Blog

  • নির্বাচিত সরকারই পারে জনগণের প্রকৃত সমস্যার সমাধান

    নির্বাচিত সরকারই পারে জনগণের প্রকৃত সমস্যার সমাধান

    জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার ছাড়া মানুষের মূল সমস্যা কোনোদিনই সমাধান হবে না—এই কথা বলেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল। তিনি বলেন, দেশের মানুষ আজ সুস্থভাবে জীবনযাপন করতে পারছেন না কারণ বর্তমান বা পূর্ববর্তী কোনো সরকারই ভোটে নির্বাচিত হয়নি। একটি নির্বাচিত সরকারই জনগণের কাছে জবাবদিহিতার মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন তথা সমস্যার সমাধান নিশ্চিত করতে পারে।

    বুধবার বিকালে নগরীর খালিশপুর থানার আলমনগর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নবনির্বাচিত পরিষদ ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, আমাকে যখন বলা হয়, ভালো আছি—আসলে আমরা যতটা ভালো থাকার কথা, ততটা পরিবার, ব্যবসা ও শ্রমিকেরা ভালো নেই। বেকার যুবক, ব্যবসায়ীরা এবং শ্রমিক সমাজ আজ সংকটে পড়েছে কারণ অনির্বাচিত সরকার দেশের কল্যাণে কাজ করতে ব্যর্থ হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, অতীতে যে সরকার ছিল, তারা নির্বাচিত ছিল না, এখনকার সরকারও আসলে নির্বাচনপ্রার্থী নয়। এই অপ্রতিনিধিত্বশীল সরকার জনগণের স্বার্থ রক্ষা করতে পারে না। তারা আমাদের বন্ধ মিলে কাজ করতে পারেনি, শ্রমিকদের কর্মসংস্থান দিতে পারেনি, শিক্ষিত তরুণদের জন্য কর্মক্ষেত্র তৈরি করতে সক্ষম হয়নি এবং বাজারে নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেনি।

    সমাধানের জন্য তিনি বলেন, ভোটে নির্বাচিত সরকারই হবে মূল প্রতিশ্রুতিশীল। তারা হলে বন্ধ ব্যাবসাগুলি পুনরায় চালু হবে, চাকরি বাড়বে, ঘরে ঘরে সাশ্রয়ী মূল্যেসামগ্রী পৌঁছাবে এবং চিকিৎসা ও শিক্ষার মানোন্নয়ন ঘটবে। এ জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বকুল বলেন, ইনশাল্লাহ, সকলকেই সতর্ক থাকতে হবে এবং ভোটের মাধ্যমে নিজের পছন্দের সরকার নির্বাচিত করতে হবে, যারা সত্যিই জনগণের সমস্যা সমাধানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন আলমনগর বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ বাহারুল ইসলাম বাহার। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, খালিশপুর থানা বিএনপি’র সভাপতি এড. শেখ মোঃ আলী বাবু, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বিশ্বাস। সভায় সঞ্চালনা করেন আলমনগর বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এফ. এম. হাদিউজ্জামান আরিফ। আরও উপস্থিত ছিলেন আলমনগর বাজার বনিক সমিতির সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক আঃ সালাম মোল্লা, ১৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি কাজী একরাম মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক গাজী মোঃ সালাহউদ্দিন, ১৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল কালাম ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

  • কলারোয়া উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান লাল্টু ঢাকায় গ্রেফতার

    কলারোয়া উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান লাল্টু ঢাকায় গ্রেফতার

    সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টুকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। বুধবার (১৯ নভেম্বর) রাত পৌনে ১১টার দিকে ঢাকার মোহাম্মদপুরের তাঁর বাসা থেকে ডিবি পুলিশের সাদা পোশাকধারী কয়েকজন ব্যক্তি তাকে তুলে নিয়ে যান। এ ঘটনা দেখে ফেসবুক লাইভে এসে তিনি নিজে জানিয়েছিলেন। তার বড় ছেলে আশিক জানান, স্থানীয় কিছু আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতা তার বাবাকে ধরিয়ে দেন।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা নিশ্চিত করেছেন, বাসায় ফেরার সময় সাদা পোশাকধারী ডিবি পুলিশ তার বাবাকে তুলে নিয়ে যায়। তার খালাতো ভাই জিল্লুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আগে থেকেই পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে মোহাম্মদপুরে থাকছিলেন লাল্টু। এর আগে ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি সেখানে বসবাস করছিলেন। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে এবং বহুল প্রত্যাশিত এই গ্রেফতারে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন মহলের মতামত প্রতিবেদন তৈরি হচ্ছে।

  • নবাগত বিভাগীয় কমিশনার কেসিসির প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন

    নবাগত বিভাগীয় কমিশনার কেসিসির প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন

    খুলনায় সদ্য যোগদানকারী নতুন বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মোখতার আহমেদ গতকাল বুধবার দুপুরে নগর ভবনে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মত কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। এই গুরুত্বপূর্ণ সভাটি অনুষ্ঠিত হয় শহিদ আলতাফ মিলনায়তনে। এতে সিটি কর্পোরেশনের সব বিভাগ ও শাখা প্রধানের সঙ্গে কেসিসি পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের শিক্ষকগণও উপস্থিত ছিলেন। সভার শুরুতে কর্মকর্তারা নবনিযুক্ত প্রশাসককে ফুলের তোরা দিয়ে অভিনন্দন জানান।

    সভায় কেসিসি’র রাজস্ব আদায়, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, এবং খুলনা মহানগরে মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া মোকাবেলাসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি আলোচনা হয়। বিভাগ ও শাখা প্রধানগণ তাদের সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের বিবরণ ও সাম্প্রতিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন। তারা বলেন, প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে কোনো বাধা নেই, এজন্য প্রশাসক প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবেন বলে আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশনকে একটি সেবা কেন্দ্র হিসেবে উন্নীত করতে হবে এবং নগরবাসীর প্রয়োজনীয় সেবা প্রদানের জন্য সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি, প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ প্রাইভেসির বিষয়েও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন, যেন তথ্য ও গোপনীয়তার লংঘন না হয়।

    সভার গুরুত্বপূর্ণ আলোচকদের মধ্যে ছিলেন কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শরীফ আসিফ রহমান, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কোহিনুর জাহান, পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবির উল জব্বার, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ শরীফ শাম্মীউল ইসলাম, বাজেট ও একাউন্টস অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান, নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আনিচুজ্জামান, শেখ মোঃ মাদুস করিম, কঞ্জারভেন্সী অফিসার প্রকৌশলী মোঃ আনিসুর রহমান, ভেটেরিনারী অফিসার ডাঃ পেরু গোপাল বিশ্বাস, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা এসকে এম তাছাদুজ্জামান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোল্লা মারুফ রশীদ, চীফ এ্যাসেসর শেখ হাফিজুর রহমান, এস্টেট অফিসার গাজী সালাউদ্দিন, বাজার সুপার শেখ শফিকুল হাসান, কেজি কাজী মোঃ ইমরুল হাসান, সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান রহিম, স্টোর সুপার উজ্জ্বল কুমার সাহা, নিরাপত্তা সুপার মোঃ আলমগীর কবির বিশ্বাস, লাইসেন্স অফিসার খান হাবিবুর রহমান ও মোঃ দেলওয়ার হোসেনসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের কর্মকর্তা ও নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তারা এসব আলোচনা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করে ভবিষ্যতের কার্যক্রমে সফলতা প্রত্যাশা করেন।

  • বাংলাদেশের মোট ঋণ ২১ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছেছে впервые

    বাংলাদেশের মোট ঋণ ২১ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছেছে впервые

    দীর্ঘদিন ধরে রাজস্ব আয় দুর্বলতা এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী উন্নয়ন ব্যয়ের কারণে বাংলাদেশের মোট ঋণের পরিমাণ আজ প্রথমবারের মতো ২১ লাখ কোটি টাকার পুরোটাই ছাড়িয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত অর্থ বিভাগের ঋণ বুলেটিনে জানানো হয়, জুনের শেষে মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক ৪৪ ট্রিলিয়ন টাকা, যা এক বছর আগে ছিল ১৮ দশমিক ৮৯ ট্রিলিয়ন টাকা। এর ফলে ঋণের পরিমাণে অতীতের তুলনায় প্রায় ১৪ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে।

    বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ এখন ৯ দশমিক ৪৯ ট্রিলিয়ন টাকা, যা মোট ঋণের ৪৪ দশমিক ২৭ শতাংশ। গত পাঁচ বছর ধরে বৈদেশিক ঋণ ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০২১ সালে এর পরিমাণ ছিল ৪ দশমিক ২০ ট্রিলিয়ন টাকা, যা মোট ঋণের প্রায় ৩৭ শতাংশ।

    অভ্যন্তরীণ ঋণও ব্যাপকভাবে বেড়েছে। গত অর্থবছরে যার পরিমাণ ছিল ১০ দশমিক ৭৬ ট্রিলিয়ন টাকা, আর এখন তা বেড়ে হয়েছে ১১ দশমিক ৯৫ ট্রিলিয়ন টাকা। ২০২১ সালে অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ ছিল ৭ দশমিক ২২ ট্রিলিয়ন টাকা।

    বিশ্লেষণে দেখা যায়, বৈদেশিক ঋণের ফলে অভ্যন্তরীণ ঋণের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এর প্রধান কারণ হিসেবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, করোনার মহামারির পর উন্নয়ন সহযোগী দেশের কাছ থেকে পাওয়া বাজেট সহায়তা, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, ঢাকা মেট্রো রেল, মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ বড় বড় প্রকল্পের জন্য ব্যাপক ব্যয়।

  • ২০২৬ সালে কত দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে জানাল বাংলাদেশ ব্যাংক

    ২০২৬ সালে কত দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে জানাল বাংলাদেশ ব্যাংক

    আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালে বাংলাদেশে মোট ২৮ দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংক এই ছুটির তালিকা ঘোষণা করেছে, যা সব তফসিলি ব্যাংকের জন্য প্রযোজ্য। আজ রোববার (১৬ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব সাইড সুপারভিশন এই তালিকা প্রকাশ করে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা ও প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে।

    নতুন এই তালিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে প্রথম ব্যাংক বন্ধ থাকবে শবে-বরাতের সুযোগে, ৪ ফেব্রুয়ারি। এরপর ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের দিন। মার্চ মাসে শবে কদর উপলক্ষে ১৭ মার্চ ব্যাংক বন্ধ থাকবে। ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে ব্যাংক Read More ১৯ থেকে ২৩ মার্চ তারিখে বন্ধ থাকবে। ঈদের আগে ও পরে দুটি দিন—ঈদের দিন ও ঈদের পরের দুই দিন— ব্যাংক বন্ধ থাকবে। স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের দিন ২৬ মার্চ ব্যাংক বন্ধ থাকবে।

    চৈত্র সংক্রান্তি, বিশেষ করে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের পার্বত্য অঞ্চলের জন্য, ১৩ এপ্রিল। বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে ১৪ এপ্রিল ব্যাংক বন্ধ থাকবে। মে দিবস ও বুদ্ধপূর্ণিমার ছুটিতে ১ মে ব্যাংক বন্ধ থাকবে। ঈদুল আজহার জন্য ২৬ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ব্যাংক বন্ধ থাকবে, যেসব দিন দুটির মধ্যে দুজন সাপ্তাহিক ছুটি পড়েছে।

    আশুরা, ২৬ জুন ও একদিনের জন্য ব্যাংক হলিডে—১ জুলাই। গাংঅভ্যুত্থান দিবস ৫ আগস্ট। ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ২৬ আগস্ট। জন্মাষ্টমী ৪ সেপ্টেম্বর। দুর্গাপূজা ২০ ও ২১ অক্টোবর। বিজয় দিবস ১৬ ডিসেম্বর। বড়দিন ২৫ ডিসেম্বর। এবং বছরের শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংক বন্ধ থাকবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ৯ নভেম্বরের প্রজ্ঞাপনের ভিত্তিতে এই ছুটির তালিকা কার্যকর হবে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে ব্যাংকে ছুটি ছিল ২৪ দিন, ২০২৫ সালে ২৭ দিন—এবার তা আরও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮ দিনে।

  • স্মারক স্বর্ণ ও রুপার মুদ্রার দাম বেড়েছে

    স্মারক স্বর্ণ ও রুপার মুদ্রার দাম বেড়েছে

    আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামের বৃদ্ধি দেখা যাওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আজ স্মারক স্বর্ণ এবং রূপার মুদ্রার মূল্য পুনঃনির্ধারণ করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন্স অ্যান্ড পब्लিকেশন্স এ বিষয়ক একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্মারক স্বর্ণ মুদ্রার (বাক্সসহ) নতুন বিক্রয় মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা, যা আগের মূল্য ছিল ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা। একইভাবে, স্মারক রুপার মুদ্রার (বাক্সসহ) নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ হাজার টাকা, যেটা আগে ছিল ৮ হাজার ৫০০ টাকা।

    বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, আন্তর্জাতিক ও বাজারের অনুকূল পরিস্থিতির কারণে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন দামে এই মুদ্রাগুলি বিক্রি শুরু হবে ১৭ নভেম্বর ২০২৫ থেকে। ব্যাংকটি দেশের জনগণ ও গণমাধ্যমকে এ তথ্য যথাযথভাবে প্রচার করতে অনুরোধ জানিয়েছে।

    অন্যদিকে, দেশের দেশের স্বর্ণের বাজারেও দাম বেড়েছে। বর্তমানে ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম বিভিন্ন ক্যারেট অনুযায়ী এই ধরনের রয়েছে: ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকায়, ২১ ক্যারেট ১ লাখ ৯৮ হাজার ৮০১ টাকায়, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৯৯ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতিতে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৭১৮ টাকায়।

  • সোনার দামে বড় উত্থান: দুই দফা কমানোর পর আবার মাত্র এক দিনেই বড় বৃদ্ধি

    সোনার দামে বড় উত্থান: দুই দফা কমানোর পর আবার মাত্র এক দিনেই বড় বৃদ্ধি

    দেশের বাজারে সোনার দাম জোরদারভাবে বেড়ে গেলো, যা বিভিন্ন পর্যায়ে ছিলো অস্থিরতা ও পরিবর্তনের সাক্ষ্য। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) আজ বুধবার (১৯ নভেম্বর) ঘোষণা করেছে, সোনার মূল্য একрыгেই উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। পূর্বে যা কিছু কমানো হয়েছিলো, তার পরিমাণ ছিলো সর্বোচ্চ এক হাজার ৩৬৪ টাকা প্রতি ভরি। কিন্তু মাত্র একদিনের মধ্যেই, অর্থাৎ মঙ্গলবারের কমানোর পরদিনই, দাম আবার প্রায় দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়িয়েছে—অর্থাৎ ২১২৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ কারণে, ভালো মানের ২২ ক্যারেটের সোনার দাম এখন আড়াই লাখের বেশি, নির্দিষ্টভাবে বললে দুই লাখ ৯ হাজার ৫২০ টাকা প্রতি ভরি।

    বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ মূল্যবৃদ্ধির মূল কারণ হলো বৈশ্বিক বাজারে সোনার দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় বাজারেও তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দামের বৃদ্ধির প্রভাব। আন্তর্জাতিক বাজারে এখন প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ১০০ ডলার ছুঁই ছুঁই করছে। এর ফলে, দেশের বাজারে সোনার মূল্য সমন্বয় করে নেওয়া হয়েছে।

    নতুন দামের তালিকা অনুযায়ী, শ্রেষ্ঠ মানের বা ২২ ক্যারেটের সোনার এক ভরি দাম এখন ২ লাখ ৯ হাজার ৫২০ টাকা, আর ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩ টাকা। এর পাশাপাশি, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার ৪২৬ টাকা, আর সনাতন পদ্ধতিতে তৈরি সোনার এক ভরি দাম এখন ১ লাখ ৪২ হাজার ৫৯২ টাকা।

    যদিও সোনার দামের এই বড় পরিবর্তনের মধ্যেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম এখনও ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২ হাজার ৬০১ টাকা। এই পরিবর্তনগুলো দেশের স্বর্ণ ও রুপার বাজারে অস্থিরতা ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রতিফলন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

  • সোনার দাম আরও কমলো

    সোনার দাম আরও কমলো

    দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও উল্লেখযোগ্য ভাবে হ্রাস পেয়েছে সোনার মূল্য। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আজ বুধবার একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৬ হাজার ৯০৭ টাকায়, যা আগে ছিল ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা। অর্থাৎ, এক ভরি সোনার দাম কমেছে ১ হাজার ৩৬৪ টাকা। এই মূল্য পরিবর্তন আজ থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুসের ঘোষণা অনুযায়ী, মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) রাতে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা উচ্চমানের সোনার দামে এই কমতি দেখা গেছে। তাদের মতে, বাজারের সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য, এর আগে ১৫ নভেম্বর ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারিত হয়ছিল ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা। একই সময়ে অন্যান্য মানের সোনার দামে ছিল: ২১ ক্যারেটের এক ভরি ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার এক ভরি ছিল ১ লাখ ৪১ হাজার ৭১৭ টাকা।

    বাজুস জানিয়েছে, সোনার বিক্রয়মূল্যের উপর অবশ্যই সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুসের নির্ধারিত ৬ শতাংশ মজুরি যোগ হতে হবে। তবে গহনা তৈরির ডিজাইন ও মানের ভেদে মজুরির পার্থক্য হতে পারে।

    অপরদিকে, রুপার দামের ক্ষেত্রে কোনও পরিবর্তন হয়নি। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপার মূল্য এখনও ৪ হাজার ২৪৬ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপা ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপা ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২ হাজার ৬০১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

  • ইসির নিজস্ব কর্মকর্তা হোক রিটার্নিং অফিসার: মঈন খান

    ইসির নিজস্ব কর্মকর্তা হোক রিটার্নিং অফিসার: মঈন খান

    নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর সংলাপে অংশ নিয়ে নির্বাচননী আচরণবিধি, প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয় ও স্বচ্ছ নির্বাচনের প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেন, নির্বাচন পরিচালনা এবং রিটার্নিং অফিসার নিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারের কাছ থেকে লোকবল নেওয়া এড়িয়ে, নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব লোকবল দিয়ে এই দায়িত্ব পালন করা উচিত। এর ফলে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা আরও বাড়বে।

    বুধবার (১৯ নভেম্বর) নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে জাতীয় সংলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন। ড. মঈন খান বলেন, এই ধরনের সংলাপ নতুন বিষয় নয়; এর আগে বিভিন্ন সময় আমরা এগুলোর মাধ্যমে কিছু সফলতা ও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছি। তবে সংলাপের প্রক্রিয়াকে স্বাগত জানাই।

    প্রার্থীদের করণীয় বিষয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি আবেদনকারীকে অবশ্যই নিয়মনীতি মেনে নির্বাচনে অংশ নিতে হবে। আচরণবিধির প্রতিপালন করা বাধ্যতামূলক। এটি নিয়ে কোনো দ্বিমত নেই।

    তফসিলের বিষয়ে তার কঠোর অবস্থান না থাকলেও তিনি জানিয়েছেন যে, তিনি অনুমান করেন, তফসিলের বাইরে যাওয়ার সুযোগ কম। তিনি আরও যোগ করেন, আমরা এর জন্য কিছু পরামর্শ দিয়েছিলাম, কিন্তু সব কিছু বাস্তবায়নে এখনও দেখিনি।

    নিয়মনীতি প্রণয়নের বিষয়ে তিনি ভিন্নমত ব্যক্ত করে বলেন, যতই অঙ্গীকারনামা নেওয়া হোক, যদি নিজস্ব পরিবর্তন না আসে, তবে তা কার্যকর হবে না। এই ধরনের অঙ্গীকারনামায় শাস্তির স্পষ্ট বিধান থাকা দরকার, কারণ নিয়ম লঙ্ঘন বাড়তেই থাকবে।

    বর্তমানে কথাবার্তা ও মতবিনিময় পরিবেশে প্রযুক্তির বিভিন্ন দিক নিয়ে তিনি আলোচনা করেন। তিনি বলেন, আধুনিক যুগে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) ও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ভুল তথ্য বা মিসইনফরমেশন ছড়ানোর বিষয়টি উদ্বেগজনক। বাকস্বাধীনতা থাকা জরুরি, তবে এর অপব্যবহার রুখতে দায়িত্বশীলতার উপর গুরুত্ব দেন তিনি।

    তিনি বলেন, দেশ এখন একটি সংকটকাল অতিক্রম করছে, এ সময়ে ইসি-র ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের ক্ষমতা যথাযথভাবে ব্যবহার করে স্বচ্ছ নির্বাচন পরিচালনা করতে হবে। ইসি তাদের নিজস্ব লোকবল থেকে রিটার্নিং অফিসার নিয়োগের দাবি জানান তিনি, কারণ এতে যে গুণগত পরিবর্তন আসবে, তা দেশের রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।

    ড. মঈন খান জানান, নিয়ম ভাঙলে তা মহামূখ্য হয় না। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর, আচরণবিধি মেনে চলার ব্যাপারে তিনি বলেন, স্বাধীনতা মানে সবকিছু করে ফেলা নয়; এ জন্য কিছু নিয়মকানুনের ভেতর থেকে কাজ করতে হয়।

    অঙ্গীকারনামা দেওয়ার নিয়মের বিষয়ে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করে বলেন, তিনি নিজে অনেক নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, কিন্তু কখনো অঙ্গীকারনামা দিয়েছেন বলে মনে পড়ে না। তিনি সতর্ক করে দেন, যদি নিজের আচরণ নিয়ন্ত্রণে না থাকে, তবে অঙ্গীকারনামা কেবলই ভিত্তিহীন হয়। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন যাতে নিয়মকানুন সহজ ও সরল করে দেয়, যাতে মানুষ সচেতন ও সঠিক পথে থাকতে উৎসাহ পায়, এ বিষয়ে তিনি পরামর্শ দেন।

    প্রযুক্তির ব্যবহারে তিনি স্বীকার করেন, নিজে একজন প্রযুক্তিবিদ না হলেও তিনি এআই ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত ভুল তথ্য নিয়ে উদ্বিগ্ন। তিনি আরও বলেন, বাকস্বাধীনতা থাকা অবশ্যই জরুরি, তবে এর অপব্যবহার রোধে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে হবে।

    সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা, সম্প্রদায়ের মধ্যে বৈষম্য না থাকা এবং ধর্মীয় উপাসনালয়কে রাজনৈতিক প্রভাবের জন্য ব্যবহার না করার বিষয়ে তিনি একমত। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ধর্মকে কেবলমাত্র রাজনীতির কারণ হিসেবে ব্যবহার হওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

    সবশেষে, তিনি পুনরায় উল্লেখ করেন, নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা ও রিটার্নিং অফিসার নিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারের বাইরে থেকে লোক নেওয়ার পরিবর্তে, কমিশনের নিজস্ব নিয়োগে জোর দেন। এতে দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও গুণগত মানসম্পন্ন হবে বলে তিনি মনে করেন। তিনি বলেন, ইসি যেন তাদের সাংবিধানিক ক্ষমতা সাহস ও দৃঢ়তার সঙ্গে ব্যবহার করে, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

  • মির্জা ফখরুলের আহ্বান: গণতন্ত্র রক্ষায় মব ভায়োলেন্স থেকে সরে আসার প্রয়োজন

    মির্জা ফখরুলের আহ্বান: গণতন্ত্র রক্ষায় মব ভায়োলেন্স থেকে সরে আসার প্রয়োজন

    দেশে সত্যিকারভাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে ‘মব ভায়োলেন্স’ বা গুলির মাধ্যমে সমর্থন সংগ্রহের পথে এগোনো যাবে না—এই স্লোগান উচ্চারণ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো, অন্যের মতামতকে সহ্য করা। তিনি ব্যাখ্যা করেন, যে ব্যক্তি বলে, আমি নিজের কথা বলবো, কিন্তু অন্যের বক্তব্যকে মেনে নিতে পারি না; এসে অস্ত্রের মুখে দমন-পীড়ন চালানো, লাঠিচার্জ বা হামলা-লোটের মধ্য দিয়ে হয়তো কিছু সময়ের জন্য ক্ষমতা ধরে রাখা যায়, কিন্তু এটাই গণতন্ত্র নয়। এটা মনে রাখতে হবে, গণতন্ত্রের মূল চেতনা হলো, মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা করা—এবং সেটি অবাধে চালিয়ে যাওয়া। এই কথাগুলো বুধবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে গুলশানের লেকশোতে এক আলোচনা সভায় বলেন তিনি। এটি ‘চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে বিএনপি’ শীর্ষক গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসবের অংশ, যেখানে এর আগে গণঅভিযান নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্রও দেখানো হয়।

    মির্জা ফখরুল বলেন, “গণতন্ত্রের প্রধান সুর হলো, আমি অন্যের মতের প্রতি সম্মান সহকারে মেনে নিতে শিখি। আমি যদি আমার স্বাধীনতা কাজে লাগানোর জন্য চেষ্টা করি, তবে সেটি মানসম্পন্ন অবদান। তবে দুর্ভাগ্যবশত আমরা অনেক সময় অন্যের মতামতকে মানতে পারি না, বরং তাকে উপদ্রব করে উড়িয়ে দিতে চাই। আমাদের এই মনোভাব পরিবর্তন করে গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি তৈরিতে এগিয়ে আসতে হবে।” তিনি আরও যোগ করেন, “দেশে যদি সত্যিকার অর্থে স্থায়ী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চাই, তাহলে আমাদের অবশ্যই গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে হবে, যেমন বিচার ব্যবস্থা, মিডিয়া, পার্লামেন্ট—এসবের স্ব autónদ্ববতা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি, আইনের শাসন ও মানবাধিকার রক্ষা জরুরি।”

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, “অপরাধ ও বিশৃঙ্খলা যেখানে দেখা যায়, সেখানে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের পরিবর্তে কিছু মহল যেন পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করে তুলতে চাইছে। এই বিষয়গুলো আমাদের গভীরভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। যাতে বিভৃতি সৃষ্টি না হয় এবং সত্যের পথে থাকা যায়।” তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “বিএনপি কোনও বিপ্লবিক দল নয়; আমরা একজন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি। গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি এবং এর জন্য জীবন বাজি রেখে লড়াই করি। আমাদের গন্তব্য হলো, সব ধর্ম, বর্ণ, মতের মানুষের একসঙ্গে শান্তিপূর্ণ আর সুপ্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্র গড়ে তোলা।”

    আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগ নেতাদের কিছু রায়ের প্রসঙ্গ তুলে ধরে মির্জা ফখরুল কিছু হতাশার কথা বলেন, যেখানে ফ্যাসিস্ট সরকারের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার হচ্ছে, আবার একই সঙ্গে মব ভায়োলেন্স ও গুলির ঘটনা অব্যাহত থাকছে। তিনি বলেন, “এ ধরনের পরিস্থিতিতে একটি বিশেষ মহল হয়তো সরকারি রায়ের গুরুত্বকে ক্ষুণ্ণ করতে চাচ্ছে, যাতে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। আমাদের অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে।” তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, “আমরা সবাই জানি, বিএনপি কোনও বিপ্লবী দল নয়; আমরা লিবারেল ডেমোক্রেট পার্টি। গণতন্ত্রের জন্য কাজ করতে আমরা জোরপূর্বক লড়াই করি এবং আমাদের ভেতরে কোনও বিপ্লবের ধারণা নেই। এই দেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে এই অধিকার আদায়ে সংগ্রাম করে এসেছে।”

    মির্জা ফখরুল আরও বলেন, “আমরা সবাই চেসে-চাপিয়ে বা বিদ্বেষ দিয়ে দমন-পীড়ন চালানো বন্ধ করতে হবে। সত্যিকার অর্থে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সকল পর্যায়ে বিশ্বাসের ভিত্তিতে একযোগে কাজ করতে হবে। তবেই আমরা একটি শান্তিপূর্ণ এবং শক্তিশালী রাষ্ট্র গড়তে পারবো।”