Author: bangladiganta

  • ভোটের বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনা এবারের প্রধান চ্যালেঞ্জ: ইসি সানাউল্লাহ

    ভোটের বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনা এবারের প্রধান চ্যালেঞ্জ: ইসি সানাউল্লাহ

    নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ মন্তব্য করেছেন, ভোটের বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনা এই সময়ের सबसे বড় পরীক্ষা। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্নবিদ্ধ হওয়া নির্বাচনি ব্যবস্থা আবার গ্রহণযোগ্য করে তুলতে হবে। এ জন্য ন্যূনতম সংস্কার এবং কার্যকর ব্যবস্থা অনুসরণ করে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেবে নির্বাচন কমিশন।

    বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনজিও ব্যুরো কার্যালয়ে ৮১টি সংস্থার উদ্যোগে ‘অ্যলাইন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি: এএফইডি’ প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

    নির্বাচনি ব্যবস্থার অবস্থা ও সংস্কার প্রসঙ্গে বলেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনকে আমি যদি রূপকভাবে বলি—এটা অনেকটা লাইনচ্যুত একটি ট্রেনকে আবার ট্রাকে ফিরিয়ে আনার মতো। এটি দরকার ন্যূনতম মেরামত ও কিছু যন্ত্রাংশ বদল। এভাবেই গতি ফিরিয়ে আনা সম্ভব। যদি এই কাজগুলো সফলভাবে সম্পন্ন হয়, সেটিই প্রধান সাফল্য হবে।

    ইসি সানাউল্লাহ আরও বলেন, পর্যবেক্ষকদের অপব্যবহার বন্ধ করতে হবে। তারা তৃতীয় নজর। তাদের পর্যবেক্ষণ মানসম্মত হওয়া আবশ্যক। মৌলিক বিষয়াদি যেন বিঘ্নিত না হয়, সেজন্য সংশ্লিষ্ট নীতিমালা অনুসরণ করে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে।

    তিনি জানান, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে সকল ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এ অনুষ্ঠানে ডেমোক্রেসি ওয়াচের চেয়ারম্যান তালেয়া রহমান, খান ফাউন্ডেশন এর কো-চেয়ার রোকসানা খন্দকারসহ সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা, দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • হাদি হত্যা: আসামি ফয়সালের ৬৫ লাখ টাকা ব্যাংক ফ্রিজ

    হাদি হত্যা: আসামি ফয়সালের ৬৫ লাখ টাকা ব্যাংক ফ্রিজ

    ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র, হাদিকে গুলি করে হত্যার মামলায় অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের ৫৩টি ব্যাংক হিসাব থেকে ৬৫ লাখ ৫০ হাজার ২৪৬ টাকা ফ্রিজ বা অবরুদ্ধ করার জন্য আদালতের নির্দেশ জারি হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি বুধবার (৭ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ দিয়েছেন, সিআইডি পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে। বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ বলেন, ব্যাংক হিসাবগুলো বিশ্লেষণ করে সন্দেহজনক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়ায় এই অবরুদ্ধকরণ আদেশ দেওয়া হয়েছে। অ্যারপোর্টে তদন্তের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, মূল অভিযুক্তের সাথে জড়িত ব্যক্তিবর্গের অর্থনৈতিক লেনদেনের আনুসঙ্গিকতা শনাক্ত করা। আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে খুন, সন্ত্রাস, নে¤র-সন্ত্রাসে অর্থ জোগান, মানিলন্ডারিং এবং সংঘবদ্ধ অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে এসব হিসাবের অর্থ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা আবশ্যক, যাতে ধরনের অর্থ বেহাত হওয়ার ঝুঁকি এড়ানো যায়। অন্যদিকে, হাদি হত্যা মামলার তদন্তে ঠিকা হয়েছে আরও ১৭ জনের বিরুদ্ধে। গোয়েন্দা পুলিশের রিপোর্টে দেখা গেছে, পুলিশ এদের মধ্যে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- ফয়সাল করিম মাসুদের বাবা মো. হুমায়ুন কবির, মা মোসা. হাসি বেগম, তার স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, বন্ধু মারিয়া আক্তার লিমা, শ্বশুর ওয়াহিদ আহমেদ সিপু, ব্যবসায়ী মোফতি মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, তার সহযোগী মো. কবির, ভারতে পালানোর সহায়তাকারী সিবিউন দিউ ও সঞ্জয় চিসিম, কাউন্সিলর বাপ্পির বোন জামাই আমিনুল ইসলাম রাজু এবং সিপুর ঘনিষ্ঠ মো. ফয়সাল। অপরদিকে, পলাতক রয়েছেন- বাপ্পি, ফয়সাল, আলমগীর, ফিলিপ, জেসমিন ও তার স্বামী মুফতি মাহমুদ। উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে জুমার নামাজ শেষে নির্বাচনী প্রচারনা শেষ করেন শহীদ ওসমান হাদি। এরপর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যাওয়ার পথে দুপুর ২টা ২০ মিনিটে তাকে বহনকারী অটোরিকশার ওপর হামলা চালায় দুষ্কৃতকারীরা, যারা মোটরসাইকেলে এসে তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসকরা পরে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। ১৫ ডিসেম্বর তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয় এবং ১৮ ডিসেম্বর সেখানে মৃত্যুবরণ করেন। এ ব্যাপারে, ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে হত্যা চেষ্টার মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১২ ডিসেম্বরের ঘটনা উল্লেখ করে, হত্যাচেষ্টার জন্য নির্ভুল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

  • নতুন মামলায় ফের গ্রেফতার সালমান, আনিসুল ও দীপু মনির

    নতুন মামলায় ফের গ্রেফতার সালমান, আনিসুল ও দীপু মনির

    জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চাঞ্চল্যকর ঘটনায় ঢাকার বাড্ডা থানায় অস্ত্রসহ হত্যাচেষ্টা মামলায় তিনজন বিশিষ্ট ব্যক্তি আবারও গ্রেফতার হয়েছেন। তারা হলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

    বুধবার (৭ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। জানা গেছে, তারা আগে থেকেই বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন, তবে এই মামলায় তারা এজাহারনামীয় আসামি।

    এদিন সকালে তাদের বিকেল সাড়ে ১০টাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালত হাজির করা হয়। এরপর আদালতের এজলেসে বিষয়টি শুনানি হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক মো. গোলাম কিবরিয়া খান তাদের গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. শামসুদ্দোহা সুমন এই বিষয়ে শুনানি পরিচালনা করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।

    অভিযোগে বলা হয়েছে, গত বছর জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ২০ জুলাই মধ্যবাড্ডা এলাকায় বিশিষ্ট ভুক্তভোগী মো. দুর্জয় আহমেদ অংশ নেন। সেই সময় মিছিলে রাস্তায় অবস্থানকালের মধ্যে আন্দোলন দমনকারী দলের শীর্ষ নেতাদের সরাসরি ও পরোক্ষ নির্দেশনায় অনুসারীরা অবৈধ অস্ত্র দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করতে শুরু করে। গুরুতর আহত হন দুর্জয়, যার মাথা ও পেছনে গুলির আঘাত লাগে।

    চিকিৎসার জন্য তিনি জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি হন। দুর্জয়ের দুই চোখ অন্ধ হয়ে যায়। এ ঘটনার পর ২০২৩ সালের ২০ নভেম্বর ভুক্তভোগী দুর্জয় আহমেদ বাদী হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আরও ৯০ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা ও 人শ্রেণী মামলা দায়ের করেন।

  • প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    আন্তর্জাতিক ওমরাহ হজ পালন করতে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন টিকটক তারকা আব্দুল্লাহ আল মামুন, যিনি পরিচিত প্রিন্স মামুন নামে। তবে দেশের মাটিতে তার জন্য অপেক্ষা করছে একটি দুঃসংবাদ। লায়লা আখতার ফরহাদ নামে এক নারী তার বাসায় ঢুকে মারধর ও হুমকির অভিযোগে মামলার আসামি হিসেবে তার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিলের পর গেল বৃহস্পতিবার তার জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

    গত বৃহস্পতিবার, মামলার অভিযোগ গঠন এবং সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিন ছিল। ওই অনিবার্য কারণবশত, মামুন ওমরাহ পালনের জন্য আদালতে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তার পক্ষে আইনজীবী আশিকুল ইসলাম সময়ের আবেদন জানান, কিন্তু বাদী লায়লা আখতার ফরহাদ আদালতে হাজির হয়ে মামলা পরিচালনা করেন এবং মামুনের জামিন বাতিলের জন্য আবেদন করেন।

    বাদীর আইনজীবী সরকার সাব্বির হোসেন (ফয়সাল) বলেন, আসামির বিরুদ্ধে অন্য একটি ধর্ষণের মামলা বিচারাধীন রয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, মামুন তার বাসায় গিয়ে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা ও জিডি তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দেন। যখন লায়লা অস্বীকৃতি জানান, তখন সে ফেসবুক লাইভে গিয়ে লায়লা ও তার পরিবারের সদস্যদের গালিগালাজ করেন ও মারধর শুরু করেন। এমনকি ছুরি দিয়ে হত্যার প্রচেষ্টা চালান, যা মোকাবিলায় লায়লা আহত হন। এরপরই ক্যান্টনমেন্ট থানায় তিনি একটি মামলা করেন।

    তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক আতিকুর রহমান সৈকত গত ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্তে অভিযুক্ত মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত সেই সময় তার জামিন বাতিল করে, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন। এছাড়া, আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে মামলার বিচার শুরুর নির্দেশ দেওয়া হয়। আগামী ৫ মার্চ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।

    অভিযোগের বিবরণে জানা যায়, লায়লার সঙ্গে প্রিন্স মামুনের ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় ঘটে। ১০ মে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মামুন ক্যান্টনমেন্ট ডিওএইচএস-এর বাসায় গিয়ে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের হুমকি দিয়ে বলে, আগের মামলা ও জিডি তুলে নাও। তবে লায়লা তা স্বীকার না করায় মামুন ফেসবুক লাইভে গিয়ে গালিগালাজ ও মারধর করেন, এমনকি ছুরি দিয়ে হত্যার চেষ্টাও চালান। এই ঘটনায় ওই দিনই ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলার অভিযোগ করা হয়। তদন্ত শেষে গত সেপ্টেম্বর মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল হয় এবং আদালত তার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।

  • পশ্চিমবঙ্গে গাইতে এসেছেন বলিউডের দুই তারকা, শিকার হলেন মবের

    পশ্চিমবঙ্গে গাইতে এসেছেন বলিউডের দুই তারকা, শিকার হলেন মবের

    বর্ষবরণের রাতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বালুরঘাটে এক ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জুটি সাচেত ট্যান্ডন ও পরম্পরা ঠাকুর। তাদের উন্মাদনা ছড়িয়ে জনতার মধ্যে এক ভয়ঙ্কর তাণ্ডব শুরু হয়, যা উগ্র মব বা উন্মত্ত জনতার ঘটনা হিসেবে পরিচিত। এই ঘটনার ঘটনায় তারা প্রাণে বাঁচলেও তাদের গাড়িটি ভাঙচুরের শিকার হয়।

    নতুন বছর উদযাপনের জন্য বালুরঘাটে একটি বড় কনসার্টে অংশ নিয়েছিলেন সাচেত এবং পরম্পরা। অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে এই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মুখোমুখি হন তারা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, শিল্পীদের গাড়িটি শত শত জনতাদের ঘেরাও করে রেখেছে। জনতাটি এতটাই উন্মত্ত হয় যে, তারা চলন্ত গাড়ির ওপর কিল-ঘুষি মারতে শুরু করে।

    এক পর্যায়ে গাড়ির পেছনের কাচ ভেঙে যায় ও তার ভেতর থেকে সাচেতকে আঁটকে ‘ওহ শিট’ উচ্চারিত হতে শোনা যায়। পাশে থাকা পরম্পরা জনতাকে শান্ত হওয়ার জন্য বলছেন, ‘গাইজ রিল্যাক্স, শান্ত থাকো’, কিন্তু জনতার রোষ থেকে তাদের গাড়িটিকে ছাড়ানো সম্ভব হয়নি।

    এই অপ্রত্যাশিত হামলার ঘটনায় শিল্পী জুটি হতবাক হলেও কেউ এখনও আনুষ্ঠানিক কোনও বিবৃতি দেননি। তবে তারা নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন।

    এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই স্থানীয় নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা ও ক্ষোভ প্রকাশ করা হচ্ছে। অনেকে মনে করছেন, পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে বলিউডের এই দুই তারকার ওপর এমন হামলা ভারতের অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা ও শিল্পীদের নিরাপত্তার প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। এ ধরনের ‘মব কালচার’ এর ঘটনা দিন দিন বেড়ে চলেছে। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে কৈলাস খেরের কনসার্টেও উন্মত্ত জনতার হামলা সংঘটিত হয়েছিল, সেটি মাঝপথে বন্ধ করে শিল্পীর মঞ্চ ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন।

  • নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের জন্য পথপ্রদর্শক নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু আর নেই

    নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের জন্য পথপ্রদর্শক নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু আর নেই

    বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু (৮৪) আজ আর আমাদের মাঝে নেই। রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে তিনি ধানমন্ডির এক বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যু সংবাদ নিশ্চিত করেছেন চলচ্চিত্র পরিচালক কবিরুল ইসলাম রানা। তিনি জানান, গতকালই বিকেলে তাঁর সাথে ফোনে কথা হয়েছিল। আজ দুপুর ১২টার দিকে জানানো হয়, তিনি আর নন।

    কবি রুল ইসলাম রানা আরও বলেন, কয়েক মাস আগে আবদুল লতিফ বাচ্চু নিউমোনিয়া আক্রান্ত হন এবং তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেই সময় তাঁর পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক হলে, তাকে বিশেষ চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে থাইল্যান্ডে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা গ্রহণের পর তিনি সুস্থ হয়ে দেশে ফিরেছিলেন।

    আবদুল লতিফ বাচ্চু ১৯৪২ সালের ৯ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের উন্নয়নে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। শেষ দিকে তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্রগ্রাহক সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি তিন সন্তানের জনক, যাদের সবাই আমেরিকা প্রবাসী। 그의 অকাল মৃত্যু বাংলাদেশের চলচ্চিত্র সমাজে শোকের ছায়া ফেলেছে এবং তার কর্মমুখর জীবন থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়া হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য।

  • ‘কাভি খুশি কাভি গাম’ এর সিক্যুয়েল আসছে!

    ‘কাভি খুশি কাভি গাম’ এর সিক্যুয়েল আসছে!

    নতুন বছরকে নিয়ে বলিউডে একের পর এক চমক আসছে এবং এরই মধ্যে তাদের মধ্যে অন্যতম হলো জনপ্রিয় ছবির সিক্যুয়েল নির্মাণের ঘোষণা। বলিউডের প্রখ্যাত পরিচালক করণ জোহর আবারও সিনেমা জগতে ফিরছেন, আর এ যাওয়া নতুন ছবিটি নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ বাড়ছে। এর আগে ফ্যামিলি ড্রামা এবং পারিবারিক বিষয়ক সিনেমার জন্য পরিচিত এই এই সিনেমার মধ্যে রয়েছে অসাধারণ আবেগের গল্প, যা দর্শকদের মন ছুঁয়ে ছিল। তবে কারো ধারণা ছিল না যে, এই নতুন প্রকল্পটি ধীরে ধীরে ‘কাভি খুশি কাভি গাম’ এর সিক্যুয়েল হতে যাচ্ছে।

    পিঙ্কভিলা সূত্রে জানা গেছে, করণ জোহর এই মুহূর্তে তার পরবর্তী ছবির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, যেখানে মূল প্রাধান্য থাকবে পারিবারিক মানসিকতা ও সম্পর্কের আবেগের উত্তাল চিত্র। এই ছবিটি ধর্ম প্রোডাকশনের ব্যানারে নির্মিত হবে এবং ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে এর প্রি-প্রোডাকশনের কাজ শুরু হবে। শুটিং শিগগিরই শুরু হয়ে বছরের শেষের দিকে শেষ হওয়ার আশা করা হচ্ছে। ছবিটিতে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী নায়িকা থাকবেন, এবং কাস্টিং প্রক্রিয়াও দ্রুত এগিয়ে চলছে।

    এছাড়াও, অনুমান করা হচ্ছে ছবির নাম হয়তো ‘কাভি খুশি কভি গাম ২’ হতে পারে, তবে এসব বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। করণ জোহর বা ধর্ম প্রোডাকশনের পক্ষ থেকেও এ ব্যাপারে কিছু নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ হয়নি।

    ২০০১ সালে মুক্তি পেয়েছিল এই সিনেমার ব্লকবাস্টার হিট অবদান, ‘কাভি খুশি কাভি গাম’, যা দর্শকদের হৃদয়ে চিরস্থায়ী স্থান করে নিয়েছিল। এই ট্রেন্ডটা পুনরায় শুরু হওয়ার গুঞ্জন এখন প্রবল।

    উল্লেখ্য, করণ জোহর তার বর্তমান কর্মজীবনে ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’, ‘কাভি খুশি কাভি গাম’, ‘কাভি আলবিদা না কেহনা’, ‘মাই নেম ইজ খান’, ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’, ‘বোম্বে টকিজ’, ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’, ‘লাস্ট স্টোরিজ’, এবং সর্বশেষ ‘রকি এবং রানি কি প্রেম কাহিনী’ ছবিগুলোর পরিচালনা করেছেন।

  • ধর্মেন্দ্রর স্মরণসভা কেন আলাদা, হেমা মালিনী জানালেন

    ধর্মেন্দ্রর স্মরণসভা কেন আলাদা, হেমা মালিনী জানালেন

    প্রয়াত বলিউড তারকা ধর্মেন্দ্রর স্মরণে দ্বিতীয় স্ত্রী হেমা মালিনী আলাদা একটি স্মরণ অনুষ্ঠান আয়োজন করেছেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেওল পরিবারে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের গুঞ্জন শুরু হয়েছে। ধর্মেন্দ্রর দুই ছেলে সানি এবং ববি দেওল হেমা মালিনীর স্মরণসভার পাশাপাশি নিজেরাও আলাদা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। এই বিপরীতমুখী আয়োজনের কারণ কী সে বিষয়ে এবার মুখ খুললেন হেমা মালিনী।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হেমা মালিনী বললেন, এটি একটি পারিবারিক ব্যক্তিগত বিষয়, যার মধ্যে খুব বেশি কিছু নয়। তিনি আরও বলছেন, তাঁর পরিবারের মধ্যে কোনও বিভক্তি বা ভাঙন ঘটেনি। বিষয়টি শুধুই তাঁদের কাছের মানুষজনের মধ্যে একটি স্মরণসভার আয়োজন। তিনি জানান, তাঁর রাজনীতি জীবনের কারণে দিল্লিতে আলাদা একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে হয়। এছাড়া, তাঁর নির্বাচনী এলাকা মথুরার মানুষের আবেগের কথা ভেবে সেখানে আলাদা আয়োজন করেন।

    হেমা মালিনী আরও বলেন, ধর্মেন্দ্রর প্রতি তাঁদের সম্মান ও শ্রদ্ধা কমেনি। পরিবারের সবাই নিজের মত করে প্রিয় অভিনেতাকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।

    ৮ নভেম্বর ২০২৩ সালে বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ধর্মেন্দ্র প্রয়াত হন। এরপর ৩ ডিসেম্বর হরিদ্বারে সানি ও ববি দেওল তার অস্থি বিসর্জন করেন। তবে, শেষকৃত্য ও অন্যান্য ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের সদস্যরা একসঙ্গে অংশ নেননি বলে খবর রটেছিল। এই গুঞ্জনকে উড়িয়ে দিয়ে হেমা মালিনী জানিয়েছেন, ধর্মেন্দ্রর স্মৃতি ধরে রাখতে সানি দেওল বড় পরিকল্পনা নিয়েছেন। তিনি বলছেন, মুম্বাইয়ের লোনাভেলায় অবস্থিত ধর্মেন্দ্রর ১০০ একর জমির ওপর নির্মিত ফার্মহাউসটি একটি সংগ্রহশালা বা জাদুঘরে রূপান্তর করার পরিকল্পনা চলছে। এই উদ্যোগকে তিনি সমর্থন জানিয়ে বলেন, এটি ধর্মেন্দ্রর অনুরাগীদের জন্য একটি বিশেষ উপহার হবে।

  • ভারত যেন বাদ দিতে চায় মাশরাফিকেও, দাবি বিসিবি সভাপতি

    ভারত যেন বাদ দিতে চায় মাশরাফিকেও, দাবি বিসিবি সভাপতি

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেটাঙ্গণে একটা ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে যখন ভারত পক্ষ থেকে সম্প্রতি মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাংলাদেশি এই পেসারকে নিলামে ৯ কোটি ২০ লাখ টাকায় কলকাতা নাইট রাইডার্সে সুযোগ পেলেও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) নির্দেশনায় তাকে স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এই সিদ্ধান্তের কারণে প্রতিবেশী এই দুই দেশ—বাংলাদেশ ও পাকিস্তান—উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, এবং এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের গতিপথে বিতর্কের জন্ম দেয়।

    এদিকে, মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার ফলস্বরূপ আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচিতে পরিবর্তন আসার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ এই টুর্নামেন্টে ভারতের হয়ে খেলার অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, ফলে ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তরিত হতে পারে। একই সঙ্গে, বাংলাদেশ সরকার আইপিএলের সম্প্রচার বন্ধের নির্দেশও দিয়েছে।

    ভারতের এই সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেছেন অনেক ক্রিকেট বিশ্লেষক ও সমর্থক। বোর্ডের এই সিদ্ধান্তের মধ্যে একটি অদ্ভুত ব্যাপার হলো, পাকিস্তানের সাবেক তারকা ক্রিকেটার জুনায়েদ খান এই পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, মাশরাফি বিন মর্তুজার আইপিএল খেলার বিষয়টি অনেকেরই জানা, কারণ আইপিএলের লোগোতে দেখা ব্যাটিং শটের অবয়বটি তৎকালীন বাংলাদেশের এই অধিনায়কেরই আইকনিক শট থেকে অনুপ্রাণিত। একদিকে ভারত ও আইপিএল কর্তৃপক্ষ এটি কখনো স্বীকার না করলেও, অনেকেরই ধারণা, এই লোগোতে যে শটটির ছবি রয়েছে, সেটি মাশরাফির ব্যাটিং স্টাইলেরই আরেকটি প্রতীক।

    গতকাল নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও শেয়ার করেন জুনায়েদ খান। সেখানে দেখা যায়, সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার আকাশ চোপড়া বলছেন, ‘অবশ্যই বেশির ভাগ মানুষ মনে করেন, আইপিএলের এই ব্যাটিং শটটি এবি ডি ভিলিয়ার্সের, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সেটি মাশরাফি বিন মর্তুজার ব্যাটিং স্টাইলেরই অনুবাদ।’

    এই ভিডিও শেয়ার করে জুনায়েদ মন্তব্য করেন, ‘ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড যেভাবে মুস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দিয়েছে, তাতে আমার ধারণা এখন গোপনীয়তা নিয়েই হয়তো তারা লোগো পরিবর্তন করবে, যেখানে তিনি (মাশরাফি) হয়তো আবারও ফিরে আসবেন।’ উল্লেখ্য, মাশরাফি আইপিএলে মাত্র একটি ম্যাচ খেলেছেন, সেটিও ২০০৯ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে। এই বিষয়টি শুধু ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্যই নয়, বরং পুরো ক্রিকেট বিশ্বে এক অদ্ভুত রহস্যের মতো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে।

  • বাগেরহাটে ২৮ দলের মাদকবিরোধী ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট সম্পন্ন

    বাগেরহাটে ২৮ দলের মাদকবিরোধী ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট সম্পন্ন

    বাগেরহাটে ‘মাদককে না বলুন’ শপথের মাধ্যমে মাদকবিরোধী ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট-২০২৬ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। রোববার অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় মোট ২৮টি দল অংশগ্রহণ করে। দেড় দিন ব্যাপী এ প্রতিযোগিতার পরের দিন বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার ও প্রাইজমানি বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে জেলা ক্রীড়া অফিসার হুসাইন আহমাদ সঞ্চালনা করেন, এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসকের পক্ষে জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস्ट्रেট লাবন্য ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আবু রাসেল এবং যদুনাথ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ঝিমি মন্ডল। প্রতিযোগিতায় বগেরহাটের ফয়সল হাবিব ও অয়ন জুটি দল চ্যাম্পিয়ন হয়, আর মঈনুল ইসলাম ও সাবিত জুটিদল রানার্স আপ। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি লাবন্য ইসলাম বলেন, তরুণ প্রজন্মকে ভালো কাজে উদ্বুদ্ধ করতে এ ধরনের আয়োজন আরও বেশি করতে হবে। স্বাগত বক্তব্যে উপপরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান উল্লেখ করেন, সুস্থ বিনোদনের মাধ্যমে বাগেরহাটের তরুণ প্রজন্মকে সব ধরনের নেশা থেকে দূরে রাখতে আমরা নানা প্রতিযোগিতার আয়োজন করি, যার ধারাবাহিকতায় এই ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ৭ জানুয়ারি আয়োজন করা হবে আট দলের ভলিবল প্রতিযোগিতা। বিশেষ অতিথি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু রাসেল বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে হবে। অধ্যক্ষ ঝিমি মন্ডল বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে ছাত্রজীবন সুষ্ঠভাবে বিকশিত হয়।