Blog

  • বিএনপি সরকার গঠন করলে সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে

    বিএনপি সরকার গঠন করলে সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে

    বিএনপি’র তথ্য বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সব সময় জনকল্যাণমুখী রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। বিএনপি কখনো প্রতিহিংসার রাজনীতি করে না। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো জনগণের অধিকার, ন্যায্যতা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, যদি বিএনপি সরকার গঠন করে, তবে সারাদেশে কমপক্ষে এক কোটি মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। তরুণ সমাজের বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি এনে একটি উৎপাদনমুখী ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে।

    হেলাল আরও বলেন, জনগণের সমর্থন পেলে and বা বিএনপি নির্বাচিত হলে, প্রতিটি মানুষের জীবন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। বিএনপি সরকারের মাধ্যমে রূপসা উপজেলাকে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত এবং নিরাপদ বসবাসের উপযোগী উপজেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হবে। পাশাপাশি, রূপসা-সেনেরবাজার ঘাটের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর করতে নদী পারাপারের জন্য আধুনিক ও নিরাপদ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    রূপসার মাঝিদের শ্রম ও ঘামের মূল্য যেন কেউ নিঃস্বার্থভাবে হাতিয়ে নিতে না পারে, সেজন্য কড়া এবং কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, রূপসার কৃষক, শ্রমিক, মাঝি, হকার—all যেন সম্মানের সঙ্গে জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন, সেই পরিবেশ তৈরিই হবে তাঁর অঙ্গীকার।

    গতকাল সোমবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত পূর্ব রূপসা ট্রলার মাঝি ইউনিয়ন ও হকার্স ইউনিয়নের আয়োজনে, পূর্ব রূপসা মাঝিপাড়া এলাকায়, নৈহাটি ইউনিয়নের আব্বাসিয়া জামে মসজিদে ২নং ওয়ার্ড বিএনপি ও অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে এবং পরবর্তীতে নৈহাটি ইউনিয়নের মেহেরুন্নচ্ছো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ৪নং ওয়ার্ড বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে দোয়া মাহফিল ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন খুলনা জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, এনামুল কবীর সজল, জেলা বিএনপি’র সদস্য শেখ আ: রশিদ, উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মোল্লা সাইফুর রহমান, খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রুনু, উপজেলা বিএনপি’র সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক, জেলা বিএনপি’র সদস্য এম এ সালাম, নেতা মো্লা রিয়াজুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক বিকাশ মিত্র প্রমুখ।

    পাশাপাশি বিভিন্ন বিত্তশালী ও দলীয় নেতাকর্মী, ছাত্র-প্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন ও মিলিজুল সামতিকালীন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। তারা সকলেই এই আয়োজনে অংশ নেন, এবং জনগণের সুস্বাস্থ্য ও শান্তি কামনা করেন।

  • তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ নিরাপদ ও সমৃদ্ধ হবে

    তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ নিরাপদ ও সমৃদ্ধ হবে

    মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেন, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বেই আগামীদিনে বাংলাদেশ নিরাপদ, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত হবে। তারেক রহমানের রাজনৈতিক দূরদর্শিতা, গণতন্ত্রে অটল বিশ্বাস এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা দেশের বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    গতকাল সোমবার বিকেল ৪টায় নগর বিএনপি’র উদ্যোগে আয়োজিত এক আনন্দ মিছিলের পূর্বসমাবেশে এই বক্তব্য রাখেন তিনি। এই কর্মসূচি দেশের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষ্যে, যা ২৫ ডিসেম্বর পালিত হবে।

    সমাবেশে বক্তারা উল্লেখ করেন, দীর্ঘ দিন ধরে দেশে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও আইনের শাসন ক্ষীরিত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের দুর্বলতা বেড়েছে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় একজন দূরদর্শী, শক্তিশালী এবং গণতান্ত্রিক নেতৃত্বের প্রয়োজন, এবং সেই দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম তিনি হচ্ছেন তারেক রহমান।

    নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক করতে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে বিএনপি একটি স্পষ্ট রূপরেখা তৈরি করে কাজ করে যাচ্ছে। তারেক রহমানের ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের প্রস্তাব দেশের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার প্রতিফলন। এই সংস্কার বাস্তবায়ন হলে গণতন্ত্র, সুশাসন এবং মানুষের মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত হবে।

    বক্তারা জানান, তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন একটি নতুন আশার সঞ্চার করবে। দেশের মানুষ এখনই চায় নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে, এবং বিএনপি সেই সংগ্রামে উপস্থিত রয়েছে এবং থাকবে।

    এসময় বক্তৃতা করেন মহানগর সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, মাসুদ পারভেজ বাবু, চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, কে. এম. হুমায়ুন কবির, হাফিজুর রহমান মনিসহ আরও অনেক বিশিষ্ট নেতা-কর্মী। সমাবেশ শেষে আনন্দ মিছিল নিয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন বিএনপি নেতাকর্মীরা, যেখানে তারা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, অবাধ নির্বাচন এবং তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানিয়ে নানা স্লোগান দেন।

  • দেশপ্রেমিক শক্তিকে আবারও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

    দেশপ্রেমিক শক্তিকে আবারও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

    আমাদের মহান দেশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার, যা অনেক রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে, তা নস্যাৎ করে 古ষড়যন্ত্রকারীরা দেশে একটি নতুন ফ্যাসিবাদী শৈলী প্রতিষ্ঠার চেষ্ঠা করছে। এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, আমাদের এই মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত অধিকারগুলো আমাদের কাছে অমূল্য। আমরা এই অধিকারকে বিনা লড়াইয়ে হারাতে দেব না। এই অপশক্তির বিরুদ্ধে সকল দেশপ্রেমিক শক্তিকে একযোগে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ঐক্যের মাধ্যমে আমরা ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়েছি এবং দেশের জনগণকে তাদের অধিকার ফিরিয়ে এনেছি, এই ধারাবাহিকতায় আজ আবারও সব দেশপ্রেমিকের কাছে একত্র হয়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

    গতকাল সোমবার সকাল ১১টায় সদর থানার মোড়ে বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেড, প্রিমিয়ার ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তিনি পিকচার প্যালেস মোড়ে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের মানববন্ধনে অংশ নিয়ে বক্তৃতা করেন। দুপুর ১২:৩০ মিনিটে খুলনা প্রেসক্লাবে আমার দেশ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি, সেখানে কেক কেটে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

    অপরদিকে, বাদ আছর (বেলা ৬টায়) ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপির আয়োজনে নবপল্লী কমিউিটি সেন্টারে এক মতবিনিয়ম সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিএনপি নেতা শওকত হোসেন সভাপতিত্ব করেন এবং এমরান হোসেন পরিচালনা করেন। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু। একই দিন সন্ধ্যায় বরিশাল বিভাগীয় কল্যাণ সমিতির আয়োজনে এড. আব্দুল মালেকের সভাপতিত্বে ও ইঞ্জিনিয়ার রুহুল আমিন হাওলাদারের পরিচালনায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনা এবং শহীদ ওসমান হাদির রুহের মাগফিরাতের জন্য দোয়া করা হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন সাবেক যুগ্ম সচিব কামরুল হক নাসিব, ইঞ্জিনিয়ার এনায়েত হোসেন, রাশেদুল ইসলাম, আব্দুর রহমান ও নাঈম মালিকসহ বিভিন্ন নেতাকর্মী।

    এছাড়াও, এই সকল কর্মসূচিতে অংশ নেন জননেতা আরিফুজ্জামান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, ইকবাল হোসেন খোকন, আনোয়ার হোসেন, ইউসুফ হারুন মজনু, সাদিকুর রহমান সবুজ, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, ইশহাক তালুকদার ও রবি। নেতাকর্মীরা বিশ্বাসী যে, ঐক্যই আমাদের দেশের অগ্রগতি নিশ্চিত করবে এবং অপশক্তির বিরুদ্ধে এই লড়াই ঐক্যবদ্ধভাবে চালিয়ে যেতে হবে।

  • তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাস্তবায়িত হবে নতুন সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন

    তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাস্তবায়িত হবে নতুন সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন

    বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, দেশের সাধারণ মানুষ যে নতুন, সমৃদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য একজন মানুষের নেতৃত্বে অগ্রসর হতে হবে— তিনি হচ্ছেন দেশের নেত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা, মৌলিক অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে তারেক রহমানের বিকল্প কাউকেই দেখা যাচ্ছে না।

    সোমবার বিকেলে পাবলা খানপাড়া বাসীর লোকজনের সঙ্গে, ৫নং ওয়ার্ড, দৌলতপুর থানা বিএনপি’র আয়োজনে আয়োজিত এক মতবিনিময় ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। বকুল বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে দেশের সাধারণ মানুষ ভোটাধিকার, ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তা থেকে বঞ্চিত হয়ে গেছে। এখন তারা পরিবর্তনের প্রত্যাশা করছে। তারা এক এমন বাংলাদেশ চায় যেখানে মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ হবে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং বাংলাদেশ বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। সেই স্বপ্ন সফল করতে তারেক রহমানের নেতৃত্বই সবচেয়ে কার্যকর এবং বাস্তবসম্মত। তিনি আহ্বান জানান আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিয়ে দেশের নেত্রী তারেক রহমানের হাতকে আরও শক্তিশালী করতে। বকুল বলেন, এই নির্বাচন কেবল ক্ষমতা পরিবর্তনের জন্য নয়, এটি গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার ও দেশের ভবিষ্যত রক্ষার প্রবল পদক্ষেপ। ধানের শীষে ভোট মানে মানুষের অধিকার, উন্নয়ন ও ন্যায়বিচারের পক্ষে ভোট।

    খান জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশেষ অতিথি ও আলোচকরা जैसे মাওলানা মুফতি নূর মোহাম্মদ, খন্দকার আলমগীর কবির, মোঃ খায়রুজ্জামান, সাইফুল ইসলাম পিয়াস, আলহাজ্ব ইসরাফিল সরদার, সরদার রফিকুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম, মোহাম্মদ শরীফ খান, আছিয়া খাতুন আশা, শাহিন আজাদ খান মিঠু প্রমুখ।

    বক্তারা বলেন, তারেক রহমানের ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কার প্রস্তাব দেশের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার প্রতিফলন। এই সংস্কার বাস্তবায়নে একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব হবে। তারা ভবিষ্যতে বিএনপির সকল কর্মসূচিতে ঐক্যবদ্ধভাবে অংশগ্রহণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

  • খুলনায় যুবকের দুহাত কেটে নিলো সন্ত্রাসীরা

    খুলনায় যুবকের দুহাত কেটে নিলো সন্ত্রাসীরা

    খুলনার বটিয়াঘাটা দারোগাভিটা এলাকার সন্ত্রাসীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে এক যুবককে দুই হাতের কব্জি কেটে ফেলা হয়েছে। আহত যুবকের নাম আক্তার আলী মোল্লা। তিনি জানান, আজ সকাল ৮টার দিকে নগরীর গল্লামারি সেতু থেকে মোটরসাইকেলে করে দুইজন পরিচিত সন্ত্রাসী তাকে নিয়ে যান বটিয়াঘাটা থানার দারোগাভিটার বিলের মাঝখানে। এর আগে থেকেই সেখানে আরও চারজন সন্ত্রাসী অবস্থান করছিল। সন্ত্রাসীরা তাকে ৪ হাত-পা বাধা অবস্থায় চাপাতি দিয়ে দুই হাতের কব্জি কেটে দেয়। কিছু সময় পরে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে সকাল ১০টায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। আহত আকতার আলী বলেন, এই সন্ত্রাসীদের সাথে তার পূর্ব পরিচয় রয়েছে এবং তারা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা চালাচ্ছে। তিনি মনে করেন, সন্ত্রাসীরা বিভ্রান্ত হয়ে মনে করেছিলেন, তিনি জানাবেন পুলিশকে মাদক ব্যবসার বিষয়টি, তাই এই বর্বরতা ঘটানো হয়েছে। আক্তার আলী মোল্লা নগরীর সোনাডাঙ্গা থানার বাসিন্দা ও দিন আরামবাগ এলাকার চানণ আলী মোল্লার ছেলে।

  • সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ৩৪৫৩ টাকা

    সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ৩৪৫৩ টাকা

    আগামি বছর নতুন মূল্য নির্ধারণের ঘোষণা দিয়ে দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বেড়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আজ শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাতের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ভরিতে ৩ হাজার ৪৫৩ টাকা বিশিষ্ট করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এখন নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৫ হাজার ৫৯৭টাকা। এর আগে সেই দাম ছিল ২ লাখ ১২ হাজার ১৪৪ টাকা। এই মূল্য পরিবর্তন আগামী রোববার থেকে কার্যকর হবে। বাজারে তেজাবি সোনার দাম কমে যাওয়ায় সামগ্রিকভাবে সোনার দাম নতুন এই রেটে নির্ধারিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাজুসের কর্মকর্তারা।

    নতুন হিসাব অনুযায়ী, সর্বোচ্চ মানের বা ২২ ক্যারেটের সোনার এক ভরি দাম এখন ২ লাখ ১৫ হাজার ৫৯৭ টাকা। এর পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি মূল্য পড়েছে ২ লাখ ৫ হাজার ৮০০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৭৬ হাজার ৩৯৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে তৈরি সোনার দাম এখন ১ লাখ ৪৬ হাজার ৮৩৮ টাকা।

    অতীতে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ছিল ২ লাখ ১২ হাজার ১৪৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ছিল ২ লাখ ২ হাজার ৪৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ছিল ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে সোনার প্রতি ভরি বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪২৪ টাকায়।

    বাজুস জানিয়েছে, সোনার বিক্রয়ে সরকারি নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুসের নির্ধারিত ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে, তবে গহনার ডিজাইন ও মান অনুযায়ী মজুরিতে ভিন্নতা থাকতে পারে।

    সঙ্গে অন্যান্য স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৫৭২ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪ হাজার ৩৬২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৩ হাজার ৭৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে রুপার দাম ২ হাজার ৮০০ টাকা। এর আগে, এই দামগুলো ছিল যথাক্রমে ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং ২ হাজার ৬০১ টাকা।

  • কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১৪ কোটি ডলার কিনলো ১৩ ব্যাংকের কাছ থেকে

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১৪ কোটি ডলার কিনলো ১৩ ব্যাংকের কাছ থেকে

    চলতি ডিসেম্বর মাসে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে গেছে। এর ফলে ব্যাংকগুলোতে ডলারের উদ্বৃত্ত সৃষ্টি হয়েছে, যা দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক আজ (গতকাল, সোমবার) ১৩টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে মোট ১৪ কোটি মার্কিন ডলার কিনেছে।

  • দেশ-বিদেশে ৬৬১৪৬ কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ

    দেশ-বিদেশে ৬৬১৪৬ কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ

    বিদেশে পাচার করা অর্থ উদ্ধার ও সম্পদ সংযুক্ত করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে দেশে ৫৫ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি অবরুদ্ধ ও সংযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া, বিদেশে ১০ হাজার ৫০৮ কোটি টাকা মূল্যের সম্পদসহ মোট ৬৬ হাজার ১৪৬ কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ জব্দ ও সংযুক্ত করা হয়। এই তথ্য জানানো হয়েছে বুধবার জাতীয় সমন্বয় কমিটির সভার পরে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে। সভার মূল লক্ষ্য ছিল মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে বিভিন্ন নীতি ও কার্যক্রম প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। এ সময় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, বিদ্যমান মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর কিছু ধারা আধুনিক করার জন্য সংশোধন আনবেন সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এছাড়া, বিদেশে পাচার করা অর্থ ও সম্পদ উদ্ধারে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১১টি গুরুত্বপূর্ণ কেসের ওপর নজর রাখা হয়। এই কেসগুলোতে এখন পর্যন্ত ১০৪টি মামলা দায়ের ও ১৪টি মামলার চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। আদালত এ যাবত ৪টি মামলার রায় দিয়েছেন। উল্লেখ্য, দেশে মোট ৫৫ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ ও বাইরেও ১০ হাজার ৫০৮ কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া, অগ্রাধিকার ১১ কেসের বিরুদ্ধে ২১টি মল্টাইল অর্ডার (এমএলএআর) সংশ্লিষ্ট দেশে পাঠানো হয়েছে। সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, দ্রুত চার্জশিট দাখিল, এমএলএআর পাঠানো ও মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য কার্যকর ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার। এগুলো মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এশিয়া প্যাসিফিক গ্র“প অন মানিলন্ডারিং (এপিজি) দ্বারা ২০২৭-২৮ মেয়াদে বাংলাদেশের উপর মিউচুয়াল ইভ্যালুয়েশন কার্যক্রম চালানো হবে। সকল সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থা এই ইভ্যালুয়েশন সফলভাবে সম্পন্ন করতে প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ সচিব, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তারা, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র, আইন, ফাইন্যান্স এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার প্রতিনিধিরা।

  • দেশের ইতিহাসে সর্বচ্চো সোনার দাম ভাঙল

    দেশের ইতিহাসে সর্বচ্চো সোনার দাম ভাঙল

    দেশের বাজারে টানা তৃতীয় দফায় সোনার দাম আবারও বাড়ল। এবার ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা করে মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে, ফলে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার ১১৭ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

    রোববার (২১ ডিসেম্বর) রাতে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করে। নতুন দাম আজ (২২ ডিসেম্বর) থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুস জানিয়েছে, দেশের বাজারে কিছুটা কমেছে তেজাবি সোনার দাম। এই পরিস্থিতির ভিত্তিতে নতুন দামের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    গত ১৫ ডিসেম্বর টানা দ্বিতীয় দফায় সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। ওই সময় ১ হাজার ৪৭০ টাকা বৃদ্ধির মাধ্যমে ২২ ক্যারেটের সোনার দাম নির্ধারিত হয় ২ লাখ ১৭ হাজার ৬৭ টাকা।

    নতুন দাম অনুযায়ী, এখন দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ১৮ হাজার ১১৭ টাকা। অন্যদিকে, ২১ ক্যারেটের এক ভরি দাম হবে ২ লাখ ৮ হাজার ২০২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য নির্ধারিত দাম ১ লাখ ৭৮ হাজার ৪৫৯ টাকা। সনাতন পদ্ধতিতে বিক্রির জন্য সোনার দাম হবে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫৯৯ টাকা প্রতি ভরি।

    অপরদিকে, দাম বাড়লেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৫৭২ টাকায়। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের রুপা প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৩৬২ টাকায়, ১৮ ক্যারেটের জন্য ৩ হাজার ৭৩২ টাকা, আর সনাতন পদ্ধতিতে বিক্রি রুপা ২ হাজার ৭৯৯ টাকায়।

  • সঞ্চয়পত্রের মুনাফা কমার সম্ভাবনা জানুয়ারি থেকে

    সঞ্চয়পত্রের মুনাফা কমার সম্ভাবনা জানুয়ারি থেকে

    অর্থ মন্ত্রণালয় নতুন করে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর পরিকল্পনা করেছে, যা আগামী ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হতে পারে। এই সিদ্ধান্তের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ এক প্রস্তাব পাঠিয়েছে, যা যদি অর্থ উপদেষ্টার অনুমোদন পায়, তবে তা বাস্তবায়িত হবে। এরপর অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) একটি আনুষ্ঠানিক পরিপত্র জারি করবে। সূত্র জানায়, বর্তমানে সঞ্চয়পত্রে সর্বোচ্চ মুনাফার হার ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৯ দশমিক ৭২ শতাংশ। নতুন প্রস্তাবে গড় হার শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত কমানোর কথা বলা হয়েছে, অর্থাৎ স্বল্প অঙ্কের বিনিয়োগে বেশি ও বড় অঙ্কের বিনিয়োগে কম মুনাফা নির্ধারণের পরিকল্পনা রয়েছে। একrepenবিনিয়োগে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার নিচে মুনাফা বেশি থাকবে, আর এর বেশি বিনিয়োগে হার কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। গত ৩০ জুন সরকার জনপ্রিয়তাপূর্ণ সঞ্চয়পত্রের হার কিছুটা কমিয়ে দেয়, যার ফলে নতুন হার কার্যকর হওয়ার আগে এই প্রক্রিয়া চলবে। আইআরডি সচিব মোঃ আবদুর রহমান খান জানিয়েছেন, এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি, কিন্তু যদি অর্থ বিভাগের সুপারিশ আসে, তাহলে পরিপত্র জারি করা হবে। প্রাথমিকভাবে, পরিবারের সঞ্চয়পত্র এখনো বেশ জনপ্রিয়, যেখানে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার কম বিনিয়োগে ১১ দশমিক ৯৩ শতাংশ ও বেশি বিনিয়োগে ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ মুনাফা প্রদান করা হয়। পেনশনার সঞ্চয়পত্র, বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র এবং তিনমাসের ভিত্তিতে মেয়াদি সঞ্চয়পত্রের হারও উল্লেখযোগ্য। অন্যদিকে, এফডি, ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড, ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকের সাধারণ হিসাবের মুনাফায় কোনো পরিবর্তন আসছে না। তবে, বেসরকারি ব্যাংক সংগঠনের চেয়ারম্যান আবদুল হাই সরকার মনে করেন, হার কমলে বড় অঙ্কের সঞ্চয় সরকারি খাতে চলে যাওয়ার প্রবৃত্তি কমবে এবং অর্থ ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ফিরবে, যা ঋণ প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে অর্থাৎ জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত সঞ্চয়পত্র বিক্রির মাধ্যমে সরকার ২ হাজার ৩৬৯ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। অতীতের অর্থবছরে এই ঋণ ছিল ঋণাত্মক, প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা। বর্তমানে সরকারের মোট ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকার বেশি।