হত্যাচেষ্টা মামলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও স্টান্ট রাইডার আরএস ফাহিমের গ্রেপ্তারি নিশ্চিত হয়েছে। আজ সোমবার, ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম শুনানি শেষে তাকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের এক হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেফতার দেখান। শুনানি চলাকালে আদালতে উপস্থিত ছিলেন ফাহিম নিজে, পাশাপাশি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক মমিনুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষের প্রভাবশালী আইনজীবী মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন তার গ্রেপ্তারির পক্ষে শুনানি করেন। শুনানি শেষে তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেওয়া হয় এবং পুলিশ প্রহরায় তাকে আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়।
এর আগে, রোববার (২৯ মার্চ) বিকেল চারটার সময় রাজধানীর মিরপুরের চিড়িয়াখানার সামনে থেকে জনতা ও কিছু শিক্ষার্থী তাকে আটক করে। পরে তাকে শাহ আলী থানায় নেয়া হয় এবং পরে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়। এরপর ৩০ মার্চ গুলশান থানায় মো. ইমরান নামে এক ব্যক্তির হত্যাচেত্রের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং কারাগারে পাঠানো হয়।
সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুরের Biccha এলাকা থেকে মিছিল করছিলেন আন্দোলনকারীরা। বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে সেখানে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে, যার ফলশ্রুতিতে মাসুদ হোসাইন নামে একজন আহত হন। তিনি পরে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন এবং বুকে ইনফেকশন ধরা পড়ায় তার অস্ত্রোপচার করা হয়।
অন্যদিকে, গত বছরের ২৪ আগস্ট মুক্তিপ্রাপ্ত আলোচিত এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও বেসরকারি টেলিভিশনের মালিক নাসির উদ্দিন সাথীর ছেলে তৌহিদ আফ্রিদিকে বরিশাল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়া এক হত্যাচেষ্টা মামলায় জড়ানো হয়। এই ঘটনা তাকে তরুণ প্রজন্মের মাঝে জনপ্রিয় করে তোলে। গত বছরের জুলাইয়ে আন্দোলনের সময় তার নাম বারবার আলোচনায় আসে, যেখানে তিনি বিভিন্ন স্টান্ট ও স্টাইলের মাধ্যমে জনমত গঠন করেছেন। এই আন্দোলনের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে বিভিন্ন মতামত উঠে আসছে।
