Blog

  • আইআরজিসির গোয়েন্দা প্রধান মেজর জেনারেল মজিদ খাদেমি মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় নিহত: আইআরজিসি দাবি

    আইআরজিসির গোয়েন্দা প্রধান মেজর জেনারেল মজিদ খাদেমি মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় নিহত: আইআরজিসি দাবি

    ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তাদের গোয়েন্দা প্রধান মেজর জেনারেল মজিদ খাদেমি মার্কিন ও ইসরাইলি হামলায় নিহত হয়েছেন। আইআরজিসি’র জনসংযোগ বিভাগ সোমবার (৬ এপ্রিল) এই তথ্য ঘোষণা করেছে।

    বিভাগের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চলমান সংঘাতে ‘‘মার্কিন-জায়নিস্ট শত্রু’’ নাম উল্লেখ করে একটি সন্ত্রাসী হামলায় ভোরে খাদেমি শহীদ হন। আইআরজিসি খাদেমিকে প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে বিপ্লব এবং দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় নিষ্ঠা ও সাহসিকতার সঙ্গে কাজ করা একজন জ্যেষ্ঠ কমান্ডার হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং তার গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে অবদানকে স্থায়ী ও শিক্ষণীয় বলে অভিহিত করা হয়েছে।

    বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়েছে যে, মজিদ খাদেমির নেতৃত্ব ও কার্যক্রম দেশের গোয়েন্দা বাহিনীর জন্য বহু বছর পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করবে, বিশেষত কৌশলগত স্তরে বিদেশি শত্রুদের অনুপ্রবেশ, অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার ক্ষেত্রে।

    আইআরজিসি একই বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ঘটেছে- এমন একটি বড় ঘটনার পর থেকে তাদের ওপর ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে এবং এসব হামলায় ইরানের আনেক সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় তীব্র বিমান হামলা চালানো হয়েছে; এতে উল্লেখযোগ্য প্রাণহানি ও অবকাঠামো ক্ষতি হয়েছে—এমনও দাবি করা হয়েছে। পাল্টা হিসেবে ইরানি সশস্ত্র বাহিনী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে অধিকৃত অঞ্চলে ও আঞ্চলিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে মার্কিন ও ইসরাইলি অবস্থানগুলোকে লক্ষ্য করে প্রতিহিংসামূলক অভিযান চালিয়েছে, বলেই বিবৃতিতে উল্লেখ আছে।

    এই তথ্য ও দাবিগুলো আইআরজিসি’র অফিসিয়াল ঘোষণা ও তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে প্রকাশ করা হয়েছে। স্বাধীন সূত্র দ্বারা এই ঘটনার বিস্তারিত ও সব দাবি যাচাই করা হয়নি।

  • ফকিরহাটে পাম্পে তেল নেয়ার সময় বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালক নিহত

    ফকিরহাটে পাম্পে তেল নেয়ার সময় বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালক নিহত

    ফকিরহাটে পেট্রোল পাম্পে তেল নিতে গিয়ে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালক মো: ইয়াছিন শেখ (৫৫) নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনাটি ঘটেছে খুলনা-ঢাকা মহাসড়কের পাগলা-শ্যামনগর এলাকায়।

    নিহত ইয়াছিন শেখ স্থানীয় সাতশৈয়া গ্রামের শেখ আ. বারির ছেলে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল প্রায় ১০টায় ইয়াছিন শেখ তাঁর মোটরসাইকেলে পাগলা-শ্যামনগর এলাকার আরা ফিলিং স্টেশনে ঢুকছিলেন যোগাযোগে তেল অর্জনের জন্য। তখন খুলনাগামী এক যাত্রীবাহী বাস তাকে ধাক্কা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন।

    স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রফতানি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর দেড়টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলটি দুভাগে ভেঙে যায় এবং ঘটনাস্থলেই বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। এ সময় ধাক্কা দেয়া বাসটি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

    মোল্লাহাট হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আসাদুজ্জামান হাওলাদার বলেন, তিনি সড়ক দুর্ঘটনার বিষয়ে অবগত হয়েছেন এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    উল্লেখ্য, একই দিনে উল্লেখযোগ্য আরও দু’টি দুর্ঘটনা ঘটে। সকাল এগারটার দিকে পিলজং এলাকায় একটি ক্রেন উল্টে ইসরাফিল শেখ (২৭) আহত হন। এছাড়া শ্যামবাগাত এলাকায় বাসের ধাক্কায় একজন অজ্ঞাতপরিচয় বাইসাইকেল আরোহীও গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। আহত দুজনকেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে বলে পুলিশ জানায়।

  • সাফজয়ী অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবলাররা মাসে ১ লাখ টাকা বেতন পাবেন

    সাফজয়ী অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবলাররা মাসে ১ লাখ টাকা বেতন পাবেন

    বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দল টানা দ্বিতীয়বারের মতো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয় করেছে। ভারতকে টাইব্রেকারে হারিয়ে শিরোপা জেতার সুবাদে শনিবার (৪ এপ্রিল) রাতে দেশে ফিরলে তাদের জন্য ছিল উষ্ণ সংবর্ধনা ও অভিনন্দনের ঢল।

    বিমানবন্দর থেকে ছাদখোলা বাসে চ্যাম্পিয়নদের নিয়ে জাওয়া হয় হাতিরঝিলের অ্যাম্ফিথিয়েটারে, যেখানে আয়োজিত জমকালো অনুষ্ঠানে খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মাননা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে খেলোয়াড়দের জন্য বড় অঙ্কের আর্থিক পুরস্কারের ঘোষণা করা হয়।

    বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) চ্যাম্পিয়ন দলের প্রত্যেক ফুটবলারকে এক লাখ টাকা করে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি ৫০ হাজার টাকা করে পুরস্কার দেয়ার কথা জানিয়েছে। এছাড়া ঢাকা সিটি করপোরেশনও আলাদা আর্থিক প্রণোদনা দেওয়ার কথা জানায়।

    যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জয় লাভের পর থেকেই আর্থিক প্রণোদনার কথা উল্লেখ করেছিলেন, কিন্তু নির্দিষ্ট অঙ্ক তখন জানাননি। তিনি জানিয়েছিলেন জাতীয় ক্রীড়া দিবসে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কারের বিস্তারিত ঘোষণা করা হবে এবং ফুটবলারদের জন্য কিছু বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

    অবশেষে আজ জাতীয় ক্রীড়া দিবসে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে চমকস্বরূপ ঘোষণা করা হয়েছে: অনূর্ধ্ব-২০ সাফ চ্যাম্পিয়ন দলের প্রতিটি খেলোয়াড়কে মাসিক এক লাখ টাকা করে বেতন দেওয়া হবে। এই ঘোষণায় খেলোয়াড়দের পাশাপাশি মানুষের মধ্যে উৎফুল্লতা ও নতুন প্রত্যাশার সঞ্চার হয়েছে।

    এই সুযোগ খেলোয়াড়দের জীবনে স্থায়ী আর্থিক সহায়তা হিসেবে কাজ করবে এবং ভবিষ্যতে দেশের ফুটবলের উন্নয়নে তরুণ প্রতিভাদের অনুপ্রাণিত করার সম্ভাবনা রাখে।

  • বিসিবি নির্বাচন তদন্তে সাক্ষাৎকারে অংশ নেননি আসিফ মাহমুদ, কারণ জানালেন

    বিসিবি নির্বাচন তদন্তে সাক্ষাৎকারে অংশ নেননি আসিফ মাহমুদ, কারণ জানালেন

    জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) গত মাসে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাম্প্রতিক নির্বাচন সংক্রান্ত স্বচ্ছতা তদন্তের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল। কমিটি আজ এনএসসিতে তার প্রতিবেদন জমা দিল। তবে সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া তদন্ত কমিটির সামনে হাজির হননি এবং এ বিষয়ে নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

    আসিফ মাহমুদ বলেন, তিনি কেন তদন্ত কমিটির সাক্ষাৎকারে সাড়া দেননি—এর পেছনে কয়েকটি কারণ আছে। প্রথমত, বিসিবি একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও মন্ত্রণালয় ক্ষমতার বাইরে থেকে এর ওপর তদন্তভার দিয়েছে। দ্বিতীয়ত, তদন্তটি গঠনের প্রজ্ঞাপনে পূর্ব সিদ্ধান্তের ছাপ রয়েছে বলে তিনি মনে করেন। তৃতীয়ত, এই বিষয়ে উচ্চ আদালতে মামলা বিচারাধীন থাকায় আদালত অবমাননার আশঙ্কা আছে; এমন একটি মামলার বিষয়ে তদন্ত করে তা প্রভাবিত করা হচ্ছে বলে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। চতুর্থত, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন—বলেন, কিছু বোর্ড পরিচালককে আগামী বোর্ডে পরিচালক করার মিথ্যা লোভ দেখিয়ে রাজি না হলে ভীতি দেখিয়ে পদত্যাগ করানো হচ্ছে।

    তিনি আরও বলেছেন, তদন্ত কমিটি থেকে তাকে জানানো হয়েছিল যে বিষয়টি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন; তবু কমিটি কর্তৃপক্ষ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের ওপর তাদের তদন্তক্ষমতা এবং আদালত অবমাননার সম্ভাবনা সম্পর্কে স্পষ্ট ও সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা দেননি। এই কারণেই তিনি জানতে পেরেও তদন্তে অংশ নেওয়া থেকে বিরত ছিলেন।

    এনএসসি ১১ মার্চ সাবেক একজন বিচারপতির নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের ওই তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল। কমিটির প্রধান দায়িত্ব ছিল নির্বাচনী প্রক্রিয়া সুষ্ঠু হয়েছে কি না তা যাচাই করা। কমিটিকে ১৫ কার্যদিবসের সময় দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তারা নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রতিবেদন দাখিল করেছে।

    গণমাধ্যমে ও খেলোয়াড়দের মধ্যে মনে করা হয়, গত বছরের ৬ অক্টোবর ঢাকার কিছু ক্লাব সংগঠন বিসিবির নির্বাচন বর্জন করার পর থেকে দেশব্যাপী ক্লাব ক্রিকেট স্থবির রয়েছে। ঢাকার প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল) এখনও মাঠে শুরু না হওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্রিকেটার ও অনুরাগীরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।

  • হত্যাচেষ্টা মামলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর আরএস ফাহিমকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে

    হত্যাচেষ্টা মামলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর আরএস ফাহিমকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে

    কনটেন্ট ক্রিয়েটর আরএস ফাহিমকে হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপতার সিদ্ধান্ত দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত। আজ সোমবার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম শুনানি শেষে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন সংক্রান্ত মোহাম্মদপুর থানার এক হত্যা-চেষ্টা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখান।

    অদালতে আসামি ফাহিমকে হাজির করা হলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক মমিনুল ইসলাম তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষে বদলী করা প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমনও গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন এবং পুলিশ তাকে আদালতের হাজতখানায় নিয়ে যায়।

    প্রসঙ্গত, রোববার (২৯ মার্চ) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে রাজধানীর মিরপুর চিড়িয়াখানার সামনে থেকে জনতা ও কয়েকজন শিক্ষার্থী আরএস ফাহিমকে আটক করে। এরপর তাঁকে শাহ আলী থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে তারা। পরে ফাহিমকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়। ৩০ মার্চ গুলশান থানা তাকে মো. ইমরান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠায়।

    সূত্রে জানা গেছে, গত ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় মোহাম্মদপুরের বছিলা এলাকায় র‌্যাব কোয়ার্টার সংলগ্ন স্থানে মিছিল করা অবস্থায় বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে মিছিলে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় মাসুদ হোসাইন নামে এক ব্যক্তি আহত হন এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুকে সংক্রমণ ধরা পড়ে, পরে তাকে অপারেশনও করা হয়।

    এর আগেও গত বছরের ২৪ আগস্ট আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও বেসরকারি টেলিভিশনের মালিক নাসির উদ্দিন সাথীর ছেলে তৌহিদ আফ্রিদিকে বরিশাল থেকে আটক করে যাত্রাবাড়ী থানার আসাদুল হক বাবু হত্যার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল। সেই ঘটনায় তরুণ স্টান্ট রাইডার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর আরএস ফাহিমও আলোচনায় আসেন। গত বছরের জুলাইয়ে আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী ও সাধারণের বিপরীত অবস্থান নিয়েও তখন থেকেই তাঁর নাম বিভিন্নবার উঠে এসেছে।

  • ধারাছোঁয়ার বাইরে ‘ধুরন্ধর ২’: ১৭ দিনে আয় প্রায় ৯৬৩.৪৭ কোটি

    ধারাছোঁয়ার বাইরে ‘ধুরন্ধর ২’: ১৭ দিনে আয় প্রায় ৯৬৩.৪৭ কোটি

    বলিউড সুপারস্টার রণবীর সিংয়ের হিট স্পাই থ্রিলার ‘ধুরন্ধর ২’ মুক্তির ১৭ দিনেও বক্স অফিসে রওয়ানা ধরে রেখেছে। স্যাকনিল্কের সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ছবিটি তৃতীয় শনিবারে একলক প্রায় ২৫.৬৫ কোটি টাকা আয় করেছে এবং সামগ্রিক কাহিনীতে ধারাবাহিক সাফল্য দেখিয়েছে।

    বিস্তারিত পরিসংখ্যানে দেখা যায়, প্রথম সপ্তাহে ছবিটি সংগ্রহ করেছিল প্রায় ৬৭৪.১৭ কোটি টাকা। দ্বিতীয় সপ্তাহে তা আরও যোগ করে ২৬৩.৬৫ কোটি। এই দুই সপ্তাহের আয়ের সঙ্গে তৃতীয় শনিবারের সংগ্রহ মিলিয়ে ১৭ দিনে মোট আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯৬৩.৪৭ কোটি টাকা।

    চলচ্চিত্র বিশ্লেষক ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ধারণা, চলতি গতিই বজায় থাকলে ‘ধুরন্ধর ২’ খুব শিগগিরই ১,০০০ কোটি টাকার ক্লাবে প্রবেশ করবে। ইতোমধ্যেই ছবিটি ‘আরআরআর’, ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’, ‘কেজিএফ: চ্যাপ্টার ২’, ‘জওয়ান’, ‘পাঠান’, ‘স্ত্রী ২’ ও ‘অ্যানিমেল’-এর মতো বিগ ব্লকবাস্টারগুলোর লাইফটাইম কালেকশন ছাড়িয়ে গেছে। তবে তালিকার শীর্ষস্থান দখল করতে হলে ‘বাহুবলী ২: দ্য কনক্লুশন’ ও ‘পুষ্পা ২: দ্য রাইজ’–এর রেকর্ড ভাঙতে হবে।

    ফ্র্যাঞ্চাইজির তথ্য বলছে, ‘ধুরন্ধর’ সিরিজের প্রথম কিস্তি বিশ্বজুড়ে প্রায় ১,৩০০ কোটি টাকা আয় করেছিল। দ্বিতীয় কিস্তিতে দর্শক আগ্রহ ও ইতিবাচক ওয়র্ড-অফ-মাউথ ছবিকে বড় পরিসরে টেনে এনেছে বলে চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

    প্লটের দিক থেকে প্রথম কিস্তিতে রণবীরকে লক্ষ করা গিয়েছিল একজন ভারতীয় গুপ্তচর হামজা হিসেবে। এবারের কিস্তিতে কেন্দ্রীয়ভাবে দেখা যাচ্ছে জাসকিরাত সিং রাঙ্গির উত্থান—কীভাবে ও কী পরিস্থিতিতে সে ধীরে ধীরে বদলে একজন দুর্ধর্ষ গুপ্তচর হামজা আলি মাজারিতে পরিণত হয়।

    আদিত্য ধর পরিচালিত এই স্পাই অ্যাকশন থ্রিলারে রণবীর সিংয়ের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন অর্জুন রামপাল, আর. মাধবন, সঞ্জয় দত্ত, রাকেশ বেদী এবং সারা অর্জুন। এছাড়া দানিশ পান্ডো, উদয়বীর সান্ধু প্রমুখ শিল্পীরাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রয়েছেন। একটি বিশেষ চমক হিসেবে দেখা গেছে পরিচালক আদিত্য ধর্মার স্ত্রী অভিনেত্রী ইয়ামি গৌতমের ক্যামিওয়াল উপস্থিতি।

    সিনেপ্রেমী ও বাণিজ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি পরের কয়েক দিনে টিকিট বিক্রির ধারা বজায় থাকে এবং কোন বড় নির্মাণকারী রিলিজ না আসে, তাহলে ‘ধুরন্ধর ২’ শিগগিরই ১,০০০ কোটি পার করে মহাসফল ছবির তালিকায় নিজ অবস্থান নিশ্চিত করবে।

  • তনু হত্যা মামলায় পিবিআই পরিদর্শক তরিকুলকে কুমিল্লা আদালতে তলব

    তনু হত্যা মামলায় পিবিআই পরিদর্শক তরিকুলকে কুমিল্লা আদালতে তলব

    বহুল আলোচিত সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় তদন্তের অগ্রগতি জানতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ঢাকার পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলামকে কুমিল্লার আদালতে তলব করা হয়েছে। কুমিল্লা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (১ নম্বর আমলি) আদালতের বিচারক মো. মুমিনের নির্দেশনায় তাকে সোমবার (৬ এপ্রিল) হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

    শুনানিতে আদালত মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে তিনজনের ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট গ্রহণের অনুমতি দেয়। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এই রিপোর্ট তদন্তে নতুন দিক উন্মোচন করে দ্রুত অগ্রগতি আনার সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।

    মামলার বাদী ও তনুর বাবা ইয়ার হোসেন দীর্ঘ সময় ধরে ন্যায়বিচারের আশায় ঘুরলেও কোনো সুরাহা না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, প্রায় দশ বছর পার হলেও মেয়ের হত্যার বিচারে কোনো অগ্রগতি দেখেননি এবং একাধিক দফতরে যোগাযোগ করেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ হয়নি। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে বর্তমান সরকারের সময়ে এই মামলার ন্যায্য বিচার সম্পন্ন হবে এবং দোষীরা অবশ্যই শাস্তির মুখোমুখি হবে। পাশাপাশি তিনি জানান, দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে প্রয়োজনে শীর্ষ নেতাদের, প্রয়োজন মনে করলে প্রধানমন্ত্রীসহ, সাক্ষাৎ করে মেয়ের হত্যার বিচারের দাবি জানাবেন।

    ঘটনার পটভূমি স্মরণ করলে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ রাতে কুমিল্লার ময়নামতি সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের কাছে কালেরভাটের পশ্চিম পাশে জঙ্গলের মধ্যে কলেজছাত্রী সোহাগী জাহান তনুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।翌 দিন ২১ মার্চ বিকেলে তনুর বাবা ইয়ার হোসেন কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অফিস সহকারী হিসেবে থাকা অবস্থায় কোতোয়ালি মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

    মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাদের বদল ঘটেছে কয়েকবার। প্রথমবার ২০১৬ সালের ২১ মার্চ কোটওয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সাইফুল ইসলামকে তদন্ত কর্মকর্তা করা হয়েছিল। এরপর ২৫ মার্চ কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম মনজুর আলম দায়িত্ব নেন। পরবর্তীতে ২০১৬ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত সিআইডির কুমিল্লার পরিদর্শক গাজী মোহাম্মদ ইব্রাহীম দায়িত্বে থাকা দুই। ২৪ আগস্ট ২০১৬ থেকে সিআইডির নোয়াখালী ও ফেনী অঞ্চলের তখনকার সহকারী পুলিশ সুপার (বর্তমানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) জালাল উদ্দিন আহম্মাদকে তদন্তভার দেয়া হয়।

    মামলাটি ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর সিআইডি থেকে পিবিআইয়ের ঢাকার সদর দফতরে হস্তান্তর করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, পিবিআই ২০২০ সালের নভেম্বরের পর তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ হয়নি। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তদন্তকারীর দায়িত্ব আবারও বদল করে পিবিআই ঢাকার আরেক পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলামকে দায়িত্ব দেয়া হয়।

    আদালতের সাম্প্রতিক নির্দেশনা ও ডিএনএ প্রতিবেদন গ্রহণ মামলার তদন্তে নতুন বিন্দু যোগ করতে পারে—এই আশায় রয়েছে তদন্তকারী সংস্থা ও পরিবার। আগামী দিনগুলোতে তদন্ত কর্মকর্তার দেয়া লিখিত ব্যাখ্যা ও ডিএনএ প্রতিবেদন আইনগতভাবে কী কার্যকর প্রভাব ফেলে, সেটাই দিয়ে মামলার পরবর্তী চিত্র নির্ধারিত হবে।

  • ড. ইউনূসসহ সব উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ

    ড. ইউনূসসহ সব উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ উপদেষ্টা পরিষদের সব সদস্যকে নিয়ে তদন্ত এবং দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারির দাবি করে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশটি পাঠিয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম. আশরাফুল ইসলাম।

    নোটিশটি সোমবার (৬ এপ্রিল) ক্যাবিনেট সচিব, স্বাস্থ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিবসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবদের কাছে রেজিস্ট্রি ডাকযোগে পাঠানো হয়েছে। নোটিশে নোটিস গ্রহণের পাঁচ দিনের মধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ উপদেষ্টা পরিষদের সকল সদস্যের বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারির আহ্বান জানানো হয়েছে। নির্দেশ মেনে না চললে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

    নোটিশে বলা হয়েছে, দেশে আকস্মিকভাবে বিলুপ্তপ্রায় রোগ ‘হাম’–এর প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে; ইতোমধ্যে শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং অনেক শিশু ও সাধারণ মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এছাড়া টিকাদান কার্যক্রম রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার বাইরে বেসরকারি খাতে দেওয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের জড়িত হওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে। এসব অভিযোগ তদন্তের প্রয়োজনীয়তা চিহ্নিত করে তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানানো হয়েছে।

    নোটিশে আরো বলা হয়েছে, তদন্ত কাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ড. মুহাম্মদ ইউনূস, ড. আসিফ নজরুল, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, আদিলুর রহমান খান, নূর জাহান বেগম, ব্রিগেডিয়ার (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, মোস্তফা সরওয়ার ফারুকীসহ সব উপদেষ্টা, সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এবং সংশ্লিষ্ট সাবেক ব্যক্তিগত সহকর্মীদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানানো হয়েছে।

    ব্যারিস্টার এম. আশরাফুল ইসলাম নোটিশ পাঠানোর প্রসঙ্গে বলেছেন, আইনশাসন, গণতন্ত্র, জবাবদিহিতা এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার স্বার্থেই তিনি এ নোটিশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, উপযুক্ত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নেয়া হলে আইনি পথে এগোনো হবে।

  • সংসদ মানুক না মানুক—গণভোটের রায় আদায় করেই ছাড়ব: জামায়াত আমির

    সংসদ মানুক না মানুক—গণভোটের রায় আদায় করেই ছাড়ব: জামায়াত আমির

    জামায়াতে ইসলামী আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সংসদ মানুক না মানুক—গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করেই তারা শেষ করবেন। তিনি বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)-এর ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন।

    ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন যে সংসদ নির্বাচনের ফলাফল হাইজ্যাক করা হয়েছে। তার কথায়, ‘‘৭০ ভাগ জনগণ হ্যাঁ’র পক্ষে ভোট দিয়েছে। আমরা হ্যাঁ’র পক্ষে ছিলাম এবং আছিও। জনগণের সুপ্রিম উইলকে আমরা সম্মান দেখিয়েছি, দেখিয়ে যাব। সংসদ যদি মানুক বা না মানুক—গণভোটের রায় আমরা বাস্তবায়ন করব, আদায় করেই ছাড়ব, ইনশাআল্লাহ।’’

    বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, একটি জাতি ও দেশের মধ্যে ন্যায়, ইনসাফ ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে সেই মূল্যবোধ প্রথমে দলের ভেতর থেকে শুরু করতে হবে। তিনি আহতদের হাতে নিরাপত্তাহীনতার কথা উল্লেখ করে বলেন, যারা নিজেদের দলের মধ্যেই গণতন্ত্র চর্চা করতে পারে না, তারা ১৮ কোটি মানুষের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হবে এবং জাতির কাছে ন্যায়-ইনসাফ উপহার দিতে পারবে না।

    ডা. শফিকুর আরও বলেন, ‘‘জনগণ ঠিকই বুঝেছে। ২৪-এ জনগণ রায় দিয়েছে। হয়তো কেউ প্রশ্ন করতে পারেন—আপনারা রায় পেয়ে থাকলে কেন সরকার গঠন পারেননি। আমাদের রায়কে হাইজ্যাক করা হয়েছে, ডাকাতি করা হয়েছে, জনগণকে অপমান করা হয়েছে। এবং তার রাজসাক্ষীও মিলেছে।’’

    তিনি এক ক্ষেপ্তূপকতা তুলে ধরে বলেছিলেন, ‘‘হ্যাঁ, ঘুঘু বারবার আসে ধান খেয়ে চলে যায়। কিন্তু কপাল খারাপ হলে জালে বেঁধে যায়। ঘুঘু তুমি একবার জনগণের ধান খেয়েছো—এবার তোমার লেজ, পা, ডানা ঠিকই অবশ করে দেওয়া হবে।’’

    সংসদ যদি জনগণের আকাঙ্ক্ষা অনুধাবন করে রায় বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়, তবে আন্দোলনের মাধ্যমে তা আদায় করা হবে—এমনbrite সিদ্ধান্ত পুনরায় জোর দিয়ে বলেন জামায়াত আমির। তিনি স্মরণ করান, ‘কেয়ারটেকার’ ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও সংসদে উদ্যোগ না হওয়ায় জনগণের শক্তি ভর করে দাবি আদায় করা হয়েছিল; এবারও একই পথে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি থাকবে।

    জ্বালানি সংকটের মোকাবেলায় সংসদে আলোচ্যতা থাকলেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ তুলেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে জ্বালানি সংকট বাড়ছে, যা কৃষি উৎপাদনকে প্রভাবিত করতে পারে এবং ফলস্বরূপ খাদ্য সংকটের ঝুঁকি বাড়বে।

    শিক্ষা খাতে জ্বালানি সংকটের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে তিনি বলেন, জ্বালানি সংকটকে অজুহাত করে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত করলে তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ক্ষতিকর হবে। শিক্ষাকে সর্বশেষ বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা উচিত, আগে নয়।

    ডা. শফিকুর বলেছেন, সংসদে থাকা জামায়াতের প্রতিনিধি জনগণের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করবে এবং অন্যায়ের সামনে নতি স্বীকার করবে না।

    সভায় জাগপার মুখপাত্র প্রকৌশলী রাশেদ প্রধানের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা ছিলেন পার্টির সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) হাসিনুর রহমান প্রমুখ।

  • কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে: মির্জা ফখরুল

    কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে: মির্জা ফখরুল

    বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, সামাজিক ঐক্য বজায় রেখে ভ্রাতৃত্ব ও প্রেমের ভিত্তিতে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা প্রয়োজন। রোববার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর মাদানি অ্যাভিনিউয়ে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ‘ইস্টার সানডে’ অনুষ্ঠানে তিনি উদ্বেগ ব্যক্ত করে বলেন, কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করছে এবং সেটি রুখে দিতে হবে।

    মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের সমাজ থেকে ‘ঘৃণা’ শব্দটি চিরতরে নির্মূল করা উচিত। বিভাজন নয়, বরং মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সৌহার্দ্যই হোক আমাদের চলার পথের মূল শক্তি। তিনি সবাইকে পারস্পরিক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্ববোধকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।

    তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সব ধর্মের মানুষের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এক অনন্য দেশ। এখানে ইসলাম ধর্মের পাশাপাশি হিন্দু, খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরাও সমানভাবে ভোগোচিত অংশ। এ ভূখণ্ডে দীর্ঘদিন ধরে সব ধর্মের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করে আসছে, এবং সেই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে হবে।

    স্থানীয় সরকারমন্ত্রী একটি সময় ধর্মীয় ভিত্তিতে বিভাজন সৃষ্টি করার অপচেষ্টার কথা স্মরণ করে বলেন, আমাদের সবাইকে সেই বিভাজনের চক্রান্ত থেকে বেরিয়ে এসে একসাথে এগোতে হবে।

    খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি এবং বলেন, ‘‘আপনাদের সমর্থন ও সহযোগিতায় আমরা আগামীতে একটি সমৃদ্ধ সরকার গঠন করতে চাই। আমাদের সামনে অনেক কাজ আছে, সেগুলো সম্পন্ন করতে সবাইকে নিয়ে এগোতে হবে।’’

    অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল সকল ধর্মাবলম্বীর প্রতি সহমর্মিতা ও সহযোগিতার আহ্বান জানান এবং বলেছিলেন, সামাজিক সংহতি ও মানবিক মূল্যবোধই হবে দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার মূল ভিত্তি।