Blog

  • শেখ হাসিনার রায়ের বিরুদ্ধে নৈরাজ্য সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করছে একটি মহল: মির্জা ফখরুল

    শেখ হাসিনার রায়ের বিরুদ্ধে নৈরাজ্য সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করছে একটি মহল: মির্জা ফখরুল

    শেখ হাসিনার রায়ের ঘোষণা উপলক্ষে দেশব্যাপী আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেছেন, একটি বিশেষ মহল এই রায়কে কেন্দ্র করে নৈরাজ্য সৃষ্টি করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। রোববার (১৬ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমানে দেশের রাজনীতি বিভ্রান্তির মধ্যে পড়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বেশ জটিল ও সংকটময়। কিছু দুর্বৃত্ত ও অন্ধকার প্রকৃতির গোষ্ঠী দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে চায়।

    তিনি আরও বলেন, হতাশা, বিভ্রান্তি ও অনিশ্চয়তার মাঝেও ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হতে পারে বলে আশার আলো দেখা যাচ্ছে। তাই নানা জটিলতায় এখনই সময় নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও নির্বিঘ্ন করতে সব রাজনৈতিক দলকে এককাট επակցিত হতে হবে।

    ফখরুল আরও মন্তব্য করেন, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন ভালো নয়, পরিস্থিতি স্বাভাবিক নেই। দেশে যদি নির্বাচিত সরকার না থাকে, তবে এই সমস্যা সমাধান হবে না। তাই এখনই একটি গণতান্ত্রিক সরকার গঠন প্রয়োজন।

    তিনি উল্লেখ করেন, আগামীকাল সোমবার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যার দায়ে রায় ঘোষণা হবে। এই রায়কে কেন্দ্র করে এক ধরনের আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। অনেক মহল এই রায়কে কেন্দ্র করে অস্থিতিশীলতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে চাইছে। এই পরিস্থিতিতে সকলকে এক涛নে সমর্থন দিয়ে, দেশবাসীর সুরক্ষা ও শান্তি রক্ষায় সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

    মওলানা ভাসানীর অমূল্য অবদান স্মরণ করে ফখরুল বলেন, তিনি স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখতেন এবং এক কল্যাণকর রাষ্ট্র গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছিলেন। সেই স্বপ্নের বাস্তবায়ন হয়তো তিনি দেখার সুযোগ পাননি।

    তিনি আরও বলেন, মওলানা ভাসানীর প্রতি বিএনপির দায়িত্ব অগ্রণী। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে তিনি দোয়া করেছিলেন ও মশিউর রহমান যাদু মিয়াকে জিয়াউর রহমানের সঙ্গে কাজ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন।

    উল্লেখ্য, জুলাই মাসে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে রায়ের দিন ধার্য করা হয়েছে। এই রায়ের জন্য অপেক্ষা করছে দেশ। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলার রায় ঘোষণা করবে সোমবার (১৭ নভেম্বর)।

    আদালতের অন্য দুই সদস্য হচ্ছেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    বিচারকার্য সরাসরি সম্প্রচার করা হবে বাংলাদেশ টেলিভিশনে, পাশাপাশি ঢাকা শহরের কয়েকটি স্থানে বড় স্ক্রিনে রায় পাঠের পরিবেশ তৈরি হবে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ফেসবুক পেজেও এই রায় লাইভ দেখা যাবে।

  • রাজপথের কর্মসূচি চলবেই, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড না পাওয়া পর্যন্ত: মিয়া গোলাম পরওয়ার

    রাজপথের কর্মসূচি চলবেই, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড না পাওয়া পর্যন্ত: মিয়া গোলাম পরওয়ার

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহাসচিব মিয়া গোলাম পরওয়ার স্পষ্ট করে বলেছেন, যতক্ষণ পর্যন্ত সবার জন্য সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি না হবে, ততক্ষণ রাজপথের আন্দোলন চালিয়ে যাবেন তাঁরা। তিনি অভিযোগ করেছেন, সরকারের তিন উপদেষ্টা নির্বাচন ও গণভোটের প্রক্রিয়ায় তাদের নিরপেক্ষতা প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছেন। এই কারণেই আসন্ন নির্বাচনকে যথাযথভাবে গ্রহণযোগ্য করে তুলে তুলতে গেলে নিশ্চিতভাবে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি দরকার, যা আজও সম্ভব হয়নি বলে তিনি মনে করেন। তাই, আট দলের জোট ঘোষণা করেছে—প্রতিশ্রুত লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড পাওয়া না পর্যন্ত তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

    রোববার (১৬ নভেম্বর) রাজধানীর মগবাজারে আল ফালাহ মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, সব কিছু ফর্মালভাবে বললে হবে না, যদি প্রয়োজন হয় তবে তারা তিন বিতর্কিত উপদেষ্টার নামও প্রকাশ করবেন—তাদের বিরুদ্ধে তথ্য-প্রমাণ তার কাছে রয়েছে।

    মিয়া গোলাম পরওয়ার সতর্ক করে বলেন, সরকারের এখনই সজাগ হওয়া উচিত, অন্যথায় নিরপেক্ষ ও স্বাধীন নির্বাচন প্রক্রিয়া প্রশ্নের মুখে পড়বে। তিনি অভিযোগ করেন, প্রশাসনের অনেক ক্ষেত্রেই এখনো দলের পক্ষপাতিত্ব চালু রয়েছে এবং এই পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে তিন উপদেষ্টার প্রভাব।

    এই পরিস্থিতিতে, জোটের নেতারা মনে করেন, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে না পারা প্রধানত সরকারের দায়। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, তিনি ও তাঁর দল নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করে তুলতে মাঠে থাকা চালিয়ে যাবেন—এ ব্যাপারে কোনো আপোস করবেন না।

    জামায়াতের এই নেতা আরও জানান, তাঁদের তিনটি মূল দাবি—লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি, ফ্যাসিবাদের দোষীদের বিচারের উদ্যোগ এবং প্রশাসনে দলীয় পক্ষপাতদুষ্টা বন্ধ—অপূর্ণ ছিল। এসব বিষয়ে আট দলীয় জোটের স্টিয়ারিং কমিটি পরবর্তী কর্মসূচি ঠিক করে ঘোষণা দেবে।

    বিশ্বাস করেন, আন্দোলন ও ভোটকে কোনওভাবেই বাধাগ্রস্ত করবে না; বরং এই আন্দোলন নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দ্বার আরও প্রশস্ত করবে। পাশাপাশি, তারা গণভোটের বিষয়ে নিজের অবস্থান শক্তভাবে বজায় রেখেছেন। সংবাদ সম্মেলনে জুলাই সনদের আইনগত ভিত্তি ও মৌলিক সংস্কারের জন্য সমর্থন প্রকাশ করে বলেছেন, এই সংস্কারগুলো কেন জরুরি ও বিশ্বের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ তা সাধারণ ভাষায় জনগণের কাছে তুলে ধরার জন্য প্রচার ও গণমাধ্যমের প্রয়োজন। যদি এই বিষয়গুলো স্পষ্ট করা না হয়, তাহলে সাধারণ ভোটারদের জন্য এর গুরুত্ব বোঝা কঠিন হয়ে পড়বে।

  • ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশ: বিএনপি

    ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশ: বিএনপি

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ১৭ নভেম্বর (সোমবার) দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাম্প্রতিক রায় নিয়ে একটি প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়।

  • বিএনপির মূল লক্ষ্য গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, নির্বাচন নয়: মির্জা ফখরুল

    বিএনপির মূল লক্ষ্য গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, নির্বাচন নয়: মির্জা ফখরুল

    বিএنপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্বাচন মানে কেবল সরকার গঠন বা ক্ষমতা পরিবর্তন নয়, এটি মূলত গণতন্ত্রের পথে ফিরে যাওয়ার একটি অবিরাম প্রক্রিয়া। তিনি বলেন, বিএনপির প্রধান লক্ষ্য হলো শুধুমাত্র নির্বাচন নয়, বরং একটি সুদৃঢ় ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। এই মন্তব্য তিনি বুধবার (১৯ নভেম্বর) রাজধানীর গুলশানে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে করেন, যেখানে ‘চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে বিএনপি’ শিরোনামে একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচन ও ডকুমেন্টারির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, বিএনপি গভীর বিশ্বাসের সঙ্গে গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে এবং এই মৌলিক মূল্যবোধের জন্য জীবনভর সংগ্রাম করে এসেছে। দেশের মানুষও যুগে যুগে গণতন্ত্রের জন্য পরিশ্রম এবং বলিষ্ঠ সংগ্রাম চালিয়েছে। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, জনগণের শব্দের মিথ্যা অপব্যাখ্যা বা ভিন্ন মত দেওয়ার অপচেষ্টা কোনোভাবে গণতন্ত্রের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে দেবে না। বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করতে বাধা দিতে হলে, অবশ্যই গণতন্ত্রের পথে ফিরে আসা জরুরী। এ জন্য গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী করতে হবে। পাশাপাশি, তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায় প্রসঙ্গে আলোকপাত করেন, যেখানে পৃথিবীর নজর ছিল নিষ্ঠুরতার দায়ে ফ্যাসিস্ট বর্তমান সরকার প্রধানের রায়ের দিকে, সেখানে কিছু মহলের অপচেষ্টায় রায়ের গুরুত্ব কমানোর অপচেষ্টা দেখা যাচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, যদি কেউ এককভাবে সংস্কারের দাবি করেন, সেটি সংকীর্ণতা ছাড়া কিছু নয়। বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে গণতন্ত্রের জন্য এবং দেশের উন্নয়নের জন্য সংস্কারের পক্ষে কাজ করছে। তিনি সকল গণতান্ত্রিক দলের ঐক্যের দাবি জানিয়ে বলেন, ভিন্ন মত থাকলে সেটা মেনে নেওয়া হবে কিন্তু সংগঠিতভাবে মৌলিক পরিবর্তনের জন্য আমাদের একসাথে দাঁড়ানো জরুরি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিএনপি কোন বিপ্লবী দল নয়, বরং এটি একটি লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি। আমাদের কাছে সংস্কার আদর্শ, যা অগ্রাধিকার পেয়েছে। কেউ যদি আমাদের ভিন্নভাবে চিত্রিত করতে চায়, তাহলে সেটি মানতে আমাদের সংকোচ হবে না। দেশের বর্তমান পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপির উপর সবসময়ই দায়িত্ব আসা স্বাভাবিক। এখন নির্বাচনের সময়, তাই বিএনপির উচিত গণতান্ত্রিক আন্দোলন গড়ে তোলা। অনুষ্ঠানে ‘চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে বিএনপির ভূমিকা’ বিষয়ক বইটির মোড়ক উন্মোচন ও ডকুমেন্টারির মাধ্যমে সেই সময়ের আন্দোলন ও কর্মকাণ্ডের ইতিহাস সংরক্ষণ করা হয়েছে।

  • হাসিনার বিচার স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিক মানের: গোলাম পরওয়ার

    হাসিনার বিচার স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিক মানের: গোলাম পরওয়ার

    মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনার ফাঁসির রায়ের প্রতি জামায়াতের পক্ষ থেকে একাডেমিক ও রাজনৈতিক নেতা অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার উল্লেখ করেছেন, এই রায় সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং আন্তর্জাতিক মানের। তিনি বলেন, এই বিচারপ্রক্রিয়া দ্বারা আমাদের দেশের মানুষের মধ্যে আশার আলো জেগেছে এবং জাতি একটি গুরুত্বপূর্ণ সান্ত্বনা পেয়েছে। সোমবার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব মন্তব্য করেছেন।

    গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, ট্রাইব্যুনালের রায়ে যে দীর্ঘ সময় ধরে বিচারকগণ রায় পেশ করেছেন, তাতে প্রকাশ পেয়েছে অপরাধীদের নিষ্ঠুরতা, ঘৃণ্য ও প্রতিহিংসামূলক কর্মকাণ্ড। আইনপ্রযুক্তি, টেলিফোনিক কথোপকথন, অডিও-ভিডিও রেকর্ডসহ অন্যান্য প্রমাণসমূহ দেশী ও আন্তর্জাতিক মাধ্যমে রায়ের অংশ হিসেবে হুবহু প্রকাশ করা হয়েছে। এই ব্যাপারে সাধারণ মানুষ ও মিডিয়া বিস্মিত এবং জাতি গর্ববোধ করছে।

    তিনি আরও বলেন, এর আগে মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য জামায়াতের নেতাদের বিচার নিয়ে দেশ-বিদেশে অনেক প্রশ্ন উঠেছে, তবে সেই বিচারটি আন্তর্জাতিক মানের হয়নি বলে মনে করে জামায়াত। তিনি বলেন, একদম সাজানো মামলার মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়া চালানো হয় এবং আদালত থেকে সাক্ষী অপহরণ, মামলাগুলো সাজানো, বিদেশে রায় প্রস্তুতকরণ, স্কাইপে চ্যানেলে কেলেঙ্কারি—all এই বিষয়গুলোই আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে। ব্রিটিশ আদালতেও এ ধরনের বিচার ‘জেনোসাইড অফ জাস্টিস’ বলে অভিহিত করেছেন।

    গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, আজকের এই রায়ে দেখা গেছে, যারা নির্মমভাবে হত্যা, কোপানো, ক্রসফায়ার, পিলখানা ও শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডে জড়িত—they-র জন্য আরো বিচার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এই প্রথম রায় প্রকাশ পেল, এবং তিনি সুপারিশ করেন, সব বিচারই যেন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, এটিএম মা’ছুমসহ অন্য নেতৃবৃন্দ।

  • যুবদল নেতা কিবরিয়া হত্যায় আরও দু’জন ভাড়াটে খুনি গ্রেপ্তার: র‍্যাব

    যুবদল নেতা কিবরিয়া হত্যায় আরও দু’জন ভাড়াটে খুনি গ্রেপ্তার: র‍্যাব

    রাজধানীর পল্লবী এলাকায় যুবদল নেতা গোলাম কিবরিয়া হত্যার মামলার জড়িত থাকার অভিযোগে র‌্যাব আরও দুই ভাড়াটে খুনিকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন সোহেল ওরফে পাত্তা সোহেল ওরফে মনির হোসেন (৩০) এবং সুজন ওরফে মুখপোড়া সুজন।

    গতকাল মঙ্গলবার রাতে ঢাকার সাভার এলাকার বিরুলিয়া এবং গাজীপুরের টঙ্গী মাজার রোড থেকে তাঁদের আটক করে র‌্যাব। আজ বুধবার (১৯ নভেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে র‌্যাব-৪-এর সূত্রে এই তথ্য জানানো হয়।

    র‌্যাব-৪ জানিয়েছে, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে সন্ত্রাসীরা যুবদল নেতা কিবরিয়া হত্যার অভিযোগে আসামি এই দুজনকে গ্রেপ্তার করে। সোহেল ওরফে পাত্তা সোহেল ওরফে মনির হোসেনকে তাদের বিরুলিয়া এলাকায় এবং সুজন ওরফে মুখপোড়া সুজনকে গাজীপুরের টঙ্গী মাজার রোড থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা সবাই ভাড়াটে খুনি।

    আজ বিকেলে কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে এই গ্রেপ্তারের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করবেন র‌্যাব-৪ এর মিডিয়া অফিসার মেজর মোহাম্মদ আবরার ফয়সাল সাদী।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গত সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটের দিকে পল্লবী সেকশন-১২-এ অবস্থিত বিক্রমপুর হার্ডওয়্যার ও স্যানিটারি দোকানে অবস্থান করছিলেন গোলাম কিবরিয়া। তখন মোটরসাইকেলে করে তিনজন দুর্বৃত্ত এসে দোকানে ঢুকে তাঁর মাথা, বুক ও পিঠে পিস্তল ঠেকিয়ে সাত রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এই ঘটনার পর আশপাশের লোকজন মো. জনি ভূঁইয়াকে আটক করে।

    পুলিশ জানিয়েছে, সন্ত্রাসী সোহেল ও তাঁর অনুসারীরা দোকানে ঢুকে গুরুতর যানবাহন থেকে ঢুকে সাত রাউন্ড গুলির ছাড়া হয়। ঘটনার স্থান থেকে সাত রাউন্ড গুলির খোসা উদ্ধার হয়।

  • শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের জন্য সেনাবাহিনীর সহায়তা জরুরি : প্রধান উপদেষ্টা

    শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের জন্য সেনাবাহিনীর সহায়তা জরুরি : প্রধান উপদেষ্টা

    প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস মনে করেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে শান্ত, উৎসবের রঙে ভরপুর এবং সকলের অংশগ্রহণমূলক করে তুলতে সেনাবাহিনীর সক্রিয় ও কার্যকর ভূমিকা অপরিহার্য। আজ বুধবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে মিরপুর সেনানিবাসের ডিফেন্স সার্ভিস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজের (ডিএসসিএসসি) অডিটোরিয়ামে কোর্স-২০২৫-এর গ্র্যাজুয়েশন সনদ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের পাশাপাশি বিশ্বের ২৪টি দেশের তরুণ সামরিক কর্মকর্তাদের হাতে সনদ তুলে দেন তিনি।

    প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনের আগে দেশের সকলের মধ্যে শান্তিপূর্ণ ও দুর্ঘটনামুক্ত পরিবেশে নির্বাচন আয়োজনের জন্য সেনাবাহিনীর কার্যকর ভূমিকা সব সময়ই প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এ নির্বাচনকে সত্যিকার অর্থে একটি উৎসব ও আনন্দমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে হলে সরকারের পাশাপাশি সামরিক বাহিনীর সহযোগিতা অপরিহার্য।

    জুলাই মাসে ঘটে যাওয়া গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, সেনাবাহিনী সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এবং এটি তার ভূমিকাকে সকলের কাছে সম্মানজনকভাবে তুলে ধরে। তিনি এ জন্য সেনাবাহিনীর প্রশংসা করেন।

    এবারের কোর্সে উপস্থিত ছিল বাংলাদেশ, চীন, ভারত, তুরস্ক, পাকিস্তানসহ মোট ২৪ দেশের ৩১১ জন তরুণ সামরিক কর্মকর্তা। তারা জানান, এই প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান ও নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা তাদের ব্যক্তিজীবন ছাড়াও দেশ ও জাতির প্রয়োজনীয় কালীন সময়ে কাজে লাগতে পারে। একজন বাংলাদেশি অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তার ভাষ্য, “ডিএসসিএসসি-তে এই কোর্সে আমাদের যে নেতৃত্ব, কৌশল ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্পর্কে জ্ঞান হয়েছে, তা আমাদের দেশের এবং দেশের বাইরে যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে প্রস্তুত করে ফেলেছে। বিশেষ করে জাতীয় সংকটের সময় আমরা এই জ্ঞান প্রয়োগে সক্ষম হব।” তিনি আরও যোগ করেন, “প্রধান উপদেষ্টার কথাগুলো সময়োপযোগী। আমরা আশা করি, এই প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা দেশের রক্ষায় এবং গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় কাজে আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখবে।”

    চীনের একজন কর্মকর্তাও বলেন, প্রশিক্ষণের মানের বিষয়ে তারা সন্তুষ্ট। “বাংলাদেশের এই সামরিক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে চলেছে। ২৩ দেশের সহকর্মীদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় করে আমাদের পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে। ভবিষ্যতে এই জ্ঞান আমাদের নিজ দেশ ও অন্যান্য দেশের নিরাপত্তায় কাজে লাগবে,” বললেন তিনি।

  • ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের সঙ্গে সাংবাদিক মিজানুরের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই

    ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের সঙ্গে সাংবাদিক মিজানুরের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই

    দৈনিক ভোরের কাগজের অনলাইন সম্পাদক মিজানুর রহমান সোহেলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গত মঙ্গলবার রাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ তার বাড্ডার বাসা থেকে নিয়ে যায়। প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টা তার হেফাজত রাখার পরে বুধবার সকালে পুলিশ তাকে বাড়ি পৌঁছে দেয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মন্ত্রণালয় ও পুলিশ বিভিন্নভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগে সচেতনতা প্রকাশ করেছে।

    এদিকে, প্রধান উপদেষ্টা এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের সঙ্গে সাংবাদিকের সংশ্লিষ্টতা থাকার rumors নিয়ে মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করে জানিয়েছে, এটি একেবারেই ভিত্তিহীন। মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, এই ধরনের অপপ্রচারে এনইআইআর বাস্তবায়নের সঙ্গে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

    বিজ্ঞপ্তিতে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, রাষ্ট্রের শৃঙ্খলা এবং নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা সরকারী কর্মসূচি, যেমন এনইআইআর বাস্তবায়ন করছি। অবৈধ হ্যান্ডসেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিটিআরসি অনেক দূর এগিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, এই বিষয়ের ওপর ভিত্তিহীন গুজবের জন্য কিছু গণমাধ্যম আমার বিরুদ্ধে দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করছে।

    তিনি আরও বলেন, সাংবাদিক মিজানুর রহমানের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত বা পেশাগত কোনো সম্পর্ক নেই। তবে কিছু কিছু গণমাধ্যম প্রচার করছে যে, আমি এই ব্যাপারে জড়িত, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি स्पष्ट করেছেন, আমাদের উদ্দেশ্য ছিল বিভ্রান্তি ছড়ানো না, বরং সত্য তুলে ধরা।

    মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহম্মদ জসীম উদ্দিন জানান, জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গোয়েন্দা পুলিশ মিজানুর রহমান সোহেলকে তার বাসায় ফিরে পাঠিয়ে দেয়। তিনি বলেন, এ ধরনের ভুল তথ্য সুবিধামতো জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করে।

    উল্লেখ্য, সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের তার ফেসবুক পোস্টে মিজানুর রহমান সোহেলকে গোয়েন্দা বিভাগে নেয়ার বিষয়টি বিস্তারিত জানান। এরপর থেকেই ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে গুজব ছড়ানো শুরু হয়। তবে সংস্থাগুলো স্পষ্ট করে বলছে, এই বিরোধের মধ্যে সত্যতা নেই এবং তদন্তের স্বার্থে এ বিষয়টি ভালোভাবে বোঝা জরুরি।

  • জামায়াতের দাবি: ভোটকেন্দ্রে অন্তত পাঁচজন সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন

    জামায়াতের দাবি: ভোটকেন্দ্রে অন্তত পাঁচজন সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারাদেশে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে অন্তত পাঁচজন সেনা সদস্য মোতায়েনের জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির পক্ষ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে। বুধবার (১৯ নভেম্বর) নির্বাচন ভবনের আলোচনা সভায় নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক সংলাপে দলের সহ–সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এই দাবি জানান।

    মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, গত এক মাসের মধ্যে অনেক নতুন ডিসি বদলি করা হয়েছে, অনেকের বদলি হঠাৎ করে চোখে পড়ে। তিনি মনে করেন, এর পেছনে একটি স্বয়ংক্রিয় বা পরিকল্পিত ডিজাইন কাজ করছে, যার উদ্দেশ্য হচ্ছে নির্বাচনকে স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

    এছাড়া, জামায়াতের পক্ষ থেকে বাস্তুসংস্থান ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা বদলির ক্ষেত্রে লটারির মাধ্যমে ট্রান্সফার চালুর পক্ষে মত প্রকাশ করা হয়। দলটির মনে হয়, লটারির মাধ্যমে বদলি করলে, কেউ যা চাইবেন, তাকে সে স্থান পাওয়ার সুযোগ থাকবে এবং একযোগে বদলি নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠবে না।

    প্রস্তাবের পক্ষে আরও এগিয়ে এসে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, নির্বাচন কমিশনকে সাহসী ও স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

    অপর দিকে, দলীয় প্রার্থীদের আচরণবিধি লঙ্ঘন ও শাস্তি নিয়ে দলের প্রতিনিধি ব্যারিস্টার শিশির মনির অভিযোগ করেন, আচারবিধি লঙ্ঘনের জন্য শাস্তি প্রদানের প্রক্রিয়া স্পষ্ট নয়। তিনি বলেন, একই অপরাধে প্রার্থী ও দলের জন্য শাস্তি নিশ্চিত করতে বিধিমালায় প্রয়োজনীয় বিস্তারিত নিয়ম থাকতে হবে যেন সব পক্ষের জন্য বিষয়টি পরিষ্কার হয়।

    সর্বোপরি, তিনি দাবি করেন, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সব প্রার্থীর জন্য একযোগে সংলাপ বা আলোচনা করা বাধ্যতামূলক না কি ঐচ্ছিক তা স্পষ্ট করা জরুরি। এ ধরণের স্পষ্ট দিকনির্দেশনা ছাড়া কার্যক্রমের উদ্বেগ ও বিশৃঙ্খলা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।

  • ময়মনসিংহে ট্রেনে নাশকতার চেষ্টা, সাহসী প্রতিরোধে বড় ক্ষতি এড়ানো

    ময়মনসিংহে ট্রেনে নাশকতার চেষ্টা, সাহসী প্রতিরোধে বড় ক্ষতি এড়ানো

    ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশনের ওয়াশপিটে দাঁড়িয়ে থাকা একটি লোকাল ট্রেনের বগিতে নাশকতার উদ্দেশ্যে দুর্বৃত্তরা আগুন দেয়। তবে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) তিন সদস্যের দ্রুত ও সাহসী পদক্ষেপের কারণে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার ভোর ৪টার দিকে, স্টেশনে। রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর ময়মনসিংহ কার্যালয়ের ইনচার্জ মো. সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তাদের মতে, সাহসী তিন আরএনবি সদস্য ছিলেন হাবিলদার মাসুদ রানা, সিপাহি আসাদুজ্জামান এবং নায়েক ঈসমাইল। এই তিনজনের দ্রুত সিদ্ধান্ত ও সাহসের কারণেই ব্যাপক ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। জানা যায়, আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় নিরাপত্তাকর্মীরা। তারা দেখেন, বগির কিছু সিটে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। পর্যাপ্ত সরঞ্জাম না থাকা সত্ত্বেও, ওই নিরাপত্তা সদস্যরা নিজেদের শরীরে থাকা জ্যাকেট খুলে ওয়াশপিটের পানিতে ভিজিয়ে নেভানোর চেষ্টা করেন। সেই ভেজা জ্যাকেট দিয়ে তারা আগুনের উপর জাপটে ধরে পরিস্থিতি মোকাবেলা করেন। এর পর দুর্বৃত্তরা অন্ধকারে পালিয়ে যায়। স্টেশন সুপার আব্দুল্লাহ আল হারুন বলেন, আরএনবির তৎপরতা ও সাহসের ফলে আগুনে বড় ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। যদি আগুন নিয়ন্ত্রণে না আসত, তবে পার্শ্ববর্তী কোচ, ট্রেনের ইঞ্জিন ও প্ল্যাটফর্মের অন্যান্য অংশ বড় ধরণের ক্ষয়ক্ষতির কবলে পড়তে পারত। তিনি আরও বলেন, রাতের সময় প্ল্যাটফর্মের বাইরে জারিয়া লোকাল ট্রেনের কোচগুলো ধোয়ামোছার জন্য ওয়াশপিটে দাঁড় করানো ছিল। নাশকতার জন্য লুকিয়ে থাকা একদল দুর্বৃত্ত গাঁজা পাউডার ও পেট্রোল ব্যবহার করে ট্রেনে ওই আগুনের ঘটনা ঘটায়। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে জড়িতদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে।