Blog

  • খুলনায় নতুন আধুনিক কারাগার উদ্বোধন, কয়েদিদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো

    খুলনায় নতুন আধুনিক কারাগার উদ্বোধন, কয়েদিদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো

    খুলনায় নতুন আধুনিক কারাগার উদ্বোধনের মাধ্যমে এক যুগের শুরু হয়েছে। পুরাতন কারাগার থেকে সশ্রম ও বিনাশ্রম সাজাপ্রাপ্ত মোট ১০০ জন কয়েদিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে নতুন কারাগারে প্রবেশের জন্য নেওয়া হয়। স্থানান্তরের সময় তাদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানানো হয়, যা স্থানান্তরের উৎফুল্লতা ও মানবিক পরিবেশের প্রতিফলন। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগের কারা অধিদপ্তরের ডিআইজি মো. মনির আহমেদ, খুলনা জেলা কারাগারের জেল সুপার নাসির উদ্দিন প্রধান, ডেপুটি জেল সুপার আব্দুল্লাহ হেল আল আমিন, অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও আইন প্রক্রিয়ার সাক্ষীরা। জেল সুপার নাসির উদ্দিন প্রধান বলেন, দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর অবশেষে ১০০ বন্দির স্থানান্তর সম্পন্ন হয়েছে। নতুন কারাগার নির্মাণের ফলে বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। পরিস্থিতি অনুযায়ী বিভিন্ন সমস্যা ও সমাধান নিয়ে কাজ চলছে। সূত্রের খবর, খুলনায় বর্তমানে দুটি কারাগার পরিচালনা করতে মোট ২০৮ জন কর্মচারী দরকার হলেও বর্তমানে কর্মসংস্থান রয়েছে মাত্র ২০৮ জনের, যেখানে সম্প্রতি আরও ৪৪ জন নতুন নিয়োগ পাওয়া হয়েছে। সীমিত সংখ্যক কর্মবলয় নিয়েই এখন চলতে হচ্ছে নয়া কারাগার দুটির কার্যক্রম। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পুরাতন কারাগারে খুলনা মহানগরীর বন্দিরা থাকবেন, আর নতুন কারাগারটি স্থানীয় নয় উপজেলার বন্দিদের জন্য রাখা হয়েছে। এই নতুন কারাগারটি আধুনিক ও প্রযুক্তির ছোয়া দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। এখানে থাকবে আলাদা ভবন, নারী ও কিশোর বন্দিদের জন্য আলাদা ব্যারাক, হাসপাতাল, ওয়ার্কশেড, ও মোটিভেশন সেন্টার। চিকিৎসার জন্য থাকছে ৫০ শয্যার হাসপাতাল, পাশাপাশি নারীদের জন্য ডে-কেয়ার সেন্টার, স্কুল, ডাইনিং, লাইব্রেরি, সেলুন ও লন্ড্রি সুবিধা। এছাড়াও শিশুসন্তানসহ নারী বন্দিদের জন্য আলাদা ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। নতুন কারাগারটি নির্মিত হয়েছে সুন্দরভূমির মতো পাকা পথ, রঙিন ভবন, পার্কিং টাইলসের ফুটপাত, মসজিদ, হাসপাতালসহ বিভিন্ন আধুনিক সুবিধা নিয়ে। ভবনগুলোর চারপাশে পৃথক সীমানা প্রাচীর তৈরি করা হয়েছে যাতে বিভিন্ন শ্রেণির বন্দিরা একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারে। মোট ৫৭টি স্থাপনা নির্মিত হওয়ার মধ্যে ১১টি বন্দিদের আবাসের জন্য এবং নিরাপত্তার জন্য পুরো কারাগারের অনেক অংশে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ দেয়াল নির্মাণ করা হয়েছে। এর মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে অবস্থিত ফাঁসির মঞ্চটি দেশের সবচেয়ে আধুনিক বলে দাবি করছে কারা কর্তৃপক্ষ। জানানো হয়েছে, এই নতুন কারাগারটি খুলনা সিটি বাইপাস (রূপসা ব্রিজ রোড) এর ৩০ একর জমির ওপর নির্মিত, যেখানে ২০১১ সালে ১৪৪ কোটি টাকার প্রাথমিক বাজেটে প্রকল্প শুরু হয়। ২০১৬ সালে প্রকল্পের কাজ শেষ হলে খরচ দাঁড়ায় আনুমানিক ২৮৮ কোটি টাকা। এই কারাগারটি ৪,০০০ বন্দির ধারণক্ষমতা সম্পন্ন হলেও বর্তমান অবকাঠামোতে ২,০০০ বন্দি রাখা সম্ভব। এর ফলে, খুলনায় আধুনিক, মানবিক ও সংশোধনমুখী কারা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে, যা prisoners ও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের জন্য স্বস্তি ও সুবিধার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

  • চিতলমারীতে জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন

    চিতলমারীতে জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন

    বাগেরহাটের চিতলমারীতে ‘সাম্য ও সমতায় দেশ গড়বে সমবায়’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে একই দিন জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন করা হয়। এই মহৎ অনুষ্ঠানের মূল আয়োজন ছিল শনিবার (১ নভেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা। অনুষ্ঠানে ব্যাপক উপস্থিতি ছিল এলাকার বিভিন্ন সমাজের মানুষের। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাজ্জাদ হোসেন।

    উপজেলা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মোল্লা সাইফুল ইসলাম। বক্তৃতা দেন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সিফাত-আল-মারুফ। এছাড়া আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন সমবায় প্রতিনিধিরা, যেমন শিপ্রা মজুমদার, ভারতী মন্ডল ও ছন্দা মন্ডল। সভার শেষে, সমবায় সদস্য ছন্দা মন্ডল এবং কৃষ্ণা মন্ডলকে ঋণের চেক প্রদান করা হয়। এই দিনটি উদ্যাপন করে সাম্যের বার্তা তুলে ধরার পাশাপাশি সমবায়ের গুরুত্ব ও প্রভাবের কথাও তুলে ধরা হয়।

  • বেনাপোলে মালিকবিহীন ৮ লাখ টাকা মূল্যমানের হোমিও ওষুধ উদ্ধার

    বেনাপোলে মালিকবিহীন ৮ লাখ টাকা মূল্যমানের হোমিও ওষুধ উদ্ধার

    যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল আইসিপি সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন বিপুল পরিমাণ আমদানি নিষিদ্ধ হোমিওপ্যাথিক ওষুধ আটক করেছে বিজিবি। আজ শনিবার (১ নভেম্বর) সকালে বিজিবি প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিশেষ টহলদল বেনাপোল আইসিপি এলাকায় চোরাচালান বিরোধী এক অভিযান চালিয়ে অকারণে রাখা এই ওষুধগুলো উদ্ধার করে। জানা যায়, আটক করা হোমিওপ্যাথিক ওষুধের বাজারমূল্য প্রায় ৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

    যশোর বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালানটি শনাক্ত করে এটি আটক করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে মাদকদ্রব্য, চোরাচালান মালামালসহ নানা ধরনের অবৈধ পণ্য পাচার চক্রের বিরুদ্ধে বিজিবির গোপনীয়তা আর আভিযানিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে, যাতে এই ধরনের চুরি বা চোরাচালান দ্রুত বন্ধ করা সম্ভব হয়।

  • অক্টোবরের প্রথম ২৫ দিনে প্রবাসী আয় ছাড়াল ২ বিলিয়ন ডলার

    অক্টোবরের প্রথম ২৫ দিনে প্রবাসী আয় ছাড়াল ২ বিলিয়ন ডলার

    চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ২৫ দিনে বাংলাদেশি প্রবাসীরা দেশে মোট ২০৩ কোটি ২৯ লাখ মার্কিন ডলার ভার Peyton পাঠিয়েছেন। এই অর্থের পরিমাণ বাংলায় প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা, যেখানে এক ডলার প্রথম দিনে মোট ১২২ দশমিক ৫০ টাকা ধরে নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের রোববার (২৬ অক্টোবর) প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে প্রেরিত এই রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। সরকারের হুন্ডি প্রতিরোধে নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ, প্রণোদনা চালু ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার ধাপদ্বারা উন্নতি করার ফলেই এই রেমিট্যান্স প্রবাহ অব্যাহত রয়েছে।

    তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরের প্রথম ২৫ দিনে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলো থেকে প্রবাসীরা ৩৮ কোটি ৪৬ লাখ ৪০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে। এর মধ্যে কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১৯ কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার ডলার। বেসরকারি ব্যাংকগুলো এর মাধ্যমে পাঠিয়েছে ১৪৪ কোটি ৬৩ লাখ ৪০ হাজার ডলার, এবং বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৪৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার।

    অন্যদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য বলছে, ২২ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩২.১০ বিলিয়ন ডলার। একই সময়ে, আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (আইএমএফ) এর হিসাববিধি বিপিএম–৬ অনুসারে রিজার্ভের পরিমাণ ২৭.৩৫ বিলিয়ন ডলার।

    গত মাসে (সেপ্টেম্বর), বাংলাদেশি প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ২৬৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩২,৭৫৭ কোটি টাকা।

    এর আগে, অর্থবছরের প্রথম তিন মাস জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, বাংলাদেশের প্রবাসীরা মোট ৭৫৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার বা প্রায় ৯২ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ১৬ শতাংশ বেশি। আর, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে রেমিট্যান্স প্রেরণার পরিমাণ ছিল ৬৫৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার।

  • কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মন্দ ঋণের অবলোপনে সময়সীমা শিথিলের ঘোষণা

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মন্দ ঋণের অবলোপনে সময়সীমা শিথিলের ঘোষণা

    বাংলাদেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা এখন আরো যুগোপযোগী করে তুলতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মন্দ ঋণ অবলোপনের নীতিমালা পরিবর্তন করে শিথিলতা এনেছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মন্দ ও ক্ষতিজনক অবস্থা থাকা ঋণগুলো এখন থেকে ভবিষ্যতে আদায়ের সম্ভাবনা ক্ষীণ হলে বা দীর্ঘ সময় ধরেই কার্যকরী না হলে অবলোপন করা যাবে। এছাড়া, পূর্বের নিয়মের মতোই, ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে ঋণগ্রহীতাকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে জানাতে হবে যে, ঋণটি অবলোপন করা হবে। এর ফলে, ঋণ অবলোপনের আগে ঋণগ্রহীতাদের সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং তারা সময়মতো অর্থ পরিশোধের সুযোগ পাবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, ঋণ অবলোপনের জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, যেমন বন্ধকীকৃত সম্পত্তি বিক্রির প্রচেষ্টা চালানো। তবে, মামলাজনিত জটিলতা থাকলেও, পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ মামলায় আলোচনার বাইরে থাকবে। নতুন নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ঋণগুলো আংশিকভাবে অবলোপন করা যাবে না এবং যথাযথ পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন ছাড়া কোনো ঋণ অবলোপন করা সম্ভব হবে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চলতি সময়ে দেশের ডলার সংকট কেটে গেছে এবং রিজার্ভ বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংকগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে, মন্দ ঋণের অবলোপনের মাধ্যমে ব্যাংকখাতে ঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি আর্থিক ব্যবস্থাপনা আরও বাস্তবসম্মত হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এর এই সিদ্ধান্ত ব্যাংকিং সেক্টরকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে, একই সঙ্গে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনাকেও আরও সুদৃঢ় করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • স্বর্ণের দাম আবার কমলো, প্রতিভরি ৩৬৭৪ টাকা ছাড়ে

    স্বর্ণের দাম আবার কমলো, প্রতিভরি ৩৬৭৪ টাকা ছাড়ে

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দামের এই পরিবর্তনের পেছনের কারণ হলো স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকা স্বর্ণের দাম কমার প্রভাব। ফলে দেশের বাজারে মূল্যবান এই ধাতুর দাম পরে। আজ মঙ্গলবার থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হবে, যা বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) নিশ্চিত করেছে।

    নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি বা ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম স্বর্ণের দাম কমে ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকা নির্ধারিত হয়েছে, যেখানে আগের দাম ছিল অনেক বেশি। একইভাবে, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এক লাফে ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা কমে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৯৯৯ টাকায় পৌঁছেছে। ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম কমে হয়েছে এক লাখ ৬৭ হাজার ১৪৫ টাকা, যা আগের থেকে ২ হাজার ৯৯৮ টাকা কম। সনাতন পদ্ধতিতে স্বর্ণের দাম কমে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯৪১ টাকা।

    বাজুস স্টैंडিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং এর বৈঠকে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর পরে, চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

    এছাড়া, রুপার দামের ক্ষেত্রে আরও পরিবর্তন এসেছে। ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপার দাম ১ হাজার ২৪৪ টাকা কমে এখনকার নতুন দামে ৪ হাজার ২৪৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রূপা ১ হাজার ১৬৭ টাকা কমে ৪ হাজার ৭ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের রূপার দাম ৯৯১ টাকা কমে ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা। আর সনাতনী পদ্ধতিতে রূপার দাম ৭৫৮ টাকা কমে ২ হাজার ৬০১ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে।

  • সোনার দাম আবারও কমলো

    সোনার দাম আবারও কমলো

    বাংলাদেশের বাজারে আবারও সোনার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। এতে করে ভাল মানের সোনার মূল্য এক দফা করে কমে গেছে, যা এখন দাঁড়িয়েছে দুই লাখ টাকায়।

    বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬১৩ টাকার মতো সোনার দাম কমানো হয়েছে। এর ফলে, সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এখন ২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। যেখানে গতকাল এই দাম ছিল ২ লাখ ২৭০৯ টাকা। নতুন দামটি আগামী শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম কমার ফলে সোনার মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে, তবে মূল কারণ মূলত বৈশ্বিক বাজারে সোনার দামের পতন। আন্তর্জাতিক বাজারে এখন প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ডলারকে স্পর্শ করছে।

    নতুন দামে, দেশের মান অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল্য ২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, আর ২১ ক্যারেটের এক ভরি মূল্য প্রায় ১ লাখ ৯১ হাজার টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের সোনার দাম এখন ১ লাখ ৬৩ হাজার ৭১৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার এক ভরি মূল্য ১ লাখ ৩৬ হাজার ১৪ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    অপরদিকে, সোনার দাম কমলেও রুপার দাম স্থির থাকছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপার দাম এখন ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪ হাজার ১৯ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২ হাজার ৬০১ টাকা।

  • পতনের পরে এক লাফে ৮৮৮০ টাকা বাড়ল সোনার দাম

    পতনের পরে এক লাফে ৮৮৮০ টাকা বাড়ল সোনার দাম

    দেশের বাজারে কিছু দফা পতনের পর আবারও মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে সোনার। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ঘোষণা করেছে, ভরিতে ৮ হাজার ৮৮০ টাকার বেশি মূল্য বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। আগের দাম ছিল ২ লাখ ১৯ হাজার ৯০৯ টাকা, যা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ৭০৯ টাকা।

    বুধবার (২৯ অক্টোবর) বাজুসের একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৯০০ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানো হয়েছে। এই নতুন দামের ফলে, সবচেয়ে মান সম্পন্ন ২২ ক্যারেটের সোনার মূল্য এখন ২ লাখ ২ হাজার ৭০৯ টাকা। এই দাম নতুন করে বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) থেকে কার্যকর হবে।

    এর আগে, চলতি মাসের ২০ অক্টোবর সোনার দাম আকাশছোঁয়া হয়ে উঠে ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকায়, যা ছিল সর্বোচ্চ ইতিহাস। এরপর একাধিক দফায় সোনার দাম কমে, যতটুকু ২৩ হাজার ৫৭৩ টাকা পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে। তবে, এক দিন না যেতেই আবারও দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

    সংগঠনটি জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধির কারণ হলো বৈশ্বিক অর্থনীতির দুনিয়ায় সোনার দামের উল্লম্ফন। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ডলার অতিক্রম করেছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে মান সম্পন্ন ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২ হাজার ৭০৯ টাকা, ২১ ক্যারেটের ১ লাখ ৯৩ হাজার ৫০৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৬২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে এক ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৩৭ হাজার ৮৪৫ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    অন্যদিকে, রুপার দাম সেইভাবে অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৭ টা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে এক ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬০১ টাকা স্থিতিশীল।

  • বিএনপির লক্ষ্য: ২০৩৪ সাল নাগাদ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি ও ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি

    বিএনপির লক্ষ্য: ২০৩৪ সাল নাগাদ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি ও ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, তাদের মূল লক্ষ্য হলো ২০৩৪ সালের মধ্যে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি গড়ে তোলা, যা লক্ষ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। তিনি বলেন, আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট—একটি অর্থনীতি তৈরি যেখানে প্রতিটি নাগরিক, বিশেষ করে নারীরা, গর্বের সঙ্গে দেশের প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখবে। বৃহস্পতিবার সকালে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    তারেক রহমান উল্লেখ করেন, ক্ষমতায় গেলে তিনি কর্মজীবী মহিলাদের জন্য কাজের ঘণ্টা কমিয়ে ৮ থেকে ৫ ঘণ্টা করবেন। এর পাশাপাশি, নারীদের জন্য নতুন পরিকল্পনা গ্রহণের কথাও জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য শিশু পরিচর্যার সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি ব্যাখ্যা করেন, শিশুদের জন্য ভালো ব্যবস্থা না থাকায় অনেক তরুণী মা চাকরি বা লেখাপড়ায় বাধা পায়, যার ফলে দেশের সম্ভাবনা, উৎপাদনশীলতা এবং অগ্রগতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো এমন একটি আধুনিক, গণমুখী বাংলাদেশ গড়া যেখানে নারীরা যাতে তার পরিবার ও ভবিষ্যত পৃথক করে না নিতে হয়।’ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২৪ সালের শ্রমশক্তি জরিপ অনুযায়ী, পুরুষের তুলনায় নারীদের শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কম—মোট পুরুষের ৮০ শতাংশের বিপরীতে নারীর অংশগ্রহণ ৪৩ শতাংশ। এই বিরতিকে কাটিয়ে উঠতে, বিএনপি.Children and women’s empowerment initiatives—including setting up ডে-কেয়ার সেন্টার, সরকারি ও বেসরকারি খাতের জন্য বাধ্যতামূলক শিশু পরিচর্যার ব্যবস্থা, কর সুবিধা ও প্রশিক্ষণ—বিলাপ করে নানা সামাজিক-অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

    তারেক রহমান বলেন, ‘শিশু পরিচর্যা কোনো দয়ামোকারি নয়, এটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠામোর অপরিহার্য অংশ। ডে-কেয়ার সেন্টার নারীদের কর্মসংস্থানে উল্লেখযোগ্য ভূমিকায় অবদান রাখবে, যেন তারা পরিবার ও কর্মক্ষেত্রের মধ্যে সমন্বয় রাখতে পারে।’ তিনি দৃঢ়ভাবে বললেন, ‘২০৩৪ সালের মধ্যে এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি গড়ে তোলা, যা লক্ষ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে—প্রতিটি নাগরিক, বিশেষ করে নারী, গর্বের সঙ্গে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখবে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আমরা নারীর সম্ভাবনাকে সীমাবদ্ধ করে এমন পশ্চাৎমুখী ধারণা প্রত্যাখ্যান করি। শিশু পরিচর্যা, সমান মজুরি ও কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নারীর ক্ষমতায়নের মূল চাবিকাঠি—এগুলো সামাজিক ও অর্থনৈতিক ন্যায়সঙ্গতি ও মানবাধিকারও। চলুন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলি যেখানে প্রতিটি মা, প্রতিটি ছাত্রী নিজের স্বপ্নে সফল হওয়ার সুযোগ পায়, যেখানে সমাজের যত্ন ও সহযোগিতা হয় উন্নতির মূল ভিত্তি।’

  • মির্জা ফখরুলের অভিযোগ: অন্তর্বর্তী সরকার দায়ী রাজনৈতিক সংকটের জন্য

    মির্জা ফখরুলের অভিযোগ: অন্তর্বর্তী সরকার দায়ী রাজনৈতিক সংকটের জন্য

    দেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংকটের জন্য বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অন্তর্বর্তী সরকারকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের পর জনগণ দুটি ব্যালটে ভোট দেবে—একটি প্রার্থীর জন্য, আরেকটি গণভোটের জন্য। এভাবে ভোটের মাধ্যমে জনগণের রায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।

    মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকার জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। ঐকমত্যের চূড়ান্ত নথিতে বিএনপির মতভেদ বা ‘নোট অব ডিসেন্ট’ গোপন করে আস্থার সেতু ভেঙে দিয়েছে। তিনি বলেন, এই ঘটনা বাস্তব দৃষ্টান্ত যে, সরকারের আত্মবিশ্বাসের ওপর আঘাত হেনেছে।

    শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি’র ৫৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অচলাবস্থার পুরো দায়ীদেন্তর্বর্তী সরকারের ওপর। বিএনপি মহাসচিব জানান, অন্তর্বর্তী সরকার যে কমিশন গঠন করেছে, তারা প্রায় এক বছর আট-নয় মাস ধরে নানা বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে এসেছে। তারা সংস্কার ও অন্যান্য বিষয়ে বেশ কিছু বিষয়ে একমত হয়েছেন। তবে কিছু বিষয়ে মতভেদ থাকায় আমরা ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়েছি, যা মূল সিদ্ধান্তে ঐকমত্যের প্রতিফলন।

    তিনি বলেন, যখন আমরা নির্বাচনে যাবো, তখন ঐকমত্যের বিষয়গুলো আমাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে থাকবে। জনগণ যদি আমাদের ভোট দেয়, আমরা পার্লামেন্টে তা পাশ করব এবং দেশের পরিবর্তন ঘটাব। তালগোলে না দিলে, সেটি বাদ পড়বে।

    ফখরুলের ভাষ্য, সেদিন, ১৭ তারিখে, বৃষ্টি হচ্ছিল, তখন সবাই এক সাথে যুক্ত ছিলাম। সবকিছু এলোমেলো হওয়ার কারণে, আমরা আবার একত্রিত হয়ে বৃষ্টির মধ্যে ছাতা ধরে স্বাক্ষর করেছিলাম। তবে পরে দেখা গেল, প্রধান উপদেষ্টার কাছে উপস্থাপনকালে বহু পার্থক্য দেখা গেছে, বিশেষ করে ‘নোট অব ডিসেন্ট’গুলো সেখানে ছিল না। ফলে আমরা বলেছি, এটা ‘বিশ্বাসভঙ্গ’ যা জনগণের আস্থা ভেঙে দিয়েছে।

    অভিযোগে তিনি বলেন, জনগণের সঙ্গে তারা প্রতারণা করেছে। আমরা যে বিশ্বাসযোগ্যতা আশা করেছিলাম, তারা তা রাখতে পারেনি। ফলে বর্তমান রাজনৈতিক সংকটের জন্য পুরো দায়ী অন্তর্বর্তী সরকার।

    মির্জা ফখরুল আরও বলেন, বিএনপি হলো সংস্কারকামী দল। এর জন্ম ১৯৭৯ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরে, যখন তিনি একদলীয় শাসনব্যবস্থা থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি দেশ এলে সব পত্রিকা খুলে দেন, মানুষের মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে আনেন।

    তিনি বলেন, শহীদ জিয়া রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কার শুরু করেছিলেন। পরে নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রেসিডেনশিয়াল ব্যবস্থার পরিবর্তে পার্লামেন্টারি পদ্ধতিতে ফিরে আসেন। তিনি নির্বাচন করে সরকারের মোটামুটি স্বচ্ছ নির্বাচনের ব্যবস্থা করেছিলেন, যা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত ছিল।

    সভায় আরও বক্তব্য দেন জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন ও দলের অন্যান্য নেতা-কর্মীরা।