Author: bangladiganta

  • ‘জয়বাংলা’ স্লোগানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অফিসে পতাকা উত্তোলন

    ‘জয়বাংলা’ স্লোগানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অফিসে পতাকা উত্তোলন

    মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ঠিক উৎসবের সময় জামালপুরের বকশীগঞ্জে বগারচর ইউনিয়ন এলাকায় নাটকীয় ঘটনায় দেখা গেছে। সেখানে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা বিএনপি ও আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মী ‘জয়বাংলা’ স্লোগান দেয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে। তারা এই অনুষ্ঠানে ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করেন।

    শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে এই ঘটনা ঘটেছে দলীয় কার্যালয়ের সামনে, যেখানে তারা ‘জয়বাংলা’ স্লোগান দিয়ে পতাকা উত্তোলন করেন। এই সময় তারা ভাষা আন্দোলনে শহীদদের জন্য বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন। অভিযোগ উঠেছে, এই পতাকা উত্তোলন ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা তাদের নিষিদ্ধ হওয়ার পরও সক্রিয় নেতাদের সমর্থন ও নিষেধাজ্ঞাকে উপেক্ষা করে এই ঘটনা ঘটিয়েছেন।

    পতাকা উত্তোলনের সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ কাদির সাজু, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য রেজাউল করিম, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আইয়ুব আলী, তাঁতী লীগের যুগ্ম সম্পাদক রেজাউল, ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নিয়ামত উল্লাহসহ বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী।

    তবে পতাকা উত্তোলনের পরে নেতাকর্মীরা দ্রুত কার্যালয় থেকে সটকে যান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বগারচর ইউনিয়নে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য ও প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা মহল এই ঘটনার নিন্দা জানাচ্ছেন।

    বিশেষ করে, গণঅধিকার পরিষদের বকশিগঞ্জ উপজেলা শাখার আহ্বায়ক শাহরিয়ার আহমেদ সুমন তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘আজ ভোরে বগারচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা পতাকা উত্তোলন ও স্লোগান দিয়ে আনন্দ উদযাপন করে। এর জন্য দায়ী আওয়ামী রাঘববোয়ালদের বিচারে ব্যবস্থা নিতে হবে। বিগত এক বছরের বেশি সময় ধরে এইসব নেতাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি পুলিশ। তিনি আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই দোষীদের গ্রেফতার দাবি করেন। না হলে ছাত্রজনতা উপযুক্ত জবাব দেবে বলে হুঁশিয়ারি দেন।

    স্থানীয়দের মধ্যে এই ঘটনার প্রতি রীতিমতো তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বকশীগঞ্জ থানার ওসি মকবুল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে ও নেতাকর্মীরা পালিয়ে যায়। পুলিশের পক্ষ থেকে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান ওসি।

  • হৃদরোগে আক্রান্ত সেলিমা রহমান, হাসপাতালে ভর্তি

    হৃদরোগে আক্রান্ত সেলিমা রহমান, হাসপাতালে ভর্তি

    রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান। তিনি বর্তমানে হাসপাতালটির সিসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই খবর জানানো হয়েছে। ওই পোস্টে জানানো হয়েছে, সেলিমা রহমানের পরিবার এবং বিএনপির পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে তার দ্রুত আরোগ্যের জন্য দোয়া চাওয়া হয়েছে। সেলিমা রহমান ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে তৎকালীন বিএনপি সরকারে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। তিনি বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব এবং ভাইস-চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নানা অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে, এমনকি কয়েকবার কারাভোগও করতে হয়েছে তাকে।

  • আওয়ামী লীগ কার্যালয় খোলায় সরকারের অনুমতি নেই: মির্জা ফখরুল

    আওয়ামী লীগ কার্যালয় খোলায় সরকারের অনুমতি নেই: মির্জা ফখরুল

    দেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা বিএনপি নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্থানে দলীয় কার্যালয় খুলতে শুরু করেছেন। এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা আর সমালোচনা দেখা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্পষ্ট করেছেন, সরকারের সঙ্গে এই কার্যালয় খোলার কোনো অনুমোদন নেই। তিনি জানান, বিষয়টি সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ গুরুত্বের সঙ্গে দেখবে।

    সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই কথা বলেন তিনি। এর আগে ১২ ফেব্রুয়ারি, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর, তিনি প্রথমবারের মতো দলের কার্যালয় পরিদর্শনে যান।

    এ সময় মির্জা ফখরুল বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এই কার্যালয়েই তিনি প্রয়াত নেত্রীর সঙ্গে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি পালন করেছেন। তাঁর স্মৃতি স্মরণ করে দোয়া ও মাগফেরাত কামনা করেন।

    ফখরুল স্বীকার করেন, সরকার ইতিমধ্যে আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলায় অনুমতি দেয়নি, কারণ আইনগতভাবে দলের কার্যক্রম সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংশ্লিষ্ট বিভাগ এ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখবে।

    তিনি আরও বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের প্রতি জনগণের সমর্থন অব্যাহত রয়েছে। তিনি মনে করেন, তার নেতৃত্বে দেশ নতুন সমৃদ্ধির স্বপ্ন দেখছে এবং দল ও সরকার একসঙ্গে সুসংগঠিত ও সফল হবে।

    মির্জা ফখরুল গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে সাংবাদিকদের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং বলেন, এ ইতিহাসে লেখা থাকবে।

    নির্বাচন নিয়ে তিনি জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য মন্ত্রণালয়ের কিছু নিয়ম রয়েছে, সেগুলো শেষ হলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি, দলের সদস্য নারীদের মনোনয়নও দেওয়া হবে।

    এ সময় বিএনপি নেতা মুনির হোসেন ও মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খানসহ অন্যান্য আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • সারজিস আলমের নতুন দায়িত্ব: স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি বাড়ালেন

    সারজিস আলমের নতুন দায়িত্ব: স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি বাড়ালেন

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য নতুন একটি কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন দলের উত্তরাঞ্চলের প্রধান সংগঠক, সারজিস আলম। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি দ্রুত কার্যক্রম শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন।

    সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায়, এনসিপির দপ্তর সেল থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই কমিটির গঠনের বিষয়টি জানানো হয়। এতে বলা হয়, এনসিপির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম এবং সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশনায় ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটি’ গঠন করা হয়।

    অংশ হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন সদস্যসচিব হিসেবে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদ। এছাড়া অন্য সদস্যরা হলেন আরিফুল ইসলাম আদীব, আলাউদ্দীন মোহাম্মদ, তাহসীন রিয়াজ এবং অ্যাডভোকেট মনজিলা ঝুমা। সব বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদকগণ এক্স-অফিসিও হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এই কমিটিকে সার্বিক সহায়তা দেবেন, তা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

    দায়িত্ব গ্রহণের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে সারজিস আলম বলেছেন, “সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা, ইউনিয়ন—যাঁরা প্রার্থী হতে চান, প্রস্তুতি নিন। আমরা আসছি আপনার খোঁজে।” তিনি আরও জানান, এই কমিটির দ্রুত কার্যক্রম শুরু ও প্রার্থী সন্ধানের উদ্যোগ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতিকে ত্বরান্বিত করবে।

    এভাবে, দলের এই উদ্যোগ নির্বাচনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

  • স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একক ও জোটের প্রস্তুতি নিচ্ছে এনসিপি

    স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একক ও জোটের প্রস্তুতি নিচ্ছে এনসিপি

    স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এবার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটি এখনই ঘোষণা করছে যে, তারা বেশিরভাগ আসনেই এককভাবে প্রার্থী দিতে প্রস্তুত, তবে প্রয়োজন হলে তারা দেশের স্বার্থে অন্য দলগুলোর সাথে জোট গঠিত করে নির্বাচনে অংশ নেবে। সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে দলটির স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেন, দেশের ১২টি সিটি করপোরেশন, উপজেলা ও পৌরসভায় দলীয়ভাবে প্রাথমিক প্রার্থী ঘোষণা করা হবে। ঈদের পর নির্বাচন পরিচালনা কমিটি বিভিন্ন সাংগঠনিক অঞ্চলে গিয়ে সম্ভাব্য প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার ও যাচাই-বাছাই করবেন। বর্তমানে দলটি এককভাবে নির্বাচনে লড়াই করার প্রস্তুতি নিচ্ছে, তবে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে ১১ দলের জোট যদি একত্রে অংশ নেয়, তবে শেষ মুহূর্তে এই সিদ্ধান্ত বিবেচনা করা হতে পারে।

    সারজিস আলম বলেন, “আমরা আশা করছি যে, প্রত্যেক স্থানেই আমরা এইবার এককভাবে প্রার্থী দেব। এখনো পর্যন্ত আমাদের সিদ্ধান্ত হলো, আমরা এককভাবেই নির্বাচনে অংশ নেব। তবে শেষ মুহূর্তে যদি প্রয়োজন হয়, আমরা সবাইকে বসে বৃহৎ স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেব। আমাদের আশা, সাংগঠনিকভাবে কোনো সমস্যা হবে না।”

    অপরদিকে, দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বললেন, “এবার আইন অনুযায়ী দলীয় মনোনয়ন থাকবে না। সবাই ব্যক্তিগত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবে। এনসিপি তাদের নির্ধারিত প্রার্থীদের সাথে সাংগঠনিক সমন্বয় করবে, যেগুলো নির্বাচন পরিচালনা কমিটি নির্ধারণ করবে।”

    সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্র থেকে নিয়ে ওয়ার্ড পর্যায়ে নেতা-কর্মীদের স্থানীয় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিতে আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি, বিভিন্ন পেশাজীবী ও আগ্রহী ব্যক্তিরাও যোগাযোগ করতে বলা হয়।

    সারজিস আলম উল্লেখ করেন, দেশের সময়ের অভাব ও শেষ মুহূর্তের জোটগত সিদ্ধান্তের কারণে এনসিপি প্রাথমিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে পারেনি। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার আগেভাগেই সব ধরনের প্রস্তুতি শুরু করেছে।

    তথ্যপ্রবাহে, আসিফ মহম্মদ সজীব ভূঁইয়া ছয়টি সিটি করপোরেশনের মেয়াদোত্তীর্ণের বিষয়েও সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, প্রজ্ঞাপনে মেয়াদ উল্লেখ না থাকায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তিনি দাবি করেন, এই ১২টি সিটি করপোরেশনের মেয়াদই শেষ হয়ে গেছে এবং নির্বাচন আয়োজনের সময় পার হয়ে গেছে। তিনি দ্রুত সময়সূচি ঘোষণা করার দাবি জানান।

    সাম্প্রতিক পুলিশি অভিযানে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগের নিন্দাও প্রকাশ করেন এনসিপির নেতারা। তারা বলেন, যৌক্তিক দাবি ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংরক্ষিত সাংবিধানিক অধিকার। এগুলো হরণ হলে বিশৃঙ্খলা ও গণতন্ত্রের জন্য হুমকি দেখা দেবে।

    সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক, এবং নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ, আলাউদ্দিন মোহাম্মদ, তাহসীন রিয়াজ ও মঞ্জিলা ঝুমা।

  • অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ: সম্পূর্ণ নির্দেশনা ও ফল জানাের উপায়

    অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ: সম্পূর্ণ নির্দেশনা ও ফল জানাের উপায়

    অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের দীর্ঘ এক যুগ পর এই বার ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক oficialmente ফল ঘোষণা অনুষ্ঠানে ফলাফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ বছর পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ গ্রেডে মোট ৪৫ হাজার ২০০ শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছেন।

    শিক্ষার্থীরা এখন থেকে সহজে অনলাইনে বা মোবাইল মেসেজের মাধ্যমে ফল জানতে পারবে। শিক্ষা অধিদফতরের ওয়েবসাইটে গিয়ে ‘Scholarship Result’ অপশনে রোল নম্বর ও সাল ২০২৬ লিখে ফলাফল দেখা সম্ভব। এর পাশাপাশি মোবাইলে মেসেজ অপশনে গিয়ে বোর্ডের নাম, রোল নম্বর ও সাল লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠালে ফিরতি এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানা যাবে।

    ফল ঘোষণা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা-এর চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দকার এহসানুল কবির এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা।

    এ বছর সারা দেশে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। ঢাকা বোর্ডের মোট নিবন্ধিত শিক্ষার্থী ছিলেন ৮৭,৯৪৯ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ৮০,২১৮ জন, যা শতকরা ৯১.২ শতাংশ। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে সবাই পরীক্ষা দেয়নি, তবে মোট ৭৭,৯১৯ জন (৮৮.৬ শতাংশ) সকল বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।

    বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঢাকা বোর্ডে সর্বোচ্চ ১২.৬ শতাংশ পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন, এর পরে রাজশাহী, কুমিল্লা ও দিনাজপুর বোর্ডগুলো রয়েছে। আরও কিছু বোর্ড যেমন যশোর, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, সিলেট এবং বরিশালেও পরীক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। সর্বনিম্ন অংশগ্রহণ ছিল বরিশাল বোর্ডে যেখানে ৫.৯৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন।

    ফল জানা বা পরীক্ষা দেখার জন্য মোবাইল মেসেজ পাঠানোর পদ্ধতি খুবই সহজ। মোবাইলের মেসেজ অপশনে বোর্ডের নাম, রোল নম্বর ও সাল লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠিয়ে দিতে হবে। এছাড়া অনলাইনের মাধ্যমে ফল দেখা খুবই সুবিধাজনক। http://www.scholarship.gov.bd এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ‘Scholarship Result’ অপশনে রোল নম্বর ও সাল দিয়ে ফলাফল দেখা যাবে।

    শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই ফলাফল দেখে নিজেদের যোগ্যতা যাচাই করে নিজেদের সামনের পরিকল্পনা করতে হবে। পরীক্ষার ফলাফল ডাউনলোড বা প্রিন্ট করে রাখা উপকারী হবে। এই পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীরা দ্রুত ও সহজে তাদের বৃত্তি পেয়েছেন কি না তা নিশ্চিত করতে পারবে।

  • বরিশালে বিচারকের এজলাসে বিশৃঙ্খলা ও বিএনপিপন্থী আইনজীবীর গ্রেপ্তার

    বরিশালে বিচারকের এজলাসে বিশৃঙ্খলা ও বিএনপিপন্থী আইনজীবীর গ্রেপ্তার

    বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এস এম সাদিকুর রহমান লিংকনকে আদালত চত্বর থেকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর কোতোয়ালি থানা-পুলিশ। আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে তাঁর নিজ চেম্বার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। এরপর বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    গতকাল মঙ্গলবার, আওয়ামী লীগ নেতার জামিন মঞ্জুরের প্রতিবাদে আদালত বর্জনের সময় বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতে কিছু বিএনপিপন্থী আইনজীবী হামলায় লিপ্ত হন। ওই ঘটনায় আদালতের ভিডিও ফুটেজে আইনজীবী সমিতির সভাপতি লিংকনসহ আরও বেশ কয়েকজনকে দেখা গেছে ঐ সময়।

    জানা গেছে, এ ঘটনায় লিংকনকে আটক করা হলে আদালতের বিচারক এস এম শরিয়তুল্লাহ তাকে তাৎক্ষণিক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরপর পুলিশ তাকে আদালতের গারদখানায় রাখলে, সেখানে উপস্থিত বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা বিক্ষোভ শুরু করেন।বর্তমানে আদালত চত্বরের আশেপাশে বিশাল সংখ্যক সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আইনজীবীদের মধ্যে মনোমালিন্য ও ভাষ্য বিভেদের ঘটনাও ঘটছে।

    আদালতে বিক্ষোভরত বরিশাল জেলা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হাফিজ আহমেদ বাবলু বলেন, যেখানে বিস্ফোরক মামলায় মানুষজন জামিন নিচ্ছেন, সেখানে আওয়ামী লীগের নিরীহ নেতাদেরও নিম্ন আদালত থেকে জামিন দেওয়া হচ্ছে। এ নিয়ে আইনজীবীরা মঙ্গলবার থেকে আদালত বর্জন ও আন্দোলন শুরু করেন। এই ধারাবাহিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে আজও আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকনকে আটক করা হয়। তিনি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

    হাফিজ আহমেদ জানান, তিনি অবিলম্বে আদালতের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন বিচারকের অপসারণের দাবি জানান, যতদিন পর্যন্ত তিনি এই পদ থেকে সরিয়ে নেওয়া না হচ্ছে, তা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

    অপরদিকে, বর্তমান পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে জানিয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মানুন উল ইসলাম বলেন, আইনজীবী নেতাকে আদালত থেকে কারাগারে নেওয়ার প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে।

  • ডিএমপি কমিশনার সাজ্জাত আলী পদত্যাগ করেছেন

    ডিএমপি কমিশনার সাজ্জাত আলী পদত্যাগ করেছেন

    ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এর কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণ দেখিয়ে তার দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। পুলিশ মহাপরিদর্শক বদলের পরদিনই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিলেন। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে অব্যাহতির চিঠি স্বাক্ষর করে পুলিশ সদর দফতরে পাঠান তিনি। ডিএমপির মিডিয়া বিভাগের ডিডি মোহাম্মদ তালেবুর রহমান এই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    শেখ মো. সাজ্জাত আলী ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তার নাম ডিএমপি কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয়। ওই সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতির দুর্নিবার প্রভাবে পুলিশ বাহিনীকে পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে এই দায়িত্ব তাকে দেয়া হয়েছিল। যেহেতু তার কর্মকাল শেষের পরও দুই বছরের জন্য চুক্তিতে এই পদে বহাল ছিলেন তিনি।

    সাজ্জাত আলী ১৯৮৬ সালের ২১ জানুয়ারি সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর তিনি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উপ-পুলিশ কমিশনার) হিসেবে ঝিনাইদহ, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ও এসবির দায়িত্ব পালন করেন। ডিএমপির পক্ষে উপ-পুলিশ কমিশনার, পুলিশ সুপার হিসেবে নড়াইল, বাগেরহাট ও লক্ষ্মীপুর জেলায় বিভিন্ন দায়িত্বে থাকেন। খুলনা মহানগর পুলিশ কমিশনারের দায়িত্বও পালন করেছেন।

    ডিআইজি পদে উন্নীত হয়ে হাইওয়ে পুলিশ, চট্টগ্রাম রেঞ্জ, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ও ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজির দায়িত্ব সফলভাবে সম্পন্ন করেন। ২০১৬ সালের ৩ নভেম্বর তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হলে, তিনি পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে অবস্থান করছিলেন। এছাড়াও তিনি অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত পুলিশ সংস্কার কমিশনের সদস্য ছিলেন।

    সাজ্জাত আলী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণ করেন এবং দেশের বাইরে ও দেশে বিভিন্ন পেশাগত প্রশিক্ষণ নেন।

    ১৯৬১ সালের ২৫ মার্চ ঢাকা জেলার একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার পিতার নাম শেখ ওয়াজেদ আলী, মাতার নাম নুরজাহান বেগম। ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত, দুই মেয়ে ও এক ছেলের বাবা।

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে মোস্তাকুর রহমানের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি বর্তমান গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের পরিবর্তে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ লাভ করেছেন। আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    মোস্তাকুর রহমান এর আগে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) অতিরিক্ত পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত শনিবার (২৬ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি বিজ্ঞপ্তিতে তাকে পরিচালক পদে উন্নীত করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অফ অফসাইট সুপারভিশনে বদলি করা হয়।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের আদেশে বলা হয়েছে, এই নিয়োগ বাংলাদেশ ব্যাংকের ৯ম ও उससे উচ্চ গ্রেডের পদে প্রযোজ্য নীতিমালা ২০২২ অনুযায়ী শর্তসাপেক্ষে কার্যকর হবে।

    মোস্তাকুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগ থেকে বিবিএ ও এমবিএ সম্পন্ন করেছেন। ১৯৯৯ সালে সহকারী পরিচালক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগদান করেন। এর পরে তিনি ফরেক্স রিজার্ভ ও ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট, ফিনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও কাস্টমার সার্ভিস ডিপার্টমেন্টে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

    সর্বশেষ তিনি বিএফআইইউতে অতিরিক্ত পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মোস্তাকুর রহমানের বাড়ি খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার দেওয়াড়া গ্রামে। পারিবারিক জীবনে তিনি এক ছেলে ও এক কন্যার জনক।

  • পিলখানায় নিহত সেনাদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধা নিবেদন

    পিলখানায় নিহত সেনাদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধা নিবেদন

    বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বনানীর সামরিক কবরস্থানে দর্শনীয় এক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পিলখানায় নিহত সেনাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও গভীর সম্মান জানানো জন্য উপস্থিত ছিলেন। তারা এই দিনটি স্মরণ করে শহীদ সেনাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    এর আগে, প্রধানমন্ত্রী এক বাণীতে বলেন, নাগরিক হিসেবে এই ট্রাজেডির সঙ্গে সবাইকে সচেতন ও অবগত থাকতে হবে। তার মতে, পিলখানার হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখন সবাই জানতে পারছে এবং এটি ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ উপলব্ধির বিষয়। তিনি আরও বলেন, ২০০৯ সালে এই ভয়াল ঘটনার পর থেকে দেশের জনগণ অনেক কিছু উপলব্ধি করেছে এবং তারা শেকড়ের মধ্যে নিরাপত্তা ও স্বাধিকার রক্ষা করার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

    প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে যারা এমন কর্মকাণ্ড চালায়, তাদের জন্য সমুচিত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। তিনি আরও বলেন, সেনাবাহিনী দেশের গৌরব, স্বাধীনতা ও মর্যাদার প্রতীক, এবং ভবিষ্যতেও এ গৌরব অক্ষুণ্ণ রাখতে দেশের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করতে হবে। দেশের স্বার্থে কোনও ষড়যন্ত্র বা বিদ্রোহ মোকাবিলার জন্য আমাদের সকলের একসঙ্গে কাজ করতে হবে, এটাই শহীদ সেনা দিবসের মূল শিক্ষা।

    ১৭ বছর আগে ২০০৯ সালের এই দিনে তৎকালীন বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিডিআর), বর্তমানে বিজিবির সদর দপ্তর ঢাকার পিলখানা ভবনে ভয়াবহ বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় বিপুল সংখ্যক সেনা কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিহত হন। এর মধ্যে ছিলেন তৎকালীন বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদসহ মোট ৭৪ জন।

    আজ এই দিনটি ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে, যা গত বছর থেকে নিয়মিত পালন শুরু হয়েছে। এই দিনের মাধ্যমে শহীদ সেনাদের স্মরণ, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও দোয়া আদায় করা হয়। দেশের স্বাধিকার ও নিরাপত্তার জন্য যারা জীবন হারিয়েছেন, তাদের প্রতি সম্মান জানানো ও স্মরণ করার মাধ্যমে আমাদের দায়িত্ব ও গৌরবের গভীর অনুভব প্রকাশিত হয়।