Blog

  • সৌদি আরবের রাজধানীতে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ

    সৌদি আরবের রাজধানীতে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ

    মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমানে উত্তেজনা ও অস্থিতিশীলতার মাঝে ইরান বিভিন্ন দেশের মার্কিন ঘাঁটি ও সামরিক স্থাপনায় প্রতিশোধমূলক হামলা চালাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে শনিবার সকালে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। বার্তা সংস্থাগুলোর রিপোর্ট অনুযায়ী, এএফপি এর করসপন্ডেন্ট জানিয়ে থাকেন যে, রিয়াদে দুটি বড় বিস্ফোরণের গুরুতর শব্দ শুনেছেন তিনি। পাশাপাশি ছোট ছোট বিস্ফোরণের আওয়জও কানে এসেছে, যা পরিস্থিতির ভয়াবহতা নির্দেশ করে। এ ঘটনার সময় মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যৌথ হামলা চালানোর খবর মিলেছে, যার প্রতিশোধ হিসেবে ইরান ইসরায়েল ও মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালাতে শুরু করে। ইতোমধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও বাহরাইন নিশ্চিত করেছে যে, তারা ইরানের মিসাইল হামলার শিকার হয়েছে। তবে সৌদি আরব এখনো এই ঘটনাটির আনুষ্ঠানিক বিষয়টি নিশ্চিত করেনি। ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি এখনও আওয়ামী ঝুঁকি এড়িয়ে চলার জন্য নিরাপত্তা বাহিনী সতর্ক রয়েছে। সূত্র: আলজাজিরা, এএফপি

  • রমজান: আত্মশুদ্ধি ও নৈতিক উন্নতির অপূর্ব সময়

    রমজান: আত্মশুদ্ধি ও নৈতিক উন্নতির অপূর্ব সময়

    খুলনা-৪ আসনের নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য, বিএনপি’র তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, পবিত্র মাহে রমজান মানুষের আত্মশুদ্ধি ও নৈতিক উন্নতির জন্য এক অনন্য সময়। এই বরকতময় মাস মানুষকে সৎ, নিষ্ঠাবান, কর্তব্যপরায়ণ ও সংযমী হতে শেখায় এবং সমাজে শান্তি, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগিয়ে তোলে। রমজান শুধু ইবাদতের মাস নয়, বরং নিজেকে সমালোচনার সময় ও মানবকল্যানে আত্মনিবেদন করার উৎকৃষ্ট সময়। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, রমজানের এই চেতনাকে ধারণ করে সবাই বিভেদ ভুলে একাত্ম হয়ে দেশ গঠনে বর্তমান বিএনপি সরকারকে সহযোগিতা করবে। খুলনা-৪ আসনের জনগণের উদ্দেশ্যে তিনি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সবাই যেন রমজানের শিক্ষাকে হৃদয়ে ধারণ করে ন্যায়, সততা ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হয়। এইভাবে তারা দেশ ও সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

    গতকাল শুক্রবার বিকেলে, আইচগাতী ইউনিয়নের সরকারি রূপসা কলেজে রূপসা-তেঁরখাদা-দিঘলিয়া নির্বাচন পরিচালনা পরিষদের আয়োজনে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে খুলনা-৪ আসনে আজিজুর বারী হেলাল বিজয়ী হওয়ার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করে, গণ ইফতারের আয়োজনের সময় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বিএনপি’র চেয়ারপারসন তারেক রহমান দেশবাসীর হৃদয়ে এক নুতন জায়গা করে নিয়েছেন এবং তিনি দল-মত, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সকলের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। দেশের প্রতিটি নাগরিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করায় তিনি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। আমি শুধু বিএনপি বা এর অঙ্গসংগঠনের নয়, আমি এই এলাকার সকল মানুষেরই প্রতিনিধি হতে চাই। আমার জন্য ধনী-গরীব, ছোট-বড়, ভিন্ন মত বা ভিন্ন পরিচয়ের মানুষ কোনও পার্থক্য করে না; সবার সমস্যা আমার। সবার উন্নয়নই আমার লক্ষ্য।

    তিনি আরও বলেন, জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা ও ভালোবাসার মাধ্যমে খুলনা-৪ আসনকে একটি আদর্শ, আধুনিক ও উন্নয়নশীল এলাকার রূপ দিতে আমি একনিষ্ঠ। আমাদের প্রচেষ্টায় শিক্ষা, স্বাস্থ্যে উন্নয়ন, যোগাযোগের ক্ষেত্রে উন্নতি, এবং কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করবে। পাশাপাশি, এই এলাকার সবাইকে সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও মাদক মুক্ত করে একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলাই আমাদের অঙ্গীকার। সবাই যদি একসঙ্গে কাজ করে, তাহলে কোনও বাধাই আমাদের পথকে আটকাতে পারবে না। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবো।

    এছাড়াও, জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক খান জুলফিকার আলী জুলুর সভাপতিত্বে এই ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন খুলনা জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, জেলা ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পি, সাবেক সদস্য সচিব আবু হোসেন বাবু, অন্যান্য দলের নেতাকর্মীরা। এতে অংশ নেন উপজেলা ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দও, যারা সকলে ঈদের এই মাহফিলে মিলিত হয়ে আল্লাহর রহমত কামনা করেন এবং দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করেন।

  • খালেদা জিয়ার প্রজ্ঞা, সাহস ও অপ্রতিরোধ্য নেতৃত্ব ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে

    খালেদা জিয়ার প্রজ্ঞা, সাহস ও অপ্রতিরোধ্য নেতৃত্ব ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে

    মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও পুনরুদ্ধারের জন্য জীবনভর সংগ্রাম করে গেছেন। তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, সাহস ও অবিচল নেতৃত্ব দেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি আরও বলেন, আমরা তার রুহের মাগফিরাত কামনা করি এবং তার দর্শন ও আদর্শের সঙ্গে একাত্ম হয়ে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার করছি। শফিকুল আলম মনা আরও উল্লেখ করেন, জনগণের ভোটে যে নতুন রাজনৈতিক দিগন্তের সূচনা হয়েছে, তা যেন সত্যিকারের গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যায়—এটাই আজকের দোয়া মাহফিলের প্রধান লক্ষ্য। শুক্রবার বাদ জুমা, সারাদেশের ন্যায় খুলনায় অনুষ্ঠিত হয় ‘গণতন্ত্রের মা’ ও কেন্দ্রীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া মাহফিল। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এড. শফিকুল আলম মনা এসব কথা বলেন। নগর বিএনপি’র উদ্যোগে খুলনা টাউন মসজিদে এই দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, জেলা বিএনপি’র সদস্য আশরাফুল আলম নান্নু, জাফরী নেওয়াজ চন্দন, আশরাফুল ইসলাম নূর, মুর্শিদুর রহমান লিটনসহ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। সকলের মাঝে উপস্থিত ছিলেন মুসল্লি ও শুভেচ্ছুক। সংক্ষিপ্ত বক্তৃতার পরে, গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। সেই সঙ্গে দেশ ও জাতির অগ্রগতি, শান্তি, সমৃদ্ধি ও নতুন সরকারের সফলতা কামনায় মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা হয়। টাউন মসজিদ ছাড়াও খুলনা মহানগরের অন্যান্য মসজিদেও একযোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয় যেমন মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডায়ও দেশ ও জাতির শান্তি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ প্রার্থনা চালিয়ে যাচ্ছে।

  • নজরুল ইসলাম মঞ্জু রোববার খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন

    নজরুল ইসলাম মঞ্জু রোববার খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন

    আগামীকাল রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) নতুন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন সংগঠক ও সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এই শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানটি এক অনুষ্ঠানে রূপ দিতে বিভিন্ন প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, যেখানে অতিথিদের জন্য বিশেষ arrangement করা হয়েছে। ইতোমধ্যে, মোট ৫শ’র বেশি অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। নগর ভবনের তিনটি আলাদা ভেন্যুতে অতিথিরা বসবেন যেখানে তারা কেসিসির নতুন প্রশাসককে স্বাগত জানাবেন।

    প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মধ্যে মনোনীতদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে, যেখানে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন খুলনার ৬টি সংসদ আসনের সদস্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যগণ, রাজনৈতিক নেতৃবর্গ, জনপ্রশাসন ও সরকারি দপ্তর প্রধানগণ, শিক্ষার্থী, চিকিৎসক, আইনজীবী, সাংবাদিক, নগর পরিকল্পনাবিদ, এনজিও নেতৃবৃন্দ, পরিবেশকর্মী ও বিভিন্ন নাগরিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা। এছাড়া, স্বাভাবিক জীবনের অংশ মানুষ যেমন রিকশাচালক, ইজিবাইক চালক ও শ্রমিকদের প্রতিনিধিরাও আমন্ত্রণ পাবেন।

    কেসিসির প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোল্লা মারুফ রশিদ জানান, রোববার দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে এই দায়িত্বভার গ্রহণের অনুষ্ঠান শুরু হবে। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবেন কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ। অনুষ্ঠানস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হবে নগর ভবনের তৃতীয় তলার শহীদ আলতাফ মিলনায়তন ও জিআইজেড সভা কক্ষে, যেখানে অতিথিরা উপস্থিত থাকবেন। পাশাপাশি নিচতলেও একটি এলইডি ডিসপ্লে স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে নগরীর উন্নয়নের প্রসঙ্গ তুলে ধরা হবে। প্রথমে প্রশাসক অতিথিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করে নিচতলায় উপস্থিত থাকবেন, এরপর তৃতীয় তলায় যাবেন।

    উল্লেখ্য, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সরকারের নির্দেশে নজরুল ইসলাম মঞ্জু নিবন্ধিত হন খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে। তার যোগদানপত্র গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে হস্তান্তর করেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি ঢাকায় চিকিৎসা নিয়েছিলেন, যা এখন সম্পন্ন হয়েছে।

  • বোরো মৌসুমে চিতলমারীতে ৩০ হাজার একর জমিতে চাষাবাদ শুরু

    বোরো মৌসুমে চিতলমারীতে ৩০ হাজার একর জমিতে চাষাবাদ শুরু

    বাগেরহাটের চিতলমারীতে চলতি বোরো মৌসুমে ব্যাপক আকারে ধান চাষাবাদ চলছে। এই মৌসুমে উপজেলার ৩০ হাজার একর জমিতে বোরা ধান চাষ করা হয়েছে। চাষিরা ধানের চারা রোপনের কাজ শেষ করে এখন মূল রোপনকৃত চারা দেখভালের পাশাপাশি যত্ন নিচ্ছেন। বাজারে ধান ও চালের দাম ভালো থাকায় এ বছর ধানের মূল্য নাড়ছে চাষিদের মনোভাব, তারা আগ্রহের সাথে নতুন করে ধান চাষে উৎসাহ পাচ্ছেন।

    উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মোট ৭টি ইউনিয়নের ২১টি ব্লকে এই চাষাবাদ হচ্ছে। চলতি মৌসুমে এই ২১টি ব্লকে মোট ৩০ হাজার একর জমিতে ধান রোপন লক্ষ্যমাত্রার নির্ধারণ করা হয়েছিল, যার কিছুটা বেশি জমিতে এ বছর আবাদ হয়েছে। এসব জমিতে উফশি, স্থানীয় এবং উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান চাষ করা হয়েছে।

    স্থানীয় চাষিরা যেমন কুরমনি গ্রামের পংকজ বিশ্বাস, দেবাশিষ বিশ্বাস, শ্রীরামপুরের শেখর ভক্ত, বড়বাড়িয়ার সাফায়াত হোসেন, সুরশাইলের মুন্না শেখ, পাটরপাড়ার রিংকু বিশ্বাস বলেন, ‘গত কয়েক বছর ধান চাষ করে লোকসান হয়েছিল। তবে এই বছরের বাজার দর ভালো থাকায় আবার ধান চাষে আগ্রহ বাড়ছে।’

    চিতলমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সিফাত-আল-মারুফ বলেন, ‘শীতে আপসহীন হয়ে চাষিরা বোরো ধান চাষ করেছেন। আমরা মাঠে গিয়ে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি এবং তদারকি করছি। আকাশের আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এ মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি ফলন পাওয়া সম্ভব বলে আমরা আশাবাদি।’

  • শহীদ জিয়ার স্বপ্নের খাল খনন বিপ্লব শুরু মোংলা-রামপালে

    শহীদ জিয়ার স্বপ্নের খাল খনন বিপ্লব শুরু মোংলা-রামপালে

    পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বপ্নের খালের খনন কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় আমরা কৃষি ও পরিবেশ রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ। এখন থেকে মোংলা ও রামপালের কোনো সরকারি খাল ইজারা বা দখলে থাকবেনা; সব খাল সাধারণ মানুষের ব্যবহার উপযোগী করে উন্মুক্ত করা হবে।শনিবার দুপুরে মাদুরপাল্টা ব্রিজের সংলগ্ন এলাকায় উৎসবের মেজাজে খননের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই খননের মাধ্যমে দীর্ঘ চার দশকের অবরোধের অবসান হবে। এলাকায় জলাবদ্ধতা দূর হবে, কৃষকরা সহজে কৃষিকাজ করতে পারবে এবং পরিবেশের ক্ষতি রোধে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।তিনি আরও বলেন, জনগণের সম্পদ লুটে-পাটের দিন শেষ। মোংলা ও রামপালের প্রতিটি সরকারি খাল এখন থেকে জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য মুক্ত। যারা খাল দখল করে মাছ চাষ বা ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করছে, তাদের যদি স্বেচ্ছায় খাল ছেড়ে না দেন, তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, শহীদ জিয়ার স্বপ্নের খাল খনন এই প্রকল্পের মূল চেতনা দ্বারা অনুপ্রাণিত। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারী) মোংলার চারটি গুরুত্বপূর্ণ খাল—মাদুরপাল্টা, ভোলা নদী, পালেরখন্ড ওবেনীরখন্ড—সহ মোট সাড়ে ৮ কিলোমিটার অংশের খনন উদ্বোধন হয়। এই খনন কাজের জন্য প্রায় ২৬ লাখ ১৪ হাজার ৬৫৭ ঘনফুট মাটি সরানো হবে, খালের উপরের প্রস্থ ২৫ ফুট, নিচের প্রস্থ ৫ ফুট এবং গভীরতা ৮ ফুট নির্ধারিত। এই প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৫০ লাখ ৩ হাজার ৮৪৭ টাকা, যা ৩০ মার্চের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য।অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার রেফাতুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আ. মান্নান হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনি, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিক, শেখ রুস্তম আলী, থানা যুবদলের সদস্য সচিব সফরুল হায়দার সুজন ও সিএনআরএসের প্রতিনিধিসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।প্রধান অতিথি মোংলার ইউএনও শারমীন আক্তার সুমী জানান, দখলদারদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে এবং খালের স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখতে প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করবে। স্থানীয় জনগণ ও বিএনপি নেতারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন।যখন মাটি কাটার কাজ শুরু হয়, তখনই একজন বয়োজ্যেষ্ঠ কৃষক আবেগে ভর করে বলেন, ‘৪০ বছর পরে এই খালে আবার পানির কল কল শব্দ শুনবো, এটা ভাবতেই চোখ moist হচ্ছে।’ এই উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘ দিন ধরে জলাবদ্ধতা ও লোনা পানি থেকে মুক্তি পাওয়ার আশা জেগেছে এই উপকূলীয় এলাকার মানুষজনের মধ্যে।বক্তারা বলেন, এটি শুধু মাটি খোদনের কাজ নয়, এটি মোংলার কৃষি ও পরিবেশকে পুনর্জীবিত করার এক প্রতিজ্ঞা। এই উদ্যোগ আরও শক্তিশালী করতে সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন সংস্থা একত্রিত হয়ে কাজ করবে। প্রকল্পটি সিএনআরএস-এর ‘নবপল্লব’ কর্মসূচির অধীনে এবং ঠিকাদার হিসাবে কাজ করছে মেসার্স সোহাগ এন্টারপ্রাইজ। এই প্রকল্প মোংলার মানচিত্র বদলে দেওয়ার ব্যাপারে আশাবাদ প্রকাশ করা হয়।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী ঘোষণা করেন, মোংলা ও রামপালের কোনো সরকারি খাল আর ব্যক্তিগত মালিকানাধীন থাকবে না, সব হবে জনগণের সম্পত্তি। এই ঘোষণা শুনে উপস্থিত হাজারো মানুষের করতালিতে মুখর হয় পুরো পরিবেশ। তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ার করেন, শহীদ জিয়ার স্বপ্নের সেই খাল খনন আজ থেকে আবার শুরু হলো। কোনো ইজারা বা দখল থাকবেনা; সব খাল উন্মুক্ত করা হবে। যারা এখনো সাধারণ মানুষের পানির পথ বন্ধ করে অর্থ উপার্জন করছেন, তাদের যদি স্বেচ্ছায় খাল ছেড়ে না দেন, তবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পরিবর্তন, মনসুর সরিয়ে মোস্তাকুর রহমান নতুন গভর্নর

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পরিবর্তন, মনসুর সরিয়ে মোস্তাকুর রহমান নতুন গভর্নর

    বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তার অবসান ঘটিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে নতুন করে মোস্তাকুর রহমানকে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ১৪তম গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ আবরাউল হাছান মজুমদারের স্বাক্ষরিত পৃথক দুই প্রজ্ঞাপনে এই সিদ্ধান্তের বিস্তারিত জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, ড. আহসান এইচ মনসুরের নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করা হয়েছে।

    অন্যদিকে, মোস্তাকুর রহমানকে চার বছর মেয়াদে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁর নিয়োগের শর্তে রয়েছে যে, তিনি অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সব ধরনের কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগ করবেন। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন। নিয়োগ সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয় চুক্তিপত্রে উল্লেখ থাকবে।

    নতুন এই নিয়োগ দ্রুত কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে। জানা গেছে, মোস্তাকুর রহমান বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সদস্য এবং হিরা সোয়েটারের মালিক।

    প্রায় একই সময়ে, গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর অফিস ত্যাগ করেন। তিনি কোন আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না দিয়ে যান, তবে নতুন গভর্নর নিয়োগের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তার কাছ থেকে কেউ কোন মন্তব্য পাননি। তিনি বলেন, আমি পদত্যাগ করিনি, তবে খবর শুনেছি।

    সূত্রের মতে, বুধবার সকালে নিজ কার্যালয়ে উপস্থিত থাকলেও হঠাৎ করে সবাইকে অবগত না করেই তিনি অফিস ত্যাগ করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাংক কার্যাঙ্গনে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।

    প্রসংগত, এর আগে ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার অবসরে যান। এরপর ১৩ আগস্ট ড. আহসান এইচ মনসুরকে গভর্নর নিযুক্ত করা হয়। এই পরিবর্তন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নেতৃত্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন সূচিত করে।

  • নতুন গভর্নর কথা নয়, কাজের মাধ্যমে নিজস্ব দক্ষতা প্রমাণ করবেন

    নতুন গভর্নর কথা নয়, কাজের মাধ্যমে নিজস্ব দক্ষতা প্রমাণ করবেন

    বাংলাদেশের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান তার প্রথম দিনেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তিনি কথার পরিবর্তে কাজের মাধ্যমে নিজের সক্ষমতা ও যোগ্যতা প্রমাণ করতে চান। দেশের ১৪তম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরে তিনি ঘোষণা করেন, আপাতত কথাবার্তা নয়, মূল গুরুত্ব থাকবে কাজে।

    আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রবেশ করেন। এ সময় ডেপুটি গভর্নররা ও ব্যাংকের কর্মকর্তারা তাকে অভ্যর্থনা জানান। নতুন গভর্নর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বলেন, কথায় নয়, কাজে নিজের দক্ষতা ও যোগ্যতা প্রদর্শনই তিনি মূল লক্ষ্য। তিনি জানান, তিনি কাজ শুরু করবেন, তারপরই কথা বলা সম্ভব হবে।

    এছাড়াও, পদে যোগদানের আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখোমুখি হন মোস্তাকুর রহমান। তিনি অর্থ মন্ত্রণালয়ে যান এবং সেখানে কিছু আনুষ্ঠানিকতা শেষে ব্যাংকে ফিরে আসেন।

    বুধবার বিকেলে, সরকার তাকে চারে বছরের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। তিনি বিদায়ী গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের স্থলাভিষিক্ত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। রাষ্ট্রপতির আদেশে আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগের পদানুযায়ী তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়, পাশাপাশি ড. আহসান এইচ মনসুরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করা হয়।

    মোস্তাকুর রহমানের জন্ম ১৯৬৬ সালে ঢাকায়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর তিনি দ্য ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি) থেকে এফসিএমএ ডিগ্রি লাভ করেন।

    তার যোগ্যতার মধ্যে রয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনায় কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ২৩তম সদস্য হওয়া, যেখানে তিনি বিএনপির ৪১ সদস্যের সচিব ছিলেন।

    অতিরিক্তভাবে, মোস্তাকুর রহমান পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ এর সদস্য। তিনি হেরা সোয়েটার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে আছেন। হেরা সোয়েটার্স নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত একটি পরিবেশবান্ধব কারখানা।

  • নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন

    নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন

    সদ্য বিদায়ী গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের উদ্যোগে খাদের কিনারা থেকে ব্যাংকিং খাতকে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। এর জন্য তিনি প্রশংসা পেয়েছেন। নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান বলেন, বর্তমান অর্থনীতির সংকট কাটাতে — বিশেষ করে ভঙ্গুর ব্যাংকিং খাতের প্রতিকূলতা দূর করতে — যা কিছু ইতিবাচক সংস্কার কার্যক্রম চলমান ছিল, তা অব্যাহত রাখবেন।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ১৪তম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স রুমে এসব কথা জানান।

    তিনি বলেন, প্রথম দিনই তিনি নির্বাহী পরিচালক, ডেপুটি গভর্নর ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখানে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। অন্যতম লক্ষ্য হলো, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ফলে বন্ধ হওয়া কলকারখানাগুলোর পুনরায় চালুর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতা নিশ্চিত করা।

    আরিফ হোসেন খান, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র, জানান, গভর্নর পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে অর্থনীতি স্থিতিশীল করতে নেওয়া উদ্যোগগুলোর প্রশংসা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই স্থিতিশীল ভিত্তি শক্ত করে অর্থনীতিতে গতি ফিরিয়ে আনবেন। বিশেষ করে, গত এক বছরে বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পকারখানাগুলো পুনরায় চালু করতে প্রয়োজনীয় নীতিগুলো বাস্তবায়ন, প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং সেক্টরে সমন্বয় বৃদ্ধির ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। এর ফলে কর্মসংস্থান ও উৎপাদন বৃদ্ধি সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

    সভায় মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বজায় রাখতে পণ্যমূল্য স্থিতিশীল রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। এছাড়াও, উচ্চ সুদের হার কীভাবে বিনিয়োগে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে, তা পর্যালোচনা করে প্রয়োজন অনুসারে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান গভর্নর।

    মুখপাত্র আরও জানান, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিত করতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াকে নিয়মবিরুদ্ধ ও বৈষম্যহীন করার পরিকল্পনা রয়েছে। কাজের গতি বাড়াতে ‘ডেলিগেশন অব অথরিটি’ বা ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে।

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে, বাংলাদেশ ব্যাংকে ‘মবে’ প্রকল্পে জড়িত কর্মকর্তাদের বিষয়ে কতৃপক্ষের ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি-না, উল্লেখ করেন যে, নতুন গভর্নর বলেন, তিনি বাংলাদেশের ব্যাংকিং সেক্টরে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। যারা এই ‘মবে’ কালচারে জড়িত থাকবেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ও সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • অর্থনৈতিক সংকট কাটাতে কর বাড়ানোর পরামর্শ অর্থমন্ত্রীর

    অর্থনৈতিক সংকট কাটাতে কর বাড়ানোর পরামর্শ অর্থমন্ত্রীর

    অর্থনৈতিক পরিস্থিতি কাছাকাছি খুবই খারাপ বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি জানান, দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করতে হলে কর বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। সরকার মনে করে, এই কর বৃদ্ধি থেকে সংগৃহীত অর্থের মাধ্যমে বিনিয়োগ বাড়ানো সম্ভব হবে, যা দেশের অর্থনীতির মূল চাবিকাঠি। তার কথায়, ‘আমরা যত বেশি কর সংগ্রহ করব, ততই দেশের উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি সম্ভব হবে।’ আগামী বাজেটে বিশেষ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন। জোর দেন দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের উপর, কারণ এই বিনিয়োগ ছাড়া কর্মসংস্থান তৈরির সম্ভব নন। তিনি আরও বলেন, দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অর্থনীতি নিয়ে পরিবর্তন আনতে হলে বিনিয়োগের বিকল্প নেই।