Blog

  • লড়াই করেও সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০ গোলে হারল বাংলাদেশ

    লড়াই করেও সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০ গোলে হারল বাংলাদেশ

    এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল সিঙ্গাপুর। ম্যাচটি জয়ের মাধ্যমে পর্বটা ভালোভাবে শেষ করার আশা ছিল বাংলাদেশের, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলে হেরে মাঠ ছাড়তে হলো তাদের। ম্যাচের একমাত্র গোলটি আসে ৩১তম মিনিটে, সিঙ্গাপুরের দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাক থেকে।

    শুরুতেই বাংলাদেশ আত্মবিশ্বাসী ছিল। বল দখল ও আক্রমণে এগিয়ে নিয়ে আসার মাধ্যমে তারা ইতিবাচক শুরু করে। অন্যদিকে, সিঙ্গাপুরের আক্রমণগুলিও বেশ কয়েকবার সফলভাবে প্রতিহত করা হয়।

    তবে ৩১ মিনিটে সবকিছু তখন বদলে যায়। নিজেদের অর্ধ থেকে লম্বা পাসে সিঙ্গাপুর দ্রুত আক্রমণে উঠে আসে, যেখানে বাংলাদেশের ডিফেন্ডার সাদ উদ্দিন প্রতিপক্ষের ফরোয়ার্ডের মাধ্যমে বল বন্ধ করতে ব্যর্থ হন। প্রথম শটটি গোলরক্ষক মিতুল মারমা সফলভাবে প্রতিরোধ করলেও, ফিরতি বলের ডিফেন্সের গাফিলতির ফলে গোলে পরিণত হয় বাংলাদেশ।

    অপরদিকে, ৩৮ মিনিটে বাংলাদেশের একটি দুর্দান্ত সুযোগ ছিল সমতা ফিরানোর। শেখ মোরসালিনের শটের সময় বল ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে গোললাইন বরাবর চলে যায়, কিন্তু কনফার্ম না হওয়ায় গোলের সিদ্ধান্ত হয়নি। তখনই ফয়সাল আহমেদ ফাহিম বল স্পর্শ করার চেষ্টা করলে পেনাল্টির দাবিও ওঠে, তবে রেফারি তা মানেননি।

    দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ সমতা ফেরানোর জন্য ব্যাপক চেষ্টা চালিয়েছে। আক্রমণাত্মক খেললেও তারা আর গোল করতে পারেনি। ফলে, শেষ পর্যন্ত হার নিয়েই তাদের এ ম্যাচ শেষ হয়। এবারে সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০ গোলে হেরে গেল বাংলাদেশ, যা তাদের জন্য হতাশাজনক এক ফলাফল।

  • ইতালির দারুণ স্বপ্নভঙ্গ, তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে খেলা হচ্ছে না অ্যাজুরিদের

    ইতালির দারুণ স্বপ্নভঙ্গ, তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে খেলা হচ্ছে না অ্যাজুরিদের

    জেনিৎসার বিলিনো পোলি স্টেডিয়ামে আজ ফুটবল প্রেমীরা দেখলেন এক অসাধারণ কাকতালীয় লড়াই। বিশ্বকাপে চারবারের চ্যাম্পিয়ন ইতালি এক বছরের ক্ষোভ and আক্ষেপ ঘুচিয়ে ১২ বছর পর ফেরার স্বপ্ন দেখছিল। কিন্তু সেটি শেষ পর্যন্ত তাদের জন্য মিছুর মতো হয়ে গেল পেনাল্টি শুটআউটে। এর ফলে তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল আসর থেকে বিনা মোকাবেলায় বেরিয়ে যেতে হলো অ্যাজুরিদের।

    ম্যাচের প্রথমার্ধে ইতালি দুর্দান্ত আক্রমণে এগিয়ে গেলেও দ্বিতীয়ার্ধে একটি গোল হজম করে ম্যাচ শেষ হয় ১-১ গোলে। অতিরিক্ত সময়ে কোনো দলই গোল করতে সক্ষম হয়নি। তখন ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে, যেখানে ভাগ্য পরীক্ষায় প্রথমে এগিয়ে যায় বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা।

    টাইব্রেকারের প্রথম শটে গোল করে বসনিয়ার বেঞ্জামিন তাহিরোভিচ, অন্যদিকে ইতালির পيو এস্পোসিতো শটটি মিস করেন। দ্বিতীয় শটেও দুই দলই গোল করে, কিন্তু তৃতীয় শটে বসনিয়া গোল করতে পারলেও ইতালির ব্রায়ান ক্রিস্টান্তে শট মিস করায় বসনিয়া ৪-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে। এর মাধ্যমে তারা বিশ্বকাপের টিকিট পেয়ে যায়।

    শুরুতেই ইতালি আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে। ম্যাচের ১৫তম মিনিটে ইতালিয়ান ফরোয়ার্ড ময়েস কিন দুর্দান্ত এক ফিনিশিংয়ে দলকে লিড দেন। এই গোলের ফলে তারা ১২ বছরের স্বপ্নের পথে এক বড় ধাপ অতিক্রম করে।

    তবুও, মাত্র ২৭ মিনিটের মধ্যে দাপট দেখা দেয় বিদায়ী ডিফেন্ডার আলেসান্দ্রো বাসটোনির লাল কার্ডের মাধ্যমে। তার কারণে প্রথমার্ধে একজন কম নিয়ে ম্যাচ চালাতে হয় ইতালিকে। এরপর বসনিয়া চাপ সৃষ্টি করে রক্ষণভাগে। তবে বীরত্বের সাথে রক্ষণে থাকেন গোলকিপার জিয়ানলুইজি ডোনারুমা। প্রথমার্ধে তারা কোন গোল হজম করেনি।

    দ্বিতীয়ার্ধে বেশি সংখ্যক খেলোয়াড়ের সুবিধা কাজে লাগাতে বসনিয়া আক্রমণ বাড়ায়। তাদের কৌশলে বেশ কিছু চমৎকার আক্রমণ নিয়ে আসে, যেখানে ম্যাচের ৮২ মিনিটে এডিন জেকো গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরায়। এরপরেও গোলের জন্য আর কোনো দলই চেষ্টা চালায়নি।

    অতিরিক্ত সময়ে দুই দল চেষ্টা করেও কোন গোল করতে পারিনি, ফলে ম্যাচটি শেষ হয় ১-১ গোলের সমতায়। সেই সাথে দীর্ঘ ১২ বছরের অপেক্ষার অবসান হয়নি আর, ফলে তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের স্বপ্ন ভেঙে যায় ইতালির।

  • ইসরায়েলের হামলায় আরও দুই ইন্দোনেশীয় শান্তিরক্ষী নিহত

    ইসরায়েলের হামলায় আরও দুই ইন্দোনেশীয় শান্তিরক্ষী নিহত

    দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলার পর বিস্ফোরণে আরও দুই ইন্দোনেশীয় শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনা ঘটে সোমবার। এর একদিন আগে পৃথক এক বিস্ফোরণে নিহত হন আরও এক ইন্দোনেশীয় শান্তিরক্ষী। ফলে এ পর্যন্ত তাদের মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিনে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েল ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া যুদ্ধের মধ্যে এটাই প্রথম প্রাণহানির ঘটনা। জাতিসংঘের একজন মুখপাত্র জানিয়েছিলেন, সোমবারের ঘটনায় দক্ষিণ লেবাননের বানি হাইয়ান এলাকায় একটি গাড়ি বিস্ফোরণে ধ্বংস হয়ে যায়। এই হামলায় দুই শান্তিরক্ষী নিহত এবং আরও দুজন আহত হয়েছেন। সামরিক সূত্র মতে, স্থানীয় সময় সকাল ১১টার কাছাকাছি সময়ে ওই ঘটনায় এক লজিস্টিক বহরের গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। বোঝা যায়, গাড়ির প্রথম অংশ মোড় নেয়ার সময় সেটি বিস্ফোরণের শিকার হয়, যার ফলে গাড়িতে থাকা সেনারা হতাহত হন। এই বহরটি মূলত সরঞ্জাম সরবরাহের পাশাপাশি গত রোববার নিহত শান্তিরক্ষীদের লাশ পরিবহনের দায়িত্বে ছিল। সোমবার নিহত দুই সেনা সদস্য হলেন- ক্যাপ্টেন জুলমি আদিত্য ইস্কান্দার, যিনি কোম্পানি কমান্ডার ও ইন্দোনেশীয় সেনাবাহিনীর বিশেষ বাহিনীর সদস্য, এবং ফার্স্ট সার্জেন্ট ইখওয়ান। আরও জানা যায়, গত রোববারই নিহত ছিলেন ২৮ বছর বয়সী ফাহরিজাল রোমাধোন। এর আগে রোববারই ইন্দোনেশিয়া তাদের শান্তিরক্ষী শিবিরের কাছে গোলাবর্ষণের নিন্দা জানায়। দক্ষিণ লেবাননের আদচিত আল-কুসাইর এলাকার নিকটবর্তী জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের ঘাঁটির আশপাশে এই হামলায় তিন ইন্দোনেশীয় সেনা আহত হন। ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, শান্তিরক্ষীদের লক্ষ্য করে কোনও হামলা ‘অগ্রহণযোগ্য’ এবং এ ধরনের ঘটনা শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করার প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করে। সূত্র: সিএনএ, আল জাজিরা।

  • মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘর্ষে ৮ ভারতীয় নিহত, একজন নিখোঁজ

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘর্ষে ৮ ভারতীয় নিহত, একজন নিখোঁজ

    মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ এখন দ্বিতীয় মাসে প্রবেশ করেছে এবং পরিস্থিতি ক্রমশই আকাশচুম্বী হয়ে উঠছে। গত মাসের ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে ভারতের সরকার জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ৮ জন ভারতীয় নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন এবং একজন নিখোঁজ রয়েছেন। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (গালফ) অসীম আর. মহাজন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন ঘটনায় দুঃখজনকভাবে ৮ ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে এবং একজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।”

    তিনি আরও জানান, কুয়েতে একটি সাম্প্রতিক হামলায় একজন ভারতীয় নাগরিক নিহত হয়েছেন, তবে এই ঘটনার বিস্তারিত তথ্য এখনো জানা যায়নি। এর আগের তথ্য অনুযায়ী, ২০ মার্চ ভারতের সরকার জানিয়েছিলো যে, আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে ৬ ভারতীয় নাগরিক নিহত হয়েছেন এবং একজন এখনও নিখোঁজ। সর্বশেষ হিসেব অনুযায়ী, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮ এ এসে দাঁড়িয়েছে।

    অন্যদিকে, ১৮ মার্চ সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে এক হামলার ঘটনায় একজন ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যুর নিশ্চিত করেছে স্থানীয় ভারতীয় দূতাবাস। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরো জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষের কারণে উপসাগরীয় অঞ্চলে ভ্রমণ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে, যার ফলে প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার যাত্রী এই এলাকাছাড়া ভারতে ফিরেছেন।

    এতে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ায় ভারত সরকার কূটনৈতিক সমাধানের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ভারত এই অঞ্চলের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে মনিটর করছে এবং উত্তেজনা কমানোর জন্য দ্রুত আলোচনা ও সমাধানের আহ্বান জানাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। আলোচনা শেষে উভয় নেতা আঞ্চলিক সংঘাত, নৌচলাচলের স্বাধীনতা ও জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

    সূত্র: গালফ নিউজ

  • আমিরাতে ড্রোন হামলায় বাংলাদেশি নিহত

    আমিরাতে ড্রোন হামলায় বাংলাদেশি নিহত

    সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ প্রদেশে এক বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হয়েছেন ড্রোন হামলার ঘটনায়। দেশটির সরকারি বার্তাসংস্থা ডব্লিউএএম বুধবার (১ এপ্রিল) জানিয়েছে, ফুজাইরাহতে আসা একটি ড্রোনকে প্রতিরোধ ব্যবস্থা দিয়ে ভূপাতিত করা হয়। ঠিক তখনই ড্রোনটির ধ্বংসাবশেষ এসে পড়ে এবং এক বাংলাদেশির ওপর আঘাত করে। ওই বাংলাদেশি আল রিফা এলাকার এক ফার্মে কাজ করছিলেন। এখন পর্যন্ত তার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। ‘ইউএই লেবার্স’ নামে এক সংগঠন জানায়, আল রিফা এলাকায় উড়ে যাওয়ার সময় ড্রোনটি লক্ষ করে এটি ধ্বংস করা হয়। তবে এর ধ্বংসাবশেষ পড়ে যাওয়ার ফলে ঘটনাস্থলে একজন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়। সংস্থাটির মতে, আমিরাতের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সফলভাবে ড্রোনটিকে ভূপাতিত করলেও, এর ধ্বংসাবশেষে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। দেশটির সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সঠিক তথ্য পাওয়ার জন্য তারা সরকারি তথ্যের ওপরই নির্ভর করছেন। বর্তমানে ঘটনাস্থলে জরুরি সেবা কর্মীরা উপস্থিত আছেন।

  • ক্রিমিয়ায় রুশ বিমানের বিধ্বস্তে ২৯ আরোহীর সবাই নিহত

    ক্রিমিয়ায় রুশ বিমানের বিধ্বস্তে ২৯ আরোহীর সবাই নিহত

    রাশিয়ার ক্রিমিয়ায় একটি সামরিক পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ২৯ জন নিহত হয়েছেন। বুধবার (১ এপ্রিল) সকালে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। বার্তাসংস্থা তাস নিউজ জানিয়েছে, বিমানটি কৃষ্ণ সাগরের কাছাকাছি ক্রিমিয়ার একটি পাহাড়ের চূড়ায় বিধ্বস্ত হয়। বিমানটিতে থাকা ছয়জন ক্রু ও ২৩ জন সাধারণ যাত্রী 모두 মারা গেছেন।

    রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, “মস্কোর সময় অনুযায়ী ৩১ মার্চ রাত ৮টার দিকে একটি এএন-২৬ সামরিক পরিবহন বিমান রাডার থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়। বিমানটি ক্রিমিয়ায় একটি পূর্বনির্ধারিত ফ্লাইটে ছিল।” তারা আরও জানিয়েছে, এই মুহূর্তে বিমানটিতে মোট কতজন যাত্রী ছিলেন তা স্পষ্ট করে বলা হয়নি, তবে কেউ বেঁচে থাকার খবর তারা দেননি।

    প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণেই বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এএন-২৬ সামরিক পরিবহন বিমানটি ১৯৬০ এর দশক থেকে চালু হয়েছে এবং মূলত মালবহন ও জরুরি কাজে ব্যবহৃত হয়। এ মডেলের আরও বেশ কিছু বিমান এর আগে বিভিন্ন দুর্ঘটনায় বিধ্বস্ত হয়েছে।

    ২০২২ সালে ইউক্রেনের একটি এএন-২৬ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে একজন নিহত হন। এর কিছু আগের বছর, ২০২০ সালে দেশটির আরেকটি এএন-২৬ বিধ্বস্ত হয়, যেখানে ২৬ জন নিহত হন। তবে সেই দুর্ঘটনায় এক যাত্রী অলৌকিকভাবে বেঁচে যান।

    অন্যদিকে, দক্ষিণ সুদানে রুশ সেনাবাহিনীর আরেকটি এএন-২৬ বিমান বিধ্বস্ত হয় এবং এতে আটজন নিহত হন, যার মধ্যে পাঁচজন রুশ নাগরিক। তদ্ব্যতীত, ২০১৭ সালে আইভরি কোস্টে একই মডেলের আরেকটি বিমান বিধ্বস্ত হয়, যেখানে ১০ জনের মৃত্যু হয়।

    উপরের এসব ঘটনা থেকে বোঝা যায়, এই ধরনের বিমান দুর্ঘটনাগুলো প্রায়ই ঘটে এবং এর পেছনে নানা কারণ থাকতে পারে।

  • ৩১ দিন ধরে বন্ধ আল-আকসা, ৮ দেশের কঠোর প্রতিক্রিয়া

    ৩১ দিন ধরে বন্ধ আল-আকসা, ৮ দেশের কঠোর প্রতিক্রিয়া

    আল-আকসা সহ অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের পবিত্র উপাসনালয়গুলোতে ইসরায়েলি বিধিনিষেধের কারণে বিশ্ববিখ্যাত মুসলিম দেশগুলো—সৌদি আরব, তুরস্কসহ মোট আটটি মুসলিম দেশ—তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। সোমবার এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এই পরিস্থিতির নিন্দা প্রকাশ করে।

    বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয়, পূর্ব জেরুজালেমে মুসলিম ও খ্রিস্টানদের উপাসনালয়ে ইসরায়েলের প্রয়োগ করা নিষেধাজ্ঞা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা হচ্ছে। তুরস্ক, মিশর, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এই অবস্থানের বিস্তারিত নিশ্চিত করে বলেন, এই ধরনের পদক্ষেপ ধর্মীয় স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ণ করছে এবং অঞ্চলটির স্থিতিশীলতাকে গুরুতর ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।

    বিশেষ করে তারা উল্লেখ করে, টানা ৩১ দিন ধরে মুসল্লিদের জন্য বন্ধ রয়েছে আল আকসা মসজিদের গেটগুলো, যা সম্পূর্ণভাবে অবিচার ও অমান্য। তারা জানায়, ১৪৪ একর বিস্তৃত এই পবিত্র স্থানটি শুধু মুসলমানদেরই ইবাদতের স্থান। এ বিষয়ে তারা জোর দিয়ে বলে থাকেন যে, জর্ডানের আওকাফ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত ‘জেরুজালেম আওকাফ ও আল-আকসাবিষয়ক বিভাগ’ এই স্থানের একমাত্র বৈধ কর্তৃপক্ষ।

    বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ইসরায়েলের বর্তমান কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ও ঐতিহাসিক চুক্তিসমূহের স্পষ্ট লঙ্ঘন। এই স্থানগুলোতে অবাধ প্রবেশাধিকার প্রত্যেক মানুষের মৌলিক অধিকার, যা এই নিষেধাজ্ঞাগুলোর মাধ্যমে ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।

    খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চার্চ—‘চার্চ অব দ্য হোলি সেপালকার’—এ প্রবেশের ক্ষেত্রে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে কঠোর সমালোচনা করা হয় বিবৃতিতে। তারা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানায়, জেরুজালেমে অবস্থিত মুসলিম ও খ্রিস্টান পবিত্র স্থানগুলোর প্রতি ইসরায়েলের চলমান অবৈধ কার্যকলাপ বন্ধ করতে ও এর মর্যাদা রক্ষা করতে কঠোর উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ গ্রহণের।

    সূত্র: ওয়াফা নিউজ এজেন্সি।

  • খুলনা চেম্বারের নির্বাচনের জন্য ভোট পরিচালনা বোর্ড গঠন

    খুলনা চেম্বারের নির্বাচনের জন্য ভোট পরিচালনা বোর্ড গঠন

    খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির আসন্ন দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সফলভাবে পরিচালনার জন্য একটি নির্বাচন বোর্ড এবং নির্বাচন আপীল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এই বোর্ডগুলো নির্বাচনী তফশীল প্রণয়ন এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম সম্পন্ন করবে। মঙ্গলবার খুলনা চেম্বারের প্রশাসক বিকন কুমার মন্ডল এই বিষয়ে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন।

    নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান হচ্ছেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয় খুলনার উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার) মোঃ আরিফুল ইসলাম। বোর্ডের সদস্যরা হলেন সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইমরান হাসান এবং সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (আইসিটি) রিজওয়া নুর রশিদ।

    অন্যদিকে, নির্বাচন আপীল বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ সোহেল সামাদ। বোর্ডের সদস্যরা হলেন এড. মোঃ মাছুম বিল্লাহ্ এবং সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (সাধারণ শাখা) নাফিস আল মাহদী। এই পদক্ষেপটি নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষ করার লক্ষ্য নিয়ে নেওয়া হয়েছে।

  • প্রতিটি শিশুর সুস্থ ও স্বাভাবিক বিকাশের জন্য পুষ্টির বিকল্প নেই: কেসিসি প্রশাসক

    প্রতিটি শিশুর সুস্থ ও স্বাভাবিক বিকাশের জন্য পুষ্টির বিকল্প নেই: কেসিসি প্রশাসক

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, দেশের প্রতিটি শিশুর সুস্থ ও স্বাভাবিক বিকাশ নিশ্চিত করতে পুষ্টির কোনো বিকল্প নেই। এজন্য প্রতিটি শিশুর জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। গতকাল মঙ্গলবার সকালে নগরীর ১৬নং ওয়ার্ড কার্যালয় অডিটরিয়ামে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে পুষ্টি সহায়তা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এই কথা বলেন। এই পুষ্টি সহায়তা নগরীর কেসিসি’র তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ‘লাইভলীহুড পোর্ট ফর আরবান পুওর কমিউনিটিস ইন বাংলাদেশ (সিআইডিসিএ)’ প্রকল্পের আওতায় দেওয়া হচ্ছে।

    প্রকল্পের অংশ হিসেবে নগরীর ১৬টি ওয়ার্ডের ১৮টি সিডিসিতে পুষ্টি সহায়তা কার্যক্রম চালানো হবে। এ ছাড়াও শিক্ষা ও ব্যবসায় সহযোগিতা, দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ, কিশোরীদের জন্য হাইজিন কিট, অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র, সোলার লাইটের স্থাপন ইত্যাদি বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৮৩৪ জন সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে এই প্রকল্পের আওতায় পুষ্টি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ২১০ জন কিশোরীকে হাইজিন কিট ও ৮৩৪ জন শিক্ষার্থীকে শিক্ষাগত সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

    দক্ষতা উন্নয়নের অংশ হিসেবে ৪৪ জন বেকার মেয়েকে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ এবং ৫৩ জন বিধবা/স্বামীপরিত্যক্ত মহিলাকে সেলাই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বনির্দেশের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা বা যেখানে অগ্নিকাণ্ডের আশঙ্কা রয়েছে, সেখানে সোলার লাইট স্থাপন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    কেসিসি’র প্রশাসক আরো বলেন, সুবিধাবঞ্চিত নারীদের সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পরিবার কার্ড চালু করা হয়েছে। ইতোমধ্যে নগরীর একটি ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে সব ওয়ার্ডে এটি ব্যাপকভাবে বাস্তবায়িত হবে। এর ফলে নারীরা একটু হলেও স্বস্তি পাবেন বলে তিনি গুরুত্ব দিয়ে উল্লেখ করেন।

    অনুষ্ঠানে ১৬নং ওয়ার্ডের প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা ও চীফ প্লানিং অফিসার আবির-উল-জব্বার সভাপতিত্ব করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগরীর প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, কেসিসি’র প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোল্লা মারুফ রশীদ, সমাজসেবক আসাদুজ্জামান মুরাদসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ। পরবর্তী সময়ে কেসিসি প্রশাসক দরিদ্র পরিবারের মাঝে পুষ্টি সামগ্রী বিতরণ করেন। এই উদ্যোগ নগরীর দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পুষ্টি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন। এরপর তিনি রাজবাঁধ ট্রেন্সিং গ্রাউন্ডের বর্তমান পরিস্থিতি এবং সেখানে নির্মাণাধীন ক্লিনিক্যাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্লান্টের উন্নয়নের অগ্রগতি সরেজমিন পরিদর্শন করেন।

  • চরমোনাই মাহফিলের তিন দিনব্যাপী বার্ষিক অনুষ্ঠান শুরু, শনিবার আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে

    চরমোনাই মাহফিলের তিন দিনব্যাপী বার্ষিক অনুষ্ঠান শুরু, শনিবার আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে

    বিশিষ্ট ঐতিহ্যবাহী চরমোনাই মাহফিলের তিন দিনব্যাপী বার্ষিক অনুষ্ঠান আজ বুধবার থেকে বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর তীরে শুরু হয়েছে। এই সংগঠিত ও অর্গানাইজড তাসাউফ ও সমাজ শুদ্ধির মাহফিলটি চরমোনাই ময়দানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা দেশের বিভিন্ন আলেম ও উলামারা, মওলানা, ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের অংশগ্রহণে উৎসবের রূপ নিয়েছে। সাধারণত প্রতি বছর অগ্রহায়ণ ও ফাল্গুন মাসে এই শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হলেও, এই বছর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও রমজান মাসের কারণে তা চৈত্র মাসে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

    বুধবার জোহরের নামাজের পর বাংলাদেশের মুজাহিদ কমিটির প্রধান আমীরুল মুজাহিদিন মুফতি ও চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের উদ্বোধনী ভাষণ দিয়ে মাহফিলের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির সূচনা হয়। তিন দিনব্যাপী এই মাহফিলে প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় মোট সাতটি প্রধান বক্তৃতা বা বয়ান অনুষ্ঠিত হবে। উদ্বোধনী ও সমাপনী বয়ানসহ মোট পাঁচটি বক্তৃতা পেশ করেন পীর সাহেব চরমোনাই। এর পাশাপাশি তিনটি বয়ান দেন বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটির নায়েবে আমীর মুফতি ও শায়খে চরমোনাই সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম।

    এছাড়াও, দেশের শীর্ষস্থানীয় উলামায়ে কেরাম বিভিন্ন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান পরিবেশন করবেন। এই মাহফিলের আয়োজন ও পরিচালনা করে চরমোনাই জামেয়া রশিদিয়া আহসানাবাদ, যা বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটির মাধ্যমে পরিচালিত।

    ১৯৮৭ সালে, এই মাহফিলের সূচনা শতাব্দীর ৩০-এর দশকে হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি দেশের অন্যতম আধ্যাত্মিক ধারায় রূপান্তরিত হয়েছে। এই ধারার প্রধান নেতাদের মধ্যে অন্যতম শাইখে চরমোনাই মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মাদ ফজলুল করীম রাহিমাহুল্লাহ। তিনি ১৯৮৭ সালে ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন নামে রাজনৈতিক আন্দোলন শুরু করেন, যা বর্তমানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নামে পরিচিত। এই মাহফিল ও ধারার শক্তিশালী অবস্থান বাংলাদেশের আধ্যাত্মিকতা ও রাজনীতিতে অবদান রাখছে।

    মাহফিলে আগত মুসল্লিদের জন্য চারটি সুবিশাল মাঠ প্রস্তুত করা হয়েছে। সেখানে আলো, শব্দ ও পরিবেশের ব্যাপক ব্যবস্থা রয়েছে। অজু, গোসল ও ইস্তেঞ্জার জন্য পর্যাপ্ত সুবিধা দেওয়া হয়েছে। সহস্রাধিক স্বেচ্ছাসেবক আলাদা করে সেবা ও শৃঙ্খলার দায়িত্ব সামলাবেন। জরুরি চিকিৎসার জন্য ১০০ শয্যার হাসপাতাল প্রস্তুত, যেখানে দেশের শীর্ষ চিকিৎসকগণ সেবা প্রদান করবেন। রোগীদের দ্রুত স্থানান্তরসহ, দুইটি ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স ও মোট পাঁচটি অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য পুলিশ-আনসার বাহিনী ও স্বচেতন নিরাপত্তা কর্মীরা নিয়োজিত থাকবেন। এছাড়াও, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সর্বদা সতর্ক থাকবেন।

    এই মাহফিলের সমাপ্তি অনুষ্ঠিত হবে শনিবার ভোরে, আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে।

    খুলনা থেকে মুসল্লিদের উপস্থিতির আহবান জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা জেলা শাখার নেতারা, যেমন—মাওলানা আব্দুল্লাহ ইমরান, হাফেজ আসাদুল্লাহ গালিব, মাওলানা আবু সাঈদ, এস এম রেজাউল করিম সরদার ও অন্যান্য স্বনামধন্য নেতারা। তারা সবাই আশা প্রকাশ করেন যে, বৃহৎ এ ধর্মীয় সমাবেশে সকলে অংশগ্রহণ করে দেশের ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিকতার পাশে থাকবেন।