Blog

  • পোপকে ‘ভয়ঙ্কর’ বলায় ট্রাম্পের ওপর ক্ষুব্ধ ইতালির প্রধানমন্ত্রী

    পোপকে ‘ভয়ঙ্কর’ বলায় ট্রাম্পের ওপর ক্ষুব্ধ ইতালির প্রধানমন্ত্রী

    ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পোপ লিও সম্পর্কে মন্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ট্রাম্পের দ্বারা এই ধরনের শব্দচয়ন সম্পূর্ণই অগ্রহণযোগ্য। পোপ লিও ক্যাথলিক চার্চের উচ্চ ধর্মগুরু, যিনি শান্তির বার্তা প্রচার এবং সব ধরনের যুদ্ধের নিন্দা করার দায়িত্বে আছেন। তার সম্মানের প্রশ্নে ট্রাম্পের মন্তব্যের একজন নেতা হিসেবে একরকম আপত্তি জানিয়েছেন মেলোনি।

    সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের অস্তিত্ব ধ্বংস করার হুমকি দিলে পোপ লিও এর নিন্দা জানান। এরই জবাবে ট্রাম্প তাকে ‘ভয়ঙ্কর’ বলে আখ্যা দেন, যা আন্তর্জাতিকভাবে সমালোচনার ঝড় তোলে। এই মন্তব্যের পর অনেকেই মনে করেন, ট্রাম্পের এই আচরণ তার রাজনীতির ধূসরতা ও ধর্মীয় অজ্ঞতা প্রকাশ করে।

    গত রোববার ট্রাম্প আক্রমণাত্মক ভাষায় বলেন, তিনি মনে করেন না পোপ খুব ভালো কাজ করছেন, বরং তার উচিত কট্টর বামপন্থিদের খুশি করার চেষ্টা বন্ধ করা। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, তিনি পোপ লিওর ভক্ত নন। এরপরে, সোমবার, ইতালির প্রধানমন্ত্রী এই বক্তব্যের কঠোর প্রতিবাদ করে বলেন, পোপের সম্মানে ট্রাম্পের মন্তব্য অগ্রহণযোগ্য। তিনি নিশ্চিত করেন, পোপ শান্তির বার্তা জারি করে থাকবেন, কারণ এটি তার নৈতিক দায়িত্ব ও অধিকার।

    উল্লেখ্য, জর্জিয়া মেলোনি অনেকের কাছেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক আদর্শের পাল্লায় পড়েন। তবে পোপের সম্মান রক্ষার্থে তিনি তার মন্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেন। ট্রাম্পের এই মন্তব্যের জবাবে পোপ লিও চতুর্দশ বলেন, তিনি দুঃখিত ট্রাম্পের এই মন্তব্যে, তবে বিশ্বজুড়ে গির্জার লক্ষ্য ও শান্তির আহ্বান তিনি বজায় রাখবেন। তিনি আরও বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান সংঘাতের সমালোচনা করা অন্য কারো জন্য নয়, এটি একটি প্রগতিশীল ও শান্তিপূর্ণ মানবতার জন্য।

    সূত্র: বিবিসি

  • অমিত শাহের ঘোষণা: বিজেপি ক্ষমতায় এলে অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে বের করে তাড়ানো হবে

    অমিত শাহের ঘোষণা: বিজেপি ক্ষমতায় এলে অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে বের করে তাড়ানো হবে

    পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটের প্রচারণার সময় কঠোর বার্তা দিয়েছেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেছেন, যদি বিজেপি সরকার গঠনে সক্ষম হয়, তাহলে রাজ্য থেকে অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে বের করে তাদের ফিরিয়ে দেয়া হবে। সোমবার বীরভূমের খয়রাশোড়ে এক নির্বাচনী জনসভায় এ কথা বলেন তিনি। অমিত শাহ আরও বলেন, “বিজেপি সরকার গঠিত হলে, রাজ্যে যারা সিন্ডিকেটবাজি করছে, তাদের উত্থাপন এবং দমনপীড়ন করা হবে, পাশাপাশি অনুপ্রবেশকারীদের লাগামহীনভাবে তাড়িয়ে দেয়া হবে।” তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূল কংগ্রেস এসব অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দেয়। পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো ব্যক্তিদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি। “৫ মে এর পরে, প্রয়োজন হলে, পিছু হটে না গিয়ে, পাতাল থেকেও তাদের তুলে এনে বিচার করা হবে,” বলছিলেন অমিত শাহ। তার সাথে তিনি রাজ্যের নেতৃত্ব নিয়েও মন্তব্য করেন। বলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন ‘বাংলার ভূমিপুত্র’, তবে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী বা তাঁর পরিবারের কেউ নন। “যিনি বাংলায় কথা বলেন, লেখেন এবং এই মাটির সঙ্গে গভীর সম্পর্ক রাখেন, তারাই মুখ্যমন্ত্রী হবেন,” যোগ করেন তিনি।

  • ইরানের যুদ্ধের কারণে ৩ কোটি বেশি মানুষ দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে, জাতিসংঘের আশঙ্কা

    ইরানের যুদ্ধের কারণে ৩ কোটি বেশি মানুষ দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে, জাতিসংঘের আশঙ্কা

    ইরানের যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব বিশ্বজুড়ে অসংখ্য মানুষের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। ব্রাহ্মণসংস্থা জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) একটি নতুন প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে যে, এই যুদ্ধের ফলে বিশ্বে ৩ কোটি ২০ লাখেরও বেশি মানুষ চরম দারিদ্র্যের কবলে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন। এই বিপদ তো শুধু উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য নয়, বরং বিশ্ব অর্থনীতির শেকড়ে অসুস্থতা ডেকে আনছে। খাবার, জ্বালানি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির আগের অবস্থা থেকে অন্যরকম একটি ঝড় এমনকি তৈরি হতে চলেছে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

    প্রতিবেদনটি জানায়, সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক উন্নয়নের বিভিন্ন সফলতা ফের অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হচ্ছে। এটি এক ধরনের বিপদের সংকেত, যা বিভিন্ন অঞ্চলের জীবনে ভিন্ন ভিন্ন ভাবে প্রতিফলিত হবে। সংস্থার প্রধান আলেকজান্ডার ডি ক্রু বলেছেন, যুদ্ধের অবসান হলেও এর ক্ষতিকর প্রভাব এখনও কাটেনি আর চলমান এই পরিস্থিতি আরও বেশি দুর্দশার দিকে নিয়ে যেতে পারে।

    বিশ্বের নেতৃত্বরা এই সময়ে ওয়াশিংটনে আইএমএফের বসন্তকালীন বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে আলোচিত হচ্ছে – কীভাবে এই অর্থনৈতিক বিপর্যয় মোকাবিলা করে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে সহায়তা দেয়া যায়। বিশেষ করে, ইউএনডিপির বিশ্লেষণে দেখা গেছে যে, যদি তেল ও গ্যাস উৎপাদনে ছয় সপ্তাহের বেশি বিঘ্ন ঘটে এবং উচ্চ মূল্য চলমান থাকে, তাহলে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৩ কোটি ২৫ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের অতল গহ্বরে পড়ে যেতে পারেন।

    এই প্রতিবেদনে ব্যবহার করা হয়েছে বিশ্বব্যাংকের নির্ধারিত ‘আপার-মিডল-ইনকাম’ বা উচ্চ-মধ্যম আয়ের দারিদ্র্যসীমা। এর মান অনুযায়ী, যাদের দৈনিক আয় ৮ দশমিক ৩০ ডলারের কম, তারা এই সীমার মধ্যে आते ہیں।

    বিশ্বের দারিদ্র্য বৃদ্ধির এই হারে অর্ধেকের বেশি হয়তো দেখা যাবে সেই ৩৭টি দেশ যেখানে জ্বালানি আমদানির পরিমাণ বেশি। এর মধ্যে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল, আফ্রিকা, এশিয়া এবং ক্ষুদ্র দ্বীপ রাষ্ট্রগুলো সবচেয়ে বেশি সংকটে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

  • আলিগের ছত্রছায়ায় বিপুল সম্পদ দখলকারী পবিত্র কারাগারে

    আলিগের ছত্রছায়ায় বিপুল সম্পদ দখলকারী পবিত্র কারাগারে

    স্বৈরাচারাজ্ঞ ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে একসময় শূন্য হাতে সাতক্ষীরা থেকে খুলনায় এসে পবিত্র কুমার সরকার নামে একজন ব্যবসায়ী সাফল্য অর্জন করেন। তার পিতা মৃত তারাপদ সরকার। শুরুতে নানা অভিযোগের কারণে বন্ধ হয়ে যায় তার দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম, যেখানে তিনি জাল সার্টিফিকেট বিক্রি করতেন। এরপর তিনি একটি ট্রাস্টির দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং কিন্ডারগার্টেনের মালিক হন। তদন্তে দেখা গেছে, বটিয়াঘাটা উপজেলার রাজবাধ গ্রামে তার একটি বিশাল বাড়ি রয়েছে। এছাড়া হোগলাডাঙ্গা মোড়ে অবস্থিত তার মালিকানাধীন উদয়ন বুটিক স্কুল ও কলেজের ক্যাম্পাসও পরিচিত হয়ে উঠেছে।বিশ্ববিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পবিত্র এক সময় একটি মুসলিম মেয়েকে বিয়ে করে সংসার জীবন শুরু করেছিলেন। তবে সন্তানের দাবি ওঠার পর, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন দলের দ্বারা হুমকি পান তিনি। এর ফলে সে মহিলাকে খুলনা ছাড়তে বাধ্য করেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বিএনপি অফিস ভাঙচুর এবং জনসভায় হামলার মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কাজ করেন। ৫ আগস্টের পর ফেসবুকে সাম্প্রদায়িক উসকানি ছড়িয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর বিক্ষোভ পরিচালনার চেষ্টা করলেও, পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তিনি পোস্ট মুছে ফেলেন, তবে স্ক্রিনশটগুলো ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া, বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ জানিয়েছে। দলীয় কোনও পদে থাকেন না বলে তিনি গোপনে খুলনা আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করতে কাজ করেন। সর্বশেষ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে আওয়ামী প্যানেলের পক্ষে কাজের অভিযোগ রয়েছে। খুলনা আদালতপাড়ায় তার অবাধ আসা-যাওয়া ছিল, জমি দখলে সহায়তা ও মাদক চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগও উঠেছে। তার বাড়ি সাতক্ষীরা থাকায় সীমান্ত দিয়ে অবাধে ভারতে যাতায়াত করতেন। ৫ আগস্টের পর, এক ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্মের নাম ভুয়া পরিচয়ে তার চালানো বেনামে ঠিকাদারি কাজের খবর প্রকাশিত হয়। তিনি এই প্রতিষ্ঠানের কাজ দেখাশোনা করতেন বলে জানা গেছে। সর্বশেষ গত শনিবার রাতে গোয়েন্দারা তাকে গ্রেপ্তার করেন। পরের দিন আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়।

  • দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় উপশিল্পে চিংড়ি ও মাছের রোগ মোকাবেলায় বড় চ্যালেঞ্জ

    দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় উপশিল্পে চিংড়ি ও মাছের রোগ মোকাবেলায় বড় চ্যালেঞ্জ

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি (এফএমআরটি) বিভাগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘Harnessing the Potential of Phytobiotics by Metagenomics and Immunogenomics approaches for Green Solutions of Aquaculture Pathogens in the Southwest Coastal Bangladesh’ শীর্ষক হিট সাব প্রকল্পের ইনসেপশন কর্মশালা। সোমবার সকালে নগরীর কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের সম্মেলনকক্ষে এই কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. রেজাউল করিম, যাঁর বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলে চিংড়ি ও মাছের বিভিন্ন রোগ সম্প্রতি বড় এক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে এ খাতের জন্য। এ পরিস্থিতির মোকাবেলায় ফাইটোবায়োটিকস, মেটাজেনোমিকস এবং ইমিউনোজেনোমিকসের মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে টেকসই ও পরিবেশবন্ধু সমাধান বের করার ব্যাপারে দৃষ্টি দিতে হবে বলে তিনি জোর দেন। এতে করে উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্যও রক্ষা সম্ভব হবে। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. নাজমুল আহসান, যিনি বলেন, দেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অন্যতম। এখানকার শিক্ষকরা নিয়মিত গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখছেন। এই প্রকল্পের গবেষণাগুলো ফলপ্রসূ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, এই অঞ্চলের একোয়াকালচারের ব্যাপক চাহিদাকে সামনে রেখে গবেষণার ফলাফল আমাদের গর্বের বিষয় হবে। প্রকল্পের ফান্ড ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনা নিয়ম কানুন মেনে কাজ করার আহ্বানও জানান তিনি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুনর রশীদ খান, जिन्होंने বলেন, দেশের গবেষণা ক্ষেত্রে কৃষি ও মৎস্য খাতে অনেক সফলতা এসেছে। তবে এক্ষেত্রে অনেক ক্ষেত্রেই অনিয়ন্ত্রিত রাসায়নিক ব্যবহারে মানবস্বাস্থ্যের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এই গবেষণার মাধ্যমে প্রকৃতি-সন্মত সমাধান গড়ে উঠলে দেশে ও আন্তর্জাতিকভাবে এটি গুরুত্ব রাখবে। ডঃ শেখ মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এই কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তর খুলনা বিভাগের উপ পরিচালক বিপুল কুমার বসাক। প্রজেক্টের ফ্রেমওয়ার্ক ও কাজের পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন এএসপিএম প্রফেসর ড. গোলাম সরোয়ার, এবং স্বাগত বক্তব্য দেন প্রজেক্টের আরআরপি প্রফেসর ড. শিকদার সাইফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন শিক্ষার্থী মোঃ আব্দুর রহমান ও নবনিতা রায়। উদ্বোধনী পরবর্তী ধাপে মুক্ত আলোচনা পর্ব অনুষ্ঠিত হয় যেখানে সভাপতিত্ব করেন প্রজেক্টের সদস্য প্রফেসর ড. সমীর কুমার সাধু এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন প্রজেক্টের এএসপিএম প্রফেসর ড. অলোকেশ কুমার ঘোষ। এতে অংশগ্রহণ করেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা।

  • নগরীতে বিএনপি’র উদ্যোগে নববর্ষের বর্ণাঢ্য উৎসব

    নগরীতে বিএনপি’র উদ্যোগে নববর্ষের বর্ণাঢ্য উৎসব

    নগরীতে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপনে বর্ণাঢ্য আয়োজন করেছেন বিএনপি। এই বিশেষ দিনটি উদযাপন করতে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১ বৈশাখ, অর্থাৎ ১৪ এপ্রিল, সকাল সাড়ে ৬টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বর্ষবরণ শুরু হবে। এর পরে সকাল সাড়ে ৭টায় পালন করা হবে পান্তা উৎসব, এবং সকাল সাড়ে ৮টায় শুরু হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের מגוון আয়োজন। এই সকল অনুষ্ঠান কেডি ঘোষ রোডের বিএনপি কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত হবে। এই অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় রয়েছে বিএনপি খুলনা মহানগর এবং সহযোগীতায় রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা জাসাস খুলনা মহানগর। আয়োজকদের মতে, এই উৎসবের মূল লক্ষ্য হলো ঐতিহ্য ও নান্দনিকতায় সমৃদ্ধ এক স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়কে উচ্ছ্বসিত করে তোলা। নতুন উদ্যম, আশা ও স্বপ্ন নিয়ে পহেলা বৈশাখকে স্বাগত জানাতে সকলকে এই সার্বজনীন উৎসবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। জাসাস খুলনা মহানগর এর আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার নূর ইসলাম বাচ্চু ও সদস্য সচিব (ভারপ্রাপ্ত) কাজী জলিল সকলকে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য শুভ কামনা জানিয়েছেন।

  • চিকিৎসা সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ

    চিকিৎসা সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ

    খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলি আসগার লবি বলেছেন, সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় উন্নত ও সহজলভ্য চিকিৎসা সেবার লক্ষ্য নিয়ে বর্তমান সরকার দৃঢ় প্রত্যয়বদ্ধ। তিনি বলেন, এটি শুধুমাত্র মোটিভেশন বা আশ্বাস নয়, বরং কার্যকর পরিকল্পনা ও পরিশ্রম দরকার যাতে সাধারণ মানুষ সত্যিই উপকৃত হন। অসহায় দুঃস্থ মানুষদের চোখের দৃষ্টি ফেরানো এবং তাদের জীবনমান উন্নত করতে দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম চালিয়ে যেতে হবে। সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন এবং সততার সঙ্গে কাজ করলে এই চক্ষু হাসপাতালই একদিন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম আধুনিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হবে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান এই হাসপাতালকে আরও সুন্দর, সুশোভিত ও আধুনিক করে তুলতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। গতকাল সোমবার সকাল ১১টায় শিরোমনিস্থ বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় ডাঃ রফিকুল ইসলাম বাবলুর সভাপতিত্বে অন্যান্য বক্তা, উপস্থিত ছিলেন মীরকায়শেদ আলী, ইকবাল হোসেন, কাজী মিজানুর রহমান, এস এ রহমান বাবুল, আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস, হাসিবুল হাসান, মোলা সোহাগ, শেখ আব্দুস সালাম, জাহাঙ্গীর খোকা, এম নুরুল ইসলাম ও ঝর্ণা আকতারসহ অনেকে। সভার শেষে সংসদ সদস্য আলি আসগার লবি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আকরাম হোসেনের কবর জিয়ারত করেন এবং রুহের মাগফেরাত কামনা করে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেন। এর পাশাপাশি বিকেল ৪টায় ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে দুস্থ ও অসহায় মানুষদের মধ্যে নগদ অর্থ বিতরণও করেন।

  • নগরবাসীর জন্য কেসিসি প্রশাসকের বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা

    নগরবাসীর জন্য কেসিসি প্রশাসকের বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে নগরবাসীর প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখ আমাদের প্রাচীন বাংলার চিরন্তন কৃষ্টি ও সংস্কৃতির অন্যতম অনুষঙ্গ। এই বর্ষবরণের উৎসব আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে জীবন্ত ও সমুজ্জ্বল করে তোলে। নিজস্ব সংস্কৃতির ধারাকে ধরে রেখে বিকশিত করাই আমাদের ফরজ, যাতে দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য আরও গভীররূপে রূপান্তরিত হয়। কেসিসি প্রশাসক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দে সবাইকে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির কামনা করেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, আগের বছর যেখানে নানা দুঃখ-বেদনা আর ব্যর্থতা এলো, সেখানে নতুন বছরে আমাদের প্রত্যাশা হোক নতুন স্বপ্ন, উৎসাহ ও প্রাণবন্ত আবেগে জীবন শুরু করা। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, নতুন বছরের প্রতিটি দিন হবে সাফল্য ও সচ্ছলতার প্রতীক, যা সকলের জীবনে সুখ ও সমৃদ্ধির বার্তা নিয়ে আসবে।

  • বাংলাদেশে ৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি দুই লাখ কোটি টাকার বেশি

    বাংলাদেশে ৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি দুই লাখ কোটি টাকার বেশি

    চলতি অর্থবছরের (২০২৫-২৬) প্রথম আট মাসে দেশে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ছাড়িয়েছে দুই লাখ কোটি টাকা। বিশেষ করে রপ্তানির তুলনায় আমদানি এতটাই বেশি হয়েছে যে, এর ফলে দেশের বৈদেশিক বাণিজ্য পরিস্থিতি চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড়িয়ে এসেছে। দেশের আমদানি বেশি হওয়ার জন্য কারণ হিসেবে উল্লেখ করছেন বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও অন্যান্য পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি, যা গত কিছু সময়ে ব্যাপকভাবে বেড়েছে। পাশাপাশি, আমদানি আরও বাড়ছে ভোজ্যতেল, চিনি, ডাল, ছোলা এবং খেজুরের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অধিক চাহিদার কারণে। অন্যদিকে, একই সময় রপ্তানি প্রবৃদ্ধি কিছুটা কমে আসায় বাণিজ্য ঘাটতি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।
    বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক লেনদেনের হিসাব অনুযায়ী, প্রথম আট মাসে দেশের ব্যবসায়ীরা চার হাজার ৬১৭ কোটি ডলার (প্রায় ৪৬ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলার) পণ্য আমদানি করেছেন, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ শতাংশের বেশি বেশি। তবে, এই সময়ে পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৩০ দশমিক ০৩ বিলিয়ন ডলার, যা গত অর্থবছরের তুলনায় ২ দশমিক ৬ শতাংশ কম। অর্থাৎ, আমদানি ও রপ্তানির মধ্যে বৈষম্যই মূল কারণ that the প্রথম আট মাসে বাণিজ্য ঘাটতি বৃদ্ধি পেয়েছে।
    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও অন্যান্য পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির সঙ্গে একই সময়ে রপ্তানি আয় কমে যাওয়ায় দেশের বাণিজ্য ঘাটতি আরও তীব্র আকার নিচ্ছে। তারা মনে করছেন, অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে দেশের আমদানি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি রপ্তানি বাড়ানোর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। না হলে অর্থনৈতিক সংকটের আশঙ্কা রয়েছে।
    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে দেশের পণ্য আমদানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৬ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৪৩ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, এই সময়ে দেশের রপ্তানি আয় হয়েছে ৩০ দশমিক ০৩ বিলিয়ন ডলার, যা গত অর্থবছরের চেয়ে ২ দশমিক ৬ শতাংশ কম। এই পার্থক্যই বোঝায় কেন বাণিজ্য ঘাটতিতে বড় ধরনের বৃদ্ধি ঘটেছে।
    অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বর্তমানে দেশের করেন্ট অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স সামান্য ঋণাত্মক থাকলেও, ধারাবাহিক বড় ঘাটতি হলে এটি অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারির শেষে এই ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০০ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৪৭ কোটি ডলার। এর পাশাপাশি, সামগ্রিক লেনদেন (অর্থাৎ ওভারঅল ব্যালান্স) ভালো অবস্থায় রয়েছে। এই সময়ের সামগ্রিক লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪৩ কোটি ডলার, যা গত বছরে একই সময় ছিল ঋণাত্মক ১১৫ কোটি ডলার।
    প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো রেমিট্যান্সও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। প্রথম আট মাসে তারা ২২০৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ২১ শতাংশ বেশি।
    অপর দিকে, দেশি ব্যবসায়ীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ খবর হলো, প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগ (এফডিআই) কিছুটা বেড়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে এফডিআই দাঁড়িয়েছে ১০৬ কোটি ডলার, যা চলতি অর্থবছরে কমে এসেছে ৮৭ কোটি ডলারে। তবে, শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ (পোর্টফোলিও ইনভেস্টমেন্ট) গত কয়েক মাসে নেতিবাচক অবস্থায় গিয়ে পড়েছে। প্রথম আট মাসে শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ কমে গেছে, যা আগের অর্থবছরেও একই ধারা অব্যাহত ছিল।

  • বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম পড়তে শুরু করেছে

    বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম পড়তে শুরু করেছে

    ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর থেকে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের পতন দেখা গেছে। সোমবার বিশ্ববাজারে মূল্যবান ধাতুটির দাম প্রায় এক সপ্তাহের最低 স্তরে এসে দাঁড়িয়েছে। এই খবর প্রকাশ করেছে রয়টার্স।

    বিশ্লেষকদের ধারণা, শক্তিশালী ডলারের চাপের কারণে এই পতন ঘটছে। তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা আবারও বাড়ছে। একই সঙ্গে চলতি বছর সুদের হার কমানোর সম্ভাবনাও কমে গেছে। এর ফলে স্বর্ণসহ অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দাম আবারো চড়াই-উতাড়াই শুরু হয়েছে।

    রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুর ১২টা ২০ মিনিট পর্যন্ত স্পট গোল্ডের দাম ০.৪% কমে প্রায় প্রতি আউন্স ৪,৭২৬.৬৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর আগে দিন শুরুর সময় এটি ৭ এপ্রিলের পর সর্বনিম্ন ৪,৬৪৩ ডলারে নেমেছিল। জুনের ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচার ০.৮% কমে ৪,৭৪৮.৭০ ডলারে পৌঁছেছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডলার সূচক ০.৩% শক্তিশালী হয়েছে এবং তেলের দাম আবার ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের উপরে উঠেছে। এসময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালী অবরোধের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে খবরও রয়েছে। এই সব কারণেও স্বর্ণের দাম কমার প্রবণতা দেখা যেতে পারে।

    কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, শান্তি আলোচনার ব্যর্থতা যুদ্ধবিরতির আশা কমিয়ে দিয়েছে। এর ফলে ডলার ও তেলের দাম বাড়ছে, যা স্বর্ণের ওপর আবারও চাপ সৃষ্টি করছে।

    ২৮ ফেব্রুয়ারির পরে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল-ইরান সংকট শুরু হওয়ার পর থেকে স্পট গোল্ডের দাম ১১% এর বেশি কমেছে। সাধারণত মুদ্রাস্ফীতি ও ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা স্বর্ণের চাহিদা বাড়ায়, তবে উচ্চ সুদের হার স্বর্ণের মতো সুদবিহীন সম্পদের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

    শক্তিশালী ডলার থাকায় অন্যান্য মুদ্রাধারীরা ডলার-নির্ধারিত স্বর্ণ কেনা আরও ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে। ওয়াটারার মন্তব্য করেন, যখন তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে উঠছে, তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা দেখছে, যা স্বর্ণের পারফরম্যান্সকে দুর্বল করে।

    ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, চলতি বছরে যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা খুবই কম, কারণ জ্বালানির উচ্চ মূল্য স্বর্ণের মূল্যবৃদ্ধি বাধা দিতে পারে। এছাড়া, মুদ্রানীতিতে শিথিলতার সুযোগ কমে যাওয়ায় মূল্যবান ধাতুগুলোর ওপর চাপ আরও বাড়ছে।