Blog

  • শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করে ইতিহাসের পাতায় মুশফিক

    শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করে ইতিহাসের পাতায় মুশফিক

    মিরপুর শের-ই বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে নতুন পালক যোগ করেছেন মুশফিকুর রহিম। এ ম্যাচে দেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ১০০তম টেস্টের মাইলফলক স্পর্শ করে তিনি শতক হাঁকিয়েছেন, যা তাকে বিশ্বের ১২তম ব্যাটসম্যান হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করার গৌরবও এনে দিয়েছে। ৩৭ বছর বয়সী এই ডানহাতি ব্যাটসম্যানের এই অর্জন ছিল এক অসাধারণ কীর্তি।

    শততম টেস্টের দিন মাঠে ছিল এক অনন্য উত্তেজনা। মিরপুরের ক্রিকেটের দেবস্থানে শুরু থেকেই স্পৃহা ছিল ভিন্ন এক রকম। দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা প্রতিটি মুহূর্তে মুশফিকের জন্য অপেক্ষা করে থাকছিলেন। প্রথম দিন শেষে তিনি ৯৯ রানে অপরাজিত থাকলে, সবাই আশা করছিলেন তার শতক দ্রুতই আসবে। রাতভর উদ্বেগের মধ্যে, দ্বিতীয় দিন ব্যাট হাতে মাঠে নামেন তিনি, লিটন দাসকে সঙ্গে নিয়ে। প্রথম ওভার খেলেও লক্ষ্য অর্জন করতে পারেননি, তবে দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় বলে এক রান করে নিজের শতক পূর্ণ করেন, যা বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য এক স্মরণীয় মুহূর্ত। এই সেঞ্চুরি শুধু তার জন্য নয়, দেশের ক্রিকেটভক্তদের জন্য এক বিস্ময়কর উদযাপন।

    সেঞ্চুরির পর মুশফিকের উচ্ছ্বাস ও আবেগের একটু প্রকাশ দেখা যায়, সাথে উপস্থিত অনেক ক্রিকেট প্রেমীও তার আনন্দে ভাসে। এ দিনকে স্মরণীয় করে রাখতে মিরপুরে বিশেষ আনুষ্ঠানিকতা অনুষ্ঠিত হয়। মুশফিককে দেয়া হয় বিশেষ টেস্ট ক্যাপ এবং ক্রেস্ট। তার প্রথম টেস্টের অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন এবং দেশের অন্যতম টেস্ট ক্যাপধারী আকরাম খান উপস্থিত থেকে তাদের সম্মাননা সনদ ও ক্রেস্ট প্রদান করেন। আরও এক বছর আগের প্রথম টেস্টের অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন ও শততম টেস্টের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত মিলে উপহার দেন বিশেষ টেস্ট জার্সি।

    খেলাপ্রারম্ভে টস জিতে ব্যাটিং নেয় বাংলাদেশ। ওপেনাররা ভালো খেলে শুরু করলেও সাদমান ইসলাম ৩৫ রানে এলবিডব্লিউ হয়ে যান, আর মাহমুদুল হাসান জয়ও ৩৪ রানে আউট হন। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত বড় রান করতে না পারলেও, প্রথম সেশনে তিন উইকেট হারিয়ে লাঞ্চে যায় বাংলাদেশ। লাঞ্চের পর মুমিনুল হক দলের জন্য জীবন পান এবং মুশফিকের সাথে মাঝারি ধীরগতিতে এগিয়ে যেতে থাকেন। ধীরে ধীরে হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন, এরপর মুমিনুল আউট হওয়ার পর লিটন দাসের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলের রান সংগ্রহ আরও বাড়াতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত প্রথম দিন শেষে বাংলাদেশ ৪ উইকেটে ২৯২ রান করে, যেখানে মুশফিক ৯৯ রানে ও লিটন দাস ৪৭ রানে অপরাজিত ছিলেন।

    শততম টেস্টে সেঞ্চুরির জন্য অপেক্ষা ছিল পুরো ক্রিকেট বিশ্বের জন্য উত্তেজনাপূর্ণ। এবং দ্বিতীয় দিন সেই অপেক্ষার অবসান ঘটে, যখন মুশফিক তার শততম রান করে ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লিখিয়েছেন। এই দিনটি ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসে এক স্মরণীয় ঘটনা, যেখানে একজন ক্রিকেটার তার ব্যক্তিগত সাফল্যও দেশের সম্মানকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যান।

  • জোড়া সেঞ্চুরিতে রান পাহাড় গড়ে বাংলাদেশ অলআউট হলো

    জোড়া সেঞ্চুরিতে রান পাহাড় গড়ে বাংলাদেশ অলআউট হলো

    মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস ব্যক্তিগতভাবে দুর্দান্ত রেকর্ড গড়েছেন এবং একই সাথে বাংলাদেশের ইতিহাসে নতুন এক নজির স্থাপিত হয়েছে। দুজনের জোড়া সেঞ্চুরির সুবাদে মিরপুর টেস্টের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৪৭৬ রান। অন্যদিকে, আয়ারল্যান্ডের জন্য এই টেস্টে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন স্পিনার অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন, যিনি টেস্ট ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বার ফাইফার (৫ উইকেট) লাভ করেন।

    মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিন বাংলাদেশ ৪ উইকেটে ২৯২ রান করেছিল। আজ (বৃহস্পতিবার) দ্বিতীয় দিনের শুরুতে, আগের দিন ৯৯ রানে অপরাজিত থাকা মুশফিকুর রহিম ১০৬ রানের সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে তিনি বিশ্বের ১১তম ব্যাটার হিসেবে টেস্টে শততম ব্যক্তিগত সেঞ্চুরির স্বাক্ষরে নজর কাড়েন। তাঁর এই ১০৬ রানের ইনিংসটি ২১৪ বলে খেলে ৫টি চারের সাহায্যে সাজিয়েছেন।

    এরপর লিটন দাসও নিজের প্রথম ইনিংসে পঞ্চম টেস্ট সেঞ্চুরি করে ১২৮ রান করেন। এর সাথে বাংলাদেশের জন্য এটি হয়ে যায় তিনতথ্যইতিহাসে এক অনন্য কীর্তি, কারণ এটা মাত্র তৃতীয় দেশ হিসেবে টেস্টের এক ইনিংসে ৪র্থ, ৫ম ও ৬ষ্ঠ উইকেটে ধারাবাহিকভাবে ১০০ রানের জুটি গড়তে সক্ষম হয়েছে। এর আগে, কেবল ভারত (১৯৭৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে) এবং পাকিস্তান (২০২৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে) এই রকম কৃতিত্ব দেখাতে সক্ষম হয়েছিল।

    অন্যদিকে, আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের চতুর্থ উইকেট জুটিতে ১০৭, মুশফিক ও লিটনের পঞ্চম উইকেট জুটিতে ১০৮ এবং লিটন ও মিরাজের ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে ১২৩ রান যোগ হয়।

    মুশফিক-লিটনের এই জুটি বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে সপ্তমবারের মতো একশ’র বেশি রান করার রেকর্ড গড়েছে। প্রতিপক্ষের সেই বিশেষ মুহূর্তটি তখন ঘটে যখন, দলীয় ১৮ রান যোগ করার সময়, ম্যাথু হামপ্রিসের ক্যাচে পাওয়ায় মুশফিকের ১০৬ রানের ইনিংস শেষ হয়। তিনি ৫টি চারে সাজিয়েছেন এই ইনিংসটি, যা খেলেছেন ২১৪ বল। মুশফিকের এই ১৩তম টেস্ট সেঞ্চুরির মধ্যে তিনি (মুমিনুলের সঙ্গে) যৌথভাবে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির রেকর্ড রাখেন।

    পরবর্তীতে, লিটনও খুব বেশিদিন টিকে থাকতে পারেননি। দ্রুত রান তোলার প্রচেষ্টায় তিনি হাম্প্রিসের বলে সুইপ করতে গিয়ে ক্যাচ দেন স্লিপে। তার ১২৮ রানের ইনিংসটি আসে ১৯২ বলের হয়ারে, যেখানে তিনি ৮ চার ও ৪ ছক্কা হাঁকিয়েছেন। শেষ দিকে ক্যামিও হিসেবে খেলেছেন এবাদত, যিনি ১৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হয় ৪৭৬ রানে অলআউট।

    আয়ারল্যান্ডের জন্য এবার সর্বোচ্চ কারবার করেছেন অভিজ্ঞ স্পিনার ম্যাকব্রাইন, যিনি ৬ উইকেট শিকার করেছেন। তার পাশাপাশি ম্যাথু হাম্প্রিস ও গ্যাভিন হোয়ে প্রত্যেকেই ২টি করে উইকেট নিয়েছেন।

  • সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে রাঙালেন লিটন দাস, ম্যাচের স্মরণীয় মুহূর্ত

    সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে রাঙালেন লিটন দাস, ম্যাচের স্মরণীয় মুহূর্ত

    দেশের ক্রিকেট আলোচনায় এখন মুখরিত মুশফিকুর রহিমের শততম টেস্টের জন্য। তবে এই ম্যাচকে আরও বিশেষ করে তুলছেন দলের অন্য একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটার, লিটন দাস। এটি তার প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১০০তম ম্যাচ, এবং সেই বিশেষ দিনে তিনি তুলে নিলেন দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি।

    বৃহস্পতিবার, মুশফিকুর রহিম যখন আউট হওয়ার খুব কাছাকাছি ছিলেন, ঠিক তখনই লিটন তার নিজের ক্যারিয়ারের পঞ্চম টেস্ট সেঞ্চুরি সম্পন্ন করেন। তিনি ১৫৮ বলে ৭ চার এবং ২ ছক্কা হাঁকিয়ে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন।

    দিনের শুরুতে বাংলাদেশ দল স্টাম্পের সামনে দাঁড়িয়ে ছিল ৪ উইকেটে ২৯২ রান। প্রথমে ধীরস্থির থাকলেও পরে দলের জন্য একের পর এক আক্রমণাত্মক ব্যাটিং দেখিয়েছেন। মুশফিক, যিনি এই দিনটি ছিল তার ১৩তম টেস্ট সেঞ্চুরির দিন, ১৯৫ বলে ১০৬ রান করে আউট হন। তিনি ৫ চার মেরে দলের ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হন এবং ২১৪ বলে ১০৬ রান করে ফেরেন।

    মুশফিকের বিদায়ের পরে লিটনের সঙ্গে ব্যাটিংয়ে যোগ দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। দুজনের যৌথ প্রচেষ্টায় দলকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য তারা কঠোর পরিশ্রম করে যান। এই দিনের ম্যাচে লিটনের সেঞ্চুরি এবং মুশফিকের শততম টেস্টের আলাদা অর্জন ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে গভীর ছাপ ফেলবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

  • সৌদি যুবরাজের সামনে খাসোগি হত্যার প্রশ্নে ট্রাম্পের বিতর্কিত মন্তব্য

    সৌদি যুবরাজের সামনে খাসোগি হত্যার প্রশ্নে ট্রাম্পের বিতর্কিত মন্তব্য

    হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের মধ্যে বৈঠক শেষে সাংবাদিকরা বিভিন্ন প্রশ্ন রাখেন।তুরন্ত ও উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্তে একজন সাংবাদিক খাসোগি হত্যা নিয়ে প্রশ্ন করলে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সুর Suddenly বদলে যায়। ট্রাম্প ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, এই প্রশ্ন উঠানো হয় যুবরাজকে বিব্রত করার জন্য।

    এরপর তিনি নিজেই জানান, মোহাম্মদ বিন সালমান বিষয়টি সম্পর্কে কিছু জানতেন না। ট্রাম্প বলেন, ‘আপনি যিনি সম্পর্কে জানতে চান তিনি (খাসোগি) খুবই বিতর্কিত ব্যক্তি। অনেকেই তার পক্ষে ছিলেন না। ফলে এই ঘটনা ঘটে।’

    বিবিসি সূত্রে জানা গেছে, ট্রাম্পের সৌদি যুবরাজের প্রতি সমর্থনমূলক বক্তব্য মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে খাসোগি হত্যা করা হয়। ২০২১ সালে মার্কিন গোয়েন্দাদের মূল্যায়নে বলা হয়, যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান নিজে এই হত্যাকাণ্ডে অনুমতি দিয়েছিলেন।

    তবে ট্রাম্পের উত্তর দেওয়ার পর জ্বালিয়ে উঠেন যুবরাজ মোহাম্মদ। তিনি জানান, তাঁর প্রশাসন এই তদন্তের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছে। তিনি বলছেন, ‘ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক ও বেদনাদায়ক।’

    খাসোগির স্ত্রীর কাছে এই পরিস্থিতি স্পষ্ট করে তুলতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের সঙ্গে যুবরাজের পূর্বের বক্তব্যের পার্থক্য বোঝা যায়। ২০১৯ সালে যুবরাজ নিজেই এক অনুষ্ঠানে এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেন এবং দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এক্স-এ (পূর্বের টুইটার) হানান আরও জানিয়েছেন, তিনি ক্ষমা চাইতে ও ক্ষতিপূরণের জন্য যুবরাজের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান।

    বর্তমানে রাজনৈতিক আশ্রয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে বসবাস করছেন খাসোগির স্ত্রী হানান।

  • বাবা সিদ্দিকির হত্যা ও সালমানের বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার আনমোল বিষ্ণোই

    বাবা সিদ্দিকির হত্যা ও সালমানের বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার আনমোল বিষ্ণোই

    জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) বুধবার যুক্তরাষ্ট্র থেকে অভিযুক্ত গ্যাংস্টার অনমোল বিষ্ণোইকে ভারতের দুর্বার তদন্তের পর গ্রেপ্তার করে। তিনি কারাগারে থাকা গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ভাই এবং ২০২২ সাল থেকে পলাতক ছিলেন। এটি এনআইএ-র সন্ত্রাসী এবং গ্যাংস্টার ষড়যন্ত্র মামলা হিসেবে ১৯তম গ্রেপ্তার ব্যক্তি। ২০২৩ সালের মার্চ মাসে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, যেখানে বলা হয়েছিল যে, অনমোল তার ভাই লরেন্স বিষ্ণোই এবং ‘গোল্ডি ব্রার’ নামে একটি সন্ত্রাসী দলের সঙ্গে যোগ দিয়ে ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।

    এনআইএ সূত্র জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে অনমোল তার ভাই লরেন্সের অপরাধী নেটওয়ার্ক চালিয়ে গিয়েছেন। তিনি গ্যাংয়ের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতেন, শুটারদের আশ্রয় দিতেন এবং লজিস্টিক সহায়তা যুক্ত করতেন। এছাড়াও, তিনি বিদেশ থেকে ডাকা এক্সটরশন র‍্যাকেট পরিচালনায়ও জড়িত ছিলেন।

    অতীতে, অনমোলের বিরুদ্ধে একাধিক অপরাধের অভিযোগ রয়েছে, যার মধ্যে প্রখ্যাত প্রাক্তন মন্ত্রী বাবা সিদ্দিকির হত্যা কাণ্ডের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠে এসেছে। জানা গেছে, গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই ওই সময় গুজরাতের সাবরমতি কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী থাকাকালীন এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল।

    এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা নিয়ে একাধিক তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। শুবু লঙ্কা নামে এক সহযোগী একটি ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, তাঁরা ওই হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ী। পোস্টে উল্লেখ করা হয়, ১৪ এপ্রিল, ২০২৪ তারিখে মুম্বাইয়ের বলিউড অভিনেতা সালমান খানের বাড়ির সামনে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম অনুজ থাপন, যিনি পরে পুলিশে গ্রেফতার হন এবং তারপর আত্মহত্যা করেন। এই ঘটনাক্রমের পরই পরিকল্পনা গড়ে ওঠে।

    বর্তমানে, অনমোল বিষ্ণোইকে ভারতের আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা গ্রেপ্তার করেছে এবং তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তদন্ত চালানো হচ্ছে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের তালিকা ভবিষ্যতেও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর আতঙ্কে ২৮ জনের মৃত্যু, মমতার অভিযোগ

    পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর আতঙ্কে ২৮ জনের মৃত্যু, মমতার অভিযোগ

    পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধন ও এসআইআর (সমন্বিত মতামত নিবন্ধন) প্রকল্প চালুর পর থেকে বিভিন্ন স্থান থেকে আত্মহত্যার খবর শোনা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বুধবার সকালে প্রধানন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি ওই ঘটনাগুলিতে ক্ষোভ প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করেছেন। তিনি বলেছেন, রাজ্যে এসআইআর কর্মসূচির কারণে ইতিমধ্যে ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এসব প্রাণের অপচয় অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে বলে তিনি দাবি করেছেন।

    অক্টোবরের শেষদিকে বাংলায় এই প্রকল্পের প্রথম পর্যায় চালু করা হয়। নির্বাচনী কমিশন জানিয়েছিল, যাদের ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে বা পরিবারের কারও নাম রয়েছে, তারা উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনও কারণ নেই। তবুও, এই প্রকল্প নিয়ে মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও শংকা সৃষ্টি হয়েছে, যার কারণে হতাশায় অনেকেই জীবন দিতে চেয়েছেন বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন বিএলও (বিল্ডিং লইজ ওয়ার্কার) কাজের চাপেও আত্মহত্যার ঘটনা ঘটছে। বুধবার সকালে মালবাজারে এক মহিলা বিএলও’র ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের দাবি, এসআইআর প্রকল্পের কাজের চাপের কারণেই এই চরম সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে তার।

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘আজ আরও একজন বিএলওকে হারালাম। সে অঙ্গনওয়াড়িতে কাজ করতেন। এসআইআর এর চাপ নিতে পারেননি।’ তিনি বলেন, ‘অপরিকল্পিতভাবে এই প্রকল্প চালু করে কর্মীদের ওপর অযৌক্তিক চাপ দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে মূল্যবান প্রাণ হারিয়ে যাচ্ছে। আগে এই কাজের জন্য তিন বছর সময় দেওয়া হয়েছিল, এখন রাজনীতির কারণে সেটি মাত্র দুই মাসে সম্পন্ন করতে বলা হচ্ছে।’ তিনি অবিলম্বে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

  • নীতিশ কুমার আরও একবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বিহারে

    নীতিশ কুমার আরও একবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বিহারে

    ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন জনতা দল ইউনাইটেড (জেডইউ)-এর সভাপতি নীতিশ কুমার। এই ঘটনাটি তার জন্য এক বিশেষ মর্যাদার কারণ, তিনি এই শপথ নেওয়ার মাধ্যমে দশমবারের মতো এই পদে অধিষ্ঠিত হলেন, যা ভারতের রাজনীতির ইতিহাসে এক অনন্য রেকর্ড। ইতিপূর্বে কেউই এতবার মুখ্যমন্ত্রীর পদে শপথ নেননি।

    বিহার রাজ্য সরকারের এই দীর্ঘায়িত নেতৃত্বে যদি কোনও অপ্রত্যাশিত পতন না ঘটে এবং নীতিশ কুমার তার সিন্ধান্তের মেয়াদ পুরো করেন, তবে তিনি দেশের দীর্ঘতম সময়ের জন্য মুখ্যমন্ত্রী থাকার রেকর্ডও গড়বেন।

    আজ, বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর), পাটনার ঐতিহ্যবাহী গান্ধী ময়দানে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মোট ৩০ জন নতুন মন্ত্রী। এর মধ্যে ১৬ জন বিজেপির এবং অন্য ১৪ জন জেডইউ-এর। মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি অন্যান্য মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিভিন্ন দলের নেতারা।

    নতুন মন্ত্রিসভার মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে জোটের বৃহৎ অংশীদার বিজেপির জয় পেয়েছেন ৮৯টি আসনে, আর জেডইউ পেয়েছে ৮৫টি আসনে। এর বাইরে, জনশক্তি পার্টির চিরাগ পাসওয়ানের নেতৃত্বে ১৯টি আসন এবং আওয়াম মোর্চার ৫টি আসনে জয় লাভ করেছেন প্রার্থীরা।

    বিহার রাজ্যের বিধানসভায় মোট ২৪৩টি আসন থাকলেও, এবারের নির্বাচনে দুটি পর্যায়ে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। মোট ভোটারদের মধ্যে ৬৭ শতাংশ ভোটদান করেছেন। ফলাফল প্রকাশিত হয় ১৪ নভেম্বর। নির্বাচনের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল বিজেপি-জেডইউ নেতৃত্বাধীন এনডিএ বনাম কংগ্রেস-আরজেডি মহাজোট। এতে দেখা যায়, এনডিএ জোটের প্রার্থীরা ২০২টি আসনে জয় লাভ করে, যেখানে বিরোধী মহাজোট জয়ী হয়েছে ৩৫ আসনে।

    বিশেষভাবে উল্লেখ্য, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সেইসঙ্গে নানা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীসহ অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডুও ছিলেন উপস্থিত। এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানটি ছিল রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি বিশেষ মুহূর্ত।

  • যুদ্ধবিরতির মধ্যেই গাজায় বড় হামলা, নিহত অন্তত ২৮

    যুদ্ধবিরতির মধ্যেই গাজায় বড় হামলা, নিহত অন্তত ২৮

    চলমান যুদ্ধবিরতির একাদশ পর্যায়ে গতকাল গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনী (আইডিএফ) আরও এক বিরাট হামলা চালিয়েছে। এতে কমপক্ষে ২৮ জন নিহত এবং ৭৭ জনের বেশি আহত হয়েছে। ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছে গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিসের আল-মাওয়াসি এলাকায় এবং গাজার মূল শহর গাজা সিটির পূর্বাঞ্চলীয় আশেপাশের এলাকাগুলিতে। এই হামলায় ঘরবাড়ি, প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানেন ইসরায়েলি সৈন্যরা।

  • বিএনপির বিশ্বাস পরিবর্তনের রাজনীতিতে, প্রতিহিংসার নয়: হেলাল

    বিএনপির বিশ্বাস পরিবর্তনের রাজনীতিতে, প্রতিহিংসার নয়: হেলাল

    প্রধান অতিথি হিসেবে দিঘলিয়ার চন্দনী মহলে অংশগ্রহণ করে তিনি বলেছেন, ‘সন্ত্রাসী বা মাদক ব্যবসায়ীর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় থাকতে পারে না। আমরা প্রতিহিংসা নয়, পরিবর্তনের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি।’ বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল বুধবার দিঘলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক জনসংযোগ, সুধী সমাবেশ, বৃক্ষরোপণ ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়সহ নানা কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন। তিনি সেখানে ‘একটি বাড়ি, একটি গাছ’ শ্লোগান নিয়ে সবুজায়ন ও পরিবেশ রক্ষা করার গুরুত্ব তুলে ধরেন। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গাছ লাগানোর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পরিবেশের প্রতি সচেতন ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান। গণসংযোগকালে হেলাল বলেন, দিঘলিয়ায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসায়ীদের জন্য কোনো ঠাঁই নেই। বিএনপি কখনো অপরাধীদের পৃষ্টপোষকতা করে না। অপরাধীর পরিচয় তাকে তার অপরাধ; সে সেটা কোনো রাজনৈতিক দলের হতে পারে না বলেও তিনি স্পষ্ট করেন। হেলাল আরও বলেন, স্টার জুট মিলসহ এই অঞ্চলের বন্ধ হয়ে থাকা সব শিল্প-কারখানা পুনরায় চালু করা হবে, যাতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পায়। অ্যাকসেসের বিশুদ্ধ পানির সংকট দুরু করতে আধুনিক ওয়াটার প্ল্যান্ট স্থাপন করা হবে। পুরো এলাকাটি পরিকল্পিতভাবে উন্নত নগরায়নের আওতায় নিয়ে আসা হবে। তিনি সরকারকে আক্রমণ করে বলেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ জনগণের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। তাদের ফ্যাসিস্ট মাফিয়া চেহারা এবং বিদেশে পালানো নেতারা ব্যর্থ। এ সুযোগে জামায়াতও নিজেদের বিকল্প হিসেবে দেখাচ্ছে, কিন্তু জনগণ বিএনপিকেই পরিবর্তনের আস্থা হিসেবে ধরা đang। সুধী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন শেখ মোসলেম উদ্দিন, উপস্থিত ছিলেন জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতারা, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

  • গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে বলে নজরুল ইসলাম মঞ্জুর আহ্বান

    গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে বলে নজরুল ইসলাম মঞ্জুর আহ্বান

    প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়, বরং শইভাবে গণতন্ত্রের জন্য সুদৃঢ় ভিত্তি নির্মাণের ওপর জোর দেন সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলেন, আমাদের যদি আসল অর্থে টেকসই ও শক্তিশালী ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হয়, তাহলে দেশের বর্তমান পরিস্থিতিকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হওয়া থেকে বিরত রাখতে হবে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি খুলনা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তার উদ্দেশ্য হলো, গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত ও সুদৃঢ় করার জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বিএনপির উপর এই বিষয়ে বেশি দায়িত্ব আসে, তাদের প্রত্যেকের উচিত এমন একটি শক্তিশালী মোর্চা গঠন করা, যা অতীতে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছে, ভবিষ্যতেও লড়বে এবং গণতন্ত্রের ভিত্তিকে সাংগঠনিক রূপ দেবে। তিনি মনে করেন, এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য আমাদের সবাইকে একসঙ্গে পথ চলতে হবে।

    গতকাল বুধবার বোর্ডের আহসানউল্লাহ কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, সিটি গার্লস কলেজ, খুলনা কলেজ ও পল্লীমঙ্গল স্কুলে শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। এতে অংশ নেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা। এরপর তিনি নগরীর ২৬নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি মরহুম খন্দকার আবু সিদ্দিক, প্রবীণ রাজনীতিবিদ মরহুম সৈয়দ রফিকুল ইসলাম মিনু, অসুস্থ ইসমাইল হোসেন ও অন্যান্য দলের নেতাকর্মীর বাসভবনে যান এবং তাদের সুস্থতা কামনা করে দোয়া করেন।

    বেলা শেষে তিনি তেঁতুলতলা মোড়ে সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপি’র কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে জনতা ব্যাংক জাতীয়তাবাদী অফিসার কল্যাণ সমিতি ও সোনালী ব্যাংক খুলনা জেলা জিয়া পরিষদের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। নেতৃবৃন্দ তাঁকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান এবং আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে উৎসাহ ব্যক্ত করেন।

    সাক্ষাৎকালে নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, আমরা সবসময় গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি এবং এর জন্য সংগ্রাম করে এসেছি। বাংলাদেশের মানুষও শত শত বছর ধরে তাদের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করে এসেছে। তাই, গণতন্ত্রের এই ভিত্তিকে মজবুত করার জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। এই সংগ্রাম ও লড়াই শুধু বর্তমানে নয়, ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্যও অপরিহার্য।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিশিষ্ট নেতা, শিক্ষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তারা সবাই তাঁকে শুভেচ্ছা ও আয়োজিত নির্বাচনে সফলতার জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন। সাথে ছিল উন্মুক্ত আলোচনা ও ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের পরিকল্পনা। নজরুল ইসলাম মঞ্জু আরও বলেন, দেশের ইতিহাস আর সংগ্রামের ধারায় গণতন্ত্রের প্রতিটি সোপানই আমাদের অর্জন। এ লক্ষ্য সামনে রেখে, সকলের ঐক্য ও উদ্যোগ এই সংগ্রামের মূল শক্তি।