Blog

  • প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র: বিজয়ীদের নাম ও নম্বর

    প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র: বিজয়ীদের নাম ও নম্বর

    ১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার অফিসের সম্মেলন কক্ষে এই ড্র আয়োজন করা হয়।

    প্রধান পুরস্কার ও বিজয়ীরা:

    প্রথম পুরস্কার — ৬ লাখ টাকা: সিরিয়াল নম্বর ০০০১০৩৫৷

    দ্বিতীয় পুরস্কার — ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা: সিরিয়াল নম্বর ০০৪৭৭৪৮৷

    তৃতীয় পুরস্কার — প্রতি পুরস্কার ১ লাখ টাকা, দুটি নম্বর:

    ০৫৩৮২৮৯ ও ০৬৭৫৩৮২৷

    চতুর্থ পুরস্কার — প্রতি পুরস্কার ৫০ হাজার টাকা, দুটি নম্বর:

    ০৪০০৪৫১ ও ০৫৬৭৬৪৪৷

    এ ছাড়াও পঞ্চম পুরস্কার হিসেবে ৪০ জন প্রত্যেক ১০ হাজার টাকা করে গ্রহণ করবেন। পঞ্চম পুরস্কারের বিজয়ী নম্বরসমূহ হলো:

    ০০২১৭৪৯, ০২১৭৪১৯, ০৪৬১৪৭২, ০৫৮৮৯৬৬, ০৭৪৯৭৪০, ০০২২১৮১, ০২৪৬০৪৫, ০৪৬২০৫৬, ০৫৯৬৩৪৬, ০৭৫৯৯০৮, ০০৫৬৩৭৮, ০২৯৬৪০২, ০৪৭৮০১৫, ০৬০০৪৪০, ০৭৭২৭৭৩, ০০৯২৩৫৬, ০৩১১১৩০, ০৪৮০৫৬৭, ০৬০৭৩৪৯, ০৮১৩৬৫৯, ০১৪৪৫৬৭, ০৩৫৬৯৪২, ০৫১২০২৪, ০৬৩৯৩৬৭, ০৮৪৮০৪৬, ০১৫৫৩৯৮, ০৩৯৩২৭৭, ০৫৫১২২১, ০৬৪২০০২, ০৮৪৯৬১৪, ০১৫৫৯৩৪, ০৪১৩৫০১, ০৫৬৪৭৬০, ০৬৫০১১৯, ০৯২২৫৯৭, ০১৭৫৭৯২, ০৪৫২৪৪১, ০৫৭৩৮৬৫, ০৬৮৮৭৭৩ এবং ০৯৪৭৬৬৫৷

    সিরিজ ও প্রযোজ্য নম্বর:

    এই ড্র-এ প্রচলনযোগ্য ১০০ টাকা মূল্যমানের মোট ৮৪টি সিরিজের মধ্যে ৪৬টি সাধারণ নম্বর পুরস্কারের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছে। ওই সাধারণ নম্বরগুলোর সিরিজগুলো হলো: কক, কখ, কগ, কঘ, কঙ, কচ, কছ, কজ, কঝ, কঞ, কট, কঠ, কড, কঢ, কথ, কদ, কন, কপ, কফ, কব, কম, কল, কশ, কষ, কস, কহ, খক, খখ, খগ, খঘ, খঙ, খচ, খছ, খজ, খঝ, খঞ, খট, খঠ, খড, খঢ, খথ, খদ, খন, খপ, খফ, খব, খম, খল, খশ, খষ, খস, খহ, গক, গখ, গগ, গঘ, গঙ, গচ, গছ, গজ, গঝ, গঞ, গট, গঠ, গড, গঢ, গথ, গদ, গন, গফ, গব, গম, গল, গশ, গষ, গপ, গস, গহ, ঘক, ঘখ, ঘগ, ঘঘ, ঘঙ এবং ঘচ।

    ড্রটি একক সাধারণ পদ্ধতিতে (অর্থাৎ প্রত্যেক সিরিজের জন্য একই নম্বর) পরিচালিত হয়। বিজয়ীদের সঙ্গে সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য ও শুনানি সংক্রান্ত যেকোনো প্রশ্ন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জানানো হবে।

  • ৬০ দিনের শর্ত এড়াতে ট্রাম্প প্রশাসন: ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ‘সমাপ্ত’ দাবি

    ৬০ দিনের শর্ত এড়াতে ট্রাম্প প্রশাসন: ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ‘সমাপ্ত’ দাবি

    ট্রাম্প প্রশাসন বলছে, ইরানের বিরুদ্ধে সংঘটিত সাম্প্রতিক সামরিক সংঘাত ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে, তাই কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন নেওয়ার তৎপরতা প্রয়োজন নেই। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রয়টার্সকে দেয়া সাক্ষাৎকারে একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা—যিনি নাম প্রকাশ করতে চাননি—জানিয়েছেন যে ফেব্রুয়ারি ২৮ থেকে শুরু হওয়া এই ‘‘যুদ্ধ’’ শেষ বলে বিবেচিত হচ্ছে।

    কথিত কর্মকর্তা বলেন, দু’পক্ষ ৭ এপ্রিল দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় এবং পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সেই যুদ্ধবিরতি বাড়িয়েছেন। ৭ এপ্রিলের পর থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী ও ইরানের মধ্যে কোনো গোলাগুলি বা আক্রমণের ঘটনা ঘটেনি, তাই প্রশাসন মনে করছে কার্যত লড়াই বন্ধ আছে।

    এই যুক্তির ওপর ভিত্তি করে প্রশাসন বলছে যে ১৯৭৩ সালের যুদ্ধক্ষমতা আইন (War Powers Resolution) অনুযায়ী কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন নেওয়ার বাধ্যবাধকতা তাদের ক্ষেত্রে এখনও শুরু হয়নি। ওই আইন অনুযায়ী, কোনো সামরিক পদক্ষেপ ৬০ দিনের বেশি চললে প্রেসিডেন্টকে কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে হয়; তবে আইনটি আরও ৩০ দিন সময় বাড়ানোর সুযোগও দেয়। এ প্রসঙ্গে বার্তা সংস্থা এপি উল্লেখ করেছে যে প্রশাসন এখনো ঐ আইনটির চাহিদা পূরণ করেছে বলে প্রমাণ দিতে পারেনি।

    প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে সিনেটে যুক্তি তোলেন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ। তিনি বলেছেন যে যুদ্ধবিরতিই বাস্তবে সংঘাতকে স্থগিত করেছে এবং ওই অবস্থানকে সামনে রেখে প্রশাসন মনে করছে ৬০ দিনের মধ্যে কংগ্রেস অনুমোদন নেওয়ার বাধ্যবাধকতা তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়নি।

    ওয়ার পাওয়ারস রেজ্যুলুশন অনুসারে, প্রেসিডেন্টকে শুক্রবার (১ মে) পর্যন্ত কংগ্রেসের অনুমোদন নেওয়ার বা সৈনিক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত জানাতে বলা হয়েছিল; নাহলে ওই ৬০ দিনের কালের পর প্রশাসনকে কংগ্রেস থেকে অনুমোদন নেওয়ার নির্দেশ রয়েছে।

    কংগ্রেসে এ নিয়ে চাপ বেড়েছে। ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্পকে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ অনুমোদন চাওয়া শুরু করার জন্য চাপ দিচ্ছে। নজরকাড়া হলো যে ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ দেশের সামরিক পদক্ষেপকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে—মাত্র একজন ডেমোক্র্যাট (মেইনের জেরেড গোল্ডেন) প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন। বিপরীতে, রিপাবলিকানদের মধ্যে কেবল এক জন (কেন্টাকির টমাস ম্যাসি) প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দেন, আর একজন সিনেটে নিরপেক্ষ অবস্থান দেখান।

    বিশ্লেষক ও কংগ্রেসের সহকারীরা আগে ধারণা করেছিলেন যে প্রেসিডেন্ট কংগ্রেসকে অনুরোধ করে ৩০ দিনের মেয়াদ বাড়ানোর পরিকল্পনা করতে পারেন। তেল মূল্যবৃদ্ধি ও ঘরে-বাইরে সংঘাতজনিত উদ্বেগের মধ্যে এ বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে, বিশেষ করে রিপাবলিকানদের জন্য।

    রিপাবলিকান সিনেট অগ্রণী জন থুন বলেছেন, তিনি এখনই ইরানে সামরিক অনুপ্রয়োগের অনুমোদনের জন্য কোনো ভোট নেওয়ার পরিকল্পনা দেখেন না এবং দলের সদস্যদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শুনছেন। অন্যদিকে সিনেটর কেভিন ক্রেমার বলেন, যদি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চান তিনি যুদ্ধ অনুমোদনের পক্ষে ভোট দেবেন, তবে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন যে ১৯৭৩ সালের ওই war powers প্রস্তাবটি সাংবিধানিকভাবে কতটা সঠিক।

    মোটকথা, প্রশাসন যুদ্ধ সমাপ্ত বলে দাবি করলেও কংগ্রেসে বিতর্ক ও রাজনৈতিক চাপ অব্যাহত রয়েছে—এবং ভবিষ্যতে কৃতকর্মের সীমা ও আইনগত কাঠামো নিয়ে আরও তর্ক হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

  • ফ্লোরিডায় নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টির মরদেহ শনাক্ত

    ফ্লোরিডায় নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টির মরদেহ শনাক্ত

    ফ্লোরিডার পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া দ্বিতীয় মরদেহটি বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির। শুক্রবার (১ মে) ফ্লোরিডা পুলিশ ডিপার্টমেন্ট নাহিদার ভাইকে ফোন করে মরদেহ শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

    ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মোর্তোজা জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ অনুরোধের প্রেক্ষিতে ওয়াশিংটন ডিসি-তে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস এবং মিয়ামিতে থাকা বাংলাদেশ কনস্যুলেট যৌথভাবে মরদেহ প্রেরণের প্রস্তুতি শুরু করেছে।

    নাহিদা ও আরেকজন বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন উভয়েই যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার ছাত্র ছিলেন। তারা দুজনই গত ১৬ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিল।

    প্রতিারোধ ছয় দিন পর শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) টাম্পা বে এলাকায় একটি সেতুর কাছ থেকে লিমনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একই দিন লিমনের রুমমেট হিশাম আবুঘরবেহ নামে এক মার্কিন নাগরিককে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার করা হয়।

    হিলসবরো কাউন্টি আদালতে গত ২৬ এপ্রিল দাখিল করা নথিতে বলা হয়েছে, লিমনকে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতে হত্যা করা হয়েছে। ওই নথিতে জানানো হয়, লিমনের মরদেহ হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড সেতু থেকে উদ্ধার করা হয় এবং হিশাম আবুঘরবেহের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত প্রথম-ডিগ্রি হত্যার দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

    একই দিনে হিলসবরো কাউন্টি শেরিফ অফিস জানায়, লিমনের মরদেহ উদ্ধারের স্থানসংলগ্ন এলাকায় আরও একটি অজ্ঞাত দেহাবশেষ পাওয়া গেছে। তদন্তকারীরা নির্ধারণ করার চেষ্টা করছেন যে এটি নাহিদা বৃষ্টির সঙ্গে যুক্ত কি না।

    একটি ফৌজদারি মামলার হলফনামায় বলা হয়েছে, ২৬ এপ্রিল হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড সেতুর جنوبی অংশ থেকে খণ্ডিত একটি দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত পোশাকের সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজে নাহিদা বৃষ্টিকে যে পোশাকে শেষবার দেখা গেছে তার মিল রয়েছে; নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে দুইটি পোশাকই একই ধরনের।

    এদিকে জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ শনিবার (২ মে) ফ্লোরিডার অরল্যান্ডো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশে পাঠানো হবে। জানা গেছে, মরদেহটি দুবাই হয়ে ঢাকায় পৌঁছবে সোমবার, ৪ মে। নাহিদা বৃষ্টির মরদেহ ফিরিয়ে আনার জন্যও প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে; তার প্রেরণের নির্দিষ্ট দিন ঘোষণা করা হবে কর্তৃপক্ষের পরবর্তী সিদ্ধান্তের পর।

    তদন্ত চলছে এবং স্থানীয় পুলিশ, আদালত ও কনস্যুলেটিক অঙ্গসংস্থাগুলো ঘটনার যোগাযোগ স্থাপন করে তদন্তাসাপেক্ষ তথ্য যাচাই করে যাচ্ছে।

  • খুলনায় ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত’ প্রতিপাদ্যে মহান মে দিবস পালিত

    খুলনায় ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত’ প্রতিপাদ্যে মহান মে দিবস পালিত

    ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত — আসবে এবার নব প্রভাত’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ শুক্রবার (১ মে) খুলনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস পালিত হয়েছে। সারাদিনের আয়োজনের কেন্দ্রবিন্দু ছিল জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভা যেখানে দিবসটির তাৎপর্য ও শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়।

    আলোচনা সভায় বক্তারা দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখার ক্ষেত্রে শ্রমিকদের অবদানকে অনস্বীকার্য বলে অভিহিত করে বলেছেন, শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, স্বাস্থ্যকৰ্ম পরিবেশ ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বক্তারা জোর দিয়ে বলেছেন, শ্রমিক কোনো যন্ত্র নয় — তারা মানুষ; তাই তাদের সাথে মানবিক ও সম্মানজনক আচরণ বজায় রাখতে হবে। এছাড়া ধর্মীয় অনুশাসন মেনে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

    অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন যে, শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা না করলে উন্নয়ন টেকসই হবে না; মালিক ও শ্রমিককে এক পরিবারের মতো মিলেমিশে কাজ করে একে অপরের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে। অর্থনৈতিক, সামাজিক, স্বাস্থ্য ও পরিবেশের সব দিক থেকে সম্মিলিত উন্নয়ন ছাড়া মালিক-শ্রমিক সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধান হবে না—এমনটিই বক্তারা মনে করেন।

    বিশেষ অতিথিদের মধ্যে ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আবু সায়েদ মোঃ মনজুর আলম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান, অতিরিক্ত রেঞ্জ ডিআইজি শেখ জয়নুদ্দীন, মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা ও সিভিল সার্জন ডা. মোছাঃ মাহফুজা খাতুন। জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার দপ্তরের উপপরিচালক মোঃ আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তৃতা রাখেন শ্রম দপ্তরের পরিচালক মোঃ হাফেজ আহাম্মদ মজুমদার। মালিক প্রতিনিধির পক্ষে বক্তৃতা করেন বিজেএ’র চেয়ারম্যান খন্দকার আলমগীর কবির ও বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ তরিকুল ইসলাম জহির। শ্রমিক প্রতিনিধির পক্ষে বক্তব্য রাখেন মহানগর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের আহবায়ক মোঃ মজিবর রহমান ও খালিশপুর আঞ্চলিক কমিটির আহবায়ক আবু দাউদ দ্বীন মোহাম্মদ।

    আলোচনা সভার আয়োজন করে জেলা প্রশাসন, বিভাগীয় শ্রম দপ্তর ও কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন দপ্তর। অনুষ্ঠানের শেষে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন খুলনা জেলার খালিশপুর, দৌলতপুর, খানজাহান আলী ও আড়ংঘাটা থানার বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত শ্রমিক ও তাদের পরিবারগুলোর মধ্যে মোট ১৪০ জনকে ৪১ লাখ ৩৫ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করে।

    এর আগে দিবসটির সুযোগে বিভাগীয় কমিশনার মো: আবদুল্লাহ হারুনের নেতৃত্বে খুলনা রেলওয়ে স্টেশন চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে পৌঁছে। শোভাযাত্রায় সরকারি ও বেসরকারি দফতরের কর্মকর্তাসহ শ্রমিক, মালিক, ট্রেড ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

  • খুলনা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর

    খুলনা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর

    খুলনা প্রেসক্লাবের অন্তর্বতীকালীন কমিটির নেতৃবৃন্দ শুক্রবার (১ মে) রাতের এক অনুষ্ঠানে ক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেছেন। অন্তর্বতীকালীন কমিটির পক্ষে আহ্বায়ক এনামুল হক এবং সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুল এই দায়িত্বভার নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি মোস্তফা সরোয়ার ও সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলামসহ কমিটির অন্য নেতৃবৃন্দের নিকট হস্তান্তর করেন। এই হস্তান্তর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে খুলনা প্রেসক্লাবের কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়া ও প্রশাসনিক দায়িত্ব নির্বিঘ্নে প্রয়োগের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়েছে।

  • পদত্যাগের চিন্তা নেই, নির্বাচনে দাঁড়াবেন তামিম ইকবাল

    পদত্যাগের চিন্তা নেই, নির্বাচনে দাঁড়াবেন তামিম ইকবাল

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এর আমিনুল ইসলাম বুলবুল নেতৃত্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে ফেলার পর সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত ১১ সদস্যের অ্যাড-হক কমিটি কয়েক দিন আগে দায়িত্ব গ্রহন করেছে। এই কমিটির প্রধান কাজ আগামী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন নির্বাচন আয়োজন করা।

    অ্যাড-হক কমিটির সভাপতি হিসেবে তামিম আগেই ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) মিরপুর শের-ই-বাংলায় একটি সংবাদ সম্মেলনে তিনি আবার জানিয়েছেন, নির্বাচনের আগে তিনি পদত্যাগ করার কথা ভাবছেন না।

    তামিম জানান, আগামী রোববার (৩ মে) বিসিবির বোর্ড সভা হবে, সেখানে পরবর্তী নির্বাচনের দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হবে। নির্বাচনে অংশ নেওয়া সংক্রান্ত তার আগের ঘোষণাকেই তিনি আবারও পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং বলেছেন তিনি গঠনতন্ত্রে যা অনুমোদিত হবে তা অনুসরণ করবেন।

    তামিম বলেন, ‘পদত্যাগের কথা আমি ব্যক্তিগতভাবে ভাবিনি, আমি অবশ্যই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। অ্যাড-হক কমিটি থেকে পদত্যাগ করার কথা ভাবতেও হয়নি। প্রথম দিন থেকেই আমি বলেছি আমি নির্বাচনে অংশ নেব।’ তিনি আরো যোগ করেন, ‘ফেয়ার ইলেকশন নিয়েই আমরা এত কথা বলেছি, ইনশাআল্লাহ আমাদের অধীনে ফেয়ার ইলেকশন হবে।’

    সংবাদ সম্মেলনে তিনি নির্বাচন প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন করার গুরুত্বও গুরুত্বারোপ করেন এবং নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে নেয়ার আশ্বাস দেন।

  • প্রথম নির্বাচনে থালাপতি বিজয়: বুথফেরত জরিপে ১২০ আসনের সম্ভাবনা

    প্রথম নির্বাচনে থালাপতি বিজয়: বুথফেরত জরিপে ১২০ আসনের সম্ভাবনা

    তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর সবার নজর এখন বুথফেরত জরিপের দিকে। রাজ্যে সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে উঠে এসেছে দক্ষিণী সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ও 그의 দল ‘তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম’ (টিভিকে)। তিনি রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী এম.কে. স্টালিনের সঙ্গে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

    নির্বাচনের আগে বিজয়ের জনসভা ও র‌্যালিতে সমর্থকদের বড় উপস্থিতি রাজ্যের রাজনৈতিক মানচিত্রকে ঝটপট বদলে দিয়েছে বলে মন্তব্য করছেন অ্যানালিস্টরা। দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার পালাবদল চলছে—এবারও সেই ধারা ভাঙতে পারে; বুথফেরত জরিপে তারই আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

    বিভিন্ন সংস্থার জরিপ অনুযায়ী প্রথমবার ভোটে অংশ নিয়ে বিজয়ের দল ৯৮ থেকে ১২০টি আসন পেতে পারে বলে দেখা যাচ্ছে। যদি এই পূর্বাভাস বাস্তবে মিলবে, তাহলে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায় শুরু হতে পারে এবং টিভিকে রাজ্যে শক্তভাবে অভিহিত হবে।

    কিন্তু সব সংস্থাই এক মত নয়। পিপলস পালস ও পিপলস ইনসাইট বলছে, বিজয়ের প্রতিপক্ষ ডিএমকে ও তাদের জোট ১২০ থেকে ১৪৫টি আসনে এগিয়ে থাকতে পারে, আর এআইএডিএমকে জোট পেতে পারে ৬০ থেকে ৮০টি আসন।

    প্রজা পোল ও পি-মার্কের জরিপে স্বাভাবিকভাবেই ডিএমকে সমর্থিত জোটকে অগ্রগণ্য দেখানো হয়েছে। প্রজা পোল বিজয়ের দলের পক্ষে মাত্র ১ থেকে ৯টি আসন অনুমান করলেও, পি-মার্ক বলছে তারা ১৬ থেকে ২৬টির মধ্যে আসন পেতে পারে। অন্যদিকে ম্যাট্রিজ ও জেভিসি-র রিপোর্টে ডিএমকে ও এআইএডিএমকে জোটের মধ্যে কড়া লড়াইয়ের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

    কামাখ্যা অ্যানালিটিক্সের জরিপ বিজয়ের সমর্থকদের একটু আশাবাদী করেছে—তাদের হিসেবে টিভিকে যদি ৬৭ থেকে ৮১টি আসন পায়, তাহলে তারা সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। এই ভিন্নমতাও দেখাচ্ছে যে রাজ্যের কোনও একপক্ষীয় ফলাফল না-ও আসতে পারে এবং সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

    নির্বাচন কমিশনের স্বচ্ছতামূলক তথ্য অনুযায়ী, ২৩ এপ্রিল তামিলনাড়ুর ২৩৪টি আসনে উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যেই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। বিকেল ৫টা পর্যন্ত মোট ভোটার উপস্থিতির হার ছিল ৮২.২৪ শতাংশ—এই সংখ্যাও রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তেজনা ও নাগরিক অংশগ্রহণের প্রতিচ্ছবি। এখন দলগুলো ও জনতা উভয়েই প্রতীক্ষায় রয়েছেন চেয়ারপদে কে বসবে—বুথফেরত জরিপ ও চূড়ান্ত ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রাজ্যের ভবিষ্য্য নির্ধারিত হবে।

  • পেছন থেকে জুম করে ছবি তুলায় পাপারাজ্জিকে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন কারিশমা কাপুর

    পেছন থেকে জুম করে ছবি তুলায় পাপারাজ্জিকে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন কারিশমা কাপুর

    তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ যুগ যুগ ধরে থাকে, আর সেই আগ্রহের পেছনে কাজ করেন পাপারাজ্জিরা। সম্প্রতি ‘ইন্ডিয়া’স বেস্ট ড্যান্সার সিজন-৫-এর শুটিং সেটে পেছন থেকে জুম করে ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে পাপারাজ্জিদের উদ্দেশে তীব্র সতর্কবার্তা দিলেন বলিউড অভিনেত্রী কারিশমা কাপুর।

    ঘটনাটি ঘটে যখন বিচারকরা সেটে প্রবেশের আগে আলোকচিত্রীদের সামনে পোজ দিচ্ছিলেন। সেই সময় কারিশমা সেখানে উপস্থিত ক্যামেরাম্যানদের দিকে তাকিয়ে বললেন, “বেশি জুম করবেন না। আপনাদের অনেকে খুবই খারাপভাবে ছবি তুলতে চান।” ভিডিওতে তিনি রেগে এবং দৃঢ়স্বরে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। একই সময়ে সেট থেকে একটু সরে যাওয়ার অনুরোধও করেন তিনি।

    কারিশমার সঙ্গে ওই শোয়ের অন্যান্য বিচারক ছিলেন গীতা কাপুর, টেরেন্স লুইস ও জাভেদ জাফর। তিনি যে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন, তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়। অনেকেই তার এই আচরণকে সমর্থন করছেন এবং তারকাদের গোপনীয়তা রক্ষা করার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা তুলেছেন।

    এটি নতুন ঘটনা নয়—কয়েকদিন আগে একটি অনুষ্ঠানে সিড ও কিয়ারা একসঙ্গে পোজ দিলেও পাপারাজ্জিরা সিডকে ফ্রেম থেকে সরিয়ে কিয়ারাকে জুম করে তুললে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছে। সেই ভিডিওটিও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছিল।

    বহু বছর ধরে ভারতীয় চলচ্চিত্রে অবদান রাখার কারণে কারিশমা এই সতর্কতামূলক বক্তব্যের জন্য প্রশংসাও পাচ্ছেন। বিষয়টি আবারও জোরালোভাবে তুলে ধরা হলো যে, পাপারাজ্জিদের আচরণ এবং তারকাদের ব্যক্তিগত সীমানা সম্পর্কে নৈতিকতা ও সম্মানের সীমা কোথায়—এখানেই প্রশ্নটি পড়ে।

    সূত্র: এই সময় অনলাইন

  • খুলনায় ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত’ স্লোগানে মহান মে দিবস পালিত

    খুলনায় ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত’ স্লোগানে মহান মে দিবস পালিত

    ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত—আসবে এবার নব প্রভাত’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ শুক্রবার (০১ মে) খুলনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস পালিত হয়েছে। সকাল সাড়ে অনুষ্ঠানের মূল আলোচনা সভা জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য ও আলোচনা হয়।

    অনুষ্ঠানে বক্তারা শ্রমিকদের অগ্রগণ্য অবদান তুলে ধরে বলেছেন, দেশের অর্থনীতি সচল রাখতে শ্রমিকদের ভূমিকা অপরিসীম। তাদের ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত কর্মপরিবেশ এবং সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করা জরুরি। বক্তারা আরও বলেন, শ্রমিকরা কোনো যন্ত্র নয়—তারা মানুষ; তাদের সঙ্গে মানবিক আচরণ করতে হবে এবং তাদের অধিকার রক্ষায় সমাজ ও মালিকপক্ষকে সহায়তা করতে হবে।

    প্রতিকূলতায় ধর্মীয় অনুশাসন ও নৈতিকতার আলোকে আন্দোলন-সংলাপের মাধ্যমে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায় করা প্রয়োজন বলেও বক্তারা জোর দেন। তারা সতর্ক করেন যে শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা না করলে যে কোনো উন্নয়ন টেকসই হবে না। মালিক ও শ্রমিক যদি পরিবারসুলভ মনোভাবে সম্মিলিতভাবে কাজ করেন এবং একে অপরের স্বার্থ রক্ষা করেন, তবেই সমস্যা সমাধান সম্ভব হবে—এই মর্মে সবাইকে আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া অর্থনীতি, সামাজিক ক্ষেত্র, স্বাস্থ্য ও পরিবেশসহ সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত না হলে স্থায়ী সমাধান আসবে না বলে বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আবু সায়েদ মো. মনজুর আলম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান, অতিরিক্ত রেঞ্জ ডিআইজি শেখ জয়নুদ্দীন, মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা ও সিভিল সার্জন ডা. মোছাঃ মাহফুজা খাতুন। জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার দপ্তরের উপপরিচালক মো. আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন শ্রম দপ্তরের পরিচালক মো. হাফেজ আহাম্মদ মজুমদার। মালিকপক্ষের জনগোষ্ঠীর পক্ষে বক্তব্য রাখেন বিজেএ’র চেয়াৰম্যান খন্দকার আলমগীর কবির ও বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. তরিকুল ইসলাম জহির। শ্রমিক প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মহানগর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মো. মজিবর রহমান ও খালিশপুর আঞ্চলিক কমিটির আহ্বায়ক আবু দাউদ দ্বীন মোহাম্মদ। জেলা প্রশাসন, বিভাগীয় শ্রম দপ্তর ও কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন দপ্তর যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে।

    আলোচনা সভার শেষে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে খুলনা জেলার খালিশপুর, দৌলতপুর, খানজাহান আলী ও আড়ংঘাটা থানার বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত শ্রমিক ও তাদের পরিবারের ১৪০ জন সদস্যকে মোট ৪১ লাখ ৩৫ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়।

    দিবসটি উপলক্ষে বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুনের নেতৃত্বে খুলনা রেলওয়ে স্টেশন চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে গিয়ে সমাপ্ত হয়। শোভাযাত্রায় সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা, শ্রমিক-মালিক-কর্মচারী, ট্রেড ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশ নেন।

  • লবণচরায় সাচিবুনিয়া বাসস্ট্যান্ডে দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবক আহত

    লবণচরায় সাচিবুনিয়া বাসস্ট্যান্ডে দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবক আহত

    খুলনা মহানগরীর লবণচরা থানাধীন সাচিবুনিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিবিদ্ধ হয়ে এক যুবক আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১ মে) দুপুরে ঘটনার পর তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।

    আহত যুবকের নাম মোহাম্মদ তাইজুল (৩০)। তিনি বটিয়াঘাটার গাওঘরা চানদার ডাংগি এলাকার নজরুলের ছেলে। বর্তমানে তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সাচিবুনিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় শুক্রবার দুপুরে দুইটি মোটরসাইকেলে করে চারজন অস্ত্রধারী দুর্বৃত্ত আসে। তারা লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে এবং একটি গুলি তাইজুলের বাম পায়ের হাঁটুর ওপর লাগে। গুলির শব্দ শুনে আশপাশের মানুষ দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটলে দুর্বৃত্তরা সেখানে থেকে পালিয়ে যায়।

    স্থানীয়রা পরে পুলিশকে খবর দিলে লবণচরা থানা পুলিশ এসে আহত তাইজুলকে উদ্ধার করে দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

    পুলিশ ঘটনার কারণ উদঘাটন ও জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে।