Blog

  • খুলনায় ৪৪তম জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন

    খুলনায় ৪৪তম জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন

    খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত হলো ৪৪তম জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপের শুভ উদ্বোধন। রবিবার সকাল সাড়ে আটটায় খুলনা জেলার স্টেডিয়াম মাঠে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম দিনে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় যেখানে বাগেরহাট ও মেহেরপুর মুখোমুখি হয়।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক ও খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য মোঃ জুলফিকার আলী খান। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যরা শাহ আসিফ হোসেন রিংকু, জাকির হোসেন রিপন, এম সাইফুল ইসলাম এবং শাহনাজ খাতুনসহ আরও অনেক প্রতিনিধিরা। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য ও সিনিয়র ডিভিশন ক্রিকেট লীগ কমিটির চেয়ারম্যান মোল্লা খায়রুল ইসলাম।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথিরা একুশে প্রতিযোগিতার সফলতা কামনা করে বলেন, দেশের ক্রিকেটের উন্নয়ন ও বিকাশে এই ধরনের আয়োজন অপরিহার্য। তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই প্রতিযোগিতা তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করবে, ফলে বাংলাদেশের ক্রিকেট আরো সমৃদ্ধ হবে।

  • জিম্বাবুয়ে উপর দিয়ে গেলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ, রেকর্ড জয়

    জিম্বাবুয়ে উপর দিয়ে গেলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ, রেকর্ড জয়

    আত্মবিশ্বাসে ভরপুর ছিলো জিম্বাবুয়ের দল। তারা জানতে পেরেছে যে, গ্রুপ পর্বে অস্ট্রেলিয়া এবং শ্রীলঙ্কার মতো শক্তিশালী দলদের হারিয়ে সুপার এইটে উঠেছে। এই তরফ থেকে আত্মবিশ্বাসের কমতি ছিলো না। অন্যদিকে, তাদের প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজও পুরোপুরি প্রস্তুত ছিলো। কারণ, গ্রুপ পর্বে তারা সকল ম্যাচই জিতেছে। ক্রিকেটপ্রেমীরা ভেবেছিলো, গ্রুপের এই দুই অপরাজিত দলের মুখোমুখি লড়াই হবে খুবই জমজমাট। কিন্তু দেখা গেলো পুরো ম্যাচটাই একপেশে, যা প্রত্যাশার সম্পূর্ণ ব্যত্যয়। প্রথমে ব্যাটিং করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিশাল সংগ্রহ দ্বার করলো, যার চাপ পড়ে জিম্বাবুয়ের ওপর। ২৫৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামা জিম্বাবুয়ে মাত্র ১৪৭ রানে অলআউট হয়ে যায়, এবং সেখানেই শেষ হয়ে যায় তাদের আশা-ভরসা। ফলে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ বড় ব্যবধানে ১০৭ রানে জয় পায়।

    শুরু থেকেই বিপর্যয়ে পড়ে যায় জিম্বাবুয়ে। দলীয় পঞ্চাশের আগেই ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। এরপর ডিওন মেয়ার্স ২৮ এবং সিকান্দার রাজা ২৭ রান করে দলের কিছুটা পরিস্থিতি রুখে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। তবে অন্যদিকে উইকেটের পতন থামছিলো না, এবং তাদের আর ম্যাচে ফিরে আসার সুযোগ ছিলো না। শেষ দিকে ব্র্যাড ইভান্স ২১ বলে ৪৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে দলের সংগ্রহ ১৪৭ পর্যন্ত নিয়ে যান।

    জিম্বাবুয়ের ইনিংসে বেশ ধস নামায় গুরাকেশ মোতি ও আকিল হোসাইন। দুজনেই তুলে নেন মোট ৭ উইকেট, যেখানে মোতির ২৮ রানে ৪ উইকেট, হোসাইনের ৩ উইকেট ২৭ রানে। পাশাপাশি, ম্যাথু ফোর্ড ২৭ রানে ২ উইকেট নেন, এবং জেসন হোল্ডার একটি উইকেট পান। এই ম্যাচে এই জুটি নিয়েই গ্রুপ ওয়ান সুপার এইটের এক ম্যাচে জয় পেয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, এবং আগের ম্যাচে সাউথ আফ্রিকাও জয়ী হয়।

    অধিনায়ক সিকান্দার রাজার সিদ্ধান্তে টস জিতে প্রথম বোলিং করার মাধ্যমে শুরু হয় ম্যাচের। রিচার্ড এনগারাভা শুরুতে ব্র্যান্ডন কিংকে আউট করেন, যিনি ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান। এরপর শাই হোপ ও হেটমায়ার দলের ধাক্কা সামাল দেন। হোপ ১২ বলে ১৪ রান করে আউট হন, তার পরে হেটমায়ার ও পাওয়েল মিলে ১২২ রানের দারুণ জুটি গড়েন। এই জুটির সুবাদে বড় সংগ্রহের ভিত তৈরি হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের। হেটমায়ারকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙ্গেন গ্রায়েম ক্রেমার, যা হারানো সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়ে তোলে। তিনি ৭ ছক্কা ও ৭ চারে ৩৪ বলের ঝড়ো ইনিংস খেলে ৮৫ রান করেন। পাওয়েলও শেষ পর্যন্ত টিকে যান নয়, ৩৫ বলে ৫৯ রান করে আউট হন।

    এরপর শেরফানে রাদারফোর্ড ১৩ বলে ৩২ রান করে অপরাজিত থাকেন, জেসন হোল্ডার ৪ বলে ১৩ রান করে আউট হন। ম্যাথিউ ফোর্ডও ১ বলে ১ রান করে অবিচ্ছিন্ন থাকেন। এই কার্যক্রমের মধ্যে, ক্যারিবীয় এই ক্রিকেটাররা তাদের ইনিংস বেশ সুন্দরভাবে পরিচালনা করে, যা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

  • বিসিবিতে নতুন গেম ডেভেলপমেন্ট চেয়ারম্যান হিসেবে আসিফ আকবর নিযুক্ত

    বিসিবিতে নতুন গেম ডেভেলপমেন্ট চেয়ারম্যান হিসেবে আসিফ আকবর নিযুক্ত

    তবে, এখনো পর্যন্ত বিসিবি সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেনি। অন্যদিকে, নতুন পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর আসিফ আকবর বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের দায়িত্বও গ্রহণ করেছেন। বর্তমানে, তিনি দেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন দিক নিয়েই কাজ করছেন। এই পরিবর্তনগুলো বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভবিষ্যত পরিকল্পনা এবং উন্নয়নের জন্য এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি এনে দিচ্ছে।

  • নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারত একই গ্রুপে

    নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারত একই গ্রুপে

    জুন-জুলাই Month of excitement for Bangladesh as they prepare to participate in the 10th Women’s T20 World Cup. Bangladesh secured their spot in the tournament by winning all seven matches in the qualifiers, making them undefeated and confident. This edition marks the first time that 12 teams compete in the Women’s T20 World Cup, divided into two groups, facing off in a total of 33 matches. The tournament kicks off on June 12 and runs for 24 days, culminating in the final at Lord’s Cricket Ground on July 5.

    The International Cricket Council (ICC) announced the complete schedule for the Women’s T20 World Cup on Tuesday. Bangladesh is placed in Group A, where they will face strong opponents including the Netherlands, Australia, South Africa, India, and Pakistan. Group B features New Zealand, England, the West Indies, Sri Lanka, Ireland, and Scotland. The matches will be held across seven historic and modern venues: Lord’s in London, Old Trafford in Manchester, Headingley in Leeds, Edgbaston in Birmingham, Hampshire Bowl in Southampton, The Oval in London, and Bristol.

    Bangladesh’s first match is scheduled for June 14 against the Netherlands at Edgbaston, starting at 10:30 AM. Following this, they will face India and Pakistan at the same venue. On June 17, they will play against Australia in Headingley. Three days later, they will face Pakistan at Hampshire Bowl. After a five-day break, Bangladesh will meet India at Old Trafford. Their final group match will be against South Africa at Lord’s on June 28. Since their participation in the tournament, Bangladesh has played 25 matches across six World Cups from 2014 to 2024, winning three. This year presents a significant challenge for Bangladesh to showcase their talent on the world stage and make a mark in the prestigious tournament.

  • ব্রুকের অর্ধশতক ও সেঞ্চুরিতে ইংল্যান্ডের সেমিফাইনালে পৌঁছানো

    ব্রুকের অর্ধশতক ও সেঞ্চুরিতে ইংল্যান্ডের সেমিফাইনালে পৌঁছানো

    সুপার এইটে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ইংল্যান্ডের জয় নিশ্চিত হয়েছে হ্যারি ব্রুকের অসাধারণ ব্যাটিংয়ের জন্য। সাহিবজাদা ফারহানের হাফ সেঞ্চুরি এবং শাহীন শাহ আফ্রিদির চার উইকেটের জমজমাট পারফরম্যান্সের মধ্যেও, ব্রুকের ৫১ বলে ১০০ রানের ম্যারাথন ইনিংসের মাধ্যমে ইংল্যান্ড ২ উইকেটের বড় জয় হাসিল করে। এই জয়ে তাদের পয়েন্ট এখন চার, এবং এক ম্যাচ বাকি থাকতেই তারা সেমিফাইনালে পৌঁছে গেছে। অন্যদিকে, এই রাউন্ডে পাকিস্তান একমাত্র ম্যাচেই হেরেছে।

    ম্যাচের শুরুতেই ইংল্যান্ডের আশপাশে ঝড় বয়ে যায়। প্রথম বলেই ফিল সল্টের উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। আফ্রিদির দুর্দান্ত সুইপে ক্যাচ হয়ে তিনি ফিরে যান। এরপর প্রথম ১৭ রানে ইংল্যান্ডের আরো দুই ওপেনার জশ বাটলার ও সাইম আইয়ুবও প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন। বাটলার ৩ রানে এবং আইয়ুব ৭ রানে আউট হন।

    তবে, এরপরেই ব্রুকের ঝড় শুরু হয়। তিনিই শুরু করেন আক্রমণ, যদিও তার সঙ্গ দিতে পারেননি জ্যাকব বেথেল ও টম ব্যান্টন। বেথেলকে আফ্রিডি ফিরিয়ে দেন এবং ব্যান্টন ওয়ারিক ক্যাচে পড়েন। এরপর, ব্রুকের সঙ্গে যোগ দেন উইল জ্যাকস। ৫০ বলে ১০০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে ব্রুকের একমাত্র শট দিয়ে ইংল্যান্ডের জয় নিশ্চিত হয়। ব্রুকের বিপরীতে জেসেমি ওভারটন ও মোহাম্মদ নওয়াজ যথাক্রমে দুটি ওভারে ছয় রানের মধ্যে প্রতিপক্ষে শিকারে পরিণত হন। শেষ ওভারে ইংল্যান্ডের দরকার ছিল ৩ রান, যেখানে জফরা আর্চার ধৈর্য্য নিয়ে চার মারেন এবং ম্যাচের সেরা জয় নিশ্চিত করেন।

    অন্যদিকে, পাকিস্তানের জন্য ব্যাপারগুলো ছিল বেশ কঠিন। ব্যর্থতার ছায়া যেন পুরো ম্যাচজুড়ে লেগে ছিল। সাহিবজাদা ফারহান ৪৫ বলে ৬৩ রান করে দলকে টেনে নিয়ে যান। তবে, ওপেনার সাইম আইয়ুব খুব দ্রুত ফেরত যান, আর সালমান আলী আঘারা এবং বাবর আজমও ব্যর্থ হন। বাবর ২৪ বলে ২৫ রান করে স্ট্রাইক রেট নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন।

    দলের মধ্যে জুটি গড়ে তুললেও রান তোলার গতি কম থাকায় ম্যাচটি কঠিন হয়ে পড়ে। ফারহানের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত ১৬৪ রানে অলআউট হয়ে যায়। ডাওসন ও আর্চার কার্যকর কিছু উইকেট নিলেও, তাদের সংগ্রামী চেষ্টা স্বার্থক হয়নি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই হারে পাকিস্তান এখন টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছে। তবে, খেলায় ছিলো কিছু ভালো দিক যেমন ফারহানের প্রত্যাশিত ভালো পারফরম্যান্স আর ফখর জামানের সুবিধাজনক ইনিংস।

  • যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত সাবেক ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত লন্ডনে গ্রেফতার

    যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত সাবেক ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত লন্ডনে গ্রেফতার

    লন্ডন পুলিশ সাবেক ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত পিটার ম্যান্ডেলসনকে সরকারি পদে অসদাচরণের সন্দেহে গ্রেফতার করেছে। তাকে এই গ্রেফতারির মধ্যে রয়েছে গভীর সম্পর্কের সংশ্লেষ যেনো যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে তাতে নতুন করে বিতর্কের ঝড় উঠেছে যুক্তরাজ্যে। খবর রয়টার্সের।

    গত সেপ্টেম্বরে ম্যান্ডেলসনকে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পদ থেকে সরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই সময়ের মধ্যে প্রকাশ পায়, তার এবং এপস্টেইনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের গভীরতা এবং দাপট। এপস্টেইনের সঙ্গে তার কাছাকাছি সম্পর্কের বিষয়ে নতুন তথ্য প্রকাশের পর, ব্রিটিশ সরকার এই পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেয়।

    চলতি মাসের শুরুর দিকে, ব্রিটিশ সরকার এপস্টেইনের সঙ্গে ম্যান্ডেলসনের যোগাযোগের তথ্য দেশের গোপন নথির সঙ্গে সম্পর্কিত উপস্থাপন করতে সক্ষম হয়। এরই ফলস্বরূপ, পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি তদন্ত শুরু করে।

    লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ এক বিবৃতিতে জানায়, সরকারের একজন সাবেক মন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্তের অংশ হিসেবে ৭২ বছর বয়সি এই ব্যক্তিকে অসদাচরণের সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    জানুয়ারির শেষে মার্কিন বিচার বিভাগ দ্বারা প্রকাশিত ই-মেইলগুলোর মাধ্যমে জানা যায়, ম্যান্ডেলসন ও এপস্টেইনের মধ্যে ছিল অতি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। সাবেক প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউন এর সরকারে থাকা অবস্থায়, এপস্টেইনের সঙ্গে তথ্যের আদান-প্রদান করেছিলেন তিনি।

    চলতি মাসের মধ্যে, তিনি স্টারমার লেবার পার্টি থেকে পদত্যাগ করেন এবং পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষের সদস্যপদ ছেড়ে দেন। অতীতে এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কের জন্য তিনি গভীরভাবে অনুতপ্ত বলে মন্তব্য করেছিলেন। তবে, এপস্টেইনের ফাইলসের সর্বশেষ কিস্তিতে প্রকাশিত তথ্য নিয়ে তিনি এখনো প্রকাশ্যে কোন কথা বলেননি।

    এদিকে, গত সপ্তাহে রাজা দ্বিতীয় চার্লসের ছোট ভাই অ্যান্ড্রুককে এপস্টেইনের সঙ্গে গোপন নথি পাঠানোর অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়, যা আরও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

  • মসজিদে আগুন দিলো ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীরা পালিয়ে গেল

    মসজিদে আগুন দিলো ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীরা পালিয়ে গেল

    অধিকৃত পশ্চিম তীরে পবিত্র রমজান মাসের অশান্তির মধ্যেই একটি মসজিদে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে উগ্রপন্থী ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীরা। ফিলিস্তিনিদের ওপর চলমান সহিংসতা ও দমন-পীড়নের ধারাবাহিকতায়, সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে এই ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনা ঘটে।

    ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ওয়াফার বরাতে জানা গেছে, পশ্চিম তীরের নাবলুসের কাছাকাছি সররা ও তাল শহরের মাঝে অবস্থিত ‘আবু বকর আস-সিদ্দিক’ মসজিদে এ হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা মসজিদের দেয়ালে মহানবী (সাঃ)-কে অবমাননা করে বর্ণবাদী স্লোগান লিখে দেয়।

    সংবাদ সংস্থা এপি জানিয়েছে, ফজরের নামাজের জন্য মুসল্লিরা যখন মসজিদে আসেন, তখন তারা প্রবেশপথে ধোঁয়া ও আগুনের আলামত দেখতে পান। মসজিদটির প্রবেশদ্বারের কাঁচ ভাঙা এবং পোড়া দাগ দেখা যায়।

    পাশের বাসিন্দা মুনির রামদান জানালেন, ‘আমি দরজা খুলতেই দেখলাম সব কিছু অগ্নিগর্ভ। সেখানে আগুন জ্বলছে এবং জানালার কাঁচ ভাঙা ছিল।’ তিনি আরও বলেন, ‘সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, দুইজন ব্যক্তি পেট্রোল ও স্প্রে পেইন্ট নিয়ে মসজিদে যাওয়ার পথে ছিল এবং কয়েক মিনিট পরে পালিয়ে যায়।’

    হামলাকারীরা দেয়ালে ‘প্রতিশোধ’ ও ‘প্রাইস ট্যাগ’ শব্দগুলো লিখে গেছে। প্রাইস ট্যাগ শব্দটি সাধারণত কট্টরপন্থী ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীরা ফিলিস্তিনি ও তাদের সম্পত্তির ওপর হামলার সময় ব্যবহার করে থাকেন। স্থানীয় বাসিন্দা সালেম ইশতায়েহ বলছেন, ‘তারা আমাদের ধর্মবিশ্বাস ও ইসলামের ওপর আঘাত দিয়ে উসকানি দিতে চাইছে, বিশেষ করে রমজানের এই পবিত্র সময়ে।’

    ফিলিস্তিনি সরকারের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, গত বছর পশ্চিম তীরে অন্তত ৪৫টি মসজিদে হামলা চালানো হয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকে পশ্চিম তীরেও সহিংসতা বেড়েছে। জাতিসংঘের সর্বশেষ রিপোর্ট বলছে, এই সময়ে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সেনা ও বসতিস্থাপনকারীদের হাতে কমপক্ষে ১,০৯৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

    জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল এক প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলেছে, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের এই পদ্ধতিগত বলপ্রয়োগ ও ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ করার নীতি ‘জাতিগত নিধন’ এবং ‘যুদ্ধাপরাধ’ এর পর্যায়ে পড়ে।

    ইসরায়েলি সেনা ও পুলিশ জানিয়েছে, তারা এই ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং সন্দেহভাজনদের খুঁজছে। তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে ভিন্ন কথা। ইসরায়েলি মানবাধিকার সংস্থা ‘বি-তসেলেম’ অভিযোগ করে জানিয়েছে, ফিলিস্তিনি ভূমি দখলের অংশ হিসেবেই ইসরায়েলি সার্বভৌমত্বের মধ্যে এই ধরনের সহিংসতায় উসকানি দিচ্ছে। জাতিসংঘও আগের রিপোর্টে জানিয়েছে, অনেক ক্ষেত্রেই এই হামলার সঙ্গে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী জড়িত।

  • কারাগার থেকে হাসপাতালেও ইমরান খান

    কারাগার থেকে হাসপাতালেও ইমরান খান

    পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান তার চোখের চিকিৎসার দ্বিতীয় ধাপ সফলভাবে শেষ করেছেন। মঙ্গলবার (২২ ফেব্রুয়ারি), তিনি ইসলামাবাদের পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস (পিআইএমএস)-এ পৌঁছে সেখানে তার চোখের উন্নত চিকিৎসা চালানো হয়। এই সফরে তাকে অ্যান্টি-ভিইজিএফ ইনট্রাভিট্রিয়াল ইনজেকশনের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়।

    পিআইএমএসের নির্বাহী পরিচালক ডা. ইমরান সিকান্দার জানান, ৭৪ বছর বয়সী এই ব্যক্তিকে মূলত সেন্ট্রাল জেল আদিয়ালা থেকে পুনরায় চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আনা হয়। প্রক্রিয়ার সবাই দৃঢ়ভাবে অনুশীলনে রক্ষিত হয়, যা তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল থাকাকালীন সম্পন্ন হয়। প্রথম ডোজের পর তার দৃষ্টিশক্তি উন্নতি হওয়ায় চিকিৎসকরা নিশ্চিত করে দ্বিতীয় ডোজ নির্ধারিত সময়ে প্রদান করেন। তারা আরও জানিয়েছেন, এতে তার দৃষ্টিশক্তির আরও উন্নতি হয়েছে।

    উল্লেখ্য, আনুষ্ঠানিক প্রথম ইনজেকশনটি ২৪ ও ২৫ জানুয়ারি রাতের দিকে একই অপারেশন থিয়েটারে দেওয়া হয়েছিল। এক মাসের ব্যবধানের পরে, আজ দ্বিতীয় ডোজটি সম্পন্ন হয়েছে।

    চিকিৎসা প্রক্রিয়ার সময় মাইক্রোস্কোপের সাহায্যে আল-শিফা আই ট্রাস্ট হাসপাতালের কনসালট্যান্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. মুহাম্মদ আরিফ ও ভিট্রিও-রেটিনাল সার্জন ডা. নাদিম কুরেশি ইনজেকশনটি পেশ করেন। সবচেয়ে কঠোর মান অনুসরণ করে এটি ডে-কেয়ার ভিত্তিতে সম্পন্ন হয়, যেখানে প্রক্রিয়া শুরু করার আগে রোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।

    একজন কনসালট্যান্ট কার্ডিওলজিস্ট তার ইসিজি ও ইকোকার্ডিওগ্রাফি করেন, যার ফলাফল স্বাভাবিক আসে। পাশাপাশি একজন ফিজিশিয়ানও তাকে পরীক্ষা করেন। এরপর তাকে ক্লিনিক্যালি স্থিতিশীল এবং চিকিৎসার জন্য উপযুক্ত ঘোষণা করা হয়। একটি সফল ও নিরাপদ মেডিকেল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইমরান খান আবার তার চোখের উন্নতির পথে এগোচ্ছেন।

  • ইরানে বিরোধী বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা

    ইরানে বিরোধী বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা

    ইরানে গত জানুয়ারির সরকার বিরোধী বিক্ষোভ ও সহিংসতায় জড়িত এক নাগরিকের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। তেহরানের একটি বিপ্লবী আদালত মঙ্গলবার এই রায় কার্যকরে ঘোষণা করে। যদি এই রায় বহাল থাকে, তবে এটি হবে জানুয়ারির গণবিক্ষোভের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রথম মৃত্যুদণ্ডের ঘটনা। এই তথ্যের সঙ্গে প্রত্যক্ষ সংযোগ রয়েছে, কারণ ওই ব্যক্তির পরিবারের অন্তর্ভুক্ত এক সূত্র জানিয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের মাধ্যমে জানা যায়, ইরানের বিচার বিভাগ এখনো এই রায় ঘোষণা করেনি এবং দেশের শীর্ষ আদালতও এটির অনুমোদন দেয়নি। সূত্রের মতে, অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি মেহম্মদ আব্বাসির বিরুদ্ধে একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত। তবে আব্বাসির পরিবারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দাবি, ইরানে সাআপ্রতিক সরকার বিরোধী বিক্ষোভে ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী দমন-পীڑন চালিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এই অভিযানে হাজার হাজার মানুষ জীবন হারিয়েছেন। ১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের পর এই জানুয়ারির বিক্ষোভই ছিলো এ যাবতকালের সবচেয়ে ভয়াবহ সহিংসতা বলে ধারণা করা হয়। বিক্ষোভের সময়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছিলেন, যদি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে জবাবদিহি করা হয়, তাহলে তিনি তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের নির্দেশ দিতে পারেন। ওই সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে মোহাম্মদ আব্বাসির মেয়ে ফাতেমেহ আব্বাসিকেও ২৫ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে, অভিযুক্তরা নিজেদের পছন্দের আইনজীবীর কাছে যাওয়ার সুযোগ পাননি, বরং রাষ্ট্রীয় আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়।স্থায়ীভাবে, এই তথ্যসমূহ রয়টার্স থেকে আনা হয়েছে।

  • যুক্তরাষ্ট্রের এফ-২২ স্টিলথ যুদ্ধবিমান মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানোর প্রস্তুতি

    যুক্তরাষ্ট্রের এফ-২২ স্টিলথ যুদ্ধবিমান মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানোর প্রস্তুতি

    মধ্যপ্রাচ্যের দিকে নতুন করে যুদ্ধবিমান পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, কয়েকদিন ধরেই যুক্তরাজ্যের একটি ঘাঁটিতে অবস্থানরত এফ-২২ স্টিলথ যুদ্ধবিমানগুলো আজ মঙ্গলবার মধ্যপ্রাচ্যের দিকে উড়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই ফ্লাইটের ট্র্যাকিং তথ্য দেখাচ্ছে যে, রয়্যাল এয়ারফোর্সের লেকেনহেথ ঘাঁটি থেকে এফ-২২ বিমানগুলো উড্ডয়ন করছে, সঙ্গে আছে কেসি-৪৬ রিফুয়েলার বিমান, যা যুদ্ধ বিমানের জ্বালানি সরবরাহের জন্য ব্যবহৃত হয়। গত সপ্তাহে এই বিমানগুলো লেকেনহেথে পৌঁছায় এবং সেখানে কিছু দিন অবস্থান করে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, জ্বালানি খরচ ও প্রযুক্তিগত সমস্যা সমাধানের জন্য এই বিমানগুলোকে পরে অন্যত্র পাঠানোর প্রস্তুতি চলছিল। যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে রণতরী, যুদ্ধজাহাজ এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম নিয়ে বিশাল বাহিনী জড়ো করেছে। এর মধ্যে রয়েছে অত্যাধুনিক এফ-৩৫, এফ-২২, এফ-১৫ ও এফ-১৬ যুদ্ধবিমান। বিমান ট্র্যাকিং দল জানিয়েছে, মধ্য ফেব্রুয়ারি থেকে এই যুদ্ধবিমানগুলো আসছিল এবং জ্বালানি ট্যাংকারসহ বিভিন্ন কার্গো বিমানও এই অঞ্চলে উড়ে গেছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহৎ রণতরী, ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড, গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের সুদা বে নৌঘাঁটিতে এসে পৌঁছেছে। এই যুদ্ধজাহাজ বর্তমানে ইরান থেকে মাত্র আড়াই হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। গত কয়েক দিন ধরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়তে থাকায়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ডকে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র চায়, ইরান শর্ত মানলে পরিস্থিতি শান্ত হবে; অন্যথায়, তাদের পরমাণু কর্মসূচি বাতিল, মিসাইলের রেঞ্জ কমানো ও হিজবুল্লাহ বা হামাসের মতো proxy বাহিনীকে সহায়তা বন্ধ করার শর্ত জুড়ে দিয়েছে। ট্রাম্প বহুবার হুমকি দিয়েছেন, ইরান না মানলে কঠোর সামরিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এরই অংশ হিসেবে, যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে একটি রণতরীসহ বিশাল সামরিক বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করেছে, যেখানে যোগ দিচ্ছে ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড। এই পরিস্থিতিকে উত্তেজনাপূর্ণ করে তোলে। সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল