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।

  • ইয়াসিরের ঝড়ে চট্টগ্রামের দাপট, খুলনা সংগ্রহ ৯ উইকেটে ৩১২

    ইয়াসিরের ঝড়ে চট্টগ্রামের দাপট, খুলনা সংগ্রহ ৯ উইকেটে ৩১২

    উইকেটে সুবিধা ছিল বোলারদের জন্য, তবে সেই সুবিধা যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারেননি তরুণ বোলাররা। পাশাপাশি রাজশাহীর ফিল্ডিংও ছিল খুব ভালো নয়, ক্যাচ হারানো এবং স্টাম্পিংয়ের সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারেননি তারা। এইসব ব্যর্থতার মধ্যে দাঁড়িয়ে মাহমুদুল হাসান জয় ও ইয়াসির আলি চৌধুরির অসামান্য সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহ গড়ে চট্টগ্রাম। দু’টি সেঞ্চুরির পরও প্রথম দিন শেষে তাদের প্রথম ইনিংস গুটিয়ে যায়। রাজশাহী বিভাগের স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে চট্টগ্রাম করেছিল ৪০১ রান। জবাব দিতে নামা রাজশাহীর শুরুটা ছিল অনুকূল নয়; হাসান মুরাদের বাঁহাতি স্পিনে মাত্র ৫ ওভারে তারা হারিয়েছে ২ উইকেট। প্রথমে হাবিবুর রহমান সোহান ১ রান করে ফিরে যান, আর নাইটওয়াচম্যান শফিকুল ইসলাম chưa খোলেন রানের খাতা। সাব্বির হোসেন ও রাহিম আহমেদ ক্রিজে থাকলেও কেউই রানের দেখা পাননি। এর আগে ব্যাট করতে নেমে দুই অঙ্কে পৌঁছান সাদিকুর রহমান, মুমিনুল হক ও শাহাদাত হোসেন। তবে চাপ বাড়তে থাকায় এগিয়ে যান জয় ও ইয়াসির। সাবলীল ব্যাটিংয়ে তারা বাড়ান রানের গণ্ডি। ৮৩ বলে জয় পৌঁছান পঞ্চাশে, আর ১৩৮ বলে তিনি করেন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের পঞ্চম সেঞ্চুরি। ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে এটি তার একাদশতম সেঞ্চুরি। অন্যদিকে ইয়াসির ৬৪ বলে পাঞ্চাশ ছাড়িয়ে যান, ১০২ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে তিন অঙ্কে পৌঁছান। এই সময় তিনি করেন ১২৯ রান, যা তার প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের একাদশতম সেঞ্চুরি। জয় ও ইয়াসিরের জুটি ২২১ রানের বেশি এগোতে থাকলেও শেষমেশ তাইজুলের বলের লাইন ভেঙে পড়ে। জয় শেষ পর্যন্ত ১২৭ রান করেন, যেখানে তার ছয়টি ছক্কা ও চৌদ্দটি চার ছিল। এরপর দ্রুতই ইয়াসিরের আউট হয়। তিনি ১৩৮ বলে ১২৯ রান করেন, ছয় ছক্কা ও দশ চারে। ইনিংসের শেষদিকে ইরফান শুক্কুর ৭২ রান করে যান, যা তিনি ৬৩ বলে ছক্কা ও চার মেরে করেন। অন্যদিকে, চট্টগ্রামের ইনিংস বেশিদূর যেতে পারেনি; ৩৪ ওভারে চার উইকেটে ১৫৯ রান করে তারা। তাইজুল ও সুজন হাওলাদার দুটি করে উইকেট নেন। খুলনা বিভাগে দুর্দান্ত শুরু করেছেন জিয়া ও পারভেজ। অধিনায়ক এনামুল হক ও সৌম্য সরকার ফিরেছেন, তবে তারা দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। ইমরানউজ্জামন ও নাহিদুল ইমলামও কিছুটা মানিয়ে নিয়েছেন। ১৫০ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে সংকটের মুখে পড়েছে খুলনা; কিন্তু জিয়া ও পারভেজের জুটিতে দল দ্রুত ৩১২ রান পর্যন্ত پہنچিয়েছে। পারভেজ ক্যারিয়ার সেরা ৭২ রান করেন, অপরদিকে জিয়া ৬৯ রানে খেলছেন এখন। পারভেজ ক্যারিয়ারে দ্বিতীয় পঞ্চাশ পেলেন, তার প্রথম সেঞ্চুরির অপেক্ষায় থাকা লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যান হিসেবে এটি গুরুত্বপূর্ণ। খুলনা এখনো পরিস্থিতি সামাল দিয়ে দিন শেষ করেন, যেখানে মইন ও রুয়েল তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন।