Blog

  • সোনার দাম আবার কমলো: নতুন দাম কার্যকর শুক্রবার থেকে

    সোনার দাম আবার কমলো: নতুন দাম কার্যকর শুক্রবার থেকে

    বাংলাদেশের বাজারে ফের সোনার দামে কৌশলগত পরিবর্তন এসেছে। আজ (৩০ অক্টোবর) জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) ঘোষণা করেছে যে, এক দিনের ব্যবধানে সোনার দাম আবার কমে গেছে। এর ফলে, বিভিন্ন মানের সোনার দাম উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।

    বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬১৩ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে সোনার দাম। ফলে এখন সর্বোচ্চ মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। এর আগে, আজকের দাম ছিল ২ লাখ ২ হাজার ৭০৯ টাকা। নতুন এই দামে বিক্রি শুরু হবে আগামী শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) থেকে।

    সংগঠনটি নিশ্চিত করেছে যে, এই দাম হ্রাসের মূল কারণ হলো বৈশ্বিক বাজারে সোনার দামে পতন। আন্তর্জাতিক বাজারে বর্তমানে এক আউন্স সোনার দাম অবস্থান করছে ৪ হাজার ডলারের আশেপাশে। ফলে দেশে সোনার মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

    নতুন দামের অনুযায়ী, বিভিন্ন ক্যারেটের সোনার দাম নিম্নরূপ: ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এখন ২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি প্রায় ১ লাখ ৯১ হাজার টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি ১ লাখ ৬৩ হাজার ৭১৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম এক লাখ ৩৬ হাজার ১৪ টাকা।

    তবে, রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এই দামে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ৪ হাজার ৪০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২ হাজার ৬০১ টাকা।

  • স্বর্ণের দাম কমলো, প্রতিভরি ২ লাখ ১ হাজার ৭৭৫ টাকায়

    স্বর্ণের দাম কমলো, প্রতিভরি ২ লাখ ১ হাজার ৭৭৫ টাকায়

    বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে বিদেশের বাজারে এই ধাতুটির মূল্যও হ্রাস করা হয়েছে। দেশের শীর্ষ মানের ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম কমানো হয়েছে ৯৩৪ টাকা। এর ফলে এখন এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১ হাজার ৭৭৫ টাকা। নতুন দাম কার্যকর হবে রবিবার থেকে, বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

    শনিবার বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি এই মূল্য হ্রাসের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের স্বাক্ষর করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে, গত ২০ অক্টোবর স্বর্ণের মূল্য বাড়ানো হয়েছিল, যেখানে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম রেকর্ড ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকা প্রতিটি ভরি হয়।

    নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৯৩৪ টাকা কমে এখন ২ লাখ ১ হাজার ৭৭৫ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৯১০ টাকা কমে হয়েছে ১ লাখ ৯২ হাজার ৫৯৬ টাকা। ১৮ ক্যারेटের স্বর্ণের দাম ৭৮১ টাকায় নামিয়ে এনেছি, যার মূল্য এখন ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮২ টাকা। সনাতন পদ্ধতিতে স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম কমেছে ৬৬৫ টাকা, যার মূল্য এখন ১ লাখ ৩৭ হাজার ১৮০ টাকা।

    অতীতের মূল্য তুলনায় সব ক্যারেটই মূল্য কমানো হয়; এর আগে ৩০ অক্টোবর ২২ ক্যারেটের দাম ৮ হাজার ৯০০ টাকা বাড়ানো হয়, নতুন দাম হয় ২ লাখ ০২ হাজার ৭০৯ টাকা। এরপর ২৯ অক্টোবর দাম কমিয়ে আনা হয় ১ লাখ ৯৩ হাজার ৮০৯ টাকা, ২৮ অক্টোবর ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা শুল্কে দাম কমে ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকা। ২৭ অক্টোবর দাম কমে ২ লাখ ৭ হাজার ৯৫৭ টাকা, ২৩ অক্টোবর ৮ হাজার ৩৮২ টাকা কমে ২ লাখ ৮ হাজার ৩৮২ টাকা হয়। আবার, ২০ অক্টোবর ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম বাড়িয়ে ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

    যদিও স্বর্ণের দাম কমলেও, রুপার দাম অপরিবর্তিত থাকছে। ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপার দাম ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের রূপার দাম ৪ হাজার ৪৭ টাকা। ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতনী পদ্ধতিতে একভরি রূপার দাম নির্ধারণ হয়েছে ২ হাজার ৬০১ টাকা।

  • পতনের পর এক লাফে ৮৮৮০ টাকা বাড়ল সোনার দাম

    পতনের পর এক লাফে ৮৮৮০ টাকা বাড়ল সোনার দাম

    দেশের বাজারে বেশ কিছু দিন ধরে কয়েক দফা পতনের পর অবশেষে আবারো সোনার দাম বেড়ে গেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ঘোষণা করেছে, এখন থেকে ভরে প্রতি ৮ হাজার ৮৮০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হবে ২২ ক্যারেটের সোনার। এর ফলে এমন এক ভরি সোনার দাম নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ৭০৯ টাকা, যা আগে ছিল ১ লাখ ৯৩ হাজার ৮০৯ টাকা।

    বুধবার (২৯ অক্টোবর) বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৯০০ টাকা পর্যন্ত দাম বৃদ্ধি হয়েছে। নতুন দামে এখন সর্বোচ্চ মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ২ হাজার ৭০৯ টাকা। এই নতুন দাম বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) থেকে কার্যকর হবে।

    এর আগে, ২০ অক্টোবর, সোনার দাম আকাশচুম্বী হয়ে উঠেছিল এবং এক ভরি সোনার দাম বেড়ে চলতি ইতিহাসের সর্বোচ্চ ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকায় পৌঁছেছিল। এরপর এক মাসের মধ্যে চার দফায় দাম হ্রাস পেয়ে তা ১ লাখ ৯৩ হাজার ৮০৯ টাকায় নেমে এসেছিল। তবে, একদিনের ব্যবধানে আবার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

    সংগঠনটি জানিয়েছে, দেশের বাজারে তেজাবি বা পিওর গয়েল্ডের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, বৈশ্বিক বাজারে সোনার মূল্য বেড়ে চলেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম now ৪ হাজার ডলার এর বেশি।

    নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এখন ২ লাখ ২ হাজার ৭০৯ টাকা। অন্য ক্যারেটের দাম এরূপ: ২১ ক্যারেটের এক ভরি ১৯৩,৫০৬ টাকা; ১৮ ক্যারেটের এক ভরি ১৬৫,৮৬২ টাকা; এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম ধরা হয়েছে ১৩৭,৮৪৫ টাকা।

    যদিও সোনার দাম বেড়েছে, তবে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম এখন ৪ হাজার ২৪৬ টাকা। অন্য ক্যারেটের জন্য রুপার দাম হলো: ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির ২ হাজার ৬০১ টাকা।

  • জামায়াতের দাবি, আরপিও সংশোধন এক দলকে নতিস্বীকারে বাধ্য করার সমান

    জামায়াতের দাবি, আরপিও সংশোধন এক দলকে নতিস্বীকারে বাধ্য করার সমান

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীনের নেতারা বর্তমান সরকারের আরপিও সংশোধনের সিদ্ধান্তকে এক দলকে ক্ষুব্ধ করে নতিস্বীকারের মতো বলে মনে করছেন। দলের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো: তাহের দেশের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে শুক্রবার ভিডিও বার্তায় এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে গৃহীত এই সংশোধনকাজ বিভিন্ন দলের আবদার মেনে নেওয়ার মতো এক ধরনের নতিস্বীকার। তিনি আরও বলেন, এর আগে সরকারের বিভিন্ন পদ্ধতিতে একাধিক বার এক দলের প্রতি বিশেষ অঙ্গীকার ও আনুগত্য প্রকাশ পেয়েছিল। যেমন, প্রধান উপদেষ্টা লন্ডনে গিয়ে একটি অসম ও অবৈধ চুক্তির মাধ্যমে একটি দলের চাপের কাছে স্বীকার করেছেন, পাশাপাশি নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করতে গিয়ে নানা দ্বিধাদ্বন্দ্ব দেখা গেছে। সর্বশেষ, একই উপদেষ্টা পরিষদে গৃহীত আরপি সংশোধনকে এক দলের পক্ষ থেকে দ্বিমত প্রকাশের পরও সেটাকে পুনর্বিবেচনা করার নামে সরকারের পক্ষ থেকে আনুগত্য প্রকাশ করা হচ্ছে। এতে সরকারের নিরপেক্ষতা প্রশ্নের মুখে পড়ে বলে মনে করছেন তিনি। তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্ত আমরা মানি না এবং এর নিন্দা জানাই। তিনি স্পষ্ট করেন, নির্বাচন কমিশন ও উপদেষ্টা পরিষদে প্রত্যেক দলের নিজস্ব প্রতীকে নির্বাচন করার সিদ্ধান্তের সাথে তারা একমত। এ কারণে, তারা এই সিদ্ধান্তের পুনর্বিবেচনা চাইছে; অন্যথায়, দেশের গণতান্ত্রিক পথে প্রতিবাদ হবে। তাহের বলেন, বিএনপি নতুন করে যে পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে, সেটি জাতীয় নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করছে এবং অপ্রত্যাশিত রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, প্রধান উপদেষ্টা যদি এ চক্রের কাছে নতি স্বীকার করেন, তাহলে জাতির সাথে করা বৈঠকের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ হবে বলে মনে করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, উনি দৃঢ়ভাবে সিদ্ধান্ত নেবেন এবং নির্বাচন সংশোধন নিয়ে সঠিক পথে যাবেন, যেন দেশ ও জনগণের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ না হয়।

  • বিএনপি: ইসলামকে রাজনীতির জন্য ব্যবহার করছে একটি গোষ্ঠী

    বিএনপি: ইসলামকে রাজনীতির জন্য ব্যবহার করছে একটি গোষ্ঠী

    নেতৃত্বাধীন বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ মন্তব্য করেছেন যে, বর্তমান দেশে একটি কিছু গোষ্ঠী রাজনীতির স্বার্থে ইসলাম ধর্মকে অপব্যবহার করছে এবং এর মাধ্যমে সমাজে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দিচ্ছে। তিনি সবাইকে সতর্ক থাকতে আহ্বান জানিয়ে বলেন, ইসলামকে রাজনীতির হাতিয়ার বানিয়ে কেউ যেন সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সে দিকেও নজর রাখতে হবে। শনিবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত এক বিশেষ সম্মেলনে এগুলো বলেন তিনি। এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে কাসেমী পরিষদ নামে একটি সংগঠন।

  • নাহিদ ইসলাম: হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে ভারত জুলাই গণহত্যাকে সমর্থন করছে

    নাহিদ ইসলাম: হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে ভারত জুলাই গণহত্যাকে সমর্থন করছে

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার মাধ্যমে ভারত জুলাই গণহত্যাকে সমর্থন করছে। তিনি বলেন, যদি ভারত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আশ্রয় না দেয় এবং তার অবস্থান পরিবর্তন না করে, তাহলে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আরও শীতল হয়ে পড়বে। রোববার (০২ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ সব কথা বলেন।

    নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, জুলাই সনদ স্বাক্ষর হলে দেশের ঐক্য ভেঙে গেছে। তিনি বলেন, নিরপেক্ষতা না দেখিয়ে দলীয় স্বার্থে সনদে স্বাক্ষর দেওয়ায় তারা জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে। তবুও এখনও ঐক্য ধরে রাখতে সম্ভব, বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, এক দল সংস্কারকে নস্যাৎ করার চেষ্টা করছে, অন্যরা চায় নির্বাচন পেছাতে। তার মতে, যদি জুলাই সনদ আইনি ভিত্তি তৈরি হয়, তাহলে গণভোটের দিনও সমস্যা হবে না। তবে, প্রয়োজন হলে অবশ্যই ড. ইউনূসের জন্য এই সনদ জারি করতে হবে। প্রেসিডেন্ট চুপ থাকলে সংস্কারের জন্য এটি ক্ষতিকর হবে।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, যদি সংস্কারের পক্ষে কেউ না থাকে, তাহলে তাদের সঙ্গে জোটে যাওয়া সম্ভব নয়। সরকার নানা চাপের কারণে বারবার টেক্সট পরিবর্তন করছে। প্রথম খসড়ায় উল্লেখ ছিল যে, ২৭০ দিনের মধ্যে সংস্কার প্রস্তাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে যুক্ত হবে, যা আমরা সমর্থন করি। এর ব্যত্যয় হওয়া মানে আমরা সেই আদেশের সমর্থন না করাও বিবেচনা করব।

    তিনি বলেন, ২৭০ দিনের বাধ্যবাধকতা নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, বরং অপ্রয়োজনীয়ভাবে এই বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি ও ভীতি ছড়ানো হচ্ছে।

    নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, শেখ মুজিবের ছবি ব্যবহার করে তাকে ফ্যাসিবাদের আইকন হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, যা সংবিধানে থাকতে পারে না। বাস্তবায়ন আদেশে যদি পরিবর্তন আনা হয়, তাহলে এনসিপি সেটি সমর্থন করতে সক্ষম নয়।

    প্রতীকের ইস্যুতে তিনি বলেন, নতুন দল হিসেবে সহযোগিতা না করে নির্বাচন কমিশন আমাদের কাজে বাধা দিচ্ছে। শাপলা আলোচনার সিদ্ধান্ত তারা এত দিন দিতে পারেনি, অথচ আমাদের সেটা এখন চাই। আমরা শাপলার জন্যই চাচ্ছি।

  • ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও দেশপ্রেমিক শক্তির প্রতিফলন

    ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও দেশপ্রেমিক শক্তির প্রতিফলন

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের জন্য এক ঐতিহাসিক এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। আজকের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে যখন জনগণ অনিশ্চয়তা ও হতাশার মাঝে ডুবে রয়েছে, তখন আবারো দেশের শত্রুদের মাথা তুলে দাঁড়ানোর চেষ্টাকে রোধ করতে এবং নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যা প্রচারণা চালানোর অপচেষ্টা প্রতিহত করতে ৭ নভেম্বরের ঐক্যের চেতনা আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। তিনি আজ রোববার (২ নভেম্বর) নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, ৭ নভেম্বর দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৭৫ সালে এই দিনই সেনা ও জনগণের যুগপৎ সফল বিপ্লবের মাধ্যমে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দী অবস্থা থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। দেশকে বন্দিশৃঙ্খল থেকে মুক্ত করতে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে সৈনিক-জনতা একযোগে কাজ করে। এরপরই বাংলাদেশে নতুন এক ইতিহাস সৃষ্টি হয়, যেখানে দেশের স্বাধীকারের লড়াই আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে।

    তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় চিহ্ন রেখে গেছেন। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর আক্রমণে নিরস্ত্র বাঙালির রক্ষা ও মুক্তির জন্য তিনি চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে ঘোষণা দিয়েছিলেন, “I hereby declare the independence of Bangladesh.” এরপরের পাঁচ বছর ছিল দুঃশাসন আর অন্ধকারের ইতিহাস। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে তখন একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যার ফলে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ১৯৭৪ সালে মহাদুর্ভিক্ষের কারণ হয়। সেই সময়ে শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি তীব্র অস্তমিতির Facing।

    মির্জা ফখরুল উল্লেখ করেন, ১৯৭৫ সালের পর জিয়াউর রহমান এই পরিস্থিতি পরিবর্তনের জন্য নতুন রাজনৈতিক সংস্কার আনেন। তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন, বিচার বিভাগকে স্বাধীনতা দেয়ার জন্য নানা পদক্ষেপ নেন। অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত সূচনা করেন, গার্মেন্টস শিল্পের বিকাশের বহিঃপ্রকাশ ঘটে, বিদেশে শ্রমিক প্রেরণের মাধ্যমে রেমিট্যান্সের ভিত্তি স্থাপন হয়। নারী শিক্ষায় ও নারীর ক্ষমতায়নে তিনি এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনা শুরু করেন। কৃষিতে খাল খনন και উচ্চফলনশীল বীজনের আমদানি, সার ব্যবস্থার সংস্কার তার উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ। এইসব উদ্যোগের ফলে দেশে শিল্পের বিকাশ ঘটে এবং কর্মসংস্থান বাড়তে থাকে।

    তিনি আরো বলেন, দুর্ভাগ্যবশত, ১৯৭৫ সালে শহীদ জিয়াউর রহমানকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে। তবে তার দর্শন ও আদর্শ আজও অম্লান। বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী দর্শন কোনও শক্তিই পরাজিত করতে পারেনি। সেই জন্য বিএনপি বারবার ধ্বংসের মুখ থেকেও নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে ও পুনরুজ্জীবিত হয়েছে।

    মির্জা ফখরুল বলেন, আজকের দিনেও জাতিকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে শহীদ জিয়াউর রহমানের অনুসারী তারেক রহমান দেশের প্রবাসে থেকেও প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গড়ে ওঠা সংগ্রাম অব্যাহত রেখেছেন তারেক রহমান, যা নতুন দিশার আলো দেখাচ্ছে। অনুতাপ নয়, বরং দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে তিনি আগামী দিনগুলোতে দেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের জন্য কাজ করে যাবেন।শেষে তিনি আবারও উল্লেখ করেন, ৭ নভেম্বর আমাদের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ দিন। এই দিনটি স্মরণ করে আমরা বুঝতে পারি, জাতির স্বপ্ন ও চেতনা জেগে ওঠে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সেই দর্শনকে উৎসাহিত করে, আমরা সামনের দিকে এগিয়ে চলব—একটি স্বাধীন, গণতান্ত্রিক ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়তে।

  • ফের নির্বাচিত হলেন ডা. শফিকুর রহমান, জামায়াতের আমির

    ফের নির্বাচিত হলেন ডা. শফিকুর রহমান, জামায়াতের আমির

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ২০২৬–২০২৮ কার্যকালের জন্য পুনরায় আমির হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (১ নভেম্বর) রাতে সংগঠনের অভ্যন্তরীণ নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাছুম ফলাফল ঘোষণা করেন।

    অভ্যন্তরীণ নির্বাচনের মোট ভোটগ্রহণ গত ৯ অক্টোবর শুরু হয়ে ২৫ অক্টোবর শেষ হয়। এই সময়ের মধ্যে সারাদেশের জামায়াত সদস্যদের গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়া হয়। পরবর্তীতে, নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত টিম গোপন ভোট গণনা সম্পন্ন করে এবং শনিবার রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন।

    প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, ডা. শফিকুর রহমান সর্বোচ্চ ভোট পান এবং সেই মোতাবেক তিনি আগামী ২০২৬–২০২৮ কার্যকালের জন্য জামায়াতের আমির হিসেবে নির্বাচিত হন। জানা গেছে, ডা. শফিকুর রহমান ২০১৯ সাল থেকে জামায়াতের আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেলসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন।

    বিশেষ করে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে জামায়াতের রাজনৈতিক কার্যক্রম ব্যাপকভাবে উদ্বেলিত হয়। এর পেছনে ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্ব ও বক্তব্যের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তার কিছু বক্তব্য ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকলেও, তার উপস্থিতি ও নেতৃত্ব জামায়াতের শক্তি আরও বৃদ্ধি করেছে।

  • গাইবান্ধায় গরু চুরির সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত ৩

    গাইবান্ধায় গরু চুরির সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত ৩

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় গরু চুরির অভিযোগে সন্দেহভাজন তিনজনকে গণপিটুনিতে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনাটি শনিবার (১ নভেম্বর) গভীর রাতের দিকে উপজেলার কাটাবাড়ি ইউনিয়নের নাসিরাবাদ গ্রামে ঘটেছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, রাতে তিনজন ব্যক্তি গ্রামবাসীর চোখে দেখা গেছে গোয়ালঘর থেকে তিনটি গরু চুরি করে নিয়ে যাচ্ছিল। এলাকাবাসী এগিয়ে গেলে চোরচক্রের সদস্যরা দ্রুত পালানোর চেষ্টা করে। প্রাণ বাঁচাতে তারা রাস্তার পাশের একটি পুকুরে লাফ দেয়। কিন্তু এলাকাবাসী তাদের ধাওয়া করে এবং ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তাদের উপর হামলা চালানো হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজন নিহত হন।

    খবর পেয়ে সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

    স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নিহত ব্যক্তিরা সবাই পার্শ্ববর্তী বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার একটি সংঘবদ্ধ গরু চোর চক্রের সদস্য।

    গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি বুলবুল ইসলাম জানান, মরদেহগুলি বর্তমানে থানায় রাখা হয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি। তাদের পরিচয় নিশ্চিত হলে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ঘটনার বিস্তারিত তদন্তের মাধ্যমে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • নির্বাচনের আগে তাবলিগের ইজতেমা হচ্ছে না

    নির্বাচনের আগে তাবলিগের ইজতেমা হচ্ছে না

    প্রতি বছর জানুয়ারি মাসে তাবলিগ জামাতের বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হলেও এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচন থাকায় এই বর্ষাকালীন ধর্মীয় সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। সরকার ও তাবলিগ জামাত কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, নির্বাচনের আগে ইজতেমা আয়োজন করা উচিত নয়। বিকল্প হিসেবেআরেকটি সুবিধাজনক সময়ে, অর্থাৎ নির্বাচন পরবর্তী সময়ে, এই আয়োজনে ফিরে আসা হতে পারে।

    আজ রোববার (২ নভেম্বর) সকালে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাবলিগের দুই পক্ষের মুরব্বিদের উপস্থিতিতে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন যে, নির্বাচনের প্রকোপের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    বৈঠকপ্রধানরা আরও জানিয়েছেন, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, শিল্প ও গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    ড. খালিদ বলেন, “চলমান নির্বাচনি পরিস্থিতি ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাজের বাধ্যবাধকতা বিবেচনায়, এই বড় ধরনের সমাবেশের জন্য ঝুঁকি বেশি। বিদেশি মেহমানরাও আন্তর্জাতিক এই ইজতেমায় অংশ নেন, তাই এই সময়ে অনুষ্ঠিত না করাই সবার জন্য উত্তম হবে।”

    তিনি আরও বলেছেন, দুটি পক্ষের সঙ্গেই আলোচনার মাধ্যমে তারা সম্মত হয়েছেন যে, নির্বাচনের পরে ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে। যদি নির্বাচন ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৫ দিনের মধ্যে হয়, তবে রমজান মাসের পরে ইজতেমা হতে পারে বলে তাঁদের মত প্রকাশ। তবে, ঠিক কবে ইজতেমা হবে, সেটা নির্ধারিত হয়নি; এর জন্য দুই পক্ষের সাথে আলোচনা চালিয়ে যেতে হবে।

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে তিনি জানান, পরিস্থিতির অবনতি হলে আলাদা আলাদা ইজতেমার বিষয়টিও বিবেচনা করা হতে পারে। আরেক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, নির্বাচনের তারিখ পেছানোর পরিকল্পনা এই মুহূর্তে নেই। পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে, তারা আশ্বাস দিয়েছেন যে, নির্বাচন সময়ে সম্পন্ন হবে এবং এই লক্ষ্যে তারা কাজ চালিয়ে যাবেন।