লন্ডন পুলিশ অ্যান্ড্রু অ্যান্ডারসন নামে একজন সাবেক ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতকে সরকারি পদে অসদাচরণের সন্দেহে গ্রেফতার করেছে। পিটার ম্যান্ডেলসন নামে এই ব্যক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত হওয়ার পর থেকে তার বিরুদ্ধে নানা বিতর্ক ও তদন্ত চলছিল। তিনি সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউনের সরকারের সময় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। নতুন তথ্য প্রকাশের পরে, যেখানে জানা যায় এপস্টেইনের সাথে তার গভীর সম্পর্ক ও যোগাযোগ, তখন থেকেই তার অবস্থান অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিল। সেপ্টেম্বর মাসে তাকে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পদ থেকে সরানো হয়, আর জনগণের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয় তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও কার্যকলাপ নিয়ে। সম্প্রতি, ব্রিটিশ পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয় যে, একজন ৭২ বছর বয়সী সাবেক মন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরকারি পদে অসদাচরণের সন্দেহে তদন্তের অংশ হিসেবে গ্রেফতার করা হয়েছে। এটি বোঝায় যে, এপস্টেইনের সাথে তার যোগাযোগের ব্যাপারে নতুন করে অঙ্কুরোদগম ঘটেছে, যেসব ইমেল ও ফাইলস প্রকাশিত হয়েছে, সেখানে তাদের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের তথ্য রয়েছে। এর আগেও, তিনি গর্ডন ব্রাউনের সরকারে মন্ত্রী থাকাকালে এপস্টেইনের সঙ্গে তথ্য বিনিময় করেছিলেন বলে জানা গেছে। তার বিরুদ্ধে দোষারোপের মধ্যে রয়েছে গোপন নথি পাঠানো ও গভীর সম্পর্কের বিষয়। তবে, নিজেকে ওই সম্পর্কের জন্য অনুতপ্ত বলে স্বীকার করলেও, তিনি এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি। এর আগে, রাজা দ্বিতীয় চার্লসের ভাই অ্যান্ড্রুকের বিরুদ্ধে এপস্টেইনের কাছে গোপন নথি পাঠানোর অভিযোগে গ্রেফতারও হয়েছিল। এই সব ঘটনা ব্রিটিশ রাজনীতির মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে এবং স্বরাষ্ট্র ও নিরাপত্তা বিষয়ক তদন্ত চলমান রয়েছে।
Blog
-

পশ্চিম তীরে মসজিদে আগুন ও ভাঙচুর চালালে ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীরা
অধিকৃত পশ্চিম তীরে পবিত্র রমজান মাসের মধ্যে একটি মসজিদে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালিয়েছে উগ্রপন্থী ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীরা। ফিলিস্তিনিদের ওপর চলমান সহিংসতা ও দমন-পীড়নের ধারাবাহিকতায় সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে এই ঘটনা ঘটে।
ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ‘ওয়াফা’ জানায়, পশ্চিম তীরের নাবলুসের কাছে সররা ও তাল শহরের মাঝামাঝি অবস্থিত ‘আবু বকর আস-সিদ্দিক’ নামক মসজিদে হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা মসজিদের দেয়ালে মহানবী (সা.)-কে অবমাননা করে বর্ণবাদী স্লোগান লিখে যায়।
সংবাদ সংস্থা এপি উল্লেখ করেছে, ফজরের নামাজের জন্য মুসল্লিরা যখন মসজিদে আসেন, তখন তারা প্রবেশপথে ধোঁয়া ও আগুনের আলামত দেখতে পান। মসজিদের প্রবেশদ্বারের কাঁচ ভাঙা এবং পোড়া দাগ দেখতে পাওয়া গেছে।
পাশের বাসিন্দা মোনির রামদান বলেন, ‘আমি দরজা খুলে দেখলাম সেখানকার ভেতরে আগুন জ্বলছে এবং জানালার কাঁচ ভাঙা।’ তিনি আরও জানান, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, দুইজন ব্যক্তি পেট্রোল এবং স্প্রে-পেইন্ট নিয়ে মসজিদের দিকে এগিয়ে আসছিল এবং কিছুক্ষণ পর পালিয়ে যায়।
হামলাকারীরা দেয়ালে ‘প্রতিশোধ’ এবং ‘প্রাইস ট্যাগ’ শব্দগুলো লিখে রেখে গেছে। ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীরা সাধারণত এই ‘প্রাইস ট্যাগ’ শব্দটি ব্যবহার করে, যা ফিলিস্তিনিদের এবং তাদের সম্পত্তির ওপর হামলার সময় মনে করা হয়। সচেতন বাসিন্দা সালেম ইশতায়েহ বলেন, ‘তারা আমাদের ধর্মবিশ্বাস ও ইসলামকে আঘাত করে উস্কানি দিতে চাইছে, বিশেষ করে রমজানের এই সময়ে।’
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ি, গত বছর পশ্চিম তীরে কমপক্ষে ৪৫টি মসজিদে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরু হলে পশ্চিম তীরেও সহিংসতা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। জাতিসংঘের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সময়ে এখন পর্যন্ত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সেনা ও বসতিস্থাপনকারীদের হাতে অন্তত ১,০৯৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের পদ্ধতিগত বলপ্রয়োগ এবং ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ নীতি ‘জাতিগত নিধন’ ও ‘যুদ্ধাপরাধের’ পর্যায়ে পড়ে।
ইসরায়েলি সেনা ও পুলিশ জানিয়েছে, তারা এই ঘটনায় তদন্ত করছে এবং সন্দেহভাজনদের খুঁজছে। তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে অন্য কথা। ইসরায়েলি মানবাধিকার সংস্থা ‘বি-তসেলেম’ অভিযোগ করেছে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ ফিলিস্তিনের ভূমি দখলের জন্য এই ধরণের হামলা উস্কে দিচ্ছে এবং সহিংসতাকে ত্বরান্বিত করছে। এর আগে জাতিসংঘও জানিয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর সরাসরি অংশগ্রহণ বা সহযোগিতায় এই হামলাগুলি পরিচালিত হয়।
-

কারাগার থেকে হাসপাতালে ইমরান খান
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের চোখের চিকিৎসার দ্বিতীয় ধাপ সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ইসলামাবাদের পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস (পিআইএমএস)-এ তাকে অ্যান্টি-ভিেজিএফ ইনট্রাভিট্রিয়াল ইনজেকশনের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়। পিআইএমএসের নির্বাহী পরিচালক ডা. ইমরান সিকান্দার এক মেডিকেল আপডেটে জানিয়েছেন, ৭৪ বছর বয়সী এই নেতাকে সেন্ট্রাল জেল আদিয়ালা থেকে ফলো-আপ চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আনা হয়। চিকিৎসার প্রক্রিয়ার আগে এবং পরে তিনি শারীরিকভাবে স্থিতিশীল ছিলেন। প্রথম ডোজের পরে দৃষ্টিশক্তির কিছু উন্নতি দেখা গেছে, তাই চিকিৎসকদের পরামর্শে নির্ধারিত সময়ে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়। সেখানে আরও বলা হয়েছে, তার দৃষ্টিশক্তির আরও উন্নতি হয়েছে। আগেরবার ২৪ ও ২৫ জানুয়ারির মাঝরাতে একই অপারেশন থিয়েটারে এই ইনজেকশনটি দেওয়া হয়েছিল, এখন এক মাস পার হয়ে গেলে দ্বিতীয় ডোজ হয়। এ সময় আল-শিফা আই ট্রাস্ট হাসপাতালের কনসালট্যান্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. মুহাম্মদ আরিফ এবং ভিট্রিও-রেটিনাল সার্জন ডা. নাদিম কুরেশি মাইক্রোস্কোপের সাহায্যে এই ইনজেকশনটি প্রয়োগ করেন। কঠোর মানসম্মত প্রটোকল অনুসরণ করে ডে-কেয়ার পদ্ধতিতে চিকিৎসাটি সম্পন্ন হয়। ইনজেকশনের আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি বোর্ড তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। একজন কার্ডিওলজিস্ট তার ইসিজি ও ইকোকার্ডিওগ্রাফি করেন, যেগুলোর ফলাফল স্বাভাবিক আসে। এছাড়াও, একজন ফিজিশিয়ান তার সামগ্রিক শারীরিক পরীক্ষা করেন। সবশেষে, তাকে ক্লিনিক্যালি স্থিতিশীল ও চিকিৎসার জন্য উপযুক্ত ঘোষণা করা হয়।
-

ইরানে সরকার বিরোধী বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের ঘোষণা
ইরানে গত জানুয়ারিতে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ও সহিংসতায় জড়িত এক নাগরিকের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। তেহরানের একটি বিপ্লবী আদালত মঙ্গলবার এই রায় দেন। এই রায় যদি কার্যকর হয়, তাহলে জানুয়ারির বৃহৎ গণবিক্ষোভের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এটাই প্রথম মৃত্যুদণ্ড। এক ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে, রায় এখনও মোহাম্মদ আব্বাসির বিরুদ্ধে সরকারি সিদ্ধান্ত নয়, এবং দেশটির সুপ্রিম কোর্টও সেটি অনুমোদন করেনি। সূত্রের মতে, আব্বাসির বিরুদ্ধে এক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে, যদিও তার পরিবার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, ইরানে চলমান সরকারের বিরুদ্ধে চলা বিক্ষোভে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যাপকভাবে রক্তক্ষরণের সঙ্গে দমন অভিযান চালিয়েছে, যার ফলে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এই জানুয়ারির বিক্ষোভই ছিল সর্বশেষ ও সবচেয়ে মারাত্মকসহিংসতার ঘটনা। বিক্ষোভের সময়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, যদি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়, তবে তিনি তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের নির্দেশ দিতে পারেন। এদিকে, অভিযোগে মোহাম্মদ আব্বাসির মেয়ে ফাতেমেহ আব্বাসিকেও ২৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযুক্তরা তাদের পছন্দের আইনজীবীর সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পাননি; তাদের জন্য রাষ্ট্রীয় আইনজীবী নিয়োগ করা হয়েছে।
-

যুক্তরাষ্ট্রের এফ-২২ স্টিলথ যুদ্ধবিমান মধ্যপ্রাচ্যের দিকে রওনা
মধ্যপ্রাচ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের আধুনিক এফ-২২ স্টিলথ যুদ্ধবিমান। সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, যুক্তরাজ্যের একটি ঘাঁটিতে কয়েকদিন অবস্থান করার পর আজ মঙ্গলবার এসব যুদ্ধবিমান মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ডাটায় দেখা গেছে, রয়্যাল এনএফএ ব্রিটিশ বিমান বাহিনীর লেকেনহেথ ঘাঁটি থেকে এফ-২২ যুদ্ধবিমানগুলো উড্ডয়ন করছে। এর পাশাপাশি রয়েছে কেসি-৪৬ রিফুয়েলার বিমান, যা এসব যুদ্ধবিমানকে প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহে সহায়তা করছে। গত সপ্তাহে যুক্তরাজ্যের এই ঘাঁটিতে এসেছে যুদ্ধবিমানগুলো এবং কয়েকদিন সেখানে অবস্থান করে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে জানা গেছে, রিফুয়েলার বিমানের কিছু সমস্যা থাকায় এগুলো সেখানে অবতরণ করে। এই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে রণতরী ও অন্যান্য যুদ্ধজাহাজের বিশাল বহর জমা করেছে। এর মধ্যে রয়েছে অত্যাধুনিক এফ-২২ সহ এফ-৩৫, এফ-১৫, ও এফ-১৬ সহ বহু বিমান। বিমানবাহী এই বহরের জন্য কয়েক ডজন বিমানকে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে চালানো হয়েছে বলে ট্র্যাকিং দল জানিয়েছে। তারা বলেছে, ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে থেকে এসব যুদ্ধবিমান ও জ্বালানি ট্যাংকার, বিশাল আকারের কার্গো বিমান কৌশলে ওই অঞ্চলে প্রবেশ করছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম সুপারশিপ ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড ক্রিট দ্বীপের সুদা বে নৌঘাঁটিতে এসে পৌঁছেছে। বর্তমানে এটি ইরান থেকে মাত্র ২৫০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়ার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই নৌবহরকে মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেন। এর উদ্দেশ্য ইরানকে তার পরমাণু কর্মসূচি বাতিল, ক্ষেপণাস্ত্রের রেঞ্জ কমানো ও শর্ত ভেঙে হিজবুল্লাহ ও হামাসের মতো সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে বাধ্য করা। ট্রাম্প বারংবার হুমকি দিয়েছেন, যদি ইরান তাদের শর্ত মানে না, তাহলে কঠোর সামরিক ব্যবস্থা নেবে যুক্তরাষ্ট্র। এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে একের পর এক রণতরী ও যুদ্ধ জাহাজ মধ্যপ্রাচ্যে নিয়েছে। এর সঙ্গে যোগ দিয়ে এসেছে ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড। সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল
-

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত বাজারে মহানগর বিএনপি’র সভাপতি পরিদর্শন
খুলনা নগরীর বায়তুন নূর শপিং সেন্টারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানপাট পরিদর্শন করেছেন মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা। মঙ্গলবার সকালে তিনি ঘটনাস্থলে এসে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলো ঘুরে দেখেন এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজখবর নেন ও দ্রুতই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আহ্বান জানান।
প্রসঙ্গত, ঘটনার দিকে লক্ষ্য করে জানা যায়, সোমবার রাত ১১টার দিকে শপিং সেন্টারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে মোবাইলের দোকানসহ প্রায় ১০ থেকে ১২টি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় রাত ১২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে, তবে অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে।
পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কেসিসির রাজস্ব কর্মকর্তা এস কেই তাছাদুজ্জামান, মহানগর বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক বদরুল আনাম খানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। শফিকুল আলম মনা এ ঘটনায় দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে সতর্কতা অবলম্বনের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।
-

কালীগঞ্জে র্যাবিস ভ্যাকসিনের বরাদ্দের টাকা অবশেষে উদ্ধার
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত রোগীদের জন্য বরাদ্দকৃত দুই লাখ টাকার র্যাবিস ভ্যাকসিনের খোঁজ finally পাওয়া গেছে। দীর্ঘ দুই মাস ধরে এই অর্থের কোন খোঁজ না পাওয়ায় এবং ভ্যাকসিনের ব্যাপক সংকটের কারণে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছিলেন। এ অবস্থায় স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বিষয়টি প্রকাশিত হলে পরিস্থিতিতে নজরে আসে প্রশাসন। এরপর দ্রুততম সময়ে জরুরী ভিত্তিতে ৫০ ভায়াল র্যাবিস ভ্যাকসিন ক্রয় করা হয়।
জানা যায়, গত তিন থেকে চার মাস ধরে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে র্যাবিস ভ্যাকসিনের প্রবল সংকট চলছিল। এর ফলে কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত রোগীরা প্রয়োজনীয় জীবন রক্ষাকারী এই ভ্যাকসিন না পেয়ে বিপদে পড়েন। অনেক রোগীকে বাধ্য হয়ে ঝিনাইদহ সদর, যশোরসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে গিয়ে উচ্চ মূল্য দিয়ে ভ্যাকসিন কেনার অপশন নিতে হয়। এতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতি অনেকটাই বেড়ে যায়।
প্রায় দুই মাস আগে উপজেলা পরিষদ থেকে বরাদ্দ দেওয়া দুই লাখ টাকার মধ্যে এই ভ্যাকসিন কেনা হবে বলে ঘোষণা দেয়ার পরও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সেটি কেনা হয়নি। বরং এই অর্থ নিয়ে গড়িমসি ও আত্মসাতের অভিযোগ উঠতে থাকে। বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে, গত সোমবার উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় বিষয়টি তোলার পর ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা হয়। সভায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবিলম্বে জরুরী ভিত্তিতে ভ্যাকসিন কেনার নির্দেশ দেয়া হয়। এরপরই, পরের দিন মঙ্গলবার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ওই বরাদ্দকৃত অর্থ থেকে জরুরী ভিত্তিতে ৫০ ভায়াল র্যাবিস ভ্যাকসিন কিনে নেয়। বেলা ১১টার দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেজওয়ানা নাহিদের সামনে এই ভ্যাকসিনগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করা হয়। ঘটনায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মাইনুর রহমান, স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীসহ অন্যান্য উপজেলা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
স্থানীয় সচেতন মহল ভ্যাকসিনের সরবরাহ দ্রুত শুরু করার দাবী জানিয়ে বলেছেন, ভবিষ্যতে যেন এই ধরনের অবহেলা ও গাফিলতি পুনরাবৃত্তি না ঘটে, এজন্য স্বাস্থ্য বিভাগের জবাবদিহিতা ও কঠোর নজরদারির প্রয়োজন রয়েছে।
-

উপকূলীয় উন্নয়ন ও সেবা নিশ্চিত করতে ‘টিমওয়ার্ক’ অপরিহার্য, বলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ
উপকূলীয় জনপদ কয়রা ও পাইকগাছার টেকসই উন্নয়ন ও জনসেবাকে আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে সরকারী কর্মকর্তাদের একত্রে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন খুলনা-৬ সংসদ সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে কয়রা উপজেলা পরিষদ কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমি চাই এই অঞ্চলের মানুষের জন্য কাজ করতে। সরকারের প্রতিটি দপ্তর যেন সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছায়, এই লক্ষ্যে সবাই একসঙ্গে কাজ করতে হবে। কোনো ফাইল যেন অহেতুক আটকে না থাকে এবং সেবাগ্রহীতারা যেন হয়রানির শিকার না হন, সে জন্য কঠোর নজরদারি চালাতে হবে। আলোচনায় উপকূলীয় অঞ্চলের প্রধান সমস্যা উঠে আসে জরাজীর্ণ ভেড়িবাঁধের কারণে সৃষ্টি হওয়া দুর্যোগ ও পানির সংকট। কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল বাকীর সভাপতিত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ রেজাউল করিম, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার এম শুভনিয়াম, ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ শুভ বিশ্বাস, উপজেলা কৃষি অফিসার তিলোক কুমার ঘোষ, উপজেলা নির্বাচন অফিসার মুহতারাম বিল্লাহ, সহকারী প্রকৌশলী (জনস্বাস্থ্য) ইশতিয়াক আহম্মেদ, উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসার মোঃ জামাল, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সহ-সভাপতি অধ্যাপক ওয়ালিউল্লাহ, কয়রা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মিজানুর রহমান, নায়েবে আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম, সেক্রেটারি শেখ সায়ফুল্লাহ, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা সুজাউদ্দীন আহমেদ, কয়রা সদর ইউনিয়নের আমীর মিজানুর রহমানসহ আরো বেশ কয়েকজন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এই সভায় দপ্তরপ্রধানরা নিজ নিজ প্রকল্পের চলমান অগ্রগতি ও সামনের চ্যালেঞ্জগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরে দৃষ্টান্তমূলক আলোচনা করেন। এর মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারী দপ্তর একসঙ্গে কাজ করে উপকূলীয় এলাকার উন্নয়ন ও সমস্যা মোকাবিলায় আরও দক্ষতা অর্জন করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
-

সাতক্ষীরায় চলতি মৌসুমে ৪ হাজার ১৩৭ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ
সাতক্ষীরায় এবার মুকুল আকাশে ভরে গেছে প্রতিটি আম গাছে। গাছে গাছে এখন মুকুলের ঝলক দেখা যাচ্ছে, আর এর সঙ্গে ছড়িয়ে পড়েছে মিষ্টি ফুলের মহি ঘ্রাণ। এই বছর জেলায় মোট ৪ হাজার ১৩৭ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য। কৃষি বিভাগের প্রাক্কলন অনুযায়ী, উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭০ হাজার ৯০০ মেট্রিক টন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় সরকার ও চাষিরা আশাবাদী, এই মৌসুমে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। আরও বেশি পরিমাণ আম রপ্তানি করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে কৃষি বিভাগেও।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, চলতি ২০২৫-২৬ মৌসুমে সাতক্ষীরায় বিভিন্ন জাতের আম চাষ হয়েছে। এর মধ্যে হিমসাগর এক হাজার ৮৯৯ হেক্টর, আম্রপালি ৫৬৪ হেক্টর, গোবিন্দভোগ ৩৮২ হেক্টর, গোপালভোগ ২১৯ হেক্টর, লতা ১৪৩ হেক্টর, মল্লিকা ৮০ হেক্টর এবং বোম্বাই ৫০ হেক্টর। এ ছাড়াও আরও স্থানীয় অনেক জাতের আমের আবাদ চলমান রয়েছে। উপজেলা ভিত্তিক আবাদের মধ্যে সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় ১ হাজার ২৫০ হেক্টর, কলারোয়া ৬৫৮, তালা ৭১৫, দেবহাটা ৩৭০, কালিগঞ্জ ৮৩৯, আশাশুনি ১৪৫, এবং শ্যামনগর ১৬০ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছে।
গত মৌসুমে মোট ৭০ হাজার ৮৮০ টন আম উৎপাদিত হয়েছিল। এই মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭০ হাজার ৯০০ টন, অর্থাৎ উৎপাদন যে লক্ষ্য ছাড়িয়ে যাবে, তা বলাই যায়। আবহাওয়া ভালো থাকলে আরও বেশি ফলনের আশাও করছেন কৃষকরা। বর্তমানে জেলায় মোট ৫ হাজার ২৯৯টি আমবাগান রয়েছে এবং চাষির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০ হাজার ৭৪৫ জনের মতো। এর মধ্যে নিবন্ধিত চাষি আছেন ৩৫১ জন।
চাষিরা বলছেন, মুকুল আসার পর থেকেই বাগানের যত্ন আরও জোরদার করা হয়েছে। রোগবালাই থেকে রক্ষা পেতে কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী কীটনাশক ব্যবহার ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ চালানো হচ্ছে। তারা আশাবাদী, যদি আবহাওয়া সুন্দর থাকে, তাহলে ফলন আরও ভালো হবে।
সাতক্ষীরার কৃষি বিভাগ বলছে, এখানকার মাটি ও আবহাওয়া আম চাষের জন্য একদম উপযুক্ত। এই বছর তারা আশা করছে যে, উৎপাদনে যেন কোনও বিঘ্ন না আসে। উপ-পরিচালক সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিভিন্ন জাতের আমের জন্য স্থানীয় চাষিরা নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। এ বছর নিরাপদ ও গুণগত মানসম্পন্ন আম উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরো জানান, ২০২২-২৩ অর্থবছরে সাতক্ষীরা থেকে ১৮০ টন আম বিদেশে রপ্তানি হয়েছিল। এরপর ২০২৩-২৪ সালে রপ্তানি হয় ৬০ টন এবং ২০২৪-২৫ মৌসুমে ৭২ টন আম রপ্তানি হয়েছে। চলতি মৌসুমে তারা লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন অন্তত ১০০ টন আম রপ্তানির। এটি অর্জন করতে তারা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন।
-

নড়াইলে চারজনের হত্যাকাণ্ডে এখনো মামলা হয়নি, আটক ৭ জন
নড়াইলের সদর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় বাবা-ছেলেসহ চারজন নিহত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখনো ভুক্তভোগী পরিবার কোনো মামলা করেনি। তবে পুলিশ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে সাতজনকে আটক করেছে।
নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওলি মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আটককৃত ব্যক্তিরা হলো: সদর উপজেলার সিংগা গ্রামের ইউপি সদস্য মুশফিকুর রহমান ওরফে মোফাজ্জেল (৫৫), তারপুর গ্রামের মৃত রুফল মোল্যার ছেলে সদর মোল্য-সহ (৩৬), তৈয়ব শিকদারের ছেলে সূর্য শিকদার লাজুক (৩২), সবুর মোল্যার ছেলে জসিম মোল্যা (৩৬), একই গ্রামের আমিন শিকদারের ছেলে রনি শিকদার (২৯), বড়কুলা গ্রামের মৃত লালন ফকিরের ছেলে হালিম ফকির (৬০) এবং কালিয়া উপজেলার খড়রিয়া গ্রামের তোজাম মোল্যার ছেলে তুফান মোল্যা (৩০)।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিংগা উপজেলার সিংগা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. খায়েরুজ্জামান মোল্যা খয়ের ও খলিল শেখদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে অনেকবার পাল্টাপাল্টি হামলা হয়। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে সেহরির পর খয়ের উদ্দিনের লোকজন বড়কুলা এলাকায় খলিল শেখের সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। গুলি চালিয়ে আতঙ্কের সৃষ্টি করে। এই হামলায় খলিল শেখ, তার ছেলে তাহাজ্জুদ শেখ ও চাচাতো ভাই ফেরদৌস শেখকে কুপিয়ে ঘটনাস্থলেই হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় আরও ১০ জন আহত হন। পরে তাদের চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে নেয়া হলে ডাক্তারেরা আহতরা মারা গেছে বলে ঘোষণা করেন।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে নিহত খলিল শেখ, তার ছেলে তাহাজ্জুদ এবং চাচাতো ভাই ফেরদৌসের মরদেহ সিংগা উপজেলা বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে দাফন করা হয়। একই দিন বিকেলে খয়রূদ্দিনের সহযোদ্ধা ও ইউপি সদস্য মোফাজ্জেলকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে সিংগা এলাকা থেকে আটক করে।
পুলিশ বলছে, এই ঘটনাগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে ১৫৪ ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে, এবং গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।
