Blog

  • জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মনিরুল হক চৌধুরী

    জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মনিরুল হক চৌধুরী

    জাতীয় সংসদে জামায়াত ও এনসিপি-সম্পর্কিত প্রশ্ন তুলে বিএনপির সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, স্বাধীনতার পর একটি মেধাবী শ্রেণি এসেছিল যারা পরে জাসদ গঠন করেছিল; তাদের অতিরিক্ত কর্মকাণ্ড দেশ ও জাতির জন্য ক্ষতিকর হয়েছে। তিনি প্রত্যাশা করেন ঈশ্বর যেন আমাদের সবকিছু সহ্য করার তৌফিক দেন।

    রোববার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন মনিরুল হক। ওই অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

    বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথাও স্মরণ করে তিনি বলেন, ১৯৯১ সালের সংসদে তিনি নেত্রীর নেতৃত্বে আপনারা সঙ্গে কাজ করেছেন। যখন আপনাদের বিরুদ্ধে প্রশ্ন ওঠে মনে হয় যেন এই দেশে বিএনপি ১৫-২০ বছর ছিলই না। দেশের স্বার্থে অনেকেই জামায়াতের সঙ্গে কাজ করেছেন; সেই ন্যারেটিভটাও স্মরণ করা উচিত। তিনি বলেন, ইতিহাস মূল্যায়ন করার বুদ্ধি-বিদ্যা রাজনীতিতে থাকা প্রতিটি নেতার আছে—যথাসম্ভব সেই বিবেচনা করা প্রয়োজন।

    মনিরুল হক আরও বলেন, সংসদে দাঁড়িয়ে কথাবার্তা বলতেও তিনি এখন ভয় পান—কারণ আগে যাদের বিরুদ্ধে কথা বলতাম তাদের চিনতাম, আর আজ যারা বিরোধী দল হিসেবে আছে, তাঁদেরকে তিনি চেনেন না। তিনি তারেক রহমানের করা ‘কঠিন নির্বাচন’ মন্তব্যের কথাও উল্লেখ করে বলেন, অনেকেই তখন তা বুঝতে পারেননি, পরে নির্বাচন করে দেখেছি তা সত্যিই কতো কঠোর ছিল।

    তিনি অভিযোগ করেন, যে সব কারণে আজ আমাদের সম্পর্কে প্রশ্ন উঠছে, তাদের মধ্যে রয়েছে এমনও যে মুক্তিযোদ্ধাদেরকেই প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে—মুক্তিযুদ্ধ ও ১৯৭১ সালের এ যুদ্ধকে এক কাতারে আনার অপচেষ্টা চলছে। যদি ফ্যাসিস্ট শাসনের সময়ে বিচারের নামে অন্যায় করা হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে সেটি আলাদা বিষয়।

    শেষে তিনি সংসদে জামায়াতকে একটি বার্তা দেন: স্বাধীনতার পর কিংবা এনসিপি-র নেতারা বয়সে ছোট হলেও তিনি তাদের সম্মান করেন—কারণ তারা সাহসী সন্তান, এ যুগের চাহিদা সেটাই।

  • কেউ কষ্ট পেলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    কেউ কষ্ট পেলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ঢাকা-৮ আসনে অংশগ্রহণের পর থেকেই নানা প্রসঙ্গে আলোচিত ও সমালোচিত হয়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মন্তব্যগুলো অনেকবার ভাইরাল হয়েছে। আজ বুধবার সকালে একটি পোস্টে তিনি লিখেছেন, অনিচ্ছাকৃতভাবে কারো কষ্টের কারণ হয়ে থাকলে তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছেন।

    পোস্টে তিনি জানান, ‘‘গত কয়েক দিনে বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি ও প্রিয় সহযোদ্ধাদের সাথে কিছু আন্তরিক কথা বলার সুযোগ হয়েছে। সবার কাছ থেকেই একটি সুন্দর দিকনির্দেশনা পেয়েছি—ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়িয়ে চলা, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা ত্যাগ করা এবং গঠনমূলক আলোচনায় মনোযোগ দেওয়া।’’

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, তিনি বিনয়ের সঙ্গে ঐ পরামর্শগুলো গ্রহণ করছেন এবং bundan আরও শান্ত ও দায়িত্বশীলভাবে পথ চলার চেষ্টা করবেন। তিনি যোগ করেছেন, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য নিজের ক্ষমতা অনুযায়ী কাজ করে যেতে চান।

    তিনি পুনরায় বলেছেন, ‘‘আমার কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শ আমার পথচলার শক্তি।’’

    এনসিপির এই নেতা আরও জানান, গতকাল ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইলের মাধ্যমে তিনি এই আত্মিক যাত্রার নীরব সূচনা করেছেন এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও সঠিক পথে পরিচালনার দোয়া করেছেন।

  • আয়কর রিটার্ন জমার সময়সীমা শেষ ৩১ মার্চ — অনলাইন দাখিল বাধ্যতামূলক

    আয়কর রিটার্ন জমার সময়সীমা শেষ ৩১ মার্চ — অনলাইন দাখিল বাধ্যতামূলক

    ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ব্যক্তি করদাতাদের জন্য আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা শেষ হতে আর মাত্র সাত দিন বাকি। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জানিয়েছে, সকল করদাতাকে আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে রিটার্ন জমা দেওয়ার যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

    সাধারণত রিটার্ন জমার শেষ সময় ৩০ নভেম্বর থাকলেও এবারের জন্য সময় তিন দফায় বর্ধিত করে ৩১ মার্চ নির্ধারণ করা হয়েছে। এনবিআর আরও জানায়, এবারে ই-রিটার্ন অনলাইনে দাখিল করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে; ফলে করদাতারা ঘরে বসেই এনবিআরের নির্ধারিত পোর্টালে রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির দিনেও অনলাইন সেবা চালু থাকবে।

    এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখের বেশি টিআইএনধারী রয়েছেন। এখন পর্যন্ত প্রায় ৪১ লাখ রিটার্ন জমা হয়েছে, আর অনলাইনে রিটার্ন জমা দেয়ার জন্য ৫০ লাখের বেশি করদাতা নিবন্ধন করেছেন। করযোগ্য আয় থাকলে রিটার্ন জমা দেওয়াটা বাধ্যতামূলক।

    অনলাইনে কিভাবে রিটার্ন দেবেন:

    – প্রথমে এনবিআরের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করতে হবে।

    – নিবন্ধনের পর ব্যবহারকারীর নাম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে রিটার্ন ফর্ম পূরণ ও জমা দেওয়া যায়।

    – অনলাইনে রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় সাধারণত কোনো কাগজপত্র আপলোড করার প্রয়োজন হয় না; প্রয়োজনীয় তথ্য লিখলেই হবে।

    – একই সঙ্গে অনলাইনেই কর পরিশোধ করা যাবে — ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের পাশাপাশি বিকাশ, রকেট, নগদসহ বিভিন্ন মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস দিয়ে পরিশোধের সুবিধা রয়েছে।

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ:

    বেশিরভাগ করবিশেষজ্ঞ বলছেন, শেষ মুহূর্তে তাড়াহুড়া করলে রিটার্নে ভুল হওয়া বা তথ্যভ্রংশের ঝুঁকি বাড়ে, যা জরিমানা বা আইনি জটিলতার কারণ হতে পারে। তাই সময় থাকতেই রিটার্ন প্রস্তুত করে জমা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

    রিটার্ন জমার আগে করদাতাদের করণীয়:

    – আয়-ব্যয়ের হিসাব আগেই প্রস্তুত করে রাখা।

    – প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ ও আলাদা করে রাখা।

    – অনলাইন সিস্টেমে লগইন করে সব তথ্য যাচাই করা।

    – জমা দেওয়ার পূর্বে ফর্ম একবার করে পুনরায় পরীক্ষা করা।

    – প্রয়োজন হলে অভিজ্ঞ কর পরামর্শকের সহায়তা নেওয়া।

    নাগরিকদেরকে এনবিআর অনুরোধ করেছে সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই রিটার্ন জমা দিয়ে অনলাইন ব্যবস্থার সুবিধা গ্রহণ এবং শেষ মুহূর্তের ঝামেলা এড়িয়ে চলার জন্য।

  • ক্রেডিট কার্ড গাইডলাইনে বদল: ঋণসীমা বেড়ে ৪০ লাখ

    ক্রেডিট কার্ড গাইডলাইনে বদল: ঋণসীমা বেড়ে ৪০ লাখ

    ব্যাংকিং খাতে ক্রেডিট কার্ড পরিচালনা আরও সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব করতে বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন গাইডলাইন জারি করেছে। রোববার এই তথ্য জানান ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান।

    দৈনন্দিন ব্যয় ও মূল্যপরিশোধে নগদের বিকল্প হিসেবে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বাড়ায় কার্যক্রমের জটিলতা কমাতে এবং নতুন সুযোগ-সুবিধা যোগ করতে আগের নীতিমালা হালনাগাদ করে পূর্ণাঙ্গ নির্দেশনা ধার্য করা হয়েছে। গাইডলাইনের মূল লক্ষ্য— ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার করা, ভোক্তার অধিকার রক্ষা, দায়িত্বশীল ঋণদান উৎসাহিত করা এবং নগদবিহীন লেনদেনের জন্য স্বচ্ছ পরিবেশ নিশ্চিত করা।

    নতুন নির্দেশনায় ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত বিস্তৃত বিষয় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে— গাইডলাইনের প্রযোজ্যতা ও সংজ্ঞা, কার্ডের ধরন, গ্রাহকের যোগ্যতার মানদণ্ড, ঋণসীমা ও সুদের হার নির্ধারণ, কার্ড ইস্যু ও বিপণন পদ্ধতি, বিলিং ও আদায় প্রক্রিয়া, গ্রাহকের তথ্যের গোপনীয়তা ও অধিকার রক্ষা, বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা, পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন পরিবর্তন হলো ঋণসীমার বাড়তি খাতা— আগে যেখানে সর্বোচ্চ ক্রেডিট সীমা ছিল ২৫ লাখ টাকা, নতুন গাইডলাইনে তা বাড়িয়ে ৪০ লাখ টাকা করা হয়েছে। অনিরাপদ (আনসিকিউর্ড) ঋণের সীমাও ১০ লাখ থেকে বাড়িয়ে ২০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এছাড়া গ্রাহকের অভিযোগ, অনিয়ম বা জালিয়াতি, কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন পরিশোধে যেসব জটিলতা দেখা দিচ্ছিলো এবং বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া— এসব বিষয় পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও নির্দেশনা যোগ করা হয়েছে। ব্যাংক ও কার্ড ইস্যুকারীরা গাইডলাইন অনুযায়ী নিরাপত্তা ও গ্রাহক সেবার মান উন্নত করার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হচ্ছে।

    নতুন নির্দেশনা বাস্তবায়িত হলে গ্রাহক-সুবিধা বাড়বে, ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ শক্তিশালী হবে এবং নগদবিহীন লেনদেন আরও বিশ্বাসযোগ্য হবে—এমন প্রত্যাশা রাখছে কর্তৃপক্ষ।

  • ইরান প্রত্যাখ্যান করলো যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব, যুদ্ধ থামাতে রাখল ৫ শর্ত

    ইরান প্রত্যাখ্যান করলো যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব, যুদ্ধ থামাতে রাখল ৫ শর্ত

    চলমান সংঘর্ষের অবসান সম্পর্কিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব ইরান প্রত্যাখ্যান করেছে। তেহরান জানিয়েছে, এই যুদ্ধ কখন ও কীভাবে শেষ হবে তা তারা নিজস্ব শর্ত ও সময়সূচি অনুযায়ী নির্ধারণ করবে। বিষয়টি বুধবার এক জ্যেষ্ঠ ইরানি রাজনৈতিক–নিরাপত্তা কর্মকর্তা প্রেস টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন।

    ওই কর্মকর্তা জোর দিয়েছেন যে ইরান কাউকেই — এমনকি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকেও — যুদ্ধের সমাপ্তি নির্ধারণের সুযোগ দেবে না। তিনি বলেছেন, ইরান যখনই সিদ্ধান্ত নেবে এবং তার নির্ধারিত শর্তগুলো পূরণ হবে তখনই যুদ্ধ শেষ করবে; দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শত্রুর ওপর ‘‘চরম আঘাত’’ চালিয়ে প্রতিরক্ষা অব্যাহত রাখবে।

    তারা বলেছে যে ওয়াশিংটন বিভিন্ন কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে আলোচনা চেষ্টা করছে, কিন্তু তেহরানের মতে এসব প্রস্তাব ‘‘অযৌক্তিক’’ এবং আমেরিকার যুদ্ধক্ষেত্রে পরাজয়ের বাস্তবতা লুকিয়ে রাখার প্রচেষ্টা মাত্র। তিনি উল্লেখ করেন যে ২০২৫ সালের বসন্ত ও শীতকালে অনুষ্ঠিত আলোচনাকেও ইরান মার্কিন প্রতারণা হিসেবে মূল্যায়ন করেছে।

    বুধবারের প্রস্তাবটি একটি বন্ধুপ্রতীম আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারী দেশের মাধ্যমে এসেছে; তেহরান সেটিকে উত্তেজনা বৃদ্ধি ও কৌশলগত চাপ হিসেবে দেখছে এবং নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। ইরান জানিয়েছে, আগামীতে জেনেভায় অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দফার আলোচনায় তাদের সব দাবি রেখে এসব শর্তের আলোচনায় সেই শর্তসমূহ অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং সব শর্ত মেনে নেওয়া না হলে কোনো যুদ্ধবিরতি হবে না।

    ইরানের যুদ্ধবিরতি শর্তগুলো হলো:

    1) শত্রুপক্ষকে ইরানের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণভাবে আক্রমণ ও গুপ্তহত্যা বন্ধ করতে হবে।

    2) ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে পুনরায় যুদ্ধের মুখে ফেলবে না তা নিশ্চিত করার জন্য সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

    3) যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির জন্য নির্দিষ্ট ও বাধ্যতামূলক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নিশ্চয়তা দিতে হবে।

    4) সর্বঅঞ্চলে ও লড়াইয়ের সব ফ্রন্টে লড়াইয়ে যুক্ত থাকা প্রতিরোধ যোদ্ধাদের সঙ্গে মিলিয়ে যুদ্ধের সমাপ্তি ঘোষণা করতে হবে।

    5) হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরানের সার্বভৌম অধিকারকে স্বাভাবিক ও আইনসম্মত অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে; এটি অন্য পক্ষের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা হিসেবে কাজ করবে।

    ওই কর্মকর্তা আরও জানিয়েছেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নতুন করে হামলা শুরুর কয়েক দিন আগে জেনেভায় অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দফার আলোচনায় তেহরানের সব দাবি এসব শর্তের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। তিনি পুনরায় বলে দিয়েছেন যে শর্তগুলো মেনে নেওয়া ছাড়া কোনো প্রাথমিক আলোচনা হবে না — ইরান যখনই সিদ্ধান্ত নেবে তখনই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটবে, কেউ এবং কখন চাইবে তা নয়।

    তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি, পারোক্ষ পারমাণবিক আলোচনার সময়ে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলি খামেনি এবং শীর্ষস্থানীয় সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তাদের হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে এই উসকানিমূলক ও অবৈধ সহিংসতা শুরু হয়। জবাবে ইরানি সশস্ত্র বাহিনী ওই অঞ্চলে ইসরায়েলি ও মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে এখন পর্যন্ত প্রায় ৮০ দফা প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে।

    সূত্র: প্রেস টিভি।

  • পাকিস্তান ইরানে পৌঁছে দিল যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব

    পাকিস্তান ইরানে পৌঁছে দিল যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব

    পাকিস্তান আরব ভাষার সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার মাধ্যমে জানিয়েছে যে, তৎকালীন ট্রাম্প প্রশাসনের তৈরি একটি যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ইরানের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি আল জাজিরার সঙ্গে যোগাযোগ করা পাকিস্তানের ঊর্ধ্বতন সূত্র নিশ্চিত করেছে।

    আলজাজিরার প্রতিবেদক ওসামা বিন জাভেদ জানিয়েছেন, ‘পাকিস্তানের ঊর্ধ্বতন একটি সূত্র আমাদের জানিয়েছেন যে, ট্রাম্প প্রশাসন থেকে প্রাপ্ত একটি নথি পাকিস্তানের পক্ষে ইরানিদের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। এখন আমরা ইরানের জবাবের অপেক্ষায় আছি।’

    প্রতিবেদন বলছে, পরবর্তী দিনগুলোতে ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এখনো কোন আনুষ্ঠানিক সময়সূচি বা আলোচনার বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি।

    অন্যদিকে তুরস্কের ক্ষমতাসীন একে পার্টির পররাষ্ট্র বিষয়ক সহসভাপতি হারুন আরমাগান রয়টার্সকে বলেছিলেন যে আঙ্কারা তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান করানোর ভূমিকা পালন করছে। আরমাগান বলেন, এই প্রচেষ্টা উত্তেজনা প্রশমিত করা এবং সরাসরি আলোচনার পথ খুলে দেওয়াই লক্ষ্য। তিনি জানান, তুরস্কের সঙ্গে কিছু অন্যান্য দেশও মিলিয়ে নিজেদেরকে সম্ভাব্য মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছে।

    এই খবরের সূত্র হিসেবে আল জাজিরা ও রয়টার্সকে উল্লেখ করা হয়েছে। পাকিস্তান, তুরস্ক ও সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক উপস্থিতি সম্পর্কে আরও প্রতিক্রিয়া ও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও প্রকাশ পায়নি।

  • চিতলমারীতে বাস চাপায় ঢাকার বাসিন্দা নিহত

    চিতলমারীতে বাস চাপায় ঢাকার বাসিন্দা নিহত

    বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ঢাকার এক বাসিন্দা নিহত হয়েছেন। নিহতের নাম মোঃ বাবু মোল্লা (৪৩)।

    দুর্ঘটনা বৃহস্পতিবার নয়—প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে কলাতলা ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিহত বাবু মোল্লা মোটরসাইকেল (ঢাকা মেট্রো-ল-৬৫-০৬০৬) চালিয়ে চিতলমারী সদর দিকে আসছিলেন। বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগতি ও নিয়ন্ত্রণহীন একটি লোকাল বাস তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

    নিহত বাবু মোল্লা ঢাকার দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মাতুয়াইল এলাকার মৃত নাছির মোল্লার ছেলে বলে তাঁর কাছ থেকে পাওয়া জাতীয় পরিচয়পত্রে উল্লেখ রয়েছে। চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ নজরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    ওসি জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দ্রুতগতিতে ওই ঘাতক বাসটিকে আটক করে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য উদ্ধার করা হয়েছে এবং বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

    পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা অতিরিক্তভাবে বলেন যে, চালকদের সতর্কতা ও সড়কচলাচলের নিয়ম মেনে চলার উপর জোর দেওয়া জরুরি, যাতে ভবিষ্যতে এমন প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা রোধ করা যায়।

  • আজ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস

    আজ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস

    আজ ২৬ মার্চ — বাঙালি জাতির গৌরব ও শ্রদ্ধার দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে বাঙালি একটি নতুন ইতিহাসের পথচলা শুরু করে। আজ আমাদের স্বাধীনতার ৫৫তম বার্ষিকী। ২৫ মার্চের মধ্যরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ‘অপারেশন সার্চলাইট’ শুরু হওয়ার পর থেকে বাঙালির সংগ্রাম ও ত্যাগের মধ্য দিয়েই মুক্তিযুদ্ধ ছিন্নভিন্ন ভূমি থেকে উঠে দাঁড়িয়ে স্বাধীনতা অর্জন করে। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে বিশ্বের মানচিত্রে আত্মপ্রকাশ করে স্বাধীন বাংলাদেশ।

    মতবিরোধের রাজনীতি ও শাসনের বিরুদ্ধে বাঙালির সেই সাহসিকতার ফলেই অর্জিত হয়েছে মহান স্বাধীনতা — তাতে শতভাগ শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা হয় প্রত্যেক বীর শহিদ, মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের পরিবারের প্রতি।

    দিবসটি উপলক্ষে সারাদেশে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। জাতীয়ভাবে সূর্যোদয়ের সাথে প্রার্থনা ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন, ঢাকাসহ সব জেলায় তোপধ্বনি (একত্রিশ বার), জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবাররা পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে সকাল ৯টায় কুচকাওয়াজ ও ফ্লাই পাস্ট অনুষ্ঠিত হবে। সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি সব ভবন আলোকসজ্জিত ও জাতীয় পতাকা-আলংকারে সজ্জিত থাকবে। ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া দিবসটিকে ঘিরে বিশেষ অনুষ্ঠান ও প্রকাশনার আয়োজন করেছে।

    সংস্কৃতি ও শিক্ষাক্ষেত্রে সব বিভাগ, জেলা ও উপজেলার স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সমাবেশ, কুচকাওয়াজ ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, বাংলা একাডেমি, জাতীয় জাদুঘর, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আলোচনা, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, শিশুদের চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা এবং ক্রীড়া আয়োজন করবে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির জন্য বিশেষ প্রার্থনা ও দোয়া হবে। হাসপাতাল, জেলখানা, শিশু পরিষেবা কেন্দ্র, বৃদ্ধাশ্রম ও পথভ্রষ্টদের জন্য বিশেষ খাবার পরিবেশন ও সেবামূলক উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

    বিভিন্ন শহরের প্রধান সড়ক ও রাউন্ডঅ্যাবাউটে জাতীয় পতাকা ও ব্যানার লাগানো হবে, সরকারি ছুটি থাকবে এবং সংবাদপত্র ও পাবলিক মিডিয়ায় দিবসবিষয়ক বড় লেখালিখি প্রকাশিত হবে। একইভাবে দেশের বন্দর ও বিআইডব্লিউটিএ ঘাটে নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের জাহাজ জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখার কর্মসূচি পরিকল্পিত রয়েছে। বিদেশে মূলত বাংলাদেশের দূতাবাস এবং মিশনে সমমানের স্মরণ ও অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

    খুলনায় জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জেলার ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। গল্লামারী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, পুলিশ লাইনে একত্রিশবার তোপধ্বনি, খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, শিক্ষার্থীদের সমাবেশ, কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হবে। পৌর ও সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক শিশু পার্ক ও কিছু সংরক্ষণকেন্দ্র বিনামূল্যে খুলে দেওয়া হচ্ছে; সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শন, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সংবর্ধনা, এবং ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের বাইরে জেলা জাদুঘর ও গণহত্যা স্মৃতিসৌধ শিশুদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

    দেশব্যাপী অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রশাসনিক ভবন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ এবং স্থানীয় স্তরে নাগরিক অংশগ্রহণে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মসূচি। বেশ কিছু বন্দর ও ঘাটে নৌবাহিনীর জাহাজ সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে এবং হাসপাতাল, জেলখানা, এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রম ও অন্যান্য সুবিধা কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ খাবার ও সেবা নিশ্চিত করা হবে।

    আজকের এই দিনে জাতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতায় স্মরণ করবে দেশের মুক্তির জন্য আত্মদানকারী সকল শহিদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের; তাদের ত্যাগ ও আত্মত্যাগের গল্প নতুন প্রজন্মের কাছে জীবন্ত রাখতে হবে। স্বাধীনতা ও জাতীয় ঐক্যের বার্তা দিয়ে আমরা স্মরণ করবো অতীতের ক্যানভাসে রাঙানো সেই সংগ্রামকে এবং অশেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করবো স্বাধীনতার জন্য প্রাণ উৎসর্গ করা প্রতিটি মানুষকে।

  • স্বাধীনতা দিবস প্রদর্শনী: বিসিবি ঘোষণা লাল ও সবুজ দলের স্কোয়াড

    স্বাধীনতা দিবস প্রদর্শনী: বিসিবি ঘোষণা লাল ও সবুজ দলের স্কোয়াড

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিশেষ টি-টোয়েন্টি প্রদর্শনী ম্যাচ আয়োজন করছে। ‘‘ইন্ডিপেনডেন্স ডে এক্সিবিশন ক্রিকেট ম্যাচ ২০২৬’’ শিরোনামের এই আয়োজন ২৬ মার্চ সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে মিরপুরের শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে৷ অনুষ্ঠানে মাঠে নামবে দুই দল — লাল দল ও সবুজ দল — যেগুলোই সাবেক ক্রিকেটারদের নিয়ে গঠন করা হয়েছে।

    বিসিবির ঘোষণা অনুসারে সবুজ দলে জায়গা পেয়েছেন শাহরিয়ার নাফিস, জাভেদ ওমর বেলিম, হান্নান সরকার, নাদিফ চৌধুরী, ফয়সাল হোসেন ডিকেন্স, তুষার ইমরান, শাহরিয়ার হোসেন বিদ্যুৎ, মোহাম্মদ সেলিম, তালহা জুবায়ের, আনোয়ার হোসেন মনির, আব্দুর রাজ্জাক, হাসিবুল হোসেন শান্ত, জামাল উদ্দিন বাবু ও হাসানুজ্জামান ঝরু। দলের ম্যানেজার হিসেবে থাকবেন ফারুক আহমেদ এবং কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিবেন খন্দকার ওয়াহিদুল ঘনি।

    লাল দলে স্থান পেয়েছেন জাহাঙ্গীর আলম, মেহরাব হোসেন অপি, মোহাম্মদ আশরাফুল, নাসির উদ্দিন ফারুক, মোহাম্মদ রফিক, মোহাম্মদ এহসানুল হক, খালেদ মাহমুদ পাইলট, আনোয়ার হোসেন (উইকেটকিপার), তারেক আজিজ খান, মাহবুবুল আলম রবিন, ডলার মাহমুদ, ইলিয়াস সানি, মুশফিকুর রহমান বাবু ও সাজ্জাদ আহমেদ শিপন। দলের ম্যানেজারের দায়িত্বে আছেন রকিবুল হাসান এবং কোচ হিসেবে থাকছেন মোহাম্মদ সারওয়ার ইমরান।

    বিসিবি জানিয়েছে, স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে এই প্রদর্শনী ম্যাচকে তারা বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। আয়োজনটির লক্ষ্য ক্রিকেটের মাধ্যমে শনাক্ত করা ঐতিহ্য ও মুজিববর্ষের স্মৃতিচারণের সঙ্গে সঙ্গে সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেটারদের এক মঞ্চে এনে দর্শকদের জন্য বিনোদন তৈরি করা। দর্শকরা অনুষ্ঠানে গিয়ে অতীতের স্মরণীয় মুহূর্তগুলো ফিরিয়ে আনতে পারবেন, আর মাঠের খেলাটিও সহজাত উন্মাদনা ছড়াবে।

  • রাজস্থান বিক্রিতে ওয়ার্নের পরিবার পাচ্ছে প্রায় ৪৫০ কোটি টাকা

    রাজস্থান বিক্রিতে ওয়ার্নের পরিবার পাচ্ছে প্রায় ৪৫০ কোটি টাকা

    ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের প্রথম মৌসুমে শিরোপা জয়ী রাজস্থান রয়্যালসের সাবেক অধিনায়ক শেন ওয়ার্নের পরিবার বড় আর্থিক লাভ পেতে যাচ্ছে। ওয়ার্নের উত্তরাধিকার হিসেবে তাদের এখন রাজস্থানের প্রায় ৩ শতাংশ শেয়ারের লভ্যাংশ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যার মূল্য আনুমানিক ৪৫০–৪৬০ কোটি টাকা হিসেবে ধরা হচ্ছে।

    ওয়ার্ন আইপিএল শুরুতেই রাজস্থানের কপালপালকারী অধিনায়ক ছিলেন এবং দলের ক্রিকেট পরিচালনার দায়িত্বও নিয়েছিলেন। চুক্তির এক বিশেষ শর্তে তিনি প্রতিটি মৌসুম খেলায় ০.৭৫ শতাংশ মালিকানা পাওয়ার ব্যবস্থা করিয়েছিলেন। রাজস্থানের হয়ে মোট চারটি মৌসুম খেলায় তার এই শেয়ার সংগ্রহের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩ শতাংশ।

    সম্প্রতি রাজস্থানকে প্রায় ১.৬৩ বিলিয়ন ডলারে (প্রায় ১৫,২৯০ কোটি টাকা) এক যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কনসোর্টিয়ামের কাছে বিক্রি করা হয়েছে। এই বিক্রির পর আফটার-ভ্যালুয়েশনে ওয়ার্নের পরিবারের অংশের মূল্য আনুমানিক ৪৫০–৪৬০ কোটি টাকা হিসেবে হিসেব করা হচ্ছে। ওয়ার্নের পরিবার আইপিএলের চলমান মৌসুম শেষে এই অর্থ গ্রহণ করতে পারবে; তবে এ জন্য ভারতীয় ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক বোর্ড বিসিসিআইয়ের অনুমোদন আবশ্যক।

    শেন ওয়ার্ন ২০২২ সালের ৪ মার্চ থাইল্যান্ডে হৃদরোগে মারা যান। মাঠে তাঁর ঝড়ো স্পিন এবং নেতৃত্বভঙ্গি যেন শতধারার স্মরণ করে—তেমনি মাঠের বাইরেও তিনি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত দূরদর্শী ছিলেন। এক দশক আগে রাজস্থানের সঙ্গে করা সেই চুক্তিই আজ তাঁর পরিবারকে বড় আর্থিক নিরাপত্তা দিচ্ছে।

    উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে রাজস্থানকে মাত্র ৬৭ মিলিয়ন ডলারে ক্রয় করেছিল এমার্জিং মিডিয়া গ্রুপ, যার নেতৃত্বে ছিলেন মনোজ বাদালে। সেই বিনিয়োগ এবার উচ্চ মূল্যে বিক্রি হওয়ার পর রাজস্থানের প্রাক্তন অংশীদারদেরই সুবিধা মিলছে, যার মধ্যে রয়েছে ওয়ার্নের উত্তরাধিকারীরাও।