Blog

  • আ’লীগের নিজস্ব লকডাউন: হেলালের মন্তব্য

    আ’লীগের নিজস্ব লকডাউন: হেলালের মন্তব্য

    আওয়ামী লীগ এখন নিজেদেরই লকডাউন হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আজিজুল বারী হেলাল। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের ঘোষণা করা লকডাউন কর্মসূচি এখন ব্যর্থ হয়েছে, কারণ তারা নিজেই কলকাতা ও অন্যান্য বিদেশে লকডাউন অবস্থায় অবস্থান করছে। রোববার তেরখাদার সাচিয়াদাহ বাজারে এক নির্বাচনী সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। হেলাল বলেন, “ফ্যাসিস্ট মাফিয়া সরকার ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে পিছু হটছে এবং এখন ভারতে আশ্রয় নিয়েছে। সেখানে থেকে তারা অকারণভাবে জনগণের ওপর ‘লকডাউন’ ঘোষণা করছে, কিন্তু বাস্তবে তারা নিজেই বিদেশে আটকে রয়েছে।”

    তিনি আরো অভিযোগ করেন, নির্বাচনী মাঠে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখে এখন জামায়াতও কৌশল পরিবর্তন করছে। হেলাল বলেন, “জামায়াত জোড় করে ভয় দেখানোর জন্য নানা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে, কারণ তারা জানে হার মানতে হবে। তবে জনগণ এখন ভোটের দিকে মুখি, কোনো প্রকার বাধা এই নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না।”

    সাচিয়াদাহ বাজারে রাস্তা বন্ধ করে সমাবেশ করতে থাকা বিএনপি নেতাদের সমালোচনা করে হেলাল রাস্তার উপর রাখা চেয়ার-টেবিল সরিয়ে জনগণের অসুবিধা কমানোর চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, “বিএনপি কখনো জনসমাগমের উদ্দেশ্যে রাস্তা বন্ধ করে না, সব সময় জনগণের সুবিধার জন্য কাজ করে।”

    এছাড়াও, তিনি কাটেঙ্গা বাজারে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং শোনেন, রাস্তা উন্নয়ন করলে শতশত দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এই বিষয়ে হেলাল জানান, উন্নয়ন প্রয়োজন, তবে ব্যবসায়ীদের স্বার্থেও এই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, “যদি বিএনপি সরকার গঠনে আসতে পারে, তাহলে এখানে বহুতল সুপার মার্কেট নির্মাণের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসন করা হবে।”

    উপনিবেশের প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি ‘একটি বাড়ি একটি গাছ’ উদ্যোগের আওতায় বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ করেন। এই সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক খান জুলফিকার আলি জুলু, খায়রুল মোল্লা, তেরখাদা উপজেলা বিএনপি’র শাখা নেতা চৌধুরী কাওছার আলী, কামরান হাসান, বলু চৌধুরী, হাবিবুর রহমান হাবিব, নান্টা মোল্লা প্রমুখ।

    এছাড়াও, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আতাউর রহমান রনু, যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক গুলাম মোস্তফা তুহিন, আজিজুল ইসলাম, রেজাউল ইসলাম, কালাম লস্কর, এমদাদ, জাহিদ, জাহাঙ্গীর লস্কর, মফিজুল ইসলাম, সোহাগ মুন্সি, টগর, দিন ইসলাম, শফিক, জাকির, লিমন সহ শতাধিক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

  • ঘরে ঘরে ভালোবাসা দিয়ে ধানের শীষে ভোট প্রত্যাশা

    ঘরে ঘরে ভালোবাসা দিয়ে ধানের শীষে ভোট প্রত্যাশা

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে খুলনা-২ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, জনগণকে ভালোবাসা ও আন্তরিকতার মাধ্যমে মানুষকে ঘরে ঘরে পৌঁছে তাদের সমর্থন আদায় করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, এই সময় অনেক বিভ্রান্তি, হতাশা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে থেকেও একটি শুভ সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে যে, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, কিছু গোষ্ঠী ও মহল পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়, যা দেশের উন্নয়নের পথে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। এজন্য সবাইকে আরও দায়িত্বশীলভাবে ভোটের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে এবং সমাজের সকল রাজনৈতিক দলকে একসঙ্গে আঙুল তুলে একমত হয়ে রাজনীতির বিশৃঙ্খলা রুখে দিতে হবে।

  • ঝিনাইদহে প্রবাসী মাহাবুব হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার

    ঝিনাইদহে প্রবাসী মাহাবুব হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার

    ঝিনাইদহে জমি নিয়ে চলমান বিরোধের জেরে প্রবাসী মাহাবুব হত্যা মামলার প্রধান আসামি রবিউল ইসলাম ওরফে রবিকে র‌্যাব গ্রেফতার করেছে। রোববার (১৬ নভেম্বর) দিবাগত রাতে শহরের আদর্শপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত রবিউল ইসলাম সদর উপজেলার কালা গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তার এর ছেলে।

    ঝিনাইদহ র‌্যাব-৬ এর কোম্পানি কমান্ডার মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী জানান, প্রবাসী মাহাবুব হত্যা মামলার মূল আসামি রবিকে সন্ধানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আদর্শপাড়া এলাকায় অভিযান চালানো হয়। তখন তিনি পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব তাকে গ্রেফতার করে। পরে, তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় হস্তান্তর করা হয়।

    উল্লেখ্য, শনিবার সকালে কালা গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় কম্বোডিয়া প্রবাসী মাহাবুব গুরুতর কুপিয়ে আহত হন। তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে রোববার রাতে সদর থানায় ১৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০ থেকে ১২ জনের নামে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

  • খুলনায় শেখ হাসিনার ছবি ঝুলিয়ে জুতা নিক্ষেপ

    খুলনায় শেখ হাসিনার ছবি ঝুলিয়ে জুতা নিক্ষেপ

    জুলাই মাসের আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণা নিয়ে খুলনায় ব্যাপক প্রতিবাদের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। ওই সময়, ছাত্রজনতা একটি জুতা নিক্ষেপ কর্মসূচি পালন করে এবং শেখ হাসিনার প্রতিকৃতিতে জুতা ছুড়ে মারেন। এই ঘটনা ঘটার সময় অনেকে শেখ হাসিনার ছবি পদদলিত করেন।

    ১৭ নভেম্বর সোমবার দুপুর ১২টার দিকে, খুলনা মহানগরীর শিববাড়ি মোড়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণা কেন্দ্র করে ছাত্র সমাজের একটি দল জড়ো হয়। এই মামলার মধ্যে ছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন। রায় ঘোষণার সময়ে ছাত্ররা বিভিন্ন শ্লোগান দেন এবং রায়কে ঘিরে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা শেখ হাসিনার প্রতিকৃতিতে জুতা নিক্ষেপ করেন এবং তাঁর ছবিকে পদদলিত করেন।

    খুলনার এক অন্যতম নেতা হামিম রাহাত বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট খুনী হাসিনার সর্বোচ্চ শাস্তির রায় কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছাড়বো না।’ তাঁর এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি রায়ের বাস্তবায়নের জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যাবার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    অন্যদিকে, রায়কে কেন্দ্র করে খুলনায় পুরো নগরীতে কঠোর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। র‌্যাব, পুলিশ ও সেনাবাহিনী বিভিন্ন যানবাহনে তল্লাশি চালাচ্ছে এবং শহরজুড়ে টহল জোরদার করেছে।

    সোনাডাঙ্গা থানার ওসি মো. কবির হোসেন বলেন, ‘শিববাড়ি মোড়সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে আমরা চেকপোস্ট স্থাপন করেছি। সাদা পোশাকেও পুলিশ, র‌্যাব এবং সেনাবাহিনীর সদস্যরা শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে টহল দিচ্ছেন।’ এই কড়া নিরাপত্তা措施 শহরজুড়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি মাথায় রেখে নেওয়া হয়েছে।

  • কালিগঞ্জে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

    কালিগঞ্জে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

    সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনা ঘটে উপজেলার ভাড়াশিমলা ইউনিয়নের পশ্চিম নারায়ণপুর মুচিপাড়া এলাকায়। নিহত ছাত্রের নাম সায়মন ইসলাম তুর্য (১৬), তিনি ভাড়াশিমলা ইউনিয়নের মোমরেজপুর গ্রামের হতভাগ্য পুলিশ সদস্য রবিুল ইসলাম রবির ছেলে। তুর্য মোজাহার মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের diligent দশম শ্রেণির ছাত্র ছিল।

    পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সান্ত্বনা শেষ করার জন্য তুর্য তার মামার মোটরসাইকেল নিয়ে সহপাঠী সিয়াম (১৬), যিনি পূর্ব নারায়ণপুরের জাহিদুর রহমানের ছেলে, সাথে নিয়ে রোববার সন্ধ্যায় ভাড়াশিমলা চৌরাস্তার দিকে যাচ্ছিল। কিছুক্ষণ যেতে না যেতেই তারা মুচিপাড়া এলাকার রাস্তার ওপর এসে পৌঁছালে, অন্য একটি মোটরসাইকেলের সাথে তাদের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে ঘটনাস্থলাই তুর্য মারা যায়। এ সময় তার সাথে থাকা সিয়াম এবং অন্য দুটি আরোহী গুরুতর আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে কালিগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত দুজনের পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

    কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেছেন, এ দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

  • একদিনে স্বর্ণের দাম ভরিতে ৪ হাজার টাকা বৃদ্ধির ঘোষণা

    একদিনে স্বর্ণের দাম ভরিতে ৪ হাজার টাকা বৃদ্ধির ঘোষণা

    একদিনের ব্যবধানে দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও দাম বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) দামে ৪ হাজার ১৮৮ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর ফলে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ৪৭১ টাকায়। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন দামের ঘোষণা দেয়। সংস্থাটির স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সর্বসম্মতভাবে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামের বৃদ্ধির কারণে এবং দেশের বাজারে চলমান অস্থিরতা বিবেচনায়, এই দাম আগামী বুধবার (১২ নভেম্বর) থেকে কার্যকর হবে। বাজুস আরও জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধির কারণে সব ধরনের ক্যারেটে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ৪৪৮ টাকা। অন্যদিকে, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম হয়েছে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য নির্ধারিত দাম ১ লাখ ৭০ হাজার ৫৩৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৮৭৮ টাকায়। বাজুস আরও জানিয়েছে, রুপার দামেরও সমন্বয় করা হয়েছে। ২২ ক্যারেটের হলমার্ক রুপার দাম প্রতি গ্রাম নির্ধারিত হয়েছে ৪৩৬৪ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪৩৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২২৩ টাকা প্রতি গ্রাম। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না করা পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি দোকানে এই দাম বহাল থাকবে। তবে বিক্রয়মূল্যে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। গহনার ডিজাইন ও মান অনুযায়ী মজুরির তারতম্য হতে পারে।

  • নিলামে বিক্রি হয়নি, সাবেক এমপিদের ৩১ বিলাসবহুল গাড়ি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পেতে যাচ্ছে

    নিলামে বিক্রি হয়নি, সাবেক এমপিদের ৩১ বিলাসবহুল গাড়ি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পেতে যাচ্ছে

    বিলুপ্ত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ সদস্যদের বিদেশ থেকে আমদানি করা ৩১টি বিলাসবহুল গাড়ি এখন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরে হস্তান্তর করার নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। বুধবার (১২ নভেম্বর) এক বিশেষ আদেশের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআর জানায়, এই গাড়িগুলোর শুল্কমুক্ত সুবিধা নিয়ে কিছু প্রশ্ন ওঠে—বিশেষ করে বিলুপ্ত এই সংসদ সদস্যরা শুল্কমুক্ত সুবিধায় গাড়ি আমদানি করেছিলেন কিনা। চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস থেকে এর ব্যাপারে নির্দেশনা চাওয়া হয়। এর জবাবে জানা যায়, এই গাড়িগুলোর খালাসের জন্য কোনো শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রযোজ্য নয়; বরং আমদানিকারকদের সাধারণ হারে শুল্ক ও কর দিতে হবে। গত বছর ৮ ডিসেম্বর এ বিষয়ে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসকে আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা দেওয়া হয়।

    উল্লেখ্য, শুল্কমুক্ত এই ৩১টি বিলাসী গাড়ির মোট শুল্ক ও করের পরিমাণ প্রায় ২৬৯ কোটি ৬১ লাখ ৮৯ হাজার ৬০০ টাকা। এক গাড়ির সর্বোচ্চ শুল্ক পরিশোধের হার ৯ কোটি ৪৪ লাখ ৮৩ হাজার ৩০০ টাকা, আর সর্বনিম্ন শুল্ক ৮ কোটি ৬২ লাখ ৬৭ হাজার ৪০০ টাকা।

    এ কারণে, সব শুল্ক ও কর পরিশোধের পরও গাড়িগুলো আমদানিকারকরা খালাস করেনি। এ কারণে, কাস্টমস আইন, ২০২৩ এর ধারা ৯৪(৩) অনুসারে, এই গাড়িগুলো নিলামে তোলা হয়। কিন্তু নিলামকারীরা জোথযুক্ত মূল্য বিড না করায় গাড়িগুলোর বিক্রি সম্ভব হয়নি। কম দাম হওয়ার কারণে মেয়াদকালের মধ্যে বিক্রি সম্ভব হয়নি বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর এই বিষয়টি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় আলোচনা হয়, যেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, এসব অতি মূল্যবান গাড়িগুলো জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর করা হবে।

    অন্যদিকে, ভবিষ্যতে যদি আমদানিকারকরা নিয়ম মেনে সব শুল্ক ও কর পরিশোধ করে এসব গাড়ি খালাস করতে চান, তাহলে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস শুল্কায়নযোগ্য মূল্য নির্ধারণ ও আইন অনুসারে কার্যক্রম সম্পন্ন করবে। এর মাধ্যমে গাড়িগুলো আইনানুগভাবে খালাসের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    শুল্ক ও কর আদায় সম্পন্ন হলে, এই গাড়িগুলো সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। ফলে, এই বিলাসবহুল যানবাহনগুলো সরকারি কাজে ব্যবহৃত হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করা সম্ভব হবে।

  • সোনার দাম ভরিতে কমলো ৫৪৪৭ টাকায়

    সোনার দাম ভরিতে কমলো ৫৪৪৭ টাকায়

    দেশের বাজারে কয়েক দফা দাম বৃদ্ধির পর হঠাৎ করে সোনার মূল্য আবার লাফিয়ে কমে গেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আজ ঘোষণা করেছে যে, এবার থেকে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ভরিতে ৫ হাজার ৪৪৭ টাকা কমে ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে এই দাম ছিল ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা।

    বাজুসের পক্ষ থেকে শনিবার (১৫ নভেম্বর) রাতের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়, যা আগামীকাল রোববার থেকে কার্যকর হবে। স্থানীয় বাজারে সোনার চাহিদা ও বিক্রয় পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন দামের তালিকায় দেখা যায়, সবচেয়ে মানসম্পন্ন বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল্য এখন ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা। এর পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের ভরি এখন ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৯৯ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির বা ঐতিহ্যবাহী গহনা জন্য ভরি মূল্য ১ লাখ ৪১ হাজার ৭১৭ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    অন্যদিকে, এর আগে ১৩ নভেম্বর এই মূল্য ছিল ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা (সেরা মান), ২১ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ৪ হাজার টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫২০ টাকা।

    বাজুস জানিয়েছে, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের ওপর সরকার দ্বারা নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যোগ করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন, মান ও ভরাটের প্রকৃতি অনুযায়ী মজুরির দরে ভিন্নতা আসতে পারে।

    বিরতির পরও রূপার দামে কোনও পরিবর্তন আসেনি। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ২৪৬ টাকায়, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা, আর সনাতন পদ্ধতির রূপা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৬০১ টাকায়।

  • ২০২৬ সালে কত দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে জানুন

    ২০২৬ সালে কত দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে জানুন

    আগামী বছর, অর্থাৎ ২০২৬ সালে সারাদেশের তফসিলি ব্যাংকগুলো কত দিন বন্ধ থাকবে, তার বিস্তারিত তালিকা সম্প্রতি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই ছুটির দিনগুলো দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের জন্য একযোগে কার্যকর হবে।

    আজ রোববার (১৬ নভেম্বর), বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব সাইড সুপারভিশন এই ছুটির তালিকা প্রকাশ করে এবং সেটি সব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা ও প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

    নতুন তালিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে মোট ২৮ দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে। প্রথম সরকারি ছুটি হিসেবে পালিত হবে শবে বরাতের দিন, যেখানে ৪ ফেব্রুয়ারি ব্যাংক বন্ধ থাকবে। এছাড়াও, ২১ ফেব্রুয়ারির শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসেও ব্যাংক বন্ধ থাকবে। এরপর, ১৭ মার্চ শবে কদর উপলক্ষে ব্যাংক বন্ধ থাকবে।

    পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে ১৯ থেকে ২৩ মার্চ, অর্থাৎ পাঁচ দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে। এর মধ্যে দুদিন সাপ্তাহিক ছুটির দিনও রয়েছে। ঈদের দিন, ঈদের আগের দুদিন ও ঈদের পরের দুদিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে। তারপর, ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের জন্য ব্যাংক বন্ধ থাকবে।

    চৈত্র সংক্রান্তি বিশেষভাবে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলার জন্য প্রযোজ্য, ওই দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে। বাংলা নববর্ষের উপলক্ষে ১৪ এপ্রিল, মে দিবস ও বুদ্ধপূর্ণিমা উপলক্ষে ১ মে ব্যাংক বন্ধ থাকবে। এছাড়াও, ২৬ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ঈদুল আজহার ছুটিতে ব্যাংক বন্ধ থাকবে, যেখানে দুদিন সাপ্তাহিক ছুটির দিন রয়েছে।

    আশুরা, ব্যাংক হলিডে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান, ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.), জন্মাষ্টমী, দুর্গাপূজা, বিজয় দিবস, বড়দিন ও আরও কিছু দিবসের জন্য ব্যাংক বন্ধ থাকবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, বাংলাদেশ সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ৯ নভেম্বরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী এই ছুটির তালিকা কার্যকর হবে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে ব্যাংকে ছুটির দিন ছিল ২৪, ২০২৫ সালে ২৭ দিন, এবং আগামী ২০২৬ সালে তা বেড়ে দাঁড়াবে মোট ২৮ দিন।

  • সরকারের মোট ঋণ ২১ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছাল

    সরকারের মোট ঋণ ২১ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছাল

    দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রকল্প ও অর্থনীতির চাহিদার কারণে সরকারের ঋণের পরিমাণ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রথমবারের মতো, বাংলাদেশের মোট ঋণ ২১ ট্রিলিয়ন টাকা বা ২১ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত অর্থ বিভাগএর ঋণ বুলেটিনে জানানো হয়, জুনের শেষে এই পরিমাণ দাঁড়ায় ২১ দশমিক ৪৪ ট্রিলিয়ন টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ১৪ শতাংশ বেশি।

    বিশেষ করে, বৈদেশিক ঋণের আনুপাতিক অংশ বাড়ছে। সেটি এখন ৯ দশমিক ৪৯ ট্রিলিয়ন টাকা, যা মোট ঋণের ৪৪ দশমিক ২৭ শতাংশ। গত পাঁচ বছরে বৈদেশিক ঋণ আস্তে আস্তে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০২১ সালে এর পরিমাণ ছিল ৪ ট্রিলিয়ন টাকা, যা মোট ঋণের প্রায় ৩৭ শতাংশ।

    অভ্যন্তরীণ ঋণও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। গত অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল ১০ দশমিক ৭৬ ট্রিলিয়ন টাকা, যা এখন বেড়ে ১১ দশমিক ৯৫ ট্রিলিয়ন টাকা দাঁড়িয়েছে। ২০২১ সালে অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ ছিল ৭ দশমিক ২২ ট্রিলিয়ন টাকা।

    পরিসংখ্যান বলছে, বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ অভ্যন্তরীণ ঋণের থেকে দ্বিগুণেরও বেশি। এই ঋণ বৃদ্ধি বা কারণ হিসেবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন, করোনার মহামারির পর উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলো থেকে পাওয়া বাজেট সহায়তা এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, ঢাকা মেট্রো রেল, মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ বড় বড় প্রকল্পে বেশকিছু ব্যয়।