Blog

  • বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে বিএনপির বিকল্প নেই

    বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে বিএনপির বিকল্প নেই

    দিঘলিয়া উপজেলায় সারাদিনব্যাপী নির্বাচনী ও জনসেবা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে বিএনপির তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ও ধানের শীষের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে বিএনপির বিকল্প নেই। তিনি আরও বলেন, জনগণের ভোটেই ভুলে গিয়ে ক্ষমতায় আসে বিএনপি, আর সেই ভোটে জনগণের বিপ্লব হবে, ইনশাআল্লাহ।

    বুধবার সকাল থেকে শুরু করে বিকেল পর্যন্ত দিঘলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ, বৃক্ষরোপণ, পথসভা, মতবিনিময় ও নির্বাচনী প্রচার চালান তিনি। কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকালে আরুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে “একটি বাড়ি একটি গাছ, সবুজায়নের অঙ্গীকার” শ্লোগানে শিক্ষার্থীদের সাথে বৃক্ষরোপণ করেন। পরে স্কুলে শিক্ষকদের সাথে বিশেষ আলাপচারিতায় বলেন, পরিবেশ রক্ষায় শিক্ষার্থীদের সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর ভাষ্য, যদি বিএনপি সরকার গঠন করে, তবে শিক্ষায় এবং পরিবেশের ক্ষেত্রে উন্নত ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নেওয়া হবে।

    দুপুরে তিনি পূর্ব আমবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের সাথে আবারও বৃক্ষরোপণ করেন এবং শিক্ষকদের সাথে আলোচনা করেন। সাথে দূরবর্তী মাঠে মাধপুর ওয়ার্ডের নির্বাচনী পথসভায় বলেন, ভোটাধিকার থেকে দীর্ঘদিন মানুষ বঞ্চিত হলেও এবার ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। জনগণ বুঝতে পেরেছে, বিএনপি হলো সাধারণ মানুষের দল। এ সময় তিনি confidently জানিয়েছেন, জনগণের রায় অনুযায়ী বিএনপি সরকার গঠন করবে।

    দুপুর দেড়টায় রাধা মাধবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আবারো বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম চালানো হয়, যেখানে তিনি উপস্থিত ছিলেন। এরপরে তিনি কামারগাতী বাজারে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময়, দোকানপঠে লিফলেট বিতরণ এবং নঈম মোল্লার কবর জিয়ারত করেন। লাখোহাটি বাজারে ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতাদের সাথে আলোচনা করেন, তাদের সমাধান ও উন্নয়নের বিষয়ে। বিকালে বারাকপুরে আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা উপভোগ করে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।

    সন্ধ্যায় একটি মহিলা সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতায় তিনি বলেন, রূপসা, দিঘলিয়া ও তেরখাদার মানুষদের সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং মানবিক উন্নয়নের স্বার্থে বিএনপির ওপর আস্থা রাখতে হবে। বিএনপি সরকার মার্কা হলে অবহেলিত এলাকা উন্নত, বেকারত্ব কমবে, আধুনিক সড়ক, ব্রিজ, হাসপাতাল ও অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে দিঘলিয়া এক আধুনিক এলাকায় পরিণত হবে।

    বিভিন্ন স্থান থেকে আসা নেতাকর্মী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন, যেমন জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক খান জুলফিকার আলি জুলু, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোল্লা সাইফুর রহমান মিন্টু, অর্থাৎ স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতা-কর্মীরা।

  • খুলনা নদ-নদী থেকে অর্ধশতাধিক লাশ উদ্ধার, হত্যার রহস্য রহস্য উন্মোচন হয়নি

    খুলনা নদ-নদী থেকে অর্ধশতাধিক লাশ উদ্ধার, হত্যার রহস্য রহস্য উন্মোচন হয়নি

    খুলনা জেলা বিএনপি’র আহবায়ক মোঃ মনিরুজ্জামান মন্টু বলেছেন, দেশের মানুষের মধ্যে দেড় যুগ পর আবারও নির্বাচনের উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে আওয়ামী লীগ লকডাউনের নামে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করছে, যা সরকারের ভিতরে থাকা স্বতঃস্ফূর্ত গণতান্ত্রিক পরিবেশকে ব্যাহত করছে। ঐক্যবদ্ধভাবে সন্ত্রাসী গ্রুপের এই অপকর্মের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিবাদ জানান তিনি। আওয়ামী লীগ ইন্ধনে দেশের বিভিন্ন এলাকাতে অরাজকতা, নৈরাজ্য ও খুনের ঘটনা বেড়েই চলেছে এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উদাসীনতার কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিক দিয়ে এগোচ্ছে়। তিনি আরও বলেন, গত ১৬ বছর ধরে গড়ে উঠা অন্ধকারাচ্ছন্ন ফ্যাসিবাদী সন্ত্রাসীদের দ্বারা দেশবাসীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে, যাতে সুষ্ঠু নির্বাচন বাধাগ্রস্ত হয়। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের মানুষ এই সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে ইনশাআল্লাহ। এই মন্তব্য করেন তিনি, খুলনার জিরো পয়েন্ট এলাকায় শনিবার বিকালে এক বিক্ষোভ মিছিলের পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে তারা খুলনার আইন-শৃঙ্খলার অবনতি, খুন, ছিনতাই ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়।

  • মায়ের কোলই সন্তানের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়

    মায়ের কোলই সন্তানের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়

    বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, সন্তানের প্রথম শিক্ষা স্থানের নাম হলো মায়ের কোলে। সন্তানের ভালোবাসার স্পর্শে মায়ের চোখে যে অশ্রু ঝরে, তা অত্যন্ত মূল্যবান এবং অকৃত্রিম। গতকাল মঙ্গলবার সকালে খুলনার বঙ্গবাসী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মা দিবসের উপলক্ষে আয়োজিত এক ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা মঞ্চে উঠে তাঁদের মায়েদের পা ধুয়ে দেয়, যা পুরো পরিবেশটিকে এক আবেগঘন ও স্মরণীয় মুহূর্তে রূপান্তর করে। বকুল বলেন, মায়ের চোখের জল সাধারণ নয়; এটি ভালোবাসার অমূল্য প্রকাশ। একজন মা কতটা আবেগাপ্লুত হন তা ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব। তিনি আরও বলেন, এই ধরনের অনন্য আয়োজন নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, জীবনে যত বড়ই হও না কেন, মনে রাখো যে প্রতিটি সাফল্যের পেছনে মা-ই থাকেন, তার ত্যাগ, দোয়াসহ নিঃস্বার্থ ভালোবাসা। শুধু মা দিবসেই নয়, প্রতিদিন মা কে সম্মান জানানো শিখো। বঙ্গবাসী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের উদ্যোগকে তিনি ‘যুগান্তকারী’ বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, যে সমাজে মায়ের সম্মান সর্বোচ্চ স্থান পায়, সেই সমাজ কখনও পিছিয়ে যেতে পারে না। অনুষ্ঠান শেষে বক্তারা শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকদের মধ্যে আলোচনা করেন। এতে অংশ নেন সহকারী প্রধান শিক্ষক লুৎফর রহমান, গার্ডিয়ানের সাবেক সভাপতি মৃধা জামাল হোসেনসহ অন্যান্য শিক্ষক ও অভিভাবকগণ। এই কর্মসূচি পুরো পরিবেশে এক আবেগপূর্ণ ও আনন্দময় মুহূর্তে সম্পন্ন হয়। পরে রকিবুল ইসলাম বকুল দৌলতপুর মুহসীন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের এসএসসি ২০২৫ সালের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন। এ সময় মহানগর বিএনপি সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা উপস্থিত ছিলেন।

  • আমরা শান্তিময় বাংলাদেশ চাই

    আমরা শান্তিময় বাংলাদেশ চাই

    বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করে তোলার এবং ভবিষ্যত নির্বাচনকে বানচাল করার চক্রান্তের বিরুদ্ধে জনগণের ঐক্যবদ্ধ রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন নেতাকর্মীরা। আজ মঙ্গলবার খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, দেশের সার্বভৌমত্বের উপর কখনো কোনো চাপ বা অঙ্গীকার মানা যায় না। দেশের সর্বোচ্চ সার্বভৌম শক্তি হলো জাতীয় সংসদ, যেখান দিয়ে মানুষ প্রার্থী নির্বাচন করে তাদের প্রতিনিধি মনোনীত করে। জনগণ ভোটের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। তিনি আরো বলেন, আমরা চাই একটি শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ, যেখানে সকল মতের মানুষ اپنی মতামত সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে পারবে এবং ভোটযন্ত্রের মাধ্যমে অবাধ, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

    গতকাল মঙ্গলবার সকালে নগরীর ২৩নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি মরহুম এড. মহসীন মোল্লা, সাবেক সহ-সভাপতি মরহুম আব্দুস সাত্তার পিনু, সাবেক মন্ত্রী মরহুম এস এম আমজাদ হোসেন, মরহুম মমিন উদ্দিন, বিশিষ্ট সমাজসেবক মরহুম টগর কাজী, এনজিও ব্যক্তিত্ব মরহুম কাজী ওহেদুজ্জামান সহ বেশ কিছু পরিবারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে যান এবং তাদের পরিবারের স্বাস্থ্যের খোঁজ নেন। পাশাপাশি অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা খেজের আহমেদ, ক্রীড়া সংগঠক ইকবাল হোসেন, অধ্যাপক ফকির রেজাউদ্দিন, জনকল্যাণ সংস্থার সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান ও অন্যান্য পরিবারের সদস্যদের সাথে দেখা করে তাদের সুস্থতা কামনা করেন এবং দোয়া চান।

    এ সময় তারা থানা, ওয়ার্ড, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন। সাক্ষাৎকালে নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, বিএনপি দেশের আইনশৃঙ্খলা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এই সংকটময় সময়ে জনগণকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে গুম, খুন এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার শহীদদের আত্মারা শান্তি পাবে, তাদের পরিবার পরিজনদের ক্ষোভ কিছুটা হলেও প্রশমিত হবে। তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ছাত্র গণঅভ্যুত্থানে দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিদায় নিয়ে শান্তিপূর্ণ ও স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য সবাই একত্রে কাজ করবে।

    সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদসহ আরও অনেক নেতাকর্মী ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। তারা সবাই নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে আন্তরিক শুভকামনা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

  • বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে সাড়ে ১৩ হাজার টন চাল আমদানির নজির

    বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে সাড়ে ১৩ হাজার টন চাল আমদানির নজির

    ভারতীয় পেট্রাপোল বন্দরের মাধ্যমে বাংলাদেশে চালের আমদানি আবার শুরু হয়েছে। গত ২১ আগস্ট প্রথম চালান হিসেবে নয়টি ট্রাকে ৩১৫ মেট্রিক টন চাল বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। এরপর একে একে গত ৮৮ দিনে প্রায় ১৪৫টি চালান, মোট ১৩ হাজার ৫২৮ মেট্রিক টন মোটা চাল বেনাপোল বন্দরে পৌঁছেছে। এই সময়ের মধ্যে ৩৯৫টি ট্রাকের মাধ্যমে চাল আমদানি হয়েছে।

    দেশের বাজারে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাংলাদেশ সরকার সব বন্দর দিয়ে চাল আমদানি করতে অনুমতি দেয়। ফলে অগাস্টে ১২৬০ মেট্রিক টন, সেপ্টেম্বরেআ ৫ হাজার ৪৩৫ মেট্রিক টন, অক্টোবারে ৫ হাজার ১৮৮ মেট্রিক টন আর নভেম্বরে ১৬৪৫ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়। আমদানির এসব চাল বেনাপোলের কাস্টমস হাউজে চার থেকে পাঁচটি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট কাজ করে চালের খালাস প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে।

    সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট বাবলুর রহমান জানান, ‘চাল আমদানি শুরু থেকে আমরা কাস্টমসের মাধ্যমে চালের ছাড়করণের কাজ করে আসছি। ২১ আগস্ট থেকে আবার ভাইয়া এন্টারপ্রাইজের মাধ্যমে চালের আমদানি শুরু হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘চাল আসার পরিমাণ কিছুটা কমে গেছে, তবে বিভিন্ন বন্দর দিয়ে চালের আমদানি অব্যাহত থাকায় বাজার স্থিতিশীল। যদি এই ধারা অব্যাহত থাকে, তবে চালের দাম তেমন পরিবর্তনের কারণে উদ্বিগ্ন হওয়ার দরকার নেই।’

    বেনাপোল আমদানি রফতানিকারক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মহসিন মিলন বলেন, ‘চাল আমদানির পরিমাণ গত আগস্ট থেকে বেড়ে গেছে। তবে বর্তমানে এটি কিছুটা কমে এসেছে। দেশের অন্য বন্দরে চালের আমদানি চালিয়ে গেলে বাজারের পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকবে ও চালের দাম স্বাভাবিক পর্যায়ে থাকবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘কৃষকরা ধান কাটতে শুরু করেছে, ফলে বাজারে নতুন ধান আসার সঙ্গে করেও চালের দাম কমবে, যা বাজারের চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে।’

    বেনাপোলের উদ্ভিদ সংরক্ষণ কেন্দ্রের উপসহকারী কর্মকর্তা শ্যামল কুমার নাথ জানিয়েছেন, ‘তিন মাসে ভারত থেকে ১৪৫টি চালানে ট্রাকের মাধ্যমে মোট ১৩ হাজার ৫২৮ মেট্রিক টন চাল বেনাপোল বন্দরে এসেছে। আমদানির চাল পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে দ্রুত খালাসের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

  • সোনার দাম ভরিতে কমলো ৫ হাজার ৪৪৭ টাকা

    সোনার দাম ভরিতে কমলো ৫ হাজার ৪৪৭ টাকা

    দেশের বাজারে কয়েক দফা মূল্য বৃদ্ধি শেষে হঠাৎ করে সোনার দাম এসে পড়েছে অন্যরকম এক পরিস্থিতিতে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আজ শনিবার (১৫ নভেম্বর) রাতের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ভরে কমে হয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা, যা পূর্বে নির্ধারিত ছিল ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা। এই দাম পরিবর্তন আগামীকাল রোববার থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুসের মতে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা সর্বোচ্চ মানের সোনার দামটি কমে যাওয়ায়, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন থেকে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দামে সবচেয়ে ভালো মানের বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা। একই সাথে, ২১ ক্যারেটের দামে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য নির্ধারিত দামে এখন ইয়াকটা ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৯৯ টাকা। এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার রেট এখন প্রতি ভরি ১৪১ হাজার ৭১৭ টাকা।

    উল্লেখ্য, এর আগে ১৩ নভেম্বর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল যে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ছিল ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা, ২১ ক্যারেটে ছিল দুই লাখ ৪ হাজার, ১৮ ক্যারেটের দাম ছিল ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার মূল্য ছিল ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫২০ টাকা।

    বাজুস জানিয়েছে, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে অবশ্যই সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের নির্ধারিত ৬ শতাংশ মিনিমাম মজুরি যোগ করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানের ভেদে মজুরির বিভিন্নতা থাকতে পারে।

    অপরদিকে, সোনার দাম কমলেও রূপার দামে কোনো পরিবর্তন আসেনি। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ২৪৬ টাকায়, ২১ ক্যারেটের জন্য দামের হার ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম এখন ২ হাজার ৬০১ টাকা।

  • বাংলাদেশের মোট ঋণের পরিমাণ ২১ লাখ কোটি টাকা ছাড়াল

    বাংলাদেশের মোট ঋণের পরিমাণ ২১ লাখ কোটি টাকা ছাড়াল

    দীর্ঘ দিন ধরে বাজেটে আয় কম থাকায় এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর কারণে বাংলাদেশ সরকার প্রথমবারের মতো মোট ঋণের পরিমাণ ২১ ট্রিলিয়ন টাকা বা ২১ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার অর্থ বিভাগের ঋণ বুলেটিনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়, যেখানে জানানো হয়, জুন শেষে এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক ৪৪ ট্রিলিয়ন টাকায়। যা এক বছর আগে ছিল ১৮ দশমিক ৮৯ ট্রিলিয়ন টাকা, অর্থাৎ প্রায় ১৪ শতাংশ বৃদ্ধি।

    বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ এখন ৯ দশমিক ৪৯ ট্রিলিয়ন টাকা, যা মোট ঋণের প্রায় ৪৪.২৭ শতাংশ। বিগত পাঁচ বছর ধরে বৈদেশিক ঋণ ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২১ সালে এর পরিমাণ ছিল ৪ দশমিক ২০ ট্রিলিয়ন টাকা, যা মোট ঋণের প্রায় ৩৭ শতাংশ।

    অভ্যন্তরীণ ঋণও বৃদ্ধি পেয়েছে, যা গত অর্থবছরে ছিল ১০ দশমিক ৭৬ ট্রিলিয়ন টাকা। বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ৯৫ ট্রিলিয়ন টাকা। ২০২১ সালে অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ ছিল ৭ দশমিক ২২ ট্রিলিয়ন টাকা।

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বৈদেশিক ঋণের বৃদ্ধির হার অভ্যন্তরীণ ঋণের চেয়ে দ্বিগুণের বেশি। অর্থমন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, করোনার মহামারির পর থেকে উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলো থেকে প্রাপ্ত বাজেট সহায়তা এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, ঢাকা মেট্রো রেল, এবং মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের মতো বড় বড় প্রকল্পে ব্যাপক খরচের কারণেই এই ঋণের পরিমাণ বেড়েই চলেছে।

  • ২০২৬ সালে ব্যাংক বন্ধের দিন কত থাকবে জানা গেল

    ২০২৬ সালে ব্যাংক বন্ধের দিন কত থাকবে জানা গেল

    আগামী বছর, অর্থাৎ ২০২৬ সালে, মোট ২৮ দিন ব্যাংক বন্ধ থাকতে পারে, যা বাংলাদেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা ও দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ছুটির দিনগুলোর সমন্বয়ে নির্ধারিত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব সাইড সুপারভিশন আজ রোববার (১৬ নভেম্বর) এই ছুটির তালিকা প্রকাশ করেছে, যা সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা ও প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

    নতুন তালিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে প্রথম ব্যাংক বন্ধ থাকবে শবে-বরাতের দিন ৪ ফেব্রুয়ারি। এরপর ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে। ১৭ মার্চ অনুষ্ঠিত হয় শবে কদর, সেই দিনও ব্যাংক বন্ধ থাকবে। ঈদুল ফিতর উদযাপনে ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত ব্যাংক বন্ধ থাকবে, যেখানে ঈদের আগে ও পরে ব্যাংক বন্ধ থাকবে, যার মধ্যে দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটি ছিল।

    অন্যদিকে, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপনের জন্য ব্যাংক বন্ধ থাকবে। চৈত্র সংক্রান্তি উৎসবের জন্য রাঙামাটিসহ কয়েকটি পার্বত্য জেলার জন্য ১৩ এপ্রিল বিশেষ ছুটি ঘোষণা হয়েছে। বাংলা নববর্ষের শুভ সূচনা হিসেবে ১৪ এপ্রিল ব্যাংক বন্ধ থাকবে। মে দিবস ও বুদ্ধপূর্ণিমার জন্য ১ মে ব্যাংক বন্ধ থাকবে।

    ঈদুল আজহার জন্য ২৬ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ব্যাংক বন্ধের দিন থাকবে, যেখানে দুদিন সাপ্তাহিক ছুটি পড়েছে। এছাড়া, ২৬ জুন আশুরার উপলে ও ১ জুলাই ব্যাংক ছুটি থাকবে। অন্য গুরুত্বপূর্ণ দিবসগুলো হলো, ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের দিন, ২৬ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবী, ৪ সেপ্টেম্বর জন্মাষ্টমী, ২০ ও ২১ অক্টোবর দুর্গাপূজা, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস, ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন, এবং ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংক বন্ধ থাকবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এই ছুটির তালিকা কার্যকর হবে জনপ্রশাসন মন্ত্রীালয়ের ৯ নভেম্বরের প্রজ্ঞাপনের ওপর ভিত্তি করে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে ব্যাংকে মোট ২৪ দিন ছুটি ছিল এবং ২০২৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ২৭ দিন। আর ২০২৬ সালে এটি আরও বৃদ্ধি পেয়ে ২৮ দিন হবে।

  • স্মারক স্বর্ণ ও রূপার মুদ্রার দাম বাড়ল

    স্মারক স্বর্ণ ও রূপার মুদ্রার দাম বাড়ল

    আন্তর্জাতিক ও দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামের ধারাবাহিক বৃদ্ধি দেখিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন দাম নির্ধারণ করেছে। মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন্স অ্যান্ড পাবলিকেশন্স এই বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্মারক স্বর্ণের (বাক্সসহ) নতুন বিক্রয়মূল্য হয়েছে ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা, যা আগে ছিল ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা। পাশাপাশি, স্মারক রূপার (বাক্সসহ) দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ হাজার টাকা, এর আগে এই দাম ছিল ৮ হাজার ৫০০ টাকা।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারের দামের ওঠানামার কারণে এই মূল্যসমন্বয় করা হয়েছে। এই নতুন দাম ১৭ নভেম্বর ২০২৫ থেকে কার্যকর হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের সাধারণ জনগণ, ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যমকে এ তথ্য সঠিকভাবে প্রচার করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।

    অন্যদিকে, দেশের বাজারে ভরি প্রতি স্বর্ণের মূল্যও বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকায়, ২১ ক্যারেট ১ লাখ ৯৮ হাজার ৮০১ টাকায়, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৯৯ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ভরি প্রতি ১ লাখ ৪১ হাজার ৭১৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

  • সোনার দাম আবার কমলো

    সোনার দাম আবার কমলো

    দেশের বাজারে আবারও কমেছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আজ মঙ্গলবার রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এবার ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ভরিতে ১ হাজার ৩৬৪ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে এটি ২ লাখ ৬ হাজার ৯০৭ টাকায় পৌঁছেছে, যা আগের নির্ধারিত দাম ছিল ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা। এই নতুন দাম আগামীকাল বুধবার থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুস জানিয়েছে, দেশের বাজারে তেজাবি সোনার দাম কমে গেলে, সামগ্রিক অর্থনীতির পরিস্থিতির বিবেচনায় এই মূল্য হ্রাস করা হয়েছে। গত ১৫ নভেম্বরের নির্বাচিত দামে দেখা গেছে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ছিল ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ছিল ১ লাখ ৪১ হাজার ৭১৭ টাকা।

    বাজুস আরও জানিয়েছে, সোনার বিক্রয়মূল্যতে সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুসের ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি যোগ করতে হবে। তবে গহনা ডিজাইন ও মান অনুযায়ী মজুরির শতাংশে ভিন্নতা থাকতে পারে।

    অপরদিকে, রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হয় ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৪০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৬০১ টাকায়।