জুন-জুলাই মাসে বাংলাদেশের নারী ক্রিকেট দল অংশ নেবে দশম নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। বাছাইপর্বে তারা সাতটি ম্যাচের সবটিতে জয় লাভ করে অপরাজিত থাকতে পারায় টুর্নামেন্টের মূল পর্বের টিকিট পেয়ে গেছে। এ বছর প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই বিশ্বকাপে ১২টি দল অংশ নেওয়ার সুযোগ, যা দুটি গ্রুপে বিভক্ত থাকছে। মোট ৩৩টি ম্যাচের এই প্রতিযোগিতা চলবে ২৪ দিন, যা শেষ হবে ৫ জুলাই। ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ঐতিহ্যবাহী লর্ডস ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।
ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) গত মঙ্গলবার এই টুর্নামেন্টের পূর্ণাঙ্গ সূচি ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশের জন্য গ্রুপ ‘এ’ নির্ধারিত হয়েছে, যেখানে তারা প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছে নেদারল্যান্ডস, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত এবং পাকিস্তানকে। অন্যদিকে গ্রুপ ‘বি’তে রয়েছে নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা, আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড।
বিশ্বকাপের সব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে মোট সাতটি ভিন্ন ভেন্যুতে, যেমন লর্ডস (লন্ডন), ওল্ড ট্রাফোর্ড (ম্যানচেস্টার), হেডিংলি (লিডস), এজবাস্টন (বার্মিংহাম), হ্যাম্পশায়ার বোল (সাউদাম্পটন), দ্য ওভাল (লন্ডন) এবং ব্রিস্টল। বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ১৪ জুন এজবাস্টনে, যেখানে তারা মুখোমুখি হবে নেদারল্যান্ডসের। এই ম্যাচ শুরু হবে সকাল সাড়ে দশটায়। একই ভেন্যুতে একই দিন প্রতিপক্ষ হবে ভারত ও পাকিস্তান।
১৭ জুন বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হবে অস্ট্রেলিয়া, যা খেলা হবে হেডিংলিতে। তিন দিন পর, অর্থাৎ ২০ জুন, হ্যাম্পশায়ারে খেলবে পাকিস্তানের বিপক্ষে। বড় বিরতির পরে, ২৩ জুন, ওল্ড ট্রাফোর্ডে বাংলাদেশের ম্যাচ হবে ভারতের বিপক্ষে। এরপর, ২৮ জুন, লর্ডসে মাঠে নামবে বাংলাদেশের দল দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে।
নিগার সুলতানা জ্যোতি ও তার সহকর্মীরা এবারের বিশ্বকাপে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব দেখানোর জন্য মরিয়া, কারণ বাংলাদেশের নারী ক্রিকেট দল এখনও পর্যন্ত এই টুর্নামেন্টে ২৫ ম্যাচে ৩টি জয়ের সুখস্মৃতি অর্জন করতে পেরেছে। চারবারের এই চ্যাম্পিয়নশিপে এবার তাদের জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে, যেখানে তাদের প্রতিভা ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণের সুযোগ রয়েছে।
