নোয়াখালীর বিপক্ষে দুর্দান্ত বাজি ধরে সিলেটের জয় conseguimos। এই ম্যাচে শুরু থেকেই নিজের চমৎকার বলিং দক্ষতা দেখান নাসুম আহমেদ। সৌম্য সরকারকে ফিরিয়ে শুরু করেন উজ্জ্বল উপস্থিতি, এরপর ধারাবাহিকভাবে হায়দার আলী, মেহেদী হাসান রানা, জহির খান এবং বিলাল সামিকে ফেরান তিনি। নিজের শেষ ওভারেই তিনি তিনটি উইকেট তুলে নেন, চার ওভারে মাত্র ৭ রান খরচায় ৫টি উইকেট নিয়ে নোয়াখালীকে মাত্র ৬১ রানে গুছিয়ে দেন। এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে তাদের সহজ জেতার পথে মূল বাধাটিই ভেঙে যায়। ফলে, লক্ষ্য ছিল মাত্র ৬২ রানের, যা আদৌ সহজ ছিল। সিলেটের শুরুটা হলো খুব ভালো, প্রথম ওভারেই উইকেট হারিয়ে শুরু হয় বিপর্যয়। ওপেনিংয়ে নামা পারভেজ হোসেন ইমন প্রথমবারের মতো বিপিএলে ওপেন করতে এসে ব্যর্থ হন, যার আগেই শেষ হয়ে যায় তার আভরণ। মূলত আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ টি-টোয়েন্টিতে চার নম্বর পজিশনে ৬৫ রান করে দুর্দান্ত পারফর্ম করেন তিনি। এরপর বাংলাদেশ প্রিমিয়র লিগে নোয়াখালীর বিপক্ষে ৬০ রান করেন। ঢাকা ক্যাপিটালসের সঙ্গে তিনি ৪৪ রানের ইনিংস খেলেছেন, তবে পরের ম্যাচগুলোতে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স দেখাতে পারেননি। শ্রীলঙ্কার সিরিজের জন্য সাইম আইয়ুব লিগ থেকে ছুটি নেওয়ায় সিলেটের ওপেনিংয়ে সুযোগ পান ইমন। তবে এই ইনিংস ছিল খুব দ্রুত শেষ—৫ বলে ১ রান করে আউট হন তিনি। পেসার বিলাল সামির অফ স্টাম্পের বাইরে থাকা বল ভেতরে ঢোকায় তাকে বোল্ড করেন। এরপর তৌফিক খান দ্রুত রান তোলার জন্য ঝাঁপিয়ে যান। পাওয়ার প্লে’য় বেশ কিছু বাউন্ডারি মারতে থাকেন, কিন্তু প্রথম ছয় ওভারে পারভেজের আউটের পর বিপর্যয় শুরু হয়। ১৮ বলে ৩২ রান করে আউট হন তৌফিক। এরপর আফিফ হোসেন ধ্রুব ৫ বলে ২ রানে আউট হন। একই ওভারে ২৩ বলে ২৪ রান করে জাকির হাসান আউট হন। শেষ মুহূর্তে ম্যাচ জেতাতে মঈন আলী এক সিঙ্গেল নিয়েছেন। নোয়াখালীর হয়ে তিনটি উইকেট পান জহির খান। বিপিএল চলাকালীন অনেক দলই টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিলেও, নোয়াখালীর অধিনায়ক হায়দার আলী টস জিতে ব্যাটিং নেওয়ায় সবাইকে চমকে দেন। দুই ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহান ও সৌম্য মিলে ভালো শুরুর আশ্বাস দেন, কিন্তু চতুর্থ ওভারেই সৌম্য ফিরে যান। এরপরই ছন্দপতন ঘটে; মুনিম শাহরিয়ার রান আউট হন, এরপর ১৬ বলে ১৮ রান করা সোহানও আউট হন। বাকিদের মধ্যে অঙ্কন চেষ্টা করেন এক আসা-যাওয়া ব্যাটিং বাঁচানোর, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ২৫ রানে তিনি ফিরে যান। নোয়াখালীর হয়ে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে মোহাম্মদ নবি কেবল ১০ বলে এক রান করে আউট হন। দুর্দান্ত ব্যাটিং না থাকায় দল মাত্র ৬১ রানে গুটিয়ে যায়। অন্যদিকে, সিলেটের হয়ে একাই ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচের মূল নায়ক হন নাসুম আহমেদ। তার দুর্দান্ত বলিং পারফরম্যান্সের কারণে সিলেটের সহজ জয় নিশ্চিত হয়ে যায়।
Author: bangladiganta
-

বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত, নিরাপত্তাই আগে: রমিজ রাজা
বাংলাদেশ এবং ভারতীয় ক্রিকেটের মাঠের বাইরে এখন রাজনৈতিক উত্তেজনার মুহূর্ত। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের তারকা পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল ২০২৬ থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনা ব্যাপক আলোচনায় এসেছে। কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) তাকে ৯.২ কোটি রুপিতে দলে নেওয়ার পরবর্তী সময়ে বিসিসিআইয়ের নির্দেশে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি তাকে ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের পেছনে বলা হচ্ছে ‘সাম্প্রতিক পরিস্থিতি’, যা মূলত বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর ঘটে যাওয়া হামলার ঘটনায় প্রতিফলিত হচ্ছে।
এর জের ধরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আইসিসিকে চিঠি দিয়ে জানায়, নিরাপত্তার অভাবে তারা আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ম্যাচগুলো ভারত নয়, শ্রীলঙ্কায় আয়োজন করতে চায়। তাদের যুক্তি, দেশে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা ও মর্যাদা সবার আগে। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল স্পষ্টভাবে বলেন, “খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা ও মর্যাদা আমাদের জন্য শীর্ষ অগ্রাধিকার।”
অন্যদিকে, বাংলাদেশ সরকার দেশটিতে আইপিএলের সম্প্রচার নিষিদ্ধ করেছে, দাবি করে এই সিদ্ধান্ত তাঁদের জন্য এক ধরনের আঘাত। এর ফলে বোঝা যাচ্ছে, আইসিসি নতুন সূচি তৈরি করতে শুরু করেছে। ম্যাচগুলো যদি সরিয়ে নেওয়া হয়, তাহলে বিসিসিআইয়ের আর্থিক ক্ষতি হবে বিপুল পরিমাণ।
এদিকে, পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ও কিংবদন্তি ক্রিকেটার রমিজ রাজা, যিনি বর্তমানে বিপিএলে ধারাভাষ্য দিচ্ছেন, এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছেন। একটি বেসরকারি টেলিভিশনে তিনি বলেছেন, ‘আমার মতে বাংলাদেশ তাদের যথার্থ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কারণ প্লেয়ারদের নিরাপত্তা সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাচ্ছে।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘এর আগে এশিয়া কাপে ভারতের পক্ষ থেকে পাকিস্তান সফর বাতিলের ঘটনা ঘটেছিল নিরাপত্তার অজুহাতে। আজকের পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের ঘটনার জন্য সত্যিই দুঃখ প্রকাশ করছি।’
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ যদি অংশ নেয় না, তাহলে কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হবে বিসিসিআইয়ের। এছাড়া, এই সংকটের কারণে ভারত বাংলাদেশ দলের জন্য ‘রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা’ নিশ্চিত করার প্রস্তাব দিয়েছে—একটি অপ্রত্যাশিত ও ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত।
-

বিনা আলাপ-আলোচনা মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দিল ভারতীয় বোর্ড
তিন দিন পেরিয়ে গেলেও মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার বিষয়টি এখনও স্পষ্ট নয়, এর পেছনের আসল কারণ ও সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়া নিয়ে মানুষের মাঝে নানা আলোচনা চলছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড, বিসিসিআই, এই সিদ্ধান্তের পেছনে কোনও প্রকার আলাপ-আলোচনা বা আলোচনা সমঝোতা হয়নি বলে জানা গেছে। বিভিন্ন দেশি-বিদেশি ক্রিকেটাররা এই বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এক বিশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি বোর্ডের উচ্চ পর্যায় থেকে এসেছে, যেখানে কোনও অন্তর্বর্তী আলোচনা বা মতবিনিময় হয়নি। ভারতের একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ, বিসিসিআই এর এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে কোনও ধরণের আলোচনা বা পরামর্শ নেয়নি। এ ব্যাপারে এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, মোস্তাফিজের অবস্থা সম্পর্কে বোর্ডের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কোনও আলোচনা হয়নি, বরং তারা সরাসরি সিদ্ধান্ত নেন। এখন পর্যন্ত তিনি ভারতের পাঁচটি বড় ফ্রাঞ্চাইজির হয়ে খেলেছেন— সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, দিল্লি ক্যাপিটালস, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স, রাজস্থান রয়্যালস এবং চেন্নাই সুপার কিংস। আইপিএলে তার মোট খেলার সংখ্যা ৬০, এবং ইকোনমিতে ৮.১৩ গড়ে তিনি ৬৫ উইকেট নিয়েছেন। ২০২৪ সালে চেন্নাই সুপার কিংস তাকে সামাজিক মাধ্যমেও প্রশংসিত করেছে। গতবার জেক ফ্রেজার না খেলায় দিল্লি ক্যাপিটালস মোস্তাফিজকে মাঝপথে আনেন। তবে এবারে রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের জটিলতা তাকে আইপিএল খেলতে বাধা দেয়। ১৬ ডিসেম্বর আবুধাবিতে আইপিএল নিলামে তাকে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে (প্রায় ১২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা) কিনেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। বাংলাদেশের ক্রিকেটারের মধ্যে এইই ছিল সর্বোচ্চ দর। তবে বিসিসিআই-এর সচিব দেবজিত সাইকিয়া শুক্রবার এক প্রভাবশালী বার্তা সংস্থাকে জানিয়েছেন, মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ তারা কলকাতা নাইট রাইডার্সকে দিয়েছেন। সেই নির্দেশনার কিছু ঘণ্টার মধ্যেই মোস্তাফিজকে দলে থেকে বাদ দেওয়া হয়। এর ফলে কলকাতার সোশ্যাল মিডিয়ার ফলোয়ার কমে যাচ্ছে, পোস্টে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া ও রিঅ্যাকশন বাড়ছে। অন্যদিকে, নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশের বিশ্বকাপের ম্যাচ ভারতের থেকে আইসিসিকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইসিসি এখন বিশ্বকাপের নতুন সূচি তৈরির কাজ করছে, আর মোস্তাফিজের এই ইস্যুতে বাংলাদেশের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে, যেখানে আইপিএল সম্প্রচার বন্ধের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এই ঘটনা পুরোপুরি রাজনৈতিক ও সামাজিক মতবিরোধের জটিলতায় জড়িয়ে পড়েছে, যেখানে মোস্তাফিজের as স্থান ও ভবিষ্যত এখন অনিশ্চয়তার মুখে।
-

আমি এখনও প্রেসিডেন্ট, আমাকে অপহরণ করা হয়েছে: মাদুরো আদালতকক্ষে বলেন
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে ম্যানহাটন আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে নিজের পরিচয় জোর দিয়ে বললেন ভেনেজুয়েলার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো। সোমবার আদালতে হাজির হয়ে তিনি স্পষ্ট করে বললেন, আমি নির্দোষ। আমাকে ভেনেজুয়েলার কারাকাসে আমার বাড়ি থেকে অপহরণ করে নিয়ে এসেছে। আমি একজন সম্মানজ্ঞান ব্যক্তি, আমার দেশের প্রেসিডেন্ট। আমাকে বেআইনিভাবে ধরে আনা হয়েছে, যা আমি কোনওভাবেই মানি না।
নিজেকে ‘যুদ্ধবন্দি’ বলে উল্লেখ করেন মাদুরো, এবং আদালতে পড়ে শোনানো অভিযোগগুলোতেও দোষ স্বীকার না করে দোষ অস্বীকার করেন। একইভাবে, তার স্ত্রীরাও—ভেনেজুয়েলার ফার্স্ট লেডি সিলিয়া ফ্লোরেস—নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। দোভাষীর মাধ্যমে তিনি স্প্যানিশ ভাষায় বলেন, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোতেই তাদের দোষ নেই।
গত শনিবার, ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস থেকে তার সস্ত্রীক অপহরণ করে নিয়ে আসে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী। এই নাটকীয় ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বৈশ্বিক স্তম্ভিত হয়েছিল বিশ্ব। বেশ কিছু দেশ এই ঘটনাকে নিন্দার মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছে।
মাদুরোর বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নানা অভিযোগ আনা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে মাদক-সন্ত্রাস, কোকেন আমদানির জালিয়াতি, এবং ক্ষতিসাধনকারী ডিভাইস ও মেশিনগান রাখার মতো গুরুতর অভিযোগ। মার্কিন প্রশাসনের দাবি, মাদুরো ক্যানসার মোকাবেলায় ব্যবহার করে বেশি দূর এগোতে পারেনি, বরং মেক্সিকো ও কলম্বিয়ার গ্যাংগুলির সঙ্গে মিলে কোকেন পাচারচক্র চালাচ্ছে।
মাদুরো ও তার স্ত্রী এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। তাদের আইনজীবীরা বলছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরেই তার নেতৃত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই মামলাগুলো করছে।
ঐদিন তারা ব্রুকলিনের আটক কেন্দ্রে থাকাকালীন, সোমবার কড়া নিরাপত্তার মধ্যে তাদেরকে হেলিকপ্টার ও সাঁজোয়া গাড়ি যোগে আদালতে উপস্থিত করা হয়। জেলে থাকাকালীন আদালতে হাজির করার সময়, তারা স্প্যানিশ ভাষায় দোভাষীর মাধ্যমে কথা বলেন। এসময় তাদেরকে দেখতে ব্যাপক jumlah মোড়ক উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে, আন্দোলনের পাশাপাশি সমর্থকদেরাও জমায়েত হয়েছিল।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই মামলাকে আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে নজিরবিহীন বলে মনে করা হয়, কারণ এটি প্রথম কোনও বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৃহৎ ধরণের ফৌজদারি মামলা।
তবে, মাদুরো এসবের মুখে হার মানেননি। আদালত চলাকালীন তার মুখে আতঙ্ক বা ভয়ের চিহ্ন দেখা যায়নি। বরং তিনি জেদি ও দৃঢ় কথা বলে স্পষ্ট করে বললেন, আমাকে জোরপূর্বক ভেনেজুয়েলা থেকে তুলে আনা হয়েছে এবং আমি অপহৃত একজন প্রেসিডেন্ট। তার এই দৃঢ়তা দেখে অনেকেই তার নেতৃত্বের শক্তি অনুভব করেছেন।
ভেনেজুয়েলার ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি এদিন তার পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তারা গভীরভাবে দাবি করেছে, এই অপহরণ একটিকে ‘বর্বরোচিত ও বিশ্বাসঘাতক’ আক্রমণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
অভিযোগের শুনানি শেষ হয়ে, আগামী ১৭ মার্চ পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করেছে আদালত। ওই দিনটিতে আবারও তাকে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্র: বিডিনিউজ।
-

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্টের বাসভবনে অস্ত্রশস্ত্র হামলা
ওহাইও অঙ্গরাজ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের বাসভবনে হামলার ঘটনা ঘটেছে। তবে এই ঘটনায় কেউ আহত হওয়া বা জীবনের ঝুঁকি থাকায় তদন্ত চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তারা নিশ্চিত করতে চাইছে যে, এই হামলা কোনও মূল লক্ষ্যবস্তু উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল কি না। ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা সজাগ অবস্থানে রয়েছেন এবং সন্দেহভাজন একজন ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার সিক্রেট সার্ভিস এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার সময় ভ্যান্স এবং তাঁর পরিবারের কেউ বাসায় ছিলেন না। তবে এ ঘটনায় এক ব্যক্তিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। কর্মকর্তাদের ধারণা, বাসভবনের ভেতরে কেউ প্রবেশ করতে পারেনি। তবে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা গেছে, ওহাইওতে ভ্যান্সের বাসভবনের জানালার কাচ ভেঙে গেছে। এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি, কিভাবে বা কেন জানালাগুলোর গ্লাস ভেঙে গেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই ঘটনায় একজন সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে এবং তার লক্ষ্য ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রধানত এই ঘটনা রোববার ঘটেছে। সিনসিনাটির পুলিশ বলেছে, রাত প্রায় ১২টা ১৫ মিনিটে সিক্রেট সার্ভিসের সহায়তা জন্য ডাকে। গোয়েন্দারা তখন এক ব্যক্তিকে দৌড়ে যেতে দেখেছে, পরে দ্রুত সেখানে পৌঁছে তৎপরতা শুরু করে। বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত হওয়া না গেলেও এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা সতর্কতাকে বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সূত্র: সিএনএন।
-

ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলায় নিহতের সংখ্যা ৮০ ছাড়ালো
ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মার্কিন সেনাদের হামলার ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠছে। গত শনিবার মধ্যরাতে দেশটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ব্যাপক আক্রমণ চালায় মার্কিন সেনারা, যা দেশটির জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ। সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের মতে, ভেনেজুয়েলার একজন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তার সূত্রে জানা গেছে, এই হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮০ এ পৌঁছেছে। এদের মধ্যে বেশিরভাগই সেনা সদস্য হলেও বেসামরিক নাগরিকরাও এতে হতাহত হয়েছেন। মার্কিন বিমানবাহিনী ওই সময় বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে ব্যাপক অগ্রসর বোমা হামলা চালায়, যেখানে তারা ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটকের জন্য এই আক্রমণ চালায়।
ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ বলেছেন, সব কিছু পরিকল্পিতভাবে পরিচালিত হয়েছে, যেখানে ইহুদিবাদী শক্তিগুলোর পরোক্ষ ভূমিকা রয়েছে। এদিকে, মাদুরোকে আটকের সময় মার্কিন সেনারা কিউবার সশস্ত্র বাহিনী ও গোয়েন্দাদের এলোচিত করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, কিউবার ৩২ জন সেনা ও গোয়েন্দা কর্মকর্তা এই হামলায় নিহত হন। এই হামলার সময় মার্কিন ডেল্টা ফোর্সের বিশিষ্ট সদস্যরা মাদুরো ও তার পরিবারের সদস্যদের আটকের জন্য অভিযান চালায়। দুই দিন ধরে কিউবা এই ঘটনায় শোক প্রকাশ করে রাষ্ট্রীয় শোকের ঘোষণা দেয়।
কিউবার সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, তারা দেশের স্বার্থে দায়িত্বশীল ও সাহসিকতার সঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে, নিহত সব কর্মকর্তা তাদের দেশপ্রেমের প্রমাণ। যদিও, কিউবার সেনা ও গোয়েন্দাদের কতজন এই অভিযানে নিহত হয়েছেন, এই ব্যাপারে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এর মধ্যে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার ফলাফল প্রকাশ্যে আসার আগে, নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, অন্তত ৪০ জন মার্কিন সেনা-নিহত হয়েছে যার মধ্যে অনেক বেসামরিক নাগরিকও রয়েছেন। এখনো পর্যন্ত ভেনেজুয়েলা আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ করেনি। তবে আন্তর্জাতিক সূত্রগুলো বলছে, এই ঘটনায় নিহতের সংখ্যা তার চেয়ে বেশি হতে পারে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মহল বিভিন্ন মন্তব্য ও তদন্ত শুরু করেছে।
-

মালয়েশিয়ার প্রবীণ নেতা মাহাথির মোহাম্মদ হাসপাতালে ভর্তি
মালয়েশিয়ার ১০০ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ আজ ঘরের মধ্যে পড়ে গেলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এ তথ্য জানিয়েছে তার এক ঘনিষ্ঠ সহকারী বার্তাসংস্থা এএফপিকে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি)। প্রাপ্তবয়স্ক বয়সে তিনি বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন, যা আগের বছরগুলোতে বেশ দেখা গেছে। গত জুলাইয়ে তার শততম জন্মদিনের উদযাপনের সময় হারিয়ে যান তিনি, তখনও তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।
সহকারী সাহা রফিকুল ইসলাম এএফপিকে বলেছে, ‘ঘরের বারান্দা থেকে শোবার ঘরে যাওয়ার সময় তিনি পড়ে যান। পরে তাকে জাতীয় হার্ট ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়েছে। তার জ্ঞান রয়েছে, তবে বর্তমানে তার পরিস্থিতি কেমন, সেটা স্পষ্ট নয়। আমি এখনও জানি না, তাকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হবে কি না।’
তিনি আরো যোগ করেছেন, ‘পরে জানা গেল, তিনি ওঠার সময় পড়ে যান। তবে তার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেননি।’
মাহাথিরের হার্টের সমস্যা আগে থেকেই ছিল, যার জন্য তার বাইপাস সার্জারি হয়। মালয়েশিয়ার সবচেয়ে সম্মানিত নেতাদের মধ্যে তিনি একজন, যিনি তার সুযোগ্য নেতৃত্বে দেশকে উন্নতির পথে নিয়ে গেছেন। দীর্ঘ দিন তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন—১৯৮১ থেকে ২০০৩ পর্যন্ত, এরপর আবার ২০১৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত।
বিশেষভাবে উল্লেখ্য, যখন তিনি দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন তখন তার বয়স ছিল ৯৪ বছর, যা তাকে বিশ্বের সবচেয়ে প্রবীণ নির্বাচিত নেতা হিসেবে পরিচিত করে তোলে। মালয়েশিয়ায় তার জনপ্রিয়তা ও প্রভাব অব্যাহত রয়েছে।
-

কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্টের ঘোষণা: যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণ করলে ‘অস্ত্র হাতে নিতে’ প্রস্তুত
কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো স্পষ্ট করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি তার সরকার বা দেশের বিরুদ্ধে আক্রমণের সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে তিনি অস্ত্র হাতে নেয়ার জন্য প্রস্তুত থাকবেন। পূর্বে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিভিন্ন হুমকির প্রতিক্রিয়ায় এই কথা বলেন তিনি। এক্সে এক পোস্টে পেত্রো মাদক পাচার বিরোধী তার সরকারের উদ্যোগ এবং সেই সঙ্গে ট্রাম্পের সমালোচনার বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি জানান, যদি যুক্তরাষ্ট্র কলম্বিয়ায় মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালায়, তবে এতে শিশুপালনের ঝুঁকি তৈরি হবে এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোর জন্য নতুন সদস্য যোগানোর সুযোগ তৈরি হবে। গুস্তা আরও বলছেন, ‘এমন একটি প্রেসিডেন্টকে গ্রেফতার করলে, যার প্রতি দেশের বড় অংশের সমর্থন ও সম্মান রয়েছে, সেটি গণঅভ্যুত্থান ডেকে আনতে পারে।’ একুশের গেরিলা গোষ্ঠীর সাবেক সদস্য হিসেবে গুস্তা বলেন, তিনি নিজেও দেশ রক্ষা করতে লড়াই করবেন। যদিও আগে তিনি শপথ করেছিলেন, আর কখনো অস্ত্র হাতে নেবেন না, তবে দেশের জন্য আবার অস্ত্র ধরার সংকল্প ব্যক্ত করেন তিনি। সূত্র: সিএনএন।
-

দেশনেত্রী খালেদা জিয়া দেশবাসীর হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন
খুলনা-৫ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলি আসগার লবি বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন এক অনড় ও অসাম্প্রদায়িক নেত্রী। তিনি একজন দৃঢ় নেত্রী হিসেবে দলীয় বা ব্যক্তিগত অস্থিতিশীলতা ছাড়া দেশের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি কখনো আপোষ করেননি। এর ফলশ্রুতিতে তাকে জেলো, নানান অপপ্রচার, প্রচুর মিথ্যা মামলা, গৃহবন্দি থাকা ছাড়াও বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক হিংসে-বিদ্বেষের শিকার হতে হয় তাকে। তবে মৃত্যুর পর তার জানাজায় লক্ষ লক্ষ মানুষের উপস্থিতি প্রমাণ করে, দেশবাসীর হৃদয়ে তিনি এক স্বর্ণময় স্থান পেয়েছেন। এই সব কিছুই স্পষ্ট করে দেয় যে, খালেদা জিয়া দেশের মানুষের জন্য একজন অবিচল ও প্রিয় নেত্রী। সোমবার দিনব্যাপী উপজেলা বিএনপি ও শ্রমিক দলের আয়োজনে পৃথক তিনটি শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন। দুপুর ১টায় উপজেলা শ্রমিক দলের আয়োজন করা ফুলতলা বিএনপি কার্যালয় চত্বরে অনুষ্ঠিত খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আবুল বাশার। প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোঃ মনিরুজ্জামান মন্টু। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা যুবদলের আহ্বায়ক এবাদুল হক রুবায়েত, জেলা বিএনপির নেতা এস এ রহিমান বাবুল, ওয়াহিদ হালিম ইমরান, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার মনির হাসান টিটো, যুগ্ম-আহবায়ক মোঃ সেলিম সরদারসহ আরও অনেকে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক নেতা জাহিদ হাসান লাভলু, বকুল ভূঁইয়া, ইসমাইল হোসেন মোড়ল, তুহিন খন্দকার, আবুল কালাম, ইলিয়াজ হোসেন ভূঁইয়া, চান মিয়া, বোরহান গাজী, কালাম হাওলাদার, হান্নান সরদার, লুৎফর হাওলাদার, হাবিবুল্লাহ, শাহাবুদ্দিন, সোহেল, মামুন প্রমুখ। দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ মোঃ আঃ মতিন। পরে অতিথিবৃন্দ বিভিন্ন কর্মসূচিতে যোগদান করেন, যার মধ্যে রয়েছে মোঃ আকতার মাহমুদ মোড়লের সভাপতিত্বে এবং ৬ নং ওয়ার্ডে বিএনপি নেতা রবিউল ইসলাম মল্লিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠান। অন্যদিকে সকাল সাড়ে ১১টায় প্রার্থী মোহাম্মদ আলি আসগার লবি ইউএনও সুচি রানী সাহার সাথে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এই সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ ইছহাক, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ওবায়দুল হক হাওলাদার, মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর হোসেন, আইসিটি কর্মকর্তা অজয় কুমার পালসহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ ও বিএনপি’র বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
-

খালেদা জিয়া একান্তন গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকারের জন্য সংগ্রাম করেছেন
মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন, গণতন্ত্রের জন্য তার অসাধারণ অবদান এবং দেশ ও জনগণের প্রতি তার ত্যাগ সব সময় আমাদের স্মৃতিতে বিরাজ করবে। তিনি ছিলেন একজন আপোষহীন নেতা, যিনি প্রতিনিয়ত গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার নিয়েই সংগ্রাম করে গেছেন। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আয়োজনে একটি স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এড. শফিকুল আলম মনা। দোয়া অনুষ্ঠানে মরহুম নেত্রীর রুহের শান্তি এবং দেশ ও জাতির অগ্রগতি, সমৃদ্ধি ও গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইফতেখার হোসেন বাবু, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, এবং অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, সদর থানা বিএনপির সভাপতি কে এম হুমায়ুন কবির, ও সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনসহ আরও অনেক নেতাকর্মী। অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিভিন্নয়ের পাশাপাশি অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ নেতাকর্মীরা। সবাই গভীর শ্রদ্ধা ও প্রার্থনা জানান, দেশ ও মতের শান্তি ও স্বস্তির জন্য।
