Author: bangladiganta

  • ক্ষমতায় এলে ব্যবসায়ীদের সমস্যা সমাধানে প্রতিশ্রুতি তারেক রহমানের

    ক্ষমতায় এলে ব্যবসায়ীদের সমস্যা সমাধানে প্রতিশ্রুতি তারেক রহমানের

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে প্রায় আড়াই ঘণ্টার একটি বৈঠক হয়েছে ব্যবসায়ীদের সাথে। এই বৈঠকে তারা দেশের বিভিন্ন ব্যবসায়িক সমস্যা তুলে ধরেন, যেমন ব্যবসার প্রতিবন্ধকতা, চাঁদাবাজি, ব্যাংকের উঁচু সুদ, আমলাতান্ত্রিক হয়রানি এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি। তারেক রহমান তাদের বিষয়গুলো শুনে আশ্বাস দেন যে, যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসে, তাহলে এসব সমস্যার দ্রুত সমাধান করা হবে।

    রোববার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই বৈঠক শুরু হয় এবং রাত সাড়ে ৯টায় শেষ হয়। বৈঠকের শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন সেক্টরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা তাদের কাছে যা সমস্যা রয়েছে তা তুলে ধরেন, যা শুনে তারেক রহমান আন্তরিকভাবে মনোযোগ দেন এবং আশ্বাস দেন যে, দেশের জনগণের ভোটে বিএনপি ক্ষমতায় এলে ব্যবসা বাণিজ্যের সমস্যা পুরোপুরি সমাধানে চেষ্টা করবেন।

    তিনি আরও বলেন, দেশের ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হয়ে থাকেন, যার কারণ হলো চাঁদাবাজি, ব্যাংকের উঁচু সুদ, আমলাতান্ত্রিক হয়রানি ও নানা ধরনের দুর্নীতি। এর ফলে ব্যবসার খরচ বেড়ে যাচ্ছে এবং বিনিয়োগরহণে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিতে বিদেশিরা বাংলাদেশের বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হচ্ছে না। তাই তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে এই সব সমস্যার সমাধান হবে।

    বৈঠকে উপস্থিত ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধিরা জানায়, তারা দেশের অর্থনীতি এবং বেকারত্ব কমানোর জন্য অবিলম্বে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি মনে করেন। বিএনপির নেতা এবং অর্থনীতিবিদরা এই আলোচনা দেখেছেন এবং ভবিষ্যতে এর বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

    আনোয়ারুল উল আলম চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশে অর্থনীতি স্থির করতেই হলে ব্যবসায়ীদের সাথে নিয়ে কাজ করতে হবে। তিনি emphasized করেন, দেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো কর্মসংস্থান সৃষ্টি। তিনি বলেন, বর্তমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলো কিভাবে পুনরুজ্জীবিত করা যায়, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, যেকোনো সরকার এলে তাদের দায়িত্ব নিয়ে অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে হবে। ব্যবসায়ীদের সাথে একমত হয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, বিএনপি যদি ক্ষমতা ফিরে পায়, তারা রাজনৈতিক স্বচ্ছতা বজায় রেখে ব্যবসার জন্য একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরি করবে।

    অন্যদিকে, ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, এই পরিকল্পনাগুলো সত্যিই ইতিবাচক। তারা প্রত্যাশা করেন, নতুন সরকার ব্যবসার জন্য কর ও ব্যয় কমানোর নীতি গঠন করবে, স্টক মার্কেট উন্নত করবে এবং ব্যাংকের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আনবে। বিশেষ করে, দেশের আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নের উপর গুরুত্ব দেন। তারা বলেন, মব কালচার থেকে মুক্তি পেতে হবে, অন্যথায় ব্যবসা চালানো অনেক কঠিন হয়ে পড়বে।

    সবশেষে, মীর নাসির হোসেন মন্তব্য করেন যে, তারেক রহমানের দেহভঙ্গি এবং মনোভাব দেখে মনে হয়েছে তিনি আন্তরিক। তিনি উল্লেখ করেন, যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসে, তাহলে দেশের উন্নয়নের জন্য তাদের সঙ্গে কাজ করার জন্য দৃঢ় প্রতিশ্রুতি দেন।

  • একাত্তরকে বাদ দিলে বাংলাদেশের অস্তিত্ব থাকবে না: তারেক রহমান

    একাত্তরকে বাদ দিলে বাংলাদেশের অস্তিত্ব থাকবে না: তারেক রহমান

    বাংলাদেশের স্থায়িত্ব ও স্বত্ত্বের জন্য মুক্তিযুদ্ধই মূল ভিত্তি—এ কথা আবারও দৃঢ়ভাবে বলেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি উল্লেখ করেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ছাড়া দেশের অস্তিত্ব কল্পনা করাও দুষ্কর। সাম্প্রতিক সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে যে নতুন বাস্তবতা ও সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে, তা কাজে লাগিয়ে সরকার ও বিরোধী দলসহ সবাইকে একসঙ্গে দেশের উন্নয়নের জন্য এগিয়ে আসতে হবে বলে তিনি আহ্বান জানান।

    আজ সোমবার দুপুরে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিগত বাম দলগুলোর সঙ্গে গঠিত গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন তিনি। এই বৈঠকে নেতারা বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানান এবং দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেন।

    তারেক রহমান বলেন, “মুক্তিযুদ্ধই আমাদের মূল ভিত্তি। একাত্তরকে বাদ দিলে দেশের অস্তিত্ব থাকবে না।” তিনি গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা ও জাতীয় ঐক্যের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান সুযোগগুলোকে কাজে লাগিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।

    বৈঠকে বাম দলগুলোর নেতারা বলেন, একাত্তরের স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি যেন আর কখনও বাংলাদেশে ক্ষমতা লাভের সুযোগ না পায়, সেজন্য সবাইকে সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয়। তারা মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনা বাস্তবায়নের জন্য রাজনৈতিক ঐক্যের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

    এদিকে, বিএনপি চেয়ারপার্সন ও তারেক রহমান দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দিকে নজর দিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি আরও বলেন, একটি সুষ্ঠু, অবাধ এবং গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের জন্য সরকারকে সক্ষমতা অর্জন করতে হবে, যাতে দেশের জনগণ বিশ্বাসের সঙ্গে নির্বাচন উপভোগ করতে পারে।

  • ঢাবি শিবিরের নতুন সভাপতি মহিউদ্দিন, সেক্রেটারি আশিক

    ঢাবি শিবিরের নতুন সভাপতি মহিউদ্দিন, সেক্রেটারি আশিক

    ২০২৬ সালের জন্য বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নতুন সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মুহা. মহিউদ্দিন। এর পাশাপাশি, শাখার নতুন সেক্রেটারি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন আশিকুর রহমান (কাজী আশিক), এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নিযুক্ত হলেন মু. সাজ্জাদ হোসাইন খাঁন।

    সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকাল ৮টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্যদের উপস্থিতিতে শহীদ মাহবুবুর রহমান অডিটোরিয়ামে একটি বৃহৎ সদস্য সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এই সমাবেশের আয়োজন কেন্দ্রীয় এইচআরএম সম্পাদক সাইদুল ইসলামের সঞ্চালনায় হয়, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক সাদিক কায়েম।

    এ সময় কেন্দ্রীয় সভাপতির স্বাক্ষরিত ভোটের ব্যালটের মাধ্যমে সদস্যরা ভোট প্রদান করেন। ভোট গণনার পরে, কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ঘোষণা করেন যে, শেখ মহিউদ্দিন খান সর্বাধিক ভোট পেয়েছেন এবং তাঁর নামই নতুন সভাপতি হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন। পরবর্তীতে, নবনির্বাচিত সভাপতি মহিউদ্দিন খান শপথ গ্রহণ করেন।

    নির্বাচনের পরামর্শে, নতুন সভাপতি আশিকুর রহমানকে শাখার সেক্রেটারি এবং মু. সাজ্জাদ হোসাইন খাঁনকে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে মনোনীত করা হয়। সকলের মধ্যে এই নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে উৎসাহ ও উচ্ছ্বাস দেখা যায়।

    শেষে, দোয়া ও মুনাজাতের মাধ্যমে এই সদস্য সমাবেশ সমাপ্ত হয়, যেখানে সবাই সুস্থ, সুন্দর ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের জন্য প্রার্থনা করেন।

  • গভীর সমুদ্রে গবেষণা বৃদ্ধি ও সমস্যা সমাধানে গুরুত্ব দিচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

    গভীর সমুদ্রে গবেষণা বৃদ্ধি ও সমস্যা সমাধানে গুরুত্ব দিচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

    বঙ্গোপসাগরের গভীর তলদেশে প্লাস্টিকের উপস্থিতি ও জেলিফিশের অস্বাভাবিক আধিক্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সমুদ্রভাগের এলাকাগুলো যেখানে স্থলভাগের সমান আকারের, সেখানে এই সমৃদ্ধ সম্পদগুলো পুরোপুরি ব্যবহার করতে পারছি না। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ ও ইকোসিস্টেম-সংক্রান্ত এক গবেষণা প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন। এই গবেষণা জরিপ ও প্রতিবেদনটি ‘আরভি ডক্টর ফ্রিডজফ ন্যানসেন’ নামে গবেষণা জাহাজের মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে। মূল উদ্দেশ্য ছিল বঙ্গোপসাগরের গভীর জলাশয়ে অবস্থিত জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশগত পরিস্থিতি যাচাই। এই প্রকল্পের অংশ হিসেবে গত বছর ২১ আগস্ট থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আটটি দেশের ২৫ জন বিজ্ঞানী অংশগ্রহণ করেন, যার মধ্যে ১৩ জন বাংলাদেশি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেসের অধ্যাপক সায়েদুর রহমান চৌধুরী বৈঠকে গবেষণার মূল ফলাফল উপস্থাপন করেন। তিনি জানায়, গবেষণায় ৬৫টি নতুন জলজ প্রজাতির অস্তিত্ব শনাক্ত হয়েছে, তবে সমুদ্রের পরিবেশে ভারসাম্যহীনতা স্পষ্ট। অধ্যাপক সায়েদুর বলেন, ‘বাংলাদেশের গভীর সমুদ্রে জেলিফিশের আধিক্য খুবই বেড়ে গেছে, যা পরিবেশের অস্থিতিশীলতার লক্ষণ। ওভারফিশিংয়ের কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি, দুই হাজার মিটার গভীরতায়ও প্লাস্টিকের উপস্থিতি দেখা গেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ২০১৮ সালের গবেষণার তুলনায় দেখেছে, বড় মাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে এবং কাছাকাছি দেখতে মাছের পরিমাণ হ্রাস পেয়েছে। বৈঠকে জানানো হয়, গভীর সমুদ্রে ২৭০ থেকে ২৮০টি ট্রলার মাছ শিকার করছে, এর মধ্যে ৭০টি ট্রলার ‘সোনার’ প্রযুক্তি ব্যবহার করে ‘টার্গেটেড ফিশিং’ চালাচ্ছে। এই পদ্ধতিটি অত্যন্ত আগ্রাসী, যা বড় মাছ ধরা হলেও ক্ষুদ্র জেলেদের জন্য ক্ষতি। এ ব্যাপারে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, ‘এ ধরনের টার্গেটেড ফিশিংয়ে বঙ্গোপসাগর মাছশূন্য হতে পারে। সরকার এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।’ অন্যদিকে, গবেষণায় টুনা মাছের অগ্রগতি ও সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো, সুন্দরবনের নিচে একটি ‘ফিশিং নার্সারি’ আবিষ্কৃত হয়েছে, যা সংরক্ষণের জন্য সরকার নির্দেশ দিয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সামুদ্রিক সম্পদকে সম্পূর্ণভাবে কাজে লাগাতে পর্যাপ্ত গবেষণা ও নীতি প্রণয়নের প্রয়োজন। বৈঠকে আরো জানানো হয়, যুক্তরাজ্যের ‘রয়েল নেভি’ এর বহুমুখী সার্ভে ভেসেল ‘এইচএমএস এন্টারপ্রাইজ’ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন, যা সমুদ্র গবেষণায় শক্তি বাড়াবে। তিনি জাপান, ইন্দোনেশিয়া ও মালদ্বীপের সঙ্গে যৌথ গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতাই অর্থনীতির নতুন দিগন্ত উন্মোচনে সক্ষম। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেস্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী ও মৎস্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন।

  • ওবায়দুল কাদেরসহ ১৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি

    ওবায়দুল কাদেরসহ ১৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি

    ঢাকার একটি আদালত সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ১৪ জনের দেশত্যাগের ওপর নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছেন। এই নির্দেশ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ দুদকের আবেদন মঞ্জুরের পরিপ্রেক্ষিতে প্রদান করা হয়।

    নিষেধাজ্ঞার তালিকায় আরও রয়েছেন সেতু বিভাগের সাবেক সিনিয়র সচিব খান্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সাবেক সচিব নজরুল ইসলাম, জননিরাপত্তা বিভাগের সাবেক সচিব কামাল উদ্দীন আহমদ, সাবেক বিদ্যুৎ সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব আবদুল জলিল, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব ড. জাফর আহমেদ খান, সাবেক সিএএজি ও সোনালী ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, সংসদ বিষয়ক বিভাগের সাবেক সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হক, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য সমন্বয়ক জুয়েনা আজিজ, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মোফাজ্জেল হোসেন, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সাবেক সিনিয়র সচিব কাজী শফিকুল আযম, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব আখতার হোসেন ভূইয়া এবং জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সাবেক সচিব ও এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।

    আদালত সূত্র জানায়, মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ওবায়দুল কাদেরসহ অন্য আসামিরা বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সভায় উপস্থিত থেকে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি পরিপন্থীভাবে একটি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করেন। তারা স্বার্থসংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলো থেকে অবৈধভাবে লাভবান হওয়ার জন্য প্রতারণামূলকভাবে জমি ও ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন করেন। তাদের এসব কর্মকাণ্ডে সরকারি নীতিমালা ভঙ্গ হয় এবং ফ্ল্যাট বরাদ্দের জন্য প্রয়োজনীয় গেজেট প্রকাশ না করেই বরাদ্দ সম্পন্ন করা হয়। পশ্চিমে এ বিষয়ে মামলা দায়ের করা হয়, যা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

    তদন্তকালে জানা যায়, আসামিরা সপরিবারে দেশত্যাগের পরিকল্পনা করছেন এবং বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন। যদি তারা দেশের বাইরে চলে যান, তবে তদন্ত কার্যক্রম দীর্ঘায়িত বা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই তাদের দেশে থাকতেই দেশের নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

  • নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছে বলে অভিযোগ

    নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছে বলে অভিযোগ

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের অভিযোগ তুলেছেন ছাত্রশক্তি সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান প্যানেলের ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রার্থী কিশোর সাম্য। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন নিঃসন্দেহে পক্ষপাতদুষ্টভাবে কাজ করছে। শিক্ষকদের কিছু অংশ ছাত্রদলের পক্ষে অপর অন্য অংশ জামায়াতের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। ভোটারদের হাতে দেওয়া কালি কিছু সময় পর রোদের কারণে উঠে যাচ্ছে, যা ভোটের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন সৃষ্টি করছে। এই পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত অভিযোগ করেন।

    অন্যদিকে, এই প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থী ফয়সল মুরাদ বলেন, নির্বাচনে বিভিন্ন অনিয়ম দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে, ভোটের দিন পোলিং এজেন্টরা নিজ নিজ বুথ থেকে ভোটার স্লিপ বিতরণ করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের সময় নিয়ম পরিবর্তন করা হলে কি নিয়ম প্রতি মিনিটে মিনিটে বদলানো হবে? যদি এর অনুমোদন দেওয়া হতো, তাহলে আমরাও স্লিপ বিতরণ করতাম। কিন্তু আমাদের সেটি করতে দেয়া হয়নি, যা থেকেই বোঝা যায় আগে থেকেই স্লিপ প্রস্তুত করে রাখা হয়েছিল।

    বক্তা আরও জানান, প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে দুটি শক্তিশালী বলয় কাজ করছে। এক সংখ্যালঘু বলয় ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলকে সুবিধা দিচ্ছে, অন্যটি ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলকেও সুবিধা দিচ্ছে। এই বলয়গুলির কারণে নিয়মবলি লঙ্ঘন এবং নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। তারা চান একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন বারবার তাদের হতাশ করছে।

    উল্লেখ্য, এই নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে সকাল ৯টায় এবং চলবে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত।

  • ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বিবাদ আর অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে খারাপ প্রভাব নয়: অর্থমন্ত্রীর উপদেষ্টা

    ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বিবাদ আর অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে খারাপ প্রভাব নয়: অর্থমন্ত্রীর উপদেষ্টা

    ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনা রাজনৈতিক ইস্যু হিসেবে দেখা হচ্ছে, এ বিষয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, মোস্তাফিজের ঘটনা শুরু হয়নি বাংলাদেশ থেকে। এটি দুঃখজনক এবং দুই দেশের জন্যই খারাপ কিছু হয়েছে, কিন্তু ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের কারণে দেশের অর্থনীতি বা ব্যবসা-বাণিজ্যে কোনো প্রভাব পড়বে না। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কোনো নেতিবাচক প্রভাব দেখা যায়নি বলে তিনি জানান।

    মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে তিনি এই মন্তব্য করেন। সাংবাদিকরা জানতে চান, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টার মধ্যেই আইপিএল থেকে মোস্তাফিজের বাদ যাওয়া এবং বাংলাদেশের সম্প্রচার বন্ধের ঘটনা কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। তবে তিনি স্পষ্ট করেন, এই ঘটনাগুলোর কোনও অর্থনৈতিক প্রভাব পড়েনি। তিনি বললেন, ‘আজকের বৈঠকে স্পোর্টস বা এই বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।’ এর ফলে তিনি নিশ্চিত করেন, এই পরিস্থিতির অর্থনৈতিক দিক থেকে ক্ষতি হয়নি।

    সাংবাদিকদের অন্য প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘না, আমি মনে করি না যে কোনও প্রভাব পড়েছে। আমাদের অর্থনীতির জন্য যা দরকার, যথাযথভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং এতে কোনও বাধা আসবে না।’

    অর্থনৈতিক বিষয়ের বাইরে এটি পারস্পরিক সম্পর্কের বিষয়ও, এ বিষয়ে যখন প্রশ্ন করা হয়, তিনি জানান, ‘পারস্পরিক সম্পর্কের বিস্তারিত আমি বলতে পারছি না। ফ্রেন্ডলি অ্যাডভাইজার বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করতে পারেন।’

    সাংবাদিকরা জানতে চান, ভারতের প্রতিবেশী হিসেবে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য কাজ করছে বাংলাদেশের সরকার। তবে নির্বাচনের দুই মাস আগে এই ঘটনাটা কি রাজনৈতিক, এই প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘প্রেক্ষিতটা দেখুন, শুরুটা বাংলাদেশ থেকে হয়নি। এটা আপনি স্বীকার করবেন।’ মোস্তাফিজকে চুক্তিতে নেওয়ার পেছনে তদন্তের বিষয়টি তিনি উল্লেখ করেন যে, ‘ওকে দয়া বা দাক্ষিণ্য দিয়ে নেওয়া হয়নি। তারা এটা হঠাৎ বন্ধ করে দিতে পারে না। এই ঘটনাও খুব দুঃখজনক, দুই দেশের জন্যই ভালো হয়নি।’

    একই সময়ে তিনি মন্তব্য করেন, এমন পরিস্থিতি আর হবে না। হিটলার নিয়ে হওয়া অলিম্পিকের উদাহরণের মাধ্যমে বোঝাতে চান, ‘সামান্য ইমোশনের জন্য মানুষ কাজ করেন। তবে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিবেচনা করে সমাধান হবে। আমরা চাই না, আমাদের সম্পর্ক যেন রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক বাধার কবলে না পড়ে।’

    অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এনবিআর দুই ভাগ করার পরিকল্পনা সফল হয়নি, এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সেটা হয়নি। তবে আশা করছি, ফেব্রুয়ারি ১২ তারিখের মধ্যে সব কিছু সম্পন্ন হবে। ফরমালিটিগুলো শেষ হয়ছে, ছোটোখাটো কিছু বিষয় রয়েছে, হবে।’ এই জন্য তিনি আস্থায় থাকছেন যে অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনেই এই কাজ শেষ হবে।

  • শাহবাগ থেকে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ শুরু

    শাহবাগ থেকে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ শুরু

    শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যার বিচারসহ ইনকিলাব মঞ্চের চার দফা দাবির সমর্থনে শাহবাগ থেকে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ নামে এক শান্তিপূর্ণ পথযাত্রা শুরু হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে নেতাকর্মীরা তাদের একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ দাবি সামনে আনছেন।

    মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে শাহবাগের হাদি চত্বর থেকে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। পরবর্তীতে এটি সায়েন্সল্যাব, সিটি কলেজ, মোহাম্মদপুর, তিন রাস্তার মোড়, রায়েরবাজার-বধ্যভূমি, মিরপুর ১০, উত্তরা, বসুন্ধরা, বাড্ডা, রামপুরা, যাত্রাবাড়ী আলোর পথে যাত্রা করে, আর শেষ হবে শাহবাগের হাদি চত্বরে এসে।

    কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা বিভিন্ন পিকআপে করে ব্যাপক সংখ্যায় অংশগ্রহণ করেন। তারা সরকারের নীরবতা ও অবহেলার কারণে দ্রুত হত্যার বিচার অনিবার্য বলে দাবি করেন। দাবি সমর্থনে তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন, যেখানে মুখ্য ছিল— ‘হাদির ভাইয়ের রক্ত, বৃথা যেতে দেবো না’; ‘রক্তের বন্যায়, ভেসে যাবে অন্যায়’; ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাইরে’; ‘লাল সবুজের পতাকা, ইনকিলাবের পতাকায়, হাদি তোমায় দেখা যায়’; ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা।’

    অংশগ্রহণকারীরা এই কর্মসূচির মাধ্যমে স্পষ্ট করেছেন, দেশের আইনি কার্যক্রমে নিহতের প্রতিকার ও ন্যায্য বিচারের জন্য তারা সোচ্চার।

    ইনকিলাব মঞ্চের চার দফা দাবি হলো:
    1. হত্যাকারী, হত্যার পরিকল্পনাকারী, সহায়তাকারী ও তাদের আশ্রয়দাতাদের দ্রুত বিচার সুনিশ্চিত করতে ২৪ দিনের মধ্যে তদন্ত ও বিচার সম্পন্ন করতে হবে।
    2. বাংলাদেশে অবস্থানরত সব ভারতীয়দের ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করতে হবে।
    3. ভারতের পক্ষ থেকে আশ্রিত খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে জোর দাবি জানিয়ে, না করলে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলাসহ কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
    4. সিভিল, মিলিটারি ও ইন্টেলিজেন্স সংস্থাগুলোর মধ্যে থাকা ফ্যাসিস্ট দোসরদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার ও বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

  • নতুন বছরে শাকিব খানের চারটি সিনেমা মুক্তি পেতে পারে

    নতুন বছরে শাকিব খানের চারটি সিনেমা মুক্তি পেতে পারে

    প্রভাবশালী অভিনেতা শাকিব খান এবার নতুন বছরের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন চারটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল সিনেমা নিয়ে। তার অতীতের অন্যতম সফল সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘তুফান’, ‘বরবাদ’ এবং ‘তাণ্ডব’, যেগুলো বক্স অফিসে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং তাকে বাংলা সিনেমার অন্যতম শীর্ষ অভিনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এই ধারাবাহিক সাফল্য ধরে রাখতে শাকিব নতুন বছরে চারটি বড় বাজেটের সিনেমা নিয়ে হাজির হচ্ছেন।

    মাস দুয়েক আগে শুরু হয়েছে তার অন্যতম নতুন সিনেমা ‘সোলজার’ এর শুটিং, যা মুক্তির প্রতীক্ষায় রয়েছে। এই ছবিটি দিগন্ত ফাহাদ পরিচালনা করছেন এবং ডিসেম্বরের মধ্যে মুক্তি পাওয়ার পরিকল্পনা ছিল, যদিও বর্তমানে এটি কিছুটা পিছিয়ে গেছে। বাংলাদেশ অংশের শুটিং ইতোমধ্যে সমাপ্ত হয়েছে। এছাড়া, শাকিবের অন্য দুটি সিনেমা—‘সোলজার’ ও ‘প্রিন্স’— তৈরির কার্যক্রম তুঙ্গে। ‘প্রিন্স’ সিনেমার প্রি-প্রোডাকশনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে নির্মাতা আবু হায়াত মাহমুদ। এই ছবিতে শাকিবের সহশিল্পী হিসেবে অভিনয় করবেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ।

    এদিকে, চলতি বছরের ঈদুল আজহায় নির্মাতা রায়হান রাফী ও শাকিব খানের জুটিতে একমাত্র সিনেমা দেখার সুযোগ পাবেন দর্শকরা। রায়হান রাফী সম্প্রতি ঘোষণা করেছেন, ২০২৬ সালেও তিনি শাকিব খানের সঙ্গে বড় পর্দায় ফিরবেন। যদিও সিনেমার নাম এখনও প্রকাশ হয়নি, তবে গুঞ্জন রয়েছে যে, এই সিনেমাটি ঈদুল আজহায় মুক্তি পেতে পারে।

    অন্য একটি সিনেমার ব্যাপারে এখনও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি, কারণ এটি চলতি বছরের মাঝামাঝি শুরু হওয়া একটি নাট্য পরিচালকের সিনেমা। তবে পরিচালক এই বিষয়ে এখনই কোন মন্তব্য করতে রাজি নন।

    গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশের সিনেমা হলগুলোর প্রাণশক্তি হয়ে উঠেছেন শাকিব খান। তার সিনেমা মুক্তির পর হলে দর্শকের উপস্থিতি আবার বেড়ে যায়, যা সিনেমার ব্যবসাকে সতেজ করে তোলে। প্রযোজকরা এই অভিনেতার ওপর ভরসা রেখে থাকেন, কারণ তিনি চমৎকারভাবে লগ্নি ঘুরিয়ে আনতে সক্ষম। এর মাধ্যমে বোঝাযায়, শাকিব খানের প্রভাব বাংলাদেশি সিনেমার ব্যবসায় অটুট থাকছে এবং নতুন বছরের জন্য তিনি আরও বেশি বড় ও আকর্ষণীয় সিনেমা নিয়ে উপস্থিত হবেন।

  • পশ্চিমবঙ্গে গাইতে এসে মবের শিকার বলিউডের দুই শিল্পী

    পশ্চিমবঙ্গে গাইতে এসে মবের শিকার বলিউডের দুই শিল্পী

    পশ্চিমবঙ্গের বালুরঘাটে বর্ষবরণের রাতে ঘটে যাওয়া একটি দুঃখজনক ঘটনা বেশ Upload হয়ে উঠেছে। বলিউডের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জুটি সাচেত ট্যান্ডন ও পরম্পরা ঠাকুর ওই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গিয়ে উত্তেজনাকর ও অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির শিকার হন। এই দুই শিল্পীকে উল্লাসের বদলে আতঙ্কে পরিণত করে অপ্রীতিকর এক হামলা। ভক্তদের উচ্ছ্বাসের চাপে পরিস্থিতি এক পর্যায়ে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে, যেখানে উন্মত্ত জনতা তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা তাদের বহনকারী গাড়িসহ অন্যান্য জিনিসপত্র ভাঙচুর করে। এর ফলে শিল্পীরা প্রাণে বাঁচলেও, তাদের গাড়িটি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    নতুন বছর বরণ করতে বালুরঘাটে এক বিশাল জমকালো কনসার্টে অংশ নেন সাচেত ও পরম্পরা। অনুষ্ঠান শেষ করে ফেরার পথে তারা একদম ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যান। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, শত শত উন্মত্ত জনতা তাদের গাড়ির চারপাশে ঘেরাও করে রেখেছে। জনতার মানসিকতা এতটাই ভয়াবহ হয়ে ওঠে যে, তারা চলন্ত গাড়ির ওপর কিল-ঘুষি মারতে শুরু করে। বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, তারই মধ্যে গাড়ির পেছনের কাচ ভেঙে গুঁড়িয়ে যায়। এ সময় সাচেত এসে উৎকণ্ঠিতভাবে “ওহ শিট” বলতে শোনা যায়। পাশে থাকা পরম্পরা হতভম্ব হয়ে জনতাকে শান্ত করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছেন, “গাইজ রিল্যাক্স, শান্ত থাকো।” কিন্তু, কোনোভাবেই নারকীয় এ হামলা থেকে তাদের রক্ষা পাওয়া সম্ভব হয়নি।

    এই হঠাৎ ঘটে যাওয়া হামলার বিষয়ে শিল্পী জুটি থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি বা অভিযোগ মেলেনি। তবে, তারা নিজেরা সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    এই ঘটনার ভিডিও প্রকাশিত হওয়ার পর স্থানীয় নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় বইতে শুরু করে। অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, পশ্চিমবঙ্গে বলিউডের তারকাদের ওপর এমন হামলা দেশের আইনশৃঙ্খলাকে প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছে। এর পাশাপাশি, ভারতের নানা প্রান্তে সম্প্রতি তারকাদের বিরুদ্ধে ‘মব কালচার’ তথা উন্মত্ত জনতার আক্রমণের ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। উল্লেখ্য, এর আগেও কয়েকদিন আগে কৈলাস খেরের কনসার্টেও একই ধরনের অঘটন ঘটে, যেখানে মাঝপথে অনুষ্ঠান বন্ধ করে শিল্পী মঞ্চ ত্যাগ করেন। এই সব ঘটনা স্পষ্ট করে দিচ্ছে দেশের সংগীতপ্রেমীদের নিরাপত্তা ও আইনের কঠোরতাকার দিকে নজর দেওয়া জরুরি।