Blog

  • ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের পূর্ণ সূচি প্রকাশ: কবে কোথায় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ম্যাচ

    ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের পূর্ণ সূচি প্রকাশ: কবে কোথায় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ম্যাচ

    অবশেষে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের পুরো সূচি প্রকাশিত হলো। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) ওয়াশিংটন ডিসির জন এফ কেনেডি সেন্টার ফর পারফর্মিং আর্টস ভেন্যুতে বিশ্বকাপের বিস্তারিত রূপে ঘোষণা করেন ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ানি ইনফান্তিনো। এ সময় তার পাশে উপস্থিত ছিলেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফুটবলার রোনালদো নাজারিও।

    আগামী বছরের ১১ জুন শুরু হবে এই বিশাল প্রতিযোগিতা, যা হবে ত্রৈমাসিক দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা। এবারের বিশ্বকাপে অংশ নিবে ৪৮ দল, যা প্রথমবারের মতো ১২টি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে। আগের ৩২ দলের পরিবর্তে এবার গ্রুপের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে এবং প্রতিটি গ্রুপে থাকবে চারটি দল। উদ্বোধনী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে মেক্সিকো সিটিতে, ঐতিহ্যবাহী আজতেকা স্টেডিয়ামে।

    প্রথম দিন অর্থাৎ ১২ জুন থেকে শুরু হবে গোলের উন্মাদনা কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে। গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো রাউন্ড-রবিন পদ্ধতিতে ২৭ জুন পর্যন্ত চলবে। এরপর ২৮ জুন শুরু হবে নক আউট পর্বের প্রথম রাউন্ড—রাউন্ড অফ ৩২। সেখান থেকে প্রতিটি ধাপে প্রতিযোগিতা বাড়তে থাকবে, যেমন: ৪ জুলাই হবে গোলের মহাযুদ্ধ রাউন্ড অফ ১৬, ৯ জুলাই কোয়ার্টার ফাইনাল, ১৪-১৫ জুলাই সেমিফাইনাল এবং ১৯ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে ফুটবলের মহা ফাইনাল।

    বিশ্বকাপের গ্রুপ বিন্যাস অনুযায়ী, বেশ কিছু গ্রুপের দলগুলো হলো:
    – গ্রুপ ‘এ’: মেক্সিকো, দক্ষিন কোরিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ইউরোপিয়ান প্লে-অফের বিজয়ী—ডেনমার্ক, চেক রিপাবলিক, বা নর্দার্ন আইর‌্যান্ড।
    – গ্রুপ ‘বি’: কানাডা, কাতার, সুইজারল্যান্ড এবং ইউরোপিয়ান প্লে-অফের বিজয়ী—ইতালি, ওয়েলস, বা বসনিয়া-হার্জেগোভিনা।
    – গ্রুপ ‘সি’: ব্রাজিল, মরক্কো, স্কটল্যান্ড ও হাইতি।
    – গ্রুপ ‘ডি’: যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, প্যারাগুয়ে এবং ইউরোপিয়ান প্লে-অফের বিজয়ী—তুরস্ক, স্লোভাকিয়া, কসোভো বা রোমানিয়া।
    – এছাড়াও রয়েছে জার্মানি, ইকুয়েডর, কোস্টা রিকা ও ক্যারিবিয়ান দলের গ্রুপ ‘ই’, নেদারল্যান্ডস, জাপান, তিউনিসিয়া ও চতুর্থ দল, ইউরোপিয়ান প্লে-অফের বিজয়ী—ইউক্রেন, পোল্যান্ড, আলবেনিয়া বা সুইডেন, ইংল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া, পানামা ও ঘানা, আর্জেন্টিনা, অস্ট্রিয়া, আলজেরিয়া ও জর্ডান, পর্তুগাল, কলম্বিয়া, উজবেকিস্তান ও অন্যান্য দল।

    বিশেষ করে বললে, আর্জেন্টিনার ম্যাচের সময়সমূহ হলো:
    – ১৬ জুন রাত ৯টা: আর্জেন্টিনা বনাম আলজেরিয়া
    – ২২ জুন দুপুর ১টা: আর্জেন্টিনা বনাম অস্ট্রিয়া
    – ২৭ জুন রাত ১০টা: আর্জেন্টিনা বনাম জর্ডন।

    ব্রাজিলের ম্যাচের সময়সূচি:
    – ১৩ জুন বিকাল ৬টা: ব্রাজিল বনাম মরক্কো
    – ১৯ জুন রাত ৯টা: ব্রাজিল বনাম হাইতি
    – ২৪ জুন সন্ধ্যা ৬টা: ব্রাজিল বনাম স্কটল্যান্ড।

    অন্য দেশগুলোর দিকে তাকালে, স্পেনের জন্য রয়েছে ১৫ জুন দুপুর ১২টা, উদাহরণস্বরূপ, ইংল্যান্ডের ম্যাচ যথাক্রমে ১৭ জুন বিকাল ৪টা এবং ২৩ জুন বিকাল ৪টা। এই সময়সূচিগুলো আমেরিকার সময় অনুসারে ঠিক করা হয়েছে।

    সর্বশেষ, এই বিশ্বকাপে ফুটবল প্রেমীদের জন্য এবারের প্রতিযোগিতা হবে অনেক বেশি উত্তেজনাপূর্ণ, কারণ প্রথমবারের মতো এত বেশি দল অংশ নিচ্ছে। এছাড়া, প্রতিটি ম্যাচের দিন, সময় এবং ভেন্যু বিস্তারিত জানা থাকায় দর্শকরা নিজেদের পছন্দের ম্যাচগুলো উপভোগ করার জন্য অপেক্ষা করতে পারেন।

  • মেসির জোড়া অ্যাসিস্টে এবার মায়ামিকে সর্বোচ্চ শিরোপা

    মেসির জোড়া অ্যাসিস্টে এবার মায়ামিকে সর্বোচ্চ শিরোপা

    ফুটবল বিশ্বে গত কয়েক মৌসুমে অপ্রচলিত মনে হওয়া মার্কিন লিগ এমএলএস এখন কীভাবে বদলে যেতে শুরু করেছে, তার অন্যতম কারণ হল লিওনেল মেসির আগমন। তার স্��র্শে রাতারাতি এসপুট স্পন্দিত হয়ে উঠেছে এই লিগের প্রতিযোগিতা। সম্প্রতি সেখানকার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ট্রফি, এমএলএস কাপ, প্রথমবারের মতো জয়ী হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে ইন্টার মায়ামি। এই সাফল্য মেসির জোড়া অ্যাসিস্টের কৃতিত্বে সম্ভব হয়েছে, যা দলের জন্য এক মহান অর্জন।

    বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপ জিতে ক্যারিয়ারে এক বিশেষ অধ্যায় সম্পন্ন করেছেন। তারপরও পেশাদার ফুটবল চালিয়ে যেতে হবে, এই চ্যালেঞ্জ তিনি গ্রহণ করেছেন। সেই চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে, রীতিমতো আনকোরা দলের মধ্যেও এক নতুন জয়ের স্বপ্ন দেখাতে থাকেন মেসি। দল গঠনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন সাধিত হয়েছে, যেখানে মূল প্রেরণা ছিলেন মেসি নিজেই। রদ্রিগো ডি পলের মতো খেলোয়াড়দের দলে আনা, বুসকেটস, সুয়ারেজের উপস্থিতি—সবই ছিল দলের সাম্প্রতিক সফলতার মূল ভিত্তি।

    দলের সাথে একসঙ্গে অনেক ট্রফি জয় করেছেন মেসি। এবার তিনি এমএলএস কাপে নিজের জয়ের সংখ্যাও ৪৮–এ নিয়ে গেছেন। এই কাপের ফাইনাল ম্যাচটি দুই কনফারেন্সের শীর্ষ দলগুলির মুখোমুখি হয়। উদ্বোধনী থেকে শুরু করে, শীর্ষে থাকা মায়ামি ইস্টার্ন কনফারেন্সের ট্রফি জিতেছে। এর মাধ্যমে তারা পুরো এমএলএসের শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট মাথায় তুলে নিয়েছে। গত শনিবার ফোর্ট লডারডেল-এর চেজ স্টেডিয়ামে এই ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে মায়ামি ও ভ্যাঙ্কুভার সমান লড়াই করেছে।

    ম্যাচের প্রথমার্ধে মাত্র ৮ মিনিটের মধ্যেই এডিয়ার ওকাম্পোর আত্মঘাতী গোলে পিছিয়ে পড়ে ভ্যাঙ্কুভার। এরপর তাদের জন্য ম্যাচে ফিরে আসার জন্য অপেক্ষা করতে হয় ৬০ মিনিট পর্যন্ত। আলি আহমেদের গোল তাদের অনুপ্রেরণা যোগায়, তবে পরবর্তী সময়ে রদ্রিগো ডি পলের গোল লিড প্রদান করে মায়ামিকে। শেষমেষ, যোগ করা সময়ে তাদেও আলেন্দের গোল ম্যাচের জয় নিশ্চিত করে।

    মেসি দুটি গোলের পাশাপাশি অ্যাসিস্টও করেছেন, যা এই জয়ের মূল চাবিকাঠি। এই জয়ের কৃতিত্বকে স্মরণ করে মেসি বলেন, ‘গত বছর আমাদের জন্য মৌসুমটা খুব হতাশাজনক ছিল, শুরুতেই বিদায় নিতে হয়েছিল। তবে এই বছর আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল এমএলএস জয়। দল শ্রম ও পরিশ্রমের মাধ্যমে এ লক্ষ্য সফল করেছে। বছরটি ছিল অনেক দীর্ঘ, অনেক ম্যাচ খেলতে হয়েছে, কিন্তু চূড়ান্তভাবে আমরা সফল।’

    ১২ বছর আগে ডেভিড বেকহ্যাম দলটির মালিকানা গ্রহণের পর, ২০২০ সালে খেলোয়াড় হিসেবে দলটির যাত্রা শুরু হয়। তিন বছর পর মেসি যোগ দেন, আর তখন থেকেই দলটির ভাগ্য বদলে যেতে শুরু করে। বেকহ্যাম বলেন, ‘এটা এক অবিশ্বাস্য যাত্রা। মেসি শুধু উপভোগ করতে আসেনি, তার পরিবারও এই শহরকে ভালোবাসে। তবে তার আসলে জেতারই মনোভাব ছিল। সে সবসময় দলের প্রতি আন্তরিক ও নিবেদিত। লিও একজন প্রকৃত বিজয়ী।’

  • সালাহউদ্দিনের মতে, টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নতি হয়েছেন

    সালাহউদ্দিনের মতে, টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নতি হয়েছেন

    সালাহউদ্দিন মনে করেন, এ বছর খেলোয়াড়রা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের কৌশল বেশ ভালোভাবে উপলব্ধি করেছে। তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, খেলোয়াড়রা টি-টোয়েন্টি সম্পর্কে ভালো ধারণা অর্জন করেছে। এখন তারা জানে কিভাবে খেলতে হবে। এটিই এই বছরকের সবচেয়ে বড় অর্জন। ব্যাটাররা নিজেদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করছে। এর আগে অনেক সময় পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন হত না, এখন সবাই নিজেদের দায়িত্ব সম্পর্কে ভালোভাবে সচেতন।’

  • ইন্দোনেশিয়ায় বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ছাড়ালো ৯০০

    ইন্দোনেশিয়ায় বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ছাড়ালো ৯০০

    ইন্দোনেশিয়ায় ঘূর্ণিঝড়, প্রবল বর্ষণ এবং তার ফলে সৃষ্টি হওয়া বন্যা ও ভূমিকম্পজনিত ধ্বংসযজ্ঞে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে কমপক্ষে ৯১৬। এই ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে সুমাত্রা ও আচেহ প্রদেশের বিভিন্ন গ্রাম, শহর এবং উপকূলীয় এলাকাগুলোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এখনো নিখোঁজ আছেন অন্তত ২৭৪ জন। এ তথ্য প্রকাশ করেছে রয়টার্স, প্রাদেশিক ও কেন্দ্রীয় সরকারের বরাত দিয়ে শনিবার।

    আচেহ প্রদেশের তামিয়াং জেলার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ভয়াবহ বন্যার কারণে খাদ্য, পানি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের সংকটে পড়েছেন তারা। বিশেষ করে দূরবর্তী এলাকার রাস্তা এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

    তামিয়াং জেলার একটি ইসলামি স্কুলের ১৪ বছর বয়সী শিক্ষার্থী দিমাস ফিরমানসিয়াহ রয়টার্সকে বলেন, পুরো সপ্তাহ ধরে স্কুলের হোস্টেলে আটকা আছি। পানির সংস্থান ফুরিয়ে যাওয়ায় বন্যার পানি পান করতে হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা আরও জানাচ্ছেন, সরকারি সহায়তা কেন্দ্র থেকে তারা খাবার ও পানির জন্য ব্যাপক ভোগান্তির মুখোমুখি হচ্ছেন।

    যদিও ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রবাও সুবিয়ান্তো গত কিছু দিন আগে বলেছিলেন, পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে এবং বিপর্যয় মোকাবিলায় সরকারের প্রস্তুতিও সন্তোষজনক। তবে সুমাত্রা ও আচেহ প্রদেশের কর্মকর্তারা এই বক্তব্যের সাথে একমত বিরত থাকেননি। তারা কেন্দ্রীয় সরকারের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণার দাবি জানিয়ে আসছেন।

    প্রাকৃতিক এই দুর্যোগের পেছনে অনেকের অভিযোগ, বনজঙ্গল উজাড় ও অবৈধ খনি খননের ফলে পরিবেশের ক্ষতি বিস্তারিত হয়েছে। বিশেষ করে চীনের জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নর্থ সুমাত্রা হাইড্রো এনার্জি এবং স্বর্ণ খনির অনুসন্ধান ও উত্তোলনের সঙ্গে এই বিপর্যয়ের সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করেন পরিবেশবাদীরা। বেশিরভাগ কোম্পানি চীনের অর্থায়নে কাজ করছে।

    রয়টার্স স্থানীয় সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করলেও এই দুই কোম্পানির প্রতিনিধিরা কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি।

    বন্যা, ঘূর্ণিঝড় সেনিয়ার এবং অন্যান্য মৌসুমি ঝড় ও ভারী বর্ষণের কারণে গত নভেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে এই অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ শুরু হয়। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সুমাত্রা ও আচেহ প্রদেশ। পাশাপাশি ভূমিধসের ঘটনাও ঘটেছে, যার ফলে মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

  • গোয়ার নাইটক্লাবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২৩, শোক প্রকাশ গোয়ার মুখ্যমন্ত্রীর

    গোয়ার নাইটক্লাবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২৩, শোক প্রকাশ গোয়ার মুখ্যমন্ত্রীর

    ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় পর্যটনরাজ্য গোয়ার একটি জনপ্রিয় নাইটক্লাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই দুর্ঘটনা ঘটে শনিবার রাত ১২টার দিকে, যখন ক্লাবের ভিতরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আরব সাগরের তীরে অবস্থিত, গোয়ার উত্তরাঞ্চলীয় জেলা আরপোরা’র বাগা বিচে অবস্থিত ‘বার্চ বাই রোমিও লেন’ নামের এই নাইটক্লাবটি সুপরিচিত পর্যটকদের মধ্যে।

    প্রাথমিক সূত্র অনুযায়ী, আগুনের সূত্রপাত হয় ক্লাবের রান্নাঘর থেকে, যেখানে একটি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। খবর পেয়ে দ্রুত ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং রাতের অন্ধকারে উদ্ধার অভিযান চালায়। তবে খুব দ্রুতই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।

    প্রাথমিকভাবে উদ্ধারকারীরা বলছেন, বেশিরভাগ মরদেহ রান্নাঘর ও এর আশপাশ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে, ধারণা করা হচ্ছে নিহতদের অধিকাংশই ক্লাবের কর্মচারী। পাশাপাশি কয়েকজন পর্যটকের দেহও উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের সংখ্যা এখনও নিশ্চিত নয়, তবে মনে করা হচ্ছে ৩ থেকে ৪ জন পর্যটকের দেহও এখানে থাকতে পারে। তাদের নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

    রাজ্য পুলিশের কর্তাদের মতে, উদ্ধার অভিযান রোববার ভোর পর্যন্ত চলবে। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন, আগুন মূলত ক্লাবের রান্নাঘর ও প্রথম তলার মধ্যেই সংঘটিত হয় এবং নিহতদের বেশিরভাগই ওই স্থানেই ছিল।

    গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এই দুর্ঘটনার সঠিক কারণ অনুসন্ধানের জন্য তদন্ত শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর ভাষায়, ‘গোয়ার সব বাসিন্দাদের জন্য আজকের দিনটি খুবই দুঃখজনক। যারা প্রিয়জনদের হারিয়েছেন, তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। এটি অত্যন্ত কষ্টদায়ক ক্ষতি।’ রাজ্য সরকার ইতোমধ্যে এই ঘটনাটি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে এবং যারা অবহেলার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, তাদের উপযুক্ত আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে দুঃখের ছায়া নেমে এসেছে। তদন্ত চলছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে।

  • শিল্পপতি বাবরি মসজিদে গোপনে ৮০ কোটি টাকা দিচ্ছেন

    শিল্পপতি বাবরি মসজিদে গোপনে ৮০ কোটি টাকা দিচ্ছেন

    পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, গত ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ৩৩তম বর্ষপূর্তির দিনই মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় একই নামে নতুন একটি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। এই ঘটনার ব্যাপক আলোচনা এবং সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। অনুষ্ঠানমঞ্চে হুমায়ুন কবীর ঘোষণা দেন, এক গোপন শিল্পপতি একটি অনুদান হিসেবে ৮০ কোটি টাকা দেবেন এই মসজিদের নির্মাণের জন্য। তিনি আরও জানান, বাবরি মসজিদ পুনর্নির্মানের জন্য প্রাক্কলিত খরচা প্রায় ৩০০ কোটি টাকা, যা সম্পূর্ণ মুসলিম সমাজের দানের মাধ্যমে সংগৃহীত হবে। হুমায়ুন কবীর স্পষ্ট করে বলেন, তিনি সরকারের কাছ থেকে কোন টাকা নেবেন না, কারণ এতে মসজিদের পবিত্রতা নষ্ট হতে পারে। তিনি আরও জানান, ওই শিল্পপতি তার নাম প্রকাশ করতে অস্বীকার করেছেন, তবে তিনি আগামী এক মাসের মধ্যে ৮০ কোটি টাকা দিতে প্রস্তুত। বর্তমানে তার কাছে ২৫ বিঘা জমি রয়েছে, যেখানে তিনি পরিকল্পনা করছেন না শুধুমাত্র মসজিদ, বরং একটি ইসলামিক হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয়, হেলিপ্যাড এবং মুসাফিরখানা নির্মাণের। বাবরি মসজিদ পুনঃনির্মাণের এই ঘোষণা ও দলীয় মতের বিরোধী মন্তব্যের কারণে হুমায়ুন কবীরকে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে অস্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আসন্ন নির্বাচনের আগে এই উদ্যোগ দলকে বেশ কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে ফেলতে পারে। ১৯৯২ সালে ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় অযোধ্যায় উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের হামলায় ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ ধ্বংস হয়, যা বহু বছর ধরে হিন্দু-মুসলিম দলের মধ্যে বিবাদের কারণ। সেই ঘটনার বর্ষপূর্তির দিনে মুর্শিদাবাদের এই নতুন মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছিলেন হুমায়ুন কবীর, যা নানা বিতর্কের সৃষ্টি করে। পুলিশের কঠোর নিরাপত্তায় এই অনুষ্ঠানে সবার আগে ফিতা কেটে ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন তিনি। উপস্থিত মুসল্লিরা “নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার” স্লোগান দেন। তিনি বলেন, বাংলায় মুসলমানদের মসজিদ নির্মাণের অধিকার রয়েছে, এবং এই বিষয়টি কোনও রাজনৈতিক রোষানলে পড়বে না। তিনি আরও বলেন, প্রকল্পটি রাম মন্দিরের বিপরীতে দাঁড় করানোর জন্য নয়, বরং প্রয়োজন হলে সমালোচকদের উত্তপ্ত পরিস্থিতি আরও বাড়ানোর জন্য তুলে ধরা হচ্ছে। হুমায়ুন কবীর বলেন, বাংলা সব ধর্মের адамдарের জন্য শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল স্থান, এবং কোনও ব্যক্তি বা বাহিনী যেন এই মসজিদ নির্মাণে বাঁধা না দেয়, সেটা তিনি দৃঢ়ভাবে বলছেন। তিনি সবাইকে আশ্বস্ত করেন, যেকোনো চাপ সত্ত্বেও এই মসজিদ নির্মাণ কাজ অটুট থাকবে।

  • বেনিনে অভ্যুত্থান চেষ্টা, সরকার বলছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে

    বেনিনে অভ্যুত্থান চেষ্টা, সরকার বলছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে

    আফ্রিকার দেশ বেনিনে একটি সামরিক অভ্যুত্থানের চেষ্টা চালানো হয়েছে। রোববার দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ভবন দখল করে একটি অংশের সেনাসদস্যরা ঘোষণা করে, তারা দেশটির প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিস তালোনকে সরাতে চাইছেন। তবে প্রেসিডেন্ট কার্যালয় দ্রুত নিশ্চিত করেছে যে, প্যাট্রিস তালোন নিরাপদে আছেন এবং পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

    সেনারা টেলিভিশনে হাজির হয়ে বলেছে, তারা একত্রে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, প্যাট্রিস তালোন আর দেশের প্রেসিডেন্ট থাকছেন না। এই সেনা দলটি নিজেদের জানিয়েছে, তারা একটি নতুন সামরিক কমিটি গঠন করেছে, যার নাম মিটিলিটি কমিটি ফর রিফাউন্ডেশন (সিএমআর)।

    কিছুক্ষণ পরে প্রেসিডেন্টের দপ্তর জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট তালোন এখন নিরাপদ আছেন এবং সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনছে।

    ফরাসি সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বেনিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওলুশেগুন আদজাদি বাকারি বলেছেন, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণের মধ্যে। তিনি আরও বলেছেন, একটি অভ্যুত্থান প্রচেষ্টা হয়েছে, তবে আশা করা যায় পরিস্থিতি শান্ত হয়ে আসছে।

    বিবিসির প্রতিবেদনে প্রকাশ, রোববার সকালে বেনিনের রাজধানী কোটোনুর বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিস তালোনের বাসভবনের কাছাকাছি ক্যাম্প গেজো এলাকায় গুলির শব্দ শোনা যায়, যা আতঙ্কের সৃষ্টি করে। স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, এই গুলি চালানো হয়েছিল নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, এবং অনেকে দ্রুত ঘরে আশ্রয় নেন।

    এর মধ্যেই সেনাবাহিনীর অর্ধেক অংশ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে উপস্থিত হয়ে সরকারের নিয়ন্ত্রণের দাবি জানায়। এই বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেয় লেফটেন্যান্ট কর্নেল তিগ্রি পাসকাল, বলেন তারা দেশের সমস্ত রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা নিজেদের হাতে নিয়েছেন।

    ঘটনার পর প্রেসিডেন্ট ভবনের আশেপাশে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে এবং শহরের কেন্দ্রীয় এলাকায় চলাচল সীমিত করে দেওয়া হয়েছে।

    অন্যদিকে, বেনিনে অবস্থানরত নাগরিকদের জন্য ফ্রান্সের দূতাবাস জরুরি সতর্কতা জারি করেছে। এক বিবৃতিতে দূতাবাস জানিয়েছে, পরিস্থিতি পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে এবং সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করতে।

    এসব তথ্য সূত্র হিসেবে কাজ করছে বিবিসি, রয়টার্স এবং আল-জাজিরা।

  • শ্রীলঙ্কায় মৃতের সংখ্যা ৬১৮ এ পৌঁছেছে, ভূমিধসের কথা ভাবনায় উদ্বেগ বাড়ছে

    শ্রীলঙ্কায় মৃতের সংখ্যা ৬১৮ এ পৌঁছেছে, ভূমিধসের কথা ভাবনায় উদ্বেগ বাড়ছে

    শ্রীলঙ্কায় শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বিধ্বস্ত অঞ্চলগুলোতে ব্যাপক বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি নতুন করে ভূমিধসের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগের কারণে ইতোমধ্যে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৬১৮ জনে দাঁড়িয়েছে, আরও নিখোঁজ রয়েছেন ২০৯ জন। রোববার শ্রীলঙ্কান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র জানিয়েছে, চলমান মৌসুমি ঝড়ের কারণে দেশজুড়ে বারবার ভারী বর্ষণ হচ্ছে। পাহাড়ি এলাকাগুলোর ঢাল দ্রুত অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে, বিশেষ করে পার্বত্য অঞ্চল ও উত্তর-পশ্চিম মধ্যভূমি অংশগুলোতে। জলবায়ু সংকটের কারণে এই প্রাকৃতিক বিপর্যয় আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে, যার ফলে গত সপ্তাহে থেকেই বন্যা ও ভূমিধসে প্রায় ১০ শতাংশ জনসংখ্যা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, অর্থাৎ দুই মিলিয়নেরও বেশি মানুষ তাদের বাসস্থান হারিয়েছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য স্থানীয় প্রশাসন হেলিকপ্টার এবং বিমান দিয়ে সহায়তা পাঠাচ্ছে, বিশেষ করে কেন্দ্রস্থল এলাকাগুলোতে। দুর্যোগের কারণে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ধীরে ধীরে স্পষ্ট হচ্ছে, এ পর্যন্ত কমপক্ষে ৭৫ হাজার বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৫ হাজার সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন, এই ক্ষতি মোচনের জন্য প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলার অর্থের প্রয়োজন হতে পারে। অন্যদিকে, এশিয়ার অন্য দেশগুলোতেও এই প্রাকৃতিক বিপর্যয় অব্যাহত রয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে বন্যা ও ভূমিধসে মৃত্যুর সংখ্যা ৯০০ পার করেছে। থাইল্যান্ডে কমপক্ষে ২৭৬ জনের মৃত্যুর খবর এসেছে, আর মালয়েশিয়ায় দু’জন নিহত হয়েছেন। ভিয়েতনামে ভারী বর্ষণের ফলে ধারাবাহিক ভূমিধসে কমপক্ষে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এই সব ঘটনার মধ্যে প্রকৃতি আমাদের ওপর এর প্রভাব আরও বেশি স্পষ্ট করে দিয়েছে, আরেকবার提醒 দিচ্ছে আমাদের জলবায়ু পরিবর্তনের আশঙ্কার কথা।

  • খুলনা মেডিকেল কলেজসহ দেশের ১৭ কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ১২ ডিসেম্বর

    খুলনা মেডিকেল কলেজসহ দেশের ১৭ কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ১২ ডিসেম্বর

    ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজে এমবিএস কোর্সে ভর্তি পরীক্ষা ১২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এই গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাটি দেশের ১৭টি কেন্দ্রে একযোগে পরিচালিত হবে। ঢাকার বাইরে খুলনা কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। খুলনা মেডিকেল কলেজ কেন্দ্রে অংশগ্রহণ করবে মোট ৭,৪০৪ পরীক্ষার্থী। পরীক্ষার জন্য চারটি ভেন্যু নির্ধারিত হয়েছে—খুলনা মেডিকেল কলেজ একাডেমিক ভবন (১,৯০৪ জন), বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল অ্যান্ড কলেজ খুলনা (২,৫০০ জন), খুলনা সরকারি মহিলাবিশ্ববিদ্যালয় বয়রা (১,৭০০ জন), এবং খুলনা সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ বয়রা (১,৩০০ জন)। পরীক্ষাটি সকাল ১০টায় শুরু হয়ে সাড়ে ১১টার মধ্যে শেষ হবে। পরীক্ষা শুরুর অন্তত ঘণ্টা খানেক আগে পরীক্ষার্থীদের তাদের কেন্দ্রে পৌঁছানো আবশ্যক। পরীক্ষা কেন্দ্রের মূল গেট সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে বন্ধ হয়ে যাবে। তাই সময়মতো উপস্থিত থাকতে হবে। পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই বল পয়েন্ট, কলম, ডাউনলোডকরা রঙিন প্রবেশপত্র ও এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষার মূল রেজিস্ট্রেশন কার্ড সঙ্গে আনতে হবে। খুলনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. গোলাম মাসুদ এ বিষয়ক একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

  • খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় গণদোয়া বৃহস্পতিবার

    খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় গণদোয়া বৃহস্পতিবার

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা ও ভালো থাকার জন্য মহানগর বিএনপি আয়োজন করেছে একটি বিশেষ গণদোয়া ও মোনাজাত। এই দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় শহীদ হাদিস পার্কে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় রবিবার রোববার ব্ল রয়েল রোববার দলীয় কার্যালয়ে মহানগর বিএনপি’র জরুরি সভার মাধ্যমে।

    সভায় মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম সভাপতিত্ব করেন, এবং বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতা-কর্মীরা, যেমন – মহানগর সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ পারভেজ বাবু, হাসানুর রশীদ চৌধুরী মিরাজ, থানা সভাপতি কেএম হুমায়ূন কবির, সেখ হাফিজুর রহমান মনি, থানা সাধারণ সম্পাদক মোসল্লা ফরিদ আহমেদ, মোঃ হাবিবুর রহমান বিশ্বাস, শেখ ইমাম হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির ইকবাল বাপ্পী, মোঃ নাসির উদ্দিন, মহিলা দলের যুগ্ম-আহবায়ক এড. হালিমা আক্তার খানম, সদস্য সচিব কেএম এ জলিল, কৃষক দলের আহবায়ক আখতারুজ্জামান তালুকদার সজীব, শেখ আদনান ইসলাম দীপ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ইস্তিয়াক আহম্মেদ, তাঁতী দলের আহবায়ক আবু সাঈদ শেখ, ওলামা দলের আহবায়ক মাওলানা মোঃ আবু নাঈম কাজী, হাফেজ মোঃ আল-আমিন, শ্রমিক দলের আহবায়ক মজিবর রহমান, শফিকুল ইসলাম শফি, নগর বিএনপি’র মিডিয়া সেল সদস্য সচিব রকিবুল ইসলাম মতি, ওহিদুজ্জামান হাওলাদার, কাজী নজরুল ইসলাম, এড. মিজানুর রহমান বাবু, নুরুল হুদা পলাশ ও জিয়াউর রহমানসহ আরও অনেকে।

    এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিএনপি নেতা-কর্মীরা প্রত্যেকে আশাবাদী,খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা ও মুক্তির জন্য প্রার্থনা করবেন, যাতে তিনি দ্রুত আবার জনগণের কাছে ফিরে আসতে পারেন।