Blog

  • নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে হেনস্তার ঘটনা: জামায়াত নেতা ডা. তাহেরের ব্যাখ্যা

    নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে হেনস্তার ঘটনা: জামায়াত নেতা ডা. তাহেরের ব্যাখ্যা

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী হিসেবে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন বিএনপি, জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর শীর্ষ নেতারা। তাদের এই সফর নিয়ে বেশ কিছু রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে সম্প্রতি নিউইয়র্কের বিমানবন্দরে এনসিপি নেতা আখতার হোসেনের ওপর প্রবাসী আওয়ামী লীগ কর্মীদের হামলার ঘটনাটি আলোচনায় আসে।

    ঘটনার সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও এনসিপি নেত্রী ডা. তাসনিম জারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তবে জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতির বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকের ধারণা, হয়তো তাকে সরিয়ে রাখা হয়েছিল বা তিনি আগে থেকেই ঘটনাটি জানতেন। এসব জল্পনার ব্যাপারে তিনি স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদান করেন।

    সাক্ষাৎকারে তাহের জানান, শুরুতে আমাদেরকে প্রধান উপদেষ্টার বহরে নেওয়ার জন্য তাঁর সঙ্গে গাড়িতে ওঠানো হয়েছিল। কিন্তু ভিসার জটিলতার কারণে পরে আলাদাভাবে যেতে হয়। সরকারি প্রতিনিধি দলের ভিসা জি-ওয়ান ক্যাটগরির ছিল, যেখানে ফিঙ্গারপ্রিন্টের প্রয়োজন হয় না। অন্যদিকে আমাদের ভিসা ছিল ট্যুরিস্ট ক্যাটগরির, যেখানে ফিঙ্গারপ্রিন্ট করতে হয়। এ কারণে যোগাযোগে কিছু সমস্যা হয়। এর ফলে আমরা হেঁটে ইমিগ্রেশনে যাই।

    তিনি আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টা তখনও আমাদের জন্য অপেক্ষা করছিলেন এবং প্রায় ১০ মিনিটেরও বেশি সময় তিনি পরিস্থিতি দেখছিলেন। তবে সমন্বয়ের অভাবে আমরা একসঙ্গে বের হতে পারিনি।

    বাংলাদেশ মিশনের ভূমিকা নিয়েও তিনি সমালোচনা করেন। বলেন, মিশনের উচিত ছিল আমাদের যথাযথভাবে জানানো এবং সার্বিক সমন্বয় করা। যদি আমরা সবাই একসঙ্গে বের হতাম, তাহলে এই ধরনের ঘটনা ঘটত না। মিশনের ব্যর্থতার কারণেই এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

    প্রবাসী আওয়ামী লীগ কর্মীরা যখন এনসিপি নেতা আখতার হোসেনকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ করেন, তখন সেখানে বিএনপি মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও তাসনিম জারা উপস্থিত ছিলেন। তবে তাকেই দেখা যায়নি। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ এর আগেও এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে, তাই আমাদের কিছুটা আগাম আশঙ্কা ছিল। তবে তখন কি ঘটছে তা বুঝতে পারছিলাম না।

    তাহের এও বলেন, আমি নেতাদের কাছে ছিলাম এবং আমাদের কিছু ছেলেরা স্লোগান দিচ্ছিল, ‘তাহের ভাই জিন্দাবাদ’। আমি বলেছিলাম, ফখরুল সাহেবের নামেও স্লোগান দিতে, যাতে তিনি বিব্রত না হন। কিন্তু তখন তারা উত্তেজিত ছিল এবং আমার কথা শুনছিল না। পরে আমি কিছুটা দূরে সরে দাঁড়াই। এরপর আমাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয় এবং ফুল দিয়ে সম্মানিত করা হয়। আমি কয়েক মিনিট বক্তব্যও দিই। এই সময়ে ডিম নিক্ষেপের ঘটনাটা ঘটে।

    তিনি আরও জানান, টিভি ফুটেজে স্পষ্ট দেখা গেছে, আখতার হোসেনকে রক্ষা করার চেষ্টা করা দুজন আমাদের কর্মী ছিলেন। কিন্তু আখতারের ওপরে হামলার ঘটনাটি দুঃখজনক ও দুঃখজনক ঘটনা।

  • মির্জা ফখরুল: নির্বাচনের সময় ফেব্রুয়ারি

    মির্জা ফখরুল: নির্বাচনের সময় ফেব্রুয়ারি

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্পষ্ট করে বলেছেন, এবারের নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই অনুষ্ঠিত হবে। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী ও দলের শীর্ষ উপদেষ্টারাও এই মাধ্যমে নির্বাচনের পক্ষে সরাসরি অবস্থান নিয়েছেন। তবে তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, শত্রুরা বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে নিয়ে যেতে চাইছে, যা প্রতিরোধ করতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

    যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক থেকে প্রকাশিত বাংলা সংবাদপত্র ‘ঠিকানা’-তে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। সাংবাদিক খালেদ মহিউদ্দিনের সঙ্গে কথা বলার সময় মির্জা ফখরুল বলেন, ‘নির্বাচন অবশ্যই ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে। তবে আমাদের দেশের মধ্যে সর্বত্র যে অবিশ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে, সেটি দূর করতে হবে। সবাই যেন বিশ্বাসের পরিবেশ সৃষ্টি করে এগিয়ে যায়।’

    বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, ড. ইউনূসও নির্বাচনের পক্ষে অবস্থান ব্যক্ত করেছেন এবং বিএনপি চেয়ারপার্সনের সঙ্গে বৈঠকে এ বিষয়ে দৃঢ় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, অন্যান্য রাজনৈতিক দলও জানে যে আসন্ন নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ও সেনাবাহিনী নির্বাচনকালীন সময়ে সতর্ক থাকলেও বাংলাদেশে সমস্যার সরল সমাধান এখনো আসেনি। শত্রুরা দেশকে অস্থিতিশীল রাখতে চাচ্ছে, এতে দেশের স্থায়িত্ব ও আস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তিনি বলেন, ‘মব ভায়োলেন্স, বাড়িঘর ধ্বংস এবং কারখানা জ্বালানোর মত ঘটনা এখন অনেক পরিকল্পিতভাবে ঘটছে।’

    মির্জা ফখরুল আরও যোগ করেন, ‘অপ্রত্যাশিতভাবে ১৫ বছরের রাজনৈতিক বিভাজন সৃষ্টি হয়েছে যার ফলে সাধারণ মানুষ ও মিডিয়ার মধ্যেও অবিশ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে, যা দ্রুত কাটিয়ে উঠতে হবে। এখন বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হলো মানুষের মধ্যে আস্থা স্থাপন করা।’

    যদিও এনসিপি ও জামায়াত নির্বাচন নিয়ে ভিন্ন মত পোষণ করে, তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলো সবসময় আলোচনা করে কিছু অর্জন করার চেষ্টায় থাকে। অবশ্য কিছু দাবি বাস্তবায়ন সহজ নয়, কিন্তু ইতোমধ্যে বহু আলোচনা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও হবে।’

    বিএনপি মহাসচিব চরম উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বর্তমানে সবচেয়ে মারাত্মক সমস্যার নাম হলো—মব ভায়োলেন্স। কেউ কারো বিরুদ্ধে আক্রমণ, বাড়ি ভাঙা, কারখানা পুড়ানোর কর্মকাণ্ড এখন খুব পরিকল্পিতভাবে ঘটছে। এটি আগে এতটা দেখতে পাওয়া যায়নি। তিনি মনে করেন, একটি পক্ষ এই সব ঘটাচ্ছে এবং তারা বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা ও স্থায়িত্বে বিশ্বাস করে না। তারা চায় না বাংলাদেশ নিজের পায়ে দাঁড়াক শক্তভাবে, বরং অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায়।

  • প্রধান উপদেষ্টার আশাবাদ: শিগগিরই ‘জুলাই সনদ’ স্বাক্ষর হবে রাজনৈতিক দলগুলোর

    প্রধান উপদেষ্টার আশাবাদ: শিগগিরই ‘জুলাই সনদ’ স্বাক্ষর হবে রাজনৈতিক দলগুলোর

    দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল শীঘ্রই সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক সংস্কারমূলক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে একটি ‘জুলাই সনদ’ স্বাক্ষর করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি এর মাধ্যমে দেশের একের পর এক স্বৈরশাসকের পুনরুত্থান রোধ করার লক্ষ্য ধারণা করেন।

    বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘের সদরদপ্তরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সাথে এক বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। হাঁফিয়ে ওঠা এ সুযোগে, প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এই বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য জানিয়েছেন।

    বৈঠকে দুই নেতা গুরুত্বপূর্ণ নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। তার মধ্যে ছিল বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন, অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত সংস্কারমূলক পদক্ষেপ, পাকিস্তানের সাম্প্রতিক প্রবল বন্যা, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পরিস্থিতি, এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির উপায়।

    প্রধান উপদেষ্টা পাকিস্তানে সাম্প্রতিক বন্যায় এক হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানিতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন। এ সময় শেহবাজ শরিফ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবকে এই দুর্যোগের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

    বৈঠকে ড. ইউনূস জানিয়েছেন, বাংলাদেশ আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সাতটি জাতীয় কমিশনের প্রস্তাবিত বড় আকারের রাজনৈতিক সংস্কার বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবর্তন হবে।

    তিনি আরও জানান, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে আলোচনা শেষপ্রান্তে রয়েছে এবং প্রত্যাশা করা যায় যে, সব পক্ষ শিগগিরই সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক মূল বিষয়গুলো নিয়ে একটি ‘জুলাই সনদ’ স্বাক্ষর করবে।

    আন্তঃআঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করতে সার্কের নিষ্ক্রিয়তা ও চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে দুই নেতা আলোচনা করেন। বৈঠকে শেহবাজ শরিফ আমন্ত্রণ জানিয়েছেন, ড. ইউনূস পাকিস্তানে সফর করবেন—এর আগে তার সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে।

    বৈঠকটিতে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদষ্টার মুখ্য সচিব সিরাজ উদ্দিন মিয়া এবং এসডিজি বিষয়ে মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ।

  • প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সাইফুল আলমসহ দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে ‘রেড নোটিশ’ জারির নির্দেশ

    প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সাইফুল আলমসহ দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে ‘রেড নোটিশ’ জারির নির্দেশ

    আদালত মোহাম্মদ সাইফুল আলম সহ দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে ‘রেড নোটিশ’ জারির নির্দেশ দিয়েছেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর সিনিয়র বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ প্রদান করেন।

    নোটিশ জারির জন্য চিহ্নিত অপর দুই ব্যক্তির মধ্যে আছেন, সাইফুল আলমের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ ও পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ হাসান।

    দুদকের পক্ষ থেকে উপপরিচালক তাহসিন মুনাবিল হক এই আবেদনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম।

    অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে নানা ধরনের দুর্নীতির মাধ্যমে একটি ভুয়া কোম্পানি, ‘এএম ট্রেডিং’, প্রতিষ্ঠা করে জাল নথিপত্র তৈরি ও ব্যবহার করে আসছেন। ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঋণের নামে তারা ১০৪ কোটি ২০ লাখ ৭৭ হাজার ৭০৮ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

    সাইফুল আলমের দুর্নীতির মাধ্যমে এই অর্থ এস আলমের সুপার ইডিবল ওয়েল কোম্পানির স্বার্থে স্থানান্তর বা পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে মূলত ৩৪০ কোটি টাকার বেশি অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। এই কর্মকাণ্ডের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনের আওতায় বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়, যেমন দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারাসহ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর আওতাও।

    আন্দোলন চলাকালে তদন্তকারীরা বেশ কয়েকবার আসামিদের আটক করার চেষ্টা করেছেন, তবে তারা এখনো বিদেশে পলাতক। এ কারণে সাইফুল আলম, আব্দুস সামাদ ও মোহাম্মদ আবদুল্লাহ হাসানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির আবেদন জানানো হয়।

    সাথেসঙ্গে, ৯ জুলাই আদালত এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম এবং তার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ৫৩টি ব্যাংক হিসাবের অর্থ অবরুদ্ধের নির্দেশ দেয়। ওইসব ব্যাংকের হিসাবের মধ্যে রয়েছে ১১৩ কোটি ৯ লাখ ৮২ হাজার ৮৬৮ টাকা।

  • ইনুর বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ট্রাইব্যুনালে

    ইনুর বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ট্রাইব্যুনালে

    কুষ্টিয়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সাতজন নিহতের ঘটনার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এই তদন্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম নিশ্চিত করেছেন যে, মামলার তদন্তে হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী ৮টি অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এর আগে, এই মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে ইনুকে গ্রেফতার করে আদালত, এবং আদালত তার কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ২০২২ সালের ২৬ আগস্ট উত্তরা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। বর্তমানে তিনি বিভিন্ন মামলায় কারাগারে রয়েছেন। উল্লেখ্য, হাসানুল হক ইনু জাতীয় পর্যায়ে একজন বরেণ্য নেতা হিসেবে পরিচিত, তিনি সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ও দীপচক্রের একজন নেতা। ২০১৮ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া-২ আসনে তিনি আওয়ামী লীগ প্রার্থীর কাছেই হেরেছিলেন।

  • প্রধান উপদেষ্টার আহ্বানে মার্কিন কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের উৎসাহ

    প্রধান উপদেষ্টার আহ্বানে মার্কিন কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের উৎসাহ

    যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস জোরদার আহ্বান জানিয়েছেন। বুধবার নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ এক্সিকিউটিভ বিজনেস গোলটেবিল আলোচনায় এই গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন তিনি। এই আলোচনা ছিল ‘অ্যাডভান্সিং রিফর্ম, রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড গ্রোথ’ শিরোনামে এবং এটি আয়োজন করে ইউএস বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল (ইউএসবিবিসি)। অনুষ্ঠানে মেটলাইফ, শেভরন ও এক্সেলরেটসহ শীর্ষ মার্কিন কোম্পানিগুলোর প্রতিনিধিদের বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ কাজে লাগানোর জন্য মূল আহ্বান তুলে ধরা হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম পরে একটি প্রেস ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন যে, এই সভায় উপস্থিত ছিলেন মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে আসা ছয়জন বাংলাদেশি রাজনৈতিক নেতা, যারা মার্কিন শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সাথে পরিচিত হন। উল্লেখ্য, মুহাম্মদ ইউনূস বর্তমানে নিউইয়র্কে আছেন, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্য।

  • দুদিন ধরে নিখোঁজ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতা, দাবি হাসনাত আব্দুল্লাহর

    দুদিন ধরে নিখোঁজ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতা, দাবি হাসনাত আব্দুল্লাহর

    উত্তরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কে. এম. মামুনুর রশিদ বর্তমানে ৪৮ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে নিখোঁজ রয়েছেন বলে দাবি করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখপাত্র হাসনাত আব্দুল্লাহ। আজ বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ভোরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি এই বিষয়টি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘গত ৪৮ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে কে. এম. মামুনুর রশিদ উত্তরা এলাকা থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। এ বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে এই ধরনের ঘটনা সম্ভবত প্রথমবারের মতো ঘটল।’ হাসনাত আরও যোগ করেন, ‘একজন নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্র যেখানে ন্যূনতম নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে, সেখানে এই ঘটনার দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্তে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অবহেলা স্পষ্ট।’ তিনি গণমাধ্যমের নীরবতার বিষয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘এই সংকটময় পরিস্থিতিতে গণমাধ্যমের নীরব ভূমিকা নতুন করে রাজনীতিতে পুরোনো ভয়ের সংস্কৃতি ও নিপীড়নের পরিবেশ ফিরিয়ে আনার আশঙ্কা সৃষ্টি করছে।’

  • লাদাখে শুটিংয়ে আহত সালমান, বিশ্রাম নিচ্ছেন

    লাদাখে শুটিংয়ে আহত সালমান, বিশ্রাম নিচ্ছেন

    বলিউডের পরবর্তী সিনেমা ‘ব্যাটল অফ গালওয়ান’ এর শুটিং করতে গিয়ে আহত হয়েছেন সালমান খান। দুই মাসের বেশি সময় ধরে ভারতের লাদাখ অঞ্চলে সিনেমাটির দৃশ্যায়ন চলছিল, তখনই অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনায় পড়েন এই অভিনেতা। ভারতের গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এই সিনেমার এক ফাইটিং সিনের শুটিং চলাকালে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনায় সালমানের পেটে গুরুতর চোট লাগে। তবে তা সত্ত্বেও শুটিং চালিয়ে যায় পুরো পরিস্থিতি সামলানো হয়।

  • জুবিন গার্গের শেষ বিদায়, স্ত্রী ও বাবার চোখে চোখে কাঁদলেন সবাই

    জুবিন গার্গের শেষ বিদায়, স্ত্রী ও বাবার চোখে চোখে কাঁদলেন সবাই

    শনিবার মধ্যরাতে সিঙ্গাপুর থেকে বিমানে করে জুবিন গার্গের মরদেহ দিল্লিতে পৌঁছায়। এরপর রোববার সকালে সেটি আসামের গুয়াহাটিতে এসে পৌঁছায়। বিমানবন্দরে কফিনবন্দি তাঁর নিথর দেহ দেখেই কান্নায় ভেঙে পড়েন জুবিনের স্ত্রী গরিম সৈকিয়া গার্গ।

    জুবিনের মরদেহ গুয়াহাটিতে নেওয়ার আগে কাহিলিপাড়ার নিজ পরিবারের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে তার অসুস্থ ৮৫ বছর বয়সী বাবা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এর পরে, সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সবাই তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে অর্জুন ভোগেশ্বর বড়ুয়া স্পোর্টস কমপ্লেক্সে উপস্থিত হন। সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে ভক্তরা ভিড় জমিয়ে প্রিয় গায়ককে শেষবারের মতো দেখতে যান।

    জুবিন গার্গ দীর্ঘ সংগীত জীবনে ৪০টির বেশি ভাষায় প্রায় ৩৮ হাজার গানে গায়ক হিসেবে তার অবদান রেখেছেন। তাঁর ক্যারিয়ার শুরু হয় বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ইমরান হাশমির ‘গ্যাংস্টার’ ছবির ‘ইয়া আলি’ গান দিয়ে, যা গোটা ভারতে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল। এর পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।

    আসাম রাজ্যের ‘রাজপুত্র’ হিসেবে পরিচিত এই সংগীতশিল্পীকে দেশের বহু মানুষ ভালোবাসতেন। তাঁর মৃত্যুতে গোটা ভারত শোকাভিভূত।

    জুবিন গার্গের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে আসাম সরকার। আসাম সরকার ঘোষণা করেছে ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক, এই সময়ে কোনও সরকারি বিনোদন বা সবশেষ আনুষ্ঠানিকতা হবে না।

    উল্লেখ্য, গত ১৯ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরে স্কুবা ডাইভিং করতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়ে আবার ফিরে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান জনপ্রিয় এই কণ্ঠশিল্পী।

    অবশেষে, শেষকৃত্যের স্থান ও সময় এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আসাম সরকার রোববার সন্ধ্যায় এক বৈঠকে তাঁর দাহের স্থান নির্ধারণ করবেন বলে জানা গেছে।

  • হাসপাতালে ভর্তি পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু

    হাসপাতালে ভর্তি পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু

    প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার জাহান ঝন্টু রাজধানীর এক বেসরকারি হাসপাতালে চোখের সমস্যায় ভর্তি হয়েছেন। জানা গেছে, তার চোখের সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। এই খবর নিশ্চিত করেছেন তার দungsোকার নির্মাতা এম এন ইস্পাহানি।

    রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্টে ইস্পাহানি লিখেছেন, “দেলোয়ার জাহান ঝন্টু। একজন পরিপূর্ণ সাদা মনের মানুষ। আল্লাহর রহমতে তার চোখের অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দোয়া করবেন।” এই পোস্টের মন্তব্যে অনেক দোয়া ও শুভকামনা জানিয়ে নানা ব্যক্তিত্ব লেখেন, যার মধ্যে ঢাকাই সিনেমার খল অভিনেতা মিশা সওদাগরও উল্লেখ করেছেন, “অনেক দোয়া।” অনেকে তার সুস্থতা ও জান্তার জন্য শুভকামনা ব্যক্ত করেছেন।

    পোস্টে দেখা যায়, হাসাপাতালের বিছানায় এক চোখে অপারেশন অবস্থায় শুয়ে আছেন ডেলোয়ার ঝন্টু। তিনি দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় ধরে শতাধিক চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন। তার পরিচালনায় প্রথম আলোচিত চলচ্চিত্র ছিল “বন্দুক,” যার মাধ্যমে তিনি পরিচালনায় আত্মপ্রকাশ করেন। তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে “শিমুল পারুল,” “প্রেমগীত,” “হারানো প্রেম,” “ঝিনুকমালার প্রেম,” “বউমা,” “সকাল-সন্ধ্যা,” “পালকি,” “জজ ব্যারিস্টার,” “মুজাহিদ,” এবং “হাতি আমার সাথী”।

    দেলোয়ার জাহান ঝন্টু তার কর্মজীবনে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। আমরা সবাই তাঁর দ্রুত সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করছি।