Blog

  • ভরিতে সোনার দাম ৯ হাজার ২১৪ টাকা কমলো

    ভরিতে সোনার দাম ৯ হাজার ২১৪ টাকা কমলো

    আন্তর্জাতিক বাজারে পতনের প্রভাব পড়ায় দেশি বাজারেও সোনার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। বুধবার (৪ মার্চ) বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৯ হাজার ২১৪ টাকা পর্যন্ত দাম কমানো হয়েছে। ফলে সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার এক ভরির দাম দুই লাখ ৬৮ হাজার ২১৪ টাকায় নেমে এসেছে; গতকাল এটি ছিল দুই লাখ ৭৭ হাজার ৪২৮ টাকা।

    বাজুস জানিয়েছে, নতুন এই দাম সোমবার নয়—বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছে যে দাম সকাল সাড়ে ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। সংগঠনটি উল্লেখ করেছে যে আন্তর্জাতিক বাজারে টেকনিক্যাল ও রাজনৈতিক কারণে পিওর গোল্ডের দর কমার ফলে স্থানীয় বাজারেও দর সমন্বয় করা হচ্ছে।

    নতুন দর অনুযায়ী ২১ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরির দাম হয়েছে দুই লাখ ৫৬ হাজার ২৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ১৯ হাজার ৪৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির (পুরনো কায়দা) প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারিত হয়েছে এক লাখ ৭৯ হাজার ১৫৯ টাকা।

    রুপার দামও পাশাপাশি কমানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারিত হয়েছে ৬ হাজার ৫৩২ টাকা, ২১ ক্যারেট রুপা ৬ হাজার ২৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেট রুপা ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম প্রতিভরি ৪ হাজার ২৪ টাকা করা হয়েছে।

    গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি-র তথ্য অনুসারে, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম এখন ৫,১৬৪ ডলার; যা গতকালের ৫,৩৫৯ ডলারের তুলনায় কমতি দেখা যায়। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল নিয়ে উত্তেজনার কারণে গত কয়েকদিন বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম ওঠানামা করলেও আজ দরপতন লক্ষ্য করা গেছে।

    প্রসঙ্গত, গত মাসের শেষদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে কড়া ওঠানামা থাকায় দেশি বাজারেও রেকর্ড স্তরে সোনার দাম বাড়েছিল। ২৯ জানুয়ারি একদিনে ভরি প্রতি দাম ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বেড়ে বাজুস এক ধাক্কায় ২২ ক্যারেট সোনার দাম দুই লাখ ৮৬ হাজার টাকায় পৌঁছিয়েছিল, যা ছিল দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে উচ্চ পরিমাপে ভরি মূল্যের রেকর্ড।

  • ইসরায়েলি হামলায় তেহরান জ্বলছে: তেলের আগুন ‘নদীর মতো’, বিষাক্ত বৃষ্টির সতর্কতা

    ইসরায়েলি হামলায় তেহরান জ্বলছে: তেলের আগুন ‘নদীর মতো’, বিষাক্ত বৃষ্টির সতর্কতা

    ইরানের রাজধানী তেহরানে ইসরায়েলি বিমান হামলায় লক্ষণীয় পেট্রোলিয়াম স্থাপনায় বিস্ফোরণ ঘটার পর তেল সিল হয়ে শহরের নর্দমা ও পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থায় মিশে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, রাস্তার পাশের সুয়ারেজ লাইনের ভেতর দিয়ে আগুনের শিখা বয়ে চলছে — স্থানীয়দের ভাষ্যে শহরটি যেন একটি ‘আগুনের নদী’য়ে পরিণত হয়েছে।

    এক্স প্ল্যাটফর্মের ‘লিভিং ইন তেহরান’ নামে একটি সংস্কৃতি ও শিল্প বিষয়ক অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, শহরের দীর্ঘ এক সড়ক জুড়ে নর্দমার ফাঁক-ফোঁক থেকে আগুন বের হচ্ছে এবং ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ছে। সেখানে দেখা দৃশ্য স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে।

    ইরানের তেল মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তেহরানের পশ্চিমে আলবোর্জ প্রদেশের কারাজ শহর সহ মোট তিনটি এলাকায় তাদের জ্বালানি ডিপো ইসরায়েলি হামলার শিকার হয়েছে। সেগুলোতে তেলের বিস্ফোরণের সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশগত ও জনস্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিয়েছে।

    রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জরুরি সতর্কতা জারি করে জানিয়েছে, বিস্ফোরণের ফলে বাতাসে ছড়িয়ে পড়া রাসায়নিক উপাদান বৃষ্টির সঙ্গে মিশে ‘বিষাক্ত বৃষ্টি’ হতে পারে। এই ধরনের বৃষ্টি ত্বকে ছোঁয়া গেলে রাসায়নিকতা থেকে ক্ষত বা জ্বালা হতে পারে এবং শ্বাসনালীর মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সংস্থাটি সাধারণ নাগরিকদের জন্য নিচের নির্দেশনাগুলো দিয়েছে:

    1. বিস্ফোরণের পরে বৃষ্টির সময় কোনো অবস্থাতেই বাড়ি থেকে বের হওয়া যাবে না।

    2. বাইরে থাকলে দ্রুত কংক্রিট বা ধাতব ছাদের নিচে আশ্রয় নিতে হবে; গাছের নিচে আশ্রয় নেওয়া ঠিক নয়।

    3. বৃষ্টির পানি ত্বকে লাগলে কখনও ঘষবেন না; অবিরাম ঠাণ্ডা পানির ধারা দিয়ে আক্রান্ত স্থান ধুয়ে ফেলুন।

    4. বৃষ্টিতে ভেজা পোশাক দ্রুত বদলে ফেলুন এবং সেগুলো একটি চাপা ব্যাগে ভরে আলাদা রাখুন।

    অন্যদিকে তেল স্থাপনায় হামলার প্রভাবে তেহরান প্রদেশে প্রতিটি ব্যক্তিগত কার্ডের দৈনন্দিন জ্বালানি তেলের কোটা ৩০ লিটার থেকে কমিয়ে ২০ লিটারে নামিয়ে আনা হয়েছে—এই ঘোষণা করেছে গর্ভনর ও ফার্স নিউজ এজেন্সি। তেহরানের গভর্নর ও স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, জ্বালানি সরবরাহে এই কৃচ্ছ্রসাধন নীতি মাত্র দুই-তিন দিনের জন্য প্রযোজ্য থাকবে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই পুরনো কোটা পুনঃস্থাপিত হবে। তিনি নাগরিকদের আতঙ্ক না পেতে অনুরোধ করেছেন।

    ঘটনাস্থল ও পরিবেশগত পরিস্থিতি সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ ও তত্ত্বাবধায়ক সংস্থাগুলো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা ও তদারকি জোরদার করা হয়েছে। স্থানীয়রা নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর জোর দিচ্ছেন।

  • ইরান দাবি: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ১৩টি উন্নত আকাশযান ভূপাতিত

    ইরান দাবি: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ১৩টি উন্নত আকাশযান ভূপাতিত

    ইরান দাবি করেছে যে গত শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে শনিবার (৭ মার্চ) পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মোট ১৩টি উন্নতমানের আকাশযান ও ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। এই তথ্য প্রতিনিধিত্বমূলকভাবে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর খাতাম আল–আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দফতরের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যা আনাদোলু সংবাদ প্রতিষ্টান উদ্ধৃত করেছে।

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র ও আর্টিলারি ধরনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে এমকিউ-৯, হারমেস এবং অরবিটার মডেলের মোট ১৩টি ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে। আইআরজিসি জানিয়েছে এসব ড্রোন দেশটির উত্তর-পশ্চিম, পশ্চিম ও দক্ষিণ অংশের পাশাপাশি ইসফাহান, কেরমান ও রাজধানী তেহরানের আকাশে প্রতিহত করা হয়েছে।

    একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করেছে বলে বিবেচিত হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলের পশ্চিম জেরুজালেমে বিস্ফোরণের শব্দ ধরা পড়েছে এবং বিমান হামলার সাইরেনও বেজে উঠেছে। সংবাদ সংস্থা এএফপির সাংবাদিকরা বলেছেন, সেখানে অন্তত তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ছয়বার বিমান হামলার সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

    অন্যদিকে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে যে তারা ইরানের ১৬টি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে। আইডিএফ বলেছে, ধ্বংস হওয়া বিমানগুলো আইআরজিসি–এর কুদস বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত ছিল। তাদের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, শনিবার (৮ মার্চ) রাতে ইসরায়েলের বিমানবাহিনী (আইএএফ) মেহরাবাদ বিমানবন্দরে এক অভিযান চালিয়ে তিনটি বিমান ধ্বংস করে।

    এই ঘটনার বিবরণ দুটি পক্ষের প্রকাশিত দাবির ওপর ভিত্তি করে জানানো হয়েছে এবং নিরপেক্ষভাবে স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করা যায়নি। সংবাদ সংস্থা আনাদোলু ও এএফপি ওই প্রতিবেদনগুলোতে সূত্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • চিতলমারীতে ব্যবসায়ী ব্যবস্থাপনা কমিটির নবনির্বাচিতরা শপথ নিলেন

    চিতলমারীতে ব্যবসায়ী ব্যবস্থাপনা কমিটির নবনির্বাচিতরা শপথ নিলেন

    বাগেরহাটের চিতলমারী বাজার ব্যবসায়ী ব্যবস্থাপনা কমিটির নবনির্বাচিত সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেছেন। রবিবার (৮ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহন করেন।

    শপথ বাক্য পাঠ করান চিতলমারী উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমান। অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোঃ শাহাদাৎ হোসেন বুলু, নির্বাচন কমিশনার শেখ নোয়াব আলী, মোঃ সোহেল সুলতান মানু, বাদল সাহা ও মোঃ সোহাগ মুন্সি উপস্থিত ছিলেন।

    নবনির্বাচিত সভাপতি মোঃ সোয়েব হোসেন গাজী ও সাধারণ সম্পাদক শেখ আসাদুজ্জামান জানান, তারা চিতলমারী বাজারের সার্বিক উন্নয়ন, সুশৃঙ্খল ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে নিরন্তর কাজ করবেন। তারা বলেন, ঈদের পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে একটি অভিষেক অনুষ্ঠানের আয়োজন করবেন।

    স্থানীয় ব্যবসায়ী ও উপস্থিতরা নতুন কমিটির প্রতি প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন। আশা করা হচ্ছে নতুন নেতৃত্ব বাজারের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, নিরাপত্তা ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম শক্তিশালী করতে দ্রুত পদক্ষেপ নেবে।

  • কুষ্টিয়ায় প্রকাশ্যে সানি শেখ সাগর কুপিয়ে নিহত

    কুষ্টিয়ায় প্রকাশ্যে সানি শেখ সাগর কুপিয়ে নিহত

    কুষ্টিয়ায় রোববার দুপুরে প্রকাশ্যে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সানি শেখ সাগর (২৬) নামে ওই যুবককে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে শহরের চৌড়হাস কোল্ডস্টোর পাড়া এলাকায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করা হয়।

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কয়েকজন দুর্বৃত্ত চাপাতি ও রামদা নিয়ে সাগরের ওপর ধাওয়া করে তাকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে—বিশেষ করে ডান পা, ডান হাত ও কপালে তীব্র ক্ষত বিস্তার করে। আশে-পাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

    নিহত সানি শেখ সাগর চৌড়হাস কোল্ডস্টোর এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। তার মরদেহ কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

    কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতুব্বার জানান, হত্যার প্রকৃত কারণ এখনও জানা যায়নি। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করছে এবং ঘটনার সূত্র ধরে তদন্ত করে সূক্ষ্ম অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। কৃষ্ণাঙ্গ এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে, স্থানীয়রা ঘটনার ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে সহায়তা করছেন।

  • ইতিহাসের পথে নিউজিল্যান্ড, শিরোপার লড়াইয়ে ভারত

    ইতিহাসের পথে নিউজিল্যান্ড, শিরোপার লড়াইয়ে ভারত

    দীর্ঘ এক মাসের উত্তেজনা ও রোমাঞ্চ শেষে আজ আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর্দা নামছে মহা ফাইনালের মাধ্যমে। 7 ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও নিউজিল্যান্ড; মাঠে দেখা যাবে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে।

    হেড-টু-হেডে দুই দল এখন পর্যন্ত মোট 30 বার মুখোমুখি হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী ভারতের ঝুলিতে আছে 18টি জয়, নিউজিল্যান্ডের কাছে 11টি জয়, আর একটি ম্যাচ শেষ হয়েছে টাইয়ে। ভেন্যু ভেদে দেখা যায় ভারতের আধিপত্য—নিজেদের মাটিতে ভারতের জয় 11টি, সেখানে নিউজিল্যান্ডের জয় মাত্র 4টি। অ্যাওয়ে নির্ধারিত ম্যাচে ভারতের জয় 7টি, কিউইদের 5টি। নিরপেক্ষ ভেন্যুতে এখনও পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডই সব সৌভাগ্য পেয়েছে; দুটো ম্যাচেই তারা ভারতকে হারিয়েছে।

    গত জানুয়ারিতে দ্বিপাক্ষিক সিরিজেও দেখা হয়েছে—সেই ম্যাচে ভারত নিউজিল্যান্ডকে 46 রানে হারিয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছিল। তবু বড় সার্কিটের ইতিহাস অন্য একটি কথাও বলে—টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত কেউ টানা দু’বার শিরোপা জিততে পারেনি; একমাত্র ওয়েস্ট ইন্ডিজ দুইবার ট্রফি জিতেছে। ফলে এই শিরোপা জিততে চাইলে প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারানো ছাড়াও ইতিহাসের একটা গণ্ডছেঁড়া লাগে।

    নিউজিল্যান্ডের বড় ম্যাচে পারফরম্যান্সও চ্যালেঞ্জ বেশি—আন্তর্জাতিক বড় ফাইনাল বা আইসিসি মঞ্চে কিউইদের দেখানো দৃঢ়তা ভারতকে কঠিন লড়াইয়ে পাঠাতে পারে। সব মিলিয়ে পরিসংখ্যান ভারতের পক্ষে থাকলেও ম্যাচের মেজাজ ও বড় দিনের রেকর্ড কিউইদের পাশে আছে, ফলে ফলাফল নিয়ে কোনো স্পটরুম নেই—খেলা মাঠেই ঠিক করবে।

    আজ সন্ধ্যা 7:30 মিনিটে শুরু হবে এই বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনাল। ক্রিকেটপ্রেমীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন—শেষ পর্যন্ত কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপের ট্রফি, সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।

  • বাংলাদেশ-পাকিস্তান ওয়ানডে সিরিজ শুরু ১১ মার্চ, টিকিট ২০০ টাকা থেকে

    বাংলাদেশ-পাকিস্তান ওয়ানডে সিরিজ শুরু ১১ মার্চ, টিকিট ২০০ টাকা থেকে

    বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরু হবে ১১ মার্চ। পরের দুই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ১৩ ও ১৫ মার্চ। সবগুলো ম্যাচ হবে মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এবং খেলা শুরু হবে দুপুর সোয়া ২টায়—বিসিবি টিকিটের দামও এখন ঘোষণা করেছে।

    টিকিটের দাম সর্বনিম্ন ২০০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ২ হাজার টাকা পর্যন্ত রাখা হয়েছে। টিকিট পাওয়া যাবে শুধুমাত্র বিসিবির ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এবং বিক্রিও ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। দর্শকরা ওয়েবসাইট থেকে আগেই টিকিট সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন।

    টিকিটের বিস্তারিত মূল্য ধরে রাখা হয়েছে এভাবে: ইস্টার্ন গ্যালারি — ২০০ টাকা; শহীদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ড ও নর্দান গ্যালারি — ৪০০ টাকা; ক্লাব হাউস সাউথ (শহীদ মুশতাক স্ট্যান্ড) ও ক্লাব হাউস নর্থ (শহীদ জুয়েল স্ট্যান্ড) — ৬০০ টাকা; আন্তর্জাতিক গ্যালারি নর্থ (মিডিয়া ব্লক) ও আন্তর্জাতিক গ্যালারি সাউথ (করপোরেট ব্লক) — ১,০০০ টাকা; আন্তর্জাতিক লাউঞ্জ সাউথ (করপোরেট ব্লক) — ১,২০০ টাকা; এবং সবচেয়ে ওপরে গ্র্যান্ড স্ট্যান্ড — ২,০০০ টাকা।

    জনপ্রিয় প্রতিপক্ষে আসন সীমিত থাকার সম্ভাবনা থাকে, তাই খেলা দেখার পরিকল্পনা করলে আগেভাগে টিকিট কেটে রাখাই ভালো।

  • কানাডার উইন্ডসরে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইউটিউবার ন্যান্সি গ্রেওয়ালকে ছुरিকাঘাতে হত্যা

    কানাডার উইন্ডসরে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইউটিউবার ন্যান্সি গ্রেওয়ালকে ছुरিকাঘাতে হত্যা

    কানাডার অন্টারিও প্রদেশের উইন্ডসরের টড লেন এলাকা থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার হন ভারতীয় বংশোদ্ভূত জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ও ইউটিউবার ন্যান্সি গ্রেওয়াল (৪৫)। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার, ৩ মার্চ রাত সাড়ে ৯টার দিকে ছুরি আঘাতের ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও প্যারামেডিক ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    উইন্ডসর পুলিশ পরিষেবা প্রাথমিকভাবে ঘটনাকে ‘বিচ্ছিন্ন’ হামলা বলে উল্লেখ করলেও তদন্তকারীরা আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে হামলাকারীদের শনাক্তের চেষ্টা করছে। তদন্তের স্বার্থে কানাডা স্ট্রিট ও বিশপ স্ট্রিটে থাকা দু’টি বাড়ি সিল করে দেওয়া হয়েছে।

    ন্যান্সির পরিবারের অভিযোগ, এটি কোনো স্বতঃস্ফূর্ত কাণ্ড নয় বরং পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তার মা শিন্দরপাল কৌর স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘‘গত কয়েকদিন ধরেই ন্যান্সিকে নানা ধরনের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। কয়েক মাস আগে তার বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ারও চেষ্টা করা হয়েছিল।’’ তিনি এক স্থানীয় গুরুদ্বারের এক ব্যক্তিসহ মোট তিন জনের বিরুদ্ধে সন্দেহের আঙুল তুলেছেন এবং দাবি করেছেন যে সিসিটিভি ফুটেজে এক সন্দেহভাজনকে চিহ্নিত করার পর থেকেই তাদের কাছে হুমকি এসেছে।

    প্রতিভাবান ও স্পষ্টভাষী হিসেবে পরিচিত ন্যান্সি গ্রেওয়াল পাঞ্জাবের জলন্ধরের বাসিন্দা ছিলেন এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় তার কন্টেন্ট সাধারণত খালিস্তানবিরোধী অবস্থান ও ভারতপক্ষীয় বিশ্লেষণের জন্য জনপ্রিয় ছিল। তার ভিডিওতে তিনি জেলবন্দি সাংসদ অমৃতপাল সিং, শিরোমণি আকালি দল নেতা বিক্রম সিং মাজিথিয়া ও গুরিন্দর সিং ডিলনের সমালোচনা করতেন এবং দুই দেশের সম্পর্ক সংক্রান্ত বিতর্কেও তিনি ভারতের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান দেখাতেন।

    পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং অতিলৎকারি কোনো মন্তব্য বা পরিবর্তনশীল প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে এখনও চূড়ান্ত কিছু বলা যায় না। তারা সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য প্রমাণ খতিয়ে দেখে সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা করছে। তদন্ত সংক্রান্ত নতুন তথ্য পাওয়া গেলে তা জানানো হবে।

  • সুপ্রীম কোর্টের ভেতরে ছয়টি সাউন্ড গ্রেনেড উদ্ধার

    সুপ্রীম কোর্টের ভেতরে ছয়টি সাউন্ড গ্রেনেড উদ্ধার

    রাজধানীর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে প্রধান বিচারপতির মূল প্রবেশপথের পাশে অবিস্ফোরিত অবস্থায় ছয়টি সাউন্ড গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনা রোববার (৮ মার্চ) দুপুর দেড়টার দিকে ঘটেছে, যখন গেটের ডানপাশে ফেলে রাখা অবস্থা থেকে এগুলো শনাক্ত করা হয়। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর জানা যায়নি।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও আদালত সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে জানা গেছে, দুপুরের দিকে প্রধান বিচারপতির প্রবেশপথের কাছাকাছি কিছু সন্দেহজনক বস্তু পড়ে থাকতে দেখা যায়। স্থানীয় লোকজন বিষয়টি तुरंत পুলিশকে জানান। এর ফলে শাহবাগ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পুরো এলাকাটি ঘিরে রাখে, নিরাপত্তা জোরদার করে।

    পরে, এই তথ্য পেয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে যায়। তারা দুপুরের দিকে সাউন্ড গ্রেনেডগুলো উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায় এবং পরীক্ষানিরীক্ষা করে এগুলো নিষ্ক্রিয় করে।

    ঘটনা স্থল থেকে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহের পর সেগুলো বিশেষজ্ঞ দলের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে, কারা বা কোন উদ্দেশ্যে সুপ্রিম কোর্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এই সাউন্ড গ্রেনেডগুলো রেখে গেছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, দুপুরের দিকে তারা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান। পরে ছয়টি সাউন্ড গ্রেনেড উদ্ধার করে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের কাছে পাঠানো হয়। এগুলোর স্বরা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনো এ বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

  • জ্বালানি তেলের অস্থিরতার মধ্যেই বাড়লো জেট ফুয়েলের দাম

    জ্বালানি তেলের অস্থিরতার মধ্যেই বাড়লো জেট ফুয়েলের দাম

    মার্চ মাসের জন্য নির্ধারিত হয়েছে বিমান চলাচলে ব্যবহৃত জেট ফুয়েলের দাম। দেশের অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১১২ টাকা ৪১ পয়সা, যা আগের মাসে ছিল মাত্র ৯৫ টাকা ১২ পয়সা। ফলে এই মাসে লিটারপ্রতি দাম বেড়েছে ১৭ টাকা ২৯ পয়সা।

    এছাড়া, আন্তর্জাতিক উড়োজাহাজের জন্যও প্রতি লিটার ফুয়েলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে; এ মাসে এটি নির্ধারণ করা হলো ০.৭৩৮৪ ডলার, যেখানে আগের মাসে ছিল ০.৬২৫৭ ডলার।

    বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) রোববার (৮ মার্চ) এ তথ্য নিশ্চিত করে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়।

    অতীতে, ফেব্রুয়ারি মাসে অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইটের জন্য এক লিটার জেট ফুয়েলের দাম ছিল ৯৪ টাকা ৯৩ পয়সা, যা পরে বাড়িয়ে ৯৫ টাকা ১২ পয়সা করা হয়। আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্যও ডলারের দামে সামান্য বৃদ্ধি করে ০.৬২৪৬ ডলার থেকে ০.৬২৫৭ ডলার নির্ধারণ করা হয়।