Blog

  • সাতক্ষীরায় হেলমেট, লাইসেন্স ও কাগজপত্র ছাড়া মোটরসাইকেলে তেল বিক্রি বন্ধ

    সাতক্ষীরায় হেলমেট, লাইসেন্স ও কাগজপত্র ছাড়া মোটরসাইকেলে তেল বিক্রি বন্ধ

    সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক হেলমেট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া মোটরসাইকেলে জ্বালানি তেল বিক্রি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। আদেশটি বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল থেকে জেলার প্রতিটি পেট্রোল পাম্পে কার্যকর করা হয়।

    জানা গেছে, ঈদের পর থেকেই জেলায় পাম্পগুলোতে তেলের সরবরাহ আছে; তবু তেলের সমস্যা টালমাটাল হচ্ছে না। প্রতিদিন সকালের মুহূর্ত থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনের সামনে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা যায়। অনেক চালক সিরিয়াল নেবার জন্য রাতভর পাম্পের আশপাশে ঘুমিয়ে থাকেন।

    বুধবার সকালে মহেশ্বর কাটি, বুধহাটা, ধুলিহর ভাই ভাই, এবি খান, মোজাহার, মজুমদার, সোনালী, আলিপুর ও কপোতাক্ষসহ জেলার বহু পাম্পে খুলনা থেকে তেল আসার অপেক্ষায় শত শত মোটরসাইকেল লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। কোথাও কোথাও প্রতি মোটরসাইকেলে সীমিতভাবে ৩০০–৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। শহরের এবি খান পাম্পে দীর্ঘ লাইনের কারণে ব্যাপক যানজট তৈরি হওয়ায় পথচারী ও অন্যান্য যানবাহনের চলাচলে বিঘ্ন পড়ছে।

    একই সঙ্গে শহর ও আশপাশের খোলা বাজারে অতিরিক্ত মূল্যে তেল বিক্রির অভিযোগও উঠেছে। কিছু খুচরা দোকানে পেট্রোল লিটারপ্রতি ২৫০–৩০০ টাকা এবং অকটেন ৩০০–৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি। পাম্প থেকে তেল না পেয়ে অনেকে অতিরিক্ত মূল্য দিয়ে কেনাকাটা করতে বাধ্য হচ্ছেন।

    এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জেলা প্রশাসন পাম্পগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে—হেলমেট ছাড়া, ড্রাইভিং লাইসেন্স বা বৈধ কাগজপত্র না থাকলে মোটরসাইকেলে তেল দেয়া হবে না। জেলা প্রশাসক মিজ আফরোজা আখতা এ নির্দেশনাগুলো নিশ্চিত করে বলেন, জেলার পাম্পগুলোতে তেলের সরবরাহ মোটামুটি স্বাভাবিক রয়েছে; কিন্তু একসঙ্গে কয়েকশো মোটরসাইকেলের ভিড় পরিস্থিতি অব্যবস্থাপনার কারণ হচ্ছে। তাই ভিড় ও যানজট রোধে কাগজপত্র যাচাই করে তেল বিক্রি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    জেলার motorists-দের অনুরোধ করা হয়েছে—হেলমেট পরিধান এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সঙ্গে রাখতে, যাতে ত্বরিতভাবে তেল সরবরাহ পাওয়া যায় এবং যানজট কমে। জেলা প্রশাসন ভবিষ্যতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে অতিরিক্ত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছে।

  • চিতলমারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ঢাকার বাসিন্দা মোঃ বাবু মোল্লা নিহত

    চিতলমারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ঢাকার বাসিন্দা মোঃ বাবু মোল্লা নিহত

    বাগেরহাটের চিতলমারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ঢাকার বাসিন্দা মোঃ বাবু মোল্লা (৪৩) নিহত হয়েছেন।

    ঘটনা বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে চিতলমারীর কলাতলা ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকায় ঘটে। নিহত বাবু মোল্লা মোটরসাইকেল (ঢাকা মেট্রো-ল-৬৫-০৬০৬) চালিয়ে চিতলমারী সদরে আসছিলেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশের কাছে জানা গেছে, বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বেপরোয়া গতির লোকাল বাস তাঁকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

    নিহত বাবু মোল্লা ঢাকার দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মাতুয়াইল এলাকার মৃত নাছির মোল্লার ছেলে। তাঁর কাছ থেকে পাওয়া জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য উদ্ধৃত করে চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ নজরুল ইসলাম ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।

    ওসি মোঃ নজরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘাতক বাসটি আটক করেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য উদ্ধার করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

  • বিসিবি ঘোষণা করেছে স্বাধীনতা দিবস প্রদর্শনী ম্যাচের লাল ও সবুজ দল

    বিসিবি ঘোষণা করেছে স্বাধীনতা দিবস প্রদর্শনী ম্যাচের লাল ও সবুজ দল

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ‘ইন্ডিপেনডেন্স ডে এক্সিবিশন ক্রিকেট ম্যাচ ২০২৬’ শিরোনামে একটি বিশেষ টি-টোয়েন্টি প্রদর্শনী ম্যাচ আয়োজন করছে। এই অনুষ্ঠানীয় ম্যাচে মাঠে নামবে লাল দল ও সবুজ দল।

    ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ২৬ মার্চ সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। সাবেক ক্রিকেটারদের মুখোমুখি করে আয়োজনটিকে থ্রিল এবং নস্টালজিয়ায় পূর্ণ করার পরিকল্পনা নিয়েছে বোর্ড। ইতিমধ্যে দুই দলের স্কোয়াড ঘোষণা করা হয়েছে।

    সবুজ দল (ম্যানেজার: ফারুক আহমেদ, কোচ: খন্দকার ওয়াহিদুল ঘনি): শাহরিয়ার নাফিস, জাভেদ ওমর বেলিম, হান্নান সরকার, নাদিফ চৌধুরী, ফয়সাল হোসেন ডিকেন্স, তুষার ইমরান, শাহরিয়ার হোসেন বিদ্যুৎ, মোহাম্মদ সেলিম, তালহা জুবায়ের, আনোয়ার হোসেন মনির, আব্দুর রাজ্জাক, হাসিবুল হোসেন শান্ত, জামাল উদ্দিন বাবু ও হাসানুজ্জামান ঝরু।

    লাল দল (ম্যানেজার: রকিবুল হাসান, কোচ: মোহাম্মদ সারওয়ার ইমরান): জাহাঙ্গীর আলম, মেহরাব হোসেন অপি, মোহাম্মদ আশরাফুল, নাসির উদ্দিন ফারুক, মোহাম্মদ রফিক, মোহাম্মদ এহসানুল হক, খালেদ মাহমুদ পাইলট, আনোয়ার হোসেন (উইকেটকিপার), তারেক আজিজ খান, মাহবুবুল আলম রবিন, ডলার মাহমুদ, ইলিয়াস সানি, মুশফিকুর রহমান বাবু ও সাজ্জাদ আহমেদ শিপন।

    বিসিবি জানিয়েছে, স্বাধীনতা দিবসের প্রাসঙ্গিকতা ও গুরুত্বকে ফুটিয়ে তুলতেই এবং সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেটারদের একসঙ্গে এনে সাধারণ ভক্তদের জন্য একটি স্মরণীয় আয়োজন করতে এই ম্যাচের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে মাঠেও থাকবে উচ্ছ্বাস, আর দর্শকরা দেখবে পুরনো দিনের অনেক মুহূর্তকে নতুন রঙে।

  • রাজস্থান বিক্রিতে শেন ওয়ার্নের পরিবার পাচ্ছে প্রায় ৪৫০–৪৬০ কোটি টাকা

    রাজস্থান বিক্রিতে শেন ওয়ার্নের পরিবার পাচ্ছে প্রায় ৪৫০–৪৬০ কোটি টাকা

    ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের প্রথম মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন রাজস্থান রয়্যালসের সঙ্গে শেন ওয়ার্নের পূর্বের চুক্তিই তাঁর পরিবারের জন্য বড় আর্থিক সুবিধা এনে দেবে। ঐতিহ্যবাহী ওই ফ্র্যাঞ্চাইজিটি সম্প্রতি যুক্তরাজ্যভিত্তিক নয়—যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এক কনসোর্টিয়ামের কাছে প্রায় ১.৬৩ বিলিয়ন ডলারে বিক্রি হয়েছে, যা প্রায় ১৫,২৯০ কোটি টাকার সমপরিমাণ বলে ধারনা করা হচ্ছে।

    ওয়ার্ন ছিলেন রাজস্থানের প্রথম বছরগুলোর অধিনায়ক ও দলটিকে পরিচালনা করার অনুষঙ্গেও সম্পৃক্ত ছিলেন। সাবেক এই অস্ট্রেলীয় স্পিনার তার চুক্তিতে একটি বিশেষ ধারা রেখেছিলেন—প্রতি মৌসুমে রাজস্থানের হয়ে খেললে তিনি ০.৭৫ শতাংশ মালিকানা পাবেন। তিনি রাজস্থানের হয়ে মোট চার মৌসুম খেলেছিলেন, ফলে তাঁর মোট শেয়ার দাঁড়ায় ৩ শতাংশ।

    ফ্র্যাঞ্চাইজি বিক্রির বর্তমান মূল্যে ওই ৩ শতাংশ অংশের মূল্য আনুমানিক ৪৫০–৪৬০ কোটি টাকার রেঞ্জে দাঁড়ায়। ফলে ওয়ার্নের পরিবার এই বিক্রয় থেকে বড় অঙ্কের টাকা পাওয়ার যোগ্য হবে। তবে পারিবারিক পাওনা পাওয়ার আগে কয়েকটি আনুষ্ঠানিকতা আছে—আইপিএলের চলতি মৌসুম শেষ হওয়ার পর শেয়ার হস্তান্তর ও অর্থ গ্রহণ করা সম্ভব হলেও এর জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)-র অনুমোদন লাগবে।

    শেন ওয়ার্ন ২০২২ সালের ৪ মার্চ থাইল্যান্ডে হৃদরোগে প্রয়াত হন। মাঠের মধ্যেও তিনি ছিলেন কিংবদন্তি, মাঠের বাইরেও ছিলেন দূরদর্শী—দীর্ঘদিন আগের সেই চুক্তিই আজ তাঁর পরিবারকে আর্থিক নিরাপত্তা দেয়ার উপকরণ হিসেবে কাজ করছে।

    উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে এমার্জিং মিডিয়া গ্রুপ মনোজ বাদালের নেতৃত্বে মাত্র ৬৭ মিলিয়ন ডলারে রাজস্থান রয়্যালস কিনেছিল, যা পরবর্তী দশকে খেলাধুলার বিশাল জনপ্রিয়তা ও বাজার বৃদ্ধির সঙ্গে বহুগুণ বেড়ে যায়।

  • জয়পুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিউজপ্রেজেন্টার ও মডেল-অভিনেত্রী হর্ষিল কালিয়ার মৃত্যু

    জয়পুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিউজপ্রেজেন্টার ও মডেল-অভিনেত্রী হর্ষিল কালিয়ার মৃত্যু

    জয়পুরে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় জনপ্রিয় নিউজ প্রেজেন্টার, মডেল ও অভিনেত্রী হর্ষিল কালিয়া মারা গেছেন। শুক্রবার (২৩ মার্চ) রাতে ঘটে যাওয়া এই দূর্ঘটনায় ছেলে প্রাপ্তবয়স্ক বয়সে তিনি না পৌঁছিয়ে মাত্র ৩০ বছর বয়সে প্রাণহারান, যা শোবিজ এবং সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া ফেলেছে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল গত ২৩ মার্চ রাত প্রায় ১১টা ৩০ মিনিটে শিপ্রা পথ রোডে। কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরছিলেন কালিয়া; তখন তার গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মধ্যেকার ডিভাইডারে ধাক্কা খায় এবং উলটে যায়।

    দুর্ঘটনার সিসিটিভিতে দেখা গেছে, ডিভাইডারে ধাক্কা লাগার পর গাড়িটি বাম দিকে উলটে যায়। ঘটনাস্থলে থাকা স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এসে গাড়িটি সোজা করে তাকে উদ্ধার করেন এবং কাছাকাছি একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের প্রাথমিক নির্ণয়ে প্রধানত মাথায় গুরুতর আঘাতের ফলে তার মৃত্যু হয়েছে।

    পুলিশ ইতোমধ্যে দুর্ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত শুরু করেছে। তারা যাচাই করছে গাড়িটি অতিরিক্ত গতিতে ছিল কিনা, নাকি কোনো অন্য গাড়ি ওভারটেক করার চেষ্টা করছিল—তথ্যগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    হর্ষিল কালিয়া জয়পুরভিত্তিক শোবিজে সক্রিয় ছিলেন; মডেলিং, উপস্থাপনা ও অভিনয়—তিনটি ক্ষেত্রেই তিনি পরিচিত ছিলেন। তাকে ডিজনি প্লাস হটস্টারের জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘ক্রাইম নেক্সট ডোর’-এ দেখা গেছে, যেখানে অনুপ্রীয়াহ গোয়েঙ্কা, জশপাল শর্মা, সাহিল ভাইদ ও ভৎসল শেঠের মতো অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করেছেন।

    নিউজ প্রেজেন্টার হিসেবেও শিপ্রাহীন অনলাইন ও টেলিভিশন কাজ করা কালিয়া একাধিক রাজস্থানি মিউজিক ভিডিওর কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তিনি ‘মিস দিভা রাজস্থানি ২০২১’ এবং ‘মিস পিঙ্ক সিটি’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে প্রথম রানার-আপ হন, যা তাকে স্থানীয়ভাবে আরেকটু সামনে এনে দেয়।

    তার অকালপ্রয়াণে শোবিজের মানুষের মধ্যে কাঁদা-ছলনা ও শ্রদ্ধার অভিব্যক্তি ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে ঘটনার বিস্তারিত জানানো হবে তদন্ত শেষে।

  • অনলাইনে ছড়াচ্ছে শাকিব খানের ‘প্রিন্স’

    অনলাইনে ছড়াচ্ছে শাকিব খানের ‘প্রিন্স’

    প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শনী জটিলতা কাটার আগেই নতুন সংকটে পড়েছে শাকিব খান অভিনীত আলোচিত সিনেমা ‘প্রিন্স: ওয়ানস আপন আ টাইম ইন ঢাকা’। হলগুলোতে প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে প্রদর্শনী ব্যাহত হওয়ার পর এবার সিনেমাটির বিভিন্ন দৃশ্য অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে।

    সার্ভার ও প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে দেশের কয়েকটি সিনেমা হলে নির্ধারিত সময়ে চলচ্চিত্রটি দেখানো সম্ভব হয়নি। টিকিট কেটে আসা দর্শকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে এবং কিছু স্থানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানাগেছে।

    এই পরিস্থিতির মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, বিশেষ করে ফেসবুকে সিনেমাটির একাধিক ক্লিপ ছড়িয়ে পড়েছে। বেশিরভাগই হলে বসে মোবাইল ফোনে ধারণ করা ‘হল প্রিন্ট’ হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে, যা পাইরেসির ঝুঁকি আরও বাড়িয়েছে এবং প্রকৃত মুক্তির ব্যবসায়িক ক্ষতিও বাড়তে পারে।

    পরিচালক আবু হায়াত মাহমুদের এই ছবিটি শুরু থেকেই দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু ছিল। মুক্তির পর এমন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি নির্মাতা ও সংশ্লিষ্টদের কাছে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

    নব্বইয়ের দশকের ঢাকার আলোচিত গ্যাংস্টার কালা জাহাঙ্গীরের জীবন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মিত এই ছবিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন শাকিব খান। মেজবাহ উদ্দিন সুমনের গল্প ও চিত্রনাট্যে চলচ্চিত্রটিতে আন্ডারওয়ার্ল্ড ও তৎকালীন রাজনীতির চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

    প্রযোজক শিরিন সুলতানার এই বড় বাজেটের ছবিতে শাকিব খানের অপরার্ধে প্রথমবারের মতো দেখা গেছে তাসনিয়া ফারিণকে। এছাড়া জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু, ইন্তেখাব দিনার, রাশেদ মামুন অপু ও ড. এজাজ গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন।

    এখন নির্মাতা ও প্রযোজক পক্ষকে একই সঙ্গে প্রদর্শনী সমস্যার সমাধান এবং অনলাইন ফাঁস রোধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে যাতে দর্শকদের প্রত্যাশা বজায় থাকে এবং সিনেমার ব্যবসায়িক ক্ষতি সীমিত রাখা যায়।

  • ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলকে দেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল নিযুক্ত

    ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলকে দেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল নিযুক্ত

    সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলকে দেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগপত্র জারি করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন বুধবার (২৫ মার্চ) আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ থেকে প্রকাশিত হয়।

    প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, সংবিধানের ধারা ৬৪(১)এর ক্ষমতায় রাষ্ট্রপতি তাকে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন এবং নিয়োগটি পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী নিয়োগ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

    ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল সুপ্রিম কোর্টে দীর্ঘদিন অভিজ্ঞ আইনজীবী হিসেবে পরিচিত। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক ছাত্র এবং ১৯৯৬ সালে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সদস্য হন। তিনি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সদস্য ও সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন এবং অগ্রে সমিতির সম্পাদকও ছিলেন।

    তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে কাজ করছেন এবং রাজনৈতিকভাবে বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে পরিচিত। এর আগে কাজল কিছু সময় সাংবাদিকতায়ও যুক্ত ছিলেন।

    সরকারি জারি করা এই প্রজ্ঞাপনের পর ব্যারিস্টার কাজল অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দেশের আইনগত বিষয়ে দায়িত্ব পালন করবেন।

  • স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন

    স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন

    মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৫ মার্চ) সকালে সচিবালয়ের নিজ দপ্তরে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে তিনি এই ডাকটিকিট অবমুক্ত করেন। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

    অতিরিক্ত প্রেস সচিব রুমন জানান, বুধবার সকাল ৯টা ২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে পৌঁছান। দপ্তরে পৌঁছানোর পর তিনি প্রথমে কিছু জরুরি দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করেন। পরে সকাল সাড়ে ৯টায় আয়োজিত সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে তিনি স্মারক ডাকটিকিটটি আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করেন।

    উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, ডাক সচিব আব্দুন নাসের খান, ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলামসহ আরও কয়েকজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

    এদিন অতিরিক্ত প্রেস সচিব রুমন আরও জানান, বিকাল ৪টায় প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রিসভা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠক সাধারণত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে; তবে চলতি সপ্তাহে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের সরকারি ছুটির কারণে বৈঠক এক দিন অগেকিয়ে বুধবার করা হয়েছে।

    প্রতিবছরের মতো এবছরও সারাদেশে স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের প্রস্তুতি জোরদার হচ্ছে। ২০০৮ সালের পর দীর্ঘ দেড় যুগ পেরিয়ে এবার এক ভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবেশে দিবসটি উদযাপন হবে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, ১৮ বছর পর জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে কুচকাওয়াজসহ বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে এবারের দিবস পালন করা হবে।

  • অনিচ্ছাকৃতভাবে কষ্ট হলে ক্ষমা চাইছি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    অনিচ্ছাকৃতভাবে কষ্ট হলে ক্ষমা চাইছি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচন কাণ্ডে নামার পর থেকে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচিত ও সমালোচিত হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। রাজনৈতিক মন্তব্য ও সক্রিয়তা তাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ভাইরালও করেছে।

    আজ বুধবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেছেন, কোনোভাবে তাঁর কথা বা কাজের ফলে কেউ অনিচ্ছাকৃতভাবে কষ্ট পেয়ে থাকলে তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছেন।

    পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘‘গত কয়েক দিনে বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি ও প্রিয় সহযোদ্ধাদের সঙ্গে কিছু আন্তরিক কথোপকথনের সুযোগ হয়েছে। তাদের কাছ থেকে আমি একটি সুন্দর দিকনির্দেশনা পেয়েছি—ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়িয়ে চলা, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে দূরে থাকা এবং গঠনমূলক আলোচনায় মনোযোগ দেওয়া।’’

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, তিনি বিনয়ের সঙ্গে সেই পরামর্শগুলো গ্রহণ করছেন এবং bundan থেকে আরও শান্ত ও দায়িত্বশীলভাবে পথ চলার চেষ্টা করবেন। তিনি যোগ করেছেন, দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করে যেতে চান।

    তিনি পুনরায় জানিয়েছেন, ‘‘আমার কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শই আমার পথচলার শক্তি।’’

    একই পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, গতকাল ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইলের মাধ্যমে নীরবভাবে এই আত্মিক যাত্রার সূচনা করেছেন। তিনি সকলের জন্য দোয়া চান এবং বলেন, ‘‘আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন এবং সঠিক পথে পরিচালিত করুন।’’

  • জামায়াত-এনসিপি নিয়ে সংসদে প্রশ্ন তুললেন মনিরুল হক চৌধুরী

    জামায়াত-এনসিপি নিয়ে সংসদে প্রশ্ন তুললেন মনিরুল হক চৌধুরী

    জাতীয় সংসদের ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় বিএনপির সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী রবিবার জামায়াত ও এনসিপি নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর একটা মেধাবী তরুণ শ্রেণি গঠন করেছিল জাসদ। পরে সেখানে অতিরঞ্জনের অবস্থা সৃষ্টি হয়েছিল; তার ফলে দেশ-জাতির ক্ষতি হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ‘‘আমাদের যেন সবকিছুকে সহ্য করার তৌফিক বা ক্ষমতা পাওয়া যায়।’’

    সংসদের ওই অধিবেশনটি রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনা সভা এবং এতে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। মনিরুল হক চৌধুরী তার ভাষণে দেশের রাজনীতির বর্তমান অবস্থার পিছনে বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা স্মরণ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ১৯৯১ সালের সংসদে তিনি তখনকার দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে কাজ করেছেন। তাই আজ যারা প্রশ্ন ওঠায়, মনে হয় যেন গত ১৫-২০ বছর বিএনপি এখানে ছিলই না। বেগম খালেদা জিয়া অনেক বিরোধ উপেক্ষা করে জামায়াতের সঙ্গে কাজ করেছেন; তাই তাদের ভূমিকা একটু স্মরণ করা উচিত।

    তিনি আরও বলেন, কখনো কখনো বিরোধী দলের পরিবর্তন‐পরিচিতি দেখে তিনি হতবাক। ‘‘কাজ করতে গিয়ে আগে যাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কথা বলতাম, তাদের চিনতাম। আজ যারা বিরোধী, তাদের আমি এখনো পুরোপুরি চিনিনা,’’ তিনি মন্তব্য করেন। নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে মনিরুল হক বলেন, দলের নেতা তারেক রহমান বলেছিলেন ‘‘কঠিন নির্বাচন’’— তখন অনেকে বোঝেননি, কিন্তু পরে নির্বাচন করে তারা কঠিন নির্বাচনের মুখোমুখি হওয়া বুঝতে পেরেছেন।

    সংসদে আসা বিভিন্ন দলের সদস্যসংখ্যার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতিতে যাদের সত্যিই কৃতজ্ঞতা জানানো উচিত, তাদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামিককেও গণ্য করা যায়। তবু আজকাল আমাদের সম্পর্কে নানা প্রশ্ন ওঠে; এমনকি জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদেরও নিয়ে প্রশ্ন উঠছে—মুক্তিযুদ্ধকে অন্য কোনো ঘটনার সঙ্গে সমতূল্য বা তকমা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে কি না, সেটিও একটি উদ্বেগজনক বিষয়। তিনি বলেন, কোনও সময়কার ফ্যাসিস্ট শাসনামলে বিচারের নামে ভুল-অন্যায় ঘটানো হয়ে থাকলে সেটার আলাদা বিচার হওয়া উচিত।

    শেষে জামায়াত ও এনসিপি নিয়ে সরকারের বা রাজনৈতিক বিন্যাস নিয়ে কথা বলতেই তিনি একটি ব্যক্তিগত মন্তব্য যোগ করেন—স্বাধীনতার পর এনসিপি’র মতো কিছু দলের যারা কম বয়সী নেতৃত্ব আছে, তাদের প্রতিও তিনি শ্রদ্ধা জানান। কারণ তিনি মনে করেন তারা সাহসী এবং বর্তমান যুগের দাবি পূরণের চেষ্টা করছে।