Blog

  • নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা রেখেছে বিএনপি, মির্জা ফখরুল বললেন

    নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা রেখেছে বিএনপি, মির্জা ফখরুল বললেন

    নির্বাচন কমিশনের প্রতি ইতিবাচক আস্থা রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন তাদের যোগ্যতা ও নৈতিকতার ভিত্তিতে সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাজধানীর জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এ কথা বলেন তিনি।

    মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা একদিকে উদার ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার_b গিয়েছি। ১২ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ আসন্ন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হয়েছে। গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে মুক্তি ও স্বাধিকার আদায়ের পর আমাদের লক্ষ্য একটাই: ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পুনরুদ্ধার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা। শহীদ জিয়ার আদর্শকে সামনে রেখে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।

    নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রমে কিছু সমস্যা থাকলেও তারা যথাযথভাবে কাজ করছে বলে মনে করে বিএনপি। তারা বিশ্বাস করে, এই নির্বাচন কমিশন যোগ্যতার সাথে দায়িত্ব পালন করবে। এর পাশাপাশি, বিএনপি মহাসচিব উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে জিয়াউর রহমানের অবদান সারাজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন, বিচার বিভাগ ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন এবং তলাবিহীন ঝুড়ি বলে সমালোচিত অর্থনীতি সমৃদ্ধ আর উন্নত দেশে রূপান্তর করেছিলেন। এ জন্য তারা প্রতি বছর তাকে স্মরণ করেন এবং তার দেখানো পথে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেন।

    ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গে ফখরুল বলেন, ছাত্রজনতার ঐ সংগ্রাম থেকেই ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের ঘোষণা এসেছে। তিনি বলেন, এই আন্দোলনে ফ্যাসিস্ট হাসিনা পালিয়ে গেছেন। এখন আমাদের মনোভাব, ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং গণতন্ত্রের ভিত্তি সুদৃঢ় করার জন্য নতুনভাবে কাজ শুরু করেছি। এই সংগ্রামই জিয়াউর রহমানের আদর্শকে বাস্তবায়িত করবে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খাইরুল কবির খোকন, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ, মইর্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান সহ ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির বিভিন্ন নেতা-কর্মী।

  • অর্থ আত্মসাৎ: এস আলম-পি কে হালদারসহ ১৩ জনের বিচার শুরুর আদেশ

    অর্থ আত্মসাৎ: এস আলম-পি কে হালদারসহ ১৩ জনের বিচার শুরুর আদেশ

    প্রায় ৩২ কোটি টাকা অর্থ আত্মসাৎ ও ঋণ জালিয়াতির মামলায় আদালত অভিযোগ গঠন করে এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম, রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার (পিকে) হালদারসহ মোট ১৩ জনের বিরুদ্ধে বিচার শুরু করার আদেশ দিয়েছেন। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ঢাকার নবম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আব্দুস সালাম এই নির্দেশ দেন। future কা জানানো হয় যে, আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে। দুদকের পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান হাফিজ জানান, আদালত এই মামলায় অভিযোগ গঠন করে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে কার্যক্রম শুরু করেছেন। অভিযোগকারীদের মধ্যে আরও রয়েছেন এস আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ, পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ হাসান ও শাহানা ফেরদৌস, রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের (বর্তমানে আভিভা ফাইন্যান্স) সাবেক ইভিপি রাশেদুল হক, সাবেক ম্যানেজার নাহিদা রুনাই, সাবেক এসভিপি কাজী আহমেদ জামাল ও সাবেক ডেপুটি ম্যানেজার জুমারাতুল বান্না। এছাড়া, মেরিন ভেজিটেবল অয়েলসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহির আহমেদ, পরিচালক টিপু সুলতান, মো. ইসহাক ও মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনও এই মামলার আসামি। অপর দিকে, নাহিদা রুনাই ও রাশেদুল হক কারাগারে আছেন, আর অন্যান্য আসামিরা পলাতক। আদালত শুনানির সময়ে এই দু’জনকেই হাজির করা হয়। দুদকের পক্ষ থেকে আইনজীবী হাফিজ আরও জানান, নাহিদা রুনাইয়ের জন্য অব্যাহতির আবেদন করেন ঢাকা বারের সভাপতি খোরশেদ মিয়া আলম, আর রাশেদুল হকের পক্ষে ছিলেন নিয়াজ মোর্শেদ। অন্য আসামিরা পলাতক থাকায় তারা শুনানিতে অংশ নিতে পারেননি। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত অভিযোগ গঠন করে, যেখানে আসামিদের দোষ বা নির্দোষতা জানার প্রক্রিয়া শুরু হলো। তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার চেয়ে আবেদন করেছেন। উল্লেখ্য, গত ১১ জানুয়ারি মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করে ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ সাব্বир ফয়েজ। মামলার তদন্ত ও প্রস্তুতির পর এতে উপস্থিত হয়ে অভিযোগ গঠনের জন্য এই দিন নির্ধারিত হয়। মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১২ অগাস্ট একটি নামসর্বস্ব কোম্পানি মেসার্স মোস্তফা অ্যান্ড কোং’র মাধ্যমে ৩২ কোটি ৫০ লাখ টাকার একটি ঋণের অনুমোদন দেওয়া হয়, যা ২০১৩ সালের ৯ অক্টোবরে ছাড়তেও হয়। এরপর এই অর্থ এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেডের কাছে স্থানান্তর করা হয়। এই ঘটনাবলী নিয়ে গত বছরের ২ জুলাই দুদকের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে, ১৬ অক্টোবর, এই ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হয়।

  • মানিকগঞ্জে গরুচোর সন্দেহে দুই যুবককে পিটিয়ে হত্যা

    মানিকগঞ্জে গরুচোর সন্দেহে দুই যুবককে পিটিয়ে হত্যা

    মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় গরুচোর সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে। সোমবার, ১৯ জানুয়ারি সকালে পুলিশ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ঘটনাটি ঘটে উপজেলার জয়মন্টপ ইউনিয়নের ইমাননগর গ্রামে, যেখানে রাতের অন্ধকারে এই ঘটনা ঘটে।

    নিহত দুজন হলো, সিংগাইর উপজেলার দশআনি গ্রামের তোতা মিয়ার ছেলে ৩৫ বছর বয়সী মজনু এবং একই উপজেলার ছয়আনি গ্রামের বান্দু মিয়ার ছেলে ২৩ বছর বয়সী দ্বিন ইসলাম।

    সিংগাইর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাজহারুল ইসলাম জানান, রাত সোয়া ২টার দিকে ইমামনগর গ্রামের শাকিলের বাড়িতে গরু চুরির জন্য প্রবেশ করে মজনু ও দ্বিন ইসলাম। ঠিক ওই সময় পরিবারের লোকজন তাদের চিহ্নিত করে চিৎকার শুরু করলে গ্রামের অন্য কাউকে ধরতে দৌড়ায়। গ্রামবাসীরা এগিয়ে এসে তাদের ধাওয়া করে। সংঘর্ষের মাঝে উত্তেজিত গ্রামবাসী চোরদের গণপিটুনি দেয়, যার ফলস্বরূপ তারা মারাত্মকভাবে আহত হন।

    খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুজনকে উদ্ধার করে সিংগাইর উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে আসে। চিকিৎসকরা প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে রেফার্ড করে। রাতের মধ্যে আহত দুজন ঢাকায় পাঠানো হয় এবং ভোর ৬টার দিকে তারা মৃত্যুবরণ করেন।

    অভিযোগ রয়েছে যে, মজনু ও দ্বিন ইসলামের বিরুদ্ধে বেশ কিছু চুরির মামলা রয়েছে সিংগাইর থানায়। মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ছাড়াও, এই ঘটনায় পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন ওসি।

  • বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য নতুন মার্কিন ভিসা নির্দেশনা: ভিসা বন্ড পরিশোধ বাধ্যতামূলক from জানুয়ারি ২১

    বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য নতুন মার্কিন ভিসা নির্দেশনা: ভিসা বন্ড পরিশোধ বাধ্যতামূলক from জানুয়ারি ২১

    আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশের নাগরিকরা যদি ব্যবসা বা পর্যটনের উদ্দেশ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বি১/বি২ ভিসা পান, তাহলে তাদের ওপর নতুন এক শর্ত আরোপ করা হয়েছে। এখন থেকে, এই ভিসার জন্য অনুমোদিত হলে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হবে। মার্কিন দূতাবাসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এ নতুন নিয়ম ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে ইস্যু হওয়া সব বি১/বি২ ভিসার জন্য প্রযোজ্য হবে। তবে, এই তারিখের আগে ইস্যু করা বৈধ বি১/বি২ ভিসাধারীদের ওপর এই নিয়ম কার্যকর হবে না।

    দূতাবাসটি সতর্ক করে বলেছে যে, ভিসা সাক্ষাৎকারের আগে কোনোভাবেই বন্ড পরিশোধ করা যাবে না। আগাম বন্ড পরিশোধ করলে ভিসা পাওয়ার কোনো নিশ্চয়তা থাকবেনা। এছাড়া, তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বন্ডের প্রস্তাব দেওয়া প্রতারণামূলক হতে পারে বলে তারা উল্লেখ করেছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভিসার শর্তাবলী ঠিকভাবে মানলে বন্ডের অর্থ পরবর্তীতে ফেরত দেওয়া হবে। তবে, সাক্ষাৎকারের আগে অর্থ পরিশোধ করলে কোনো অর্থই ফেরত পাওয়া যাবে না। ফলে, ভিসা প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্টরা সতর্ক থাকা দরকার বলে মনে করা হচ্ছে।

  • অন্তর্বর্তী সরকার আইসিইউ থেকে কেবিনে অর্থনৈতিক উন্নয়ন এনেছে: অর্থ উপদেষ্টা

    অন্তর্বর্তী সরকার আইসিইউ থেকে কেবিনে অর্থনৈতিক উন্নয়ন এনেছে: অর্থ উপদেষ্টা

    অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা এখন আর ভঙ্গুর নয়। তিনি জানান, দেশের সরকারি রিজার্ভ এখন ৩২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা ছিলো মাত্র ১৮ বিলিয়ন ডলারে। এই দেড় বছরে অন্তর্বর্তী সরকার দেশের অর্থনীতিকে আইসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তর করতে সক্ষম হয়েছে।

    আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে চাঁদপুরের হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি, পাশাপাশি ভোটের জন্য গাড়ির প্রচারণার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

    অর্থ উপদেষ্টা বলেন, দুর্নীতি এবং অর্থ পাচার কারণে দেশের অর্থনীতি অনেকটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তবে এখন সরকারের কার্যক্রমের মাধ্যমে সেই ক্ষত কাটিয়ে উঠছে দেশের অর্থনীতি। তিনি বলেন, মাত্র দেড় বছরের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে খাদের কিনারা থেকে তুলে আনতে সফল হয়েছে এই সরকার।

    তার বক্তব্যে আরও উল্লেখ করেন, বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা, দ্রুত বিচার কার্যক্রম এবং আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন সংস্কার প্রয়োজন। আমরা কয়েকটি সংস্কার কার্যকর করেছি এবং তার বাস্তবায়নের জন্য জনগণের কাছে ভোটে হ্যাঁ ভোটের আহ্বান জানাচ্ছি।

    ভোটের পরিস্থিতি সম্পর্কে শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, এখন আর রাজনৈতিক চাপ নেই, তাই ভোট দেওয়ায় কোনও বাধা নেই। টাকা দিয়ে কোনও নির্দিষ্ট দল আসবে না। আপনি যদি সবাই সহযোগিতা করেন, তাহলে সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ ভোট হবে। আমরা চাই, সমাজে সততা ও ত্যাগের মানুষ ভোট দিতে আসুক।

    বক্তব্য শেষে উপদেষ্টা ও সরকারি কর্মকর্তারা মাঠে থাকা গণভোটের স্টলগুলো পরিদর্শন করেন এবং উপস্থিত ভোটারদের সঙ্গে কথা বলেন।

    এর আগে, চাঁদপুরের বিভিন্ন সরকারি অফিস এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে সকালে সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে হ্যাঁ ভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ অনুষ্ঠান হয়। এতে অর্থ উপদেষ্টাকে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। জেলা প্রশাসক মো. নাজমুল ইসলাম সরকার এই অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন।

    সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম এন জামিউল হিকমার বিষয়ভিত্তিক আলোচনা পরিচালনা করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান এবং চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মো. রবিউল হাসান।

  • থানার পাশেও থাকতেন ছদ্মবেশে, ৭ মাসে করেছেন ৬ খুন

    থানার পাশেও থাকতেন ছদ্মবেশে, ৭ মাসে করেছেন ৬ খুন

    সাভার মডেল থানার কাছাকাছি থাকা একটি পরিত্যক্ত পৌর কমিউনিটি সেন্টার হলো recent কয়েক মাসের নৃশংস খুনের কেন্দ্রবিন্দু। এই স্থানটির ঠিক পাশেই থাকতেন এক ব্যক্তিকে, যিনি ছিলেন সাধারণ মানুষের চোখে ভবঘুরে, কিন্তু তার প্রকৃত পরিচয় ছিল এক ভয়ঙ্কর সিরিয়াল কিলারের। গত সাত মাসে এই স্থান থেকে ছয়টি লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, যার মধ্যে বেশ কয়েকটি ঘটনায় পোড়ানো মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।

    রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকালে আধা পুড়ে যাওয়া দুটি মরদেহ উদ্ধার হওয়ার পর অনেক তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, খুনি নিজেকে সাধারণ ভবঘুরে বলে পরিচয় দিতেন, কিন্তু আসলে তিনি ছিলেন এক মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিত্ব, যাকে পুলিশ মশিউর রহমান খান সম্রাট হিসেবে চিহ্নিত করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি মানসিকভাবে বিকৃত ছিলেন এবং সাত মাসের মধ্যে ছয়টি নৃশংস খুন করেছেন।

    সোমবার আদালতের মাধ্যমে জবানবন্দি নেওয়া হবে তাকে। পুলিশ জানিয়েছে, তার কাছে উদ্ধার হওয়া সিসিটিভি ফুটেজ এবং একজন সাংবাদিকের ধারণ করা ভিডিও এই ঘটনার আসল রহস্য উন্মোচন করেছে। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, সম্রাট একটি নারীকে কাঁধে নিয়ে যাচ্ছে, এরই মধ্যে ওই নারী নিজেকে সোনিয়া বলে পরিচয় দেন। কিন্তু দু’দিন পরই সোনিয়ার পোড়া মরদেহ উদ্ধার হয়। এই ভিডিও ও ফুটেজের বিশ্লেষণে পুলিশ নিশ্চিত হয় যে, সম্রাটই মূল খুনি।

    পুলিশের মতে, সম্রাট একজন মানসিকভাবে অস্থির, ‘সাইকোপ্যাথিক’ কিলার। তার মূল টার্গেট ছিল ভবঘুরে মানুষ। বিভিন্ন তদন্তে জানা গেছে, সে লালটেক বা ব্যাংক কলোনি এলাকায় ছদ্মবেশে ঘোরাফেরা করত এবং ওই সকল স্থান থেকে বিভিন্ন সময় অপরাধ চালাত।

    এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এ ধরনের নৃশংস সিরিয়াল কিলিংয়ের খবর শুনে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন,

  • ট্রাম্পের ইউরোপের ৮ দেশের ওপর শুল্ক, গ্রিনল্যান্ডের অগ্রহণে জটিলতা

    প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনায় বাধা দেওয়ায় বৃহৎ ইউরোপীয় দেশের ওপর আরোপ করেছেন শুল্কের ঝড়। ডেনমার্কসহ উত্তর ও পশ্চিম ইউরোপের আটটি দেশকে লক্ষ্য করে তিনি ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। শনিবার ট্রুথ সোশ্যালের এক পোস্টে ট্রাম্প স্পষ্ট বলেছেন, যতক্ষণ না পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র সম্পূর্ণ ও নিঃশর্তভাবে গ্রিনল্যান্ড অর্থাৎ এই বহির্গামী দ্বীপটি কিনতে পারছে, ততক্ষণ এই শুল্ক কার্যকর থাকবে। এই তালিকায় রয়েছে ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস এবং ফিনল্যান্ড। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এই সব দেশের পণ্য আমদানি করলে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে যুক্তরাষ্ট্রে। ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, পরিস্থিতি যদি উন্নতি না ঘটে, তাহলে ১ জুন থেকে এই শুল্কের হার বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হবে। ট্রাম্পের মতে, গ্রিনল্যান্ড দখল করা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য। তিনি বলেন, ‘এই দেশগুলো অত্যন্ত বিপজ্জনক খেলা খেলছে, যা সহ্য করা যায় না। বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের এই দ্বীপের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া প্রয়োজন।’ তবে এই পদক্ষেপকে ইউরোপীয় দেশগুলো ‘অর্থনৈতিক ব্ল্যাকমেল’ হিসেবে দেখছে। ডেনমার্ক ইতিমধ্যে স্পষ্ট করে দিয়েছে, গ্রিনল্যান্ড বিক্রি невозможно। এর পাশাপাশি, ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যসহ সাতটি দেশ তাদের নিজ নিজ প্রতিনিধিরা ও সৈন্য পাঠিয়ে ডেনমার্কের সার্বভৌমত্বের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। ন্যাটো মিত্রেরাও এই শুল্কে বিরোধিতা জানিয়েছে। এর ফলে সাধারণত আমদানি শুল্কের অর্থ দেশটির রপ্তানিকারক বা আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারকে প্রদান করে। এর ফলে মার্কিন বাজারে ইউরোপীয় ব্র্যান্ড যেমন ভলভো, বিএমডব্লিউ বা এয়ারবাসের পণ্যের দাম দ্রুত বাড়তে পারে। এর বিপরীতে, ইউরোপীয় ইউনিয়নও মার্কিন পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করতে পারে, যা শুরু করবে বড়ো ধরনের বাণিজ্য যুদ্ধের আশঙ্কা। সূত্র: এপি, বিবিসি

  • খামেনি: বিক্ষোভের পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল জড়িত

    ইরানজুড়ে একাধিক সপ্তাহ ধরে চলা ব্যাপক বিক্ষোভ ও সহিংসতার ঘটনার পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সরাসরি দায়ী করেছেন দেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। শনিবার ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যমে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি অভিযোগ করেন, এই সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ষড়যন্ত্র কাজ করছে। তার মতে, এই ষড়যন্ত্রে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ব্যক্তিগতভাবে জড়িত ছিলেন। খামেনি আরও বলেছেন, বিদেশি শক্তিগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু পক্ষ দেশব্যাপী ব্যাপক রক্তপাত ও ধ্বংসযজ্ঞের জন্য দায়ী। তিনি উল্লেখ করেন, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত নানা শক্তি এই হামলা ও হত্যাকাণ্ড চালিয়ে হাজারো জীবন নষ্ট করেছে। দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা এই বিক্ষোভে বিদেশি শক্তিগুলোর অংশগ্রহণ স্পষ্ট, যা দেশজুড়ে অস্থিরতা তৈরি করেছে। তেহরান দাবি করেছে, দীর্ঘ দিন ধরে এই অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি ও উসকে দেয়ার জন্য বিদেশি শক্তিরা দায়ী। বিশেষ করে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এই বিক্ষোভে হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি আরও গুরুতর করে তুলছে। খামেনি সতর্ক করে বলেছেন, এই সংঘাত দেশের বাইরে ছড়িয়ে পড়বে না, তবে যারা এই পরিকল্পনায় যুক্ত তারা এর ফল থেকে নিস্তার পাবেন না। তিনি বলেন, “আমরা দেশের জন্য যুদ্ধ চাই না, কিন্তু দেশের অভ্যন্তরীণ কিংবা আন্তর্জাতিক অপরাধীদের জন্য শাস্তি নিশ্চিত করবো।” একই সঙ্গে, শনিবার এক ধর্মীয় উৎসবে নিজের সমর্থকদের উদ্দেশ্যে ভাষণে তিনি বলেন, “আমরা ইরানি জাতির বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ, ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের জন্য দায়ী, তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকেই দোষারোপ করছি।” খামেনি আরও বলেন, এটি মার্কিন ষড়যন্ত্র, যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে ইরানকে আবারও মার্কিন সামরিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আধিপত্যের নখদ Teethে আনা। সূত্র: এএফপি।

  • শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা

    পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি রুপির মানহানির মামলা দায়ের করেছেন রাজ্যের বিরোধীদল নেতা ও বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। এই মামলার কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেছেন, কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও শুভেন্দু নিজেই কয়লা কেলেঙ্কারিতে জড়িত বলে মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে মমতা এই গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গের আলিপুর আদালতে শুভেন্দু এই মানহানির মামলা করেন। নিজের এক্স (টুইটার) হ্যান্ডেলে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

    শুভেন্দু পোস্টের মাধ্যমে বলেন, ‘শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, আমি আমার দায়িত্ব পালন করেছি, আর আপনি জনগণকে বিভ্রান্ত করে যাচ্ছেন। কয়লা কেলেঙ্কারিতে আমার জড়িত থাকার বিষয়ে আপনার কাল্পনিক অভিযোগের পাশাপাশি মানহানির নোটিশের বিষয়ে আপনার জঘন্য অসম্মতিপূর্ণ নীরবতা আপনাকে এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি দেবে না।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমি বলেছিলাম, আপনার প্রতারণামূলক অপকর্মের জন্য আপনাকে আদালতে আনব। আজ আমি সেই মামলা দায়ের করেছি। দয়া করে দ্রুত আপনার অভিজ্ঞ আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন, নাহলে আপনাকে অবিলম্বে ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, যা আমি দাতব্য প্রতিষ্ঠানে দান করব।’

    প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে তৃণমূলের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের অফিস ও কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি তল্লাশি চালানোর প্রতিবাদে ৯ জানুয়ারি মুখ্যমন্ত্রী মমতা পথে নেমেছিলেন। অভিযোগ করেছিলেন, ভোটের আগে তৃণমূলের রণকৌশল চুরি করার জন্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা হানা দিয়েছেন। অন্যদিকে, ইডির দাবি ছিল, ২০২০ সালে পুরনো কয়লা মামলার তদন্তের জন্য তারা আইপ্যাকের অফিসে গিয়েছিলেন। এই বিরোধপূর্ণ বক্তব্যের জন্য এখনও বিতর্ক চলমান।

    তবে, ইডির অভিযানের পরদিন, প্রতিবাদরত জনতার সামনে হাজরা মোড়ে এক জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, ‘ইডি বলছে, কয়লা পাচার মামলার তদন্ত করতে এসেছিল। কিন্তু আসল প্রশ্ন, কয়লা চুরির টাকা কে খেয়েছে, কীভাবে খেয়েছে? এই সব টাকা গড্ডালিকা করে যায়। এখন তো এতটাই ঢুকে গেছে যে, সোনা (দত্তক পুত্র) হয়ে গিয়েছে। আরেকজন বড় ডাকাত জগন্নাথ, তিনি বিজেপির এক বড় নেতা। এইভাবে কয়লার টাকা জুটে যায় শুভেন্দু অধিকারীর কাছে, অমিত শাহের কাছে।’ এই বিষয়ে আরও বিশদ বিবরণ এনডিটিভি সূত্রে পাওয়া যায়।

  • ইরান প্রস্তুত স্থায়ী ইন্টারনেট বিচ্ছিন্নতার জন্য

    ইরান একপেশে খবর পাওয়া যাচ্ছে যে, তারা দেশের বৈশ্বিক ইন্টারনেট সংযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করার পরিকল্পনা করছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ান সূত্রে জানা গেছে, ইরানের সরকারি কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ২০২৬ সালের পর সীমাহীন ইন্টারনেটের প্রবেশাধিকার পুনরায় চালু করবে না। বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, এই চলমান যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা ব্যবহারে করে সরকার দীর্ঘমেয়াদি ডিজিটাল বিচ্ছিন্নতা কার্যকর করতে পারে, যা দেশের নাগরিকদের জন্য এক প্রকার প্রযুক্তিগত একান্ততা সৃষ্টি করবে।

    ইন্টারনেট স্বাধীনতা সংস্থা ফিল্টারওয়াচের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান সাধারণ সেন্সরশিপ ব্যবস্থা ছাড়াও একটি সম্পূর্ণ পৃথক জাতীয় সিল করা ইনট্রানেট চালু করতে চাইছে। এই ব্যবস্থা অনুযায়ী, শুধুমাত্র সরকারি অনুমোদন বা সুরক্ষা যাচাই প্রাপ্ত ব্যক্তিরাই এই স্বল্প পর্যায়ের নেটওয়ার্কে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। সর্বসাধারণের জন্য থাকবে শুধুমাত্র সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন, বাইরের দুনীর সঙ্গে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন এক ভার্চুয়াল নেটওয়ার্ক, যেখানে নাগরিকরা সীমিত কার্যকলাপ করতে পারবেন।

    সম্প্রতি মাসব্যাপী দেশব্যাপী বিক্ষোভ দমন করতে ইরান দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে। ফোন, ইন্টারনেট সেবা প্রায় সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। ইরানের শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বিক্ষোভের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করেন, যারা তিনি বলছেন সহিংসতা ছড়াচ্ছে এবং প্রতিবাদকারীদের সহায়তা দিচ্ছে। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এই প্রতিবাদকদের সমর্থন প্রকাশ করেছেন, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তোলে।

    মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, এই যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা মূলত বিক্ষোভ দমন কার্যক্রমের আড়ালে প্রকৃত সত্যটিকে গণমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ঢাকাধীচ্ছে। মার্কিন ভিত্তিক সংস্থা এইচআরএনএর তথ্যে জানানো হয়েছে, এ পর্যন্ত তিন হাজারের বেশি মানুষ হতাহত হয়েছেন, মূলত প্রতিবাদকারীরাই। তবে দেশ ত্যাগ করা ইরানিরা বলছেন, হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে।