Blog

  • হত্যাচেষ্টা মামলায় আরএস ফাহিমকে গ্রেপতার দেখানো হয়েছে

    হত্যাচেষ্টা মামলায় আরএস ফাহিমকে গ্রেপতার দেখানো হয়েছে

    কনটেন্ট ক্রিয়েটর আরএস ফাহিমকে হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপতার দেখানো হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম শুনানি শেষে তাকে গ্রেপতার আদেশ দেন।

    আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক মমিনুল ইসলাম তাকে গ্রেপতার আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন। শুনানি শেষে আদালত ফাহিমকে গ্রেপতার দেখা দেয় এবং পরে পুলিশ তাকে হাজতখানায় নিয়ে যায়।

    এর আগে রোববার (২৯ মার্চ) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে রাজধানীর মিরপুর চিড়িয়াখানার সামনে থেকে জনতা ও একদল শিক্ষার্থী আরএস ফাহিমকে আটক করে। তাদের হাতে আটক করে শাহ আলী থানার পুলিশকে সোপর্দ করা হলেও পরে তাকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়। ৩০ মার্চ গুলশান থানা তাকে মো. ইমরান হত্যা মামলায় গ্রেপতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠায়।

    পেছনের প্রেক্ষাপট হিসেবে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় মোহাম্মদপুরের বছিলা এলাকায় র্যাব কোয়ার্টারের সামনে এক মিছিল চলাকালীন গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে মাসুদ হোসাইন নামে একজন আহত হন এবং পরে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে তার বুকে ইনফেকশন ধরা পড়ে; চিকিৎসার প্রয়োজন হওয়ায় অপারেশনও করা হয়।

    গত বছরের ২৪ আগস্টেও আলোচনায় এসেছেRelated ঘটনা—তখন কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও টেলিভিশন মালিক নাসির উদ্দিন সাথীর ছেলে তৌহিদ আফ্রিদিকে বরিশাল থেকে আটক করে যাত্রাবাড়ী থানার আসাদুল হক বাবু হত্যা মামলায় গ্রেপতার দেখানো হয়েছিল। সেই সময় থেকেই তরুণ প্রজন্মের স্টান্ট রাইডার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর আরএস ফাহিমের নাম নানা ধরনের ঘটনায় উঠে এসেছে; বিশেষ করে গত বছরের আন্দোলনকালে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের বিপরীতে তার অবস্থানের জেরেই তার নাম বারবার আলোচনায় এসেছে।

    এখন মামলার পরবর্তী কার্যক্রম ও তদন্ত কী রকম অগ্রসর হয়, তার তথ্য পাওয়া গেলে পরবর্তী আলোকপাত করা হবে।

  • নগরীতে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় পবিত্র সরকার গ্রেফতার

    নগরীতে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় পবিত্র সরকার গ্রেফতার

    নগরীতে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের এক মামলায় পবিত্র কুমার সরকারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে গত রোববার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। পবিত্র সরকার বটিয়াঘাটা উপজেলার মৃত তারাপদ সরকার পরিবারের সন্তান। তার বিরুদ্ধে বহু গুরুত্বর অভিযোগ রয়েছে।তিনি বিএনপির সমাবেশে হামলা, দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর, জুলাইয়ে গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, গণতান্ত্রিক সরকার উৎখাতের চক্রান্ত, মাদক চোরাচালান, সাম্প্রদায়িক উসকানি এবং খুলনায় নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করার জন্য অর্থ তহবিল সরবরাহের মতো অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে সততার সঙ্গে তদন্তে আছেন।

  • দিঘলিয়ায় যুবদল নেতা হত্যা মামলার মূল আসামি বাকা মাসুদ গ্রেফতার

    দিঘলিয়ায় যুবদল নেতা হত্যা মামলার মূল আসামি বাকা মাসুদ গ্রেফতার

    দিঘলিয়া উপজেলার যুবদল নেতা মুরাদ খাঁ হত্যা মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আসামি বাকা মাসুদ (৪৪) র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) কর্তৃক গ্রেফতার হয়েছ। সোমবার রাতে তাকে মাগুরা থেকে আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃত বাকা মাসুদ উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়নের বাসিন্দা ও বাকা মিয়ার ছেলে।

    র‌্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মুরাদ খাঁ রাজ্যের সেনহাটি ইউনিয়নের একজন ক্ষমতাবান যুবদল নেতা ছিলেন। ১৮ ফেব্রুয়ারি, উপজেলার কাঁথির চত্বরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ নেতা ও ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান ওরফে সাজ্জাদ হোসেন এবং তার সঙ্গে থাকা অন্য ব্যক্তিদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ঘটে।

    এরপর, ২৭ ফেব্রুয়ারি বিকেলে, মুরাদ খাঁ দোকানে জুতা কেনার জন্য বের হন। ঠিক তখনই, বকা মাসুদসহ চিহ্নিত ১১ জন ও অজানা আরও ১২-১৩ জন ছদ্মবেশে দেশীয় অস্ত্র, লোহার রডসহ তাকে গতিরোধ করে। পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করার জন্য শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। এতে গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে অবস্থার অবনতি হলে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসকরা মারা যান বলে ঘোষণা করেন।

    এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী জান্নাতুল মাওয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। এই ঘটনার পর থেকে বকা মাসুদ পলাতক ছিলেন। প্রযুক্তির সহায়তায় র‌্যাব-৬ তার অবস্থান নিশ্চিত করে, ভাটিয়াপাড়া ক্যাম্পের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করে। এখন তিনি পুলিশের হেফাজত রয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে।

  • খুলনা জেলায় সব সমস্যা সমাধানে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে প্রশাসন

    খুলনা জেলায় সব সমস্যা সমাধানে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে প্রশাসন

    খুলনার নবাগত জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত গতকাল মঙ্গলবার তাঁর কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, খুলনা জেলায় প্রকৃত সমস্যা যাই থাকুক না কেন, তার সমাধানে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হবে। তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা ও সমর্থন চেয়ে বলেন, সমস্যা সমাধানে সকলের মিলিত প্রচেষ্টা জরুরি। এছাড়া তিনি নিশ্চিত করেন, তার দপ্তরসহ সরকারি সব দপ্তর থেকে জনসাধারণের হয়রানিমূলক কোনও কাজ হওয়া চলবে না। জনকল্যাণে কাজ করার জন্য গঠিত এই দপ্তরগুলো সম্পূর্ণ নিজস্ব দায়বদ্ধতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করবে বলে তিনি আশ্বাস দেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার দপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ আরিফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মন্ডল, খুলনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রফিউল ইসলাম টুটুল, নির্বাহী সদস্য শেখ দিদারুল আলম, মিজানুর রহমান মিল্টন, আশরাফুল ইসলাম নূর, পাশাপাশি মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার সভাপতি মোঃ রাশিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রানাসহ অনেক সাংবাদিক ও মিডিয়া কর্মী উপস্থিত ছিলেন। সকলের সহযোগিতায় খুলনার উন্নয়ন ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন উপস্থিত প্রতিনিধিরা।

  • সাতক্ষীরায় জ্বালানি তেলের সংকট নেই বললেও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চলছে

    সাতক্ষীরায় জ্বালানি তেলের সংকট নেই বললেও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চলছে

    সাতক্ষীরা জেলায় পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল থাকাকেও দেখা যাচ্ছে না এর উপযুক্ত সরবরাহ ও পৌঁছানোর সুবিধা। ফলে পেট্রোল ও অকটেনের সরবরাহের অভাবে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, একত্রিত কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বা চক্র পাম্প থেকে তেল সংগ্রহ করে তা বাইরে উচ্চ দামে বিক্রি করছে, বিধায় কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হচ্ছে। এর ফলে সাধারণ গোটা জনগণের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে ও অর্থের ক্ষতি হচ্ছে।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে প্রতিদিন নিয়মিতভাবে তেল সরবরাহ হলেও কিছু চক্র এসব পাম্প থেকে অনেক বেশি পরিমাণে তেল সংগ্রহ করে থাকে। তারা স্বাভাবিক দামে তেল কিনে বাইরে দুই থেকে তিনগুণ বেশি দামে বিক্রি করছে। বিশেষ করে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালকদের একটি বড় অংশ এই দপ্তর কাজে জড়িয়ে পড়েছে। এছাড়াও কিছু প্রাইভেটকার চালকও অবৈধ ব্যবসায় যুক্ত হয়ে পাম্প থেকে তেল সংগ্রহ করে বাইরে থেকেও ড্রাম বা বোতলে করে ১২০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি করছে। কোথাও কোথাও এ তেল ৩০০ টাকা লিটারে বিক্রি হচ্ছে। ফলে লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে না পারায় অনেক গ্রাহক বাধ্য হয়ে অধিক দামে তেল কিনছেন।

    সূত্র জানায়, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় পাঁচ হাজারের বেশি ভাড়া চালিত মোটরসাইকেল রয়েছে। এদের অনেকেই এখন গতিশীল পরিবহনের পরিবর্তে তেল বিক্রির কাজে জড়িয়ে পড়েছে। তারা প্রতিদিন সন্ধ্যা বা আগের দিন রাত থেকে পাম্পে লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করে, পরের দিন তা বাইরে বিক্রি করছে। এতে করে লাইন আর দীর্ঘ হচ্ছে, এবং সাধারণ গ্রাহকদের জন্য তেল প্রাপ্তি অনেক কঠিন হয়ে পড়ছে। কর্মজীবী মানুষ ও জরুরি প্রয়োজনে যারা যানবাহন ব্যবহার করেন, তারা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন। ঘণ্টাকরণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেক সময় তেল না পেয়ে ফিরতে হচ্ছে।

    আশাশুনির বড়দল এলাকার আলি হোসেন বলছেন, পাম্পে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও অনেক সময় তেল পাওয়া যায় না। ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালকদের কারণে কাছাকাছি জায়গায় তেল পাওয়া খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে। সম্প্রতি তিনি অভিযোগ করেছেন, একটি ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালকের কাছ থেকে ৫ লিটার পেট্রোল ২২০ টাকায় কিনেছেন, যা স্থানীয় বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা লিটারে।

    সাতক্ষীরা শহরের একজন ব্যবসায়ী ও সাংবাদিক আব্দুস সামাদ বলেন, কিছুদিন আগে তিনি খুলনায় একটি গাড়ি ভাড়া নিয়ে ব্যবসার কাজে গিয়েছিলেন। ওই গাড়ির চালক সমানে পাম্প থেকে তেল সংগ্রহ করে কিছু অংশ বাইরে বিক্রি করছিল। বলতে গেলে, এই ব্যবসায় জড়িত চালকরা পাম্প থেকে তেল নিয়ে বাইরে বিক্রি করছে বলে মনে হয়েছে।

    অন্যদিকে, জেলা পেট্রোলপাম্পের কিছু ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জেলার বিভিন্ন পাম্পে তেল সরবরাহ থাকলেও চোরাকারবারি ও সিন্ডিকেটের কারণে খোলাবাজারে তেল কঠোরভাবে বিক্রি হচ্ছে। এরা পাম্পের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে যোগসূত্র রেখে অকারণে তেল মজুদ করে রাখে বা অবৈধভাবে বাইরে বিক্রি করে দেয়। এতে দেখা যাচ্ছে, অনেক গ্রাহক তেল না পেয়ে অন্যথায় খোলা বাজার থেকে অধিক মূল্যে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।

    জেলা প্রশাসনের একটি সূত্র জানায়, প্রতিদিন একই সময়ে জেলাজুড়ে সব পাম্পে একযোগে তেল সরবরাহ করলে দীর্ঘ লাইনের সমস্যাও কমে আসবে। পাশাপাশি, প্রশাসনিক মনিটরিং জোরদার করে ওই অসাধু ব্যবসায়িদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নিলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে।

    স্থানীয়রা বলছেন, প্রশাসনের নজরদারির অভাব ও পাম্প কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে এই সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে, এ পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে শঙ্কা। সাধারণ জনগণের দাবি, প্রয়োজনীয়তামাত্রা ও ভোক্তার স্বার্থে তেল বিক্রিতে কড়া নজরদারি, সীমিত উত্তোলন এবং দোষীদের ধরে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া আবশ্যক; অন্যথায় কৃত্রিম সংকটের চক্র দীর্ঘদিন টিকে থাকবে।

  • নগরীতে অব্যবহৃত সরকারি জমিতে বিনোদনের জন্য পরিবেশ তৈরি করতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে

    নগরীতে অব্যবহৃত সরকারি জমিতে বিনোদনের জন্য পরিবেশ তৈরি করতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু অব্যাহত উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেছেন, নগরবাসী যেন তাদের বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলির পূর্ণ সুবিধা পেতে পারে। খুলনায় বোটানিক্যাল গার্ডেন, খেলার মাঠসহ মানসম্পন্ন বিনোদন কেন্দ্রের অভাবের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, নগরীতে অনেক সরকারি জমি এখনো অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এই অপ্রয়োজনে পড়া জমিগুলোর বিকল্প ব্যবহার করে অবকাশ ও বিনোদনের পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। গতকাল মঙ্গলবার সকালে সৌন্দর্যবর্ধনের লক্ষ্য নিয়ে নগরীর ৭নং ঘাট এলাকা পরিদর্শন করে তিনি এসব কথা বলেন। উল্লেখ্য, জার্মান সরকারের অর্থায়নে পূর্বে এই এলাকাটির উন্নয়ন ও সন্দর্যবর্ধন করা হয়েছে। আগামী ৯ এপ্রিল, জার্মান সরকারের সাত সদস্যের পার্লামেন্ট সদস্য এবং জার্মান দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত খুলনায় সফর করবেন, যেখানে তারা এই প্রকল্পগুলির সরেজমিন পরিদর্শন করবেন। এর আগের প্রস্তুতি হিসেবে, গতকাল বিকেলে প্রশাসক সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোর পরিস্থিতি নিজেই পরিদর্শন করেন। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবির উল জব্বার, কঞ্জারভেন্সী অফিসার প্রকৌশলী মো. আনিসুর রহমান, সিসিএইউডি, এএমসি প্রকল্পের টীম লিডার মেহেদী হাসান, কেসিসি’র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা, উপসহকারী প্রকৌশলী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তি। এছাড়া, পরবর্তীতে কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু রূপসা ঘাটসহ ঘাট সংলগ্ন পোর্টুন ও গ্যাংওয়ের বর্তমান অবস্থা সরেজমিন পরিদর্শন করেন।

  • অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা: ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতি ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য

    অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা: ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতি ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য

    ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৬৯ মার্কিন ডলার। এই উন্নতির ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রগতি আরও ত্বরাণ্বিত করতে, সরকার এক মহা লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে—তুলনামূলক দৃষ্টিতে স্বপ্নের মতো, ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের মোট অর্থনীতি এক ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছানো। এই ambitious লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা ও উদ্যোগ গ্রহণ করছে।

    সোমবার (৬ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের নবম দিন ঢাকার সংসদ ভবনে, সংসদ সদস্য এস. এম. জাহাঙ্গীর হোসেনের এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য জানান। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিবিএস-এর সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ২৭৬৯ ডলার। তবে সরকারের স্বপ্ন আরও উঁচু লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাওয়ার। তিনি বলেন, মূল লক্ষ্য হলো শীঘ্রই ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে ট্রিলিয়ন ডলার আকারে প্রতিষ্ঠা করা। এই লক্ষ্যে পৌঁছাতে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ন, ক্রিয়েটিভ ইকোনমি ও স্পোর্টস ইকোনমিকে গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে।

    অর্থমন্ত্রী আরও জানান, শুধুমাত্র নির্দিষ্ট একটি খাতের ওপর নির্ভর না করে, সরকার বিভিন্ন দিক থেকে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করছে। এর মধ্যে রয়েছে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, রপ্তানি ও প্রবাস অর্থায়ন বৃদ্ধি এবং সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার।

    সংসদে উপস্থাপিত তথ্যানুযায়ী, মূলত সরকারের লক্ষ্যগুলো হলো- বেকারত্ব কমানো ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আইটি, কৃষি, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা খাতকে আনকোরা করে তোলা। শিল্পায়ন ও বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে ব্যবসা সহজ করে, শিল্পের উন্নয়নে উৎসাহ দেওয়া, এবং উৎপাদনমুখী খাতে অর্থপ্রবাহ নিশ্চিত করাও এর অংশ।

    বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এসএমই খাতে, যেখানে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা, বিশেষ করে নারী ও যুবকদের জন্য সহজ শর্তে অর্থায়ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, দেশি-বিদেশি শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে তাদের আয় করার সামর্থ্য বাড়ছে। বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানো সহজ করতে এবং রপ্তানি পণ্যকে বহুমুখীকরণের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করার কাজ চলমান।

    প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর উদ্যোগের বিস্তারিত বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শীঘ্রই শুরু হচ্ছে, যেখানে ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে বহু পদক্ষেপের কাজ শুরু হবে। অনেকগুলো উদ্যোগ স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদে পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন হবে।

    অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন, এই সমন্বিত উদ্যোগগুলো একদিকে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা সুরক্ষিত রাখবে, অন্যদিকে ২০৩৪ সালের লক্ষ্যের দিকে একই সাথে ইতিবাচক অগ্রগতি নিশ্চিত করবে। এই পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নে সরকারের দৃঢ় প্রত্যয় ও ছন্দপতন নেই, কারণ দেশবাসীর স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য এই মহৎ উদ্যোগ অপ্রতিরোধ্য।

  • সংসদে প্রকাশ শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের তালিকা, ১০টি এস আলমের

    সংসদে প্রকাশ শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের তালিকা, ১০টি এস আলমের

    ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ দেশে খেলাপি ঋণের ভয়াবহ চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী শীর্ষ ২০টি ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করেছেন। এই তালিকার মধ্যে ১০টি প্রতিষ্ঠানের মালিকসুলভে রয়েছেন বিতর্কিত ব্যবসায়ী এস আলম। সোমবার সংসদে শীর্ষ ঋণখেলাপিদের নাম উল্লেখ করা হলেও তাদের ঋণের মোট পরিমাণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয় নি। শীর্ষ খেলাপিদের তালিকায় তিনটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে সিকদার গ্র“পের, আর দু’টি সালমান এফ রহমানের মালিকানাধীন বেক্সিমকো শিল্প গোষ্ঠীর। এছাড়া, বিএনপির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোরশেদ খানের মালিকানাধীন দেশের প্রথম মোবাইল ফোন অপারেটর প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেডের নামও উঠে এসেছে এই তালিকায়।

  • জিডিপির প্রবৃদ্ধি আবার নিম্নমুখী

    জিডিপির প্রবৃদ্ধি আবার নিম্নমুখী

    চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির হার আবার কমে গেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রকাশিত নতুন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, অক্টোবর-ডিসেম্বরে এই প্রবৃদ্ধির হার ৩.০৩ শতাংশ, যা আগে প্রত্যাশিত ছিল। এর আগের জুলাই-সেপ্টেম্বরে এই হার ছিল ৪.৯৬ শতাংশ এবং গত অর্থবছরের একই সময়ে ৩.৩৫ শতাংশের বেশি ছিল। অর্থাৎ, গত দুই প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধির হার বেশ কমেছে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনতির কারণে দেশের অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানে হামলার ফলে বিশ্ববাজারে গ্যাস ও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পাশাপাশি সরবরাহের ব্যাঘাতের কারণে দেশের জ্বালানি সংকট ভয়াবহ আকার নেয়া শুরু করেছে। এই পরিস্থিতি দেশের বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। অন্যদিকে, পরিবর্তিত সরকারের সময়েও অর্থনৈতিক সংকটজনিত কারণে উন্নয়ন মূলক কর্মকাণ্ডে অর্থায়নে সমস্যা দেখা দিয়েছে। ফলে, দেশের মোট জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার আরও কমতে থাকে।

    বিবিএসের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত অক্টোবর-ডিসেম্বরে সবচেয়ে কম প্রবৃদ্ধি হয়েছে শিল্প খাতে। এ খাতে প্রবৃদ্ধির হার মাত্র ১.২৭ শতাংশ। কৃষি খাতে এই হার ৩.৬৮ শতাংশ এবং সেবাখাতে ৪.৪৫ শতাংশ। উল্লেখ্য, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধি ছিল ৬.৮২ শতাংশ, যা এ সময়ে অনেক কমে গেছে। অন্যদিকে, কৃষি ও সেবা খাতের প্রবৃদ্ধি কিছুটা বেড়েছে।

    অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, শিল্প খাতের অবদান দেশের জিডিপিতে কেন্দ্রীয় হলেও এ খাতের প্রবৃদ্ধি কম হওয়ায় পুরো দেশের জিডিপি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। গত অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি ২.০৫ শতাংশে নেমে আসে, তবে প্রথম প্রান্তিকে আবার এটি ৪.৯৬ শতাংশে উঠেছিল। কিন্তু চলতি প্রান্তিকের প্রবৃদ্ধি আবার কমে যাওয়ায় অর্থনৈতিক লক্ষ্য পুরোপুরি অর্জন সম্ভব হয়ে উঠছে না।

  • সোনার দামে বড় দিনবদল, ভরিতে সাড়ে ৬ হাজার টাকা বৃদ্ধি

    সোনার দামে বড় দিনবদল, ভরিতে সাড়ে ৬ হাজার টাকা বৃদ্ধি

    দেশের বাজারে আবারো বৃদ্ধি পেল সোনার দাম। ব্যতিক্রমী এই পরিবর্তনে ভরির মূল্য প্রায় সাড়ে ৬ হাজার টাকার বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) মতে, এখন থেকে একটি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছে ২ লক্ষ ৫২ হাজার ৪০৯ টাকা। এটি জানানো হয় বুধবার (৮ এপ্রিল) এক বিজ্ঞপ্তিতে, যা আজ থেকেই কার্যকর হবে।

    বাজুসের এই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, লেনদেনে ব্যবহৃত তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধির কারণে দেশের স্থানীয় বাজারে সোনার মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    নতুন দামের ফলে, দেশের বাজারে বিভিন্ন ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য পরিবর্তিত হয়েছে। এখন থেকে ২২ ক্যারেটের ভরি সোনার দাম ২ লক্ষ ৫২ হাজার ৪০৯ টাকা, ২১ ক্যারেটের ভরি ২ লক্ষ ৪০ হাজার ৯২০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ৬ হাজার ৫১১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৫ টাকা।

    এছাড়াও, রুপার দামও বেড়ে গেছে। ভরিতে ৩৫০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে, ২২ ক্যারেটের রুপার দাম এখন হচ্ছে ৫ হাজার ৮৯০ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপার ভরি ৫ হাজার ৫৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৭৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম নির্ধারিত হয়েছে ৩ হাজার ৬১৬ টাকা।