Blog

  • বর্ষীয়ান অভিনেত্রী ভদ্রা বসু আর নেই

    বর্ষীয়ান অভিনেত্রী ভদ্রা বসু আর নেই

    অভিনেত্রী ও পরিচালক ভদ্রা বসু, যিনি কলকাতার মঞ্চ থেকে শুরু করে বলিউড-সহ ভারতের বিভিন্ন সিনেমায় অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে অভিনয় করেছেন, তার জীবনাবসান ঘটেছে। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) রাতে তিনি কলকাতার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল আনুমানিক ৬৫ বছর।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বেশ কিছু দিন ধরেই তিনি গুরুতর শারীরিক অসুস্থতার শিকার ছিলেন। প্রথমে তার গলব্লাডারে স্টোন ধরা পড়েছিল, তবে উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদরোগের কারণে দ্রুত অস্ত্রোপচারের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়নি। এর পরিবর্তে চিকিৎসকরা ওষুধের মাধ্যমে সমস্যা কমানোর চেষ্টা চালাচ্ছিলেন।

    কিন্তু তার শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়, যখন হঠাৎ করে তিনি ঘরে পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পান। প্রথমে তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় দ্রুত তাকে কলকাতার বিখ্যাত এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

    সেখানে তার মস্তিষ্কে জটিল অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করা হয়। এর পাশাপাশি কিডনির সমস্যাও দেখা দেয়, যার জন্য তার চিকিৎসায় আরও জটিলতা সৃষ্টি হয়। অবশেষে, সব প্রচেষ্টার পরও শুক্রবার রাতে তিনি মারা যান।

    ভদ্রা বসু ছিলেন প্রখ্যাত নাট্য নির্দেশক ও অভিনেতা অসিত বসুর সহধর্মিণী। তার মঞ্চ এবং সিনেমার ক্যারিয়ার ছিল বেশ প্রসারিত। তিনি অনেক শর্টফিল্ম ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। সম্প্রতি তিনি সুমন মুখোপাধ্যায়ের ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’ এবং অনিলাভ চট্টোপাধ্যায়ের ‘বেলা’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করেন। তার এই অকাল প্রয়াণ শোকের ছায়া নেমে এসেছে শিল্পকালো জগতের বিভিন্ন স্তরে।

  • অভিনেত্রী মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

    অভিনেত্রী মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

    ঢাকার একটি আদালত মডেল ও অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মামলার শুনানির সময় তাদের আদালতে হাজির না হওয়ায় জারি করা হয়েছে। গত ১০ নভেম্বর ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর এক আদেশে ওই পরোয়ানা জারি করেন। তা ছাড়া, মামলার তদন্তের জন্য আগামী ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের জন্য তামিল প্রতিবেদন দাখিলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

    মামলার সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে পরিচয়ের সুবাদে বাদী ও অজানা ব্যক্তিরা মেহজাবীন ও তার ভাইকে নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখতে নানা প্রলোভন দেখান। সেই সুবাদে বাদী নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে মোট ২৭ লাখ টাকা দেন। তবে, দীর্ঘদিন পার হয়ে গেলেও, মেহজাবীন ও তার ভাই ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করেননি। টাকা ফেরত চাইতে গেলে তারা নানা অজুহাত দেন।

    ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে অর্থ ফেরত চাইতে গেলে, তারা রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে ডেকে নিয়ে বাদীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং তার জীবনের ক্ষতি করার হুমকি দেয়। এ ঘটনায় ট্রাইবাল থানায় মামলা দায়েরের পর, আদালত মামলাটি গ্রহণ করেন এবং মামলা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, দীর্ঘদিন টাকা ফেরত না দেওয়ায় এর জন্য আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হন বাদী। সংক্ষেপে, এই মামলায় মেহজাবীন ও তার ভাইকে দ্রæত গ্রেপ্তার করা বা বিপজ্জনক অবস্থায় থাকা মামলার অন্যতম লক্ষ্য।

  • প্রতারণা ও প্রাণনাশের হুমকি মামলায় মুখ খুললেন মেহজাবীন

    প্রতারণা ও প্রাণনাশের হুমকি মামলায় মুখ খুললেন মেহজাবীন

    জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই আলিসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে ঢাকার একটি আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। এই মামলা মূলত অর্থ আত্মসাৎ, প্রাণনাশের হুমকি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে দায়ের হয়েছে। আদালতের বিচারক আফরোজা তানিয়ার গঠিত এই আদেশের মাধ্যমে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে কার্যদিবসের জন্য গ্রেফতারি ঘটনা জারি করা হয়েছে।

    গুপ্তচরবৃত্তির এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর, সামাজিক মাধ্যমে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন মেহজাবীন। তিনি বলেন, এই মামলাটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গুজব। তিনি অভিযোগ করেন, এই ধরনের অপপ্রচার ব্যবসায়িক স্বার্থের উদ্দেশ্যে ছড়ানো হচ্ছে।

    অভিনেত্রীর পক্ষ থেকে সামাজিকমাধ্যমে এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আমি মেহজাবীন চৌধুরী। আজ আমি একটি ভুয়া ও মিথ্যা মামলার সংবাদ দেখে খুবই বিস্মিত। এই মামলাটি ভিত্তিহীন এবং কেবল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গুজব। আমি কোনও ধরনের অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত নই। যারা এই ভিত্তিহীন মামলা করেছেন, আমি তাদের সরাসরি চিনি না। আমার কাছে যারা আমাকে জানেন, তারা জানেন আমি সৎভাবে কেবলমাত্র আমার অভিনয় ও পেশাগত দায়িত্বে নিবেদিত। আমি এমন কোনো ব্যবসায়িক কাজে যুক্ত নই যেখানে আইনি জটিলতার মুখোমুখি হতে হয়।’

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমি দেশের আইন, নিয়ম ও সামাজিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। ইতোমধ্যেই আমার আইনজীবী এই বিষয়টি নিয়ে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন, যেন এ ধরনের গুজব ও মিথ্যা প্রচারণা বন্ধ হয় এবং ভবিষ্যতে কেউ এরকম অপপ্রচার করতে না পারে।’

    মেহজাবীন আরও বলেন, ‘একজন শিল্পী ও সচেতন নাগরিক হিসেবে আমি সবসময় দেশের আইন, নীতি ও সামাজিক মূল্যবোধের প্রতি সম্মান দেখাই। দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় ধরে আমি মিডিয়ার সাথে যুক্ত আছি, পরিশ্রম ও আন্তরিকতার সাথে কাজ দিয়ে দর্শকের আজকের স্থান তৈরি করেছি। আমার এই আত্মবিশ্বাস ও পেশাদারিত্বের স্বীকৃতি আপনারা দেন।’

    সর্বশেষ তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশ্যে বললেন, ‘আমি অনুরোধ জানাই, ভিত্তিহীন কোনো তথ্য যাচাই না করে প্রকাশ করবেন না। আমার সকল শুভাকাঙ্ক্ষী, ভক্ত ও বন্ধুদের বলবো— আপনারা আমার সবচেয়ে বড় শক্তি, তাই বিভ্রান্তি না ছড়িয়ে সত্যের পক্ষে থাকুন এবং এই গুজবের বিরুদ্ধেও সচেতন থাকুন।’

  • অভিনেত্রী মেহজাবীন আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন

    অভিনেত্রী মেহজাবীন আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন

    পারিবারিক ব্যবসার অংশীদার হিসেবে রাখার বিনিময়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় আলোচনা ছিল বেশ চাঞ্চল্যকর। দিনটি ছিল রোববার, ১৬ নভেম্বর, যখন ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩-তে ঢাকার আদালতের মাধ্যমে মেহজাবীন চৌধুরী নিজেই আত্মসমর্পণ করেন এবং তিনি জামিন লাভ করেন। একইসঙ্গে তার ভাই আলিসান চৌধুরীকেও জামিন দেন আদালত।

    অভিনেত্রীর এই জামিনের খবর জাতীয় মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, যা বেশ আলোচনার জন্ম দেয়। আদালতের মতে, তাঁরা আইনানুগ বিষয়ে আত্মসমর্পণ করেন এবং জামিনের জন্য আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী খোরশেদ আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তাকে বলেছেন, এই জামিন শুনানি ব্যক্তিগত কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রথমে জানা গেছে, মামলার জন্য আসামিদের আদালতে হাজির হওয়ার সময় নির্ধারিত ছিল। তবে, মেহজাবীন ও তার ভাই আলিসান আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয় ১০ নভেম্বর, যা এখনো কার্যকর। তাদের বিরুদ্ধে আরও তামিল প্রতিবেদনের জন্য আগামী ১৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে।

    মামলার সূত্রে জানা গেছে, বাদী দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত থাকার সুবাদে, বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে, নগদ অর্থ এবং বিকাশ ব্যাংকের মাধ্যমে মোট সাতাশ লাখ টাকা জামিনের বিনিময়ে পরিবারিক ব্যবসায় পার্টনার হিসেবে রাখার প্রস্তাব দেন। কিন্তু পার্টনার হিসেবে রাখতে গেলে, তারা দীর্ঘদিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করেননি। টাকা চাইতে গেলে, তারা বিভিন্ন সময় টাকার জন্য দেরি করে।

    গত ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে, টাকা চাওয়ার জন্য গিয়ে, বাদী ওই দিন একটি রেস্টুরেন্টে ডেকেছিলেন। সেখানে গেলে, মেহজাবীন ও তার ভাইসহ আরও ৪ থেকে ৫ জন অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করে ও জীবননাশের হুমকি দেয়। তারা বলেছে, ‘অতএব, তুই আমাদের বাসায় টাকা চাইতে যাবি না,’ এবং শত্রুতা প্রকাশ করে বলেছে, ‘আমাদের সামনে দেখা করলে মারবো। এসব কথা বলে তাদের জীবনভয় ও ভয়ভীতি দেখানো হয়।

    এই ঘটনার পর, সংশ্লিষ্ট ভাটারা থানায় যায় বাদী, একে মামলা হিসেবে নিবন্ধন করে। মামলায় বাদী অভিযোগ করেন যে, তাঁকে মারধর ও হুমকি দেওয়া হয়েছে, যা শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি সাধন করে। মামলা দায়েরের পর, তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং বিচারের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।

  • শাওনের মন্তব্য: ৩২ নম্বরের বুলডোজার বাহিনীকে ‘রাজাকার’ আখ্যা

    শাওনের মন্তব্য: ৩২ নম্বরের বুলডোজার বাহিনীকে ‘রাজাকার’ আখ্যা

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে জুলাইয়ে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার দিন, ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িতে ফের দুটি বুলডোজার আনা হয়েছে। সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ট্রাকের মাধ্যমে এই দুটি বুলডোজার সেখানে নিয়ে আসা হয়। ওই সময় ট্রাকের উপরে হাতে মাইক নিয়ে কয়েকজন তরুণ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। তাদের পরিচয় জানতে চাইলে একজন জানান, ‘রেড জুলাই’ নামে এক সংগঠন এই বুলডোজার দুটি আনা হয়েছে।

  • সোহানের দ্রুততম সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ জেতল এশিয়া কাপের ম্যাচ

    সোহানের দ্রুততম সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ জেতল এশিয়া কাপের ম্যাচ

    ক্রিকেটের লিস্ট এ সংস্করণে বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটি আগেই গড়েছিলেন হাবিবুর রহমান সোহান। এবার টি-টোয়েন্টি সংস্করণেও দেশের ব্যাটারদের মধ্যে সবচেয়ে কম বলে তিন অঙ্কের মাইলফলক ছোঁয়ার কীর্তি অর্জন করলেন এই টপ অর্ডার ব্যাটার।

    দোহার এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারস টুর্নামেন্টে হংকং ও চায়নার বিপক্ষে বাংলাদেশ এ দলের প্রথম ম্যাচে মাত্র ১৪ বলে ফিফটি করে এরপর ৩৫ বলে তিন অঙ্ক স্পর্শ করেন সোহান। এটি বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে দ্রুততম ফিফটি ও সেঞ্চুরির রেকর্ডও।

    শনিবার, ১৫ নভেম্বর, দোহার ওয়েস্ট ইন্ড পার্ক আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সোহানের বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে হংকংকে ৮ উইকেটে বড় ব্যবধানে হারায় বাংলাদেশ এ দল। লক্ষ্য ছিল ১৬৮ রান, যা সোহানের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে মাত্র ৫৪ বল হাতে রেখেই অর্জিত হয়।

    বাংলাদেশের এই সংস্করণে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড ছিল পারভেজ হোসেন ইমনের দখলে। ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের ফরচুন বরিশালের হয়ে তিনি ৪২ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন। প্রায় ৬ বছর পর এই রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন সোহান।

    বিশেষ বললে, বিশ্ব রেকর্ডে এখনও বেশ দূরে সোহান। তিনি মাত্র ২৭ বলে সেঞ্চুরি করে রেকর্ডের স্বীকৃতি পেয়েছেন ইস্তোনিয়ার সাহিল চৌহানের নামে। এর আগে, বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে দ্রুততম শতকের রেকর্ড ছিল ৪৯ বলে সোহানের।

    রান তাড়ায়, মাত্র ৩৫ বলে ৮ চার ও ১০ ছক্কায় অপরাজিত ১০০ প্লাস স্কোর করেন সোহান। এর পাশাপাশি ইনিংসে বিস্ফোরক খেলেছেন অধিনায়ক আকবর আলি, যিনি ১৩ বলে ৬ ছক্কায় অপরাজিত ৪১ রান করেছেন। ওপেনার জিসান আলম ১৪ বলে ২০ রান করেন।

    এই ইনিংসটি বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ছয়ের রেকর্ডও। এখনও পর্যন্ত, তামিম ইকবাল ও নাজমুল হোসেন শান্তর ইনিংসে ১১টি ছক্কার রেকর্ড রয়েছে। এছাড়া, জিসান আলমের ঝড়ো ইনিংসে ১০ ছক্কার রেকর্ড রয়েছে।

    প্রথমে, হংকংয়ের ব্যাটসম্যান বাবর হায়াত ৪৯ বলে ৬৩ রান ও ইয়াসিম মোর্তুজা ২২ বলে ৪০ রান করে যথাক্রমে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয় স্কোরবোর্ডে, যেখানে তারা ১৬৭ রান করে ৮ উইকেট হারিয়ে। তবে সোহানের আক্রমণে সেটি מספיק ছিল না।

    এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারে বাংলাদেশের গ্রুপে আছে আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। আগামী ১৭ নভেম্বর আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে, আর ১৯ নভেম্বর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। এই ম্যাচগুলো শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ৮:৩০ মিনিটে।

  • আসিফের মন্তব্যে বিসিবির দুঃখ প্রকাশ ও বাফুফের প্রতিক্রিয়া

    আসিফের মন্তব্যে বিসিবির দুঃখ প্রকাশ ও বাফুফের প্রতিক্রিয়া

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী আসিফ আকবরের এক বিবৃতি নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে তুমুল আলোচনা ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)-এর সভাপতি তাবিথ আউয়াল বিসিবির কাছে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়ে মন্তব্যের ব্যাখ্যা চেয়েছিলেন।

    শনিবার (১৫ নভেম্বর), বিসিবি সেই চিঠির জবাব দিয়েছে Officially। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে আসিফের বক্তব্যের বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, আসিফ আকবর মূলত জেলা প্রতিনিধি হিসেবে ওই মন্তব্য করেছিলেন, তিনি বিসিবির পরিচালক নন।

    চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, “বাংলাদেশ ক্রিকেট কনফারেন্সে যে বিতর্কের সৃষ্টি করেছে এমন মন্তব্য তিনি করেছিলেন জেলা প্রতিনিধিদলের প্রতিনিধি হিসেবে, বিসিবির একজন সদস্য হিসেবে নয়।” আরও জানানো হয়, আসিফ সম্ভবত তার নিজ জেলার ক্রিকেট কার্যক্রম ও মাঠের ব্যবহার নিয়ে দীর্ঘ দিনের হতাশা ও জটিলতা থেকে ব্যক্তিগত ক্ষোভের বশে এই মন্তব্য করেছেন।

    বিসিবি সভাপতি স্পষ্ট করে বলেছেন, “উক্ত বক্তব্যটি আসিফের ব্যক্তিগত অভিমত মাত্র, এটি কখনোই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের official stance বা অবস্থান নয়।” তিনি আরও যোগ করেছেন, “যদি এই বক্তব্যের কারণে ফুটবলপ্রেমী ও সংশ্লিষ্ট মহলে কোনো ভুল বোঝাবুঝি বা আঘাত সৃষ্টি হয়ে থাকে, আমি নির্দ্বিধায় দুঃখ প্রকাশ করছি।”

    বিষয়টি নিয়ে বিসিবি দুঃখ প্রকাশ করলেও, আসিফ আকবরের ব্যক্তিগত মন্তব্যের কারণে ফুটবল পরিবারের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি রয়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে সন্ধ্যায় সোনালী অতীত ক্লাবের এক সভা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যেখানে আসিফের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

    চিঠির শেষ অংশে বিসিবি সদস্যরা দেশের ক্রীড়াঙ্গনে ফুটবলের অবদান স্বীকার করে, ফুটবলের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, “খেলাধুলা প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, বরং ঐক্য ও সৌহার্দ্যের প্রতীক। তাই বিসিবি সব ক্রীড়া সংস্থার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার অঙ্গীকার করে।”

    উল্লেখ্য, ৯ নভেম্বরে বাংলাদেশ ক্রিকেট কনফারেন্সে আসিফ আকবর মন্তব্য করেন যে, ফুটবলের আধিপত্যের কারণে ক্রিকেটের জন্য মাঠে পরিবেশ সংকটে পড়ছে। তিনি ফুটবলারদের বিরুদ্ধে উইকেট ভেঙে ফেলার অভিযোগ করেন এবং ক্রিকেটকে ‘আভিজাত্যের খেলা’ হিসেবে অভিহিত করে, মাঠের অধিকারের জন্য মারামারির প্রস্তুতির কথাও বলেন। social media-য় এই মন্তব্য ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে, যেখানে সাবেক ফুটবলার ও সাধারণ ফুটবলপ্রেমীরা এর নিন্দা জানিয়ে আসেন।

  • ৯৩ রানে অলআউট ভারত, তিন দিনের মধ্যেই ইডেনে লজ্জাজনক পরাজয়

    ৯৩ রানে অলআউট ভারত, তিন দিনের মধ্যেই ইডেনে লজ্জাজনক পরাজয়

    ইডেন গার্ডেনে চিত্তাকর্ষক এক টেস্টের শেষপর্ব তিন দিনে শেষ হয়ে গেল। মাত্র ১২৪ রানের সহজ লক্ষ্যে ভারতের প্রতিউত্তর দেওয়ার আশা ছিল। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার স্পিনাররা একের পর এক উইকেট তুলে নিয়ে ভারতের স্বপ্ন ভেঙে দিল। শেষ পর্যন্ত মাত্র ৯৩ রানে অলআউট হয়ে ভারত ৩০ রানের ব্যবধানে হার মানলো। এই জয়ে দুই ম্যাচের সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকা ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকলো।

    রোববার (১৬ নভেম্বর) সকালে দক্ষিণ আফ্রিকা ৭ উইকেটে ৯৩ রান নিয়ে খেলা শুরু করে। অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা একাই লড়াই চালিয়ে যান। তার সঙ্গে করবিন বশের (২৫) জুটিতে প্রোটিয়াদের লড়াকু পুঁজি বৃদ্ধি পায়। বাভুমা শেষ পর্যন্ত ১৩৬ বলের মোকাবেলায় ৫৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। তাঁর এই দৃঢ়তার কারণে প্রোটিয়াদের দ্বিতীয় ইনিংসের স্কোর দাঁড়ায় ১৫৩ রানে। ভারতের লিড বাদ দিয়ে স্বাগতিকদের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১২৪ রান। ভারতের হয়ে রবীন্দ্র জাদেজা চারটি এবং মোহাম্মদ সিরাজ ও কুলদীপ যাদব দুইটি করে উইকেট তুলে নেন।

    লাঞ্চের আগে ভারত লক্ষ্যচ্যুত হয় ১২৪ রানের। ব্যাটিং শুরু করেন একেবারেই দুঃস্বপ্নের মতো। মার্কো ইয়ানসেনের আঘাতে প্রথম ওভারে জৈবিকভাবে ফেরেন যশস্বী জয়সোয়াল (০)। এরপরই লোকেশ রাহুল (১) লেগে যান দলের হাল ধরতে। চোটের কারণে অধিনায়ক শুভমান গিল হাসপাতালে থাকায় বোলিং অর্ডারে পরিবর্তন আনা হয়, কিন্তু ধ্রুব জুরেল (১৩) ও ঋষভ পন্ত (২) ব্যর্থ হন। স্পিনার সাইমন হার্মার এই দুজনকে ফেরালে ভারত পড়ে যায় মাত্র ৩৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে।

    একদিকে অক্ষর প্যাটেল ঝড় তুলছিলেন, অন্যদিকে নাইটওয়াচম্যান হিসেবে খেলা উইশিংটন সুন্দর প্রহরার জন্য থাকেন। রবীন্দ্র জাদেজা (১৮) তার সঙ্গে জুটি বাঁধতে চাইলে হার্মার তাকে আলগা করেন। ৬ উইকেট পড়ে ৭২ রানে ভারতের অবস্থা খারাপ হতে থাকলে, অক্ষর প্যাটেল ১৭ বলে ২ ছক্কা আর ১ চারে ২৬ রান করে জয়ের সম্ভাবনা দেখান। কিন্তু শেষমেষ কেশভ মহারাজ তাঁর বলেই সুন্দরকে ফিরিয়ে দেন। এরপর মোহাম্মদ সিরাজ (০) ওয়ে আউট হয়ে ভারতের শেষ আশা শেষ করেন। সুন্দরও ৩১ রানে আউট হন।

    অবশেষে, ভারতের ইনিংস শেষ হয় ৯৩ রানে অলআউট হয়ে। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে সাইমন হার্মার ৪টি উইকেট লাভ করেন, ইয়ানসেন ও কেশভ মহারাজ ২টি করে উইকেট নেন। এই বাজে ফলাফল বিশ্বজুড়ে ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য লজ্জার মুহূর্ত হয়ে রইল।

  • জ্যোতি বললেন, আমি স্বৈরাচারী নই, সব অভিযোগের বাইরে নিজের বক্তব্য

    জ্যোতি বললেন, আমি স্বৈরাচারী নই, সব অভিযোগের বাইরে নিজের বক্তব্য

    বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি সম্প্রতি বিভিন্ন বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে জুনিয়র ক্রিকেটারদের মারধর এবং সিনিয়র খেলোয়াড়দের ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগ উঠেছে। এই গুঞ্জনের মধ্যেই তিনি শিনবোন ইনজুরির রিহ্যাবে থাকাকালীন বিকেএসপিতে বসে ক্রিকবাজের সাথে এক উপস্থিত সাক্ষাৎকারে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। সেখানে তিনি ড্রেসিং রুমে নিজের প্রভাব, স্বৈরশাসনের ধারণা, সিনিয়রদের সাথে সম্পর্ক, ভারতের বিপক্ষে সিরিজের প্রস্তুতি এবং দলের পরিবেশ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। নিচে সেই মূল অংশগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো।

    জ্যোতি বলেন, আমি কখনওই স্বৈরাচারী নই। প্র্যাকটিস বা ড্রেসিং রুমে আমি সবাইকে গুরুত্ব দিয়ে থাকি। অধিনায়ক হিসেবে আমি সবাইকে সমান গুরুত্ব দিয়ে থাকি, তবে সম্মান পাওয়ার ব্যাপারে আলাদা কিছু নেই। অনেক দিন ধরেই আমি এসব অপবাদ শুনছি, কিন্তু আমি জানি কে এর পেছনে রয়েছে। আমি দীর্ঘদিন ধরে নেতৃত্ব দিচ্ছি, সবাই পছন্দ করবে সেটা প্রত্যাশা ভুল। তবে আমি নিশ্চিত, আমি দলের জন্য কি করছি।

    জুনিয়র ক্রিকেটার জাহানারা-রুমানা ঢাকোড়া নিয়ে ওঠা অভিযোগ নিয়ে তিনি বলেন, আমি অনেকদিন ধরেই এসব অভিযোগ শুনে আসছি। সত্যি বলতে, আমি নির্বাচক নই। ২০১৫ সাল থেকে আমি জাতীয় দলে খেলছি। কখনও ড্রেসিং রুমে কোনও সিণ্ডিকেট বা বিশৃঙ্খলা দেখিনি। ২০২১ সালে অধিনায়কত্ব গ্রহণের পরও ২০২৩ সালে অস্ট্রেলিয়া সিরিজ পর্যন্ত আমি নির্বাচনী কমিটির সদস্য ছিলাম না। দলের খেলোয়াড়রা কে খেলবে সেটা তারা জানত, আমি জানতাম না। দলের ঘোষণা আসে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের মাধ্যমে, যা বোর্ডে জিজ্ঞেস করলে সত্যিটা পাওয়া যাবে।

    নিউজিল্যান্ডে হাসান তিলকরত্নের কোচ থাকাকালীন এক ম্যাচে রুমানা আপু, সালমা আপু এবং অন্য কেউ খেলেননি। একবার সালমা আমাকে বলেন, “তুমি আমাদের দলের বাইরে করে দিয়েছেন।” তখন আমি বলেছি, “আমিই এখন দলের একাদশ বলতে পারছি।” তখন সালমা বলেছেন, “তাহলে কি তুমি শুধু টসের জন্য ক্যাপ্টেন?”—এমন পরিস্থিতিও দেখেছি।

    অভিযোগ, জুনিয়র ক্রিকেটার গালিগালাজ বা মারধরের বিরুদ্ধে তিনি দৃঢ়ভাবে বলেছেন, এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা। কেবল একজনের কাছ থেকে এই অভিযোগ এসেছে। ম্যাচের উত্তেজনায় কেউ কেউ কথা বলেছে, যেমন “কেন ধরে নিও?” বা “শুধুমাত্র বলের দিকে নজর দাও।” হ্যাঁ, Microphone থাকার কারণে আমার কণ্ঠ বেশি শোনা যায়, কিন্তু আমি কখনই কাউকে গালি দিই না বা মানসিক রোগী নই।

    জ্যোতি আরও জানান, জাহানারা আলমের অভিযোগ বিষয়ে, অস্ট্রেলিয়ায় কেউ ফোন করে বলে গেছে “জোতি আপু মারছে”—এমন কথার বিশ্বাসযোগ্যতা তিনি প্রশ্ন করেন। কোচ বা ম্যানেজমেন্টকে জানালেও সত্যতা পাওয়া যায় না। কাওকে মারার প্রমাণও নেই।

    শ্রীলঙ্কার ম্যাচে মারুফার ঘটনাটি উল্টোভাবেই দেখানো হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। বলতে থাকেন, মারুফা দল জন্য একজন গুরুত্বপূর্ণ ফিল্ডার। পাকিস্তান সিরিজের সময় তার ক্যাচিংয়ে সমস্যা দেখা দেয়। বারবার বল ছিল, “বাবা, ক্যাচিং ঠিক করো,” যা ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সে ফেলেছিল। তখন ওর হাতেও ব্যথা হয়, কারণ ওর বাম হাতটাই বোলিং হাত। সে খারাপ লাগাতেও দেখেছি। ম্যাচের পর ওর সাথে গিয়ে প্রিয়ভাবে জড়িয়ে ধরেছিলাম, ও কেঁদেছিল কারণ সে ক্যাচ ফেলেছিল।

  • প্রথমবারের মতো বিপিএলে অংশ নেবেন না তামিম ইকবাল

    প্রথমবারের মতো বিপিএলে অংশ নেবেন না তামিম ইকবাল

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সর্বশেষ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে শেষ মুহূর্তে সরকারি হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে ওই সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়ান দেশের এই তারকা ওপেনার তামিম ইকবাল। এর পর থেকেই তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, বিশেষ করে বিপিএলে তার অংশগ্রহণ নিয়ে নানা জল্পনা সৃষ্টি হয়। তবে সব কৌতূহল শেষ পর্যন্ত নিজেই কাটিয়ে দিলেন তিনি। ক্রিকেটভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ক্রিকবাজকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে তামিম নিশ্চিত করেছেন, এবারকার বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) তিনি খেলবেন না। তিনি আরও জানান, আগামী ২৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়া বিপিএলের জন্য প্লেয়ার্স ড্রাফট থেকে নিজের নাম তুলে নেওয়ার অনুরোধ করেছেন বোর্ডের ক্রিকেট অপারেশন্স ম্যানেজার শাহরিয়ার নাফিসকে। এক সাক্ষাৎকারে তামিম বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি বিপিএলে অংশ নিচ্ছি না। ড্রাফট থেকে আমার নাম বাদ দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি।’ ২০১২ সালে বিপিএল শুরু হওয়ার পর থেকেই ধারাবাহিকভাবে মাঠে দেখা গেছে তাকে। বিশেষ করে শেষ দুটি মৌসুমে ফরচুন বরিশালের নেতৃত্ব দিয়ে দলকে ফাইনাল পর্যন্ত নিয়ে গিয়েছিলেন এবং শিরোপা জিতিয়েছিলেন। তবে এবার পরিস্থিতি বদলে গেছে। বোর্ডের নির্বাচনী উত্তাপ, ফাইন্যান্সিয়াল বিষয় এবং বরিশাল ফ্র্যাঞ্চাইজি না থাকার কারণেও তার বিপিএলে অংশগ্রহণের সম্ভাবনা কমে যায়। অবশেষে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দিলেন, এবারকার বিপিএলে তাকেঅ দেখা যাবে না।