Blog

  • ফখরুলের মত, ধর্মের নামে বিভাজন সৃষ্টি করতে চায় কি দলের কেউ?

    ফখরুলের মত, ধর্মের নামে বিভাজন সৃষ্টি করতে চায় কি দলের কেউ?

    বাংলাদেশে বড় ধরনের বিভাজনের পথ তৈরি করার চেষ্টার অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, একটি গোষ্ঠী বা মহল ধর্মের নাম করে দেশের মধ্যে বিভাজন তৈরি করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। রোববার (৭ নভেম্বর) রাজধানীর খামারবাড়িতে বিএনপির ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক গুরুত্বপূর্ণ এক কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

    ফখরুল অভিযোগ করেন, গত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগ দুঃশাসন ও বর্বর আচরণের মাধ্যমে দেশের সব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে ফেলেছে। এই পরিস্থিতিতে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনতে নতুন করে সব প্রতিষ্ঠানকে গঠন ও পুনর্বহাল করতে জরুরি হয়ে পড়েছে।

    মির্জা ফখরুল উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মানুষ সব সময় ধর্মভীরু। আমরা অবশ্যই ধর্মকে মানি, কিন্তু ধর্মের নামে মানুষের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করা আমাদের জন্য গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মূল ভিত্তি ছিল সবার জন্য স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

    বিএনপিকে এগিয়ে নিতে বাধা দেয়ার অপপ্রয়াসের বিরুদ্ধে তিনি দৃঢ়ভাবে বলছেন, সব অপপ্রয়াস পরাজিত করে আমাদের দল ও দেশের জন্য কাজ চালিয়ে যেতে হবে।

    তরুণ সমাজের মনোভাব পরিবর্তনের বিষয়ে ফখরুল মন্তব্য করেন, সবাই পরিবর্তন চায়। নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন এখন অনেকের মধ্যে। পুরনো রাষ্ট্রীয় কাঠামো আর টেকসই নয়, তাই আমাদের ভাবনায় পরিবর্তন আনা আবশ্যক। তিনি নিজ দলকে নতুন চিন্তাধারায় গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

    ছাত্রদলের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচিকে গ্রাম ও শহরে ব্যাপকভাবে পৌঁছে দিতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র দলের সংগঠন আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন। উল্লেখ করেন, শিক্ষাখাতে তাদের উপস্থিতি ও কার্যক্রম আরও বৃদ্ধি দরকার, যাতে বিগত নির্বাচনে ফলপ্রসূ ফল পাওয়া যায়।

    খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন তিনি। বলেন, তার চিকিৎসার জন্য সব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তারেক রহমান নিজে তার চিকিৎসা তদারকি করছেন। দেশের ও দেশের বাইরে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দ্বারা তার যত্ন নেওয়া হচ্ছে। ওইসব দোয়া ও প্রার্থনার মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তা যেন তার সুস্থতা কামনা করেন, সেটাই প্রত্যাশা বিএনপির।

  • ২০ দল নিয়ে নতুন রাজনৈতিক জোটের আত্মপ্রকাশ

    ২০ দল নিয়ে নতুন রাজনৈতিক জোটের আত্মপ্রকাশ

    আজ ৮ ডিসেম্বর, সোমবার, রাজধানীর গুলশানে ইমানুয়েল পার্টি সেন্টারে সম্পন্ন হয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘোষণা। সেখানে ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (জাপা) ও জাতীয় পার্টি (জেপি) একত্রিত হয়ে নতুন একটি জোট, called জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ), এর আত্মপ্রকাশ ঘোষণা করেছেন। এই নতুন জোটে আরও বেশ কিছু রাজনৈতিক দল যুক্ত হয়েছে, যেমন: জনতা পার্টি বাংলাদেশ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, তৃণমূল বিএনপি, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, জাতীয় ইসলামিক মহাজোট, জাতীয় সংস্কার জোট, বাংলাদেশ লেবার পার্টি, স্বাধীন পার্টি, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টি, বাংলাদেশ মানবাধিকার পার্টি, বাংলাদেশ সর্বজনীন দল, বাংলাদেশ জনকল্যাণ পার্টি, অ্যাপ্লায়েড ডেমোক্রেটিক পার্টি, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আন্দোলন, ডেমোক্রেটিক পার্টি এবং বাংলাদেশ জাতীয় লীগ।

  • খালেদা জিয়ার সিটিস্ক্যানের তথ্য ‘অনুমান ভিত্তিক’: বিএনপি মিডিয়া সেল

    খালেদা জিয়ার সিটিস্ক্যানের তথ্য ‘অনুমান ভিত্তিক’: বিএনপি মিডিয়া সেল

    বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা হিসেবে সিটিস্ক্যান করানো হয়েছে—এমন খবর বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। তবে বিএনপি মিডিয়া সেল এ ধরনের খবর প্রকাশের ব্যাপারে সতর্কতা জারি করেছে। রোববার বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, চিকিৎসা সম্পর্কিত কোনো খবর প্রকাশের ক্ষেত্রে দায়বদ্ধতা থাকা জরুরি।

    তিনি আরও বলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও খালেদা জিয়ার চিকিৎসক বোর্ডের প্রধান ডাঃ এ জেড এম জাহিদ হোসেন বহুবার গণমাধ্যমকে অনুরোধ করেছেন, অনুমান বা অসতর্ক তথ্যের ভিত্তিতে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের বিষয়ে সংবাদ না করার জন্য। কারণ, এমন খবর বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে অপ্র_REQUIRED অবস্থা সৃষ্টি করতে পারে।

    শায়রুল কবির খান আরও যোগ করেছেন, মেডিকেল বোর্ডের সরকারি সিদ্ধান্ত বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য ছাড়া এ ধরনের তথ্য প্রচার বা প্রকাশ করা ঠিক হবে না। তিনি সকল সংবাদকর্মী এবং গণমাধ্যমকে পরামর্শ দিয়েছেন, নিশ্চিত ও যাচাই করা তথ্যের ভিত্তিতে খবর প্রকাশ করতে। এটি মাধ্যমে বিভ্রান্তি কমবে এবং সত্যতা নিশ্চিত হবে।

  • জুলাই গণহত্যা: ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে তদন্তের শেষ খবর

    জুলাই গণহত্যা: ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে তদন্তের শেষ খবর

    জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণহত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে আদালত। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও যুবলীগের সভাপতির মতো ৭ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ হয়েছে। আজ সোমবার (৮ ডিসেম্বর), আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এই তথ্য প্রকাশ করে।

    এদিকে, একই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে হত্যা ও গণহত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার时代য়ের সাবেক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীসহ মোট ১৭ জনকে আজ সকালে আদালতে হাজির করা হয়। সকাল সোয়া দশটার দিকে কেরানীগঞ্জ ও কাশিমপুরসহ বিভিন্ন কারাগার থেকে তাদের নিরাপত্তার মধ্যে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। এরপর তাদের একে একে প্রিজনভ্যান থেকে নামিয়ে হাজতখানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

    ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার নেতৃত্বে আজ মামলার অগ্রগতি নিয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

    আসামিরা মধ্যে রয়েছেন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, যেমন— সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, সাবেক কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক নৌমন্ত্রী শাজাহান খান, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাসদ সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রসচিব জাহাঙ্গীর আলম, সাবেক এমপি সোলায়মান সেলিম, ফারুক খান, তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, শেখ হাসিনার সাবেক বেসরকারি শিল্প-বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার।

    প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে সালমান এফ রহমান, আনিসুল হক, হাসানুল হক ইনু ও জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে পৃথক অভিযোগ আনা হয়েছে। ইনুর মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণও চলছে। অন্যদিকে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে গণহত্যার অভিযোগে সজীব ওয়াজেদ জয়সহ পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্রহণ করেছে ট্রাইব্যুনাল-১। গণআন্দোলনের সময় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। কারফিউ চালিয়ে ছাত্র-জনতাকে হত্যার অভিযোগে আনিসুল হক ও সালমানের বিরুদ্ধে অভিযোগও আমলে নেওয়া হয়েছে।

    এর আগে, ১৫ অক্টোবর আলাদা মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ করে ৮ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল-১। প্রসিকিউশনের আবেদনক্রমে সময় চান তারা, তবে নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন দাখিল না করায় নতুন সময় ধার্য করা হয়।

    সকালের দিকে ট্রাইব্যুনাল চত্বরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। প্রবেশের সময় অবশ্য সবাইকে তল্লাশি করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।

    ২০২৩ সালের ২০ এপ্রিল, ১৯ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তদন্তে অতিরিক্ত সময় চেয়ে আবেদন করে প্রসিকিউশন। এভাবেই প্রভাবশালী এই মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও এমপিদের বিরুদ্ধে পৃথক চার্জ দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউশন।

  • নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে বিএনপি নেতা ফজলুর রহমানের ক্ষমা স্বীকার

    নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে বিএনপি নেতা ফজলুর রহমানের ক্ষমা স্বীকার

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কে বিরুপ মন্তব্যেরদ্বারা আদালত অবমাননার অভিযোগে বিএনপি নেতা এবং সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ফজলুর রহমানকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার মাধ্যমে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত আজ সোমবার (৮ ডিসেম্বর) ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল দ্বারা নেওয়া হয়। অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। ফজলুর রহমানের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন এবং ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। প্রতিপক্ষের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। শুনানির শুরুতে তিনি দাঁড়িয়ে ছিলেন এবং পরে আইনজীবীর মাধ্যমে অনুমতি নিয়ে বসেন। একপর্যায়ে টেলিভিশন টকশোতে দেওয়া নিজের মন্তব্যের জন্য ট্রাইব্যুনালের কাছে অনুপমা ও নিঃশর্ত ক্ষমা চান বিএনপি নেতা। একইসঙ্গে তিনি আদালত অবমাননার জন্য ক্ষমা চাইলে, ট্রাইব্যুনাল তাকে কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেন। এদিন সকাল ১১টার দিকে বিএনপির এই নেতা আইনজীবীদের সঙ্গে নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির হন। তার সঙ্গে ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলসহ আরো কয়েকজন আইনজীবী। এর আগে, ৩০ নভেম্বর১৯ অভিযোগের ব্যাখ্যা শুনতে ফজলুর রহমানকে তলব করে ট্রাইব্যুনাল। তিনি সশরীরে হাজির হয়ে লিখিতভাবে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে যান। গত ৩ ডিসেম্বর চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনাল ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের এখতিয়া, আদালতের নিরপেক্ষতা হস্তক্ষেপ এবং প্রশিকিউশনের অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগ তোলে। এসব কারণে ২৬ নভেম্বর প্রথম শুনানি হয়, পরে ৩০ নভেম্বর অবশিষ্ট বিচার কার্যক্রমের সময় তার ব্যাখ্যা শুনতে তলব করা হয়। উল্লেখ্য, ২৩ নভেম্বর বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান টোয়েন্টিফোর টেলিভিশনের ‘মুক্তবাক: রাজনীতির তর্ক-বিতর্ক’ টকশোতে যোগ দিয়ে বক্তব্য দেন। এতে তিনি শেখ হাসিনার রায় প্রসঙ্গে নানা মন্তব্য করেন। ওই টকশোটি ৪৯ মিনিটের, যা পেনড্রাইভের মাধ্যমে ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া হয়। শুনানিতে জানা যায়, তিনি বলেন, আমি প্রথম দিন থেকেই বলছি এই আদালত মানি না। উপস্থাপকরা জিজ্ঞেস করেন, তাহলে কি কোনোভাবেই শুনতে চাইনি? তিনি উত্তর দেন, সবাই জানে, আমি এই আদালত মানি না। আমি বলেছি, আমি এই বিচার ব্যবস্থা মেনে নেই না। তিনি আরও বলেন, আমি বলেছি, এই বিচার শেরপ্রতিবন্ধিত নয়, এই কোর্টের গঠনপ্রক্রিয়া স্বচ্ছ নয়। তিনি অভিযোগ করেন, প্রসিকিউশনের সবাই শিবিরপন্থী। ট্রাইব্যুনাল জানায়, ফজলুর রহমান এসব মন্তব্য করতে গিয়ে বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানার ক্ষতি করেছেন। ট্রাইব্যুনাল তাকে জানায়, তার আসল পরিচয় হলো— তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও আগামী নির্বাচনেও এমপি প্রার্থী। প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, ৩০ নভেম্বর তিনি লিখিতভাবে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন। তবে, বিএনপির এই নেতা জুলাই বিপ্লব নিয়ে মন্তব্য করলে তার সাময়িক বরখাস্তের ঘটনাও ঘটে। প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম জানান, ফজলুর রহমান দাবি করেছেন, তিনি ট্রাইব্যুনালের বিচার মানেন না কারণ এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের বিচারকার্য জন্য গঠিত নয়। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বলেন, ট্রাইব্যুনাল আইন ১৯৭৩ সালে প্রণীত, যা মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করতে সক্ষম। এরপর ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে এসব গুরুতর মন্তব্যের জন্য আজকের শুনানির দিন ধার্য করা হয়। ফজলুর রহমানকে আগামী ৮ ডিসেম্বর সশরীরে হাজির হয়ে তাঁর বক্তব্যের বিষয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • ধর্মের নামে ট্যাবলেট বিক্রি করে প্রতারণা করছে একটি দল: সালাহউদ্দিন

    ধর্মের নামে ট্যাবলেট বিক্রি করে প্রতারণা করছে একটি দল: সালাহউদ্দিন

    বিএনপি দেশের মানুষের কাছে সমর্থন ও ভোট চাচ্ছে, এমন কথা বলেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, জনগণের què চায়, তা আমাদের বুঝতে হবে। আমরা শুধু ধর্মের নামে কিছু বিক্রি করতে চাই না; আমরা চাই জনগণের কল্যাণ এবং অর্থনৈতিক মুক্তি। আমাদের কাছে রয়েছে স্পষ্ট ও নির্মল পরিকল্পনা, যা সমাজের সামনে তুলে ধরব।

    আজ সোমবার (৮ ডিসেম্বর)খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি আরও বলেন, ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের আহ্বান জানাই, তারা যেন বিএনপি ক্ষমতায় গেলে কী কী উন্নতি করতে পারে তা সাধারণ মানুষের কাছে সহজ ভাষায় পৌঁছে দেয়।

    সালাহউদ্দিন বলেন, ‘যারা বিনা কষ্টে জান্নাতে যেতে চায়, তাদের প্রথমে জানা দরকার শহর বা বাসস্টেশন কোথায়। জনগণ এগুলো ভালোভাবেই বোঝে। আবার যারা ধর্মব্যবসায় জড়িত, তারা বলছে, এই মার্কা দিয়ে ভোট দিলে জান্নাত। কিন্তু জীবনে কীভাবে চলবে, তা নয়। এমন দল যারা কোনো নীতির ধার ধারে না, কোনো পরিকল্পনা ছাড়া কেবল ধর্মের নামে ট্যাবলেট বিক্রি করে মানুষকে প্রতারণা করছে, তাদের মুখোশ উন্মোচিত হয়েছে।’

    বাংলাদেশ মানেই বিএনপি, গণতন্ত্রের অপর নাম—এমন বক্তব্য দিয়ে তিনি বলেন, “স্বাধীনতার ঘোষক ছিলেন আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান। ১৯৭৫ সালে সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে তিনি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেন। পরবর্তীতে, ১৯৭৯ সালে চতুর্থ সংশোধনী বাতিল করে পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। দেশের জন্য তিনি জীবন দিয়েছেন। এরপর থেকে অনেক আন্দোলন-সংগ্রাম, নির্যাতন-প্রতিরোধের মাধ্যমে বিএনপি দেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে বিজয়, ১৯৯১ সালে সংসদীয় পদ্ধতি চালু, ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার মতো কাজগুলো বিএনপির শিক্ষনীয় প্রমাণ। এভাবেই বিএনপি দেশের ইতিহাসে এক অবদান রেখে গেছে।

  • নির্বাচনকেন্দ্রিক কর্মসূচি পালনে বাধা নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    নির্বাচনকেন্দ্রিক কর্মসূচি পালনে বাধা নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, কোনো রাজনৈতিক দলের নির্বাচনকেন্দ্রিক কর্মসূচি পালনে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো বাধা নেই। আজ সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথাগুলো জানান।

    তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বিভিন্ন বাহিনীর প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চলমান রয়েছে, যা আগামী জানুয়ারির মধ্যেই শেষ হবে।’ এর মাধ্যমে সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    উল্লেখ্য, নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বডি ক্যামরা ব্যবহার করবে এবং ভোটের দিন প্রত্যেক কেন্দ্রে যেন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় চলছে বলে জানানো হয়।

    অন্যদিকে, রংপুরে মুক্তিযোদ্ধা ও তার স্ত্রীর হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত গ্রেপ্তার করতে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    এছাড়া, লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, ‘প্রতিদিনই বিভিন্ন জেলায় লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারের অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।’ এই সব উদ্যোগের মাধ্যমে সরকার আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

  • বেগম রোকেয়া পদক পাচ্ছেন ৪ নারী বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব

    বেগম রোকেয়া পদক পাচ্ছেন ৪ নারী বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব

    বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫ পাচ্ছেন চারজন বিশিষ্ট নারী যারা নানা পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা পালন করেছেন। তারা হলেন নারী শিক্ষায় গবেষণার জন্য ড. রুভানা রাকিব, নারী অধিকার (শ্রম অধিকার) ক্ষেত্রে কল্পনা আক্তার, মানবাধিকার আন্দোলনে ড. নাবিলা ইদ্রিস এবং নারী জাগরণের মাধ্যমে ক্রীড়া ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখার জন্য রিতু পর্ণা চাকমা।

    এই চারজন ব্যক্তি নারীর শিক্ষা, শ্রম অধিকার, মানবাধিকার ও নারী জাগরণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে দেশের নারীবাদী আন্দোলন ও সমাজে গর্বের স্থান তৈরি করেছেন। এই স্বীকৃতি হিসেবে তাদেরকে ‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫’ প্রদান করার জন্য মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সর্বসম্মতিক্রমে মনোনয়ন সুপারিশ করেছে।

    সূত্রের তথ্যে জানা গেছে, গত ২৭ নভেম্বর বিকেলে ও ৭ ডিসেম্বর দুপুরে অনুষ্ঠিত জাতীয় পুরস্কার সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বর্ধিত সভায় এই সুপারিশ অনুমোদিত হয়। পরে প্রধান উপদেষ্টার কাছে এই সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন পাঠানো হয়, তিনি সেটি অনুমোদন করেছেন। এখন চূড়ান্ত পদক্ষেপ হিসেবে প্রজ্ঞাপন জারির অপেক্ষায় রয়েছে।

  • রাতের অন্ধকারে মুক্তিযোদ্ধা ও স্ত্রীর হত্যা: শোবার ঘরে পড়ে ছিল মরদেহ

    রাতের অন্ধকারে মুক্তিযোদ্ধা ও স্ত্রীর হত্যা: শোবার ঘরে পড়ে ছিল মরদেহ

    রংপুরের তারাগঞ্জে এক মুক্তিযোদ্ধা ও তার স্ত্রীর নির্মম হত্যা ঘটনা ঘটেছে। শনিবার দিবাগত রাতে কুর্শা ইউনিয়নের উত্তর রহিমাপুর এলাকায় তাদের নিজের বাড়িতেই এই জঘন্য ঘটনা সংঘটিত হয়। নিহতরা হচ্ছেন মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায় (৭৫) এবং তার স্ত্রী সুর্বণা রায় (৬০)।

    পরের দিন রবিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে প্রতিবেশীরা ডাকাডাকি করলেও কেউ সাড়া না পেয়ে বাড়ির পাশে মোড়লিপাড়া থেকে মই ব্যবহার করে ভেতরে প্রবেশ করেন। দরজা খুলে দেখা যায়, ডাইনিং রুমে যোগেশ চন্দ্র রায়ের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে আছে, আর রান্নাঘরে সুর্বণা রায়ের মৃতদেহ। পরিস্থিতি দেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

    অভিজ্ঞ প্রতিবেশী দীপক চন্দ্র রায় বলেন, তার পরিবার দীর্ঘদিন থেকে ওই বাড়ির দেখাশোনা করে আসছে। তিনি সকালে সেখানে যান এবং ঘর থেকে কেউ না বের হওয়ায় তার সন্দেহ হয়। এরপর তারা আশপাশের লোকজনের সহায়তায় ঘরে প্রবেশ করেন এবং দেখেন, দাদা রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকছেন, আর রান্নাঘরে দিদির দেহ।

    স্থানীয় বাসিন্দা ও জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, নিহত যোগেশ চন্দ্র রায় একজন শিক্ষক ছিলেন। তিনি ২০১৭ সালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে অবসর নিয়েছেন। তার দুই ছেলে— বড় ছেলে শোভেন চন্দ্র রায় জয়পুরহাটে এবং ছোট ছেলে রাজেশ খান্না চন্দ্র রায় ঢাকায় পুলিশে কর্মরত। স্বামী-স্ত্রীর এই জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, ঘটনাটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় আশপাশের সকলের মাঝে শোকের স্তবক পড়েছে। পুলিশ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোনাব্বর হোসেন ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলী হোসেন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

    মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলী হোসেন বলেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে, অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হবে।

    তারা আরও জানান, প্রথম ধারণা অনুযায়ী, দুজনেরই মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। পুরো ঘটনাটির রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে।

  • শেখ হাসিনার গুমে সরাসরি নির্দেশ ছিল: ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটর

    শেখ হাসিনার গুমে সরাসরি নির্দেশ ছিল: ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটর

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ রোববার (৭ ডিসেম্বর) জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল (জেআইসি) বা আয়নাঘরে গুম ও নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযোগ গঠন সংক্রান্ত শুনানি শুরু হয়েছে। এই মামলার চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালের কাছে অভিযোগ গঠনের আবেদন জানান। তিনি উল্লেখ করেন, এসব হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের পেছনে সরাসরি নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তা বাস্তবায়ন করতেন তারিক সিদ্দিকী।

    দুপুর ১২টার পর ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যের প্যানেল এই শুনানি শুরু করে। ট্রাইব্যুনালের অন্যান্য সদস্যরা হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি পরিচালনা করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। এই মামলায় এখন পর্যন্ত তিন সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তারা হলেন- ডি.জে.এফ.আই. এর সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী। সকালে ঢাকা সেনানিবাসের বিশেষ কারাগার থেকে কঠোর নিরাপত্তায় তাদের আদালতে হাজির করা হয়।

    অন্যদিকে, পলাতক থাকা আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- শেখ হাসিনার সাবেক প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, ডিজিএফআই এর সাবেক মহাপরিচালক লে. জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আকবর হোসেন, সাবেক ডিজি মেজর জেনারেল (অব.) সাইফুল আবেদিন, লে. জেনারেল (অব.) মো. সাইফুল আলম, সাবেক ডিজি লে. জেনারেল তাবরেজ শামস চৌধুরী, সাবেক ডিজি মেজর জেনারেল (অব.) হামিদুল হক, মেজর জেনারেল তৌহিদুল ইসলাম, মেজর জেনারেল কবির আহাম্মদ ও লে. কর্নেল (অব.) মখসুরুল হক।

    গত ২৩ নভেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের জন্য শুনানির দিন ধার্য রাখা হয়। পলাতকদের পক্ষে ট্রাইব্যুনাল স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ করেন। শেখ হাসিনার আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেডআই খান পান্না। তবে শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি ৩ ডিসেম্বর দায়িত্ব প্রত্যাহার করে নিলে, মো. আমির হোসেনকে নতুন আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

    উল্লেখ্য, গত ৮ অক্টোবর প্রসিকিউশন ১৩ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেয়। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। এ ছাড়াও ট্রাইব্যুনাল পলাতক আসামিদের জন্য সাত দিনের মধ্যে দুটি জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আদেশ দিয়েছে।