দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলার পর বিস্ফোরণে আরও দুই ইন্দোনেশীয় শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনা ঘটে সোমবার। এর একদিন আগে পৃথক এক বিস্ফোরণে নিহত হন আরও এক ইন্দোনেশীয় শান্তিরক্ষী। ফলে এ পর্যন্ত তাদের মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিনে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েল ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া যুদ্ধের মধ্যে এটাই প্রথম প্রাণহানির ঘটনা। জাতিসংঘের একজন মুখপাত্র জানিয়েছিলেন, সোমবারের ঘটনায় দক্ষিণ লেবাননের বানি হাইয়ান এলাকায় একটি গাড়ি বিস্ফোরণে ধ্বংস হয়ে যায়। এই হামলায় দুই শান্তিরক্ষী নিহত এবং আরও দুজন আহত হয়েছেন। সামরিক সূত্র মতে, স্থানীয় সময় সকাল ১১টার কাছাকাছি সময়ে ওই ঘটনায় এক লজিস্টিক বহরের গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। বোঝা যায়, গাড়ির প্রথম অংশ মোড় নেয়ার সময় সেটি বিস্ফোরণের শিকার হয়, যার ফলে গাড়িতে থাকা সেনারা হতাহত হন। এই বহরটি মূলত সরঞ্জাম সরবরাহের পাশাপাশি গত রোববার নিহত শান্তিরক্ষীদের লাশ পরিবহনের দায়িত্বে ছিল। সোমবার নিহত দুই সেনা সদস্য হলেন- ক্যাপ্টেন জুলমি আদিত্য ইস্কান্দার, যিনি কোম্পানি কমান্ডার ও ইন্দোনেশীয় সেনাবাহিনীর বিশেষ বাহিনীর সদস্য, এবং ফার্স্ট সার্জেন্ট ইখওয়ান। আরও জানা যায়, গত রোববারই নিহত ছিলেন ২৮ বছর বয়সী ফাহরিজাল রোমাধোন। এর আগে রোববারই ইন্দোনেশিয়া তাদের শান্তিরক্ষী শিবিরের কাছে গোলাবর্ষণের নিন্দা জানায়। দক্ষিণ লেবাননের আদচিত আল-কুসাইর এলাকার নিকটবর্তী জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের ঘাঁটির আশপাশে এই হামলায় তিন ইন্দোনেশীয় সেনা আহত হন। ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, শান্তিরক্ষীদের লক্ষ্য করে কোনও হামলা ‘অগ্রহণযোগ্য’ এবং এ ধরনের ঘটনা শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করার প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করে। সূত্র: সিএনএ, আল জাজিরা।
