Blog

  • সোনার দামে বড় বৃদ্ধি: দুই দফা কমার পর আবার ঊর্ধ্বমুখী

    সোনার দামে বড় বৃদ্ধি: দুই দফা কমার পর আবার ঊর্ধ্বমুখী

    দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। আজ বুধবার (১৯ নভেম্বর) একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বর্তমানে প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ২৭৬2 টাকা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর ফলে, ভালো মানের সোনার (২২ ক্যারেট) দাম পৌঁছেছে ২ লাখ ৯ হাজার ৫২০ টাকা, যা পূর্বের চেয়ে উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে।

    শনিবার (১৮ নভেম্বর) দেশে প্রথমে প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৩৬৪ টাকা অপরিবর্তিতভাবে কমানো হয়েছিল। এরপর মাত্র এক দিন যেতে না যেতে, বা মঙ্গলবার, একই দাম আবারো বৃদ্ধি পায়। অর্থাৎ, এক দিনে প্রায় দ্বিগুণ বা ২ হাজার ৬১২ টাকা মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে, এখন ২২ ক্যারেটের সোনার ভরি জোড়া হয়েছে ২ লাখ ৯ হাজার ৫২০ টাকায়।

    বাজুস বলছে, এই মূল্যবৃদ্ধির পেছনে প্রধান কারণ হলো স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম বেড়ে যাওয়া, এবং আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার জোয়ার। বিশ্ববাজারে প্রতিও আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে, যা মূলত আমাদের দেশের দরকষাকষি ও মূল্য নির্ধারণে 영향을 ফেলেছে।

    নতুন মার্জিন অনুযায়ী, সবচেয়ে মানসম্পন্ন বা ২২ ক্যারেটের এক ভরির মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৯ হাজার ৫২০ টাকা। এর পাশাপাশি, অন্যান্য মানের সোনার দাম হচ্ছে: ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি এক লাখ ৭১ হাজার ৪২৬ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতিতে তৈরি সোনার প্রতি ভরি দামে রয়েছে এক লাখ ৪২ হাজার ৫৯২ টাকা।

    অপরদিকে, রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের রুপার প্রতি ভরি দাম হয়েছে ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৪০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে রুপার প্রতি ভরি বর্তমান বাজার দাম ২ হাজার ৬০১ টাকা।

  • স্বর্ণের দাম কমলো, নতুন দাম নির্ধারণিং হয়েছে বিভিন্ন ক্যারেটের জন্য

    স্বর্ণের দাম কমলো, নতুন দাম নির্ধারণিং হয়েছে বিভিন্ন ক্যারেটের জন্য

    দেশের ঋতুভিত্তিক বাজারে স্বর্ণের মূল্য কিছুটা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকা স্বর্ণের দাম কমার প্রেক্ষিতে এক দিনের মধ্যে দেশের স্বর্ণের বাজারে দামহ্রাসের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে উচ্চমানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম আগামী শুক্রবার থেকে কার্যকর হবে, যা এখন থেকে ১,৩৫৩ টাকা কমে দাঁড়াবে ২ লাখ ৮ হাজার ১৬৭ টাকা। এর আগে, ২০ অক্টোবর স্বর্ণের দাম রেকর্ড ভেঙে যায়, তখন এক ভরি স্বর্ণের দাম হয়ে ওঠে ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকা।

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং ও প্রাইস মনিটরিং বৈঠকে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে, কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের স্বাক্ষরে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

    গত ২০ অক্টোবর স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পেয়েছিল, যার ফলে উচ্চমানের ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য বেড়ে যায়। তবে, আজ আবার দাম কমানোর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন দাম অনুসারে, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য এখন ২ লাখ ৮ হাজার ১৬৭ টাকায় নেমে এসেছে, যা আগে ছিল ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকা। অন্য ক্যারেটের স্বর্ণের দামও উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি এখন ১,৯৮,৬৯৬ টাকা, আগের দাম ছিল ২,০০,০০৬ টাকা। ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম কমে ১,৭০,৩১৮ টাকা হয়েছে, আগে যার দাম ছিল ১,৭১,৪২৬ টাকা। এছাড়াও, সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম এখন ১,৪১,৬৪৮ টাকা, যা আগের থেকে ৯৪৪ টাকা কম।

    উল্লেখ্য, এর আগে ২০ নভেম্বর সর্বশেষ দাম বৃদ্ধির ঘোষণা আসলেও, সেই সময় স্বর্ণের দাম আবারও বাড়ানো হয়। এই পরিবর্তনের ফলে স্বর্ণের বাজারে এক অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন ক্যারেটের স্বর্ণের দামের এই ওঠানামায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে বিখ্যাত জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, স্বর্ণের দাম স্থিতিশীল রাখতে তারা সর্বদা সর্বশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করবে।

    অপরদিকে, রূপার দাম এখনও অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের রূপার এক ভরি দামের নির্ধারণ হয়েছে ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রূপার দাম হিসাবেও নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৬০১ টাকা।

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের সঞ্চয়পত্র, প্রাইজবন্ড ও নোট বিনিময় বন্ধ ঘোষণা

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সঞ্চয়পত্র, প্রাইজবন্ড ও নোট বিনিময় বন্ধ ঘোষণা

    বাংলাদেশ ব্যাংক বৃহস্পতিবার থেকে সঞ্চয়পত্র, প্রাইজবন্ড বিক্রয় এবং ছেঁড়াফাটা ব্যতিক্রমী নোট বিনিময়ের জন্য সব ধরনের সেবা বন্ধ করে দিয়েছে। এছাড়াও একই সময়ে সরকারি চালানসেবা এবং চালান-সংক্রান্ত ভাংতি অর্থের কার্যক্রমও স্থগিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের জানানো হয়েছে, প্রাথমিকভাবে আজ থেকে দেশের বিভিন্ন শাখা—মতিঝিল, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, বগুড়া, রংপুর, খুলনা, সিলেট, ময়মনসিংহ ও সদরঘাট—এসব সেবা থেকে বিরত থাকছে। তবে ব্যাংকের এই সেবা বন্ধ থাকলেও, বাণিজ্যিক ব্যাংকদের শাখাগুলি যাতে কোনো অসুবিধা না হয়, সেজন্য তদারকি ও নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূলত, বাংলাদেশ ব্যাংক কেপিআইভুক্ত হওয়ার কারণে নিরাপত্তার উদ্দেশ্যে এই সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিশ্বের অন্য কোনো দেশে এই ধরনের সেবা দেওয়া হয় না।

    সংবাদ সূত্র জানিয়েছে, সঞ্চয়পত্রের সার্ভার জালিয়াতির ঘটনা কেন্দ্র করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিরাপত্তা নীতিমালা অনুযায়ী, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এবং তথ্যের সুরক্ষার দিক থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উচ্চ নিরাপত্তা স্তর বিনিয়োগশীল নিরাপত্তার জন্য, সাধারণ মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রিত করার লক্ষ্যেও এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

  • আগামী জুলাই থেকে সব প্রতিষ্ঠান নগদহীন লেনদেনে যাবে: গভর্নর

    আগামী জুলাই থেকে সব প্রতিষ্ঠান নগদহীন লেনদেনে যাবে: গভর্নর

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, আগামী জুলাই মাস থেকে সরকারি বেসরকারি সব ব্যাংক, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস), বিমা ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ সব ধরনের প্রতিষ্ঠান আন্তঃলেনদেনের জন্য নতুন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করবে। এই ব্যবস্থায় ব্যাক্তিগতভাবে নগদ অর্থ তুলতে বা গুণতে হবে না—যা পুরোপুরি ক্যাশলেস লেনদেনের দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।

  • আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় এক মাসের বৃদ্ধি

    আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় এক মাসের বৃদ্ধি

    আয়কর দাখিলের মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা আবার এক মাস বৃদ্ধি পেয়েছে। এবার করদাতারা আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারবেন, যা আগে নির্ধারিত ছিল ৩০ নভেম্বর। এই সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য ব্যবসায়ীদের ও অন্যান্য করদাতাদের অনুরোধের প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আজ রোববার (২৩ নভেম্বর) কাকতালীয় এক প্রজ্ঞাপন সূত্রে এই ঘোষণা জানানো হয়।

    একজন এনবিআর কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, ২০২৩ সালের আয়কর আইনের অধীনে ২০২৫-২৬ করবর্ষের জন্য প্রতিটি করদাতার জন্য রিটার্ন দাখিলের শেষ তারিখ ছিল ৩০ নভেম্বর। তবে, বিভিন্ন পেশার করদাতাদের অনুরোধ বিবেচনায় এনে, রিটার্নের সময় এক মাসের জন্য বৃদ্ধি করা হয়েছে।

    এনবিআর এর তথ্য অনুযায়ী, ইতিমধ্যে এই বছরই ১০ লাখের বেশি করদাতা অনলাইনে তাদের আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন। গত ৪ আগস্ট, অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ জাতীয় কর রাজস্ব বোর্ডের ওয়েবসাইট www.etaxnbr.gov.bd এর মাধ্যমে ই-রিটার্নের উদ্বোধন করেন।

    এ বছরের বিশেষ এক আদেশে ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের প্রবীণ করদাতা, শারীরিকভাবে অসমর্থ বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিরা, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি করদাতা, মৃত করদাতার আইনগত উত্তরাধিকারী ও বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিকদের জন্য অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করে তোলা হয়। তবে, যারা এই বাধ্যবাধকতা থেকে exemptions পেয়েছেন, তারা ইচ্ছা করলে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।

    বিদেশে থাকা বাংলাদেশি করদাতাদের জন্য পাসপোর্ট নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও ইমেইল ঠিকানা সহ আবেদন জানাতে বলা হয়েছে। এই আবেদন গ্রহণের পর তাদের ই-মেইলে OTP এবং রেজিস্ট্রেশন লিংক পাঠানো হয়, যার মাধ্যমে তারা সহজে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে পারেন। এই ই-রিটার্নের ক্ষেত্রে করদাতাদের কোন কাগজপত্র আপলোড করতে হয় না। শুধুমাত্র তাদের আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায়ের তথ্য প্রদান করলেই তাৎক্ষণিকভাবে Acknowledgement Slip ও আয়কর সনদ প্রিন্ট করা যায়। এই ব্যবস্থা দেশে ও বিদেশে অবস্থানরত করদাতাদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করছে।

    করদাতাদের জন্য সমস্যা দ্রুত সমাধানে এনবিআর একটি কল সেন্টার (০৯৬৪৩ ৭১ ৭১ ৭১) চালু করেছে, যেখানে টেলিফোনের মাধ্যমে সহায়তা পাওয়া যাচ্ছে। পাশাপাশি, www.etaxnbr.gov.bd ওয়েবসাইটের e-Tax Service অপশন এবং দেশের বিভিন্ন কর অঞ্চলের ই-রিটার্ন হেল্প ডেস্ক থেকেও সরাসরি সেবা দেওয়া হচ্ছে।

  • বিএনপির পরিকল্পনা ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতা দেওয়ার

    বিএনপির পরিকল্পনা ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতা দেওয়ার

    বিএনপি ক্ষমতায় গেলে জনগণের ধর্মীয় নেতাদের জন্য আর্থিক সহায়তা বৃদ্ধি করা হবে—এমন পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। এই পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত সম্মিলিত ইমাম-খতিব জাতীয় সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    তারেক রহমান বলেন, বিএনপি বিশ্বাস করে যে, দেশের ইমাম, খতিব এবং মুয়াজ্জিনরা সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন। তারা অসংখ্য সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও মানুষের নৈতিক এবং আত্মিক উন্নয়নে প্রশংসনীয় অবদান রাখছেন। দেশের একটি নৈতিক ও ধর্মনিরপেক্ষ সমাজ গঠনে এ সকল ধর্মীয় নেতাদের অবদান অমূল্য। সেই ভাবেই, যারা আর্থিকভাবে পিছিয়ে রয়েছেন, তাদের জন্য রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো আর্থিক সহায়তা প্রদান।

    একারণে, বিএনপির পরিকল্পনা রয়েছে, প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্মানী ভাতা প্রদান করবে। যদি এবারের সংসদ নির্বাচনে তারা সরকার গঠন করতে পারে, তাহলে এই কার্যক্রম ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করবে বলে ঘোষণা দেন তিনি।

    অতিরিক্তভাবে, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলার জন্য ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্টকে শক্তিশালী করে আরও বেশি প্রকল্প চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে দলের। এর সাথে তিনি আলেম ও ওলামাদের উদ্দেশ্যে বলেন, সাধারণ মুসলমানদের চেয়ে আপনারা ইসলাম বিষয়ে বেশি সুসংগঠিত এবং বিশুদ্ধ জ্ঞানে সমৃদ্ধ। একজন মুসলমানের জন্য আবশ্যক, তওহিদ, রিসালাত ও আখিরাতের প্রতি অটুট বিশ্বাস। এছাড়া, কালেমা, নামাজ, রোজা, হজ ও যাকাত—এসব ইসলামবিধানের মূল ভিত্তি। এই পাঁচটি বিষয়ের উপরে সকল মুসলমানের সম্মতিও রয়েছে, তবে মাঝে মাঝে রাজনীতি বা দলীয় স্বার্থে এসব বিষয়ে মতবিরোধ দেখা দেয়। তারেক রহমান বলেন, বিএনপি বিশ্বাস করে, আল্লাহর ওপর অটল বিশ্বাসঘেঁটেই ইসলামকে এগিয়ে নিতে হবে, যাতে ধর্মের মূল আদর্শ অক্ষুণ্ন থেকে সমাজে শান্তি ও সৌহার্দ্য বজায় থাকে।

    তিনি আরও বলেন, বিএনপি কখনোই ইসলামের মূল নীতি-মূলবোধের সাথে আপস করবে না। আবারও বলি, দেশে তখনকার স্বৈরাচারী সরকারের রচিত সংবিধানে আল্লাহর ওপর বিশ্বাস ও আস্থার কথা ছিল না। এখনো সেই বিশ্বাসের বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে এর মধ্যে নেই। কেন এ পরিবর্তন হলো, সেটাই এখনো স্পষ্ট নয়।

    তারেক রহমান উল্লেখ করেন, বিএনপি সব সময় ইসলামের স্বার্থবিরোধী অপতৎপরতার বিরুদ্ধে ছিল। ২০২৪ সালে রমজানে ইফতার অনুষ্ঠান বন্ধের মতো ঘটনা ছিল প্রমাণ, এটা ছিল ইসলাম ও ইসলামী সংস্কৃতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ। ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে হেফাজত নেতা-কর্মীদের ওপর সরকারী দমন-পীড়নের প্রতিবাদেও বিএনপি বিক্ষোভ ও কর্মসূচি দিয়েছিল।

    শিক্ষা ও চাকরির ক্ষেত্রে কওমি মাদ্রাসার ডিগ্রি স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ ২০০৬ সালে বিএনপি সরকারের সময় নেওয়া হয়েছিল, যার মাধ্যমে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানে মুসলমানদের মধ্যে শিক্ষার মান বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে দেশে প্রায় ৫০ হাজারের অধিক মাদ্রাসা ও লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী রয়েছে। প্রত্যেকটি মসজিদসহ ইমাম, খতিব, মুয়াজ্জিনদের জন্য এই দিকটি গুরুত্বপুর্ণ। বিএনপি ভবিষ্যতে এই সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের জন্য পৃথক সার্ভিস রুল প্রণয়ন এবং তাদের দাবি অনুযায়ী বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে উৎসাহ দেবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

    অতীতে চালু থাকা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দেশের দুর্যোগপ্রতিরোধ, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও উন্নয়নমূলক কাজে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। এভাবে দেশের লক্ষ লক্ষ মুসলমানের ধর্মীয় জীবন আরো সুন্দর ও নিরাপদ হবে, পাশাপাশি ন্যায়বিচার ও সমাজে ঐক্য প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

    অশেষ দলে দলে ঈমানদার মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের স্বাধীনতা, শান্তি এবং সমৃদ্ধি অর্জনে কাজ করার জন্য তিনি সবাইকে আহ্বান জানান। ভবিষ্যৎ স্বচ্ছ, ন্যায্য ও বাস্তবসম্মত বাংলাদেশের জন্য বিএনপি তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের সকল সম্মানিত ধর্মীয় নেতাদের সহযোগিতা ও দোয়ার আকাঙ্খা প্রকাশ করেন।

  • নির্বাচকালীন নিরপেক্ষ প্রশাসনের জন্য ‘হুমকি’ ও ‘মাফিয়াতন্ত্র’ কায়েমের ইঙ্গিত: চট্টগ্রাম জামায়াত নেতা শাহজাহান চৌধুরীর বক্তব্যের নিন্দা

    নির্বাচকালীন নিরপেক্ষ প্রশাসনের জন্য ‘হুমকি’ ও ‘মাফিয়াতন্ত্র’ কায়েমের ইঙ্গিত: চট্টগ্রাম জামায়াত নেতা শাহজাহান চৌধুরীর বক্তব্যের নিন্দা

    চট্টগ্রামের জামায়াত নেতা শাহজাহান চৌধুরী দ্বারা দেওয়া ভাইরাল বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে জরুরি বিবৃতি প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) চট্টগ্রাম মহানগর শাখা। দলটির দাবি, আফজাল বক্তব্যটি নির্বাচনের পরিস্থিতিতে একটি শঙ্কাজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি করে, যেখানে ক্ষমতার অপপ্রয়োগ, হুমকি-ধামকি এবং প্রশাসনকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করার গভীর ইচ্ছা প্রকাশ পায়।

    রোববার চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপির যুগ্ম-সমন্বয়কারী আরিফ মঈনুদ্দিনের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই পরিস্থিতির কথা জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, পাবলিক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন রিপোর্টের ভিত্তিতে আমরা জানতে পেরেছি, গত ২২ নভেম্বর শাহজাহান চৌধুরী এক বক্তৃতায় পুলিশ-প্রশাসনকে জামায়াত দলের নেতাদের निर्देशन অনুযায়ী কাজ করতে, মামলার নির্দেশ ও গ্রেফতারি চালাতে বলেছেন। তিনি আরও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দলের মার্কার প্রচার এবং স্থানীয় প্রশাসনকে জামায়াতের প্রার্থী অনুযায়ী উন্নয়ন বরাদ্দ দিতে বলেছেন।

    বিবৃতিতে দলটি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এই ধরনের বক্তব্যের মাধ্যমে পুলিশ ও প্রশাসনকে রাজনৈতিক দলে পরিণত করার চেষ্টাকরছে যা ভোটের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য বিপজ্জনক। তারা আরও জানায়, এই ধরনের বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য জনগণের ভোটাধিকার খর্ব করা এবং প্রশাসনকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করা যা একদমই কাম্য নয়।

    ডটর্য়াটিং করে জানা যায়, বাংলাদেশের জনগণের মুক্তিযুদ্ধের পর স্বপ্ন ছিল একটি স্বাধীন ও স্বচ্ছ বাংলাদেশ, যেখানে প্রশাসন ও জনসাধারণের অধিকার সুপ্রতিষ্ঠিত। কিন্তু বর্তমানে রাজনৈতিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট মাফিয়াতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নীলনকশা পরিলক্ষিত হচ্ছে যা দেশ ও গণতন্ত্রের জন্য হুমকি।

    নাগরিক পার্টি স্পষ্টভাবে বলেছে, পুলিশ ও প্রশাসন কোনো নির্দিষ্ট দলের গোলাম নয়, তারা প্রজাতন্ত্রের সেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। দলটি প্রশাসনকে দলীয়করণ করার প্রচেষ্টা বন্ধ করতে এবং সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। তারা প্রত্যাশা করে, বর্তমান সরকার জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে প্রশাসনকে সম্পূর্ণভাবে তদারকি ও নিরপেক্ষ রাখবে যাতে সব নাগরিকের ভোটাধিকার সুরক্ষিত হয় এবং একটি সত্যিকার মৌলিক ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

  • শাহাজাহান চৌধুরীর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তোলপাড়, গ্রেফতার ডিBNP’র দাবি

    শাহাজাহান চৌধুরীর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তোলপাড়, গ্রেফতার ডিBNP’র দাবি

    চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের সাবেক আমির ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য শাহাজাহান চৌধুরীর ‘প্রশাসন আমাদের কথায় উঠবে, আমাদের কথায় বসবে’ কথাবার্তা দ্রুত দেশবাসীর মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করে ফেলেছে। এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি। রবিবার এক যৌথ বিবৃতিতে চট্টগ্রাম বিএনপির আহ্বায়ক মোঃ এরশাদ উল্লাহ এবং সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান এই দাবি জানান। তারা বলেন, জামায়াতের নেতা শাহাজাহান চৌধুরীর মন্তব্য প্রমাণ করে, তারা আবারও এক ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। যদিও জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই বক্তব্যটি তার ব্যক্তিগত, দল বা সরকারের কোনও মতামত নয়।বিবৃতিতে নেতারা বলেন, শাহাজাহান চৌধুরীর এই মন্তব্য শুধু দায়িত্বহীন নয়, বরং ষড়যন্ত্রপ্রসূত, অগ্রহণযোগ্য এবং স্বৈরাচারী মনোভাবের পরিচয়। এটি নির্বাচনী পরিবেশকে অস্থিতিশীল ও উত্তেজনাকর করার একটি স্পষ্ট চেষ্টা, যা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর আঘাত হানে। তারা আরও উল্লেখ করেন, এই ভাষ্য প্রশাসনের প্রতি হুমকি, নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণের ইঙ্গিত এবং ভোটাধিকার খর্ব করার অপপ্রয়াস, যা দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা ও গণতান্ত্রিক কাঠামোকে ধ্বংসের জন্য পরিকল্পিত একটি অপচেষ্টা। শাহাজাহান চৌধুরীর ভাষায় প্রকাশ পেয়েছে স্বৈরশাসনের মনোভাব যা অতীতের মানুষের মানবাধিকার লঙ্ঘনের স্মৃতি আবারো মনে করিয়ে দেয়। নেতারা বলেন, স্বাধীন, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক সব দলের দায়িত্বশীল ভূমিকা অপরিহার্য। কিন্তু তার বক্তব্য নির্বাচন ও প্রশাসনিক নিরাপত্তার বিরুদ্ধে উসকানি দেয়ার মতো, যা একদিক দিয়ে অগ্রহণযোগ্য। এই বক্তব্য বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা হুমকিতে ফেলে। বিবৃতিতে তারা শাহাজাহান চৌধুরীকে তড়িৎ retract করে নিজেকে ক্ষমা চাইতে এবং তার বক্তব্য প্রত্যাহার করার দাবি জানায়। এছাড়া, এই উসকানিমূলক বক্তব্যের জন্য তার বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। নেতারা বলছেন, চট্টগ্রাম বিএনপি সবসময় অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পক্ষে থাকবে এবং জনগণের ভোটাধিকার রক্ষা করার জন্য কার্যকর ভূমিকা রাখবে। উল্লেখ্য, শনিবার রাতে চট্টগ্রাম জিইসি কনভেনশনে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের নির্বাচনী দায়িত্বশীল সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াতের আমির ডাঃ শফিকুর রহমান। সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া আসনের জামায়াত প্রার্থী ও দলের প্রভাবশালী নেতা শাহাজাহান চৌধুরী বলেছিলেন, ‘সংবাদে আসবে, আমাদের কথায় উঠবে, আমাদের কথায় বসবে, আমাদের কথায় গ্রেফতার ও মামলা হবে।’ তবে, এই বক্তব্যের সময় জামায়াতের আমির উপস্থিত ছিলেন না। তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিটি স্কুলের শিক্ষককে নির্দেশনা দিতে হবে, পুলিশ যেন আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে। সরকারি উন্নয়নের বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট আমাদের নেতাদের কাছে পৌঁছাতে হবে।’ এ বিষয়ে জানা যায়, জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহজাহান জানান, এই বক্তব্যটি তার ব্যক্তিগত মতামত। তিনি বললেন, প্রশাসন স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে কাজ করবে, দলীয় হস্তক্ষেপের কোনও সুযোগ নেই, কারণ সেটি দেশের সুশাসনের জন্য বিরোধী।

  • বিএনপি ক্ষমতা পেলে গণমাধ্যম সংস্কারকে অগ্রাধিকার দেবে: মির্জা ফখরুল

    বিএনপি ক্ষমতা পেলে গণমাধ্যম সংস্কারকে অগ্রাধিকার দেবে: মির্জা ফখরুল

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, ক্ষমতায় গেলে তারা গণমাধ্যমের সংস্কারে বিশেষ গুরুত্ব দেবে। সোমবার (২৪ নভেম্বর) চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার-বিজেসি আয়োজিত মিডিয়া সংস্কার বিষয়ক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের প্রতিশ্রুতি খুব স্পষ্ট। আমরা ৩১ দফার মাধ্যমে একে তো বলেছি যে আমরা স্বাধীন ও মুক্ত গণমাধ্যমের স্বপ্ন দেখি এবং সেটি বাস্তবায়নে দৃঢ় অঙ্গীকারবদ্ধ। এজন্য আমরা একটি কমিশন গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছি।

    তিনি জানিয়েছেন, সেই কমিশন ইতিমধ্যে গঠন করা হয়েছে এবং রিপোর্টও প্রস্তুত। তবে দুঃখের সঙ্গে জানান, রিপোর্টের ব্যাপারে এখনো কোনো আলোচনা হয়নি। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, যদি জনগণের ভোটে আমরা সরকার আসি, তাহলে এই খাতের উন্নয়নে আমরা অগ্রাধিকার দেবে।

    স্থানীয় সময় বলছেন, বিএনপি যখনই সরকারে এসেছে, তখনই চেষ্টা করেছে গণমাধ্যমকে উন্নত ও আদর্শগতভাবে বলিষ্ঠ করে তুলতে। বর্তমান সময়ে টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর কার্যক্রমের ক্ষেত্রেও বিএনপির কোনো না কোনো ইতিবাচক দিক ছিল বলে তিনি তুলে ধরেছেন।

    সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, আপনাদের অনেক ইউনিয়ন বা সংগঠন রয়েছে— বিএফইউজে, ডিআরইউসহ। তবে দেখা যায়, অনেক ক্ষেত্রে আপনাদের দলীয় হোতে দেখা যায়। কিছু সাংবাদিক বা জার্নালিস্ট দলীয় পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে বিভিন্ন পেশাগত মূল্য থেকে দূরে সরে যেতে পারেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, if সাংবাদিকরা প্রভাবশালী বা দলীয় হয়ে যান, তাহলে সেটি ক্ষতিকর হবে।

    গত ১৫ বছরের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে তিনি বলেন, এই সময়ে গণমাধ্যমে ফ্যাসিবাদী মানসিকতা প্রভাব বিস্তার করেছে। এই পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের উচিত শতভাগ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকা এবং স্বাধীনতা রক্ষা করা।

  • জামায়াতের নির্বাচনী প্রচারণায় মোটরসাইকেল নিষেধাজ্ঞা জারি

    জামায়াতের নির্বাচনী প্রচারণায় মোটরসাইকেল নিষেধাজ্ঞা জারি

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতের প্রার্থীরা এখন থেকে কোনো ধরনের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা বা র‌্যালিতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। পরিস্থিতি সামাল দিতে দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, কারণ সম্প্রতি বিভিন্ন স্থানে জামায়াতের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রায় বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে সাধারণ জনতার মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

    আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর) এক গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারা জানান, নির্বাচনী প্রচারণার নামে বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে দেখা যায় প্রচুর মোটরসাইকেল র‌্যালি ও শোভাযাত্রা। এ ধরনের কর্মসূচির ফলে দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটছে এবং কিছু আহতও হয়েছে। এর প্রেক্ষাপটে, জামায়াতের নেতারা সিদ্ধান্ত নেন, যে কোনও পরিস্থিতিতে যেন দুর্ঘটনা না ঘটে এবং জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়, সেই জন্য তারা সকল নির্বাচনী এলাকায় এখন থেকে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা বন্ধের ঘোষণা দেন।