Blog

  • আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বিরুদ্ধে বিচার শুরু, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বিরুদ্ধে বিচার শুরু, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যা এবং aantal আহতের ঘটনা নিয়ে আলোচনায় আইনি পদক্ষেপ শুরু হয়েছে। সোমবার (২ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ এ ব্যাপারে আদেশ দেন। এতে জানানো হয়, আওয়ামী লীগ의 যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফসহ মোট চারজনের বিরুদ্ধে আনা তিনটি অভিযোগ যথাযথভাবে প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ায় বিচার শুরুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এরপর তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

    আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর আবদুস সোবহান তরফদার এবং আবদুস সাত্তার পালোয়ান। এর আগে, ২৮ অক্টোবর হানিফসহ পলাতক চার আসামির পক্ষে অভিযোগপত্র পড়েন আইনজীবী মো. আমির হোসেন। তিনি শুরুতেই অভিযোগের ব্যপারে সমালোচনা করেন এবং আসামিদের জন্য অব্যাহতির আবেদন করেন। পরে, সুনির্দিষ্ট তিনটি অভিযোগ পড়ে আদালত অভিযোগ গঠনের জন্য আজকের দিন ঠিক করেন।

    উল্লেখ্য, হানিফ ছাড়াও চারজনের বিরুদ্ধে এ ফরমাল চার্জ গঠন প্রক্রিয়া চলছিল। তারা হলেন, কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সদর উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী, এবং শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা।

    গত ২৩ অক্টোবর হানিফসহ চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি এবং তাদের হাজিরার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হলেও, পলাতক থাকায় তা বাস্তবায়ন করা যায়নি। ট্রাইব্যুনাল এই চারজনের জন্য স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ দেয়। এদের বিরুদ্ধে ৬ অক্টোবর প্রথম অভিযোগপত্র জমা পড়ে এবং ৫ অক্টোবর অভিযোগ গঠনের জন্য আনুষ্ঠানিক শুনানি হয়।

    অভিযোগে তুলে ধরা হয়, উসকানিমূলক বক্তব্য, ষড়যন্ত্র ও কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার অভিযোগ। এই আন্দোলনের প্রেক্ষিতে কুষ্টিয়ায় ছয়জন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হন। এর জের ধরে জাসদের একাংশের সভাপতি হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলার অভিযোগ দায়ের হয়। তদন্ত প্রতিবেদন ও আনুষ্ঠানিক অভিযোগের মাধ্যমে এই বিষয়গুলো আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

  • যমুনা অভিমুখী শিক্ষকদের লংমার্চে পুলিশ বাধা দিল

    যমুনা অভিমুখী শিক্ষকদের লংমার্চে পুলিশ বাধা দিল

    জাতীয়করণসহ পাঁচ দফা দাবিতে শিক্ষকদের নেতৃত্বে একটি বড় লংমার্চ রোয়ানা করে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের দিকে যমুনা অভিমুখে রওনা হন। তবে এই কর্মসূচির মধ্যে পুলিশ হাইকোর্ট মোড়ে ব্যারিকেড দিয়ে তাদের আটকে দেয়। 이에 বাধ্য হয়ে রাস্তায় বসে পড়েন ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষকরা।

    রোববার (২ নভেম্বর) দুপুর প্রায় ২টার সময় তারা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে যাত্রা শুরু করেন। এর আগে, তারা টানা ২১তম দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন।

    অদৃশ্য, তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, দেশের বিভিন্ন অজুহাতে ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে, দীর্ঘ মাসের বিরতিতে থাকা এই আন্দোলনের সফলতা এখনো অধরা। নানা দাবির মধ্যে মূল হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, ইবতেদায়ি মাদরাসাগুলোর জাতীয়করণের গেজেট প্রকাশ। শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, এই প্রক্রিয়া নানা অজ্ঞতা ও প্রতিহিংসার কারণে আটকে রয়েছে। বহু সময় অতিক্রম হলেও হয়তো এখনো কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

    শিক্ষকদের আরও অভিযোগ, বিভিন্ন অজুহাতে তাদের দাবি দমনের চেষ্টা চলছে। এ কারণে তারা আবারও এই কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। তারা স্পষ্ট করে দিয়েছেন, যতক্ষণ না তাদের দাবি পূরণ হচ্ছে, তারা অব্যাহত আন্দোলন চালিয়ে যাবে।

  • জাতীয় নির্বাচনের ক্যাম্পেইন শুরু, প্রথম টিজার প্রকাশ

    জাতীয় নির্বাচনের ক্যাম্পেইন শুরু, প্রথম টিজার প্রকাশ

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ এর জন্য প্রাক্কালের প্রচারণা শুরু হয়েছে। আজ, রোববার (২ নভেম্বর), অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই নির্বাচনের প্রথম টিজার প্রকাশিত হয়। ৪৮ সেকেন্ডের এই ভিডিও টিজারে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের গুরুত্ব এবং উন্নয়নশীল দেশের স্বপ্নের কথা তুলে ধরা হয়েছে।

    প্রকাশনাকালে ক্যাপশনে বলা হয়, ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনের ক্যাম্পেইন আজ থেকেই শুরু হলো। এই প্রথম টিজারে বিডিআর হত্যাকাণ্ডের তদন্তের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত ক্যাপ্টেন (অব) ড. খান সুবায়েল বিন রফিক অংশগ্রহণ করেন। তিনি সবাইকে আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে সবাই প্রস্তুত हो। দেশের মালিকানা তাদের হাতে, এটাই হবে তাদের সুযোগ দেশের আসল চিত্রটি বোঝার।

    রোববার দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার সহকারী প্রেস সচিব সুচিস্মিতা তিথি এই তথ্য প্রকাশ করেন।

    প্রসঙ্গত, টিজারের শুরুতেই দেখা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেনকে বলতে শোনা যায়, আমি ভারতের কাছে বলেছি, শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে যা যা প্রয়োজন, তা করতে আমি অনুরোধ করবো। তার এই বক্তব্যটিই পরবর্তীতে ভাইরাল হয়ে পড়ে এবং নির্বাচনের প্রথম প্রচারনায় প্রভাব ফেলে।

    ক্যাপ্টেন (অব) ড. খান সুবায়েল বিন রফিক বলেন, আজ বাংলাদেশের সামনে ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের সুযোগ। এই নির্বাচন দ্বারা জনগণ দেশের ভবিষ্যৎ এবং ক্ষমতার দখল বুঝে নেবে। তিনি যোগ করেন, ভোটের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে কেমন বাংলাদেশ হবে। নির্বাচন ২০২৬, দেশের ভবিষ্যৎ আপনার হাতে।

    প্রসঙ্গত, এই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্রের ভিত্তি শক্তিশালী হবে এবং জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথ সুগম হবে।

  • শাবনূর: আমি জানি না সালমান শাহ কীভাবে মারা গেছেন

    শাবনূর: আমি জানি না সালমান শাহ কীভাবে মারা গেছেন

    ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ ১৯৯৬ সালে ৬ সেপ্টেম্বর আকস্মিকভাবে মৃত্যুবরণ করেন। তার রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে তখন থেকেই নানা জল্পনা-কল্পনা এবং প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে অভিনেত্রীর সাবেক স্ত্রী সামিরা হক তার মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলেই দাবি করেন। সম্প্রতি, সালমান শাহর মৃত্যুর প্রায় তিন দশক পর আদালতের নির্দেশে তার অপমৃত্যুর মামলাকে হত্যা মামলার রূপ দিয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

    গত ২০ অক্টোবর রাতে সালমান শাহর মামা আলমগীর কুমকুম রমনা থানায় একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এর মধ্যে অন্যতম প্রধান আসামি হলেন সালমান শাহর সাবেক স্ত্রী সামিরা হক। এরই মধ্য দিয়ে বিষয়টি আবারও আলোচনায় আসছে এবং বিভিন্ন গুজব ও অপপ্রচারের ঝড়ও তুঙ্গে উঠেছে। এ ঘটনায় প্রভাব পড়েছে সিনেমা অঙ্গনেও।

    অভিনেত্রী শাবনূর নিজের ফেসবুক পেজে ‘আবারো সালমান শাহ প্রসঙ্গ নিয়ে কিছু কথা’ শিরোনামে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি বলেন, “২৯ বছর আগে কিংবদন্তি নায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় আদালতের মাধ্যমে ২১ অক্টোবর রমনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। আমি তখন বিদেশে থাকাকালীন এই খবর জানতে পেরেছি।”

    শাবনূর আরও বলেন, “বিভ্রান্তকর গুজবের বিরুদ্ধে আমি স্পষ্টভাবে প্রতিবাদ জানাচ্ছি। বর্তমান সময়ে কিছু ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে সালমান শাহের মরদেহের মৃত্যুর সঙ্গে আমার নাম জড়ানোর অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। এসব ভিত্তিহীন গুজব এবং ভ্রান্ত তথ্য প্রচার বন্ধের আহ্বান জানাচ্ছি।”

    অভিনেত্রী স্মরণ করেন সালমান শাহর সঙ্গে তার কাজের স্মৃতি। তিনি বলেন, “সালমান শাহ আমার অত্যন্ত প্রিয় সহ-অভিনেতা। আমরা бірге ১৪টি চলচ্চিত্র üzerinde কাজ করেছি। সে একজন জনপ্রিয়, শক্তিশালী ও প্রতিভাবান অভিনেতা, যার সঙ্গে কাজ করে আমার ক্যারিয়ার রঙিন হয়েছে।”

    সালমান শাহর মৃত্যুর বিষয়ে নিজের অজ্ঞতা প্রকাশ করে শাবনূর বলেন, “আমি জানি না কিভাবে সালমান শাহ মারা গেছেন, তবে তার অকাল মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। আমাদের জুটি অনেকের অনুভূতিতে ঈর্ষার সৃষ্টি করেছিল। তার মৃত্যু 이후 কিছু মানুষ অন্যায়ভাবে আমার ওপর দোষ চাপিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে, যা আমাকে মানসিকভাবে অনেক আঘাত করেছে। তবে আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই— আমি সত্যিই জানি না কিভাবে তিনি মারা গেছেন। আমি শুধু চাই তদন্তের ফলাফল সত্য প্রকাশ হোক এবং দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হোক।”

    সালমান শাহর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে শাবনূর বলেন, “সালমানের মায়ের আহাজারি দেখে আমি অনুভব করতে পারি বাবা-মা হারানোর বেদনার কষ্ট। আমি সালমানের পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাই এবং তার আত্মার শান্তি কামনা করছি।”

    গত ২০ অক্টোবর রাতে, রাজধানীর রমনা থানায় সালমান শাহর মামা আলমগীর কুমকুম একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে, যার মধ্যে প্রধান আসামি তার সাবেক স্ত্রী সামিরা হক। অন্য আসামি হিসেবে রয়েছেন—প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, ডন খ্যাত খলনায়ক, লতিফা হক লুসি, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, বিউটি সেন্টারের রুবি, আবদুস সাত্তার, সাজু ও রিজভী আহমেদ ফরহাদ।

    সালমান শাহ ও শাবনূর প্রথম একসঙ্গে জুটি বেঁধেছিলেন জহিরুল হক পরিচালিত ‘তুমি আমার’ সিনেমায়। মাত্র চার বছরের ক্যারিয়ারে তিনি ২৭টি সিনেমা উপহার দিয়েছেন, যা ব্যবসায়িক সফলতা অর্জন করেছে। তার উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে—‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ (১৯৯৩), ‘তুমি আমার’, ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘সুজন সখী’, ‘বিক্ষোভ’, ‘স্নেহ’, ‘প্রেম যুদ্ধ’ (১৯৯৪), ‘কন্যাদান’, ‘দেনমোহর’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘আঞ্জুমান’, ‘মহামিলন’ ও ‘আশা ভালোবাসা’ (১৯৯৫), পাশাপাশি ‘বিচার হবে’, ‘এই ঘর এই সংসার’, ‘প্রিয়জন’, ‘তোমাকে চাই’, ‘স্বপ্নের পৃথিবী’, ‘সত্যের মৃত্যু নেই’, ‘জীবন সংসার’, ‘মায়ের অধিকার’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’ (১৯৯৬), এবং ‘প্রেমপিয়াসী’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘শুধু তুমি’, ‘আনন্দ অশ্রু’ ও ‘বুকের ভিতর আগুন’ (১৯৯৭)।

  • গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি অভিনেতা হাসান মাসুদ

    গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি অভিনেতা হাসান মাসুদ

    জনপ্রিয় অভিনেতা ও সাংবাদিক হাসান মাসুদ গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাতে তাকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে সূত্রে জানা গেছে, হঠাৎ প্রচণ্ড মাথাব্যথা ও খিঁচুনি দেখা দেওয়ার পর তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসকদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তারা নিশ্চিত করেন, তিনি ইস্কেমিক স্ট্রোকে আক্রান্ত। পাশাপাশি তার মাইল্ড হার্ট অ্যাটাকও হয়েছে। হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী বলেন, হাসান মাসুদ ইস্কেমিক স্ট্রোক করেছেন এবং তার হালকা হার্ট অ্যাটাকও হয়েছে। তিনি বর্তমানে নিউরোলজিস্ট, কার্ডিওলজিস্ট এবং ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। সাধারণত এই ধরনের রোগীদের ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়, এরপর পরবর্তী চিকিৎসা ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দীর্ঘদিন ধরে অভিনয় থেকে দূরে থাকা হাসান মাসুদ সম্প্রতি আলোচনায় আসেন অভিনেত্রী হানিয়া আমিরকে নিয়ে করা মন্তব্যের জন্য। পরে এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, এখন আর অভিনয়ে ফিরতে আগ্রহী নন, বরং কোনো স্থায়ী চাকরি খুঁজছেন। তাঁর ভাষ্য, আমি এখন একটা চাকরি খুঁজছি। সেটা যেকোনো ক্ষেত্র—সাংবাদিকতা, প্রশাসন বা অন্য কিছু। আমি হারিয়ে যেতে চাই একেবারে। ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ সেনা বাহিনীতে যোগ দেন হাসান মাসুদ। সাত বছর পর, ১৯৯২ সালে তিনি ক্যাপ্টেন পদ থেকে অবসর নেন। এরপর ক্রীড়া সাংবাদিকতা শুরু করেন এবং ২০০৪ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বিবিসি বাংলায় কাজ করেন। সাংবাদিকতা ছাড়ার পরে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘ব্যাচেলর’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তার অভিনয় জীবন শুরু হয়। এরপর তিনি ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ সিনেমায় অভিনয় করেন এবং একের পর এক জনপ্রিয় টেলিভিশন নাটকে কাজ করে দর্শকদের মন জয় করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে রয়েছে – হাউসফুল, ট্যাক্সি ড্রাইভার, এফডিসি, বউ, খুনসুটি, গ্র্যাজুয়েট, রঙের দুনিয়া, আমাদের সংসার, গণি সাহেবের শেষ কিছুদিন, বাতাসের ঘর ও প্রভাতী সবুজ সংঘ।

  • চেন্নাই শহরে রজনীকান্ত ও ধানুশের বাড়িতে বোমা হামলার ভুয়া হুমকি, পুলিশ তৎপর

    চেন্নাই শহরে রজনীকান্ত ও ধানুশের বাড়িতে বোমা হামলার ভুয়া হুমকি, পুলিশ তৎপর

    তামিল সিনেমার দুই জনপ্রিয় তারকা রজনীকান্ত ও ধানুশের বাড়িতে বোমা হামলা হবে বলে ভারতের চেন্নাই পুলিশের কাছে কঠোর হুমকি এসেছে। একইসঙ্গে সেই হুমকির আওতায় পড়েছে শহরের এক রাজনীতিবিদের বাড়িও। এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে পুলিশ তৎপর হয়ে কাজ শুরু করেছে এবং শহরজুড়ে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

    রোববার সকালে তামিলনাড়ু পুলিশের মহাপরিদর্শকের (ডিজিপি) দপ্তরে একটি ইমেইলে অভিযোগ করা হয়, তাদের বাড়িতে বিস্ফোরক রাখা হয়েছে। এই হুমকি পাওয়ার পর immediately পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ও তদন্তকারীরা রজনীকান্ত, ধানুশ এবং ঐ রাজনীতিবিদের বাড়িতে তল্লাশি চালায়। কয়েক ঘণ্টা বিশ্লেষণের পরে পুলিশ জানায়, কোথাও কোনও সন্দেহজনক বস্তু পাওয়া যায়নি এবং এটি মূলত একটি ভুয়া হুমকি বলে মনে হচ্ছে।

    এর আগে, অক্টোবর মাসে অভিনেত্রী ত্রিশা কৃষ্ণন, রাজনীতিবিদ ও অভিনেতা এস. ভি. শেখর এবং সুরকার ইলাইয়ারাজার স্টুডিওতেও একই ধরনের হুমকি আসে—যা তদন্তের পর সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা প্রমাণিত হয়।

    অক্টোবরের শুরুর দিকেও অভিনেতা বিজয়র বাড়িতে এই ধরনের বোমা হুমকি এসেছিল, যার ফলে পুলিশ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। তদন্ত কর্মকর্তাদের মতে, এই ইমেইল ও ফোনকলের মাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে।

    চেন্নাই পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ডিজিপি অফিস ও গ্রেটার চেন্নাই সিটি পুলিশের যৌথভাবে তদন্ত চালিয়ে হুমকির উৎস শনাক্তের চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে এতদূর পর্যন্ত এই ঘটনাগুলোর সঙ্গে কোনও সংগঠিত গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতা বা স্পষ্ট উদ্দেশ্য জানা যায়নি।

  • সালমান শাহ হত্যা মামলায় সামিরার মা লুসির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

    সালমান শাহ হত্যা মামলায় সামিরার মা লুসির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

    বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় তারকা সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনায় বুধবার রমনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার অন্যতম আসামি হলেন অভিনেতার প্রাক্তন স্ত্রী সামিরার মা, লতিফা হক লিও, যিনি লুসি নামে জনপ্রিয়। এই মামলায় তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আদেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত। পুলিশ এই বিষয়ে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে।

    লুসি ঠাকুরের বিরুদ্ধে মামলার এজাহারে তিন নম্বর আসামি হিসেবে নাম উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার তদন্তে নিষ্পত্তি করতে মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুজ্জামান এই নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন।

    এর আগে, ২০২৩ সালের ২৭ অক্টোবর, সালমান শাহের স্ত্রী সামিরা হক ও অভিনেতা আসরাফুল হক ডনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল। এ জন্য তাঁদেরও আগাম সতর্কতা হিসেবে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। ফলে এই মামলার সাথে যুক্ত তিনজনের দেশত্যাগে বাধা সৃষ্টি হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনের নিজের বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় সালমান শাহের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর অনেক তদন্ত চললেও, দীর্ঘ সময়ের মধ্যে আসল কারণ এখনো নিশ্চিত নয়। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, সালমান শাহ স্বেচ্ছায় আত্মহত্যা করেছেন। তবে তার মৃত্যুর রহস্য আজও ঘেঁটি ধরে দর্শকদের মাঝে।

  • চলন্ত মোটরসাইকেলে দাঁড়িয়ে সিনেমার প্রচার, গ্রেপ্তার অভিনেতা

    চলন্ত মোটরসাইকেলে দাঁড়িয়ে সিনেমার প্রচার, গ্রেপ্তার অভিনেতা

    ভারতের আহমেদাবাদের ব্যস্ত সড়কে বেপরোয়াভাবে মোটরসাইকেল চালানো ও স্টান্ট দেখানোর জন্য গুজরাটের অভিনেতা টিকু তালসানিয়া সহ আরও কয়েকজন অভিনেতা ও অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান চালানো হয়েছে। এই ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যাওয়ার পরে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

    ঘটনার সূত্রে জানা গেছে, গুরুতর সড়ক নিরাপত্তা লঙ্ঘনের উদ্দেশ্যে এই অভিনেতারা গুজরাটের বিখ্যাত সিনেমা ‘মিসরি’র প্রচারণার অংশ হিসেবে জনসমাগমপূর্ণ রাস্তার ওপর এই বিপদজনক স্টান্ট দেখাচ্ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে আহমেদাবাদের সায়েন্স সিটি এলাকােপর এই অপ্রত্যাশিত ও বিপজ্জনক কাণ্ড ঘটে। ভিডিওতে দেখা যায়, অভিনেতা টিকু তালসানিয়া হেলমেট পরলেও চলন্ত মোটরসাইকেলে উঠে দাঁড়িয়ে স্টান্ট দেখাচ্ছেন এবং অন্য একজন খুব দ্রুত গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছেন।

    বিশেষ করে বেশ সমালোচনার জন্ম দেয়া ঘটনা ঘটে তখন, যখন অভিনেত্রী মানসী পারেখের একটি দৃশ্য সোশ্যাল মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যায়, তিনি চলন্ত বাইকের পেছনে দাঁড়িয়ে দুই বাহু প্রসারিত করে উল্লাস করেছেন, অথচ তার মাথায় কোনো হেলমেট ছিল না। এই বিপজ্জনক কর্মকাণ্ডের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার সাথে সাথেই ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।

    প্রায় এক সপ্তাহ পরে অর্থাৎ ৩১ অক্টোবর, এই ছবির মূল বিষয় ‘মিসরি’ সিনেমার মুক্তি হয়। কিন্তু এর আগেই, এই অভিনেতাদের গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনাটি গুজরাটের চলচ্চিত্র মহলে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। এই ঘটনার ফলে সিনেমার প্রচার ও দলের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।

  • খুলনায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সাঁতার প্রতিযোগিতার সমাপনী এবং পুরস্কার বিতরণ

    খুলনায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সাঁতার প্রতিযোগিতার সমাপনী এবং পুরস্কার বিতরণ

    তারুণ্যের উৎসব উদযাপন উপলক্ষে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন ক্রীড়া পরিদপ্তর আয়োজন করেছে বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশেষ একটি সাঁতার প্রতিযোগিতা ও সমাপনী অনুষ্ঠান। এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ আলিমুজ্জামান। গতকাল বৃহস্পতিবার খুলনা মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের সুইমিং পুল হলরুমে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তৌফিকুর রহমান, যিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। প্রায় ১৫০ জন ছাত্রছাত্রী বিভিন্ন স্কুল ও পার্শ্ববর্তী থানা থেকে অংশ নিয়ে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতা পরিচালনা করেন খুলনার বিভিন্ন স্কুল থেকে আগত প্রাতিষ্ঠানিক ক্রীড়া শিক্ষকদের নেতৃত্বে তালিমপ্রাপ্ত ক্রীড়া শিক্ষিকা ও শিক্ষকের দল। এই আয়োজনে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উৎসাহ এবং উদ্দীপনা লক্ষ্যণীয় ছিল, যা শিশুরা তাদের সাহস ও কলাকৌশল প্রদর্শনের মাধ্যমে প্রমাণ করেন।

  • বিশ্বকাপের জন্য আকাশে ফুটবল স্টেডিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণা সৌদি আরবের

    বিশ্বকাপের জন্য আকাশে ফুটবল স্টেডিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণা সৌদি আরবের

    সৌদি আরব আসন্ন ২০৩৪ বিশ্বকাপের জন্য এক অভিনব ও ভাবনার বাইরে যেখানে আর কখনো দেখা যায়নি, এমন একটি প্রকল্পের পরিকল্পনা করছে। সামাজিক মাধ্যমে এই খবরটি ছড়িয়ে পড়তেই তা দ্রুত আলোচনা ও ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে। সেটি হলো, আকাশে নির্মাণ হবে একটি ভাস্বর ফুটবল স্টেডিয়াম, যার নাম ‘নিওম স্টেডিয়াম’। এই স্টেডিয়াম বিশ্ব ফুটবল মহাধুমধাম ছাড়াবে বলে আশা করছে অনেকে।

    প্রকল্প অনুযায়ী, এই স্টেডিয়ামটি ২০৩৪ সালের বিশ্বকাপের আয়োজনের অংশ হিসেবে নির্মাণ করা হবে, যেখানে ২০টি নতুন স্টেডিয়াম তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর পাশাপাশি, আরও চারটি পুরোনো স্টেডিয়ামকে আধুনিক যৌগিক ও প্রযুক্তিগত মান উন্নত করার কাজ চলবে।

    ফিফার বিডে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ‘নিওম স্টেডিয়াম’ হবে বিশ্বের অন্যতম অনন্য ও চোখে পড়ার মতো একটি স্টেডিয়াম। এর মাঠ থাকবে ৩৫০ মিটার উচ্চতায় মাটি থেকে ওপরের দিকে, যেখানে ভবনটি শহরের নিজস্ব কাঠামো দিয়ে নির্মিত হবে। এতে দর্শকরা এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা পাবেন।

    এই স্টেডিয়ামটি তৈরি হবে ‘দ্য লাইন’ নামে পরিচিত এক ভবিষ্যতনির্ভর স্মার্ট শহরের অংশ হিসেবে। ২০২১ সালে ঘোষণা করা এই প্রকল্পটি এক সরল রেখার মতো অবস্থিত, দৈর্ঘ্য ১৭০ কিলোমিটার, প্রস্থ ২০০ মিটার এবং সর্বোচ্চ উচ্চতা ৫০০ মিটার। এই শহরে গাড়ি থাকবে না, রাস্তা বা কার্বন নিঃসরণ সম্ভব হবে না। প্রায় ৯০ লাখ মানুষের বসবাসের পরিকল্পনা রয়েছে এই ‘দ্য লাইন’ নগরীতে। প্রকল্পের মূল কাঠামো এখন নির্মাণধীন, এবং পুরোপুরি বাস্তবায়নে সম্ভবত পুরোপুরি শেষ হবে ২০৪৫ সালে, অর্থাৎ বিশ্বকাপের ১১ বছর পরে।

    প্রস্তাবিত নকশা অনুযায়ী, ‘নিওম স্টেডিয়াম’ এ প্রত্যাশা করা হয়, দর্শকদের বসার জায়গা হবে ৪৬ হাজার। এই স্টেডিয়ামটি থাকবে ৩৫০ মিটার ওপরে, যা দর্শকদের এক অনন্য মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য উপভোগের সুযোগ দেবে। সৌদি আরবের অন্যান্য প্রস্তাবিত ভেন্যুগুলো হবে রিয়াদ, জেদ্দা, আল খোবার ও আভা শহরে, যেখানে প্রতিটি স্টেডিয়ামের নিজস্ব আলোকসজ্জা ও স্থাপত্যশৈলী থাকবে। কিছু স্টেডিয়ামে থাকবে রঙিন আলো, স্ফটিকের মতো নকশা বা স্থানীয় উপকরণ দিয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা।

    ফিফা এবারের ২০৩৪ বিশ্বকাপের ঘোষণা ২০২৪ সালের ১১ ডিসেম্বর একটি বিশেষ কংগ্রেসে ঘোষণা করে, যেখানে সৌদি আরবকে স্বাগতিক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। ফিফার শর্ত অনুযায়ী, কমপক্ষে চারটি স্টেডিয়ামে ধারণক্ষমতা ৪০ হাজারের বেশি দর্শক হতে হবে। অন্যান্য দেশের পক্ষ থেকে বিড না থাকায়, সৌদি আরব এককভাবে আয়োজক হওয়ার সুযোগ পায়।

    ফিফা’র রোটেশন নীতি অনুসারে, এবার এই বিশ্বকাপ কেবল এশিয়া ও ওশেনিয়া অঞ্চলের জন্য উন্মুক্ত ছিল। স্বাগতিক নির্বাচনের জন্য মাত্র ২৫ দিনের মধ্যে প্রস্তাব জমা দিতে বলা হয়, যেখানে সৌদি আরবই একমাত্র আগ্রহ দেখায়। এই বিশ্বকাপ হবে ২১ শতকে এশিয়ায় তৃতীয় বড় আয়োজন হিসেবে, যেহেতু ২০০২ সালে দক্ষিণ কোরিয়া-জাপান এবং ২০২২ সালে কাতার স্বাগতিক ছিল।

    ২০২৬ সালে হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনের বিশ্বকাপ। তার পরের বছর, ২০৩০ সালে, স্পেন, পর্তুগাল, মরক্কো এবং দক্ষিণ আমেরিকার উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়ে কিছু ম্যাচ আয়োজন করবে। এই ঘটনাগুলোর মধ্য দিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়নত্বের দীর্ঘ ও ঐতিহাসিক পথ চলা অব্যাহত থাকবে।

    সৌদি আরবের জন্য এখনো মোট বা অনেক সময় রয়েছে ভেন্যু নির্মাণ ও সংস্কার কাজ শেষ করার। তবে এরই মধ্যে তৎপরতা দেখা যাচ্ছে, কারণ আগামী ২০২৬ সালের উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে, যা শুরু হবে আগামী ১১ জুন। সেখানে হয়তো শেষবারের মতো দেখা যাবে ফুটবল মহাতারকাদের, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও লিওনেল মেসিকেও।