Blog

  • ঘরের মাঠে ভারতের জন্য বিপদ বাড়ছে ভারতীয়রা হারলে দ্বিতীয়বারের মত ধবলধোলাইয়ের শঙ্কায় টেস্ট সিরিজ

    ঘরের মাঠে ভারতের জন্য বিপদ বাড়ছে ভারতীয়রা হারলে দ্বিতীয়বারের মত ধবলধোলাইয়ের শঙ্কায় টেস্ট সিরিজ

    গুয়াহাটিতে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশাল রান সংগ্রহ করে নিজেদের পথচলা অনায়াস করে তুলেছে। স্বাগতিক ভারত যখন ব্যাটিংয়ে নিচে দাঁড়িয়ে, তখন মনে হচ্ছে তার ক্রিকেট পিচের মতো পরিস্থিতি। নিয়মিত বিরতিতে ভারতের উইকেট পড়ছে এবং দলের ব্যাটসম্যানরা ধীরে ধীরে অপসারণ ঘটছে। যদি এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকে, তাহলে ভারত এখনই হোワイト ওয়াশ হওয়ার মুখোমুখি হতে পারে, যা শেষবার ২০২৪ সালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে হয়েছিল।

    বিশ্ব টেস্ট ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৪১৮ রান তাড়া করে জয় পাওয়ার রেকর্ড এখনো ওয়েস্ট ইন্ডিজের দখলে। ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ক্যারিবীয়রা এই রেকর্ড গড়ে জয়লাভ করেছিল। তারপর থেকে ২২ বছর পার হয়ে গেছে, এবং এই দৃষ্টান্তের চেয়েও বড় লক্ষ্য বারবার চতুর্থ ইনিংসে আসলেও সফলতা কেউ দেখাতে পারেনি। এবার গুয়াহাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকা ভারতের জন্য সেটি আবারও ৫৪৯ রানের লক্ষ্য স্থাপন করেছে।

    আজ চতুর্থ দিন টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসের খেলা শেষ হয়েছে, যেখানে ভারত দ্বিতীয় ইনিংসে ১৫.৫ ওভারে ২ উইকেটে ২৭ রান যোগ করে। এই ম্যাচের আরেক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হলো, রবীন্দ্র জাদেজা প্রথম ১৯তম ওভারে রায়ান রিকেলটন (৩৫)কে ফিরিয়ে দিয়ে বোল্ড করেন। প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়া জাদেজা দ্বিতীয় ইনিংসেও বল হাতে কার্যকর ছিলেন। এই সময়ে ট্রিস্টান স্টাবস ও টনি ডি জর্জি ১০১ রানের জুটি গড়েন, যা ভারতীয় বোলারদের জন্য চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়ায়।

    প্রথম ইনিংসে ভারতকে লক্ষ্য ছিল ৫৪৮ রান। জবাবে ব্যাটিংয়ে নামা ভারত ধীরস্থির শুরু করে, তবে দ্রুতই দুই উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায়। প্রথমে যশস্বী জয়সওয়াল ১৩ রান করে আউট হন, এর পরে লোকেশ রাহুলকে বোল্ড করেন সায়মন হারমার। এর ফলে ভারতের রানরেট একদমই কমে যায়, প্রায় ১.৭০-এ দাঁড়ায়। ব্যাটসম্যানরা এখন হালকা অনুশীলনে থাকলেও, এই টেস্টে ভারতের হোয়াইট ওয়াশ হওয়ার আশঙ্কা কাটছে না। শেষ পর্যন্ত প্রোটিয়াদের এই ক্রমবর্ধমান ধারায় তাদের এগিয়ে যেতে দেখা যাচ্ছে, যা ভারতের জন্য শত্রুপথের মতো।

  • ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি ও বাংলাদেশের খেলা কবে

    ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি ও বাংলাদেশের খেলা কবে

    অক্টোবর ২০২৩ এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে ক্রিকেটের অমীমাংসিত মহাযুদ্ধ—the টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর। এই আসরটি হবে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় এক সঙ্গে। পুরো ২০ দলের এই টুর্নামেন্টের আয়োজন শুরু হবে আড়াই মাসেরও বেশি সময় আগে, ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে। বাংলাদেশ দল নিজের প্রথম ম্যাচের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, কারণ ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) প্রকাশ করেছে করে পুরো সূচি ও গ্রুপিং। এতে দেখা যায়, বাংলাদেশকে রাখা হয়েছে ‘সি’ গ্রুপে, যেখানে তার প্রতিপক্ষ হিসেবে আছেন ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নেপাল ও ইতালি। এই গ্রুপটি বেশ কঠিন বলে মনে করা হচ্ছে, কারণ সবাই শক্তিশালী দলের মধ্যে পড়ে।

    বিশ্বকাপের প্রথম দিন থেকেই মাঠে নামবে বাংলাদেশ। ৭ ফেব্রুয়ারি কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ইডেন গার্ডেন্সে পাকিস্তানের সঙ্গে তুলনা হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের। এই ম্যাচটি বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় শুরু হবে। এরপর আবার ফিরে আসবে কলকাতা, যেখানে ৯ ফেব্রুয়ারি ইতালির বিপক্ষে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত থাকবে লিটন দাসের দল। ১৪ ফেব্রুয়ারি, নিজের তৃতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ, সেটিও কলকাতায়, সময় দুপুর ৩টায়। এরপর, ১৭ ফেব্রুয়ারি নেপালের বিপক্ষে খেলবে টিম বাংলাদেশ, ম্যাচটি হবে সন্ধ্যা ৭টায়।

    গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটি হবে মুম্বাইয়ে, যেখানে বাংলাদেশ এবং অন্য দলগুলো নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করার জন্য খেলবে। প্রতিটি গ্রুপ থেকে দুটি করে দল সুপার এইটের জন্য উত্তীর্ণ হবে। গত বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অনুকরণীয় পারফরম্যান্স দেখিয়ে সুপার এইটে খেলেছিল।

    এদিকে, ‘এ’ গ্রুপে রয়েছে ভারত, পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র, নেদারল্যান্ডস ও নামিবিয়া। উদ্বোধনী দিনে ভারত ও পাকিস্তান মাঠে নামবে। পাকিস্তান ৭ ফেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে খেলবে, অন্যদিকে ভারত খেলবে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে। ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে মুখোমুখি হবে বাবর আজমের পাকিস্তান ও সূর্যকুমার যাদবের ভারত।

    শ্রীলংকা একটি স্বতন্ত্র গ্রুপে রয়েছে, যেখানে তার প্রতিপক্ষ আছি অস্ট্রেলিয়া, জিম্বাবুয়ে, আয়ারল্যান্ড ও ওমান। এই গ্রুপে চারটি টেস্ট খেলা দেশের সমন্বয়ে অ্যারে। আর আরেকটি গ্রুপ, অর্থাৎ ‘ডি’ গ্রুপে রয়েছে সাউথ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান, কানাডা ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। এই গ্রুপের শীর্ষ দুটি দল সরাসরি জায়গা করে নেবে সুপার এইটে।

    সেখানে দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে দলগুলো, এবং সেরা চারটি দল নেবে সেমিফাইনাল। প্রথম সেমিফাইনাল হবে কলকাতায়, দ্বিতীয়টি হবে কলম্বোতে। দেশের ভেন্যু অনুযায়ী যদি পাকিস্তান ফাইনালে উঠে, তবে শিরোপার ম্যাচ হবে ৮ মার্চ কলম্বোতে। অন্যদিকে, পাকিস্তান যদি পরাজিত হয়, তাহলে ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ভারতের আহমেদাবাদে।

    বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অন্যতম ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে দেখা যাবে রোহিত শর্মাকে। বাংলাদেশ দলের মূল খেলাগুলোর সূচি অনুযায়ী, প্রথম ম্যাচ হবে ৭ ফেব্রুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে কলকাতায়, এরপর ৯ ফেব্রুয়ারি ইতালির মুখোমুখি হবে। ১৪ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ডের সঙ্গে লড়াই হবে কলকাতায়, এবং শেষ ম্যাচটি হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি নেপালের বিরুদ্ধে।

  • দক্ষিণ আফ্রিকা ২৫ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার ভারতের মাটিতে সিরিজ জিতল

    দক্ষিণ আফ্রিকা ২৫ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার ভারতের মাটিতে সিরিজ জিতল

    গুয়াহাটির মাঠে ভারতের বিরুদ্ধে তাদের দুর্দান্ত জয় উদযাপন করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা, যেখানে তারা চারশো আট রানে জয়লাভ করে। এই জয় এই দেশের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি দীর্ঘ ২৫ বছর পর ভারতের মাটিতে প্রথম সিরিজ জয়। দলটির জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত, যেখানে তারা তাদের প্রথমবারের মতো হ্যান্সি ক্রনিয়ের অধীনে ২০০০ সালে সিরিজ জিতেছিল। এবার আবারও বাভুমার নেতৃত্বে সেই ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনলেন প্রোটিয়ারা। অধিনায়ক হিসেবে এটি তার ১১ তম জয়, যা তার টেস্ট ক্যারিয়ারে এক অনন্য মর্যাদার নিদর্শন।

    সুপার স্পোর্টসের একটি অসম্ভব লক্ষ্য ছিল ৫৪৯ রানের। তবে ভারত একদিনের মধ্যে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর জন্য এক রকম লড়াই করছিল। শেষ দিনে তাদের কাছে ছিল ৮ উইকেট, আর তারা ২ উইকেটে ২৭ রান করে খেলা শুরু করেছিল। তবে মাত্র ১৩ রানের মধ্যে ভেঙে পড়ল ভারতের ব্যাটিং লাইন, যেখানে সিমন হারমার এক ওভারে কুলদীপ যাদব ও ধ্রুব জুরেলকে আউট করে দিলেন। এরপর ভারতীয় অধিনায়ক ঋশাভ পান্তকে মাঠে থেকে নিয়ে গেলেন। ৫৮ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ভারতের জন্য পরিস্থিতি কঠিন হয়ে দাঁড়াল।

    কিন্তু সেখানে থাকলেন সাই সুদর্শন ও রবীন্দ্র জাদেজা, যারা কঠিন প্রতিরোধ গড়লেন। সুদর্শন ১৩৮ বলের মধ্যে অপরাজিত ১৪ রান করে থাকলেন, আর জাদেজা ৪০ বলে ২৩ রানে টিকে থাকলেন। মনে হচ্ছিল, আবারও ভারতের ড্র করার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

    তবে চা বিরতিতে ফিরতেই দক্ষিণ আফ্রিকা আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠল। দ্বিতীয় সেশনের পঞ্চম বলেই সুটোদের জুটি ভেঙে গেল। সুদর্শন ক্যাচ দিয়ে ফিরে গেলেন, যখন তিনি ১৩৯ বলে ১৪ রান করছিলেন। এরপর, ওয়াশিংটন সুন্দর ও জাদেজার সর্বোচ্চ মানের প্রতিরোধে ম্যাচ অল্প সময়ের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। ৭৭ বলে ৩৫ রানের একটি জুটি গড়ে তারা মারক্রামের বলের শিকার হন। তার ক্যাচ নিয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়েন দক্ষিণ আফ্রিকার ফিল্ডাররা, যেখানে মারক্রাম এক টেস্ট ম্যাচে সর্বোচ্চ ৯ ক্যাচ নিয়ে নতুন রেকর্ড করে ফেলেন।

    আনন্দর পাশাপাশি জাদেজা কিছুটা লড়াই চালিয়ে যান, তবে শেষমেশ তিনি ও সিরাজের উইকেট পড়ে যায়। হারমার এই ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ৯ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা হয়। মোট দুই ইনিংসে তিনি ১৭ উইকেট শিকার করেন, যা সিরিজের অন্যতম সেরা পারফরম্যান্স। অন্যদিকে, ম্যাচসেরা হন জানসেন, যিনি ব্যাট ও বল দুইই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন। প্রথম ইনিংসে ৯৩ রান করে এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেট নিয়ে ম্যাচে এক প্রকৃত নায়ক হিসেবে আবির্ভূত হন। এই দুই ইনিংস মিলিয়ে তিনি মোট ৭ উইকেট নিয়েছেন, যা এই সিরিজের অন্যতম স্মরণীয় পারফরম্যান্স।

  • শোয়েব আখতার বিপিএলে ঢাকা ক্যাপিটালসের মেন্টর হিসেবে যুক্ত থাকছেন

    শোয়েব আখতার বিপিএলে ঢাকা ক্যাপিটালসের মেন্টর হিসেবে যুক্ত থাকছেন

    বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) এই বছরের আসরে প্রথমবারের জন্য দেখা যাবে পাকিস্তানের সাবেক হেভি পেসার শোয়েব আখত্রকে। তিনি এবার ঢাকা ক্যাপিটালসের মেন্টর হিসেবে দায়িত্ব চলাচ্ছেন, চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে তার সঙ্গে এই ফ্র্যাঞ্চাইজির। শোয়েব এই চোখে দেখছেন বিপিএলকে স্বপ্নের মতো একটি প্রতিযোগিতা, যেখানে তিনি কাজ করার জন্য মুখিয়ে আছেন।

    শোয়েব আখতার এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘হ্যালো বাংলাদেশ! বাংলাদেশ আমার অনেক প্রিয়। আমার হৃদয়ের কাছেও অনেক কাছের। গত ১০-১৫ বছর ধরে আমি বাংলাদেশে আসতে পারি না। তবে এবার বিপিএল দিয়ে আপনাদের সঙ্গে যুক্ত হতে পারছি, যেখানে আমি ঢাকা ক্যাপিটালসের মেন্টর হিসেবে থাকছি। আপনাদের সঙ্গে দেখা হওয়ার আগ্রহে যেন ক্ষুধা লেগে আছে। আমি আপনাদের খুব ভালোবাসি।’

    এদিকে, বিপিএলের আসর শুরু হওয়ার অনেক পরিকল্পনায় কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। আসন্ন মৌসুমের নিলাম তিন দফা পিছিয়ে এখন ধরা হয়েছে ৩০ নভেম্বর। এবারই প্রথম বিপিএল-এ প্লেয়ার্স-ড্রাফটের পরিবর্তে অকশন পদ্ধতি চালু হবে। তবে বিস্ময়কর বিষয় হলো, শুরুতে ৫ দলের পরিকল্পনা থাকলেও হঠাৎ আরেকটি নতুন দল যুক্ত হয়েছে, যা ক্রিকেটপ্রেমীদের মাঝে আলোচনা হচ্ছে।

    নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, ২৬ ডিসেম্বর (সম্ভাব্য তারিখে) মাঠে গড়াতে যাচ্ছে ১২তম বিপিএল। ফাইনাল ম্যাচ আগামী ২৪ জানুয়ারির সম্ভাব্য তারিখে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

    প্রসঙ্গত, এই আসরকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলতে বিভিন্ন দলের মালিকানায় পরিবর্তন করা হয়েছে। বসুন্ধরা গ্রুপের মালিকানা পেয়েছে রংপুর রাইডার্স। চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিকানা দেয়া হয়েছে ট্রায়াঙ্গাল সার্ভিসকে। এছাড়া, নাবিল গ্রুপের হাতে গেছে রাজশাহী, দেশ ট্রাভেলসের মালিকানা পেয়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। অন্যদিকে, ক্রিকেট উইথ সামি সিলেট এর মালিকানা নিয়েছে ঢাকা ফ্র্যাঞ্চাইজিকে, এর পাশাপাশি চ্যাম্পিয়ন স্পোর্টস (রিমার্ক-হারল্যান) পেয়েছে অন্য একটি দলকে। এই পরিবর্তনগুলো বাইডে এখন বিপিএলের উত্তেজনা তুঙ্গে।

  • শামীমকে বাদ দেওয়ার বিষয়ে কোনো ঘোষণা জানানো হয়নি, লিটন দাসের অভিযোগ

    শামীমকে বাদ দেওয়ার বিষয়ে কোনো ঘোষণা জানানো হয়নি, লিটন দাসের অভিযোগ

    আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে এই সংক্ষিপ্ত টুয়েন্টি-২০ সিরিজের স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েছেন বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান শামীম পাটোয়ারি। তবে এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে দেশের প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু আগে থেকেই জানিয়েছেন না অধিনায়ক লিটন দাসকে। লিটন গণমাধ্যমে এই কথাগুলো প্রকাশ করে বলেন, নির্বাচকরা কোনো নোটিশ না দিয়েই শামীমকে দল থেকে বাদ দিয়েছেন, যা তিনি অত্যন্ত অপ্রত্যাশিত মনে করছেন।

    প্রতিবারই একটি সিরিজের জন্য দল নির্বাচনের আগে কোচ এবং অধিনায়কের সঙ্গে বৈঠক করেন নির্বাচকরা। এই বৈঠকে জানানো হয় কারা দলে থাকছে বা বাদ পড়ছে। কিন্তু এবারের সিরিজের জন্য এমনটা ঘটেনি বলে মনে করেন লিটন। তিনি জানান, এটা তার বা কোচের সিদ্ধান্ত নয়, পুরোপুরি নির্বাচকদের সিদ্ধান্ত। তিনি বলেন, আমি জানি না কেন, তবে নির্বাচকরা আমাকে কিছু না বলে শামীমকে দল থেকে বাদ দিয়েছেন। আমি বুঝতে পারছি না কেন, কারণ টিমের ক্যাপ্টেন হিসেবে আমি জানতাম যে কারা থাকবে বা কারা বাদ যাবে।

    লিটন আরও বলেন, প্রত্যেক খেলোয়াড়ই দেশের জন্য সেরা পারফর্মার হওয়ার জন্য আসে। সুতরাং নির্বাচিত ১৫ জনের মধ্যে যে কেউ থাকুক না কেন, তারা ভালো করবে। তবে তিনি মনে করেন, শামীমের বাদ পড়ার কারণ স্পষ্ট নয়। তিনি দাবি করেন, কখনোই তাকে এই ব্যাপারে কোনও নোটিশ দেওয়া হয়নি। ক্যাপ্টেন হিসেবে, তিনি চেয়েছিলেন শামীমের এই সিদ্ধান্তে অখুশি থাকবেন, কারণ তার মতে, শামীম টিমে থাকলে ভালো হতো।

    তবে, এ সিরিজের এক দিন আগে পর্যন্ত জানানো হয়নি দল কেমন হবে, যা নিয়ে অধিনায়কের মধ্যে গভীর ক্ষোভ ছিল। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমাকে জানানো হয়েছিল যে, আমাকে একটি নির্দিষ্ট দল দিয়ে মাঠে নামতে হবে। এ কারণে আমি আমার পক্ষে কাউকে চয়ন করার স্বাধীনতা পাইনি। তিনি ব্যাখ্যা করেন, আগের মতো, একজন ক্যাপ্টেনের একটি পরিকল্পনা থাকে, কিন্তু এইবার জানতে পারলেন যে, দলটি নির্ধারিত হয়ে গেছে এবং তার কাজ হচ্ছে সেই দল নিয়ে ভালো পারফর্ম করা।

    শামীমের বর্তমানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খুব বেশি স্কোর করেন না, তবে দলের অন্যান্য ব্যাটসম্যানের মতোই তিনি অধিনায়কের সমর্থন অর্জন করেন। লিটন আরও বলেন, প্রত্যেক খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স প্রত্যাশা করা সম্ভব নয়। গত সময়ে শামীম কিছু সিরিজে দুর্দান্ত অতিরিক্ত পারফর্ম করেছিল, যা দলের জন্য দরকার ছিল। শামীমের বাদ পড়াটা তার জন্যও হতাশাজনক।

    অবশেষে, লিটন দাস বলেন, আমি সত্যিই দুঃখিত, কারণ আমি তাকে পুরোপুরি সমর্থন দিতে পারিনি। তিনি আরও বলেন, আমি এক্সপেক্ট করিনি যে, প্রতিদিনই সবাই পারফর্ম করবে। যদি এক বা দুই সিরিজে পারফর্ম না করে, তখনও তাকে উপযুক্ত সমর্থন দেওয়া উচিৎ ছিল। আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত যে, আমি তাকে পুরোপুরি সহায়তা করতে পারি নি।

  • ‘গোটা ভারতবর্ষ হেলিয়ে দেব’ : মমতার গুরুতর মন্তব্য এসআইআর সংকটে

    ‘গোটা ভারতবর্ষ হেলিয়ে দেব’ : মমতার গুরুতর মন্তব্য এসআইআর সংকটে

    পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকায় বিশেষ সংশোধন ও এসআইআর (স্মার্ট আইডি রেজিস্ট্রেশন) প্রক্রিয়া নিয়ে বিরোধের মাঝেই রাজ্য শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস সরব হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সীমান্তবর্তী বনগাঁয় গিয়ে এই বিষয়কে কেন্দ্র করে বিজেপির সমালোচনা করেছেন। তিনি জানান, বাংলার দখলের স্বপ্ন দেখায় বিজেপি, তবে এই স্বপ্ন পূরণ হবে না। মমতা আরও বললেন, ‘আমাকে আঘাত করলে গোটা ভারতবর্ষ হেলিয়ে দেব। যদি বাংলাকে ভাল রাখা যায়, তাহলে দেশও ভাল থাকবে। আর যদি আঘাত আসে, তাহলে তার প্রত্যাঘাত সহ্য করতে হবে।’

  • মন্দিরে দাহের সময় জীবিত নারী কফিন থেকে উঠে আসলেন

    মন্দিরে দাহের সময় জীবিত নারী কফিন থেকে উঠে আসলেন

    থাইল্যান্ডের ব্যাংককের উপকণ্ঠে অবস্থিত ওয়াট র‌্যাট প্রাখং থাম বৌদ্ধ মন্দিরে দাহের প্রস্তুতি চলাকালে এক অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটেছে। দাহ্য অনুষ্ঠান চলাকালে কফিনের ভেতর থেকে হালকা শব্দ শুনে কর্তৃপক্ষ প্রথমে বিস্মিত হন। পরে কফিন খুলে দেখা যায়, এক নারী চোখ খুলে বসে আছেন এবং কফিনের দেয়ালে হালকা আঘাত করছেন। মন্দিরের মহাব্যবস্থাপক পাইরাত সুদথুপ জানিয়েছেন, তিনি সেদিন প্রথমে এ শব্দ শুনে চমকে যান, এরপর বুঝতে পারেন যে ওই নারী সম্ভবত বেশ কিছুক্ষণ ধরে কফিনে ধাক্কা দিচ্ছিলেন।

    নিরাপত্তার জন্য দ্রুত নারীর স্থিতি যাচাই করে দেখলে নিশ্চিত হয়, তিনি জীবিত। তার পরিবারের ছোট ভাইয়ের দাবি, তার বোনের মৃত্যু সংবাদ ধরা হয়েছিল। তবে মন্দিরের কর্তৃপক্ষের সূত্রে জানা যায়, ভাইয়ের কাছে কোনও মরদেহের সনদ ছিল না, যখন তিনি মরদেহের উদ্‌ঘাটনের প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করছিলেন, তখনই আবার কফিন থেকে শব্দ শুনতে পান কর্মীরা।

    নারীটি জীবিত থাকায় তাকে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসকদের পরীক্ষায় জানা যায়, তিনি গুরুতর হাইপোগ্লাইসেমিয়ায় ভুগছিলেন, অর্থাৎ রক্তে শর্করার মাত্রা মারাত্মকভাবে কমে গিয়েছিল। তবে ডাক্তাররা নিশ্চিত করেছেন, তাকে শ্বাসকষ্ট বা হৃদরোগে আক্রান্ত হননি।

    অপরদিকে, নারীর ছোট ভাই জানিয়েছেন, তার বোন গত দুই বছর ধরে শয্যাশায়ী ছিলেন। মন্দিরের ব্যবস্থাপকের ধারণা, স্বাস্থ্যের অবনতি হওয়ার কারণে শনিবার তার শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে গেছে বলে ধারণা করা হয়।

    পরিবারটি থাইল্যান্ডের ফিটসানুলোক প্রদেশ থেকে দাহের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ব্যাংককে আসছিলেন। দীর্ঘ প্রায় ৫০০ কিলোমিটার (৩১১ মাইল) পথ পাড়ি দিয়ে তারা এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে এসেছিলেন।

  • বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর এখন ঢাকার স্থানান্তর

    বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর এখন ঢাকার স্থানান্তর

    রাজধানী ঢাকার জনসংখ্যা ও আয়তন তীব্রভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। অন্যান্য বিশ্বশহরগুলোর তুলনায় ঢাকায় মানুষের আনাগোনা আরও বেড়েছে, যার ফলশ্রুতিতে ঢাকা বর্তমানে বিশ্বের নবম স্থান থেকে উঠে এসে দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে। বলে মনে করা হচ্ছে, ২০৫০ সালের মধ্যে ঢাকাটি বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বৃহৎ শহর হিসেবে স্থানávání করবে।

    জাতিসংঘের একটি নতুন প্রতিবেদন এ তথ্যটি প্রকাশ করেছে, যা বুধবার (২৬ নভেম্বর) আলজাজিরা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

    অতীতে, বিশ্বের বৃহত্তম শহর ছিল জাপানের রাজধানী টোকিও। কিন্তু বর্তমানে, জাপানের এই শহরকে ছাড়িয়ে, শীর্ষে উঠেছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ঢাকা, আর তৃতীয় স্থানে নেমে গেছে টোকিও। ২০০০ সালের দিকে, জাতিসংঘ রীতিমতো এই জাপানি শহরটিকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় শহর হিসেবে চিহ্নিত করেছিল।

    জাতিসংঘের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বর্তমানে জাকার্তায় প্রায় ৪ কোটি ১৯ লাখ মানুষ বসবাস করছে। ঢাকায় এই সংখ্যা ৩ কোটি ৬৬ লাখ এবং টোকিওতে ৩ কোটি ৩৪ লাখ জনসংখ্যা রয়েছে।

    এছাড়াও, ‘ওয়ার্ল্ড আর্বানাইজেশন প্রসপেক্ট ২০২৫’ শীর্ষক রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী এখন পর্যন্ত ৩৩টি মেগাসিটি রয়েছে। এশিয়ার মধ্যে এই শহরগুলোই বেশি সংখ্যক। ১৯৭৫ সালে মাত্র আটটি শহর ছিল যে যেখানে ১ কোটিরও বেশি মানুষ বসবাস করেন, এখন সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩য়ে।

    এই তালিকায় প্রথম দশের মধ্যে নয়টি শহরই এশিয়ার। এর মধ্যে রয়েছে ভারতের নয়াদিল্লি (৩ কোটি ২ লাখ), চীনের সাংহাই (২ কোটি ৯৬ লাখ), গুয়াংজু (২ কোটি ৭৬ লাখ), ফিলিপাইনের মানিলা (২ কোটি ৪৭ লাখ), ভারতের কলকাতা (২ কোটি ২৫ লাখ) এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল (২ কোটি ২৫ লাখ)।

    বিচিত্রের বাইরে, মিসরের কায়রো হল একমাত্র এশিয়ার বাইরে থাকা শহর, যেখানে প্রায় ৩ কোটি ২০ লাখ মানুষ বসবাস করেন।

    অপরদিকে, আমেরিকা মহাদেশে সবচেয়ে বড় শহর হলো ব্রাজিলের সাও পাওলো, যেখানে মানুষ থাকেন প্রায় ১ কোটি ৮৯ লাখ। আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে স্যারিয়ার লাগোস শহর সবচেয়ে বড়, যেখানে জনসংখ্যা বিশাল সংখ্যাক।

    বিশ্লেষকেরা মনে করেন, ঢাকার দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণ হলো দূরবর্তী অঞ্চলের বাসিন্দারা রাজধানীতে আসছেন বিভিন্ন কাজে, সুযোগ সন্ধানে। পাশাপাশি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন বন্যা ও সমুদ্র Rising sea levels এর কারণে অনেক মানুষ ঢাকায় পাড়ি জমাচ্ছেন।

  • ৩০০ বছরে সর্বোচ্চ বৃষ্টিতে থাইল্যান্ডে ভয়াবহ বন্যা, ৩৩ জনের মৃত্যু

    ৩০০ বছরে সর্বোচ্চ বৃষ্টিতে থাইল্যান্ডে ভয়াবহ বন্যা, ৩৩ জনের মৃত্যু

    থাইল্যান্ডের বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্টি হওয়া ভয়াবহ বন্যায় এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৩৩ জনের মৃতু হয়েছে। এই প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবেলার জন্য সরকার দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। সেনাবাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবকরা উদ্ধারকাজে তৎপর হয়ে বিভিন্ন এলাকায় উপস্থিত হয়েছে। মালয়েশিয়া সীমান্তবর্তী ব্যস্ত শহর হাতইয়াইতে একদিনেই রেকর্ড করা হয় ৩৩৫ মিলিমিটার অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত যা শহরটির ইতিহাসে ৩০০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন।

    শহর জুড়ে তোলা ছবিগুলো দেখাচ্ছে, যানবাহন ও বাড়িঘর পানির নিচে তলিয়ে গেছে। অনেক বাসিন্দা তাদের বাড়ির ছাদে উঠে আছেন, আশার আলো দেখছেন উদ্ধারকারীদের। গত এক সপ্তাহে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ১০টি প্রদেশ ব্যাপক বৃষ্টিপাতের শিকার হয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও গুরুতর করে তুলেছে। এখন পর্যন্ত ২০ লাখের বেশি মানুষ प्रभावित হলেও মাত্র ১৩ হাজার জনকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরানোর ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়েছে। রয়টার্সের বরাতে বলা হয়, অধিকাংশ মানুষ এখনও বিচ্ছিন্ন বন্দরে আছেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা পাচ্ছেন না।

    থাই সেনাবাহিনীকে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রমের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা ত্রাণসামগ্রী সহ একটি বিমানবাহী রণতরি এবং ১৪টি নৌযান পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। এসব নৌযানে খাদ্য, পানি ও জরুরি ত্রাণসামগ্রী নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি মোবাইল রান্নাঘরও স্থাপন করা হয়েছে, যা প্রতিদিন প্রায় ৩০০০ খাবার সরবরাহ করতে সক্ষম।

    প্রয়োজনে যুদ্ধজাহাজের মেডিক্যাল টিম দিয়ে ‘ভাসমান হাসপাতাল’ তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছে নৌবাহিনী। উদ্ধারকাজে বেশ কয়েকটি নৌকা, উঁচু চাকা-যুক্ত ট্রাক ও জেট স্কির সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। সংখলা প্রদেশের গভর্নর জানিয়েছেন, এসব যানবাহনের মাধ্যমে পানিবন্দি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এই প্রদেশের হাতইয়াই শহরটি অবস্থিত।

    মঙ্গলবার থাইল্যান্ডের মন্ত্রিসভা সংখলাকে দুর্যোগপূর্ণ এলাকা হিসেবে ঘোষণা করেছে, যাতে জরুরি তহবিলের ব্যবস্থা নেওয়া যায়। তবে এখনও বহু মানুষ পানিতে আটকা পড়ে আছেন।

    অবিরাম বর্ষণে থাইল্যান্ডের প্রতিবেশী দেশগুলোও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভিয়েতনামে এক সপ্তাহে প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৮ জনে, আর মালয়েশিয়ায় ১৯ হাজারের বেশি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। মালয়েশিয়ায় উত্তর সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় ১২৬টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

  • পাকিস্তানে ‘ভারতের মদদপুষ্ট’ ২২ সন্ত্রাসী নিহত

    পাকিস্তানে ‘ভারতের মদদপুষ্ট’ ২২ সন্ত্রাসী নিহত

    পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের বান্নু অঞ্চলে পাঞ্জাবি সেনারা কঠোর অভিযান চালিয়ে ২২ জন সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে। পাক সেনাদের দাবি, এই সন্ত্রাসীরা ‘ভারতের মদদপুষ্ট খারেজি উগ্রপন্থী’। পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ দপ্তর (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ভারতের প্রায়োক্ষ ফিতনা আল-খারেজির উপস্থিতির খবর পেয়ে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করা হয়। গুলিবিনিময়ের ঘটনায় ২২ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়, খবর আনাদোলুর।

    আইএসপিআর আরও জানিয়েছে, যদি অন্যান্য সন্ত্রাসীরা এখনও সেখানে অবস্থান করে, তাদের খুঁজে বের করে নির্মূল করতে নতুন করে ‘পরিচ্ছন্নতা অভিযান’ চালানো হবে।

    অন্যদিকে, পাকিস্তানের এই সামরিক আক্রমণের জবাবে আফগানিস্তান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, তারা এর উপযুক্ত জবাব দেবে। মঙ্গলবার রাতে খোস্ত প্রদেশে পাকিস্তানের হামলার পর আফগান তালেবান সরকার জানিয়েছে, এতে অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে নয়জন শিশুও রয়েছেন। তবে পাকিস্তান এই হামলার কথা অস্বীকার করেছে।

    এর আগে, গত অক্টোবর মাসে দুই দেশের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ হয়। কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় কিছুটা শান্তি আসলেও, উত্তেজনা এখনও বিষাক্তভাবে বিরাজমান।

    তাজা হামলার পর, গত সোমবার পেশোয়ারে এক সামরিক দফতরে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে ছয়জন নিহত হন। এর প্রেক্ষিতে, রাত্রে আফগানিস্তানে বিমান হামলা চালায় পাকিস্তান।

    এমন পরিস্থিতিতে, আফগান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেছেন, আমাদের আকাশসীমা, অঞ্চল ও জনগণকে রক্ষা করার অধিকার আমাদের বিলক্ষণ রয়েছে। তিনি আরও জানান, সময় আসলে আমরা উপযুক্ত জবাব দেব। এই দাঁড়িপাল্লায়, পুরো অঞ্চলটি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।