পাকিস্তানের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় দেরা ইসমাইল খান জেলায় এক বিয়ের অনুষ্ঠানে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনায় অন্তত সাতজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। হামলার এ ঘটনা স্থানীয় নিরাপত্তা ও পুলিশ সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে। পাকিস্তানের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার এই হামলা ঘটে যখন এলাকার শান্তি কমিটির সদস্যরা বসেছিল। শান্তি কমিটিগুলি স্থানীয় বাসিন্দা ও বয়োজ্যেষ্ঠদের নিয়ে গঠিত এবং বিশেষভাবে অঞ্চলটিতে জঙ্গি কার্যকলাপ মোকাবিলায় কাজ করে থাকে। ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার সময় হামলাকারীরা একটি ভবনে ডিভাইস স্থাপন করে বিস্ফোরণ ঘটায়। পুলিশ কর্মকর্তা মুহাম্মদ আদনান জানিয়েছেন, এই হামলায় কয়েকজন আহত হন, তাঁদের মধ্যে চারজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এর আগে, পুলিশের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছিল, বিস্ফোরণস্থলে তিনজন নিহত হয়েছেন। এই হামলার জন্য এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী দায় স্বীকার করেনি। পাকিস্তানের উত্তরের সীমান্তবর্তী এই এলাকা জঙ্গি গোষ্ঠী তালেবান এবং তার সংশ্লিষ্ট গ্রুপ তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টেটি) একের সাথে জড়িত বলে ধারণা রয়েছে। তালেবান নেতারা এই শান্তি কমিটিগুলিকে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। পাকিস্তানে বিভিন্ন সুন্নিপন্থি জঙ্গি গোষ্ঠীর মূল সংগঠনের रूपमा আছে পাকিস্তানি তালেবান, যারা ১৯৯৭ সাল থেকে দেশটির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তানের সরকার অভিযোগ করেছে যে, আফগান তালেবান পাকিস্তানি এই গোষ্ঠীর সাথেও তারা পাকিস্তানে হামলার পরিকল্পনায় সহায়তা করছে, যদিও কাবুল এই অভিযোগ অস্বিকার করে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এই ঘটনার পেছনে ভিন্ন নানা কারণ ও জঙ্গি কার্যকলাপের সংশ্লিষ্টতা বিশ্লেষণ চলছে।
Blog
-

আফগানিস্তানে তুষারপাত ও ভারী বর্ষণে নিহত ৬১ জন
আফগানিস্তানে সম্প্রতি প্রবল তুষারপাত এবং ভারী বর্ষণের ফলে কমপক্ষে ৬১ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। গত তিন দিনে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে আরও অনেক মানুষ আহত হয়েছেন, যা নিশ্চিত করেছে দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক এক্স (টুইটের মতো প্ল্যাটফর্ম) পোস্টে আফগানিস্তানের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এএনডিএমএ) জানায়, শুধু গত তিন দিনেই দেশজুড়ে ৬১ জন নিহত এবং ১১০ জন আহত হয়েছেন। পাশাপাশি, বিভিন্ন প্রান্তে প্রায় ৪৫৮টি ঘর অর্ধেক বা পুরোপুরি ধ্বংসের শিকার হয়েছে।
এএনডিএমএ জানিয়ে গেছে, এই দুর্যোগের ফলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে, কারণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য কাজ চলছে। দেশের মধ্যাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলের বেশ কিছু প্রদেশের পরিস্থিতি এই দুর্ঘটনায় বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা মানচিত্রে স্পষ্ট দেখা যায়।
অতিরিক্ত তুষারপাতের কারণে কাবুলসহ বিভিন্ন প্রদেশে সড়ক দুর্ঘটনাও ঘটেছে। দুর্বল অবকাঠামোর কারণে দেশের প্রত্যন্ত এলাকার পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে, যেখানে বন্যা, ভূমিধস ও ঝড়ের কবলে বিদ্যমান ক্ষয়ক্ষতি মারাত্মক রূপ নিয়েছে। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবন কঠিন হয়ে উঠছে।
সূত্র: এএফপি
-

মিনিয়াপোলিসে অভিবাসন কর্মকর্তার গুলিতে আরও এক মার্কিন নাগরিক নিহত
মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের রাজধানী মিনিয়াপোলিসে শুল্ক ও সীমান্ত সুরক্ষা বিভাগের অভিবাসন কর্মকর্তাদের গুলিতে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এই ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটলে যখন শহরে ইমিগ্রেশন আওয়ামীভূতির বিরধ এবং ব্যাপক বিক্ষোভ ও উত্তেজনা চলমান ছিল। এর আগে এই মাসের শুরুর দিকে একই ধরনের গুলিতে রেনে গুড নামে এক অভিবাসন কর্মকর্তা নিহত হন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার নিহত ব্যক্তির নাম অ্যালেক্স প্রেট্টি, তিনি ৩৭ বছর বয়সী একজন মার্কিন নাগরিক ও নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নার্স ছিলেন। তার বয়স ৩৭ বছর এবং তিনি মিনিয়াপলিসে থাকতেন। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, অ্যালেক্স প্রেট্টি একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে নিজের জীবন হারিয়েছেন।
নিহতের পরিবার বলেছে, তার বাবার নাম অ্যালেক্স প্রেট্টি, তিনি একজন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের নার্স। পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান। এই ঘটনা চলমান উত্তেজনার মাঝে ঘটেছে, যেখানে শহরজুড়ে প্রতিদিনই বিক্ষোভ চলছিল।
অভিযোগ রয়েছে, এই গুলির ঘটনা ছিল পুলিশ ও ফেডারেল বাহিনীর এক তরফা হত্যাকাণ্ড। মিনিয়াপোলিসের গভর্নর টিম ওয়ালজ বলেছেন, এটি কেবল অভিবাসন আইনের প্রয়োগের বিষয় নয়, বরং এটি আমাদের রাজ্যের মানুষের বিরুদ্ধে চালানো একটি নিষ্ঠুর অভিযান। তিনি বলেন, এই ঘটনায় একজন আর প্রাণ হারাল।
তিনি আরও জানান, ঘটনার গুরুত্ব আর বিচারের জন্য পুরো বিষয়টি রাজ্য সরকারের কর্তৃত্বে তদন্ত করা হবে।
হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের (ডিএইচএস) মুখপাত্র ট্রিশিয়া ম্যাকলাফলিন জানিয়েছেন, কর্মকর্তারা অ্যালেক্স প্রেট্টি নামে এক ব্যক্তিকে অস্ত্র হাতে এগিয়ে আসতে দেখেছেন। তাকে অবশ্যই নিরস্ত্র করার জন্য চেষ্টা করা হয়েছিল, তখন তিনি সহিংস প্রতিরোধ করেন। সেই পরিস্থিতিতে কর্মকর্তারা আত্মরক্ষার জন্য গুলি ছুড়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
অবশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, অ্যালেক্স প্রেট্টি রাস্তা দিয়ে হাঁটাহাঁটি করছিলেন, তখন এক পুলিশ কর্মকর্তা তাকে ও অন্যান্য বিক্ষোভকারীদের রাস্তার মাঝখানে লাঠি দিয়ে মারধর করেন। পরে একজনের হাতে থাকা পেপার স্প্রে ছুড়তে দেখা যায়। এরপরই এক পুলিশ কর্মকর্তা তার দিকে গুলি চালান।
পুলিশের মহাপরিদর্শক ব্রায়ান ও’হারা বলেছেন, অ্যালেক্স প্রেট্টির অস্ত্র বহনের বৈধ অনুমতি ছিল। মিনেসোটা আইন অনুযায়ী, প্রকাশ্যে অস্ত্র বহন করা বৈধ। তিনি সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ও আশা প্রকাশ করেন যে, পরিস্থিতির উন্নতি হবে।
অপর দিকে, এই ঘটনা প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই শত শত মানুষ রাস্তায় নেমে ফেডারেল বাহিনীর বিরুদ্ধে slogans দিতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ টিয়ার গ্যাস এবং ফ্ল্যাশব্যাং গ্রেনেড ব্যবহার করে।
মিনিয়াপোলিসের মেয়র জেকব ফ্রে ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, আর কতজন মানুষ নিহত হবে, আর কতজন আহত হবে—এই সব আর চলতে পারে না। তিনি আরও বলেন, এই ধরনের অভিযান বন্ধ করতে হবে।
অঞ্চলের প্রতিনিধি ইলহান ওমর এই ঘটনাকে ‘একটি নির্বাহী হত্যাকাণ্ড’ বলে অভিহিত করেছেন। এছাড়া সিনেটর অ্যামি ক্লোবুচারও মিনেসোটা থেকে আইসিই প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। এই পুরো ঘটনার জন্য স্থানীয় নেতারা গভীর উদ্বিগ্নতা প্রকাশ করেছেন।
-

ট্রাম্পের কোণঠাসা হুমকি: কানাডার ওপর ১০০% শুল্ক আরোপের আভাস
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের সাথে ঘোষিত বাণিজ্য চুক্তি এগিয়ে নিলে কানাডার ওপর শত শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক বিবৃতিতে তিনি কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিকে লক্ষ্য করে বলেন, “কানাডাকে ব্যবহার করে চীন তাদের সস্তা পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকিয়ে দেবে— যদি কার্নি এ বিষয়ে ভাবেন, তাহলে তিনি সম্পূর্ণ দুঃখিত।” ট্রাম্পের আরও বক্তব্য ছিল, “যদি কানাডা চীনের সাথে বাণিজ্য চুক্তি করে, তবে যুক্তরাষ্ট্রে আসা সব কানাডিয়ান পণ্যে তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে ১০০% শুল্ক আরোপ করা হবে।” ট্রাম্প কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে স্বাভাবিকভাবে উল্লেখ না করে তাকে ‘গভর্নর কার্নি’ বলে ডেকেছেন, যা থেকে বোঝা যাচ্ছে তিনি তাকে দেশটির ক্ষমতা বলয়ে দেখছেন। তিনি দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা নেওয়ার পর থেকেই কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হিসেবে অভিহিত করে আসছেন। অন্যদিকে, কানাডা-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য বিষয়ক কানাডিয়ান মন্ত্রী ডোমিনিক লেব্লাঙ্ক এক্সে (মাইক্রোব্লগিং সাইট) শনিবার লিখেছেন, ‘চীনের সাথে মুক্ত বাণিজ্য করার জন্য তাদের কোন উদ্যোগ নেই।’ তিনি আরও জানান, গত সপ্তাহে চীনের সাথে যেসব চুক্তি হয়েছে তা মূলত শুল্কসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু সমস্যা সমাধানে সহায়ক। মন্ত্রী বলেন, ‘নতুন সরকার কাণ্ডারী হিসেবে কানাডার অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে, যার লক্ষ্য হলো দেশ ও দেশের বাহিরে বাণিজ্যিক অংশীদারিত্বে উন্নতি করা।’ ২০২২ সালের জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি কানাডিয় পণ্যে শুল্ক আরোপের হুমকি দিচ্ছেন। এছাড়াও, সম্প্রতি তিনি কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন। সূত্র: আলজাজিরা।
-

যুক্তরাষ্ট্রে ১০ হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল
শীতকালীন ঝড়ের কারণে গত শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মোট কমপক্ষে ১০ হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটঅ্যাওয়্যার জানিয়েছে, এই ভয়াবহ আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে ব্যাপক ধাক্কা খেয়েছে বিমান চলাচল।
বিশ্লেষণে দেখা গেছে, উত্তর টেক্সাস ও ওকলাহোমা রাজ্যে ঝড়ের আঘাতে শনিবারই তিন হাজার ৪০০ এর বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। ডালাসের ফোর্ট ওর্থার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রায় তিন-চতুর্থাংশ ফ্লাইট বাতিল হয়েছে, যেখানে অন্যান্য বিমানবন্দর যেমন ডালাস লাভ ফিল্ড থেকে ফ্লাইট বাতিলের হার reach ৬৪ শতাংশে পৌঁছেছে। পাশাপাশি, ওকলাহোমা সিটির বিমানে আঘাত হানার ফলে সেখানে ৯০ শতাংশ ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যায়।
রোববারের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে, বাতিলের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে ৬ হাজার ৪০০ এর বেশি হয়। ঝড়ের প্রভাবে উপকূলের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার প্রভাবও আরও বিস্তৃত হয়। ওয়াশিংটন ডিসির রিগ্যান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রবিবারের দিন প্রায় ৯০ শতাংশ ফ্লাইট বাতিল হয়েছে, এবং উত্তর ক্যারোলিনার শার্লট ডগলাস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৭৩ শতাংশ ফ্লাইট বাতিলের বিষয়টি নজরে আসে।
সোমবারের মধ্যে আরও সাত শতাধিক বিমান বাতিল করা হয়েছে, যা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার আগেই। তবে, আবহাওয়া শান্ত হওয়ার পর বিমান সংস্থাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের নিরাপদে তাদের গন্তব্যে পৌঁছে দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
অপরদিকে, দক্ষিণ-মধ্য আমেরিকায় ব্যাপক তুষারপাত ও বিপজ্জনক বরফ পড়ছে, যা দ্রুত পূর্ব দিকে ছড়িয়ে পড়ছে। মার্কিন আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, শনিবার থেকে নিউ ইংল্যান্ড পর্যন্ত অন্তত দুই হাজার মাইলের বেশি এলাকায় এই শীতকালীন ঝড়ের আঘাত হতে পারে। এই বিরূপ পরিস্থিতির কারণে জীবন-জীবিকা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এবং নাশকতা এড়াতে জরুরি সতর্কতা জারি হয়েছে।
-

কোথা থেকে উন্নয়নের পথে কয়রা-পাইকগাছা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-৬ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পীর নির্বাচনী জনসভায় উপস্থিত ছিলেন। জনসভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বলেন, আমি একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে স্বাভাবিক এবং প্রত্যাশিত নির্বাচনকে ঘিরে গভীর অনুভূতি প্রকাশ করছি। জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় নির্বাচন। আপনাদের ভোটে ধানের শীষ প্রতীকে মনোযোগ দিন এবং মনিরুল হাসান বাপ্পীকে জয়যুক্ত করুন, যাতে আপনারা একটি উন্নয়নশীল এবং সুখী সমাজ পেতে পারেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। নির্বাচনে এখনই সময় সমস্যা সমাধানের জন্য ভোট দেওয়ার। তিনি আরও বলেন, সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের জন্য কল্যাণমূলক কাজ এবং ন্যায্যতার প্রতিষ্ঠা হবে। পাশাপাশি পর্যটন শিল্পের গুরুত্ব এখানে অপরিসীম, যা এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখবে। কয়রা-পাইকগাছার উন্নয়নের জন্য এই এলাকাকে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে একটি সমৃদ্ধশীল অঞ্চল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার প্রতিশ্রুতি দেন। গতকাল শনিবার বিকেলে কয়রা মদিনাবাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে কয়রা উপজেলা বিএনপি আয়োজিত বৃহৎ নির্বাচনী জনসভায় বক্তৃতা করেন তিনি। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র আহবায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, যিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের নির্বাচন বিষয়ক ষড়যন্ত্র এবং চক্রান্ত চলছে। স্বাধীনতার সময় যারা বিতর্কিত ভূমিকা রেখেছিল, আজ তারা নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করতে ষড়যন্ত্র করছে। জনগণ এসব চক্রান্ত মূলে উড়িয়ে দেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
-

সংখ্যালঘু ও সংখ্যাগুরু নয়, আমাদের একমাত্র পরিচয় আমরা বাংলাদেশী
বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, একাত্তর এর মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় চব্বিশের সামনে দাঁড়িয়ে নিজেদের অপরাধ ঢাকতে একটি দল ষড়যন্ত্র করছে। এই অপপ্রচার প্রমাণ করে, বাংলাদেশ সম্প্রীতি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু নামে কিছু নেই, আমাদের একটাই পরিচয়—আমরা সবাই বাংলাদেশী। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষ এই দেশের নাগরিক, এবং এটাই আমাদের প্রাকৃতিক বন্ধন। গতকাল শনিবার বিকেলে ডুমুরিয়া উপজেলার স্বাধীনতা চত্বরে আয়োজিত এক প্রার্থনা ও সনাতনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এই সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হয় সনাতনী ঐক্যজোট ডুমুরিয়া উপজেলার শাখা সংগঠনের আয়োজনে।
বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতা ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বারবার স্পষ্ট করেছেন, বাংলাদেশই আমাদের সকলের। পাহাড় থেকে সমতল, গ্রামের মানুষ থেকে শহরের ভোটার—সবাই এই দেশের অংশ। তিনি অভিযোগ করেন, গত দীর্ঘ দিন ধরে আওয়ামী লীগ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ভয় দেখিয়ে ভোটের রাজনীতিতে ব্যবহার করে আসছে। কিন্তু, ৫ আগস্টের পরবর্তীতে দেশের পরিস্থিতি বর্ণনা করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাস ও সহিংসতার চেষ্টা চালিয়েছে। তবে বিএনপির নেতাকর্মীরা রাতের আঁধারে মন্দির ও সংখ্যালঘুদের বাড়ি পাহারা দিয়ে সেই ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করেছে। তিনি আরও বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে সংখ্যালঘুরা সুরক্ষিত থাকবে—এটাই ইতিহাসের প্রতিজ্ঞা।
বিএনপি’র নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের প্রসঙ্গ টেনে টুকু বললেন, তিনি গণতন্ত্রের মা, জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত গণতন্ত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় সংগ্রাম করেছেন। তিনি জেল-জুলুম সহ্য করেছেন, স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে কখনো আপোষ করেননি। ২৪শের গণঅভ্যুত্থান প্রমাণ করে, জনগণ স্বৈরাচারকে আর মেনে নেয় না।
সমাবেশে উপস্থিত মতুয়া ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশ্যে তুকু আশ্বাস দেন, ভবিষ্যতে বিএনপি ক্ষমতায় এলে এবং ধানের শীষের প্রার্থী নির্বাচিত হলে, একটি কেন্দ্রীয় মন্দির নির্মাণের ব্যবস্থা করা হবে। এভাবেই তারা মাথা উঁচু করে বসবাস করবে, কারো দয়ায় নয়, বরং নিজের নাগরিক গৌরবে।
বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজসেবক প্রফুল্ল রায়ের সভাপতিত্বে, ডুমুরিয়া উপজেলা সনাতন ঐক্যজোটের আহ্বায়ক নিধ্যানন্দ মন্ডল ও ডুমুরিয়া মতুয়া মহাসংঘের সাংগঠনিক সম্পাদক সুদেব চন্দ্র মন্ডল সমাবেশের পরিচালনাকার্য সম্পন্ন করেন। এসময় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুন্ডু ও ঢাকা জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী। এছাড়াও অতিথি ছিলেন খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু ও খুলনা-৫ আসনের মোহাম্মদ আলী আসগর লবী। বক্তৃতা করেন খুলনা জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সভাপতি ডাঃ প্রদীপ দেবনাথ, ট্রাস্টি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত, জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি ব্রজেন ঢালি, পরিতোষ বালা ও তপন সাহা প্রমুখ।
প্রারম্ভিকভাবে গীতাপাঠ করেন জ্যোতি মন্ডল। সমাবেশে জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিপুল সংখ্যক সনাতন ধর্মাবলম্বী নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।
-

যশোর ডিসি অফিসের ব্যাখ্যা: সাবেক ছাত্রলীগ নেতার প্যারোলের বিষয়ে সত্যতা
বন্দি সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল হাসান সাদ্দামের স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যুতে তাকে প্যারোলে মুক্তির বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় ওঠে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে الآن বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়েছে যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাগেরহাট কারাগার থেকে গত ১৫ ডিসেম্বর জুয়েল হাসান সাদ্দামকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। Família বা তার পরিবার থেকে কোনো ধরনের প্যারোলের জন্য আবেদন করা হয়নি। বরং, পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সময়ের অভাবে তারা ছেলে-মেয়েদের দেখার জন্য জেল গেটে মরদেহ দেখানোর সিদ্ধান্ত নেন, কোনো আবেদন করেনি।
প্রকাশ করা বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত তথ্য যা বলছে, বন্দির স্ত্রীকে লিখিত চিঠি দেওয়া হয়েছে এবং জেলি ছবিও দেখানো হয়েছে, সবই সত্য নয়। এইসব তথ্য যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার বা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়।
অতিরিক্ত জানিয়ে বলা হয়, প্যারোলে মুক্তির আবেদনও করা হয়নি। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে এ ধরনের কোনো আবেদনের নথিপত্র নেই। পরিবার শুধু মৌখিকভাবে তাদের দিক থেকে প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে, মানবিক কারণে কারা ফটকে মরদেহ দেখানোর ব্যবস্থা করেছে, যা সম্পূর্ণ ন্যায্য ও বিবেচনার মধ্যেও পড়ে।
সার্বিকভাবে, এই তথ্যগুলো স্পষ্ট করে দেয় যে, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভ্রান্তি ও ভুল ধারণাগুলি সত্য নয় এবং বিষয়টির বাস্তবতা বহুটা ভিন্ন।
-

খুলনায় চরমোনাই পীরের সমাবেশ ৮ ফেব্রুয়ারি
আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি রবিবার, খুলনায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাইর উপস্থিতি উপলক্ষে এক গুরুত্বপূর্ণ সার্চ্চ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাটি রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় নগরীর পাওয়ার হাউজ মোড়স্থ আইএবি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মহাসচিব ও খুলনা ৪ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ হাফেজ মাওঃ ইউনুস আহমাদের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানমঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর নায়েবে আমীর ও খুলনা ৩ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হাফেজ মাওঃ আব্দুল আউয়াল, উপদেষ্টা মুফতী মাহবুবুর রহমান, খুলনা মহানগর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ মোঃ নাসির উদ্দিন, নগর সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আবু তাহের, হাফেজ আব্দুল লতিফ, জেলা সহ-সভাপতি ও খুলনা ১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওঃ আবু সাঈদ, মোঃ আবু গালিব, মহানগর সেক্রেটারী মুফতী ইমরান হোসাইন, জেলা সেক্রেটারী এস এম রেজাউল করীম, নগর জয়েন্ট সেক্রেটারী মোঃ দ্বীন ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম, মোঃ হুমায়ুন কবির, মোঃ তরিকুল ইসলাম কাবির, ফেরদৌস গাজী সুমন, আলহাজ্ব সরোয়ার হোসেন বন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা জিএম কিবরিয়া, নুরুজ্জামান বাবুল, মোঃ মঈন উদ্দিন ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি রবিবার খুলনায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাইর আগমন উপলক্ষে একটি বৃহৎ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে, যা খুলনা সার্কিট হাউস ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে।
-

মন ভালো হয়ে গেছে: মঞ্জু বললেন, মানুষ আমাদেরকে হাস্যোজ্জ্বল চোখে গ্রহণ করছে
খুলনা-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক এবং জনপ্রিয় দল, যার প্রতি মানুষের আস্থা অটুট। দীর্ঘদিন ধরে মানুষ ভোট দিতে পারছিলেন না, তাই এখন আসন্ন নির্বাচনের জন্য ভোটের উৎসব ও আমেজ ব্যাপকভাবে প্রভাব ফেলেছে। তিনি আরও জানান, নির্বাচনী প্রচারণার সময় তিনি ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন এবং মানুষ আমাদেরকে হাস্যোজ্জ্বল মুখে গ্রহণ করছে। তারা চায়, জনপ্রিয় দল বিএনপি জিতবে। তিনি মনে করেন, ভোটের ব্যাপক ফলাফলের মাধ্যমে বিএনপির প্রার্থীরা জয়ী হবে কারণ মানুষের আস্থা বর্তমান। বিএনপি গত ১৬ বছর ধরে জনস্বার্থে রাজপথে থাকছে এবং দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় নগরীর ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের রূপসা স্টয়ান্ড রোড, চানমারী বাজার, খ্রিস্টান পাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ কালে এসব কথা বলেন তিনি।
নজরুল ইসলাম মঞ্জু আরও বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালিদা জিয়া বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে খুবই জনপ্রিয়। তার চলে যাওয়ার পরও জনগণের স্মৃতি ও শোক এখনো গভীর থাকছে। তারেক রহমান ১৭ বছর পর বাংলাদেশে এসেছেন এবং একটি কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আসছেন। তিনি উল্লেখ করেন, এবারের নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে। সকলের জন্য উৎসবের মতো পরিবেশ তৈরি হয়েছে এবং ভোটের উৎসাহ ব্যাপকভাবে দৃশ্যমান। নিরাপত্তার কোনো শঙ্কাও নেই।
গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, মহিবুজ্জামান কচি, হাসানুর রশিদ মিরাজ, মাহবুব হাসান পিয়ারু, একরামুল হক হেলাল, শের আলম সান্টু, এড. মাসুম রশিদ, কেএম হুমায়ুন কবির, ইউসুফ হারুন মজনু, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, শামসুজ্জামান চঞ্চল, কামরান হাসান, আলমগীর কবির, মীর কবির হোসেন, সালাউদ্দিন বুলবুল, সওগাতুল ইসলাম, আলম হাওলাদার, নুরুল ইসলাম লিটন, মেহেদী হাসান লিটন, হাসিনা আক্রাম, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, রোকেয়া ফারুক, সেলিম বড় মিয়া, স্বপন হাওলাদার, মাসুদ খান বাদল, সমির সাহা, আবু তালেব, এসএম আব্দুর রব, শাহআলম, ইয়াকুব আলী, মোহাম্মদ আলী, পারভেজ আলম খান, সিরাজ মোল্লা, মহিউদ্দিন মঈন, জাহান আলী, শাহাদাৎ গাজী, ফিরোজ আহমেদ, আল আমিন হক পাপ্পু, জিএম মোজিবর রহমান, মো. মুন্না, খালেক গাজী, খায়রুল আলম, হানিফ ফরাজী, শামসুর রহমান নিশান, মামুনুর রহমান, ফারুক হোসেন খান, ইউনুচ মোল্লা, আব্দুর রশিদ, আব্দুল করিম, আলাউদ্দিন আলম, শাহনাজ পারভীন রিক্তা, মামুন রেজা, নাজমা করিম সহ বিভিন্ন বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
