Blog

  • চুয়াডাঙ্গার সাবেক মেয়র রিয়াজুল ঢাকায় গ্রেফতার

    চুয়াডাঙ্গার সাবেক মেয়র রিয়াজুল ঢাকায় গ্রেফতার

    নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনার অভিযোগে চুয়াডাঙ্গার সাবেক পৌর মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটনকে রাজধানী ঢাকার বসুন্ধরায় থেকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি তাকে গ্রেফতার করা হয়। রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন চুয়াডাঙ্গার সাবেক সংসদ সদস্য সেলুন জোয়ার্দ্দারের ছোট ভাই এবং চুয়াডাঙ্গার পৌরসভার সাবেক মেয়র। ডিবি পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন যে, নাশকতার পরিকল্পনায় তার বিরুদ্ধে এই অভিযান চালানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, অ্যাকশনের পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রিয়াজুল ইসলাম টোটনের বিরুদ্ধে ১৩ নভেম্বর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের লকডাউন ঘোষণা সময় নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করার অভিযোগ রয়েছে।

  • মাগুরখালী থেকে চিংড়ি মাছ বিদেশে রপ্তানি হবে: লবি

    মাগুরখালী থেকে চিংড়ি মাছ বিদেশে রপ্তানি হবে: লবি

    ডুমুরিয়ার মাগুরখালী নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সাবেক সংসদ সদস্য ও ধানের শীষের প্রার্থী আলি আসগার লবি জানান, মাগুরখালী ইউনিয়নকে তিনি একান্ত স্বর্ণখনি হিসেবে আখ্যা দেন। এই অঞ্চল থেকে উৎপাদিত চিংড়ি মাছ আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি করে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখা সম্ভব বলে তিনি বিশ্বাস করেন। এমন উদ্যোগ সফল হলে মাগুরখালী অঞ্চলে বড় ধরনের বৈদেশিক আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে। তিনি মন্তব্য করেন, যদি তিনি নির্বাচনে জয়লাভ করেন, তাহলে তিনি চিংড়ি মাছের রপ্তানি সুবিধা আরও উন্নত ও বিস্তার করবেন। তার ভাষ্য, তার কোনও দুর্নীতির বা সুবিধার জন্য কিছু চায় না; তিনি শুধুই মানুষের উন্নয়নে কাজ করতে চান। যদি তিনি নির্বাচিত হন, তিনি উন্নয়নমূলক কাজের জন্য প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, তিনি খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন, কেউ বলতে পারবে না যে, তিনি কোনও দুর্নীতি বা অবৈধ লেনদেন করেছেন। নির্বাচিত হওয়ার পরে তিনি যদি জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারেন, তাহলে ভোটের জন্য অনুরোধ করবেন না। সবাইকে নিয়ে একসাথে উন্নয়নের কাজে বিনিয়োগ করতে চান। বৃহস্পতিবার দুপুরে মাগুরখালী খোরেরাবাদ বাজারে ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি অরুণ কুমার গোলদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ধানের শীষের নির্বাচনী সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা যুবদলের আহবায়ক এবাদুল হক রুবায়েত। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক শেখ সরোয়ার হোসেন, সদস্য সচিব সরদার আব্দুস সালাম, জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক আব্দুল্লাহ হেল কাফি শখা ও সাবেক ছাত্র নেতা এড. মুনিমুর রহমান নয়ন। এছাড়াও ইউপি সদস্য মুহাম্মদ আলী, মনোজ কুমার সরকার, পুলিন মন্ডল ও ডাঃ কৌশিক মন্ডল উপস্থিত ছিলেন। এর পরে তিনি ব্রহ্মারবেড় বাজার, শেখেরট্যাক, আমুড়বুনিয়া বাজার, পার মাগুরখালী, আলাদিপুর বাজার, কইপুকুর পূজামন্ডপ, লাঙ্গলমুড়া বাজার, কাঞ্চননগর বাজার মন্দির ও শিবনগর বাজারে গণসংযোগ ও মতবিনিময় করেন।

  • প্রার্থীকে চিনে ভোট দিন: বকুলের আহ্বান

    প্রার্থীকে চিনে ভোট দিন: বকুলের আহ্বান

    ভোট প্রার্থীদের মিষ্টি কথায় বিভ্রান্ত না হয়ে তাদের প্রকৃত পরিচয় ও আগের কাজকর্ম যাচাই করে সঠিক ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল। তিনি বলেন, “যে নেতা আগে জনগণের জন্য কাজ করেছেন, ভবিষ্যতেও তার কাজ করার সম্ভাবনা বেশি। কিন্তু যারা কখনো কিছু করেননি, তাদের প্রতিশ্রুতিতে সংশয় থাকা স্বাভাবিক।” বৃহস্পতিবার রাতের ওই মতবিনিময় সভায় তিনি পশ্চিমপাড়া সমাজ কল্যাণ সংস্থা আয়োজিত দৌলতপুরের ১নং ওয়ার্ডের সুধীজনদের কাছে এসব কথা বলেন। বকুল আরও বলেন, “নির্বাচনের সময় সবাই ভোট চাইবে, কেউ বলবে এই কাজ করব, কেউ বলবে সেই কাজ করব, এমনকি কিছু প্রার্থী ২০ তলা ভবন বানানোর প্রতিশ্রুতি দেবে। কিন্তু এই প্রতিশ্রুতিগুলোর বাস্তবায়ন হবে কি-না, এটি আপনারাই পরীক্ষা করুন। ভোটারদের উদ্দেশ্যে তিনি দুটি প্রশ্ন করার পরামর্শ দেন: প্রথমত, ‘আপনার পরিচয় কী? দিঘলিয়ার মাটির সঙ্গে আপনার সম্পর্ক কতটা?’ এবং দ্বিতীয়ত, ‘জনগণের জন্য আপনি এখন পর্যন্ত কী করেছেন?’ এই হিসাবটা আগে করে দেখা গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয় সমস্যা নিয়ে বক্তা বলেন, ‘প্রতিবারই বিল, জলাবদ্ধতা নিরসন ও পুনরায় চালুর জন্য সরকার টাকা বরাদ্দ করে, কিন্তু সেই টাকা নিঃশেষ হয়ে যায়, আসলে কাজ হয় না। কারণ এর জন্য সত্যিকারভাবে জনগণের প্রতিনিধিত্বমূলক সরকার নেই। যদি আপনাদের ভোটে একটি আদর্শ সরকার নির্বাচিত হয়, তাহলে সেই টাকা সৎভাবে ব্যবহার হবে, কারণ যারা ভোট দিচ্ছেন তাদের মধ্যে কাছ থেকে জানা থাকবে সব কিছু।» বকুল বিএনপি’র নেতা-কর্মীদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, “এই ভোটের অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য অনেক নেতা-কর্মী জীবন দিয়েছেন, গুম হয়েছেন, পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন এবং ঘর-বাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন। তাই এই মূল্যবান ভোটটি আবেগের বশবর্তী হয়ে নষ্ট করবেন না। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “আজ আমরা এমন এক সংকটে আছি যেখানে আমাদের দেশ অস্তিত্বই প্রশ্নের মুখে। তরুণ সমাজ মাদকের সয়লাবে ধ্বংস হচ্ছে কারণ দেশে কর্মসংস্থান নেই। এজন্য মিলগুলো পুনরায় চালু করতে হবে, তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। শেষপর্যন্ত তিনি বলেন, “বাছাই করুন নিজের জন্য সঠিক প্রার্থী, যাতে আপনার ভোটের মূল্য হার না হয় এবং একটি মানুষের জন্য জনগণের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়।” ওই সভার সভাপতিত্ব করেন আব্দুল করিম মোল্লা। বিশেষ অতিথি ছিলেন ১নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি বেলায়েত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মাইনুল ইসলাম ও সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ কবির হোসেন টিটু। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আজমল হোসেন, মোহাম্মদ নাসির হোসেন, মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন, মোঃ ফারুক হোসেনসহ এলাকার বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তি। সভা শেষে রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, “নেতৃত্বের অঙ্গীকার, জনগণের পাশে বিএনপি—গণতন্ত্র ও উন্নয়নের পথে আগামীর বাংলাদেশ।

  • সংঘাত ও প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিত্যাগ করে সবাইকে গণতন্ত্রের পথে এগোতে হবে

    সংঘাত ও প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিত্যাগ করে সবাইকে গণতন্ত্রের পথে এগোতে হবে

    আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের সকল প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে খুলনা-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, সংঘাত ও প্রতিহিংসার রাজনীতি ছেড়ে সবাইকে শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক পথে চলতে হবে। তিনি আরও বলেন, দলের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সকল নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করে দলের সুনাম ও ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে। বিএনপি সব সময় নির্বাচনমুখী একটি দল। দেশকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করে একটি সুন্দর সমাজ গড়তে আমাদের সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। যুব সমাজকে এগিয়ে আসতে আহ্বান জানান মঞ্জু, যেন তারা এই সমাজের ব্যাধি মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়।

  • খুলনা সাব রেজিস্ট্রি অফিসে পেট্রোল বোমা হামলা

    খুলনা সাব রেজিস্ট্রি অফিসে পেট্রোল বোমা হামলা

    খুলনা সদর থানার তদন্ত কর্মকর্তা ওসি আব্দুল হাই বলেন, নাশকতার এই ঘটনার পেছনে জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখন পুলিশ ঘটনাস্থলের চারপাশে তল্লাশি চালাচ্ছে এবং সন্দেহভাজনদের শনাক্তের জন্য কাজ চলছে।

  • রাজনীতি স্থিতিশীল থাকলে অর্থনীতি আরও সুদৃঢ় হবে: গভর্নর

    রাজনীতি স্থিতিশীল থাকলে অর্থনীতি আরও সুদৃঢ় হবে: গভর্নর

    বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে। এর পাশাপাশি, দেশের রাজনীতির স্থিতিশীল অবস্থা অর্থনীতির সুষ্ঠু উন্নয়ন এবং প্রবৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য বলে মনে করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। বৃহস্পতিবার (০৮ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের ওয়াটার গার্ডেন রিসোর্টের হল রুমে আঞ্চলিক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এই সেমিনারটি আয়োজন করে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথোরিটি (এমআরএ) যাতে গ্রামাঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কাছে সহজে ব্যাংকের অর্থ পৌঁছে দেওয়া যায়। গভর্নর আরও জানান, দেশের অর্থ পাচারকারীদের টাকা ফেরত আনার জন্য ইতোমধ্যেই বেশ কিছু অগ্রগতি হয়েছে। দেশের বিভিন্ন ব্যাংক ইংল্যান্ডের আইনজীবীদের সহায়তায় তাদের সাথে কাজ করছে, যাতে পাচার হওয়া অর্থের ক্লেমগুলো আরও দ্রুত স্থাপন করা যায়। যদি এই প্রচেষ্টা সফল হয়, তাহলে ফলাফল ইতিবাচকভাবে দেখার সম্ভাবনা রয়েছে। অনুষ্ঠানে এমআরএ’র নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত আলী খান, ব্রাক ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আব্দুল মোমেনসহ আরো অনেক নির্বাহী কর্মকর্তা। এছাড়া দেশের বিভিন্ন এনজিওর চেয়ারম্যানরাও এতে উপস্থিত ছিলেন, যারা দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। উপস্থাপনার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কিত বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

  • আগামী সরকারই নেবে নতুন পে-কমিশনের সিদ্ধান্ত: অর্থ উপদেষ্টা

    আগামী সরকারই নেবে নতুন পে-কমিশনের সিদ্ধান্ত: অর্থ উপদেষ্টা

    অর্থমন্ত্রী সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, নতুন পে-কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়িত্ব আসন্ন সরকারকে প্রদান করা হবে। তিনি রোববার (৯ নভেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ এবং অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে এ কথা বলেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আইএমএফের সঙ্গে আমার চূড়ান্ত আলোচনা ১৫ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে। এই সংস্থার সাথে আমার সম্প্রতি জুমে কথাবার্তা হয়েছে, তারা জানিয়েছে আমাদের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তারা অত্যন্ত সন্তুষ্ট। তারা আমাদের চেষ্টা চালিয়ে যেতে বলেছে।

    তিনি বলেন, আইএমএফের কিছু সুপারিশ রয়েছে যেমন রাজস্ব আয় বাড়ানো, যা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ। ট্যাক্স-জিডিপি রেশিও কম হওয়ার বেশ কারণ রয়েছে, কারণ আমাদের নাগরিকরা ট্যাক্স দিতে চায় না এবং অ্যাইএমএফের কিছু সময় নষ্ট হওয়ারও কারণ আছে। এরপর, সামাজিক সুরক্ষার জন্য আরও বেশি ব্যয় করার পরামর্শ রয়েছে, বিশেষ করে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা এবং খাদ্য ক্ষেত্রে। তবে খাদ্য পরিস্থিতি বর্তমানে মোটামুটি ভালো।

    সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন, নির্বাচনের তিন মাস আগে অন্তর্বর্তী সরকারের মাধ্যমে আমরা যতটুকু কাজ করেছি সেটাকে সংহত করব। সংস্কার প্রক্রিয়া চলমান থাকবে, যেহেতু এটি একটি অব্যাহত প্রক্রিয়া। এই সংস্কারগুলো আরেকটি প্যাকেজিং করে আগামী সরকারের কাছে পৌঁছে দেব।

    তিনি উল্লেখ করেন, একজন স্বাধীন ইকনমিস্টের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে ট্যাক্সসংক্রান্ত রেকমেন্ডেশনের জন্য, যারা বিভিন্ন সুপারিশ দেবে।

    অর্থনীতি সংশ্লিষ্ট অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পে-কমিশনের ভবিষ্যত বিষয়ে। তিনি বলেন, এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না, কারণ দেখা হবে কতদুর এগোতে পারে। আগামি সরকারের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

    ব্যাংক সেক্টর সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ বলে উল্লেখ করেন সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি জানান, এই ক্ষেত্রের পরিস্থিতি শুরু হয়েছে, বাকিগুলো ধীরে ধীরে সামাল দেওয়া হবে। এসব পদক্ষেপ আগামী সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

    আইএমএফের ঋণের ষষ্ঠ কিস্তি পাওয়ার ব্যাপারে প্রশ্নে তিনি বলেন, বর্তমানে আমাদের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তারা দেখছে, রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হয়। ফেব্রুয়ারির নির্বাচনসহ পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে, তারা পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেবে।

  • দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরো বেড়েছে

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরো বেড়েছে

    দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নতুন ঘোষণাে জানিয়েছে, প্রতি ভরির ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৫০৭ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে। এই পরিবর্তন মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দেশের বাজারে তেজাবি বা পিউর গোল্ডের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় স্বর্ণের দাম সামগ্রিকভাবে নতুন দরে নির্ধারিত হয়েছে।

    নতুন দামে, ১১.৬৬৪ গ্রাম বা এক ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম দাঁড়াবে ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকা। একইভাবে, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৯৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৬৭ হাজার ১৪৫ টাকা, আর সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯৪২ টাকা।

    এর আগে, ১ নভেম্বর এক আদেশে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৬৮০ টাকা বৃদ্ধি করে ২ লাখ ১ হাজার ৭৭৬ টাকায় নির্ধারণ করেছিল বাজুস।

  • এক লাফে স্বর্ণের দাম ভরিতে ৪ হাজার টাকা বাড়ল

    এক লাফে স্বর্ণের দাম ভরিতে ৪ হাজার টাকা বাড়ল

    এক দফাতে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও প্রায় বিশাল পরিবর্তন হয়েছে। বিশেষ করে সর্বোচ্চ মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের মূল্য প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ৪ হাজার ১৮৮ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে এখন ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রাইজ দাঁড়িয়েছে ২ লাখ উচ্চতর মূল্যে।

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মঙ্গলবার এই নতুন দামের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের একটি জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যেখানে সবাই মতৈক্য পোষণ করেছেন।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামের বৃদ্ধি এবং দেশের কনজিউমার মার্কেটে অস্থিরতা বিবেচনা করে আগামী বুধবার (১২ নভেম্বর) থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হবে।

    বাজুস আরও জানিয়েছে, তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য বৃদ্ধির কারণে বিভিন্ন ক্যারেটে স্বর্ণের মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট হলমার্ক স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম দাঁড়াবে ২ লাখ ৮ হাজার ৪৪৮ টাকা। অন্য ক্যারেটের স্বর্ণের দাম হলো: ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৯ হাজার ৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৭০ হাজার ৫৩৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের মূল্য ১ লাখ ৪১ হাজার ৮৭৮ টাকা।

    এছাড়া, রুপার দামও সমন্বয় করা হয়েছে। ২২ ক্যারেটের হলমার্ক রুপার প্রতি গ্রাম এখন নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৩৬৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪৩৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার প্রতি গ্রাম ২২৩ টাকা।

    বাজুসের ঘোষণা অনুযায়ী, এই দামগুলো পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি দোকানে কার্যকর থাকবে। তবে বিক্রয় মূল্যতে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুসের নির্ধারিত সর্বনিম্ন ৬ শতাংশ মজুরির যোগ্যতা থাকতে হবে। গহনার ডিজাইন, মান ও তৈরি পদ্ধতির ভিন্নতার জন্য মজুরির পার্থক্য হতে পারে।

  • নিলামে বিক্রি হলো না উচ্চমূল্যের ৩১ বিলাসবহুল গাড়ি, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পাবে

    নিলামে বিক্রি হলো না উচ্চমূল্যের ৩১ বিলাসবহুল গাড়ি, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পাবে

    বিলুপ্ত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ সদস্যদের বিদেশ থেকে আমদানি করা ৩১টি বিলাসবহুল গাড়ি সরকারি ব্যবস্থাপনায় সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই গাড়িগুলো আগে শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি করলেও, শুল্ক ও কর পরিশোধে অবহেলা এবং মূল্যবান থাকার কারণে এগুলোর ওপর নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। তবে নিলামে গাড়িগুলোর দাবি করা মূল্য বিড না করায় এগুলো বিক্রি হয়নি। এর ফলে, এসব বিলাসবহুল গাড়ি জনস্বার্থে সঠিকভাবে ব্যবহারের জন্য পরবর্তী পরিকল্পনায় রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।