Blog

  • কৃষ্ণ নন্দীঃ জামায়াতে যোগ দেয়ায় ভারত থেকে প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছি

    কৃষ্ণ নন্দীঃ জামায়াতে যোগ দেয়ায় ভারত থেকে প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছি

    খুলনা থেকে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীনের প্রার্থী ও হিন্দু শাখার নেতা কৃষ্ণ নন্দী। তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাদেশে এক বৈচিত্র্যময় ধর্মীয় পরিবেশ থাকা সত্ত্বেও, তাকে হিন্দু হয়েও জামায়াতে ইসলামীতে যোগদানের জন্য প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হচ্ছে।

    আজ বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) খুলনা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কৃষ্ণ নন্দী আরও জানান, ভারতের একটি সংগঠিত চক্র থেকে তার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে বারবার ফোন করে হুমকি দেয়া হচ্ছে এবং তাকে জোরপূর্বক প্রশ্ন করে কেন তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, ওই ব্যক্তি অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করেছেন এবং জীবননাশের হুমকি দিয়েছেন। পাশাপাশি ধর্মীয় অনুভূতিকে উসকে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন।

    কৃষ্ণ নন্দী বলেন, তার জনপ্রিয়তা ও মনোনয়ন পাওয়ায় ঈর্ষান্বিত এক মহল এই ষড়যন্ত্র করছে। তারা ভুয়া ছবি ও তথ্য ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে, যা সবই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি আরও জানান, ১ ডিসেম্বর খুলনা বিভাগের আট দলের সম্মেলনে জামায়াতের নেতা ড. শফিকুর রহমান তাকে দাকোপ-বটিয়াঘাটা আসনে মনোনয়ন দিলে থেকে এই অন্যায় অপপ্রচারের শিকার হচ্ছেন। তিনি স্পষ্ট ঘোষণা করেন, জামায়াত সব ধর্ম-বর্ণের নাগরিকদের সমান মূল্য দিচ্ছে, তাই তিনি নিজেও সমস্ত সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করে জনগণের কল্যাণে কাজ করতে চান।

    সংগঠিত ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা চালানো হচ্ছে দাবি করে কৃষ্ণ নন্দী বলেন, তার মনোনয়ন ঘোষণা হওয়া এবং জনসমর্থন বাড়ার পর থেকেই এসব অপপ্রচার শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, “আমি কেবল একজন স্বচ্ছ ও যোগ্য প্রার্থী, আমার উদ্দেশ্য অন্য কিছু নয়, আমি হিন্দুদের প্রতিনিধিত্ব করতে চাই যাতে তারা বাংলাদেশে নিরাপদে ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন কাটাতে পারে।”

    প্রাক্তন প্রার্থী মাওলানা শেখ মোহাম্মদ আবু ইউসুফের সঙ্গে বিরোধের গুঞ্জন সম্পর্কে তিনি বলেন, মনোনয়ন পরিবর্তনের পরও তিনি আমার পূর্ণ সমর্থন দিয়েছেন। আমরা একসঙ্গে মাঠে কাজ করছি এবং এ বিষয়ে কোনো ভুল বোঝাবুঝি নেই।

    শেষে, কৃষ্ণ নন্দী ব্যক্ত করেন যে, তিনি আসন্ন নির্বাচনে জয়লাভ করে দাকোপ-বটিয়াঘাটা এলাকীর মানুষদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে উপস্থিত থাকবেন এবং তাদের কল্যাণে কাজ করতে চান। তিনি সকলের দোয়া ও সহযোগিতার জন্য আহ্বান জানান।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বটিয়াঘাটা উপজেলা আমির মাওলানা শেখ মোহাম্মদ আবু ইউসুফ, নায়েবে আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান, অন্যান্য নেতা নেত্রীরা, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের খুলনা জেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারি আল আমিন গোলদার, ডুমুরিয়া উপজেলা সনাতনী কমিটির সভাপতি হরিদাস মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক দেবপ্রসাদ মন্ডল, এবং ঢাকা থেকে আসা বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।

  • মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে আসিনি, ভোটের জন্য নয়: রকিবুল ইসলাম বকুল

    মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে আসিনি, ভোটের জন্য নয়: রকিবুল ইসলাম বকুল

    বিএনপি’র চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে নগরীর দৌলতপুরে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভার অনুষ্ঠান শুরু হয়। এই মাধ্যমে সবাই খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য ও সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করেন এবং আগের মতো জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে তার নেতৃত্ব ধরে রাখতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। এরপর প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় বিএনপি’র ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, “আমি ভোট চাইতে আসিনি, আসছি আপনাদের সন্তান হিসেবে কুশল জানাতে। সুখে-দুঃখে পাশে থাকার শপথ নিয়েছি। আল্লাহ তাকে দ্রুত সুস্থ করে দিলে আমি খুলনার মানুষের ভাগ্য বদলে দেব ইনশাআল্লাহ।”

    গতকাল বুধবার দুপুরে দৌলতপুর, কেডিএ ও কৃষি কলেজ এলাকার বাসিন্দাদের সাথে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। বক্তৃতায় বকুল বলেন, খুলনা নগরীর প্রাণচঞ্চল শিল্পাঞ্চল আজকে এক অচেনা মরুভূমিতে রূপ নিয়েছে। বহু জুট মিল ও কল-কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে, এর ফলে হাজার হাজার শ্রমিক কাজ হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তিনি বলেন, এই এলাকার সন্তান হিসেবে আমি এই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে এবং খুলনার মানুষের জন্য নতুন স্বপ্ন দেখাতে দৃঢ় অঙ্গীকার করছি।

    বকুল আরও বলেন, “খুলনার শ্রমজীবী মানুষ এখন অবহেলিত। খালিশপুরের মতো শিল্প এলাকা আজ মৃত্যুঝড়ে পড়ে গেছে। এখানকার শ্রমিকরা এখন রিকশা চালাচ্ছেন বা অন্য কোনও দিনমজুরের পেছনে পড়ে আছেন। বিগত সরকার পরিকল্পনামাফিক ২৬টি জুট মিল বন্ধ করে দিয়েছে।” তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, যদি বিএনপি সরকার গড়তে পারে, তাহলে ব্যবসায়ী মহলে বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি করা হবে এবং বন্ধ হওয়া কল-কারখানা ও জুট মিলগুলো পুনরায় চালু করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন ইসরাফিল সর্দার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সভাপতি শফিকুল আলম মনা, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, দৌলতপুর থানা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মতলেবুর রহমান মিতু, আখুঞ্জি হারুন অর রশিদ, মোঃ শহিদুল ইসলাম, বিজেএন নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান খন্দকার আলমগীর কবির, জেলা ট্রাক, লরি ও ভ্যান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ অহিদুল ইসলামসহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও সমাজের বিশিষ্টজনরা।

    সভায় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ ব্যাপক উপস্থিতি ঘোষণা করে এলাকাজুড়ে নির্বাচনী উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

  • আসছে নতুন ৫০০ টাকার নোট আবহাওয়া বদলে দিচ্ছে নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যসমৃদ্ধ ডিজাইন

    আসছে নতুন ৫০০ টাকার নোট আবহাওয়া বদলে দিচ্ছে নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যসমৃদ্ধ ডিজাইন

    আগামীকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের বাজারে নতুন নকশার ৫০০ টাকার নোট ইস্যু করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই নতুন নোটটি প্রথম মুক্তি দেওয়া হবে মতিঝিল অফিস থেকে, এবং পরবর্তীতে অন্যান্য অফিসের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের হাতে পৌঁছাবে। বাংলাদেশ ব্যাংক মঙ্গলবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    নতুন ৫০০ টাকার নোটের ডিজাইনে রয়েছে বিশেষ বৈশিষ্ট্য, যা এর সৌন্দর্য্য এবং নিরাপত্তা দুইই বাড়িয়ে দেয়। এর সামনের দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এবং মাঝে বাংলার জনপ্রিয় ফুল শাপলার ছবি রয়েছে। পাশাপাশি, নোটের পেছনে প্রতীকীভাবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ছবি স্থান পেয়েছে। নোটের সবুজ রঙের আধিক্য দেখে মনোযোগ আকর্ষণ করে, যা বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও গৌরবে দারুণভাবে উপস্থাপিত।

    নোটের মাঝে রাখা হয়েছে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখের জলছাপ, যা নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এর নিচে ইলেকট্রো টাইপে লেখা ‘৫০০’ এবং বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মনোগ্রাম রয়েছে। এটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যেন দেখলে মনে হয় গভীর দৃষ্টিতে বোঝা যায়।

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এ নোটের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ‘বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও প্রতœতাত্ত্বিক স্থাপত্য’ বিষয়ক সিরিজের অংশ হিসেবে। এই সিরিজের আওতায় আগামীতে আরও ১০০০, ৫০০, ২০০, ১০০, ৫০, ২০, ১০, ৫ ও ২ টাকার নোট বাজারে আসছে। ইতিমধ্যে ১০০০, ১০০, ৫০ ও ২০ টাকার নোট চালু হয়েছে। এখন আসছে ৫০০ টাকার নতুন নোট।

    নতুন এই নোটে নিরাপত্তার জন্য দশ ধরনের বিশেষ বৈশিষ্ট্য যোগ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রঙ পরিবর্তনশীল কালি, যা নোট নাড়ালে ডান পাশে ‘৫০০’ লেখা সবুজ থেকে নীল রঙে বদলে যায়। এছাড়াও, লাল ও স্বর্ণালী রঙের পেঁচানো নিরাপত্তা সূতা রয়েছে, যা আলোতে ধরলে ‘৫০০ টাকা’ লেখা দেখা যায়।

    অতিরিক্ত, দৃষ্টিহীন মানুষের জন্য নোটের ডান দিকের নিচে পাঁচটি উঁচু বৃত্ত রাখা হয়েছে। শহীদ মিনার, মূল্যমানসহ গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো স্পর্শে উঁচু মনে হবে, যা দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য সহায়ক। নোটের কিছু অংশ গোপনে ‘৫০০’ লেখা রয়েছে, যা নির্দিষ্ট কোণে দেখা যায়। কাগজে লাল, নীল এবং সবুজ তন্তু যোগ করা হয়েছে, যা বিশেষ আলোতে আলাদা রঙে উজ্জ্বল হয়।

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নতুন ৫০০ টাকার নোট চালু হলেও পুরনো কাগজের নোট ও কয়েনগুলো এখনো প্রচলিত থাকবে। পাশাপাশি, মুদ্রা সংগ্রাহকদের জন্য বিশেষ ধরনের নমুনা (অবিনিময়যোগ্য) ৫০০ টাকার নোট তৈরি হয়েছে, যা টাকা জাদুঘর ও মিরপুরে নির্ধারিত মূল্যে সংগ্রহ করা যাবে।

  • রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ কমানোর জন্য নতুন উদ্যোগ

    রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ কমানোর জন্য নতুন উদ্যোগ

    বাংলাদেশ ব্যাংক প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ কমানোর জন্য নতুন নীতিমালা ঘোষণা করেছে। এর মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ এই সুযোগের প্রবাহ আরও বৃদ্ধি পাওয়া এবং খরচের হিসেবনিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে, যারা বিদেশে থাকা প্রবাসীদের থেকে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করে, তাদের সব ধরনের লেনদেনের তথ্য দৈনন্দিনভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে পাঠাতে হবে। এর জন্য পৃথক দুটি সিস্টেমের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ডাটা সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হয়েছে যাতে প্রতিদিনের তথ্য ওই দিন বিকেল ১২টার মধ্যে জমা দেওয়া যায়।

    অধিকাংশ রেমিট্যান্সের খরচ বাড়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দেশের ব্যাংক ও এক্সচেঞ্জ হাউসগুলো থেকে আরও বেশি ফি বা চার্জ নেওয়া হচ্ছে, এর পাশাপাশি করও আরোপিত হচ্ছে। ফলে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের উপর খরচ বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে খরচ কমানোর উপায় খুঁজে নেবে।

    সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে, কোনও প্রবাসী বা ব্যাংক রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে যত ধরনের খরচ বা ফি আদায় করছে, তা রেকর্ড করে পরবর্তী দিন দুপুর ১২টার মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে প্রদান করতে হবে। এই তথ্যের মধ্যে থাকবে ব্যাংক বা এক্সচেঞ্জ হাউসের নাম, লেনদেনের উপকরণ, রেমিট্যান্সের পরিমাণ, ফি, ভ্যাট বা কর, বিনিময় হার, এবং অন্যান্য খরচ। এই ডাটা বিশ্লেষণ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সিদ্ধান্ত নেবে কিভাবে প্রবাসীদের রেমিট্যান্সের খরচ কমানো যায়।

    উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশের ব্যাংকগুলো প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অর্থ সরাসরি তাদের অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করে থাকলেও কোনরকম অতিরিক্ত ফি দিতে হয় না। তবে বিদেশি এক্সচেঞ্জ হাউসগুলো থেকে রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের বিনিময় হার এবং ফি থাকায় খরচ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দীয় ব্যাংক এই বিষয়গুলো সমন্বয় করার উদ্যোগ নিয়েছে। এর ফলে প্রবাসীরা বর্তমানে যে খরচে টাকা পাঠাচ্ছেন, তা আরও কমে আসার আশা ব্যক্ত করা হচ্ছে।

  • বাজার অস্থির, পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিচ্ছে সরকার

    বাজার অস্থির, পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিচ্ছে সরকার

    বাজারে হঠাৎ করে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি কঠিন হয়ে পড়েছিল। এ পরিস্থিতি মোকাবেলায়, বাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকার রোববার থেকে সীমিত আকারে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিচ্ছে। প্রতিদিন ৫০টি করে আমদানির অনুমোদন দেওয়া হবে, যার মধ্যে প্রতিটি আইপিতে সর্বোচ্চ ৩০ টন পেঁয়াজ আমদানি করার অনুমতি থাকবে। বিষয়টি নিশ্চিত করে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মোহাম্মদ জাকির হোসেনের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যারা চলতি বছরের ১ আগস্ট থেকে আমদানির জন্য আবেদন করেছেন, তারা আবার আবেদন করতে পারছেন। একবারের জন্য একমাত্র আবেদন করতে পারবেন। সরকারি এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে পেঁয়াজের বাজারে স্থিতিশীলতা আনার চেষ্টা চলছে, যতদিন পর্যন্ত পেঁয়াজের অসহনীয় দাম বৃদ্ধি বন্ধ না হয়, এই ধারা অব্যাহত থাকবে।

    প্রায় এক মাস আগে হঠাৎ করে পেঁয়াজের মূল্য উত্তোলন করে উঠেছিল। মাত্র চার থেকে পাঁচ দিনের ব্যবধানে দাম প্রায় ৪০ টাকা বাড়ে, যেখানে কেজি প্রতি মূল্য পৌঁছায় ১১৫ থেকে ১২০ টাকায়। তবে সরকারের সিদ্ধান্তে যার ফলে দাম কিছুটা কমে, ধীরে ধীরে ১০৫ থেকে ১১০ টাকায় স্থিতিশীল হয়।

    গত সপ্তাহে সরকার জানায়, বাজারে পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং নতুন পেঁয়াজ দ্রুত বাজারে আসছে। সরকারের এই পদক্ষেপের মূল কারণ হলো, কৃষকের স্বার্থ রক্ষা এবং বাজারে অপ্রয়োজনীয় আমদানির ফলে দাম বাড়ছে না, এটাই নিশ্চিত করা। তবে এই সিদ্ধান্তের সুযোগ নিচ্ছেন কিছু মজুতদার ব্যবসায়ী, যার ফলে আবার দাম বাড়ছে। বুধবার রাজধানীর খুচরা বাজারে কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১১৫ থেকে ১২০ টাকায়, অর্থাৎ এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে দাম ১০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।

    তবে টিসিবির হিসাবে, গত বছরের তুলনায় এখনও পেঁয়াজের দাম ১০ শতাংশ কম। বাজারে নতুন মুড়ীকাটা পেঁয়াজ না এলেও পাওয়া যাচ্ছে পাতাযুক্ত পেঁয়াজ, যার কেজি মূল্য ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

    ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরকারি ঘোষণায় আমদানি বন্ধের খবর শুনে দাম বেশি বেড়েছে। মজুতদার আর কৃষকদের মধ্যে দর বাড়ায় বাজারে পাইকারি ও খুচরা দামে প্রভাব পড়ছে।

    অতীতে ৯ নভেম্বর বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন জানিয়ে ছিলেন, চার-পাঁচ দিনের মধ্যে যদি পেঁয়াজের দাম কমে না, তবে আমদানির অনুমোদন দেওয়া হবে। তিনি বলেছিলেন, বাজারে দৃষ্টি রাখছি এবং দেশে অনেক পরিমাণে পেঁয়াজের মজুত রয়েছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে নতুন পেঁয়াজ আসবে। তবে দাম যত তাড়াতাড়ি কমবে না, সরকারের পর্যবেক্ষণে থাকছে, যাতে কৃষকের ক্ষতি না হয়।

  • নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.২৯ শতাংশ

    নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.২৯ শতাংশ

    অক্টোবর মাসে মূল্যস্ফীতি কমলেও নভেম্বর মাসে তা আবার বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। এর আগে অক্টোবরের হার ছিল ৮ দশমিক ১৭ শতাংশ, এবং গত বছরের নভেম্বরের তুলনায় এটি কম ছিল ১১ দশমিক ৩৮ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) আজ রোববার (৭ নভেম্বর) এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

    বিবিএসের তথ্যানুযায়ী, নভেম্বর মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ। একই সময়ে, খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ০৮ শতাংশ। এই দুই মাস ধরে খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে ধারাবাহিক বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে।

    গত তিন বছর ধরে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতির পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ দশমিক ০৩ শতাংশ।

    বিবিএস জানিয়েছে, গত নভেম্বরে জাতীয় মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। এর মানে, মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির তুলনায় কম, যা দেখায় সাধারণ জীবনের ব্যয় কিছুটা হলেও বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।

    মূল্যস্ফীতির হার কমে গেলেও এর মানে এই নয় দৈনন্দিন জিনিসপত্রের দাম কমে গেছে। বরং অন্যান্য মাসের চেয়ে ওই মাসে দাম বৃদ্ধির হার কিছুটা কম হয়েছে বলে বোঝায়।

    গত দু-তিন বছর ধরে দেশের অর্থনীতির জন্য মূল্যস্ফীতি একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সুদের হার বৃদ্ধি করে এই অস্থিরতাকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালানো হয়েছে। এছাড়াও, এনবিআর তেল, আলু, পেঁয়াজ, ডিমসহ বেশ কিছু নিত্যপণ্যে শুল্ক ও কর কমিয়েছে, যাতে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি নিয়মিত থাকে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে বাজারের অস্থিতিশীলতা কমানোর প্রচেষ্টা চালানো হয়।

  • তিন মাসে কোটিপতি আমানতকারী সংখ্যা ৭৩৪ দ্রুত বাড়ছে

    তিন মাসে কোটিপতি আমানতকারী সংখ্যা ৭৩৪ দ্রুত বাড়ছে

    দেশের ব্যাংক খাতের কোটিপতি গ্রাহকের সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলতি বছরের মার্চ মাসের তুলনায় জুনে এই সংখ্যা বেড়ে হয়েছিল ৫ হাজার ৯৭৪টি। এরপর গত তিন মাসে আরো ৭৩৪টি নতুন কোটিপতি অ্যাকাউন্ট যুক্ত হয়েছে। তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে, কোটিপতি অ্যাকাউন্টের পাশাপাশি জমা অর্থের মোট পরিমাণ কমে গেছে। রোববার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানা গেছে, জুন শেষে ব্যাংকিং সেক্টরে মোট অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ছিল ১৬ কোটি ৯০ লাখ ২ হাজার ৬৭১টি। সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ এটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ কোটি ৪৫ লাখ ৯৬ হাজার ৭০০টিতে। অর্থাৎ, এই তিন মাসে নতুন করে ৫৫ লাখ ৯৪ হাজার ২৯টি অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। একই সময়ে ব্যাংকগুলোর আমানতের মোট পরিমাণও কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। জুনে আমানতের পরিমাণ ছিল ১৯ লাখ ৯৬ হাজার ৫৮৩ কোটি টাকা, যা সেপ্টেম্বরের মধ্যে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৩১ হাজার ১১৯ কোটি টাকায়। এর ফলে, এই তিন মাসে মোট আমানত বেড়েছে ৩৪ হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা। কোটিপতি অ্যাকাউন্টের প্রবৃদ্ধি বিষয়ে দেখা গেছে, জুন মাসে এই ধরণের অ্যাকাউন্ট ছিল ১ লাখ ২৭ হাজার ৩৩৬টি। তবে September এর শেষে তা বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ৭০টি, অর্থাৎ তিন মাসে কোটিপতি অ্যাকাউন্টের সংখ্যা বেড়েছে ৭৩৪টির মতো। মার্চে এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ ২১ হাজার ৩৬২টিই। কোটিপতি অ্যাকাউন্টের জমা অর্থের পরিমাণ শুরুতে ছিল ৮ লাখ ৮০ হাজার ৭৭২ কোটি টাকা, যা সেপ্টেম্বরের মধ্যে কমে দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ২১ হাজার ৫৬২ কোটি টাকায়, অর্থাৎ তিন মাসে কমেছে ৫৯ হাজার ২০৯ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা মন্তব্য করেছেন, কোটিপতি হিসাব মানে শুধুমাত্র ব্যক্তির কোটিপতি নয়। একটি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, ব্যক্তি ছাড়াও অনেক বেসরকারি, সরকারি ও কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান এই ধরনের অ্যাকাউন্ট রাখে। একই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের একাধিক অ্যাকাউন্টও থাকতে পারে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য বলছে, ১৯৭২ সালে কোটিপতি আমানতকারী ছিল মাত্র ৫ জন। পরবর্তীতে ১৯৭৫ সালে সংখ্যা বেড়ে হয় ৪৭, ১৯৮০ সালে ৯৮, ১৯৯০ সালে ৯৪৩, ১৯৯৬ সালে ২ হাজার ৫৯৪, ২০০১ সালে ৫ হাজার ১৬২, ২০০৬ সালে ৮ হাজার ৮৮৭ এবং ২০০৮ সালে তা পৌঁছেছিল ১৯ হাজার ১৬৩-এ। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই সংখ্যায় আরও বৃদ্ধি দেখা গেছে। ২০২০ সালে কোটিপতি অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ছিল ৯৩ হাজার ৮৯০, ২০২১ সালে বেড়ে হয় এক লাখ ৯ হাজার ৭৬, ২০২২ সালে ১ লাখ ৯ হাজার ৯৪৬, ২০২৩ সালে ১ লাখ ১৬ হাজার ৯০৮ এবং ২০২৪ সালে এই সংখ্যাটি দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২১ হাজার ৩৬২ টি।

  • এনসিপির প্রথম ধাপের নির্বাচনী মনোনয়ন ঘোষণা

    এনসিপির প্রথম ধাপের নির্বাচনী মনোনয়ন ঘোষণা

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে ১২৫টি আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বুধবার বেলা ১১টায় ঢাকার বাংলামটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন তাদের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।

    প্রথম ধাপে প্রকাশিত প্রার্থী তালিকায় দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে ঢাকা-১১ আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়। এই আসনটি ঢাকা জেলার বাড্ডা, ভাটারা ও রামপুরা অঞ্চলের জন্য বরাদ্দ। অন্যদিকে, রংপুর-৪ আসনে নির্বাচন করবেন দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন।

    এছাড়া, পঞ্চগড়-১ আসনে সারজিস আলম, ঢাকা-৯ আসনে তাসনিম জারা, ঢাকা-১৬ আসনে আরিফুল ইসলাম আদীব, ঢাকা-১৮ আসনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, নরসিংদী-২ আসনে সারোয়ার তুষার, কুমিল্লা-৪ আসনে হাসনাত আব্দুল্লাহ ও নোয়াখালি-৬ আসনে আব্দুল হান্নান মাসউদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব তাসনিম জারা বলেন, দেড় হাজারের বেশি প্রার্থী তাদের দল থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছে। তাদের এই প্রার্থী তালিকায় কিছু ব্যতিক্রমও রয়েছে, যা অন্য দলগুলোর থেকে আলাদা।

    নেতৃবৃন্দের মধ্যে দলের মুখ্য সমন্বয়ক ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী উল্লেখ করেন, এবারে তারা ব্যালট রেভল্যুশনে যাচ্ছেন। দলীয় প্রতীক শাপলা কলি এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানোর জন্য প্রার্থীদের তিনি আহ্বান জানান।

    এই অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ, যুগ্ম সদস্য সচিব মুশফিক উস সালেহিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

  • এনসিপির ১২৫ প্রার্থীর মধ্যে নারী ১৪ জন

    এনসিপির ১২৫ প্রার্থীর মধ্যে নারী ১৪ জন

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথম ধাপে দলের মনোনীত ১২৫ প্রার্থী ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আজ বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ১১টার দিকে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এসব প্রার্থীদের নাম প্রকাশ করেন।

    তালিকায় নারী প্রার্থীর সংখ্যা ১৪ জন। তাঁদের মধ্যে ডা. তাসনিম জারা, ডা. মাহমুদা আলম মিতু ও dillshana paruld আছেন, যারা আগে থেকেই পরিচিত মুখ। তবে, সামান্তা শারমিন ও নুসরাত তাবাসসুম এই তালিকায় এখনো স্থান পাননি।

    নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশ নেবেন দেশের বিভিন্ন আসনে নির্বাচিত প্রার্থীরা। যেমন, নওগাঁ-৫ আসনে মনিরা শারমিন, সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে দিলশানা পারুল, সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী (প্রীতি), ঝালকাঠি-১ আসনে ডা. মাহমুদা আলম মিতু প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    অন্যদিকে, ময়মনসিংহ-১১ আসনে তানহা শান্তা, ঢাকা-৯ আসনে ডা. তাসনিম জারা, ঢাকা-১২ আসনে নাহিদা সারওয়ার নিভা, ঢাকা-১৭ এ ডা. তাজনূভা জাবীন, ফরিদপুর-৩ আসনে সৈয়দা নীলিমা দোলা, চাঁদপুর-২ আসনে ইসরাত জাহান বিন্দু, নোয়াখালী-৫ আসনে অ্যাডভোকেট হুমায়রা নূর, চট্টগ্রাম-১০ এ সাগুফতা বুশরা মিশমা এবং খাগড়াছড়িতে অ্যাডভোকেট মনজিলা সুলতানা নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশ নিবেন।

    এনসিপির নারী প্রার্থীদের সংক্ষিপ্ত তালিকা হলো:

    1. মনিরা শারমিন (নওগাঁ-৫)
    2. দিলশানা পারুল (সিরাজগঞ্জ-৩)
    3. দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী (প্রীতি) (সিরাজগঞ্জ-৪)
    4. ডা. মাহমুদা আলম মিতু (ঝালকাঠি-১)
    5. তানহা শান্তা (ময়মনসিংহ-১১)
    6. ডা. তাসনিম জারা (ঢাকা-৯)
    7. নাহিদা সারওয়ার নিভা (ঢাকা-১২)
    8. ডা. তাজনূভা জাবীন (ঢাকা-১৭)
    9. ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ (ঢাকা-২০)
    10. সৈয়দা নীলিমা দোলা (ফরিদপুর-৩)
    11. ইসরাত জাহান বিন্দু (চাঁদপুর-২)
    12. এডভোকেট হুমায়রা নূর (নোয়াখালী-৫)
    13. সাগুফতা বুশরা মিশমা (চট্টগ্রাম-১০)
    14. এডভোকেট মনজিলা সুলতানা (খাগড়াছড়ি)

  • বিএনপি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর: মেগা প্রকল্পে যাবে না দলটি, বললেন তারেক রহমান

    বিএনপি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর: মেগা প্রকল্পে যাবে না দলটি, বললেন তারেক রহমান

    ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতির অবসান ঘটাতে বিএনপি কোনো মেগা প্রকল্পে যাবে না বলে স্পষ্ট করেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো বড় প্রকল্পে যাব না, কারণ এগুলো দুর্নীতির সুযোগ সৃষ্টি করে। বরং আমরা সরকারের কাছে অর্থ খরচ করব শিক্ষার উন্নয়ন ও জনবল প্রস্তুতিতে।’

    বুধবার (১০ ডিসেম্বর) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক ধারাবাহিক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

    তিনি আরও বলেন, ‘ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে স্বাভাবিকভাবেই জয় আমাদের। দেশকে সঠিক পথে চালানোর জন্য ধানের শীষের জয় অপরিহার্য। এর কোনো বিকল্প নেই।’

    মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের সময় মানবাধিকার অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। আমি চাই না আবার কোনো দল বা মানুষ মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হোক।’

    তারেক রহমান আরও বলেন, ‘মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার অনেক গুরুত্বপূর্ণ। সবাইকে মর্যাদার সঙ্গে জীবিকা চালাতে হবে। আমরা পর্যায়ক্রমে নারীদের জন্য পরিবার পরিকল্পনা কার্ডের ব্যবস্থা করব যাতে তারা আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠতে পারে। এর মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি দৃঢ় হবে।’

    তিনি জানিয়েছেন, শিক্ষা ব্যবস্থা এমনভাবে গড়ার পরিকল্পনা রয়েছে যাতে ইংরেজির পাশাপাশি অন্য ভাষাতেও শিক্ষার্থীরা দক্ষ হয়ে ওঠে।

    অতিরিক্ত তিনি বললেন, ‘আমরা ভাবছি— যদি ক্ষমতায় আসি, তাহলে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করব, তাদের মধ্যে ৮০-৮৫ শতাংশই নারী হবে। এর মাধ্যমে সার্বিক জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু হবে এবং দশ বছরের মধ্যে এর ফল দেখতে পাবো।’

    তারেক রহমান উল্লেখ করেন, ‘শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া—এই তিন মন্ত্রণালয় সারা বছর একসঙ্গে কাজ করবে। শহরের দমবন্ধ করা পরিবেশে খেলার মাঠের অভাব থাকায় আমরা নতুন মাঠ তৈরি করব।’

    তিনি আরও বলেন, ‘বিজেপি বা অন্য কোনো রাজনৈতিক দল আমাদের ভবিষ্যত পরিকল্পনা দেয়নি। এই পরিকল্পনাগুলিই একমাত্র বিএনপি দিয়েছে এবং আমরা এগুলো বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ।’