Blog

  • রাহুল গান্ধীর অভিযোগ : হরিয়ানায় প্রতি ৮ জনের মধ্যে ১ জন ভুয়া ভোটার

    রাহুল গান্ধীর অভিযোগ : হরিয়ানায় প্রতি ৮ জনের মধ্যে ১ জন ভুয়া ভোটার

    ভারতের বিহার রাজ্যে প্রথম দফা নির্বাচনের একদিন আগে ভোট চুরির বিষয়ে ফের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন কংগ্রেস নেতা Rahul Gandhi। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের হরিয়ানার বিধানসভা নির্বাচনে ব্যাপক ভোট চুরি হয়েছে। তার দাবি, হরিয়ানার দুই কোটি ভোটারদের মধ্যে প্রায় ২৫ লাখ ভোটার ভুয়া, অর্থাৎ প্রতি ৮ জনের মধ্যে একজন জাল বা ভুয়া ভোটার।

    এর আগে বিভিন্ন রাজ্যে ভোটচুরি নিয়ে সরব হয়েছেন রাহুল গান্ধী। এবার তিনি হরিয়ানার ভোট চুরির বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরছেন। তিনি সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, হরিয়ানার ভোটার তালিকায় ২৫ লাখ ভুয়া ভোটার রয়েছে। এর মধ্যে তিনি একটি ব্রাজিলিয়ান মহিলার ছবি দেখিয়ে বলেন, ছবিটির নারী একজন ব্রাজিলের মডেল। এই ছবিটি ওই মহিলার অনেক বার ভোটার তালিকায় ব্যবহার করা হয়েছে, যেখানে তার নামকরণ হয়েছে নানা ভিন্ন নামে, যেমন সীমা, সুইটি, সরস্বতী।

    ২০২৪ সালে হরিয়ানায় বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে বিজেপি দুর্বল কংগ্রেসকে মাত্র ২২ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে ক্ষমতায় আসে। রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছেন, বিজেপি এই নির্বাচনে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নষ্ট করার জন্য পরিকল্পিতভাবে ভোট চুরির কৌশল অবলম্বন করেছে এবং নির্বাচন কমিশন এই বিষয়গুলো জানে। তিনি বলেন, হরিয়ানার নির্বাচনে কংগ্রেসের জন্য জয় নিশ্চিত ছিল, বহু বুথফেরত সমীক্ষাও সেই প্রত্যাশাই দেখিয়েছিল। কিন্তু ফলাফলের পর দেখা গেল উল্টো ছবি। তিনি আরও বলেন, হরিয়ানায় পোস্টাল ব্যালটের ফলাফল ঐতিহাসিকভাবেই প্রকৃত ভোটের সঙ্গে মেলে না।

    এদিকে, নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগের বিষয়টি অবহিত করে জানায়, যদি ভোটার তালিকায় ভুয়া ভোটার থাকার সন্দেহ থাকে, তবে কেন আগে কেউ অভিযোগ করেননি? নির্বাচন কমিশন আরও জানায়, হরিয়ানার ভোটার তালিকার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ দাখিল হয়নি এবং কোনো মামলা ঝুলে আছে কিনা তা পাঞ্জাব ও হরিয়ানার হাই কোর্টে মাত্র ২২টি মামলা চলমান রয়েছে।

  • মামদানি জয় যুক্তরাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি: ট্রাম্প

    মামদানি জয় যুক্তরাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি: ট্রাম্প

    নিউইয়র্কের নতুন মেয়র জোহরান মামদানি বিজয়ীর হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মন্তব্য করেছেন যে, এই বিজয়যুক্ত শহরটি এখন থেকে ‘সার্বভৌমত্ব হারিয়ে ফেলেছে’ যুক্তরাষ্ট্রের। ট্রাম্পের মতে, এই পরিবর্তনের কারণে নিউইয়র্ক এখন ‘কমিউনিস্ট শহরে’ রূপান্তরিত হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

    প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেন, তিনি মামদানির সঙ্গে জীবনযাত্রার ব্যয় ইস্যুতে আলোচনা করতে প্রস্তুত। বুধবার (৬ নভেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প এক বক্তব্যে বলেছেন, “আমরা পরিস্থিতি দেখব,” তবে তিনি জানাননি কিভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি আরও দাবি করেন, এখন নিউইয়র্ক ‘কমিউনিস্ট শহর’ হয়ে উঠছে।

    মামদানির বিজয়ের একদিন পর মায়ামিতে এক বক্তৃতায় ট্রাম্প বলেন, “ফ্লোরিডা খুব শিগগিরই নিউইয়র্কের কমিউনিজম থেকে পালাতে আসা মানুষের জন্য আশ্রয় নিয়ন্ত্র স্থান হয়ে উঠবে।” তিনি আরও বলেন, “আমেরিকার নাগরিকদের জন্য এখন স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নেয়ার সময়— কমিউনিজম বেছে নেব, না সমঝোতা?” তিনি আবেগপ্রবণভাবে বলেন, “আমরা অর্থনৈতিক দুর্দশা চাই না, বরং অর্থনৈতিক অলৌকিকতা চাই।”

    তবে ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেন, “আমরা চাই না নিউইয়র্ক ব্যর্থ হবে। হয়তো কিছুটা সহায়তা দেওয়া হতে পারে মামদানিকে। ওকে আমরা সামান্য সাহায্য করব।

    প্রেসিডেন্টের এই মন্তব্যের পর তিনি নিজের নির্বাচনী জয়ের এক বছর পূর্তিতে ভাষণে উল্লেখ করেন, “আমরা আমাদের অর্থনীতি উদ্ধার করেছি, স্বাধীনতা ফিরে পেয়েছি, এবং সেই মহামারী রাতে দেশকে রক্ষা করেছি।”

    অপরদিকে, ব্যবসায়ী মহল, রক্ষণশীল গণমাধ্যম এবং ট্রাম্পের কঠোর সমালোচনাকে উপেক্ষা করে, নিউইয়র্কের বর্তমান মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন মামদানি। তিনি বলেছেন, তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর বিষয়ে আলোচনা করতে চান।

    অভিবাসী মুসলিম এই রাজনীতিক, যিনি কার্যত আউটসাইডার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন, সবাইকে驚িয়ে দিয়েছেন। তিনি মজার ছলে বলেন, “হোয়াইট হাউস থেকে এখনো আমাকে অভিনন্দন জানানো হয়নি।”

    তিনি আরও যোগ করেন, “আমি চাই যে আমরা কিভাবে নিউইয়র্কবাসীর আরো ভালো সেবা দিতে পারি, সেই বিষয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা করতে চাই। বিশেষ করে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর বিষয়ে কাজ করতে আগ্রহী।”

    মামদানি বলেন, ট্রাম্পের মতোই তিনি জীবনযাত্রার উচ্চ ব্যয়, মুদ্রাস্ফীতি ও বাজারের মূল্য বৃদ্ধির কেন্দ্রীয় বিষয়গুলোকে তুলে ধরেছেন। তার ভাষ্য, “প্রেসিডেন্টের জন্য শেখার জিনিস হলো— শুধুই শ্রমজীবী মানুষের সংকট চিহ্নিত করলেই হবে না, সেই সংকটের সমাধানে বাস্তব পদক্ষেপ নিতে হবে।”

  • ফিলিপাইনে ‘কালমায়েগি’ ঝড়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪০

    ফিলিপাইনে ‘কালমায়েগি’ ঝড়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪০

    ফিলিপাইনে সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড় ‘কালমায়েগি’ এর আঘাতে মৃত্যুর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে এখন ১৪০ জনে পৌঁছেছে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই দুর্যোগে এখন পর্যন্ত এই মৃত্যুর সংখ্যা নিশ্চিত করা হয়েছে। তদ্ব্যতীত, এখনও ১২৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন, যা উদ্ধার কাজের জন্য উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এই ঝড় বর্তমানে ভিয়েতনামের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। খবর এএফপির।

    এই সপ্তাহে সেবু প্রদেশের বিভিন্ন শহরে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। বন্যার কারণে রাস্তা-ঘাট ভেসে গেছে, বহু গাড়ি পুরোটাই পানির নিচে ডুবে গেছে, এছাড়াও নদীর ধারের স্থাপনা ও বিশাল জাহাজের কন্টেইনারের বেশ কয়েকটি ভেসে গেছে।

    দেশটির জাতীয় নাগরিক প্রতিরক্ষা অফিস বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত তারা ১১৪ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে। তবে সেবু প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষের রেকর্ড হিসেব অনুযায়ী, আরও ২৮ জনের মৃত্যু সংবাদের মধ্যে যোগ হওয়ার পরে এই সংখ্যা ১৪০ ছাড়িয়ে যাবে।

    মৃত ব্যক্তিদের মধ্যে একটি সামরিক হেলিকপ্টারের ছয়জন ক্রু-ও রয়েছেন। গত মঙ্গলবার, সেবুর দক্ষিণে মিন্দানাও দ্বীপে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রমের জন্য হেলিকপ্টারটি পাঠানো হচ্ছিল, কিন্তু আগুসান দেল সুর এলাকার কাছে হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়।

    ফিলিপাইন বিমানবাহিনী জানিয়েছে, হেলিকপ্টারটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর তারা দ্রুত উদ্ধার অভিযান চালায়। পরে বিমানবাহিনীর একজন মুখপাত্র নিশ্চিত করেন, পাইলটসহ ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই হেলিকপ্টারটি ত্রাণ কার্যক্রমে অংশ নেওয়া চারটি হেলিকপ্টারের মধ্যে একটি ছিল।

    জাতীয় দুর্যোগ সংস্থা এক প্রতিবেদনে বলেছে, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে চার লাখের বেশি মানুষ তাদের ঘর থেকে চলে যেতে বাধ্য হয়েছে এবং নিরাপদ আশ্রয়ে রয়েছেন।

  • বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বিলিয়ন ডলারের চুক্তিতে ভারতের উদ্বেগ

    বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বিলিয়ন ডলারের চুক্তিতে ভারতের উদ্বেগ

    বাংলাদেশে আগামী এক বছরের জন্য এক বিলিয়ন ডলারের সমমূল্যের সয়াবিন আমদানি করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশের তিনটি শীর্ষ সয়াবিন প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান এ চুক্তির আওতায় উল্লেখিত সময়ে বড় পরিমাণে সয়াবিন সংগ্রহ করবে। এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের বাজারে যুক্তরাষ্ট্রের সয়াবিনের উপস্থিতি বাড়বে, যা ভারতের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    ভারতের শিল্পমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভারতের সয়ামিলের রপ্তানি আগের তুলনায় কম ছিল। এখন বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে ব্যাপক পরিমাণে সয়াবিন কিনতে শুরু করলে ভারতের সয়ামিলের বাজার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত বছর বাংলাদেশে ভারতের সয়ামিলের রপ্তানি কমে ১.৬৩ লাখ টনে আచ్చেছে, যা আগে থাকত তার থেকে ৪৬ শতাংশ কম। এই পরিস্থিতিতে ডিএন পাঠক, ভারতের সয়ামিল প্রক্রিয়াকরণ শিল্প সংস্থার একজন নেতা বলছেন, ‘বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে কমদামে অনেক সয়াবিন কিনছে। ফলে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে আমাদের রপ্তানি অনেক কমে গেছে। বাংলাদেশ একদিকে বিশাল পরিমাণে সয়াবিন কিনছে, যা আমাদের জন্য চিন্তার বিষয়।’

    মঙ্গলবার ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস ঘোষণা করে, বাংলাদেশের তিনটি অভিহিত শীর্ষ সয়াবিন প্রক্রিয়াজাতকারী সংস্থা আগামী ১২ মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এক বিলিয়ন ডলারের সয়াবিন কিনবে।

    এটি বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক চুক্তি, কারণ চীন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য উত্তেজনার ফলে সয়াবিন আমদানির পরিমাণ অর্ধেকে নিয়ে এসেছিল। তখন চীন বিকল্প বাজার খুঁজছিল; এর মধ্যে বাংলাদেশের সয়াবিন আমদানির সুযোগ তৈরি হয়। এটি বোঝায়, বাংলাদেশ বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বড় পরিমাণে সয়াবিন কিনছে, যা ভারতের জন্য একটি প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

  • পুতিনের নির্দেশ: পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোর প্রস্তুতি গ্রহণের ঘোষণা

    পুতিনের নির্দেশ: পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোর প্রস্তুতি গ্রহণের ঘোষণা

    রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘অবিলম্বে’ পারমাণবিক পরীক্ষা শুরুর ঘোষণা দেওয়ার জবাব হিসেবে পারমাণবিক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। এই সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে তিনি ক্রেমলিনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের একটি জ্যেষ্ঠ বৈঠকে বসে, এই বিষয়ের জন্য প্রাথমিক পরিকল্পনা তৈরি এবং বাড়তি তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দেন। পুতিনের এই সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ হচ্ছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য দেশ থেকে যদি কেউ পারমাণবিক পরীক্ষা চালাতে চান, তাহলে রাশিয়াকে সমান প্রতিক্রিয়া জানাতে বাধ্য হওয়ার আশঙ্কা। একাধিক সচেতন ব্যক্তি জানিয়েছেন, রুশ প্রশাসন এখন প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে যাতে পরিস্থিতি বিরূপ হলে শিগগিরই পরীক্ষায় নেমে পড়া যায়। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর থেকে রাশিয়া আর কখনো পারমাণবিক পরীক্ষা চালায়নি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বমঞ্চে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় নতুন করে এই বিষয়ে ভাবনা শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও অর্থনৈতিক ও সামরিক অভিনিবেশ বাড়ছে, যার কারণেই পরমাণু অস্ত্র নিয়ে নতুন দিক নির্দেশনা আসছে। ট্রাম্পের গত অক্টোবরের এক ঘোষণায় তিনি বলেছিলেন, “আমরা এখনই পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোর নির্দেশ দিয়েছি। যাতে আমাদেরও শক্তিধর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া যায়।” এর পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেছিলেন, রাশিয়ার নতুন পরীক্ষা নিয়ে সমালোচনাবোধ প্রকাশ করেছেন। ক্রেমলিনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুতিন এই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে একাধিক উচ্চপর্যায়ের পরামর্শ বৈঠক করেছেন, যেখানে প্রতিরক্ষামন্ত্রীসহ অন্যান্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ রাশিয়ার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জানান, অপ্রকাশিত দুর্যোগ বা সংকট এড়াতে রাশিয়ার আর্কটিক অঞ্চলের নোভাইয়া জেমলাইয়া ঘাঁটিতে প্রস্তুতি অব্যাহত রয়েছে। বিশ্বে বর্তমানে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক শক্তি বহুমুখী অস্ত্রের মধ্যে সবচেয়ে বড় শক্তির আধিপত্য রয়েছে। রাশিয়ার কাছে প্রায় ৫ হাজার ৪৫৯টি পারমাণবিক ওয়ারহেড আছে, যার মধ্যে এক হাজার ৬০০টি সক্রিয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ারহেডের সংখ্যা প্রায় ৫ হাজার ৫৫০, এর মধ্যে সক্রিয় প্রায় ৩৮০০। অতীতের কথায় গেলে, ১৯৬০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ছিল বিশাল সংখ্যক ৩১ হাজারের বেশি ওয়ারহেড। চীনও দ্রুত তার পারমাণবিক শক্তির ভাণ্ডার বাড়িয়ে চলেছে, বর্তমানে তাদের হাতে রয়েছে প্রায় ৬০০ ওয়ারহেড, যা প্রতিবছর গড়ে ১০০টি করে বাড়ছে। অন্যান্য দেশের মধ্যে রয়েছে ফ্রান্স, ব্রিটেন, ভারত, পাকিস্তান, ইসরায়েল ও উত্তর কোরিয়া। মাত্র কয়েক দশক আগে, ১৯৯২ সালে, যুক্তরাষ্ট্র শেষবার পারমাণবিক পরীক্ষা চালিয়েছিল। পরে ১৯96 সালে বিস্তৃত পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (সিটিবিটি) স্বাক্ষরের মাধ্যমে এই ধরনের পরীক্ষার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। তবে, ভারতের, পাকিস্তানের এবং উত্তর কোরিয়ার পরীক্ষা তাদের পারমাণবিক শক্তির সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করছে। ট্রাম্প এখনও স্পষ্ট করেননি যে, তিনি যেসব পারমাণবিক পরীক্ষার কথা বলেছেন, তা হচ্ছে বিস্ফোরণমূলক পরীক্ষা নাকি পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা। বিশ্লেষকদের মতে, যদি পারমাণবিক বিস্ফোরণ হয়, তাহলে দেখা দিতে পারে বৈশ্বিক নিরাপত্তা সংকটের আশঙ্কা। কারণ অন্য দেশগুলোও পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিতে পারে। জাতিসংঘের নিরস্ত্রীকরণ গবেষণা সংস্থার জ্যেষ্ঠ গবেষক আন্দ্রে বাকলিৎসকি সতর্ক করে বলেছেন, পারমাণবিক পরীক্ষার পরিসর বাড়লে একে অপরের বিরুদ্ধে প্রতিযোগিতা আরও গাঢ় হয়ে উঠবে এবং এটা সার্বভৌম বিশ্ব শান্তির জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করবে। তিনি আরও যোগ করেছেন, “ক্রেমলিনের এই প্রতিক্রিয়া এককথায় নতুন এক পারমাণবিক প্রতিযোগিতার সূচনা করতে পারে, যা শেষমেষ সামগ্রিক বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা ধাঁচবেয়েও পড়তে পারে।” এই পরিস্থিতিতে বিশ্ববাসীর জন্য একটাই আশঙ্কা, পারমাণবিক শক্তির আধিপত্য আর বিস্তার ক্ষতিকর পরিণতি ডেকে আনতে পারে।

  • দেশ বর্তমানে গভীর রাজনৈতিক সংকটের মধ্যেও জামায়াতে ইসলামী ভয়ঙ্কর চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করছে: মাওলানা আজাদ

    দেশ বর্তমানে গভীর রাজনৈতিক সংকটের মধ্যেও জামায়াতে ইসলামী ভয়ঙ্কর চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করছে: মাওলানা আজাদ

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চল সহকারী পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদএ বলেছেন, আজকের বাংলাদেশ রাজনৈতিকভাবে গভীর সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। জনগণের ভোটাধিকার ও মৌলিক অধিকার পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করার জন্য জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এখন সময়ের অত্যন্ত প্রয়োজন। তিনি ขอ জানান, নভেম্বর মাসের মধ্যেই গণভোটের মাধ্যমে দেশের জনগণের মতামত নেয়া উচিত, যা শান্তি, ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করতে সহায়তা করবে। এরই আলোকে তিনি সাধারণ মানুষের সাথে গণসংযোগ করেন, সালাম ও কুশলাদি বিনিময় করেন এবং তাদের সুখ-দুঃখের কথা শোনার চেষ্টা করেন। হরিঢালী ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানসহ পথসভায় দাঁড়িপাল্লার মার্কায় ভোট দেয়ার জন্য দাবী জানিয়ে দোয়া কামনা করেন। বৃহস্পতিবার দিনভর এ সব কার্যক্রম পরিচালিত হয়, যেখানে তিনি পাইকগাছা উপজেলার হরিঢালী ইউনিয়নের হরিদাসকাটিসহ বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ করেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন পাইকগাছা উপজেলা নায়েবে আমীর মাওলানা বুলবুল আহম্মেদ, সেক্রেটারি মোঃ আলতাফ হোসেন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের খুলনা দক্ষিণ জেলা সভাপতি আবু জার গিফারী, বায়তুলমাল সম্পাদক ইয়াসিন শারাফাত, পাইকগাছা উত্তর থানার সেক্রেটারি ইয়াসিন সরকার, হরিঢালী ইউনিয়ন আমীর আতাউর রহমান, সেক্রেটারি হুসাইন আহম্মেদ, সহকারী সেক্রেটারি মোঃ আসলাম বিশ্বাস, ৪নং হরিদাসকাটি ওয়ার্ডের সভাপতি মুজিবর ফকির, সেক্রেটারি ডাঃ হাসানুজ্জামান, বায়তুলমাল সম্পাদক ডাঃ এনামুল হকসহ আরও অনেক নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

    মাওলানা আজাদ বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিবাদ এখনো জামায়াতে ইসলামীকে বিভিন্ন জুলুম নির্যাতন করে বিচ্ছিন্ন করতে পারছে না। তাই তারা কেন্দ্রীয় অফিস থেকে শুরু করে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড অফিস বন্ধ করে দিয়ে, অপপ্রচার চালিয়ে এবং ইসলাম ধর্মকে জঙ্গিবাদ ও মৌলবাদ হিসেবে অপমান করার চেষ্টা করছে। কিন্তু এসব ভয়ঙ্কর চাপ ও অপপ্রচেষ্টার পরও জামায়াতে ইসলামীর কর্মীরা অবিচল থাকছেন। তারা আবারও সংবিধান ও সাংবিধানিক পদক্ষেপের মাধ্যমে নিষিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালিয়েও ব্যর্থ হয়েছে। তিনি বলেন, দেশের জনগণ জামায়াতে ইসলামীকে স্বীকৃতি দিয়ে তাদের সঙ্গে একত্র হয়ে নতুন বাংলাদেশ তৈরিতে অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি উল্লেখ করেন, আল কুরআনের সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমাদের সব সময়কে মূল্যায়ন করতে হবে। আল কুরআনের দাওয়াতের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌঁছানোর কাজ চলছে। আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশ হবে আল কুরআনের ও ইসলামের দেশের আদর্শে গড়া।

    মাওলানা আজাদ সতর্ক করে বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে যেকোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর দ্বারা সাধারণ মানুষের ক্ষতি হলে তার প্রমাণ অবশ্যই সংগ্রহ করতে হবে। তিনি বিশ্বাস করেন, সাধারণ মানুষের অধিকার নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সেই প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকারের ওপর অটল।

  • শত অত্যাচার, নির্যাতন, জেল, জুলুমের মধ্যেও পিছপалық করেননি তরিকুল ইসলাম: এড. মনা

    শত অত্যাচার, নির্যাতন, জেল, জুলুমের মধ্যেও পিছপалық করেননি তরিকুল ইসলাম: এড. মনা

    খুলনা মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, দলের স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলাম ছিলেন বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদের অকৃত্রিম প্রবক্তা এবং দলের দুর্দিনে সাহসী নেতা। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দেশ যে ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে, সেই সময় তরিকুল থাকলে তার গঠনমূলক পরামর্শ এবং প্রজ্ঞা দিয়ে দেশের অস্থিরতা কমাতে সহযোগিতা করতেন। মহান এই নেতার অভাব আজ দেশের মানুষ গভীর ভাবে অনুভব করছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় খুলনা মরহুম তরিকুল ইসলামের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মহানগর বিএনপি’র উদ্যোগে অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    এড. মনা আরও উল্লেখ করেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জনগণের নেতা হিসেবে তরিকুল ইসলাম পরিচিত ছিলেন। তিনি নেতা-কর্মীদের চোখে একজন ‘মহান নেতা’ এবং সাধারণ মানুষের কাছেও খুব প্রিয়। রাজনৈতিক জীবনেও তিনি দৃঢ়চেতা ও অপ্রতিরোধ্য সৈনিক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। শত অত্যাচার, নির্যাতন, জেল আর জুলুমের মুখে পিছু হটেননি তিনি। বিএনপির রাজনীতিতে একজন আদর্শ ও অনুকরণীয় নেতা হিসেবে তিনি প্রশংসিত। তরিকুল ইসলাম এই অঞ্চলের শত শত নেতা-কর্মীর জন্য ছিলেন একজন নির্ভরযোগ্য ও প্রেরণাদায়ক অভিভাবক।

    মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন জানান, জাতীয় দুর্যোগ ও গণতন্ত্রের সংকটে তরিকুল ইসলাম ছিলেন দলের পাহারাদার। মাঠপর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সাহস ও আত্মবিশ্বাস ধরে রাখার জন্য তিনি ছিলেন মূল প্রেরণার स्रोत। এই আলোচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাসুদ পারভেজ বাবু, হাসানুর রশীদ চৌধুরী মিরাজ, সেখ হাফিজুর রহমান মনি, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক বদরুল আনাম খান, আসাদুজ্জামান আসাদ, আব্দুল আজিজ সুমন, মাওলানা মোঃ আবু নাঈম কাজী, মোঃ শফিকুল ইসলাম শফি, জাকির ইকবাল বাপ্পী, মোঃ নাসির উদ্দিন, গোলাম কিবরিয়া, শেখ আবু সাইদ, ইফতেখার হোসেন বাবু, শেখ মনিরুজ্জামান মনির, মাসুদউল হক হারুন, গাজী আফসার উদ্দীন, এস এম নুরুল আলম দিপু, শেখ মোস্তফা কামাল, আজিজুর রহমান, শেখ হাবিবুর রহমান, কাজী নজরুল ইসলাম, মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, মঞ্জুরুল আলম, জুয়েল খান, মোঃ নাজমুস সাকিব, মোঃ সওগাতুল আলম ছগীর, মোঃ আমিন আহমেদ, মিশকাত আলী, জামির হোসেন দিপু, শেখ মেহেদী হাসান, মোঃ ইয়াছিন মোল্লা, আব্দুল কাদের মল্লিক, এস কে তুষার প্রমুখ। আলোচনা শেষে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়, যা পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা আল আমিন। এরপর মহানগর বিএনপি’র সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি এস এম মোর্শেদ আলমের ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

  • ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দলীয় প্রার্থীর জন্য কাজ করুন

    ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দলীয় প্রার্থীর জন্য কাজ করুন

    অবহেলিত পাইকগাছা ও কয়রা এলাকার উন্নয়ন ও তরুণ প্রজন্মের স্বপ্ন ফোটানোর জন্য বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হাসান বাপ্পীর বিজয় নিশ্চিত করতে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও ঐক্য অপরিহার্য। বৃহস্পতিবার সকালে পাইকগাছা জেলা প্রেসক্লাবে মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ। তারা 강조 করেন, দলের জন্য বড় কিছু অর্জন করতে হলে ব্যক্তিগত ও দলীয় ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে নির্বাচনের সময় দলের প্রার্থীকে ঐক্যবদ্ধভাবে সমর্থন করা জরুরি, যাতে করে তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা একযোগে কাজ করে দলীয় বিজয় নিশ্চিত করতে পারে। এই জনসভায় বক্তব্য রাখেন, মনিরুল হাসান বাপ্পী নিজেও, আরও ছিলেন জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা এবং এলাকাবাসী। তারা বলেন, এই অঞ্চলের ঐতিহ্য অনুযায়ী উন্নয়নের জন্য প্রতিটি বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে ধানের শীষ প্রতীকের জন্য ভোট আহ্বান করতে হবে। প্রার্থী আরও জানান, নির্বাচিত হলে তিনি এই এলাকায় টেকসই উন্নয়ন নিয়ে কাজ চালাবেন। এর মধ্যে রয়েছে টেকসই ভরাট বাঁধ নির্মাণ, সুপেয় পানি সরবরাহ, মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা, সুন্দরবন কেন্দ্রিক পর্যটন শিল্প বিকাশ, উন্নত স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, ব্যবসার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি ও বেকারত্বের যন্ত্রণা দূর করা। মনোনয়ন পাওয়ার পর তিনি তার নির্বাচনী এলাকা ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাদের উন্নয়নের পরিকল্পনা সম্পর্কে জানান। এতে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন পর্যায়ের দলীয় নেতাকর্মী, এলাকাবাসী, বিশিষ্ট ব্যাক্তিত্বরা। এই দিন মনোনীত প্রার্থী বাপ্পীর জন্য নেতাকর্মীরা ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে একত্রিত ও উদ্দীপ্ত হয়।

    অপরদিকে, কয়রা উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে দলীয় কর্মী সভা ও প্রচার মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা বিএনপি’র আহবায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, যিনি প্রধান বক্তা হিসেবে মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হাসান বাপ্পীর পক্ষে ব্যাপক সমর্থন ও উৎসাহ প্রদান করেন। এই সভায় নেতৃবৃন্দ প্রতিবেদন করেন, প্রাণবন্ত মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয় এবং এলাকার উন্নয়নে বিএনপির পরিকল্পনা ও দৃঢ় সমর্থন ব্যক্ত করা হয়। সভায় সব স্তরের নেতাকর্মীরা একসঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনআঙ্কে প্রার্থীকে বিজয়ী করতে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

  • খুলনার আওয়ামী লীগ নেতা কাজী ফয়েজ গ্রেপ্তার

    খুলনার আওয়ামী লীগ নেতা কাজী ফয়েজ গ্রেপ্তার

    খুলনার খালিশপুর থানার আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কাজী ফয়েজ মাহমুদকে নগর গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। আজ শুক্রবার (৭ নভেম্বর) ভোরে রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে খুলনা ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হচ্ছে।

    গোয়েন্দা পুলিশের ওসি তৈমুর ইসলাম জানান, আমরা মাঝেমধ্যেই কাজী ফয়েজের খোঁজ পেতাম। সম্প্রতি গোয়েন্দা সূত্রে জানতে পারি তিনি ঢাকার বসুন্ধরায় অবস্থান করছেন। এই খবরের ভিত্তিতে ভোরে তার বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে তাকে খুলনায় নিয়ে যাওয়ার জন্য সঙ্গে দৌড়ঝাপে ব্যস্ত পুলিশ।

    অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ বলছে, কাজী ফয়েজ নিজেকে শেখ সোহেলের বন্ধু পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় প্রভাব বিস্তার করতেন। তার বিরুদ্ধে খালিশপুর থানায় নাশকতা ও অন্যান্য একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে।

  • নির্বাচন শুধু মাঠের প্রচারণায় সীমাবদ্ধ থাকবে না, ভার্চুয়াল জগতেও প্রচার জোরদার করতে হবে: হেলাল

    নির্বাচন শুধু মাঠের প্রচারণায় সীমাবদ্ধ থাকবে না, ভার্চুয়াল জগতেও প্রচার জোরদার করতে হবে: হেলাল

    বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল বলেন, বিএনপি ইতিমধ্যে চারবার দেশ পরিচালনার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। তবে তার প্রতিদ্বন্দ্বীরা কখনোই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন না। তিনি সতর্ক করে বলেন, “অভিজ্ঞতা ছাড়াই কোনো দলকে ক্ষমতায় আনলে দেশে প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা দেখা দিতে পারে।”

    বৃহস্পতিবার সকালে রূপসা, তেরখাদা এবং দিঘলিয়া উপজেলার অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আইচগাতী প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত নির্বাচন পূর্ব প্রস্তুতিমূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। হেলাল আরও বলেন, এ বছর নির্বাচন কেবল মাঠের প্রচারণায় সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং ভার্চুয়াল দুনীতেও প্রচার জোরদার করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, “এখন ডিজিটাল যুগ, তাই ফেসবুক, ইউটিউব ও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দলের প্রচার বাড়ানোর দায়িত্ব আমাদের সবাইকে নিতে হবে।”

    তিনি জানান, নির্বাচনী এলাকার ১৪৪টি ভোট কেন্দ্রের জন্য কেন্দ্র ভিত্তিক কমিটি গঠন ও মহিলাদের জন্য পৃথক কেন্দ্র কমিটি করার নির্দেশনা দিয়েছেন। এছাড়াও তিনি সদস্যদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ধানের শীষে ভোট চাওয়ার আহ্বান জানান।

    সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক মোল্লা খায়রুল ইসলাম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আতাউর রহমান রনু, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি বাবু উজ্জ্বল কুমার দাস, যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক গোলাম মোস্তফা তুহিন, সেতারা সুলতানা, আজিজুল ইসলাম, আনিস, সাবেক ছাত্রদলের সভাপতি কামরান হাসান, আবুল কাশেম, রেজাউল ইসলাম, শাহানাজ সহ জেলা ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। বক্তব্যের শুরুতেই তিনি বিএনপি’র ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুলের শ্বশুরের ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।