Blog

  • ‘সিনেমা বানিয়েও এত টাকা পাইনি’, ইউটিউবের মাধ্যমে বিপুল আয় ফারাহ খানের

    ‘সিনেমা বানিয়েও এত টাকা পাইনি’, ইউটিউবের মাধ্যমে বিপুল আয় ফারাহ খানের

    বলিউডের খ্যাতিমান কোরিওগ্রাফার এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা ফারাহ খান সম্প্রতি ইউটিউব ভ্লগিংয়ের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করছেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ইউটিউব থেকে তাঁর আয় এক বছরে যে অর্থ তিনি সিনেমা পরিচালনা করে উপার্জন করেছিলেন, তার চেয়েও অনেক বেশি।

    ফারাহ খানের ইউটিউব চ্যানেলে সাধারণত তাঁর বাবুর্চি দিলীপের সাথে রান্নার দৃশ্য থাকে, যা দর্শকদের মধ্যে খুবই জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তিনি আরও বলেন, তাঁর টিমের বারবার অনুরোধে তিনি প্রথমবারের মতো এই প্ল্যাটফর্মে যোগ দিতে রাজি হন। শুরু থেকেই তিনি চেয়েছিলেন এই চ্যানেলটি একটি খাদ্য ও রন্ধনশীল শো হিসেবে পরিচিত হোক।

    আয় সম্পর্কে ফারাহ বলেন, “আমার পুরো ক্যারিয়ারে, হয়তো এক বছরে আমি এত টাকা উপার্জন করিনি, যদিও আমি বহু সিনেমা পরিচালনা করেছি।” তিনি আরও যোগ করেন, “এটা আমার নিজস্ব চ্যানেল, যেখানে কোনো ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বা প্রোডাকশন হাউস আমাকে বলতে পারে না যে, এটা কাটতেই হবে বা একাদশীর অতিথি অন্যদের থেকে আলাদা হবে। আমি এই ভেদাভেদ পছন্দ করিনা।”

    ফারাহ খান এর এই জনপ্রিয়তা তাকে ইউটিউবের সিলভার প্লেঅন পাওয়ার মর্যাদাও এনে দিয়েছে।

    ২০১১ সালের পর তিনি ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্র পরিচালনা থেকে বিরত থাকলেও, কেন তিনি এখন কনটেন্ট ক্রিয়েটর হলেন, তা জানিয়ে তিনি বলেন, “যখন আমার সিনেমা পরিচালনায় ব্যর্থতা বা তার চাহিদা কমে যায়, তখন ভাবলাম, ইউটিউব শুরু করি। কারণ আমি আয়ব্যবস্থার পরিবর্তন বুঝতে পারছিলাম। তারচেয়েও বড় কথা, আমার তিন সন্তান আগামী বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে যাচ্ছে, যার খরচ অনেক বেশি। তাই আমি মজার ছলে এই শো শুরু করলাম আর সবকিছু দ্রুত জনপ্রিয়তা পেল।”

    ফারাহ খান টুইঙ্কেল এবং কাজলের শো ‘টু মাচ’-এর এক পর্বে জানিয়েছিলেন, ৬০ বছর বয়সে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বলছেন, “তখন আমি বুঝতে পারছিলাম যে, আমার আর সিনেমায় কাজ করতে পারছি না, তাই ইউটিউবে এসে নিজের দায়িত্ব নিলাম। এই প্ল্যাটফর্ম থেকে আমি যা উপার্জন করি, তা আমার জন্মনামের দিক থেকে অনেক বেশি। এর জন্য আমাকে কূটনৈতিক ব্যয় করতে হয় না, স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারি।”

    ফারাহ খান ১৭ বছর বয়সে জন্মগ্রহণকারী তার ট্রিপলেট সন্তান—সিজার, অন্ন এবং দিবারের বাবাও হয়েছেন। তিনি বিভিন্ন জনপ্রিয় সিনেমার পরিচালনা করেছেন, যেমন ‘ম্যায় হুঁ না’, ‘ওম শান্তি ওম’ এবং ‘তিস মার খান’। বর্তমানে তার ইউটিউব এবং ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ার যথাক্রমে তিন মিলিয়ন এবং ৪.৫ মিলিয়ন রয়েছে।

  • প্রখ্যাত নির্মাতা শেখ নজরুল ইসলাম আর নেই

    প্রখ্যাত নির্মাতা শেখ নজরুল ইসলাম আর নেই

    মাইল্ড স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা শেখ নজরুল ইসলাম (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) শনিবার (২২ নভেম্বর) রাত সাড়ে এগারোটার দিকে রাজধানীর ধানমণ্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার সহকর্মী নির্মাতা গাজী মাহবুব এবং অভিনেত্রী রুমানা ইসলাম মুক্তি।

    লেখেন এই অভিনেত্রী জানান, তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টে লিখেছেন, ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন, চলে গেলেন আমার ‘চাঁদের আলো’ সিনেমার জনপ্রিয় পরিচালক শেখ নজরুল ইসলাম মামা।’

    এর আগে, ১৬ নভেম্বর এক ফেসবুক পোস্টে মুক্তি জানিয়েছিলেন যে, নির্মাতা শেখ নজরুলের শারীরিক অবস্থা কিছুটা সংকটাপন্ন। খুব দ্রুত তাকে রাজধানী কেন্দ্রিক ইবনে সিনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় আইসিইউ-তে। মৃত্যুর মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন।

    শেখ নজরুল ইসলাম ১৯৩৫ সালের ৭ নভেম্বর নাটোরের কালিগঞ্জ থানার পিপরুল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার শুরু করেন। পরবর্তীতে নির্মাতা জহির রায়হান ও খান আতাউর রহমানের সঙ্গে কাজ করেছেন। তাঁর প্রথম পরিচালিত সিনেমার নাম ‘চাবুক’, যা মুক্তি পায় ১৯৭৪ সালে।

    তিনি নির্মিত উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘নদের চাঁদ’, ‘এতিম’, ‘নাগিন’, ‘মাসুম’, ‘ঈদ মোবারক’, ‘আশা’, ‘পরিবর্তন’, ‘নতুন পৃথিবী’, ‘দিদার’, ‘সালমা’, ‘বউ শাশুড়ি’, ‘কসম’, ‘বিধাতা’, ‘স্ত্রীর পাওনা’, ‘চাঁদের আলো’, ‘চাঁদের হাসি’, ‘চক্রান্ত’, ‘সিংহ পুরুষ’, ‘সব খতম’ প্রভৃতি। তার অসামান্য এই নির্মাতা জীবনে বাংলা চলচ্চিত্রে অসংখ্য কালজয়ী কাজ রেখে গেছেন, যা কিংবদন্তিতে পরিণত হয়েছে।

  • বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই

    বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই

    বেড়ানো হয়নি সেই সময়ের বলিউডের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র। আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে মুম্বাইয়ের নিজ বাসায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। ভারতের জনপ্রিয় ম্যাগাজিন ফিল্মফেয়ারসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকায় আজ মৃত্যুবরণ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। এই খবর বাংলোইউডের জন্য এক বিশাল শোকের এক অপূরণীয় ক্ষতি।

    অভিনেতার মৃত্যুর খবর পেয়ে তার পরিবারের ঘর-বাড়ি এবং আশেপাশের এলাকা ব্যাপক সাড়া পড়ে গেছে। মুম্বাইয়ের বাড়িতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়, এবং অনেক তারকা ও তার ব্যক্তিগত কর্মীরা সেখানে উপস্থিত হন। বিশেষ করে, তার মেয়ে এশা দেওলের উপস্থিতি চোখে পড়ে, যেখানে এ্যাম্বুলেন্স ও অন্যান্য যানবাহন প্রবেশের জন্য প্রস্তুত দেখা গেছে।

    মুম্বাইয়ের বিখ্যাত ভিলে পার্লে শ্মশানে তার শেষ সমাধি হয়। সেখানে হেমা মালিনী, সানি দেওল, ববি দেওলসহ আরও অনেক চলচ্চিত্র তারকা উপস্থিত ছিলেন। এমনকি অমিতাভ বচ্চন ও অভিষেক বচ্চনও সেখানে উপস্থিত হয়ে শোক প্রকাশ করেছেন। তবে, নিশ্চিত ঘোষণা ছাড়া এই মৃত্যুসংক্রান্ত খবরের সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি, আর এটাই এখন একটি ধোঁয়াশার সৃষ্টি করেছে।

    অভিনেতার জীবনের শেষ সময়ের শ্বাসকষ্টজনিত রোগের কারণে এ বছরের অক্টোবরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তার গুজব ও আলোচনা শুরু হয়, কিন্তু পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয় তিনি আরোগ্য লাভ করেছেন এবং বাড়ি ফিরেছেন। তবে এই সবের মধ্যেই আজকের দিনে তিনি চিরবিদায় নিলেন।

    আগামী ৮ ডিসেম্বর তার ৯০তম জন্মদিন ছিল, তা উদযাপন করার পরিকল্পনা ছিল। তার স্ত্রীর দাবি, এই স্মরণীয় দিনটিকে বিশেষ করে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের মাধ্যমে পালনে তারা প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এই ঘটনা যেন এক বিশাল শোকাবহ মুহূর্তে রূপ নেয়।

    বিশেষ সূত্র: ফিল্মফেয়ার, এনডিটিভি, পিঙ্কভিলা

  • গায়িকা রোজাকে গুলি করে হত্যা, হাসপাতালে মৃত্যু

    গায়িকা রোজাকে গুলি করে হত্যা, হাসপাতালে মৃত্যু

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের নর্থরিজ এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হয়েছেন জনপ্রিয় ল্যাটিন সংগীতশিল্পী মারিয়া দে লা রোজা। গত ২২ নভেম্বর এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, যখন তিনি নর্থরিজের ব্রায়ান্ট স্ট্রিট এলাকার একটি রাস্তায় পার্ক করা একটি গাড়ির পাশে ছিলেন। অসুস্থ হয়ে পড়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    লস অ্যাঞ্জেলেসের পুলিশ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, গত ২২ নভেম্বর রাতে সংগীতশিল্পী রোজার উপর হামলার ঘটনা ঘটে। এ ছাড়াও আরও দুইজন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় অনুসারে আনুমানিক রাত ১টা ২৫ মিনিটে, নর্থরিজের টাম্পা অ্যাভিনিউয়ের পূর্বে ব্রায়ান্ট স্ট্রিটের কাছে গুলির শব্দ পায় পুলিশ।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, ব্রায়ান্ট স্ট্রিটে পার্ক করা একটি গাড়ির দিকে সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তি আসেন। এরপর তারা গাড়িতে গুলি ছোড়ে। পুলিশ জানিয়েছে, এই সংঘর্ষের সময় গায়িকা রোজা গুলিবিদ্ধ হন এবং পরে হাসপাতালে নেয়া হলে তার মৃত্যু ঘটে। আহত দুইজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।

    আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, এ প্রসঙ্গে এখনো পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি। পুলিশ এ ঘটনায় তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

  • সম্পত্তির অমূল্য খাতি রেখে গেলেন ধর্মেন্দ্র, হেমা মালিনী কিছুই পাবেন না!

    সম্পত্তির অমূল্য খাতি রেখে গেলেন ধর্মেন্দ্র, হেমা মালিনী কিছুই পাবেন না!

    দীর্ঘ চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে “দিল ভি তেরা হাম ভি তেরে” সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক করেছিলেন কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র দেওল। ১৯৬০ সালে মুক্তি পাওয়া তার এই প্রথম সিনেমার জন্য তিনি মাত্র ৫১ টাকা পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন, যা তখনকার জন্য খুবই কম। বলিউডে তার পথচলা সহজ ছিল না; প্রথমে কিছু ছবিতে ব্যর্থতার পাশাপাশি দীর্ঘ ছয় বছর অপেক্ষা করতে হয়েছিল সফলতার জন্য।

    ১৯৬৬ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ফুল অর পাত্থর’ সিনেমায় তার অসাধারণ অভিনয় তাকে ঝড় তুলিয়ে দেয় বলিউডে। এই ছবিতে তিনি ‘হি-ম্যান’ উপাধি পান, যা আজও তার কিংবদন্তির প্রতীক। ছয় দশকের বেশি সময় ধরে বলিউডে একক রাজত্ব করেছেন তিনি। মৃত্যুর পর এখন তার সম্পত্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। এই প্রতিবেদনটির মাধ্যমে আমরা জানব তার কত সম্পদ রেখে গেছেন তার সন্তানদের জন্য।

    ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি মৃত্যুবরণকারী এই অভিনেতার স্থাবর-অস্থাবর মিলে সম্পদের পরিমাণ বেশ বিপুল, আনুমানিক ৫০০ কোটি রুপির বেশিই। তার আয়ের মাধ্যমে প্রধান অবদান ছিল তার অভিনয় ক্যারিয়ার, পাশাপাশি তিনি কিছু সফল সিনেমার প্রযোজনা করেছেন। এছাড়া বিজ্ঞাপন, রেস্টুরেন্ট ব্যবসা ও অন্যান্য নানা সূত্রে আয় তিনি অর্জন করেছিলেন।

    মুম্বাইয়ের লোনাভলা অঞ্চলে রয়েছে তার ১০০ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত একটি বিলাসবহুল ফার্মহাউস। এতে রয়েছে সুইমিং পুল, থেরাপি সেন্টার এবং মনোরম বড় বড় বাগান। বর্তমানে এই ফার্মহাউসের বাজার মূল্য আনুমানিক ১২০ কোটি টাকা।

    তার আরও বিভিন্ন অঞ্চলে রয়েছে বাড়ি-জমিসহ মোট ১৭ কোটি টাকার সম্পত্তি। তদ্ব্যতীত, কৃষি জমি ও পরিত্যক্ত জমির মূল্য প্রায় ১.৪ কোটি টাকা।

    এছাড়াও তার সংগ্রহে রয়েছে বিলাসবহুল গাড়ি যেমন মার্সিডিজ বেঞ্জ এস-ক্লাস, মার্সিডিজ বেঞ্জ SL500 আর ল্যান্ড রোভার রেঞ্জ রোভারের মতো।

    বলা হয়, তার কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির কিছু অংশও তিনি পাবেন না তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী হেমা মালিনী। কারণ, প্রথম স্ত্রী প্রাকাশ কৌরকে ডিভোর্স না দিয়ে অন্য মহিলা হেমার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন ধর্মেন্দ্র। সেই বিবাহ হিন্দু বৈধতা পায়নি বলে জানানো হয়। তবে তার দুই কন্যা, এষা আর অহনা, উত্তরাধিকার সূত্রে বাবার বিশাল সম্পত্তির ভাগ পাবেন।

  • বাংলাদেশ আয়ারল্যান্ড সিরিজের টি-টোয়েন্টি দলে চমক রাখলেন তরুণ ক্রিকেটার

    বাংলাদেশ আয়ারল্যান্ড সিরিজের টি-টোয়েন্টি দলে চমক রাখলেন তরুণ ক্রিকেটার

    দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে আয়ারল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করে সিরিজ জেতার পর, এবার টি-টোয়েন্টি লড়াইয়ে উত্তেজনা তৈরি করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। তিন ম্যাচের এই সিরিজটি শুরু হবে আগামী ২৭ নভেম্বর। সাবেকি রূপে ফিরছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি), রোববার (২৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সিরিজের প্রথম দুই টি-টোয়েন্টির জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে।

    দলে সর্বশক্তিমান ক্রিকেটারদের পাশাপাশি এক চমক রয়েছে, সেটা হলো তরুণ ক্রিকেটার মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের অন্তর্ভুক্তি। এছাড়াও, দলের পুনরায় ফিরে এসেছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। দল থেকে বাদ পড়েছেন শেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে খেলেছেন তাসকিন আহমেদ ও শামীম হোসেন পাটোয়ারি।

    লিটন দাসের নেতৃত্বে দলটির বাকী সদস্যরা অপরিবর্তিত থাকছেন। এর আগে, দিনের প্রথমভাগে বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ডের মধ্যে টেস্ট সিরিজ শেষ হয়েছে; যেখানে বাংলাদেশ প্রথম টেস্টে ইনিংস ও ৪৭ রানে জয় লাভ করে। দ্বিতীয় টেস্টে তারা ২১৭ রানের বড় ব্যবধানে জয় নিয়ে সিরিজটি শেষ করে। এই দাপুটে পারফরম্যান্স দলকে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে, আসন্ন টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য।

    বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডের সদস্যরা হলেন: লিটন দাস (অধিনায়ক), সাইফ হাসান (সহ-অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, পারভেজ হোসেন, তাওহীদ হৃদয়, জাকের আলী, নুরুল হাসান সোহান, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, শেখ মেহেদী, রিশাদ হোসেন, নাসুম আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, তানজিম হাসান, শরিফুল ইসলাম ও সাইফ উদ্দিন।

  • বাংলাদেশের সুপার ওভারে পাকিস্তানের বিপক্ষে হেরে স্বপ্নভঙ্গ

    বাংলাদেশের সুপার ওভারে পাকিস্তানের বিপক্ষে হেরে স্বপ্নভঙ্গ

    কাতারের দোহায় পাকিস্তানের জয়ের জন্য ১২৬ রানের লক্ষ্য তোলে বাংলাদেশ। শুরুতে ভালো করে ব্যাটিং, তবে দ্রুতই বেশিরভাগ উইকেট হারায়। রিপন মণ্ডল প্রথম বলেই ইয়াসির খানকে রান আউট করে দেন। পরের ওভারে মেহেরব মোহাম্মদ ফায়েককে শিকার করেন। জুটি গড়ার চেষ্টা করেছিলেন হাজী ঘুরি, কিন্তু জিসান আলমের দুর্দান্ত বোলিংয়ে তাকে দারুণভাবে আটকানো হয়। পাঁচোউইন্ডে গাজী ৯ বলে ৯ রান করে বোল্ড হন। এরপর সাদ মাসুদের উপর দারুণ চাপ সৃষ্টি করেন সোহান, প্রথম পাঁচ বলে চার ও ছক্কা এই ওপেনার। তবে শেষ বলে পুল করতে গিয়ে শর্ট স্কয়ার লেগে ক্যাচ দিয়ে ২৬ রান করে ফিরে যান। পরের ওভারে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনও আউট হন। রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে লেগ বিফোর উইকেটে পড়েন। প্রথম সময়ে অঙ্কনের জন্য রানের খাতা খোলাও কঠিন হয়। তার পর বাংলাদেশ অধিনায়ক আকবর স্পিনার সুফিয়ান মুকিমের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে ইনসাইড এজে বোল্ড হন। ১০ বলে মাত্র ২ রানে অপরাজিত থাকেন। এরপর ইয়াসির আলী রাব্বিও আউট হন শর্ট কভারে ইরফান খানের হাতে ক্যাচ দিয়ে। মাহফুজুর রহমান রাব্বি ও মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী ব্যর্থ হন সংখ্যাগরিষ্ঠ, শেষের দিকে রাকিবুল ও মেহেরব কিছুটা আশা জাগান। তবে তাদের জুটি খুব একটা বড় হয়নি। দানিয়ালকে ছক্কা মারতে গিয়ে মেহেরব ১৯ রানে আউট হন, আর রাকিবুল ২৪ রানে ফিরতে হয়। শেষ ওভারে ১২৫ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। ম্যাচ চলাকালে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, যা সুপার ওভারে গড়ায়।

  • মেসির এক গোল এবং তিন অ্যাসিস্টে মিয়ামি এমএলএস কাপের দৌড়ে খুব কাছাকাছি

    মেসির এক গোল এবং তিন অ্যাসিস্টে মিয়ামি এমএলএস কাপের দৌড়ে খুব কাছাকাছি

    লিওনেল মেসি আবারও দেখালেন কীভাবে তিনি বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার। তার অসাধারণ পারফর্মেন্সের কারণে এফসি সিনসিনাটিকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে প্রথমবারের মতো এমএলএস কাপের ফাইনালের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেল ইন্টার মায়ামি। রোববার রাতে সিনসিনাটির মাঠে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে মেসি এক গোল করেন এবং তার তিনটি অসাধারণ অ্যাসিস্টে তারা জয় অর্জন করে। এই তিন অ্যাসিস্টের মধ্যে দুটি গোল করেন দলের তরুণ আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড মাতেও সিলভেত্তি, আর একটি গোল করেন সিনসিনাটির অভিজ্ঞ খেলোয়াড় আলেন্দে। এর ফলে শনিবারের ইস্টার্ন কনফারেন্সের ফাইনালে মায়ামির জোটে জোড়া লাগল জোড়ালো একটি জয়ের স্বাদ। প্রতিপক্ষ হবে নিউইয়র্ক সিটি এফসি, যেখানে তারা ১-০ গোলে ফিলাডেলফিয়াকে হারিয়ে কুপোকাত করেছে। নিউইয়র্কের একমাত্র গোল করেন অন্য একজন আর্জেন্টাইন খেলোয়াড় ম্যাক্সি মোরালেজ, ম্যাচের ২৭ মিনিটে। ম্যাচের পুরো সময়ের মধ্যে সিনসিনাটির বিপক্ষে গতি এবং নিখুঁত আক্রমণে দারুণ দাপট দেখায় মায়ামি শিবির। কোচ হাভিয়ের মাশচেরানো বলেন, “খুব কঠিন মাঠে কঠিন প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়েও ছেলেরা যে দুর্দান্ত খেলেছে, তাতে আমি গর্বিত। প্রায় নিখুঁত ম্যাচ খেলেছে তারা।

  • বাংলাদেশের শক্তিশালী পারফরম্যান্স: ব্রুনেইকে ৮-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয় জয়

    বাংলাদেশের শক্তিশালী পারফরম্যান্স: ব্রুনেইকে ৮-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয় জয়

    এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ এশিয়ান কাপ ফুটবলের বাছাইপর্বে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭ দল। মঙ্গলবার চীনের ইয়ংচুয়ান স্পোর্টস সেন্টারে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বাংলাদেশের তরুণ তারকারা ব্রুনেইকে ৮-০ গোলে পরাজিত করেছেন। এই জয়ে তারা টুর্নামেন্টে ধারাবাহিক দ্বিতীয় জয়ের স্বাদ পেলেন। এর আগে প্রথম ম্যাচে পূর্ব তিমুরকে ৫-০ গোলে বিধ্বস্ত করে দুর্দান্ত সূচনা করেছিল লাল-সবুজের দল।

    শুরু থেকেই বাংলাদেশ দলের আধিপত্য স্পষ্ট। একের পর এক আক্রমণে ব্রুনেইর রক্ষণভাগের জন্য বিপর্যয় সৃষ্টি হয়। প্রথমার্ধে তারা ৪-০ গোলে সুবিধা নেয়, এবং দ্বিতীয়ার্ধে আরও চারটি গোল যোগ করে জয়টি নিশ্চিত করেন তারকারা।

    বাংলাদেশের হয়ে জোড়া গোল করেছেন রিফাত কাজী ও অপু রহমান। এছাড়াও গোল করেছেন মোহাম্মদ মানিক, আলিফ রহমান, নাজমুল হুদা এবং বায়েজিদ বোস্তামি। পুরো ম্যাচ জুড়ে মাঝমাঠ থেকে শুরু করে আক্রমণ ভাগ—সবখানে বাংলাদেশের দাপট ছিল লক্ষ্যণীয়।

    এখন পর্যন্ত গ্রুপে ছয়টি দল রয়েছে, তবে বাংলাদেশ এবং ব্রুনেই এখনও দুটি করে ম্যাচ খেলেছে। আগামী বুধবার বাংলাদেশ তাদের তৃতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হবে শ্রীলঙ্কার। অন্যদিকে, পরবর্তী ম্যাচে শক্তিশালী বাহরাইন ও স্বাগতিক চীন তাদের প্রতিপক্ষ।

    গ্রুপের শীর্ষে স্থান করে নিতে পারলেই বাংলাদেশ আগামী বছরের মে মাসে সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ এশিয়ান কাপের খেলার সুযোগ পাবে। মূল পর্বের জন্য ১৬ দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। এর মধ্যে ৯টি দল ইতোমধ্যে নিশ্চিত উত্তীর্ণ হয়েছে, এবং বাকি ৭ দল বাছাইপর্বের মাধ্যমে মূল পর্বে ঢুকবে। বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭ দল পূর্বে এই প্রতিযোগিতায় দু’বার এবং অনূর্ধ্ব-১৬ পর্যায়ে চারবার অংশগ্রহণ করেছে, তবে কখনোই গ্রুপপর্ব পার হতে পারেনি। এবার তারা আবারও প্রত্যাশা করছে নিজেদের পারফরম্যান্সের মাধ্যমে ইতিহাস গড়ার।

  • আগে থেকেই জানা গেল, ভারত-পাকিস্তান মহারণের তারিখ ১৫ ফেব্রুয়ারি

    আগে থেকেই জানা গেল, ভারত-পাকিস্তান মহারণের তারিখ ১৫ ফেব্রুয়ারি

    ২০২৬ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশের আগেই জানা গেছে যে, এই টুর্নামেন্টের সবচেয়ে অপেক্ষাকৃত ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ১৫ ফেব্রুয়ারি। ঐ দিন কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে ভারত ও পাকিস্তান। আইসিসি আনুষ্ঠানিকভাবে টুর্নামেন্টের সূচি মঙ্গলবার মুম্বাইয়ে প্রকাশ করবে। ২০২৫ এশিয়া কাপের ত্রিদুটীয় উত্তেজনাপূর্ণ উত্তেজনাপূর্ণ লড়াইয়ের পর এই প্রথম আবার মাঠে নামছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশ। ভারতের সঙ্গে পাকিস্তান এর গ্রুপে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, নেদারল্যান্ডস ও নামিবিয়া।

    বিশ্বকাপের সূচি অনুযায়ী, ভারত ৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে টুর্নামিশ শুরু করবে। এর পরের ম্যাচটি হবে ১২ ফেব্রুয়ারি, দিল্লিতে, যেখানে তারা নেবারিয়ার বিরুদ্ধে খেলবে। এরপরই ১৫ ফেব্রুয়ারি, পাকিস্তানের সঙ্গে লড়াই হবে। এবারের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটি খেলা হবে ১৮ ফেব্রুয়ারি, আহমেদাবাদে, যেখানে ভারতের বিপক্ষে খেলবে নেদারল্যান্ডস।

    নিয়ম অনুযায়ী, এই বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে প্রতিদিন তিনটি করে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এ বছর টুর্নামেন্টটি শুরু হবে ৭ ফেব্রুয়ারি এবং শেষ হবে ৮ মার্চ। ভারত ও শ্রীলঙ্কা যৌথভাবে আয়োজন করছে এই বিশ্বকাপ। পাকিস্তানের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে কেবল কলম্বো বা ক্যান্ডিতে।

    ফরম্যাটটি আগের বিশ্বকাপের মতোই, যেখানে ২০ দল যুক্ত হয় পাঁচটি গ্রুপে ভাগ হয়ে। প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দুই দল উঠে যাবে সুপার এইটে। সেখানে আবার দুটি গ্রুপে বিভক্ত হবে আটটি দল। দুই গ্রুপের শীর্ষ দুই দল খেলবে সেমিফাইনালে, তার পরই ফাইনাল। গ্রুপ পর্বে ভালো পারফর্ম করলে ভারতের তিনটি সুপার এইট ম্যাচ হবে আহমেদাবাদ, চেন্নাই ও কলকাতায়।

    সেমিফাইনালে ভারতের ম্যাচ হবে মুম্বাইয়ে। অন্য সেমিফাইনালের ভেন্যু হিসেবে আইসিসি নির্ধারণ করেছে কলম্বো বা কলকাতা, যদি শ্রীলঙ্কা বা পাকিস্তান শেষ চার নিশ্চিত করে। ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে আহমেদাবাদে, তবে যদি পাকিস্তান ফাইনালে উঠে, তাহলে ম্যাচটি স্থানান্তরিত হতে পারে কলম্বোতে।

    আয়োজক দেশ হিসেবে ভারত ও শ্রীলঙ্কার পাশাপাশি অংশগ্রহণ করবে আরও ১৮টি দল—যারা হলো আফগানিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, যুক্তরাষ্ট্র, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান, আয়ারল্যান্ড, কানাডা, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নামিবিয়া, জিম্বাবুয়ে, নেপাল, ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।

    ২০২৪ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। এবারও তারা বিশ্বকাপে মাঠে নামবে বর্তমান চ্যাম্পিয়নের ভূমিকায়।