Blog

  • বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি

    বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি

    সরকার আজ বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দেশের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে নিয়োগের ঘোষণা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ফলে তিনি দেশের প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতা ব্যবহার করে মহামান্য রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে নিয়োগ দিয়েছেন। এই নিয়োগ শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।’এর আগে, সোমবার (২২ ডিসেম্বর), রাষ্ট্রপতি দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে এই নিয়োগের চূড়ান্ত অনুমোদন দেন। নতুন প্রধান বিচারপতির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান আগামী ২৮ ডিসেম্বর বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত হবে। উল্লেখ্য, সংবিধান অনুযায়ী, ৬৭ বছর বয়সে অবসরে যাচ্ছেন দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ, যিনি আগামী ২৭ ডিসেম্বর অবসর গ্রহণ করবেন।বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ১৯৬১ সালের ১৮ মে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা প্রয়াত এএফএম আবদুর রহমান চৌধুরীও একজন বিচারক ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি অনার্স ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করে। পরে যুক্তরাজ্যে আন্তর্জাতিক আইনের উপর আরও একটি মাস্টার্স করেন।১৯৮৫ সালে জুবায়ের রহমান চৌধুরী প্রথমত জজ কোর্টে এবং ১৯৮৭ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট তিনি অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগের নিয়োগ পান, এবং দুই বছরের মধ্যে এই নিয়োগ স্থায়ী হয়ে যান।২০২৪ সালের ১২ আগস্ট রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন তাকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন। এরপর, ১৩ আগস্ট তিনি শপথ গ্রহণ করেন।

  • রামপুরায় ২৮ ছাত্র হত্যার ঘটনায় বিজিবি কর্মকর্তাসহ চারজনের বিচার শুরু

    রামপুরায় ২৮ ছাত্র হত্যার ঘটনায় বিজিবি কর্মকর্তাসহ চারজনের বিচার শুরু

    জুলাই-August মাসের গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় ২৮ জন ছাত্র-জনতাকে হত্যা করার ঘটনার অপরাধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিজিবি কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলামসহ চারজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল-১। আজ বুধবার (২৪ ডিসেম্বর), আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ প্রদান করেন। প্যানেলের অন্যান্য সদস্যরা হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। মামলার প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচারের শুরু করার আবেদন করা হয়। তবে, অপরাধে জড়িত হলেও গ্রেফতার বা পলাতক থাকায় আসামিদের আইনজীবীরা মুক্তির আবেদন করেন। ২১ ডিসেম্বর, পলাতক দুজনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. আমির হোসেন, অপরদিকে অন্য দুজনের পক্ষ থেকে লড়েন আইনজীবী হামিদুল মিসবাহ। প্রত্যেকেই জামিন বা ডিসচার্জে আবেদন করেন। এ জন্য আজকের দিন ধার্য ছিল ট্রাইব্যুনালের। তবে, ধারে এই বিষয়ে সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। প্রসিকিউশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রতিরক্ষা করেন মঈনুল করিম ও শাইখ মাহদী। নিহতের মধ্যে গ্রেফতারকৃত একজন বিজিবির কর্মকর্তা মেজর মো. রাফাত বিন আলম। অন্যদিকে, পলাতক রয়েছেন ডিএমপি খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. রাশেদুল ইসলাম ও রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমান। এর আগে, ১৪ ডিসেম্বর বিষয়টি শুনানির কথা থাকলেও তা অনুষ্ঠিত হয়নি। ৬ ডিসেম্বর ফরমাল চার্জশিটের ওপর শুনানি শেষ করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। ২২ অক্টোবর, সেনা হেফাজতে থাকা রেদোয়ান ও রাফাতকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয় এবং শুনানি শেষে তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। পলাতকদের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, জুলাই ও আগস্ট মাসে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চলে। এর মধ্যে রামপুরায় নিহত হন ২৮ জন, আহত হন আরও অনেকে। আহত এবং নিহতের মধ্যে বিজিবি কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি রেদোয়ানুলকে সরাসরি গুলি ছুড়তে দেখা গেছে। সেইসঙ্গে অন্যরাও এ হত্যাকাণ্ডে নেতৃত্ব দেন। এই ঘটনার তদন্তে সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী চারজনের বিরুদ্ধে আলাদা ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করে প্রসিকিউশন।

  • ইসি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ উপেক্ষা করলো: ড. বদিউল আলম

    ইসি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ উপেক্ষা করলো: ড. বদিউল আলম

    সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক এবং বিশ্লেষক অর্থনীতিবিদ ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, নির্বাচন শেষ হওয়ার মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ফলাফল গেজেটে প্রকাশের বিষয়টি নিয়ে কমিশন কোনো পরিবর্তন আনেনি, যা নির্বাচন সুষ্ঠুতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ তারা উপেক্ষা করেছে।

    বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর তোপখানা রোডের সিরডাপ মিলনায়তনে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) আয়োজিত নির্বাচনী ব্যবস্থার সংস্কার অগ্রগতি বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

    ড. বদিউল আলম আরো জানান, নির্বাচনী ব্যয় নিয়ন্ত্রণ ও অনিয়ম প্রতিরোধে বিভিন্ন নির্বাচন কেন্দ্রে নির্বাচনী ব্যয় মনিটরিং কমিটি গঠনের প্রস্তাব থাকলেও এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন কোনো উদ্যোগ নেনি। এছাড়া, নির্বাচনী ব্যবস্থা সংস্কার সংক্রান্ত বেশ কিছু সুপারিশ তারা গ্রহণ করলেও, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ তারা উপেক্ষা করেছে।

    নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং নির্বাচন শেষে ফলাফল গেজেটে প্রকাশের বিষয়টিতে কোনো পরিবর্তন না আনার বিষয়েও তিনি মন্তব্য করেন। তিনি উল্লেখ করেন, মনোনয়নপত্রের সাথে প্রার্থীদের সর্বশেষ পাঁচ বছরের আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার বিধান থাকলেও, এর সঙ্গে প্রার্থীর কর বর্ষের নির্দিষ্ট কপি জমা দেওয়ার অاناে খুব দায়িস্ম বলে মনে করেন। একাধিক আসনে এক ব্যক্তির প্রার্থী হওয়ার বিধানও আরপিওতে উপেক্ষিত হয়েছে।

    ড. বদিউল বলেন, দলের নিবন্ধন নবায়নে এবং নির্বাচনে অংশ না নিলে নিবন্ধন বাতিলের বিধানসহ কিছু সুপারিশ তারা গ্রহণ করলেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ করেনি। স্বতন্ত্র প্রার্থীর জন্য ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর জমা দেওয়ার বদলে ৫০০ ভোটারের সম্মতি নেওয়ার সুপারিশটিও উপেক্ষা করা হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কারে গঠিত কমিশন ১৮টি মূল ক্ষেত্রের সংস্কার নিয়ে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে, তবে এখনো বেশ কিছু প্রস্তাব উপেক্ষিত রয়েছে।

  • সাবেক ডিএমপি কমিশneur হাবিবুরসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ফরমাল চার্জশিট দাখিল

    সাবেক ডিএমপি কমিশneur হাবিবুরসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ফরমাল চার্জশিট দাখিল

    ২৬ জুলাইয়ের অভ্যুত্থানে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে ইমাম হাসান তাইম হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জশিট) দাখিল করেছে প্রসিকিউশন। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রারকের কাছে এ অভিযোগ জমা দেওয়া হয়।

    অভিযোগে নাম রয়েছে আরও নয়জনের, যারা সবাই পুলিশে কর্মরত ছিলেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন— ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, ওয়ারী জোনের সাবেক ডিসি ইকবাল হোসাইন, এডিসি শাকিল মোহাম্মদ শামীম, মো. মাসুদুর রহমান মনির, নাহিদ ফেরদৌস, যাত্রাবাড়ী থানার তৎকালীন ওসি আবুল হাসান, জাকির হোসাইন, মো. ওহিদুল হক মামুন, সাজ্জাদ উজ জামান ও মো. শাহদাত আলী। জানা গেছে, বাকিরা সবাই পুলিশবিভাগেরই কর্মী ছিলেন।

    উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২০ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় পুলিশ গুলিতে শহীদ হন ইমাম হাসান তাইম। তার বাবা মো. ময়নাল হোসেন ভূঁইয়া রাজারবাগ পুলিশলাইনসের উপ-পরিদর্শক। ওই দিন সকালে বন্ধুদের সঙ্গে চা飲 করতে বের হন তিনি, কিন্তু সেই স্মৃতি এখনো কষ্টের স্তম্ভ হয়ে থাকল। পুলিশ গুলিতে তিনি লাশ হয়ে ফিরেন। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে তার মরদেহ পাওয়া যায়, যেখানে ময়নাল ফোনে উপ-পরিদর্শক ছিলেন। তিনি মরদেহ দেখার সময় ফোনে বলেছিলেন, ‘স্যার, আমার ছেলেটা মারা গেছে। ওর বুক ঝাঁঝরা হয়ে গেছে গুলিতে। আমার ছেলে আর নেই। এটাই আমার জন্য বড় আঘাত। আর একজনকে মারতে কতগুলো গুলি লাগে, স্যার?’

  • তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে ঢাকায় উত্তেজনা ও সাজসজ্জা

    তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে ঢাকায় উত্তেজনা ও সাজসজ্জা

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন কেন্দ্র করে রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এবং এর আশপাশের এলাকায় উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে ৩০০ ফুটের দীর্ঘ সভামঞ্চ ও এর চারপাশে কর্মসূচির নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এই মুহূর্তে সেখানে দলীয় নেতাকর্মীদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো, যারা উল্লাসে ভাসছেন।

    তিনি বৃহস্পতিবার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন। এর আগে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তার সমর্থকদের ঢাকায় আসার আশায় ক্ষণগণনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে কর্মীরা যেন তাদের নেতাকে দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে ওঠেন, সে জন্য তাদের নানা পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দলীয় পতাকা, জাতীয় পতাকা ও বিভিন্ন নানা ধরনের জনসভার ব্যানার, পোস্টার নিয়ে জড়ো হচ্ছেন নেতাকর্মীরা।

    এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দীর্ঘ ১৭ বছর পর, যা নিয়ে সাধারণ নেতা-কর্মীরা মুখে সুখের হাসি ও আশার কথা বলছেন। তারা মনে করছেন, এই উপস্থিতি তাদের ঐক্যকে আরও দৃঢ় করবে ও আগামী নির্বাচনে জয় লাভের জন্য সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে। দিনভর আনন্দ ও উৎসবের জন্য কর্মীদের উপস্থিতি বাড়ছে, যা স্থানীয়দের মধ্যেও এক নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।

    তিনি যখন বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন, তখন তিনি অসুস্থ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে এভার কেয়ার হাসপাতালে যাবেন। পরে রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনায় যোগ দিয়ে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যও দেবেন। এই প্রত্যাবর্তন দেশের রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের প্রাথমিক সূচনা করছে, যা নতুন দিগন্তের পথ দেখাবে বলে আশাবাদী الجميع।

  • হলিউড নির্মাতা রব রেইনার ও স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

    হলিউড নির্মাতা রব রেইনার ও স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

    হলিউডের খ্যাতনামা পরিচালক ও অভিনেতা রব রেইনার (৭৮) ও তার স্ত্রী মিশেল সিঙ্গার রেইনারের (৬৮) মরদেহ লস অ্যাঞ্জেলেসে একটি বাড়িতে পাওয়া গেছে। স্থানীয় সময় রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় তারা মৃত অবস্থায় আবিষ্কৃত হন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজের সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক তদন্তে শরীরে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। রব রেইনারের ঘনিষ্ঠ এক সূত্র জানিয়েছেন, তাদের শরীরে গুরুতর ছুরিকাঘাতের ক্ষত ছিল।

    লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশের ডিপার্টমেন্ট এই ঘটনাটিকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছে। পুলিশ ক্যাপ্টেন মাইক ব্ল্যান্ড জানিয়েছেন, এটি একটি হত্যা ও ডাকাতির ঘটনা হিসেবে গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। সংবাদ মাধ্যমে এও শোনা যায়, রেইনারের বাসায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র ক্যারেন বাস রেইনারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন, বলছেন, এটি শহরের জন্য অনেক বড় ক্ষতি।

    রব রেইনার হলিউডের একজন কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব। তিনি ‘স্লিপলেস ইন সিয়াটেল’, ‘দ্য উলফ অফ ওয়াল স্ট্রিট’ প্রভৃতি জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করেছেন। পাশাপাশি, তিনি ‘দিস ইজ স্পাইনাল ট্যাপ’, ‘দ্য প্রিন্সেস ব্রাইড’, ‘হোয়েন হ্যারি মেট স্যালি’, ‘এ ফিউ গুড মেন’-এর মতো কালজয়ী সিনেমাগুলোর পরিচালনা করে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন।

    রব রেইনার ১৯৮৯ সালে মিশেল সিঙ্গার রেইনারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের মধ্যে পরিচয় হয়েছিল ‘হোয়েন হ্যারি মেট স্যালি’ সিনেমার সময়। এই দম্পতির তিনটি সন্তান রয়েছে।

  • মেসির সঙ্গে ছবি পোস্টে কটূক্তি, শুভশ্রীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ রাজের

    মেসির সঙ্গে ছবি পোস্টে কটূক্তি, শুভশ্রীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ রাজের

    কলকাতায় লিওনেল মেসির সঙ্গে ছবি তোলার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করার পর শুভশ্রী গাঙ্গুলির বিরুদ্ধে কটূক্তি ও কুরুচিকর মন্তব্যের ঝড় উঠেছে। এই বিষয়টি নিয়ে বরাবরের মত পা রাখছেন থানা অভিযোগে। টিটাগড় থানায় নির্মাতা ও রাজ চক্রবর্তী লিখিত অভিযোগটি দায়ের করেছেন।

    রাজ চক্রবর্তী ভারতের গণমাধ্যম দ্য ওয়াল-কে জানান, একজন নারীর প্রতি এইভাবে অপমান করার ঘটনায় তিনি বাধ্য হয়ে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। তাঁর কথায়, এতে রাজনৈতিক উসকানি রয়েছে এবং কারা জড়িত, বিস্তারিত এখনই জানাতে চান না, যাতে তদন্তে সমস্যা না হয়। এই অভিযোগটি এক ধরনের আইনি পদক্ষেপের পাশাপাশি, ১৩ ডিসেম্বরের পরে সামাজিক মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে তৈরি হওয়া বিতর্কেরই অবসান বলে মনে করছে অনেকে।

    ১৩ ডিসেম্বর কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে একটি বিতর্কিত দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। যেখানে হাজার হাজার ফুটবলপ্রেমী মাঠে বসে ভারতের ফুটবল ইতিহাসে এক অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির সম্মুখীন হন। মাসের পর মাস অপেক্ষা করে, প্রচুর অর্থ খরচ করে ক্লাবের টিকিট কেনার পরও তাঁরা মেসিকে সামনে থেকে দেখার সুযোগ পাননি। মাঠের বিশৃঙ্খলা ও ভাঙচুরের মধ্যে শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ে, আর বিশ্বখ্যাত এই খেলোয়াড়রা তড়িঘড়ি মাঠ ছাড়েন। প্রধান আয়োজক শতদ্রু দত্ত গ্রেফতার হলেও, এর অংগভুক্ত ক্ষোভের কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম।

    সেদিন শুভশ্রী যুবভারতীতে উপস্থিত ছিলেন এবং তিনি জানান, তিনি সেখানে শুধুমাত্র বাংলার সিনেমা শিল্পের প্রতিনিধি হিসেবে গিয়েছিলেন। কিন্তু মেসির সঙ্গে তোলা একটি ছবি পোস্ট করার পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয় বিদ্রুপ, কটাক্ষ ও কদর্য মিমের বন্যা। যেখানে অনেককেই দেখানো হয়, তাঁরা টাকা খরচ করে নিজস্ব প্রিয় খেলোয়াড়কে দেখার সুযোগ পাননি, তখন ক্ষোভ প্রকাশ করাটাই স্বাভাবিক— কিন্তু কেন সেই ক্ষোভের লক্ষ্য একজন অভিনেত্রী, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

    এই বিষয়টি এবার প্রকাশ্যে এনেছেন রাজ চক্রবর্তী। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া একটি দীর্ঘ পোস্টে তিনি বলেন, যুবভারতীর অরাজকতা অনভিপ্রেত, লজ্জাজনক এবং ফুটবলপ্রেমী বাঙালির প্রতি চরম অসম্মান। তিনি প্রশ্ন করেন, এত বড় আয়োজনের পরিকল্পনায় কীভাবে এত গাফিলতি হয়, তার জন্য দোষীদের শাস্তি দাবি করেন। তাঁর মতে, ওই দিন বাঙালির আবেগে আঘাত এসেছে।

    তারপর তিনি শুভশ্রীর প্রসঙ্গ তুলে বলেন, অনুষ্ঠানে ছিলেন একজন অতিথি হিসেবে, অথচ সেই উপস্থিতির মূল্য দিতে হচ্ছে তাঁকে। তিনি আরও বলেন, একজন অভিনেত্রী হিসেবে কি তিনি মেসির ভক্ত হতে পারেন না? রাজের ধারণা, একজন মানুষের পরিচয় শুধু পেশার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; তিনি মা, বোন, স্ত্রী, অভিনেত্রী কিংবা ভক্ত— সব পরিচয়ের ঊর্ধ্বে একজন মানুষ।

    গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন রাজ। কেন অনেক সাংবাদিক থাকলেও শুধু একজন অভিনেত্রীই সহজ লক্ষ্য হয়ে উঠলেন, তা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। রাজের মতে, এই ট্রোলিং শুধু বর্তমানের অপমান নয়, ভবিষ্যতের জন্যও মারাত্মক একটা বার্তা প্রেরণ করে। প্রতিবাদ এবং অপমানের মধ্যে পার্থক্য কি, সেটাই বোঝা জরুরি।

  • হাদিকে নিয়ে পোস্ট, চমক ও মামুনকে হত্যার হুমকি

    হাদিকে নিয়ে পোস্ট, চমক ও মামুনকে হত্যার হুমকি

    সম্প্রতি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফুল ওসমান বিন হাদি ওপর হামলার ঘটনায় গোটা দেশ তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়ে। আকস্মিক এই হামলায় গুরুতর আহত হন হাদির সহকর্মীরা, যা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা প্রবল। প্রত্যক্ষদর্শীরা হাদির দ্রুত সুস্থতার জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন এবং সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের দাবি তুলেছেন।

    এরই মধ্যে হাদিকে নিয়ে পোস্ট দেওয়ার পর চলচ্চিত্র নির্মাতা অনন্য মামুন, নাট্য নির্মাতা মাবরুর রশীদ বান্নাহ এবং ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমককে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে। হুমকিদাতা ইতোমধ্যে চমকের ফোন নম্বর ফাঁস করেছে এবং বান্নাহর অবস্থান ট্র্যাক করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

    নির্মাতা মামুন সামাজিক মাধ্যমে জানিয়ে বলেছেন, ‘হাদিকে নিয়ে আমার স্ট্যাটাস দেওয়ার পর থেকে আমি মেরে ফেলার হুমকি পাচ্ছি। তারা জানে না, হাদি আমার জন্য এক প্রিয় নাম। আমি মৃত্যুভয়ে ভুগিনা। আমি পৃথিবীতে এসেছি, যার জন্য আল্লাহর দরবারে কৃতজ্ঞ, আর আমার জীবন কতদিন থাকবে, সেটার জন্য আমি ভীত নই।’

    এই হুমকি দেওয়া হয়েছে ডাল্টন সৌভাতো হীরা নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। এর আগে শরিফুল ওসমান বিন হাদিকেও এই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে হুমকি পাঠানো হয়েছিল।

    অনন্য মামুন সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘অতীতে আমি ভুলে গিয়েছিলাম ওর নাম লিখতে, কিন্তু এখন বলা যায়, অনন্য মামুন — দ্য পিম্প। আমি খুশি থাকুক, ও যেন ভালো থাকে। এবং ওর কোনো ফিল্ম যেন কেউ প্রডিউস না করে। যদি করে, সেটা ওর নিজস্ব দায়িত্ব।’

    বান্না ও চমককে যেন কেউ কাজের জন্য ডাকার চেষ্টা না করে, এ বিষয়েও হুমকি দেওয়া হয়েছে। হুমকিদাতা লিখেছেন, ‘মাবরুর রশীদ বান্না ও রুকাইয়া জাহান চমক, বঙ্গবন্ধুর ৩২ ভাঙার পর যারা কুৎসিত উল্লাসে লিপ্ত, তাদের যদি কেউ মিডিয়ায় কাজের জন্য ডাকার চেষ্টা করেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে করুন। তবে সেটা নিজের দায়িত্বে করতে হবে। এই নব্য রাজাকারদের কাজে ব্যবহার হলে আপনারা নিজেদের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে ফেলবেন, এর দায় কেউ নেবে না।’

    চমক ও বান্নাহর অবস্থান ট্র্যাক করতে আইটি টিমের মাধ্যমে তাদের সকল এক্সেস মনиторিং করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে তাদের অবস্থান ও কার্যক্রমের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে, জানানো হয়েছে।

  • অভিনেত্রীকে ভিড়ের মধ্যে হেনস্তা, ওড়না ধরে টানানো হলো

    অভিনেত্রীকে ভিড়ের মধ্যে হেনস্তা, ওড়না ধরে টানানো হলো

    অনুরাগীরা অনেক বেশি উত্তেজিত হয়ে সাধারণত তাঁদের পছন্দের তারকাদের সঙ্গে ছবি তোলার জন্য ছুটে আসেন। কেউ কেউ আবার ফ্রেমে বন্দি হওয়ার সময় প্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীর উপর হাত দিয়ে স্পর্শ করতে চান। তবে কিছু মানুষ সীমা অতিক্রম করে অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি সৃষ্টি করেন। এরই মধ্যে দক্ষিণী তারকা অভিনেত্রী নিধি আগরওয়ালের সাথে ঘটে গেছে এক নিন্দনীয় ঘটনা।

    ঘটনাটি ঘটে তেলুগু সিনেমার জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীর উপজেলার ঘটনা গতকাল বুধবার রাতের। সেই ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, প্রভাসের সঙ্গে নতুন সিনেমা ‘রাজা সাব’-এর গানের লঞ্চ শেষে বেরোনোর সময়ে নিধি হেনস্তার শিকার হন। ভক্তরা নিরাপত্তা উপেক্ষা করে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে সেলফি তোলার জন্য দাঁড়িয়ে যায়, অনেকেই পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। সেই সঙ্গে দেখা যায়, ভিড়ের মধ্যে কেউ কেউ নিধির গায়ের ওড়না ধরে টান টানের চেষ্টা করছে।

    নেত্রীরা অবশ্য এই পরিস্থিতিতে বেশ বিপাকে পড়েছেন। তাকে গাড়িতে উঠতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জবরদস্ত থাকলেও ভিড়ের কারণে তিনি খুবই অসুবিধায় পড়েছেন।

    অভিনেত্রীর এই ঘটনায় অনেক নেটিজেনই ক্ষুব্ধ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। কেউ লিখেছেন, ‘মানুষের দলে হায়নার মত আচরণ করছে। পুরুষরা কি করে একজন মহিলাকে এভাবে হয়রানি করতে পারে? ঈশ্বর যেন তাদের সবাইকে অন্য কোনো গ্রহে পাঠিয়ে দেন।’

    নিধি আগরওয়াল তেলুগু ছবির জনপ্রিয় নায়িকা। তিনি বলিউডে পদার্পণ করেন ‘মুন্না মাইকেল’ সিনেমার মাধ্যমে, যেখানে তার সহশিল্পী ছিলেন টাইগার শ্রফ। সবশেষ বড় পর্দায় তাকে দেখা গেছে সানি দেওলের বিপরীতে ‘জাট’ সিনেমায়।

  • প্রসিধি সংগীতশিল্পী ক্রিস রিয়া আর নেই

    প্রসিধি সংগীতশিল্পী ক্রিস রিয়া আর নেই

    ব্রিটিশ প্রসিদ্ধ সংগীতশিল্পী ও গীতিকার ক্রিস রিয়া শনিবার (২২ ডিসেম্বর) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। পারিবারিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়, কয়েকদিন অসুস্থ থাকার পর তিনি অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে মৃত্যুবরণ করেছেন।

    ক্রিস রিয়া ১৯৫১ সালে ইংল্যান্ডের মিডলসবরোতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন ব্লুজ, পপ এবং সফট রক সংগীতের একজন জাদুকর। চার দশকের ক্যারিয়ারে তিনি ২৫টি স্টুডিও অ্যালবাম উপহার দিয়েছেন এবং বিশ্বজুড়ে ৩০ মিলিয়নেরও বেশি অ্যালবাম বিক্রি করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য সঙ্গীতের মধ্যে রয়েছে ‘দ্যা রোড টু হেল’, ‘অন দ্য বিচ’, ‘জোসেফিন’ এবং ‘লেটস ড্যান্স’।

    বিশেষ করে তার ক্রিসমাস সংগীত ‘ড্রাইভিং হোম ফর ক্রিসমাস’ ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। ১৯৮৬ সালে লেখা এই গানটি বর্তমানে বড়দিনের অন্যতম প্রিয় সংগীতের তালিকায় পরিণত হয়েছে। তখন তার হাতে কোনো রেকর্ডিং চুক্তি ছিল না, এমনকি ট্রেনের টিকিটের টাকা না থাকায় স্ত্রীকে নিয়ে গাড়ি চালিয়ে লন্ডন থেকে মিডলসবরো ফিরছিলেন।

    ২০০১ সালে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে তিনি জীবনের ঝুঁকিতে পড়েছিলেন। পরে ২০১৬ সালে তার স্ট্রোক হয়। এসব চ্যালেঞ্জের মধ্যেও তার সংগীতপ্রেম ম্লান হয়নি। জীবনের শেষের দিকে তিনি পপ সংগীত ছেড়ে ‘ডেল্টা ব্লুজ’ অনুরাগে মনোনিবেশ করেছিলেন।

    তার মৃত্যু সংগীত জগতের জন্য গভীর শোকের। তিনি সুরের মাধ্যমে কোটি ভক্তের হৃদয়ে অমর হয়ে থাকবেন।

    মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী জোয়ান এবং দুই মেয়ে জোসেফিন ও জুলিয়াকে রেখে গেছেন। এই মহান শিল্পীর মৃত্যুতে বিশ্ব সংগীত অঙ্গনে গভীর শোক প্রকাশ করা হচ্ছে।