Blog

  • শাকিব খানের ‘রকস্টার’—অ্যানাউন্সমেন্ট টিজার প্রকাশ

    শাকিব খানের ‘রকস্টার’—অ্যানাউন্সমেন্ট টিজার প্রকাশ

    শুটিংয়ের শেষ পর্যায়ে এসে প্রচারণা শুরু হয়েছে শাকিব খানের পরবর্তী সিনেমা ‘রকস্টার’-এর। আজ শনিবার ছবিটির অ্যানাউন্সমেন্ট টিজার প্রকাশ করা হয়েছে।

    ৫৪ সেকেন্ডের একটি অ্যানিমেটেড ঝলকে দেখানো হয়েছে একজন রকস্টারের শৈশব, স্বপ্ন, জনপ্রিয়তা, পতন আর ঝুঁকিপূর্ণ জীবন-যাপন। টিজারটি শাকিব নিজেই তার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন এবং ক্যাপশনে লিখেছেন, “একটা গল্প… যা বদলে দেবে সবকিছু! আসছে খুব শিগগিরই।”

    টিজার প্রকাশ হতেই ভক্তদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শাকিবিয়ানরা প্রিয় নায়ককে পরিচিত ধারার বাইরে দেখতে পেয়ে মুগ্ধতা জানাচ্ছেন। এক ভক্ত লিখেছেন, “’রকস্টার’ আসবে ঝড়ের গতিতে।” আরেকজন মন্তব্য করেছেন, “বদলে দেওয়ার মতো গল্প নিয়ে আমাদের মেগাস্টার আবার আমাদের মাঝে ফিরছেন।”

    কারো কথায়, “মেগাস্টার বলে কথা, জাস্ট আগুন হয়েছে,” আবার কেউ বলছেন, “এই মুভিটা মনে হয় ইতিহাস সৃষ্টি করবে।” এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত টিজারটি প্রায় ৭০ হাজার প্রতিক্রিয়া পেয়েছে।

    গেল ২৮ মার্চ, শাকিবের জন্মদিনে ছবিটির লুক প্রকাশ করা হয়। ভক্তরা সেই লুককে শাকিবের ক্যারিয়ারের সেরা লুক বলে উল্লেখ করেছেন; কেউবা সেটিকে “মায়ায় পড়ে যাওয়া” লুক বলেও অভিহিত করেছেন। পরে আরও একটি পোস্টারে শাকিবের সঙ্গে দেখা গেছে অভিনেত্রী সাবিলা নূরকেও।

    পরিচালক আজমান রুশো পরিচালিত ছবিটির শুটিং শেষ দফা চলছে এবং কয়েকদিনের মধ্যে শুটিং সম্পন্ন হওয়ার কথা। শাকিবের বিপরীতভূমিকায় থাকবেন তানজিয়া জামান মিথিলা ও সাবিলা নূর। ছবির সঙ্গীত পরিচালনা করছেন জাহিদ নিরব।

    প্রযোজকরা জানিয়েছেন, কোরবানি ঈদে মুক্তির লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। টিজার ও লুক প্রকাশের তৃতীয় প্রকাশ্যে আসায় দর্শকদের প্রত্যাশা আরও বেড়েছে।

  • ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর কাবিলা: জিয়াউল হক পলাশ এবার সিনেমা নির্মাণের ইঙ্গিত

    ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর কাবিলা: জিয়াউল হক পলাশ এবার সিনেমা নির্মাণের ইঙ্গিত

    টিভির জনপ্রিয় চরিত্র কাবিলা হিসেবে পরিচিত জিয়াউল হক পলাশকে দেখে অনেকে তার আসল নাম ভুলে গেছেন। দীর্ঘদিন ধরে অভিনয় করে আলোচিত হলেও, পলাশ শোবিজে আসার সময়ই পরিচালক হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। সেই স্বপ্নটিই এখনো বাঁচিয়ে রেখেছেন—এবার তিনি সিনেমা নির্মাণের ইঙ্গিত দিয়েছেন।

    রুম্মান রশীদ খানের সঞ্চালনায় ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’ পডকাস্টে অংশ নিয়ে পলাশ জানান যে চলচ্চিত্র পরিচালনার জন্য তাঁর দুটি গল্প ইতিমধ্যে প্রস্তুত। তবে সরাসরি বড় পর্দার সিনেমা পরিচালনায় নামার আগে তিনি ধাপে ধাপে কাজ করবেন—একটি ফিকশন শর্টফিল্ম, একটি ওয়েব ফিল্ম এবং একটি ওয়েব সিরিজ পরিচালনা করার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব কাজ শেষ করার পরই তিনি বড় পর্দার দিকে ঝুঁকবেন, বলেন পলাশ।

    পডকাস্টটি জেড আই ফয়সাল প্রযোজিত। এটি আজ শনিবার (২ মে) রাত ৯টায় মাছরাঙা টেলিভিশন ও রেডিও দিনরাত ৯৩.৬ এফএম-এ একযোগে সম্প্রচারিত হবে।

    শোবিজের বাইরে পলাশের সমাজসেবা অর্জনও আলোচ্য। তাঁর প্রতিষ্ঠিত ‘ডাকবক্স ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে চট্টগ্রামে ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার ‘যতন’ নির্মিত হচ্ছে, যার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে আছে। পডকাস্টে এই মানবিক প্রজেক্টের বিস্তারিত বিষয়ও তিনি তুলে ধরেছেন।

  • সারাদেশের থানাগুলো দালালমুক্ত করতে নির্দেশ দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    সারাদেশের থানাগুলো দালালমুক্ত করতে নির্দেশ দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ রাজধানী ঢাকার রমনা মডেল থানাসহ সারাদেশের থানাগুলোকে দালালমুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

    শনিবার (২ মে) দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-এর আওতাধীন রমনা মডেল থানা পরিদর্শনকালে তিনি এই নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি থানার বিভিন্ন কক্ষ, হাজতখানা ও সাধারণ পরিষেবার পরিবেশ খুঁটিনাটি দেখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।

    পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী থানার ওসি, ডিউটি অফিসার ও দায়িত্বরত অন্যান্য পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। তারা পুলিশিং কার্যক্রমে যে সমস্যা বা প্রতিবন্ধকতা রয়েছে সে বিষয়ে মন্ত্রীর কাছে খোঁজ-খবর জানান; মন্ত্রী মনোযোগ দিয়ে তাদের বক্তব্য শোনেন।

    মন্ত্রী পুলিশের প্রতি জোর দিয়ে বলেন যে, জনসেবা প্রদানে সততা, ন্যায়নিষ্ঠা ও আন্তরিকতা বজায় রাখতে হবে। এখানে ‘‘দালাল’’ বলতে তিনি এমন সকল মধ্যস্বত্ব বা দালালকে উদ্দেশ্য করেছেন যারা পুলিশের নামে মধ্যস্থতা করে জনগণ থেকে অনুचितভাবে সুবিধা নেয় বা সেবা প্রদানে বাধা সৃষ্টি করে। এসব দালালকে থানার কার্যক্রম থেকে সম্পূর্ণভাবে উচ্ছেদ করতে হবে।

    সালাহউদ্দিন আহমদ গুরুত্বের সঙ্গে বলেন, দায়িত্বে অবহেলা বা দুর্নীতির যে কোনও অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি পুলিশ সদস্যদের জনগণের আস্থা বজায় রাখতে এবং দ্রুত, ন্যায়সংগত সেবা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেন।

    পরিদর্শনকালীন মন্ত্রীর নির্দেশ জনগণকে স্বচ্ছ ও দায়বদ্ধ সেবা প্রদানে থানাগুলোকে আরও প্রস্তুত ও জবাবদিহিমূলক করার লক্ষ্যে নেওয়া উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছি: বিএনপি নেতা তারেক রহমান

    মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছি: বিএনপি নেতা তারেক রহমান

    শিশু আড়াই মাসে হাঁটতে পারে না—ঠিক তাই বর্তমান সরকারকে তুলনা করেছেন বিএনপি নেতা তারেক রহমান। তিনি বলেন, সরকার যতই নবাগত হোক, আমরা মানুষের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের কাজ শুরু করে দিয়েছি।

    শনিবার (২ মে) সিলেটের চাঁদনীঘাটে সিলেট সিটি করপোরেশনের আয়োজিত জলাবদ্ধতা নিবারণ প্রকল্পের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

    তারেক রহমান বলেন, আমরা সারাদেশে নারী-পুরুষের স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর কথা বলেছি এবং কৃষকদের সহযোগিতার জন্য ‘কৃষক কার্ড’ দেবার কথাও জানিয়েছি। এগুলো বাস্তবে রূপ দেওয়ার কাজ শুরু করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

    ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে লুকিয়ে থাকা প্রতিভা উন্মোচনের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, দেশের ট্যালেন্ট খুঁজে বের করার প্রেক্ষিতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় চালু করা ‘‘নতুন কুঁড়ি’’ অনুষ্ঠানের উদাহরণ উল্লেখ করে বলেন, সেটির অভিনব ধারণা থেকেই আমরা এখন ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ নামে একটি কার্যক্রমের প্রবর্তন করছি। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে ছোটদের মধ্যে থেকে দক্ষ খেলোয়াড় বের করে আনা হবে। তিনি ঘোষণা করেন যে, ইনশাআল্লাহ আজ থেকেই সিলেট থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ শুরু করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, গত পরশু পর্যন্ত সারাদেশ থেকে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার শিশু নাম নথিভুক্ত করেছে। তাদের মধ্যে সাত-আটটি খেলাধুলাকে চিহ্নিত করা হয়েছে, আর সেসব থেকেই ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক স্তরে দেশের জন্য পদক জেতাতে সক্ষম খেলোয়াড় তৈরি করা হবে বলে বিশ্বাস ব্যক্ত করেন তিনি।

    তারেক রহমান ক্রিকেট ও মেয়েদের ফুটবলের সফলতার উদাহরণ টেনে বলেন, যেমনভাবে ক্রিকেট আজ বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে উচ্চার্য করেছে, বা মেয়েদের ফুটবল টিম দেশের জন্য সম্মান বয়ে এনেছে, তেমনি আগামী দিনের এই তরুণরাও দেশের জন্য গৌরব ঘরে তুলবে। তিনি সবাইকে একসঙ্গে এগিয়ে এসে প্রতিভা বিকাশ করতে কাজ করার আহ্বান জানান।

  • দুর্নীতি-অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতি ছাড়া কিছুই চোখে পড়ে না: মির্জা ফখরুল

    দুর্নীতি-অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতি ছাড়া কিছুই চোখে পড়ে না: মির্জা ফখরুল

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকারের ভেতরে ঢুকলেই উদ্বিগ্ন হচ্ছেন—কারণ যেখানে তাকাই সেখানে শুধু অনিয়ম, দুর্নীতি আর স্বজনপ্রীতি দেখা যায়, যা দেশের অগ্রগতির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি এসব কথাই জানিয়েছেন শনিবার (২ মে) দুপুরে রাজধানীর শের-ই বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায়।

    মির্জা ফখরুল বলেন, তদবির ছাড়া কাজ হয় না—গত পনেরো বছরে এটাই নিয়মে পরিণত হয়েছে। অনেকেই ভাইস চ্যান্সেলর হওয়ার জন্য তদবির করেছেন; এটা সিস্টেমের ব্যাধি। তাঁর বক্তব্য, মেধা ও দক্ষতা ছাড়া এগোনো সম্ভব হয় না।

    তিনি বলেন, জুলাই সনদ ও সংবিধান নিয়ে যখনই আলোচনা হচ্ছে সেটা ভালো; কিন্তু রাজনৈতিক স্বার্থে এগুলোকে ব্যবহার করা উচিত হবে না। এসব প্রসঙ্গে তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট বহু জায়গায় বিএনপি ছিল এবং কিছু বিষয়ে নোট অব ডিসেন্টও জমা দিয়েছিল।

    উচ্চকক্ষে পিআর নিয়ে এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়ে দলের একটি অংশের সঙ্গে তারা সহমত হয়নি—তবু এখন সরকার সহজভাবে সবকিছু করে ফেলার চেষ্টা করছে, অভিযোগ করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই বলছে বিএনপি সংস্কার মানে না; অথচ বিএনপিই সংস্কারের জনক। কেউ মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে এবং জামায়াতও এই ইস্যুতে আন্দোলন করছে, যার উদ্দেশ্য বাংলাদেশকে আবারও অস্থিতিশীল করা।

    অর্থনীতি জোরালো করা এখন বিএনপির প্রধান লক্ষ্য—এ অবস্থার উত্তরণের জন্য জাতীয় ঐক্য জরুরি, বলেন তিনি। ফ্যাসিস্ট শাসনের সময়ে ঈর্ষনীয় পরিমাণ দেনা রেখে গেছে, যার ফলে দেশের অর্থনীতির কাঠামো ভেঙে গিয়েছে; তাই অর্থনীতিকে পুনর্গঠন করাই প্রয়োজন।

    শেষে তিনি বলেন, বিএনপির ইতিমধ্যেই অনেক অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন আছে; নতুন কোনো সহযোগী সংগঠনের প্রয়োজন নেই। ‘জিয়া পরিষদ’ের নামে দোকান খোলাটা তিনি চান না এবং সকলকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলেছেন।

  • সাদিক কায়েমকে মেয়রপ্রার্থী হিসেবে প্রচার, শিবির বললো—সুযোগ নেই

    সাদিক কায়েমকে মেয়রপ্রার্থী হিসেবে প্রচার, শিবির বললো—সুযোগ নেই

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমের নাম প্রকাশ হওয়ার সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর বিরূপ প্রতিক্রিয়া উঠেছে। খবরের ভিত্তিতে জামায়াতে ইসলামীর কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না থাকা সত্ত্বেও অনলাইন ও সামাজিক মাধ্যমে তাঁর নাম ছড়ানো হয়েছে।

    শুক্রবার (১ মে) কাকরাইলস্থ ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) কাউন্সিল হলে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের থানা ও বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। কয়েকটি সূত্রে জানা গেছে, ওই সম্মেলনে কিছু জামায়াত নেতারা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রপ্রার্থী হিসেবে সাদিক কায়েমের নাম প্রস্তাব করেছিলেন।

    তবে জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের সংবাদ মাধ্যমে বলেছেন, কেউ পরামর্শ বা প্রস্তাব দিতে পারে, সেটাকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কোথাও বিবেচনা করা যাবে না। যে প্রার্থীকে কেন্দ্রীয় কমিটি অনুমোদন দেবেই, তবেই আনুষ্ঠানিকভাবে নাম ঘোষণা করা হবে। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন সম্পর্কিত প্রার্থীর নাম শিগগিরই চূড়ান্ত করা হবে, কিন্তু এখনো কোনো আনুমানিক অনুমোদন বা ঘোষণা আসেনি।

    অন্যদিকে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছে। কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এস এম ফরহাদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কোনো কেন্দ্রীয় বা সেশনকালীন দায়িত্বে থাকা শিবিরের নেতাকে অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে নির্বাচনে অংশগ্রহণ বা প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করার সুযোগ নেই। শিবিরের দায়িত্ব শেষ করে যারা বাইরে চলে যাবেন, তারা পরে রাজনৈতিক কোনো দলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন—কিন্তু বর্তমান দায়িত্বশীলদের বিষয়ে এমন ঘোষণা বিভ্রান্তিকর এবং অনৈতিক।

    শিবির ও জামায়াত দুই পক্ষই অনুরোধ করেছেন—দুগ্ধপচা খবরের গৃহপথে ভ্রমণ না করে প্রাসঙ্গিক প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে প্রকাশিত আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে। বর্তমানে সাদিক কায়েমের নাম নিয়ে যে প্রচার হচ্ছে তা কেন্দ্রীয় বা স্থানীয় কোনো সংস্থার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা অনুমোদন প্রতিফলিত করে না।

  • প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র: পুরস্কারপ্রাপ্ত নম্বর ও বিজয়ীরা

    প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র: পুরস্কারপ্রাপ্ত নম্বর ও বিজয়ীরা

    ১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই ড্রে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম পর্যায়ের বিজয়ীদের নাম্বার ঘোষণা করা হয়েছে।

    প্রথম পুরস্কার হিসেবে এক লাখ ছয় না—বা —৬ লাখ টাকা পাওয়া গেছে; বিজয়ী সিরিজ নম্বর: ০০০১০৩৫। দ্বিতীয় পুরস্কার — তিন লাখ পঁচিশ হাজার (৩,২৫,০০০) টাকা — বিজয়ী নম্বর: ০০৪৭৭৪৮। তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে প্রতিজন এক লাখ টাকা করে দুইজনের নম্বর হলো ০৫৩৮২৮৯ ও ০৬৭৫৩৮২। চতুর্থ পুরস্কার (৫০,০০০ টাকা) জিতেছেন নম্বর ০৪০০৪৫১ ও ০৫৬৭৬৪৪।

    ড্রটি বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের অফিসের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

    এই ড্রটি একক সাধারণ পদ্ধতিতে (অর্থাৎ প্রত্যেক সিরিজের জন্য একই নম্বর) পরিচালিত হয়েছে। প্রচলনযোগ্য ১০০ টাকা মূল্যমানের মোট ৮৪টি সিরিজের মধ্যে এবারের ড্র-এ ৪৬টি সাধারণ নম্বর পুরস্কারের যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এগুলো হলো — কক, কখ, কগ, কঘ, কঙ, কচ, কছ, কজ, কঝ, কঞ, কট, কঠ, কড, কঢ, কথ, কদ, কন, কপ, কফ, কব, কম, কল, কশ, কষ, কস, কহ, খক, খখ, খগ, খঘ, খঙ, খচ, খছ, খজ, খঝ, খঞ, খট, খঠ, খড, খঢ, খথ, খদ, খন, খপ, খফ, খব, খম, খল, খশ, খষ, খস, খহ, গক, গখ, গগ, গঘ, গঙ, গচ, গছ, গজ, গঝ, গঞ, গট, গঠ, গড, গঢ, গথ, গদ, গন, গফ, গব, গম, গল, গশ, গষ, গপ, গস, গহ, ঘক, ঘখ, ঘগ, ঘঘ, ঘঙ এবং ঘচ — এই সিরিজগুলো ড্র-এ অন্তর্ভুক্ত ছিল।

    পঞ্চম পুরস্কার হিসেবে ১০ হাজার টাকা করে ৪০ জনকে প্রদান করা হবে। পঞ্চম পুরস্কারের বিজয়ীদের নম্বরগুলো হলো — ০০২১৭৪৯, ০২১৭৪১৯, ০৪৬১৪৭২, ০৫৮৮৯৬৬, ০৭৪৯৭৪০, ০০২২১৮১, ০২৪৬০৪৫, ০৪৬২০৫৬, ০৫৯৬৩৪৬, ০৭৫৯৯০৮, ০০৫৬৩৭৮, ০২৯৬৪০২, ০৪৭৮০১৫, ০৬০০৪৪০, ০৭৭২৭৭৩, ০০৯২৩৫৬, ০৩১১১৩০, ০৪৮০৫৬৭, ০৬০৭৩৪৯, ০৮১৩৬৫৯, ০১৪৪৫৬৭, ০৩৫৬৯৪২, ০৫১২০২৪, ০৬৩৯৩৬৭, ০৮৪৮০৪৬, ০১৫৫৩৯৮, ০৩৯৩২৭৭, ০৫৫১২২১, ০৬৪২০০২, ০৮৪৯৬১৪, ০১৫৫৯৩৪, ০৪১৩৫০১, ০৫৬৪৭৬০, ০৬৫০১১৯, ০৯২২৫৯৭, ০১৭৫৭৯২, ০৪৫২৪৪১, ০৫৭৩৮৬৫, ০৬৮৮৭৭৩ এবং ০৯৪৭৬৬৫।

    বিজয়ীদের প্রতি অভিনন্দন জানানো হচ্ছে। যারা পুরস্কার জিতেছেন তাদের দাবি করার জন্য নির্ধারিত সময় ও প্রক্রিয়া মেনেই উপযুক্ত কাগজপত্রসহ আবেদন করার অনুরোধ জানানো হল।

  • এপ্রিলের ২৯ দিনে প্রবাসী আয় ৩০০ কোটি ২০ লাখ ডলার

    এপ্রিলের ২৯ দিনে প্রবাসী আয় ৩০০ কোটি ২০ লাখ ডলার

    চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ২৯ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন মোট ৩০০ কোটি ২০ লাখ ডলার — যা প্রায় ৩.০০২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমান। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বৃহস্পতিবার এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

    এপ্রিলে এপর্যন্ত প্রতিদিন গড়ে পাঠানো রেমিট্যান্স ছিল প্রায় ১০ কোটি ৩৫ লাখ ডলার। বিশেষ করে মাত্র ২৯ এপ্রিল একদিনেই দেশে এসেছে প্রায় ৯৪ কোটি ডলার, যা মাসটির রেমিট্যান্স প্রবাহকে আরও ত্বরান্বিত করেছে।

    গত বছরের একই সময় (এপ্রিল ২০২৫) দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৬০ কোটি ৮০ লাখ ডলার; তুলনায় এবার আয় বেড়ে হয়েছে অভিন্ন লক্ষণীয়।

    এর আগে চলতি বছরের মার্চে রেকর্ডভাঙা আয়ের তালিকায় শীর্ষে ছিল রেমিট্যান্স — ওই মাসে ৩ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন (৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ) ডলার এসেছে। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসেও প্রবাসী আয় প্রতিবারই তিন বিলিয়ন ডলারের ঘরে বা তার ওপরে ছিল; জানুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স ছিল ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার এবং ফেব্রুয়ারি ছিল ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র জানান, সামগ্রিকভাবে চলতি বছরে রেমিট্যান্স প্রবাহ স্থিতিশীল ও উচ্চমান বজায় রাখায় বৈদেশিক মুদ্রার অভ্যন্তরীণ স্টক এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার উপর ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

  • পাকিস্তানে পাম্পে পেট্রোল-ডিজেলের দাম ছাড়ালো ৪০০ রুপি

    পাকিস্তানে পাম্পে পেট্রোল-ডিজেলের দাম ছাড়ালো ৪০০ রুপি

    পাকিস্তানে জ্বালানির দাম নতুন করে উর্ধ্বগতি নিয়েছে; পাম্পে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কার্যত ৪০০ রুপি ছাড়িয়েছে। দেশটির সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) পেট্রোল লিটারপ্রতি ৬.৫১ রুপি এবং ডিজেল লিটারপ্রতি ১৯.৩৯ রুপি বাড়ানো হয়েছে।

    প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন মূল্য সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং আগামী ৮ মে পর্যন্ত বহাল থাকবে। হাইস্পিড ডিজেলের (HSD) নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে লিটারপ্রতি ৩৯৯.৫৮ রুপি, যা পূর্বের ৩৮০.১৯ রুপির তুলনায় প্রায় ১৯.৩৯ রুপি বেশি। পেট্রোলের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৯৯.৮৬ রুপি, আগের ৩৯৩.৩৫ রুপির তুলনায় ৬.৫১ রুপি বাড়ল। ডিলার কমিশন ও অন্যান্য খরচ যোগ হলে পাম্পে কার্যত মূল্য ৪০০ রুপির সীমানা ছাড়িয়ে গেছে।

    সরকার ক্ষতিগ্রস্ত শ্রেণি—মোটরসাইকেল ব্যবহারকারী, কৃষক ও পরিবহনখাত—আরও চাপ না বাড়ুক বলে ভর্তুকি চালিয়ে যাচ্ছে। মোটরসাইকেলের জন্য লিটারপ্রতি ১০০ রুপি ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে এবং এটি মাসে সর্বোচ্চ ২০ লিটার পর্যন্ত প্রযোজ্য। ভর্তুকি অনুযায়ী পেট্রোলের পরিশোধ্য দাম দাঁড়ায় প্রায় ৩০০ রুপি, যা বাংলাদেশি টাকায় আনুমানিক ১৩৫ টাকার সমান।

    বৃহৎ চালান ও পরিবহনের জন্যও আর্থিক সহায়তা ঘোষণা করা হয়েছে—পণ্যবাহী ট্রাকের জন্য মাসে ৭০,০০০ রুপি, বড় পরিবহনযানের জন্য ৮০,০০০ রুপি এবং আন্তঃনগর গণপরিবহনের জন্য মাসে সর্বোচ্চ ১,০০,০০০ রুপি পর্যন্ত ভর্তুকি। সরকারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যে ভাড়া বাড়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে এবং পরিবহন খাতের ওপর নজরদারি জোরদার করা হবে।

    অর্থনৈতিক কারণ হিসেবে সরকার বলছে, এই মূল্যসমন্বয় আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থা আইএমএফ-এর সঙ্গে সমন্বয়ক্রমে করা হচ্ছে। বর্তমান অর্থবছরে পেট্রোলিয়াম লেভি (শুল্ক) থেকে ১.৪৬৮ ট্রিলিয়ন রুপি আদায় করা সরকারের লক্ষ্য।

    তবে সাধারণ জনগণ ও বিশেষত পরিবহনখাত ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি প্রভাব অনুভব করবে, কারণ পরিবহনে ডিজেলের বহুল ব্যবহার সরাসরি জিনিসপত্রের পরিবহন খরচ বাড়ায় এবং মূল্যস্ফীতি ত্বরান্বিত করতে পারে।

    একই সময়ে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) এক বিশ্লেষণে সতর্ক করেছে যে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত পাকিস্তানের অর্থনীতিতে ১০ থেকে ৬৮ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত ক্ষতি করতে পারে এবং এর ফলে মূল্যস্ফীতি ১৫–১৭ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া কাতার থেকে এলএনজি সরবরাহ হ্রাস পাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিঘ্ন হচ্ছে, যা লোডশেডিং বৃদ্ধি ও শিল্প উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

    মোট মিলিয়ে, সরকারের ভর্তুকি ও লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা থাকলেও পাম্প পর্যায়ে জ্বালানির নতুন দাম নাগরিকদের ব্যয়ে সরাসরি ফাঁক ছুঁড়ে দিচ্ছে—বিশেষত পরিবহন ও কৃষি খাতে। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বাজার ও এলাকার রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা কিভাবে পরিস্থিতি প্রভাবিত করবে, সেটাই এখনored মানুষের নজরকাড়া প্রশ্ন।

  • যুদ্ধবিরতি ভাঙার অভিযোগ: লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় কমপক্ষে ১৩ জন নিহত

    যুদ্ধবিরতি ভাঙার অভিযোগ: লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় কমপক্ষে ১৩ জন নিহত

    শুক্রবার লেবাননের নাবাতিয়েহ জেলায় হাব্বুশ এলাকায় ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নয়জন নিহত হয়েছেন এবং কমপক্ষে আরও ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন এক নারী ও একটি শিশু।

    লেবানন সরকার জানায়, টায়র (টাইর) শহর ও আশপাশের কয়েকটি এলাকায় একই সঙ্গে অন্যান্য হামলায় আরও চারজন নিহত হয়েছেন, ফলে মোট হতাহতের সংখ্যা ১৩に পৌঁছেছে।

    আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার বরাতে বলা হয়েছে, গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই নতুন বেগে হামলায় লেবাননে নিহতের সংখ্যা ২৬০০ ছাড়িয়েছে।

    পটভূমি: গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ভূখণ্ডে ইসরায়েলি আঘাতের পর তেহরান সমর্থিত সশস্ত্র শিয়া গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ তাৎপর্যপূর্ণ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল। এরপর থেকে তেলআবিব ও হিজবুল্লাহর মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে এবং রাজধানী বৈরুতসহ লেবাননের বিস্তীর্ণ এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলা শুরু হয়। এসব আঘাতের ফলে অন্তত আশি লাখেরও বেশি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে।

    সংঘাত বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। লেবাননে মোতায়েন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেছে বিভিন্ন দেশ; ফ্রান্সসহ প্রায় ৩০টি দেশ এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

    গত ১৬ এপ্রিল একটি ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছিল কর্তৃপক্ষ, যা তখন সাধারণ মানুষকে নিরাপদে অবস্থান বা বাড়ি ফেরার সুযোগ করে দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু সীমান্তে আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণের ধারা থামেনি, এবং ইরান বারবার বলেছে—কোনও সমঝোতার আগে লেবাননে ইসরায়েলের আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে।

    বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমানের মতো আক্রমণ অব্যাহত থাকলে এলাকার পরিস্থিতি দ্রুত আবার উত্তপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গত ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজার বিরুদ্ধে ইসরায়েলি অভিযানের পর থেকেই দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহ তেলআবিবের বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা নিতে শুরু করেছিল এবং পরবর্তী এক বছরে সংঘর্ষের পর মধ্যস্থতায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি আনে কয়েকটি আন্তর্জাতিক পক্ষ। তবু সাম্প্রতিক ঘটনার প্রেক্ষিতে ফের উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা বাড়ছে।