Blog

  • অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ: সম্পূর্ণ নির্দেশনা ও ফল জানাের উপায়

    অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ: সম্পূর্ণ নির্দেশনা ও ফল জানাের উপায়

    অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের দীর্ঘ এক যুগ পর এই বার ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক oficialmente ফল ঘোষণা অনুষ্ঠানে ফলাফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ বছর পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ গ্রেডে মোট ৪৫ হাজার ২০০ শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছেন।

    শিক্ষার্থীরা এখন থেকে সহজে অনলাইনে বা মোবাইল মেসেজের মাধ্যমে ফল জানতে পারবে। শিক্ষা অধিদফতরের ওয়েবসাইটে গিয়ে ‘Scholarship Result’ অপশনে রোল নম্বর ও সাল ২০২৬ লিখে ফলাফল দেখা সম্ভব। এর পাশাপাশি মোবাইলে মেসেজ অপশনে গিয়ে বোর্ডের নাম, রোল নম্বর ও সাল লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠালে ফিরতি এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানা যাবে।

    ফল ঘোষণা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা-এর চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দকার এহসানুল কবির এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা।

    এ বছর সারা দেশে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। ঢাকা বোর্ডের মোট নিবন্ধিত শিক্ষার্থী ছিলেন ৮৭,৯৪৯ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ৮০,২১৮ জন, যা শতকরা ৯১.২ শতাংশ। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে সবাই পরীক্ষা দেয়নি, তবে মোট ৭৭,৯১৯ জন (৮৮.৬ শতাংশ) সকল বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।

    বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঢাকা বোর্ডে সর্বোচ্চ ১২.৬ শতাংশ পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন, এর পরে রাজশাহী, কুমিল্লা ও দিনাজপুর বোর্ডগুলো রয়েছে। আরও কিছু বোর্ড যেমন যশোর, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, সিলেট এবং বরিশালেও পরীক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। সর্বনিম্ন অংশগ্রহণ ছিল বরিশাল বোর্ডে যেখানে ৫.৯৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন।

    ফল জানা বা পরীক্ষা দেখার জন্য মোবাইল মেসেজ পাঠানোর পদ্ধতি খুবই সহজ। মোবাইলের মেসেজ অপশনে বোর্ডের নাম, রোল নম্বর ও সাল লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠিয়ে দিতে হবে। এছাড়া অনলাইনের মাধ্যমে ফল দেখা খুবই সুবিধাজনক। http://www.scholarship.gov.bd এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ‘Scholarship Result’ অপশনে রোল নম্বর ও সাল দিয়ে ফলাফল দেখা যাবে।

    শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই ফলাফল দেখে নিজেদের যোগ্যতা যাচাই করে নিজেদের সামনের পরিকল্পনা করতে হবে। পরীক্ষার ফলাফল ডাউনলোড বা প্রিন্ট করে রাখা উপকারী হবে। এই পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীরা দ্রুত ও সহজে তাদের বৃত্তি পেয়েছেন কি না তা নিশ্চিত করতে পারবে।

  • বরিশালে বিচারকের এজলাসে বিশৃঙ্খলা ও বিএনপিপন্থী আইনজীবীর গ্রেপ্তার

    বরিশালে বিচারকের এজলাসে বিশৃঙ্খলা ও বিএনপিপন্থী আইনজীবীর গ্রেপ্তার

    বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এস এম সাদিকুর রহমান লিংকনকে আদালত চত্বর থেকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর কোতোয়ালি থানা-পুলিশ। আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে তাঁর নিজ চেম্বার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। এরপর বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    গতকাল মঙ্গলবার, আওয়ামী লীগ নেতার জামিন মঞ্জুরের প্রতিবাদে আদালত বর্জনের সময় বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতে কিছু বিএনপিপন্থী আইনজীবী হামলায় লিপ্ত হন। ওই ঘটনায় আদালতের ভিডিও ফুটেজে আইনজীবী সমিতির সভাপতি লিংকনসহ আরও বেশ কয়েকজনকে দেখা গেছে ঐ সময়।

    জানা গেছে, এ ঘটনায় লিংকনকে আটক করা হলে আদালতের বিচারক এস এম শরিয়তুল্লাহ তাকে তাৎক্ষণিক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরপর পুলিশ তাকে আদালতের গারদখানায় রাখলে, সেখানে উপস্থিত বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা বিক্ষোভ শুরু করেন।বর্তমানে আদালত চত্বরের আশেপাশে বিশাল সংখ্যক সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আইনজীবীদের মধ্যে মনোমালিন্য ও ভাষ্য বিভেদের ঘটনাও ঘটছে।

    আদালতে বিক্ষোভরত বরিশাল জেলা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হাফিজ আহমেদ বাবলু বলেন, যেখানে বিস্ফোরক মামলায় মানুষজন জামিন নিচ্ছেন, সেখানে আওয়ামী লীগের নিরীহ নেতাদেরও নিম্ন আদালত থেকে জামিন দেওয়া হচ্ছে। এ নিয়ে আইনজীবীরা মঙ্গলবার থেকে আদালত বর্জন ও আন্দোলন শুরু করেন। এই ধারাবাহিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে আজও আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকনকে আটক করা হয়। তিনি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

    হাফিজ আহমেদ জানান, তিনি অবিলম্বে আদালতের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন বিচারকের অপসারণের দাবি জানান, যতদিন পর্যন্ত তিনি এই পদ থেকে সরিয়ে নেওয়া না হচ্ছে, তা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

    অপরদিকে, বর্তমান পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে জানিয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মানুন উল ইসলাম বলেন, আইনজীবী নেতাকে আদালত থেকে কারাগারে নেওয়ার প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে।

  • ডিএমপি কমিশনার সাজ্জাত আলী পদত্যাগ করেছেন

    ডিএমপি কমিশনার সাজ্জাত আলী পদত্যাগ করেছেন

    ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এর কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণ দেখিয়ে তার দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। পুলিশ মহাপরিদর্শক বদলের পরদিনই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিলেন। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে অব্যাহতির চিঠি স্বাক্ষর করে পুলিশ সদর দফতরে পাঠান তিনি। ডিএমপির মিডিয়া বিভাগের ডিডি মোহাম্মদ তালেবুর রহমান এই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    শেখ মো. সাজ্জাত আলী ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তার নাম ডিএমপি কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয়। ওই সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতির দুর্নিবার প্রভাবে পুলিশ বাহিনীকে পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে এই দায়িত্ব তাকে দেয়া হয়েছিল। যেহেতু তার কর্মকাল শেষের পরও দুই বছরের জন্য চুক্তিতে এই পদে বহাল ছিলেন তিনি।

    সাজ্জাত আলী ১৯৮৬ সালের ২১ জানুয়ারি সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর তিনি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উপ-পুলিশ কমিশনার) হিসেবে ঝিনাইদহ, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ও এসবির দায়িত্ব পালন করেন। ডিএমপির পক্ষে উপ-পুলিশ কমিশনার, পুলিশ সুপার হিসেবে নড়াইল, বাগেরহাট ও লক্ষ্মীপুর জেলায় বিভিন্ন দায়িত্বে থাকেন। খুলনা মহানগর পুলিশ কমিশনারের দায়িত্বও পালন করেছেন।

    ডিআইজি পদে উন্নীত হয়ে হাইওয়ে পুলিশ, চট্টগ্রাম রেঞ্জ, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ও ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজির দায়িত্ব সফলভাবে সম্পন্ন করেন। ২০১৬ সালের ৩ নভেম্বর তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হলে, তিনি পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে অবস্থান করছিলেন। এছাড়াও তিনি অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত পুলিশ সংস্কার কমিশনের সদস্য ছিলেন।

    সাজ্জাত আলী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণ করেন এবং দেশের বাইরে ও দেশে বিভিন্ন পেশাগত প্রশিক্ষণ নেন।

    ১৯৬১ সালের ২৫ মার্চ ঢাকা জেলার একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার পিতার নাম শেখ ওয়াজেদ আলী, মাতার নাম নুরজাহান বেগম। ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত, দুই মেয়ে ও এক ছেলের বাবা।

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে মোস্তাকুর রহমানের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি বর্তমান গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের পরিবর্তে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ লাভ করেছেন। আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    মোস্তাকুর রহমান এর আগে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) অতিরিক্ত পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত শনিবার (২৬ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি বিজ্ঞপ্তিতে তাকে পরিচালক পদে উন্নীত করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অফ অফসাইট সুপারভিশনে বদলি করা হয়।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের আদেশে বলা হয়েছে, এই নিয়োগ বাংলাদেশ ব্যাংকের ৯ম ও उससे উচ্চ গ্রেডের পদে প্রযোজ্য নীতিমালা ২০২২ অনুযায়ী শর্তসাপেক্ষে কার্যকর হবে।

    মোস্তাকুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগ থেকে বিবিএ ও এমবিএ সম্পন্ন করেছেন। ১৯৯৯ সালে সহকারী পরিচালক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগদান করেন। এর পরে তিনি ফরেক্স রিজার্ভ ও ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট, ফিনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও কাস্টমার সার্ভিস ডিপার্টমেন্টে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

    সর্বশেষ তিনি বিএফআইইউতে অতিরিক্ত পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মোস্তাকুর রহমানের বাড়ি খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার দেওয়াড়া গ্রামে। পারিবারিক জীবনে তিনি এক ছেলে ও এক কন্যার জনক।

  • পিলখানায় নিহত সেনাদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধা নিবেদন

    পিলখানায় নিহত সেনাদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধা নিবেদন

    বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বনানীর সামরিক কবরস্থানে দর্শনীয় এক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পিলখানায় নিহত সেনাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও গভীর সম্মান জানানো জন্য উপস্থিত ছিলেন। তারা এই দিনটি স্মরণ করে শহীদ সেনাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    এর আগে, প্রধানমন্ত্রী এক বাণীতে বলেন, নাগরিক হিসেবে এই ট্রাজেডির সঙ্গে সবাইকে সচেতন ও অবগত থাকতে হবে। তার মতে, পিলখানার হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখন সবাই জানতে পারছে এবং এটি ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ উপলব্ধির বিষয়। তিনি আরও বলেন, ২০০৯ সালে এই ভয়াল ঘটনার পর থেকে দেশের জনগণ অনেক কিছু উপলব্ধি করেছে এবং তারা শেকড়ের মধ্যে নিরাপত্তা ও স্বাধিকার রক্ষা করার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

    প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে যারা এমন কর্মকাণ্ড চালায়, তাদের জন্য সমুচিত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। তিনি আরও বলেন, সেনাবাহিনী দেশের গৌরব, স্বাধীনতা ও মর্যাদার প্রতীক, এবং ভবিষ্যতেও এ গৌরব অক্ষুণ্ণ রাখতে দেশের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করতে হবে। দেশের স্বার্থে কোনও ষড়যন্ত্র বা বিদ্রোহ মোকাবিলার জন্য আমাদের সকলের একসঙ্গে কাজ করতে হবে, এটাই শহীদ সেনা দিবসের মূল শিক্ষা।

    ১৭ বছর আগে ২০০৯ সালের এই দিনে তৎকালীন বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিডিআর), বর্তমানে বিজিবির সদর দপ্তর ঢাকার পিলখানা ভবনে ভয়াবহ বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় বিপুল সংখ্যক সেনা কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিহত হন। এর মধ্যে ছিলেন তৎকালীন বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদসহ মোট ৭৪ জন।

    আজ এই দিনটি ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে, যা গত বছর থেকে নিয়মিত পালন শুরু হয়েছে। এই দিনের মাধ্যমে শহীদ সেনাদের স্মরণ, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও দোয়া আদায় করা হয়। দেশের স্বাধিকার ও নিরাপত্তার জন্য যারা জীবন হারিয়েছেন, তাদের প্রতি সম্মান জানানো ও স্মরণ করার মাধ্যমে আমাদের দায়িত্ব ও গৌরবের গভীর অনুভব প্রকাশিত হয়।

  • মেহজাবীন বললেন- আমাকে টার্গেট করা হচ্ছে বহু বিষয় নিয়ে

    মেহজাবীন বললেন- আমাকে টার্গেট করা হচ্ছে বহু বিষয় নিয়ে

    প্রখ্যাত পর্দার অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ সক্রিয়। তিনি তার ব্যক্তিগত মুহূর্তগুলো শেয়ার করেন, সঙ্গে কিছু পরিস্থিতি বা অনুভূতি প্রকাশ করেন। এবার তিনি এক পোস্টে অভিযোগ করেছেন, তাকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নানাভাবে টার্গেট করা হচ্ছে। রোববার সকালে ফেসবুকে এক পোস্টে মেহজাবীন লিখেছেন, কিছুদিন ধরে তিনি লক্ষ্য করেছেন, এক বিশেষ মহল তাঁকে হয়রানি করছে। এর আগেও এক মিথ্যা মামলায় তার হয়রানি হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেছেন, যেখানে আদালত তার পক্ষের পক্ষে রায় দিয়েছে। তিনি বলেন, যখন তিনি নতুন করে কাজ শুরু করেছেন, তখনই তাকে মানহানি করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এই পরিস্থিতির জন্য তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, সাম্প্রতিক সময়ে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা ছবি ও ভিডিওর কারণে অনেক শিল্পীই বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছেন। তিনি মনে করেন, নারীদেরই বর্তমানে সবচেয়ে বেশি টার্গেটে থাকা হচ্ছে, তবে এর পেছনে কারা নেই, তা তিনি জানেন না। মেহজাবীন আরও বলছেন, তিনি শুধুমাত্র তার কাজের উপর মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করতে চান, এবং চান তার কাজগুলোই আলোচিত হোক। তিনি সকলের সমর্থন কামনা করেন। তার এই বক্তব্যের পর ভক্ত এবং সমালোচকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে; কেউ তার পাশে দাঁড়িয়েছেন, আবার কেউ এর তদন্তের দাবি তুলেছেন। উল্লেখ্য, কিছু মাস আগে তিনি পারিবারিক ব্যবসায় অংশীদার হিসেবে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ, হুমকি-ধামকি ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে আইনি ঝামেলায় জড়িয়েছিলেন, তবে আদালত থেকে তার মুক্তি মিলেছে। অন্যদিকে, সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে খবর আসে, ১৭ আগস্ট ব্যাংকক থেকে ফেরার সময় মেহজাবীন ও তার স্বামী মদের বোতলসহ আটকা পড়েন। যদিও এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হয়নি। এই সব বিষয় তাকে ব্যক্তিগত মাঠে মানহানি করার চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • রাশমিকা-মন্দানার বিয়ে সম্পন্ন, কোথায় হচ্ছে অনুষ্ঠান

    রাশমিকা-মন্দানার বিয়ে সম্পন্ন, কোথায় হচ্ছে অনুষ্ঠান

    দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা ও বিখ্যাত অভিনেতা বিজয় দেবারাকুন্ডার বিবাহের খবর অনেক দিন থেকেই আলোচনা চলছিল। অল্প কিছু মানুষ ছাড়া সাধারণ শরীরে মুখে কুলুপ এঁটে ছিলেন তারা। অবশেষে, নিজেদের প্রাকৃতিক প্রেমের বন্ধনকে স্বীকার করে নিলেন এই জুটি।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, রাশমিকা ও বিজয় তাদের আসন্ন বিবাহের জন্য একটি বিশেষ নাম রাখছেন—‘দ্য ওয়েডিং অব বিরোশ’। ভক্তরা বহু বছর ধরেই তাদের এই অনুরূপ নাম ব্যবহার করে আসছিল, যা এই দুটি তারকার মধ্যকার সম্পর্কের প্রতি সম্মান হিসেবে গ্রহণ করা হচ্ছে। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি, রাজস্থানের ঐতিহ্যবাহী শহর উদয়পুরে এই বিবাহ অনুষ্ঠান বেশ ঘরোয়া পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।

    বিবাহের ঘোষণা দিতে এক আন্তরিক বার্তায় তারা লিখেছেন, “প্রিয় বন্ধু ও পরিবারের সদস্যরা, আমাদের জন্য কিছু পরিকল্পনা করার আগে আপনি们 আমাদের জন্য একটি নাম দিয়েছেন—‘বিরোশ’। তাই আজ, আমাদের এই বিশেষ দিনটির জন্য আপনারা যে ভালোবাসা দেখাচ্ছেন, সেই ভালোবাসার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে, এটি ‘দ্য ওয়েডিং অব বিরোশ’ হিসেবে ঘোষণা করছি। আপনাদের ভালোবাসা ও সমর্থন আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আপনি আমরা সবসময় আমাদের জীবনজুড়ে থাকবেন, এই বিশ্বাসে আমরা আপনাদের ধন্যবাদ জানাই।”

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিয়ের পরে রাশমিকা ও বিজয় তার হায়দরাবাদ ও মুম্বাইয়ে দুটি আলাদা রিসেপশনের কথা পরিকল্পনা করেছেন, যেখানে তাদের কাছের মানুষেরা উপস্থিত থাকবেন।

  • কলকাতায় ‘গ্যাংস্টার’ লুকে শাকিব খান, প্রকাশ্যে শুটিংয়ের ছবি ভাইরাল

    কলকাতায় ‘গ্যাংস্টার’ লুকে শাকিব খান, প্রকাশ্যে শুটিংয়ের ছবি ভাইরাল

    আসন্ন ঈদুল ফিতরে মুক্তি পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশের জনপ্রিয় সিনেমা তারকা শাকিব খানের নতুন সিনেমা ‘প্রিন্স: ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ঢাকা’। সিনেমাটির শুটিং নিয়ে বর্তমানে শাকিব খান কলকাতায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। গত কয়েক দিন ধরে তিনি কলকাতার বিভিন্ন স্থান—বৌবাজার, হাওড়া, আলিপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় এই ছবির দৃশ্যধারণ চালিয়ে যাচ্ছেন। সম্প্রতি কিছু ছবি প্রকাশ পেয়েছে যেখানে দেখা যায় শাকিব খানের নতুন লুকের উত্তেজনাপূর্ণ ফুটেজ। এসব ছবি ভারতীয় বাংলা গণমাধ্যম আনন্দবাজার অনলাইনে প্রকাশিত হয়েছে।

    ছবিগুলোতে দেখা যায়, শাকিব খানের চরিত্র নব্বই দশকের বিখ্যাত গ্যাংস্টার ‘কালা জাহাঙ্গীর’এর মতো দৃষ্টিতে দেখা যাচ্ছে। অগোছালো চুল, ঘন দাড়ি-গোঁফ, বুক খোলা জ্যাকেটের নিচে শার্ট—সব কিছুর মধ্যে তিনি পুরোপুরি ভিন্ন এক রূপ ধারণ করেছেন। এই নতুন লুকে তিনি যেন এক কঠোর গ্যাংস্টারের চরিত্রে ফুটে উঠেছেন, যা পরিচালকের নির্দেশনায় নির্মিত হয়েছে। সিনেমাটিতে দেখানো হবে, সাধারণ মানুষের জীবনে ছোট থেকে বড় হয়ে দুর্ধর্ষ দস্যু হয়ে ওঠা ‘কালা জাহাঙ্গীরের’ জীবনযাত্রার গল্প।

    আনন্দবাজারের খবর অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে কলকাতার হাওড়ার শালিমারে একটি পুরোনো কারখানায় রাতভর এই ছবির অ্যাকশন ও মারপিটের দৃশ্যের শুটিং শুরু হয়। এরপর ১১ ফেব্রুয়ারি বৌবাজারের মাধো ভবনে সিনেমার দৃশ্যধারণ সম্পন্ন হয়, যেখানে শাকিব খানের বাইক চলাকালীন দৃশ্যের শুটিং চলছিল। এই দৃশ্যের সময় স্থানীয় কিছু মানুষের কৌতূহলও চোখে পড়ে। এই ধাপের কাজ শেষে পুরো ইউনিট এখন ভারতের হায়দরাবাদে গিয়ে শুটিং চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

    বলা হচ্ছে, এই সিনেমায় শাকিব খানের বিপরীতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ ও পশ্চিমবঙ্গের জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু। এছাড়াও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আছেন বাংলাদেশের শরীফ সিরাজ, মাহমুদ, পাশাপাশি কলকাতার লোকনাথ দে, পিয়ন সরকার ও মৃত্যুঞ্জয় ভট্টাচার্য।

    সিনেমাটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশের শুটিংয়ের জন্য বাংলোডের প্রখ্যাত সিনেমা নির্মাতা অমিত রায় ও শৈলেশ অবস্থী দায়িত্বে আছেন। জানা গেছে, শুটিং শুরুর এই প্রথম অংশে শ্রীলঙ্কায় শুটিং শেষ হওয়ার পরে দ্বিতীয় লটের কাজ চলছে। এই প্রজেক্টটি ‘ক্রিয়েটিভ ল্যান্ড ফিল্মস’ এর ব্যানারে শিলিন সুলতানা প্রযোজনায় নির্মিত, আর এটি চলতি বছরের ঈদুল ফিতরে দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির জন্য প্রস্তুত।

  • কণ্ঠশিল্পী নোবেল গ্রেপ্তার

    কণ্ঠশিল্পী নোবেল গ্রেপ্তার

    বিতর্কিত কণ্ঠশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেলকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে আটকে রেখে হেনস্তাและ আপত্তিকর ছবি তৈরির চেষ্টার অভিযোগে তার গ্রেপ্তার হয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার বটতলা এলাকায় ডেমরা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।

    ডিএমপির ডেমরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুরাদ হোসেন বলেন, নোবেলের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে আটকে রাখার এবং তার সঙ্গে হেনস্তা করার অভিযোগে মামলা রয়েছে। এই মামলার আদালত থেকে ওয়ারেন্ট জারি হওয়ার পর, সেই ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে তাকে সোমবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের সিদ্দিরগঞ্জ থানার বটতলা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    তিনি আরো জানিয়েছেন, বর্তমানে নোবেল থানায় রয়েছেন এবং আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

    প্রথম দিকে জানা যায়, নোবেল একজন তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নিজস্ব স্টুডিওতে একদিনের জন্য আটকে রাখেন। এ সময় জোরপূর্বক তার আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও তৈরির চেষ্টা করেন।

    পুলিশের সূত্রে জানা যায়, এই ঘটনার পর ভুক্তভোগী তরুণী ২০২৫ সালের ১৩ আগস্ট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তের জন্য আদালত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কে দায়িত্ব দেয়। ২০২৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পিবিআই এর একজন এসআই নুরুজ্জামান তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করলে, আদালত ওই দিনই নোবেলসহ চারজনের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করেন। subsequently, ডেমরা থানাকে নির্দেশ দেওয়া হয় তাদের আইনের আওতায় এনে দ্রুত আদালতের মাধ্যমে সোপর্দ করার।

  • অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীর আইনি ব্যবস্থা

    অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীর আইনি ব্যবস্থা

    অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী সম্প্রতি বিমানবন্দরে অবৈধ পণ্যসহ আটক হওয়ার খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। তিনি জানান, সোমবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি দীর্ঘ পোস্টে এই বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। তিনি বলেন, তাকে জড়িয়ে যে মানহানিকর প্রচার চালানো হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে তিনি ইতোমধ্যে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।

    ফেসবুক পোস্টে মেহজাবীন উল্লেখ করেন, সম্প্রতি যে ঘটনার উপর ভিত্তি করে তাকে অপপ্রচার চালানো হয়েছে, সেটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তিনি স্পষ্ট করেন, কখনোই বিমানবন্দরে তাকে থামানো হয়নি, তার লাগেজ বা হ্যান্ডব্যাগ জব্দের কোনও ঘটনা ঘটেনি। এমনকি তার লাগেজে বা হ্যান্ডব্যাগে অবৈধ কোনও সামগ্রী পাওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। ঘটনার সময়ে তিনি বিমানবন্দরে ছিলেন না এবং কোনো কর্মকর্তা তার কাছ থেকে কোনো জিজ্ঞাসাবাদ করেননি।

    অভিনেত্রী প্রশ্ন করেন, নির্দিষ্ট কোনও ছবি, ভিডিও বা প্রমাণ রয়েছে কি, যেখানে দেখা যায় তার লাগেজ থেকে কিছু অবৈধ মালামাল জব্দ হয়েছে? তিনি ক্ষোভের সাথে বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে মানহানি এখন খুব সাধারণ ও স্বাভাবিক ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। যেসব খবর ছড়ানো হয়েছে, তার মধ্যে একটিও প্রমাণ Present করেনি যে তার লাগেজে কোনও অবৈধ কিছু ছিল। এর পরিবর্তে, তার ছবি ব্যবহার করেই অপপ্রচার চালানো হয়েছে।

    মেহজাবীন আরো বলেন, এই ধরনের ঘটনা খুবই উদ্বেগজনক এবং কারো জন্যই কাম্য নয়। তিনি আবারও স্পষ্ট করেন, তার বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ অমূলক এবং এসব অপপ্রচার এবং দোষারোপের সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই।

    এর আগে রোববার সকালে তিনি নিজের পোস্টে জানান, কিছুদিন ধরে তিনি বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার ও হুমকির মুখোমুখি হচ্ছেন। উল্লেখ্য, তিন মাস আগে পারিবারিক ব্যবসায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে একটি আইনি জটিলতায় পড়েছিলেন, তবে পরে আদালত থেকে তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

    বিতর্কের সূত্রপাত ঘটে একটি সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে, যেখানে দাবি করা হয়েছিল, গত ১৭ আগস্ট ব্যাংকক থেকে ফেরার সময় বিমানবন্দরে তাকে ও তার স্বামীকে মদের বোতলসহ আটক করা হয়। তবে এই খবরের সত্যতা পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ের প্রেক্ষিতে, মেহজাবীন স্পষ্ট করে জানান, এই অভিযোগের কোনও সত্যতা নেই এবং তিনি এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেবেন।