Blog

  • প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সাইফুল আলমসহ দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে ‘রেড নোটিশ’ জারির নির্দেশ

    প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সাইফুল আলমসহ দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে ‘রেড নোটিশ’ জারির নির্দেশ

    আদালত মোহাম্মদ সাইফুল আলম সহ দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে ‘রেড নোটিশ’ জারির নির্দেশ দিয়েছেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর সিনিয়র বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ প্রদান করেন।

    নোটিশ জারির জন্য চিহ্নিত অপর দুই ব্যক্তির মধ্যে আছেন, সাইফুল আলমের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ ও পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ হাসান।

    দুদকের পক্ষ থেকে উপপরিচালক তাহসিন মুনাবিল হক এই আবেদনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম।

    অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে নানা ধরনের দুর্নীতির মাধ্যমে একটি ভুয়া কোম্পানি, ‘এএম ট্রেডিং’, প্রতিষ্ঠা করে জাল নথিপত্র তৈরি ও ব্যবহার করে আসছেন। ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঋণের নামে তারা ১০৪ কোটি ২০ লাখ ৭৭ হাজার ৭০৮ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

    সাইফুল আলমের দুর্নীতির মাধ্যমে এই অর্থ এস আলমের সুপার ইডিবল ওয়েল কোম্পানির স্বার্থে স্থানান্তর বা পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে মূলত ৩৪০ কোটি টাকার বেশি অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। এই কর্মকাণ্ডের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনের আওতায় বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়, যেমন দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারাসহ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর আওতাও।

    আন্দোলন চলাকালে তদন্তকারীরা বেশ কয়েকবার আসামিদের আটক করার চেষ্টা করেছেন, তবে তারা এখনো বিদেশে পলাতক। এ কারণে সাইফুল আলম, আব্দুস সামাদ ও মোহাম্মদ আবদুল্লাহ হাসানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির আবেদন জানানো হয়।

    সাথেসঙ্গে, ৯ জুলাই আদালত এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম এবং তার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ৫৩টি ব্যাংক হিসাবের অর্থ অবরুদ্ধের নির্দেশ দেয়। ওইসব ব্যাংকের হিসাবের মধ্যে রয়েছে ১১৩ কোটি ৯ লাখ ৮২ হাজার ৮৬৮ টাকা।

  • ইনুর বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ট্রাইব্যুনালে

    ইনুর বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ট্রাইব্যুনালে

    কুষ্টিয়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সাতজন নিহতের ঘটনার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এই তদন্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম নিশ্চিত করেছেন যে, মামলার তদন্তে হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী ৮টি অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এর আগে, এই মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে ইনুকে গ্রেফতার করে আদালত, এবং আদালত তার কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ২০২২ সালের ২৬ আগস্ট উত্তরা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। বর্তমানে তিনি বিভিন্ন মামলায় কারাগারে রয়েছেন। উল্লেখ্য, হাসানুল হক ইনু জাতীয় পর্যায়ে একজন বরেণ্য নেতা হিসেবে পরিচিত, তিনি সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ও দীপচক্রের একজন নেতা। ২০১৮ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া-২ আসনে তিনি আওয়ামী লীগ প্রার্থীর কাছেই হেরেছিলেন।

  • প্রধান উপদেষ্টার আহ্বানে মার্কিন কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের উৎসাহ

    প্রধান উপদেষ্টার আহ্বানে মার্কিন কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের উৎসাহ

    যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস জোরদার আহ্বান জানিয়েছেন। বুধবার নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ এক্সিকিউটিভ বিজনেস গোলটেবিল আলোচনায় এই গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন তিনি। এই আলোচনা ছিল ‘অ্যাডভান্সিং রিফর্ম, রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড গ্রোথ’ শিরোনামে এবং এটি আয়োজন করে ইউএস বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল (ইউএসবিবিসি)। অনুষ্ঠানে মেটলাইফ, শেভরন ও এক্সেলরেটসহ শীর্ষ মার্কিন কোম্পানিগুলোর প্রতিনিধিদের বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ কাজে লাগানোর জন্য মূল আহ্বান তুলে ধরা হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম পরে একটি প্রেস ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন যে, এই সভায় উপস্থিত ছিলেন মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে আসা ছয়জন বাংলাদেশি রাজনৈতিক নেতা, যারা মার্কিন শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সাথে পরিচিত হন। উল্লেখ্য, মুহাম্মদ ইউনূস বর্তমানে নিউইয়র্কে আছেন, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্য।

  • দুদিন ধরে নিখোঁজ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতা, দাবি হাসনাত আব্দুল্লাহর

    দুদিন ধরে নিখোঁজ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতা, দাবি হাসনাত আব্দুল্লাহর

    উত্তরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কে. এম. মামুনুর রশিদ বর্তমানে ৪৮ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে নিখোঁজ রয়েছেন বলে দাবি করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখপাত্র হাসনাত আব্দুল্লাহ। আজ বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ভোরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি এই বিষয়টি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘গত ৪৮ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে কে. এম. মামুনুর রশিদ উত্তরা এলাকা থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। এ বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে এই ধরনের ঘটনা সম্ভবত প্রথমবারের মতো ঘটল।’ হাসনাত আরও যোগ করেন, ‘একজন নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্র যেখানে ন্যূনতম নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে, সেখানে এই ঘটনার দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্তে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অবহেলা স্পষ্ট।’ তিনি গণমাধ্যমের নীরবতার বিষয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘এই সংকটময় পরিস্থিতিতে গণমাধ্যমের নীরব ভূমিকা নতুন করে রাজনীতিতে পুরোনো ভয়ের সংস্কৃতি ও নিপীড়নের পরিবেশ ফিরিয়ে আনার আশঙ্কা সৃষ্টি করছে।’

  • লাদাখে শুটিংয়ে আহত সালমান, বিশ্রাম নিচ্ছেন

    লাদাখে শুটিংয়ে আহত সালমান, বিশ্রাম নিচ্ছেন

    বলিউডের পরবর্তী সিনেমা ‘ব্যাটল অফ গালওয়ান’ এর শুটিং করতে গিয়ে আহত হয়েছেন সালমান খান। দুই মাসের বেশি সময় ধরে ভারতের লাদাখ অঞ্চলে সিনেমাটির দৃশ্যায়ন চলছিল, তখনই অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনায় পড়েন এই অভিনেতা। ভারতের গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এই সিনেমার এক ফাইটিং সিনের শুটিং চলাকালে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনায় সালমানের পেটে গুরুতর চোট লাগে। তবে তা সত্ত্বেও শুটিং চালিয়ে যায় পুরো পরিস্থিতি সামলানো হয়।

  • জুবিন গার্গের শেষ বিদায়, স্ত্রী ও বাবার চোখে চোখে কাঁদলেন সবাই

    জুবিন গার্গের শেষ বিদায়, স্ত্রী ও বাবার চোখে চোখে কাঁদলেন সবাই

    শনিবার মধ্যরাতে সিঙ্গাপুর থেকে বিমানে করে জুবিন গার্গের মরদেহ দিল্লিতে পৌঁছায়। এরপর রোববার সকালে সেটি আসামের গুয়াহাটিতে এসে পৌঁছায়। বিমানবন্দরে কফিনবন্দি তাঁর নিথর দেহ দেখেই কান্নায় ভেঙে পড়েন জুবিনের স্ত্রী গরিম সৈকিয়া গার্গ।

    জুবিনের মরদেহ গুয়াহাটিতে নেওয়ার আগে কাহিলিপাড়ার নিজ পরিবারের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে তার অসুস্থ ৮৫ বছর বয়সী বাবা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এর পরে, সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সবাই তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে অর্জুন ভোগেশ্বর বড়ুয়া স্পোর্টস কমপ্লেক্সে উপস্থিত হন। সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে ভক্তরা ভিড় জমিয়ে প্রিয় গায়ককে শেষবারের মতো দেখতে যান।

    জুবিন গার্গ দীর্ঘ সংগীত জীবনে ৪০টির বেশি ভাষায় প্রায় ৩৮ হাজার গানে গায়ক হিসেবে তার অবদান রেখেছেন। তাঁর ক্যারিয়ার শুরু হয় বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ইমরান হাশমির ‘গ্যাংস্টার’ ছবির ‘ইয়া আলি’ গান দিয়ে, যা গোটা ভারতে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল। এর পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।

    আসাম রাজ্যের ‘রাজপুত্র’ হিসেবে পরিচিত এই সংগীতশিল্পীকে দেশের বহু মানুষ ভালোবাসতেন। তাঁর মৃত্যুতে গোটা ভারত শোকাভিভূত।

    জুবিন গার্গের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে আসাম সরকার। আসাম সরকার ঘোষণা করেছে ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক, এই সময়ে কোনও সরকারি বিনোদন বা সবশেষ আনুষ্ঠানিকতা হবে না।

    উল্লেখ্য, গত ১৯ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরে স্কুবা ডাইভিং করতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়ে আবার ফিরে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান জনপ্রিয় এই কণ্ঠশিল্পী।

    অবশেষে, শেষকৃত্যের স্থান ও সময় এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আসাম সরকার রোববার সন্ধ্যায় এক বৈঠকে তাঁর দাহের স্থান নির্ধারণ করবেন বলে জানা গেছে।

  • হাসপাতালে ভর্তি পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু

    হাসপাতালে ভর্তি পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু

    প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার জাহান ঝন্টু রাজধানীর এক বেসরকারি হাসপাতালে চোখের সমস্যায় ভর্তি হয়েছেন। জানা গেছে, তার চোখের সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। এই খবর নিশ্চিত করেছেন তার দungsোকার নির্মাতা এম এন ইস্পাহানি।

    রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্টে ইস্পাহানি লিখেছেন, “দেলোয়ার জাহান ঝন্টু। একজন পরিপূর্ণ সাদা মনের মানুষ। আল্লাহর রহমতে তার চোখের অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দোয়া করবেন।” এই পোস্টের মন্তব্যে অনেক দোয়া ও শুভকামনা জানিয়ে নানা ব্যক্তিত্ব লেখেন, যার মধ্যে ঢাকাই সিনেমার খল অভিনেতা মিশা সওদাগরও উল্লেখ করেছেন, “অনেক দোয়া।” অনেকে তার সুস্থতা ও জান্তার জন্য শুভকামনা ব্যক্ত করেছেন।

    পোস্টে দেখা যায়, হাসাপাতালের বিছানায় এক চোখে অপারেশন অবস্থায় শুয়ে আছেন ডেলোয়ার ঝন্টু। তিনি দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় ধরে শতাধিক চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন। তার পরিচালনায় প্রথম আলোচিত চলচ্চিত্র ছিল “বন্দুক,” যার মাধ্যমে তিনি পরিচালনায় আত্মপ্রকাশ করেন। তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে “শিমুল পারুল,” “প্রেমগীত,” “হারানো প্রেম,” “ঝিনুকমালার প্রেম,” “বউমা,” “সকাল-সন্ধ্যা,” “পালকি,” “জজ ব্যারিস্টার,” “মুজাহিদ,” এবং “হাতি আমার সাথী”।

    দেলোয়ার জাহান ঝন্টু তার কর্মজীবনে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। আমরা সবাই তাঁর দ্রুত সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করছি।

  • অভিনয়ের পর এবার গীতিকারও ছেড়ে দিচ্ছেন তাহসান

    অভিনয়ের পর এবার গীতিকারও ছেড়ে দিচ্ছেন তাহসান

    সংগীতজীবনের ২৫ বছর পূর্ণ করেছেন তাহসান। এই বিশেষ উপলক্ষে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় সংগীত সফরের জন্য অবস্থান করছেন। তবে এই সফরকালে তার বড় একটি সিদ্ধান্ত জানান—তিনি তার মিউজিক ক্যারিয়ার শেষ করার কথা ভাবছেন। শান্তিপূর্ণ এই মিউজিক জীবনযাত্রার অবসান আসছে বলে মনে করছেন তিনি।

    প্রথমে জানিয়ে দেন, এই সফর শেষ হলেও এটি তার চূড়ান্ত বিরতি নয়। তার কথায়, ‘এটি আমার শেষ কনসার্ট নয়, তবে শেষ ট্যুর। ধীরে ধীরে আমি হয়তো সংগীতের পথ থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছি।’ এই ঘোষণা শুনে কনসার্টে উপস্থিত অনুরাগীরা হতভম্ব ও দুঃখ প্রকাশ করেন। তাহসান তাদের শান্ত করে বলেন, ‘এটি স্বাভাবিক একটা বিষয়। আমার এই সিদ্ধান্তের কারণ হয়তো সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যাবে।’ তিনি মজা করে বলেন, ‘একসময় কি স্তেজে ঝাঁপানো যায় ডাড়ি মাথায়? মেয়ের বয়সও বড় হয়ে গেছে।’ এরপর তিনি গভীরভাবে বলেন, ‘অভিনয় থেকে আমি বেশ কয়েক বছর বিরতি নিয়েছি। এখন গান থেকেও ধীরে ধীরে দূরে সরে যাচ্ছি। আজকের এই রাতটা বিশেষ হয়ে থাকবে, কারণ হয়তো আর কখনো এই মেলবোর্নে ফিরবেন না। তবে, আমি আপনাদের মনে কিঞ্চিৎ থাকব। আমি আপনাদের খুব মিস করব।’

    তাহসান ১৯৯৮ সালে বন্ধুদের সঙ্গে অলটারনেটিভ রক ব্যান্ড গড়েন। তবে তার পেশাদার সংগীতজীবন শুরু হয় ২০০০ সালে ব্ল্যাক ব্যান্ডের মাধ্যমে। তখন থেকেই তিনি সংগীতজীবনে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। দ্রুত সময়ে তিনি নিজের একক ক্যারিয়ার গড়ে তোলেন, যেখানে তার রয়েছে অগণিত হিট গান ও সফল অ্যালবাম। তাঁর জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে ‘আমার পৃথিবী’, ‘এখনো’, ‘ঈর্ষা’, ‘আলো’, ‘প্রেম তুমি’, ‘প্রেমাতাল’, ‘হঠাৎ এসেছিলে’, ‘কে তুমি’ ইত্যাদি। মোট ৭টি একক অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে তাঁর। বিভিন্ন মিক্সড অ্যালবামেও অংশগ্রহণ করেছেন।

    সঙ্গে তিনি ‘তাহসান অ্যান্ড দ্য সুফিজ’ ব্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে ‘তাহসান অ্যান্ড দ্য ব্যান্ড’ এর পারফর্ম করছেন। সংগীতের পাশাপাশি তিনি দারুণ একজন অভিনেতা হিসেবেও পরিচিত। নাটক, ওয়েব কনটেন্ট ও সিনেমায় অভিনয় করেছেন। তবে কিছুকাল ধরে অভিনয় থেকে দূরে থাকছেন। তার সর্বশেষ দেখা গেছে গত বছর ‘বাজি’ ওয়েব সিরিজে। এই সিরিজের মধ্য দিয়ে প্রায় দুই বছর পর তাকে আবার অভিনয়ে দেখা যায়। পাশাপাশি তিনি ‘ফ্যামিলি ফিউড বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠানের প্রথম সিজনে উপস্থাপনাও করেছেন।

    গত বছরে কণ্ঠনালির সমস্যার কথা জানান তাহসান। বলছিলেন, ছয় বছর ধরে তিনি ভুগছেন এই সমস্যা নিয়ে। ভোকাল কর্ডে এক রোগ ধরা পড়ে, যা মূলত ২০১৮ সাল থেকে শুরু হয়। এর ফলে তিনি এখন আর আগের মতো সহজে গান গাইতে পারেন না। এমনকি তিনি নিজেও ভাবতে শুরু করেন, তিনি কি আবার গাইতে পারবেন কিনা। তিনি বলেন, ‘২০১৮ সালে কণ্ঠনালিতে সমস্যা ধরা পড়ে, এরপর থেকে অনেক ধরনের অসুবিধায় পড়তে হলো। ভয়ও পেয়েছি যে, হয়তো আর গান গাইতে পারব না। এখন আমি বুঝতে পারছি আমার গলার অবস্থা কখন ভালো, কখন খারাপ। এই অবস্থার কারণে আমার গাওয়া কমে গেছে।’ বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এই পরিস্থিতির কারণে তার জীবনযাত্রায় বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। খাদ্যাভ্যাসেও পরিবর্তন এনেছেন। তিনি বলছেন, ‘এখন যদি আমি ধারাবাহিকভাবে কম গাই তাহলে বুঝবেন ব্যাপারটা কঠিন হয়ে গেছে। আমি আপনাদের দোয়া চাই যাতে এই সমস্যা আরো বেশি না বাড়ে।’

  • ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়ালেন ভারতের অভিনেতা প্রকাশ রাজ

    ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়ালেন ভারতের অভিনেতা প্রকাশ রাজ

    ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা প্রকাশ রাজ গত ১৯ সেপ্টেম্বর চেন্নাইয়ে ফিলিস্তিনে চলমান ইসরায়েলের হত্যাকাণ্ড ও মানবাধিকার লংঘনের প্রতিবাদে একটি বিশাল সমাবেশ ও মিছিল আয়োজন করেন। এই কর্মসূচিতে তামিলনাড়ুর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন,জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্বরা অংশ নেন। প্রতিবাদে অংশগ্রহণকারী অভিনেতা প্রকাশ রাজ বলেন, ‘যদি অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলা রাজনীতি হয়, তবে এটা আমি স্বচ্ছন্দে বলবো, কারণ সত্যের প্রতিটা কথাই গুরুত্বপূর্ণ। যুদ্ধের পর শান্তি আসবে, নেতারা হাত মেলাবে, কিন্তু আসল ব্যাপার হলো, একদিকে আছে মা তার ছেলের জন্য, স্ত্রী তার স্বামীর জন্য, আর শিশুরা অপেক্ষা করে থাকে তাদের বাবার জন্য—এটাই হলো প্রকৃত সত্য।’ তিনি ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিন্দা করে বলেন, ‘ফিলিস্তিনে যে বর্বরতা চলছে, তার জন্য শুধুমাত্র ইসরায়েল নয়, আমেরিকা ও ভারতের নীরবতাও দায়ী। বিশেষ করে নরেন্দ্র মোদির চুপ থাকা ও নীরবতা এই মানবাধিকার লঙ্ঘনের সাথে সমানভাবে দায়ী।’ অভিনেতা সত্যরাজ গাজায় চলমান হত্যাকাণ্ডে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘এ সব অমানবিক ও মানবতাবিরোধী অপরাধ, যেখানে গাজায় বোমা ফেলা হচ্ছে—এমন পরিস্থিতিতে মানবতা কোথায় দাঁড়ায়?’ তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘এভাবে কি করে এত মানবতার উপর অত্যাচার চলতে পারে? এ ধরনের নৃশংসতা দেখে কিভাবে শান্তিতে ঘুমায় মানুষ?’ চলচ্চিত্র নির্মাতা ভেত্রিমারন ফিলিস্তিনের এই আক্রমণকে পরিকল্পিত গণহত্যা হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘গাজায় শুধু অবকাঠামো নয়, স্কুল, হাসপাতাল ও জলপাই গাছের মতো জীবন রক্ষাকারী সম্পদগুলোকেও ধ্বংস করা হচ্ছে। এর ফলে মানুষ তার জীবন-জীবিকা হারাচ্ছে এবং পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে। এটি সত্যিই একটি পরিকল্পিত আগ্রাসন এবং মানবাধিকার লংঘনের পরিচয়।’ এই প্রতিবাদ ও বিতর্কিত পরিস্থিতির মধ্যে, প্রত্যেকে মূল সুরে বলছে, সত্যের পক্ষে দাঁড়ানোর গুরুত্ব অপরিসীম।

  • বুলবুল ভাইকে আমি ভাবি, তামিম আমি থাকি না: বিসিবি সভাপতি পদের বিষয়ে মতামত

    বুলবুল ভাইকে আমি ভাবি, তামিম আমি থাকি না: বিসিবি সভাপতি পদের বিষয়ে মতামত

    নতুন বিসিবি সভাপতি নির্বাচনের প্রসঙ্গ সর্বত্র আলোচনার কেন্দ্রে। জনপ্রিয় সাবেক দুই অধিনায়ক, তামিম ইকবাল এবং আমিনুল ইসলাম বুলবুলের মধ্যে কে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরবর্তী সভাপতি হবেন—এই প্রশ্নে ক্রিকেটপাড়ায় চলছে ব্যাপক জল্পনা। এই নিয়ে নিজের মতামত ব্যক্ত করেছেন আরও একজন সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল।

    আশরাফুল মন্তব্য করেন, অভিজ্ঞতার দিক থেকে বুলবুলই এগিয়ে আছেন। কারণ, বুলবুল শুধু একজন খেলা-শিক্ষকই নন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ক্রিকেট প্রশাসন এবং কোচিংয়ে যুক্ত আছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা আইসিসির সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা তার রয়েছে। অন্যদিকে, তামিমের অভিজ্ঞতা মূলত মাঠের মধ্যে সীমাবদ্ধ।

    তিনি বলেন, সোমবার গণমাধ্যমের সামনে, সবচেয়ে ইতিবাচক দিক হলো—বর্তমান ও অতীত দুই সভাপতিই ছিলেন সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক। বুলবুল ভাই এবং তামিম, দুজনেই সাবেক অধিনায়ক। আমরা তামিমের কর্মকাণ্ড ও পরিকল্পনা শুনছি—সে কী কি উদ্যোগ নিতে চায়। অন্যদিকে, বুলবুল ভাই ইতিমধ্যে চার মাস ধরে বিসিবি’র বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত।

    আশরাফুল আরও বলেন, বুলবুল ভাইয়ের ট্রিপল সেঞ্চুরি প্রজেক্ট সকলের নজরে এসেছে। Bangladesh Cricket Board ইতিমধ্যে ১৬ বছর ধরে লেভেল-৩ কোচিং কোর্স ও অ্যাম্পায়ার কোর্স চালু করতে পারেনি, যা দেশের ক্রিকেট উন্নতির জন্য অপরিহার্য। এসব উদ্যোগ নিয়েছেন বুলবুল ভাই।

    তিনি স্পষ্ট করেন, তাদের দুইজনেরই যথেষ্ট অভিজ্ঞতা আছে। যেখানে তামিমের অভিজ্ঞতা মূলত মাঠের মধ্যেই সীমাবদ্ধ, বুলবুলের অভিজ্ঞতা বিস্তৃত ও গভীর। তিনি আইসিসির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে সরাসরি যুক্ত ছিলেন, ক্রিকেটের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ ও সংস্কৃতি সম্পর্কে ভালো জানেন। ব্যক্তিগতভাবে, আশরাফুল বুলবুল ভাইয়েরপক্ষে আছেন—তার অভিজ্ঞতা এবং সম্মানজনক চরিত্রের কারণে।

    তবে, তামিমের সম্ভাবনাকে অস্বীকার করেননি আশরাফুল। তিনি বলেন, তামিম অবশ্যই যোগ্য ও ভালো কোণ থেকেই উঠে আসছেন। তিনি বোর্ডের পরিচালকমণ্ডলীতে যেতে পারেন। ক্রিকেটের উন্নয়নের জন্য অনেক ক্ষেত্র আছে—শুধু সভাপতি হতেই হবে এমন কোনো কথা নয়। বুলবুল ভাই যদি অব্যাহত থাকতেন, তাহলেও তার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারতেন। মূল লক্ষ্য সবসময় দেশের ক্রিকেটের উন্নয়ন এবং sourireপ্রতিষ্ঠা—এটাই আমাদের লক্ষ্য। দুইজনকেই শুভকামনা রইল।