Blog

  • চার ঘণ্টার ব্যবধানে দুই সাবেক সংসদ সদস্যের মৃত্যু

    চার ঘণ্টার ব্যবধানে দুই সাবেক সংসদ সদস্যের মৃত্যু

    সোমবার দিবাগত রাত ১১টার পরে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার কৈজুরি গ্রামে নিজের বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম তালুকদার। তিনি দীর্ঘ দিন ধরে বিভিন্ন সমাজসেবা ও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। নুরুল ইসলাম ছিলেন দুইবারের সংসদ সদস্য, এর আগে তিনি বৈধভাবে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ সালের নির্বাচনে তিনি সিরাজগঞ্জ-৬ আসন থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে সংসদে নির্বাচিত হয়ে এলাকার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। তিনি এক স্ত্রী, এক ছেলে ও তিন মেয়ে রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে স্থানীয়রা, রাজনৈতিক দল এবং সামাজিক সংগঠনগুলো গভীর শোক প্রকাশ করেছে।

    অভিনন্দন, চার ঘণ্টা আগে ভোরের দিকে বরগুনা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মতিউর রহমান তালুকদারও মারা গেছেন। তিনি মারা যান রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়। মতিউর রহমান ছিলেন ১৯৮৮ সালে চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনা-৩ (আমতলী-তালতলী) আসন থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের লড়াইয়ে অংশ নেন, কিন্তু পরাজিত হন। ২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে ওই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তিনি ওই নির্বাচনে বিপুল ভোটে জিততে পারেননি, বরং শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মাত্র সাড়ে তিন হাজার ভোটে হেরে যান। এরপর তিনি বরগুনা-৩ আসনের এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং রাজনৈতিক জীবনে সক্রিয় ছিলেন। তবে এবারের নির্বাচনে তিনি বিএনপির মনোনয়ন পাননি। তার মৃত্যুতে স্থানীয় ও রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

  • আজও ট্রাইব্যুনাল এলাকায় কড়া নিরাপত্তাজোড়ালো নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায়, আদালতের আশপাশে সচেতনতা বৃদ্ধি

    আজও ট্রাইব্যুনাল এলাকায় কড়া নিরাপত্তাজোড়ালো নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায়, আদালতের আশপাশে সচেতনতা বৃদ্ধি

    জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতা থেকে সরানো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করা পরদিনেও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথেষ্ট কড়া ছিল। আজ মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) ভোর থেকেই ট্রাইব্যুনাল এবং এর আশপাশের সড়কগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্রিয় উপস্থিতি দৃশ্যমান হয়। হাইকোর্টের প্রধান গেটের কাছাকাছি পৌঁছালে চোখে পড়ে সীমান্ত গার্ড বাংলাদেশের সদস্যদের সতর্ক অবস্থান। এরপর ট্রাইব্যুনালের মূল গেটের দিকে এগোতে দেখা যায়, সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া যান মোতায়েন এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যরা নিয়মিত টহল দিচ্ছেন। ট্রাইব্যুনালের অভ্যন্তর ও বাইরে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছেন। গতকাল সোমবার (১৭ নভেম্বর) রায় ঘোষণার পর, মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনার পাশাপাশি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানও মৃত্যুদণ্ড পেয়েছেন। একই মামলায় পুলিশ বাহিনীর সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার পর থেকে রাজধানীর এই অঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন বাহিনীর যৌথ উপস্থিতি আরও বাড়ানো হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য, এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

  • ২০ জন শ্রমিকের সম্মতিতে ট্রেড ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠার সুযোগ gains

    ২০ জন শ্রমিকের সম্মতিতে ট্রেড ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠার সুযোগ gains

    সরকার আজ (১৭ নভেম্বর) শ্রম আইন সংশোধন করে একটি নতুন অধ্যাদেশের গেজেট জারি করেছে, যা ২০ জন শ্রমিকের সম্মতিতে ট্রেড ইউনিয়ন গঠন করার সুবিধা প্রদান করে। লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ এই নতুন আইনটি জারি করে বলেছে, এখন কোনও প্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে ২০ জন শ্রমিক একত্রিত হয়ে ট্রেড ইউনিয়নের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এই নতুন বিধান অনুযায়ী, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক সংখ্যা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সংখ্যক শ্রমিকের সম্মতির ভিত্তিতে ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধন দেওয়া হবে। যেমন, শ্রমিক সংখ্যা ২০ থেকে ৩০০ হলে অন্তত ২০ জনের সম্মতি; ৩০১ থেকে ৫০০ জন হলে ৪০ জন; ৫১ থেকে ১৫০০ জন হলে ১০০ জন; ১৫০১ থেকে ৩০০০ জন হলে ৩০০ জন; এবং ৩০০১ জনের বেশি হলে ৪০০ জনের সম্মতিতে ট্রেড ইউনিয়ন গঠন করা যাবে। এই পরিবর্তনের ফলে আগের আইনকে হার মানিয়ে এখন সর্বনিম্ন ২০ শ্রমিকের সম্মতিতে ট্রেড ইউনিয়নের গঠন সম্ভব হলো। এর মাধ্যমে শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়ার অধিকার আরও সুসংহত হলো এবং শ্রম আইনকে যুগোপযোগী করে তোলা হলো বলে জানানো হয়েছে। আইএলও এর চাহিদা ও আন্তর্জাতিক মানানসইভাবে এ সংশোধনী করা হয়েছে। উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেন, এই সংশোধন শ্রমিক এবং মালিক উভয়ের জন্য ভারসাম্যপূর্ণ ও আধুনিক আইন প্রতিষ্ঠায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যা শ্রম আইনকে বিশ্বমানের করে তুলবে। পাশাপাশি, নতুন আইনে গৃহকর্মী ও নাবিকসহ অন্যান্য শ্রমিকদেরও শ্রম আইনের আওতায় আনা হয়েছে। শ্রমিকদের ব্ল্যাক লিস্টিং নিষিদ্ধ, নারী শ্রমিকদের মাতৃত্বকালীন সুবিধা বৃদ্ধি এবং যৌন হয়রানি প্রতিরোধের জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একইসাথে, একই কাজের জন্য নারী ও পুরুষ শ্রমিকের বেতন বৈষম্য নিষিদ্ধ ও শ্রমিকদের বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর করা হয়েছে। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকের পুনর্বাসন এবং চিকিৎসার জন্য তহবিল গঠনের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিশেষ করে ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, যা শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়ার অধিকারকে আরো সুগম করবে। উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানান, এই সংশোধনীতে শিল্প কারখানায় বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়াও উন্নত করা হয়েছে, যা শ্রমিক, মালিক, ও সরকারের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখবে।

  • ৫ ব্যাংক একীভূত করার সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জে হাইকোর্টে রিট

    ৫ ব্যাংক একীভূত করার সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জে হাইকোর্টে রিট

    সংকটে পড়া পাঁচটি বেসরকারি ব্যাংক একীভূত করার সরকারের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সাধারণ বিনিয়োগকারীর পক্ষে ব্যারিস্টার মাহসিব হোসাইন এ রিট আবেদন করেন। রিটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থসচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি একীভূতকরণ প্রক্রিয়াটির গুরুত্বপূর্ণ বিবাদী করা হয়েছে।

    ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসের ৯ তারিখে সংকটে পড়া এই পাঁচ ব্যাংকের একীভূতির প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। ব্যাংকগুলো হলো- ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামিক ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামিক ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামিক ব্যাংক। এই পাঁচটি ব্যাংকের সফল একীভূতির মাধ্যমে একটি শরিয়াহভিত্তিক নতুন ব্যাংক গঠনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

    নতুন ব্যাংকের জন্য দুটি নাম প্রস্তাব করা হয়েছে— ‘ইউনাইটেড ইসলামিক ব্যাংক’ এবং ‘সম্মিলিত ইসলামিক ব্যাংক’। এই ব্যাংকটি বাণিজ্যিক দিক থেকে পরিচালিত হবে পেশাদারিত্ব ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে।

    সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ মূল ঘোষণায় কেউ চাকরি হারাবেন না এবং কোনো আমানতকারী তার টাকা হারাবেন না। প্রাথমিকভাবে নতুন ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ধরা হয়েছে ৪০ হাজার কোটি টাকা, যা পরিশোধিত মূলধন হবে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এই ব্যাংকটি গঠন ও পরিচালনার জন্য পাঁচটি ব্যাংকের সব দায়-দায়িত্ব ও সম্পত্তি গ্রহণ করা হবে।

    ফান্ডিং এর জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হবে। এর মধ্যে ১০ হাজার কোটি টাকা নগদে প্রদান এবং বাকি ১০ হাজার কোটি টাকা সুকুক বন্ড ছাড়ার মাধ্যমে সংগৃহীত হবে।

    সুকুক হলো শরিয়াহভিত্তিক ইসলামি বন্ড, যা সুদভিত্তিক বন্ডের বিকল্প। এটি আরবি শব্দ, যার অর্থ হলো আইনি চুক্তিপত্র।

    এ ছাড়াও প্রাতিষ্ঠানিক আমানতকারীদের শেয়ার দিয়ে মোট ১৫ হাজার কোটি টাকা মূলধনে রূপান্তর করা হবে বেইল-ইন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, যাতে করে মানহীন ঋণ পরিশোধের পরিবর্তে বিনিয়োগকারীরা শেয়ার ধারণ করেন। পরবর্তীতে রেজল্যুশন পরিকল্পনা অনুসারে এটি টাকা হিসেবে ফেরত দেয়া হবে আমানতকারীদের।

    প্রাথমিকভাবে, এই ব্যাংকটি সরকারি মালিকানায় থাকবে। তবে ধাপে ধাপে তা বেসরকারি খাতের হাতে হস্তান্তর করা হবে। সরকারের পরিকল্পনায় রয়েছে, পাঁচ বছরের মধ্যে এই ব্যাংকটি সম্পূর্ণ বেসরকারি খাতে চলে যাবে।

    ব্লকচেইন ও একীকরণ প্রক্রিয়ায় এই ব্যাংকের রূপান্তরটি নির্ভরযোগ্যতা ও স্থায়ীত্ব নিশ্চিত করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, এই সিদ্ধান্তের ফলে গ্রাহকদের মধ্যে আতঙ্ক কমবে এবং ক্ষুদ্র আমানতকারীদের টাকা দ্রুত ফেরত দেয়া সম্ভব হবে।

  • সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, সতর্ক থাকুন

    সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, সতর্ক থাকুন

    আবহাওয়া অধিদফতর আগামী শনিবারের মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। এর ফলস্বরূপ সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) আবহাওয়াবিদ শাহানাজ সুলতানার দেয়া পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়।

    সরকারি সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, আগামী শনিবার (২২ নভেম্বর) পর্যন্ত এই অঞ্চলে একটি লঘুচাপ গঠনের সম্ভাবনা রয়েছে, যা পরে আরও ঘনীভূত হতে পারে। পাশাপাশি, বর্তমানে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে এবং এর বিস্তৃতি উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত फैला রয়েছে। এ সব কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার জনতাদের সতর্ক থাকার নির্দেশনা জারি হয়েছে।

    আগামী বুধবার (১৯ নভেম্বর) সকাল ৯টার মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আংশিক মেঘলাসহ সাধারণত শুষ্ক আবহাওয়া থাকতে পারে। ভোরের দিকে কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা দিতে পারে। রাত ও দিন উভয় الوقتেই তাপমাত্রা আগের মতোই থাকতে পারে।

    বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত আকাশের কিছু অংশে মেঘের আধিকার থাকতে পারে এবং আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    ওই দিনই, শুক্রবার (২১ নভেম্বর), সকাল ৯টার পরে ২৪ ঘণ্টার জন্য আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।

    সর্বশেষ, শনিবার (২২ নভেম্বর) সকাল ৯টার থেকে ২৪ ঘণ্টার জন্য আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে, এবং সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।

  • বর্ষীয়ান অভিনেত্রী ভদ্রা বসু মারা গেছেন

    বর্ষীয়ান অভিনেত্রী ভদ্রা বসু মারা গেছেন

    অভিনেত্রী ও নির্মাতা ভদ্রা বসু, যিনি পার্শ্ব বাংলার নাট্য থেকে বড় পর্দা পর্যন্ত বিভিন্ন মাধ্যমে অসাধারণ অভিনয় দক্ষতা দেখিয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন, আর নেই। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) রাতে কলকাতার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল প্রায় ৬৫ বছর।

    ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সাম recente কিছুদিন ধরে গুরুতর শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন এই প্রখ্যাত অভিনেত্রী। শুরুতে তার গলব্লাডারে স্টোন ধরা পড়লেও, অতিরিক্ত রক্তচাপ এবং হৃদরোগের কারণে তাৎক্ষণিক অস্ত্রোপচার সম্ভব হয়নি। চিকিৎসকেরা ওষুধের মাধ্যমে সমস্যা সামলানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

    কিন্তু পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে উঠে যখন হঠাৎ করে তিনি ঘরে পড়ে যান এবং মাথায় আঘাত পান। তাকে প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, এর কিছু পরে তাকে কলকাতার বিখ্যাত এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

    সেখানে তার মস্তিষ্কে জটিল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। সেই সময় তার কিডনির সমস্যাও দেখা দেয়, যা চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়। অবশেষে শুক্রবার রাতে তিনি চলে যান।

    ভদ্রা বসু ছিলেন প্রখ্যাত নাট্য নির্দেশক ও অভিনেতা অসিত বসুর সহধর্মিণী। মঞ্চ ও ক্যামেরার সামনে তাঁর অভিনয় ছিল অসামান্য। সম্প্রতি তিনি বেশ কিছু চলচ্চিত্রেও কাজ করেছিলেন। সেগুলির মধ্যে সুমন মুখোপাধ্যায়ের ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’ এবং অনিলাভ চট্টোপাধ্যায়ের ‘বেলা’ ছবিতে তার অভিনয় দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছিল।

  • অভিনেত্রী মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

    অভিনেত্রী মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

    ঢাকার একটি আদালত মডেল ও অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। मामला হলো, পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখার বিনিময়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ, হুমকি, ধামকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে এই গ্রেপ্তারি নির্দেশ দেয়া হয়। মেহজাবীন ও তার ভাই আদালতে উপস্থিত না থাকায়, ১০ নভেম্বর ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ আফরোজা তানিয়া তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। একইসঙ্গে, তাদের গ্রেপ্তার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৮ ডিসেম্বর তারিখ ধার্য করা হয়। পুলিশ ও মামলার সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই মামলার বাদী তাদের পারিবারিক ব্যবসায় অংশীদার করার নামে প্রচুর অর্থ সরিয়ে নেয়। তিনি বিশ্বাস করেন, তাদের সঙ্গে দীর্ঘদিন পরিচয় ও প্রলোভনের মাধ্যমে এই চুক্তি হয়, যেখানে তিনি নগদ অর্থ ও বিকাশে মোট ২৭ লাখ টাকা দেন। কিন্তু পরে দেখানো হয় যে, তারা অর্থের উন্নয়ন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করেননি। বাদী বারবার টাকা ফেরত চাওয়া শুরু করলে, মেহজাবীন ও তার ভাই দীর্ঘ সময় এড়িয়ে যায়। ঘটনা ঘটে ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে, যখন বাদী টাকা চাইতে গেলে, তাদের কথায় প্রকাশ পায় অশোভন ভাষা ও ভয়ভীতি। বিষয়টি পুলিশ ও আদালতের নজরে এলে, মামলার এজাহার হয় যে, তারা বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এই জন্য, মামলাটি দায়ের করেন নিযুক্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা এমিরুল ইসলাম। এখন গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পাশাপাশি ভবিষ্যতে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য অপেক্ষা করছে আদালত।

  • মেহজাবীন মুখ খুলেছেন প্রতারণা ও প্রাণনাশের হুমকি মামলায়

    মেহজাবীন মুখ খুলেছেন প্রতারণা ও প্রাণনাশের হুমকি মামলায়

    জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী পরে তার ভাই আলিসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে ঢাকার এক আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। এই মামলা মূলত অর্থ আত্মসাৎ, প্রাণনাশের হুমকি ও ভীতিপ্রদানের অভিযোগে দায়ের করা হয়। বিচারক আফরোজা তানিয়া এ বিষয়ে এই আদেশ দেন।

    অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি খবরটি প্রকাশিত হওয়ার পর তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তিনি বলেন, এই মামলাটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। এটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গুজব ছড়ানোর একটি কুশীলবের কাজ বলে মনে করেন।

    এক পোস্টে মেহজাবীন লিখেছেন, ‘আমি মেহজাবীন চৌধুরী। সম্প্রতি একটি ভুয়া ও মিথ্যা মামলার সংবাদ দেখে আমি খুবই বিস্মিত। আমি নিশ্চিত, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করার জন্য কিছুর অপপ্রচেষ্টা। আমি কোনো ব্যবসায়িক কার্যক্রমে যুক্ত নই, যেখানে আইন লঙ্ঘনের প্রশ্ন ওঠে। যারা এই ভিত্তিহীন মামলাটি করেছেন, আমি তাদের চিনি না এবং আমি জানি না তারা কারা। আমার পরিচিতরা জানেন, আমি কেবলমাত্র আমার অভিনয় ও পেশাগত দায়িত্বে বিশ্বাসী।

    পাশাপাশি তিনি বলেন, ‘একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমি দেশের আইন ও নিয়ম মেনে চলি। আমার আইনজীবী ইতোমধ্যে উপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন, যাতে এই ধরনের গুজব বন্ধ হয় এবং ভবিষ্যতে কেউ এই ধরণের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা চালাতে না পারে।’

    মেহজাবীন আরও বলেন, ‘একজন শিল্পী ও নাগরিক হিসেবে আমি সবসময় দেশের আইন, মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়িত্ব পালন করে এসেছি। দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় ধরে আমি মিডিয়ায় কাজ করে থাকি, যা আমার দর্শক, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের দ্বারা স্বীকৃত।’

    সবশেষে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে অনুরোধ জানান, ‘ভিত্তিহীন তথ্য যাচাই না করে প্রকাশ করবেন না। আমার সকল শুভাকাঙ্ক্ষী ও ভক্তদের বলছি—আপনাদের ভালোবাসা ও আস্থা আমার জন্য সবচেয়ে বড় প্রেরণা। বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে বিরত থাকুন, সত্যের পাশে থাকুন।’

  • অবশেষে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন মেহজাবীন

    অবশেষে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন মেহজাবীন

    বিগত বিভিন্ন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন অভিনেত্রী ও মডেল মেহজাবীন চৌধুরী। ঘটনার সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক ব্যবসার অংশীদার হিসেবে রাখতে দাবি করে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। এই মামলায় মেহজাবীনচৌধুরী ও তার ভাই আলিসান চৌধুরী আজ (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর সামনে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করেন। শুনানি শেষে আদালত উভয়কে জামিনের আদেশ দেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী খোরশেদ আলম নিশ্চিত করেছেন, বিষয়টি বিচারকের খাস কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। মামলা সূত্র জানায়, আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে মামলার বাদীর সঙ্গে পরিচিত। বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে মেহজাবীন ও তার ভাইয়ের পক্ষ থেকে নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে তাদের রেখে দেওয়ার নাম করে নগদ অর্থ ও বিকাশের মাধ্যমে একের পর এক টাকা গ্রহণ করে। টাকা নেওয়ার পর থেকে তারা বেশ কিছু দিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু না করায় বাদী বারবার টাকা ফেরত চাওয়ায় তারা বারবার এড়ানো বা কালক্ষেপণ করে। শেষ পর্যন্ত, ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে টাকা ফেরতের জন্য গেলে, ওই দিন তারা জীবননাশের হুমকি দিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে। জোরপূর্বক ভয়ভীতি দেখিয়ে, তার ওপর হামলার চেষ্টা চালানো হয়। ঘটনার পর বাদী ভাটারা থানায় অভিযোগ করলে, পুলিশ আদালতে মামলার জন্য নির্দেশ দেয়। মামলার বিবরণে জানা যায়, বাদী আমিরুল ইসলাম নিজে এই ঘটনায় জড়িত হয়ে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পৃথক এক আইনগত মামলা দায়ের করেন, যেখানে তিনি উল্লেখ করেন, কিছু অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি ও মেহজাবীন চৌধুরী তাঁর প্রতি হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন চালিয়ে আসছিল। এ ঘটনায় তদন্ত শেষে আদালত মামলার শুনানি ও পরবর্তী ব্যবস্থা নিচ্ছেন।

  • শাওনের দাবি, বুলডোজার নিয়ে যাওয়ার দলকে ‘রাজাকার’ আখ্যা

    শাওনের দাবি, বুলডোজার নিয়ে যাওয়ার দলকে ‘রাজাকার’ আখ্যা

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজন আসামির বিরুদ্ধে জুলাই মাসে অগাস্টের অগ্নিসংযোগ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায়ের দিন ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে আরও দুটি বুলডোজার এনে হতদরিদ্র ও রাজনৈতিক অধিকারবঞ্চিত মানুষের মধ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি করা হয়েছে। সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ট্রাকে করে দুটি বুলডোজার নিয়ে সেখানে উপস্থিত হন ওই দলের কিছু তরুণ। তাদের সঙ্গে হাতে মাইক নিয়ে উপস্থিত ছিল কয়েকজন সক্রিয় কর্মী, যারা শ্লোগান দিচ্ছিলেন। তারা জানিয়েছে, ‘রেড জুনির’ নামে এক সংগঠনের পক্ষ থেকে এই বুলডোজার নিয়ে আসা হয়েছে।

    অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন এই ঘটনা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘৩২ নম্বরের সেই বুলডোজার নিয়ে যাওয়া দলকে আমি রাজাকার বলছি। এই ধানমন্ডির বাড়িকে নিয়ে যারা এমন অপপ্রচার চালাচ্ছেন, তারা আসলে বাংলাদেশের ইতিহাসের অপসরল অংশ। বারবার ভেঙে, আগুন দিয়ে এই বাড়িকে পুড়িয়ে দেওয়ার পরেও আমাদের বুকের গভীরে সেই স্মৃতি অক্ষত রয়েছে, যা কখনো ভুলে যাওয়ার নয়। এই বাড়ির প্রতিটা ধূলিকণাই বাংলাদেশের সংগ্রামের সাক্ষ্য বহন করে। রাজাকার বাহিনী, তুমি কি কখনও এর মানে বুঝবে?’

    শাওন এই পোস্টে হ্যাশট্যগ হিসেবে যোগ করেছেন #তুইথরাজাকার এবং #ধানমন্ডি৩২।

    এর আগে, ২০২২ সালের অাগষ্টে শেখ হাসিনা দেশ ত্যাগ করার পর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িতে হামলা চালিয়ে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার ছয় মাস পরে, ২০২৩ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি, ‘বুলডোজার অভিযান’ নামে এক কর্মসূচির মাধ্যমে ঐ বাড়িটি ভেঙে ফেলা হয়। হাজার হাজার মানুষ এই আন্দোলনে অংশ নেন, যারা বাড়ির আঙিনায় জড়ো হয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেয়। রাতের অন্ধকারে ক্রেন আর এক্সক্যাভেটর দিয়ে বাড়িটি ভাঙার কাজ শুরু হয়, সময় দিয়ে অনুযায়ী ঐ তিন তলা বাড়ির বেশ কিছু অংশ ভেঙে ফেলা হয়।

    একপর্যায়ে সেনাবাহিনীর সদস্যরা সেখানে উপস্থিত হলেও, সাধারণ ছেলেমেয়েরা ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেওয়ায় তারা দ্রুত সেখান থেকে সরে যায়। মধ্যরাতে মাইক থেকে গান বাজানো হয় এবং কয়েকজন নাচতেও দেখা যায়। পরবর্তীতে পুরো বাড়িটি ভেঙে ফেলা হয়, তবে সরকারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা স্বচক্ষে অবস্থিত ছিল সেই সড়কে।