সুপার এইটের маңызды ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে ইংল্যান্ড পৌঁছে গেছে টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে। এই ম্যাচে ইংল্যান্ডের হয়ে হ্যারি ব্রুকের অসাধারণ ব্যাটিং দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। সাহিবজাদা ফারহানের হাফ-সেঞ্চুরি এবং শাহীন শাহ আফ্রিদির চার উইকেটের পরেও ইংল্যান্ড হার মানেনি। ব্রুক ৫১ বলে অর্ধশতকের পর ১০৬ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন, যা ম্যাচের ধারাকে পুরোপুরি বদলে দেয়। তার এই দুর্দান্ত ইনিংসে ইংল্যান্ড ২ উইকেটে লক্ষ্য অর্জন করে, আর ম্যাচ জেতায় দলের জন্য এটাই ছিল অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। ফলে, এক ম্যাচ হাতে রেখেই তারা সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল। এই জয়ে সুপার এইটে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ এখন ৪ পয়েন্ট, যেখানে পাকিস্তান এই রাউন্ডে এক মাত্র ম্যাচে হার স্বীকার করে পরিস্থিতির ওপর দারুণ প্রভাব ফেলেছে।
ম্যাচের শুরুতে পাকিস্তানের জন্য বেশ কঠিন ছিল। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামার পর প্রথম বলেই ফিল সল্টের উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। আফ্রিদির বলের খোঁচায় ক্যাচ দেন তিনি। এরপর জশ বাটলারও স্বল্প সময়ে আউট হয়েছেন, যার জন্য তার বিশ্বাস বহুটাই কমে যায়। এই পরিস্থিতিতে শুরু হয় সমস্যার চিত্র। তবে প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন ব্রুক। জ্যাকব বেথেল ও টম ব্যান্টন তার সঙ্গ দিতে পারেনি। ১০ বলে ৮ রান করে বেথেলকে আফ্রিদি ফেরান। এরপর ওসমান তারিকের স্পিনে ব্যান্টনও ফিরে যান। তবে সেখান থেকে শুরু হয় ব্রুকের ব্যাটের ঝড়। ২৭ বলে হাফ-সেঞ্চুরি পূরণ করে তিনি।
ব্রুকের সেঞ্চুরির পর ৫০ বলে ১০৬ রান করে অপরাজিত থাকেন, অন্যদিকে উইল জ্যাকসের এক দুর্দান্ত ইনিংস তাকে আরও শক্তি যোগায়। ব্রুকের বিদায়ের পরে, জ্যাকস ৫৩ বলের বাবদ ২৮ রান করেন। তবে শেষ মুহূর্তে, ইংল্যান্ডের জন্য জেফরা আর্চার প্রথম বলে চার মারলে ম্যাচের নাটক শেষ হয়। পাকিস্তানের জন্য জানিয়ে রাখতে হবে, আফ্রিদি চারটি উইকেট শিকার করে এই ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
অন্যদিকে, পাকিস্তান ব্যর্থ হয় প্রত্যাশিত ফর্ম দেখাতে। সাহিবজাদা ফারহান ও ফখর জামান কার্যত একপ্রান্ত ধরে রেখেছিলেন দলের পরিস্থিতি। ফারহান ৪৫ বলে ৬৩ রান করে দলের মূল প্রাণশক্তি হয়ে ওঠেন, যেখানে ফখর জামান ১৬ বলে ২৫ রান করে স্বল্প সময়ের মধ্যে ফেরেন। পাকিস্তানের ওপেনার সাইম আইয়ুব ৭ রানে আউট হন, আর সালমান আলী আঘারাও সুবিধা করতে পারেননি। এরপর বাবর আজম ও ফারহান জুটি গড়ে দলের হয়ত কিছুটা স্বস্তি পান, তবে বাবর আবার সপ্তমের মতো খারাপ স্ট্রাইক রেট দিয়ে আউট হন।
অবশেষে, ১৬৪ রানের সংগ্রহ করে পাকিস্তান। তবে তাদের বোলিংয়ে চাপ এড়ানো যায়নি। ডওসন ৩ উইকেট নিতে সক্ষম হন, ও ওয়ারটন ও আর্চার প্রতিটি ২টি করে উইকেট শিকার করেন। আজকের এই ম্যাচে পাকিস্তানের ব্যর্থতা তাদের জন্য হতাশাজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি করল, যেখানে তারা টুর্নামেন্টের অন্য ম্যাচেও প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে।
